শিরোনাম

Author Archives: Mohammad Kibria

বার্মিংহাম আল ইসলাহ’র দ্বি-মাসিক সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী: রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের আহ্বান

বার্মিংহাম প্রতিনিধি :  আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে বার্মিংহাম শাখার উদ্যোগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে বার্মিংহাম বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উপলক্ষে ঈদ পুনর্মিলনী ও দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শাখার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মাওলানা আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দীর সঞ্চালনায় উক্ত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাখার ক্যাশিয়ার হাজী সাহাব উদ্দিন, প্রেস ও পাবলিসিটি সেক্রেটারি মাওলানা এহসানুল হক, ট্রেইনিং এন্ড এমপ্লয়মেন্ট সেক্রেটারি মাওলানা বদরুল হক খান, এক্সিকিউটিভ মেম্বার হাজী তারা মিয়া, হাজী আব্দুল গফুর, হাজী মুদ্দছির আলী প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, যুগ যুগ ধরে বার্মায় রোহিঙ্গারা অমানবিক ভাবে নির্যাতিত হয়ে আসছেন। রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিজেদের দেশ থেকে উৎখাত করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। নারী-পুরুষ, অসহায় রোগী, শিশুসহ কেউই বার্মার সরকারী বাহিনী এবং বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের আক্রমন থেকে রেহাই পাচ্ছে না। অসংখ্য মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে।

বক্তারা বলেন, বার্মা থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেয়াই এই আক্রমনের লক্ষ। তাঁরা বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর এই অমানবিক নির্যাতন বন্ধ করতে বিশ্বের মুসলমান রাষ্ট্রগুলোকে ভ’মিকা রাখতে হবে। তাঁরা আরও বলেন, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা লাখো লাখো রোহিঙ্গা মুসলমানদের সাহায্য করা বিশ্বের মুসলমান রাষ্ট্রগুলোর অবশ্য কর্তব্য।

বক্তারা অবিলম্বে এই নির্যাতন বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে শান্তিতে বসবাসের সুযোগ দেয়ার জন্য বার্মার সরকারে প্রতি আহ্বান জানান।

শাহ সোহেল আমিন’র কবিতা

IMG_2005

 

 

 

মনুষ্যং শরণং গচ্ছামি

-শাহ সোহেল আমিন

 

প্রিয়তমা তোমার শুভ্রবুক হতে নাভিমূল অবধি

“আই”এর উগ্রতায় ব্যুৎক্রান্ত-

হরিয়েছো দেহের দুধে আলতা বালিকারং

নুয়ে পড়েছো দণ্ডিত ঔরসের ফুজিয়ামা ভারে।

অমীমাংসিত বলকানোর ঘনসঙ্গমে

তোমারই নিষিদ্ধ সম্পাদনা-ওয়শিংটন

এখন লাইকান থ্রপের পরিব্রাজক;

জেরুজালেম এক বিষাক্ত শঙ্খচুড়ের নাম-

অং সান যেনো ক্ষুধার্ত শকুনের আরেক নেকড়ে বসন!

 

হে লও পিয়াসী আরাকান-

বিদীর্ণ করেছ কি পাতা ও কুড়ির ত্রিশরণ,

মগেরমুল্লুকে হারিয়েছ কি-

“বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি

ধন্মং শরণং গচ্ছামি

শঙ্ঘং শরণং গচ্ছামি”

-তবে কেনো হোঁদল আর্তনাদে পরিতৃপ্ত রাখাইনের বাতাস-

নাফের সুনিপুণ ধারায় রক্তের নির্গতজল

সোনালী দিনের ডিমপাড়া ঘোড়ারএন্ডায়

উদ্বাস্তের অনিশ্চিত বাস-

বেয়নেটের খোচায় নেতিয়ে পড়া

ষোড়শীর মাংশ স্পর্শ করে গণ্ডারের ঠোঁট

উনুনপোড়া মোরগের তন্দুরি হয় জঠরের সুপ্ত শিশু!

 

প্রিয়তমা পরিশোধিত হও-

সুললিত করো তোমার বেবন্দেজশরীর

তুন্দের উঁকি দেওয়া মাইলেনেওরাদের

উদ্ঘাটন করো; সামঞ্জস্য করো-

মনুষ্যং শরণং গচ্ছামি

মনুষ্যং শরণং গচ্ছামি

মনুষ্যং শরণং গচ্ছামি।

মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া’র কবিতা

M G Kibria

 

 

কথোপকথন : পিতা পুত্র

মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া

পিতা: শোনো, এটি পরিবর্তনের সময় নয়
একটু শান্ত হও
সবকিছু সহজ ভাবে নাও
এখনো তুমি ছোট্টটি
সবকিছু জানতে চাও
এটুকুই তোমার ত্রুটি
যদি কোন সুখ বালিকা পাও
ঠিকঠাক জীবনসঙ্গী করে নাও
দেখছ না আমাকে
জীবনের ওপারে উপনীত
তবু জীবনের আলোয় বিমোহিত
একদিন আমারও যৌবন ছিল তোমার মত।

জানি পাওয়াা সহজ নয়
তবু চেয়ে যেতে হয়
হয়তো বুঝিবে যেতে
চলছে সব আপন পথে
একটু সময় নাও
মম পানে তাকাও আর শান্ত হও
হয়তো আগামি ভোরে স্বপ্নরা হারিয়ে যাবে
কেবল তুমিই রয়ে যাবে!

পুত্রঃ কীভাবে বোঝাই সব কিছু
ধরতে যাই তারে
সে চলে অতীতের পিছু পিছু
বাজে পুরাতন সূর বিমর্ষ ইথারে।

যেদিন কথা বলা শুরু
আদেশের শুরুও সেদিন থেকেই
শুধু শুনে যাও শুধু শুনেই যাও।

কিন্তু এখনতো সেই পথ সমাগত
আর আমাকে জানতেই হবে
জানতেই হবে আমাকে
পিতার স্বপ্ন কতটা মম স্বপ্নের বাহক
কেননা, যেতে হবে দূর-বহুদূর
খুজে পেতে হবে পিতার বুকের অধরা সুর।

পিতাঃ এটা পরিবতর্নের সময় নয়
একটু বসো, শান্ত হও
এখনো তুমি ছোট্টটি
সবকিছু জানতে চাও
এটুকুই তোমার ত্রুটি
যদি কোন সুখ বালিকা পাও
ঠিকঠাক জীবনসঙ্গী করে নাও
দেখছ না আমাকে
জীবনের ওপারে উপনীত
তবু জীবনসুখে বিমোহিত।

পুত্রঃ প্রতিটি মুহূর্তে আমি কেঁদেছি
কেঁদেছি সত্যটুকু লভিবার তরে
জানি এর সন্ধান পাওয়া কঠিন
তার চেয়েও কঠিন
অবহেলায় ছুড়ে ফেলা তোমার স্বপ্নগুলো
তাইতো কেঁদেছি সারাবেলা
কেঁদেছি অবেলায় অসংলগ্ন মর্মযাতনায়
তবু চলেছি পথ
জানি যেতে হবে দূর বহুদূর
অসময়ের এই অবেলায়।

মূলঃ কেট স্টিভেন

হাতের লেখার মর্মকষ্ট

kib-prof

মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া

নিজের হাতের লেখাটা এখন যে কেমন হয়েছে, তা বোঝতে পারি না। এক সময় কোথাও বসলে, হাতের কাছে কাগজ কলম পেলেই আঁকিবুকি করতাম। হাতের লেখাটা খুবই প্রিয় ছিলো আমার। আমার একান্ত নিজস্ব একটা সম্পদ- হাতের লেখাটা। স্বরে-অ থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত প্রতিটি অক্ষর একান্তই আমার নিজের মতো করে লিখতে শিখা। ছেলেবেলায় অক্ষরগুলোকে যেভাবে লিখতে শিখেছিলাম, সময়ের পরিক্রমায় শেষ পর্যন্ত শব্দগুলো একই ধাঁচের চেনা আকৃতিতে ক্রমান্বয়ে বেড়ে উঠেছে। নিজ হাতের অক্ষরগুলো নিজস্ব অস্তিত্বেরই একটা অংশ হয়ে গিয়েছিলো।
এসএসসি পরীক্ষার আগে বীজগণিত চর্চা করতে গিয়ে মান নির্ণয়ের কিছু অংকের প্রতি আমার একটা আশ্চর্য টান সৃষ্টি হয়েছিলো। আসলে অংকগুলোর মধ্যে কিছু কিছু সংখ্যা ছিলো যেগুলো আমার খুবই ভালো লাগতো। তাই কোথাও বসে যখনি আঁকিবুকি করতাম তখন বেশিরভাগ সময়েই ’47’ লিখতাম। 4 ও 7 এ দু’টো সংখ্যা আমি কত হাজার বার যে লিখেছি তা জানি না। কেন জানি এ দু’টো সংখ্যার প্রতি আমার এক ধরনের বিশেষ টান সৃষ্টি হয়েছিলো।
হয়তো এর কোন মনোস্তাত্বিক ব্যাখ্যা রয়েছে। তবে আমি জানি না। এ ব্যাপারে আগে ভাবিনিও কখনো।
এছাড়াও বাংলায় একটি শব্দ লিখতাম- তা হলো ‘কাগজ’। কলম-কাগজেতো লিখেছি, কাঠি দিয়ে মাটির ওপরে লিখেছি, পায়ের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে বালির গায়ে আঁচড় কেটে ‘কাগজ’ শব্দটি হাজারো বার লিখেছি। কেন যে ‘কাগজ’ শব্দটির প্রতি এমন মায়া সৃষ্টি হয়েছিলো তাও জানি না।
তবে, প্রতিবারই শব্দ এবং সংখ্যাগুলো লেখার সময় ভিন্ন ভিন্ন রূপ দেয়ার চেষ্টা করতাম। জানি না, কেন যে করতাম- তা একেবারেই অজানা।
বর্তমান সময়ে এসে কীবোর্ড টিপে টিপে লিখতে গিয়ে কখন কোন ফাঁকে যে নিজের লেখার রং ও রূপটাকে হারাতে বসেছি তা ভেবে ভেবে মাঝে মাঝে খুবই কষ্ট হয়। মাঝেমাঝেতো দমটাই বন্ধ হয়ে আসে। যেন কোন শিশুর প্রিয় কোন খেলনা হারিয়ে যাবার কষ্ট। গুমড়ে গুমড়ে বুক-ভাঙ্গা অদম্য কান্নার কষ্ট, যেন বুক ভেঙ্গে যায়।
আমার এসব বিষয়গুলো খুব একটা স্বাভাবিক ব্যাপার নয় বলেই মাঝে মাঝে ভাবি। মাঝে মাঝে এ জাতীয় অনুভূতিকে প্রশ্রয় দেবো না বলে নিজেকে শাসাই। কিন্তু মাঝে মাঝে নিজের মাঝে হারাতে হারাতে সহসাই সম্বিত ফিরে পেতে পেতে খেয়াল করে দেখি আমি আমার হাতের লেখাকে নিয়েই ভাবছি। সব সময় যে এমন ঘটে তা নয়। তবে মাঝে মাঝেই ঘটে। যখন ঘটে তখন নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি না, নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিজের সাথে যুদ্ধ করতে হয়।
এমনিতেই ধুলোমলিন আমার এই ভূগোলকে নানাবিধ কষ্টের সমাহার প্রতিমুহূর্তে এসে সব কিছু ওলট-পালট করে দেয়। এর মধ্যে যদি হাতের লেখার কষ্টে বুকটা হাঁসফাঁস করে তাহলে কোথায় যাই! কার কাছে আশ্রয় খুঁজি।
আচ্ছা, মানব-জন্মটা কি অসংখ্য কষ্টের অসহ্য মর্মযাতনায় পরিবেষ্টিত একটি সুশৃঙ্খল হাহাকার, যার কোন শেষ নেই!

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী ২৫ অক্টোবর

বার্মিংহাম, ৫ সেপ্টেম্বর: যুক্তরাজ্যে বসবাসরত হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে গত ৪ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামের স্মলহিথের স্থানীয় একটিIMG_5814 হলে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী তাহের আহমদ এবং যুগ্মভাবে পরিচালনা করেন স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ ইয়াওর উদ্দিন ও মোঃ আব্দুল বাতেন।IMG_5849
সভায় জানানো হয়, ১৯৭৭ সালে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর এটিই হবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রথম পুনর্মিলনী। পুনর্মিলনীকে সাফল্যমণ্ডিত ও সকলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করার লক্ষে বিগত ১৭ আগস্ট বুধবার বার্মিংহামে এবং ২৩ আগস্ট বুধবার লন্ডনে দুটো সIMG_5825ভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রছাত্রীর আয়োজনে ইনাতগঞ্জের সকল মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উন্মুক্ত পুনর্মিলনী আয়োজনের লক্ষে গত ৪ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা সম্মিলিত হন। সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে অক্টোবর মাসের ২৫ তারিখ বুধবার বার্মিহামে পুনর্মিলনী আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বার্মিংহাInathgonj School 2মের মাল্টিপারপাস সেন্টারে দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত পুনর্মিলনীর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপস্থিত থাকার জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে নিমন্ত্রণ করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ইমরানের কুরআন তেলাওয়াতের পর সভায় বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালিন ছাত্র হেলাল আহমদ খালেদ, মোঃ সিরাজ উদ্দিন, সৈয়দ ইকবাল আহমদ (সৈয়দ আতর আলী) মোঃ নুর আহমদ, মোঃ মঈন উদ্দিন, বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্খি নাসির আহমদ শ্যামল, মোঃ ফিরোজ উদ্দিন, মকবুল খান আমির সহ অন্যান্য ব্যাচের মধ্যে আব্দুল বাতেন, মহিবুর রহমান, মোঃ আব্দুস সোবহান, দেলোয়ার হোসাইন দিপু, মোঃ দিলবার হোসাইন, মোঃ মশিক আলম, জাফর আহমেদ আজিজ, গোলাম কিবরিয়া আনহার, মোঃ জুবায়ের চৌধুরী, রুকুম আহমেদ, কবির হুসেন, আছাবুর রহমান জীবন, শাহিন খান, দিলাওর রহমান চৌধুরী, আব্দুল হালিম, আব্দুল কাইয়ুম, দুলেনূর হাসান, শাহিন আহমেদ, কামাল হোসেন, আক্তার হোসাইন আলী প্রমুখ।
আসন্ন পুনর্মিলনীকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলার লক্ষে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভাকঙ্খিদের সম্পৃক্ত করার জন্য কমিটির প্রত্যেকের ওপর দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

আল্টমাস লেলিনের কবিতা

Lelin 2

 

 

আল্টমাস লেনিন

একাকিত্ব

 
একাকিত্ব আমার ভাল লাগে
কখনো কখনো,
যখন আমি নস্টালজিয়ায় ভোগী।
মনে পরে যায় অনেক কথা,
অনেক হাসি, অনেক কান্না
অনেক স্মৃতি বিজরীত ঘটনা-দূর্ঘটনা।
সে সব কথা ভেবে কখনো আনন্দের
এক চিলতে হাসি ফুটে উঠে।
আবার কখনো কষ্টের নীলিমায়
নীলাম্বরী হয়ে চোখ দুটি অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠে।
হাতছানি দিকে অতীত যেন ডেকে বলে,
এসো, এসো আমার মনের গহীনে
অবগাহন করে আমায়।
অনেক মুখচ্ছবি ভেসে উঠে মনের আয়নায়,
আবার অনেক মুখচ্ছবি মলিন হতে গেছে,
স্মৃতি যেন খুঁজে ফিরে বেড়ায় তাদের।
করতোয়া নদী হতে বংশী নদী পর্যন্ত
কত না সুখ- দুঃখ- আনন্দে ঘেরা স্মৃতি
আজ বেদনার নীল কারাগারে বন্দী।
আজ আমি একা, বড্ড একা
আমার একাকিত্বের অংশিদার
শুধু আমিই একা।।।

বিশ্ব জুড়ে বিশুদ্ধ ভাবে আল কোরআনের খেদমতে দারুল ক্বিরাতের অবদান উল্লেখযোগ্য -আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

বার্মিংহাম: ইউকে বার্মিংহাম লজেলস উইলস স্ট্রিট বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার এন্ড জামে মসজিদে ইউকে অনুমোদিত দারুল ক্বিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের অধীনে সামার হলিডে উপলক্ষে মাসব্যাপী পবিত্র কোরআন শরীফ বিশুদ্ধ ভাবে পাঠ দান সম্পন্ন হয়েছে। পাঠ দান শেষে গত ২৬ আগস্ট শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বার্মিংহাম আস্টন বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারে ছাত্র/ছাত্রী ও শিক্ষকদের এ্যাওয়ার্ড প্রদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবক, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও উলামায়ে ক্বেরামগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ছাত্র/ছাত্রীদের ক্বেরাত ও নাশিদ পরিবেশনায় সভাস্থল মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আলহাজ নাছির আহমদের সভাপতিত্বে ও সেন্টারের প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি হযরত আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের মেয়র আলহাজ আহমেদ উল হক এমবিই, বার্মিংহাম সিরাজাম মুনিরা জামে মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারের খতিব আলহাজ হাফিজ সাব্বির আহমদ। Al Islah
সেন্টারের সেক্রেটারি আলহাজ আজির উদ্দিন আবদাল ও সেন্টারের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাওলানা বদরুল হক খান’র শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে হযরত আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন দলের প্ররোচনায় মুসলমানরা বিভ্রান্ত হতে চলেছেন। এই দলগুলো পবিত্র কুরআন সহীহ-শুদ্ধ ভাবে শিখার উদ্যোগ না নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, এই দলগুলোর বড় বড় নেতার চেয়ে দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী থেকে শুদ্ধ ভাবে কুরআন শিক্ষা নেয়া ছাত্র/ছাত্রীদের কুরআন তেলাওয়াত অনেক বেশি শুদ্ধ। তিনি বলেন, বিশুদ্ধ ভাবে কোরআন তেলাওয়াত করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ। বিশুদ্ধ ভাবে কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা দেয়ার জন্য দেশ বিদেশে প্রতি বছর দারুল ক্বিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের অধীনে হাজার হাজার ছাত্র/ছাত্রীকে পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশুদ্ধ ভাবে কোরআন শিক্ষা দানের ক্ষেত্রে দারুল ক্বেরাতের অবদান বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি আরও বলেন, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে বিশুদ্ধ ভাবে কোরআন শিক্ষা গ্রহণের জন্য অভিভাবকদের সচেতন ভাবে কাজ করতে হবে। তাদেরকে কোরআন ও হাদিসের শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের শিক্ষার মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম  দ্বীনের পথে জীবন পরিচালনায় উৎসাহিত হবে। তিনি মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কাজে লিপ্ত লা-মাযহাবি, আহলে হাদিস প্রভৃতি বাতিল ফিরকা থেকে নিজেদের এবং ভবিষ্যত প্রজন্মদের নিরাপদ রাখার জন্য সকল অভিভাককে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ কাজী আংগুর মিয়া, মোঃ গাবরু মিয়া, ফাউন্ডার মেম্বার হাজী আবুল হোসাইন ছাত্তার মিয়া, বাংলাদেশ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ফিরুজ খান, বার্মিংহাম আনজুমানে আল ইসলাহ’র ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মাওলানা আতিকুর রহমান, ক্যাশিয়ার হাজী মোঃ সাহাব উদ্দিন, সেন্টারের শিক্ষক মাওলানা এহসানুল হক,  হাফিজ রুমেল আহমদ, হাফিজ বদরুল ইসলাম, সেন্টারের ক্যাশিয়ার হাজী তেরা মিয়া, সহকারী ক্যাশিয়ার হাজী রজব আলী, কমিউনিটি নেতা ফখর উদ্দিন, আস্টন এডিংটন রোড জামে মসজিদ কমিটির চেয়ারম্যান সফিক মিয়া চৌধুরী গনি, আহমেদ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ডাইরেক্টার শাফি আহমেদ, সিলেট স্পোর্টিং ক্লাবের চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া প্রমুখ।
সভা শেষে বিশেষ মুনাজাতে বিশ্ব মুসলিমের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া করা হয়।

নবীগঞ্জে ৫’শ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য দপ্তর এর আয়োজনে গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। ২০১৭/১৮ আর্থিক সালে রাজস্ব খাতের আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে প্রায় ৫’শ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকতা শাহ মোঃ এনামুল হক, উপজেলা পরিষদের চেয়্যারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজিনা সারোয়ার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী, জেলা পরিষদের মেম্বার আব্দুল মালিক, নবীগঞ্জ থানার ও সি এস এম আতাউর রহমান, মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম, মোঃ তানজিমুল ইসলাম, মোঃ রাশেদুজ্জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আমিনুর রহমান চৌধুরী সুমন, প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার, যুবলীগ নেতা সুমন আহমদ প্রমুখ। এ সময় উপজেলা পুকুরে, উপজেলা হাসপাতাল পুকুর, নবীগঞ্জ সরকারি কলেজ পুকুরসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

নবীগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামি গ্রেফতার

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নে আলোচিত কসবা গ্রামের ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামি ছালেহ আহমদের পুত্র পারভেজ মিয়া (৩০)-কে গ্রেফতার করেছে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ । জানান যায়, গত রবিবার রাতে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ীর এস আই ধর্মজিৎ সিনহা একদল পুলিশ নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কসবা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন। নবীগঞ্জ থানার মাধ্যমে তাঁকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এস আই ধর্মজিৎ সিনহা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

বার্মিংহামের লজেলস বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টারের দারুল ক্বিরাতের এ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান ২৬ আগস্ট শনিবার

হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী, বার্মিংহাম থেকে: কুরআন শিক্ষার বিশ্বখ্যাত অন্যতম প্রতিষ্ঠান দারুল ক্বিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট ইউকে বার্মিংহাম লজেলস উইলস স্ট্রিট বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার এন্ড জামে মসজিদ এর উদ্যোগে সামার হলিডে উপলক্ষে চার সপ্তাহব্যাপি পবিত্র কুরআন শরীফ তাজবিদের সাথে সহিহ-শুদ্ধ ভাবে শিক্ষা দান সম্পন্ন হয়েছে। দারুল ক্বিরাতের ছাত্র-শিক্ষকদের এ্যাওয়ার্ড প্রদান ও বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে আগামি ২৬ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টার সময় বার্মিংহামের আস্টন বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারে এক সভার আহ্বান করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ইসলামিক স্কলার হযরত আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ সরকারের মেয়র, কাউন্সিলর, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এবং ওলামায়ে ক্বেরামগণ উপস্থিত থাকবেন। উক্ত অনুষ্ঠানে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। আগতদের জন্য আপ্যায়নের বন্দোবস্ত রয়েছে।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net