শিরোনাম

Author Archives: Matiar Chowdhury

বাংলাদেশ মিশনের উদ্যোগে লন্ডনে কেক কেটে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

লন্ডন থেকে মতিয়ার চৌধুরীঃ সশস্ত্র বাহিনী দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক গৌরবোজ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং বীর মুক্তিসেনারা সম্মিলিত ভাবে দখলদার পাকিস্থানী হানাদারদের উপর সম্মিলিত ভাবে আক্রমন শুরু করে। চারিদিক থেকে আক্রমনে বির্যস্থ হয়ে পড়ে পাকবাহিনী। ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাক বাহিনী ভারত-বাংলা মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পনে বাধ্য হয়। আমরা অর্জন করি বিজয়। বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেয় নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের সেই বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিবছর ২১ নভেম্বর দিনটিকে জাতীয় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। জাতীয় ভাবে আয়োজন করা করা হয় জাতির শ্রেষ্ট সন্তানদের সম্বর্ধনা ও নানা অনুষ্টানের।
3প্রতিবছরের ন্যায় এবারও লন্ডন্থ বাংলাদেশ মিশন লন্ডনে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে আয়োজন করে এক ব্যতিক্রমী অনুষ্টান মালার। গতকাল ২১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচ ঘটিকায় টেমস নদীর তীরে ৪ আলবার্ট এমবেকমেন্ট লেমবাথে আয়োজন করে সম্বর্ধনা ও ডিনারপার্টির। অনুষ্টানে উপস্থিত হন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা । আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ব্রিটিশ সেনা নৌ বাহিনীর সদস্য, এমপি,লর্ডসভার সদস্য, লন্ডনে কর্মরত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কুটনীতিক, বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট জনেরা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠননের নেতৃবৃন্দ ও ৭১‘র শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা। 3
লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সেলার মিঃ আবেদিনের সঞ্চালনায় অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের ডিফেন্স এডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ.কে.এম. আমিনুল হক এএফসি,পিএসসি,সিএসই। স্বাগত বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার আমিনুল হক শ্রদ্ধাভরে স্মরন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, তিনি বলেন জাতির জনক ৭১‘র ৭ইমার্চ জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান, এর পর থেকে বাঙ্গালী জাতি যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে, তিনি আবার ২৬ মার্চ সরাসরি স্বাধীতার ঘোষনা দেন। অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল এম এ জি ওসমানীকে প্রধান করে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ, তৎকালীন পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যে সব বাঙ্গালী ছিলেন তাদের অনেকেই পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীর অবদানের কথা শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করেন, স্মররন করেন তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে। তিনি বলেন বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী একটি সুশৃঙখল বাহিনী, এই বাহিনীকে শক্তিশালী করতে কাজ করে গেছেন জাতির জনক তার পথ অনুসরণ করে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনা বাহিনীকে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্টা করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে কর্মরত বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা সুনামের সাথে কাজ করছে। অতিথিদের সাথে নিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কেক কাটেন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেলর এ.কে.এম. আমিনুল হক এএফসি,পিএসসি,সিএসই। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাকিমিশনার নাজমুল কাওনাইন বলেন বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী দেশ পূনগঠনে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক শান্তি মিশনে কাজ করে আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা দেশের ভাবমূর্তি উজ্বল করছে। দেশের দুর্যোগ মূহুর্থে দেশবাসীর পাশে দাড়ায় সেনাবাহিনী, বর্তমানে রোহিঙ্গা শরনার্থিদের পাশে দাড়িয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। অনুষ্টানে সশস্ত্রবাহিনী দিবসে একটি ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়। সব শেষে আগত অতিথিদের সম্মানে আয়োজন করা হয় নৈশভোজের।

যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির কর্মী সভা

লন্ডনঃ বৃটেনে জাতীয় পার্টির নতুন কমিটি গঠন ও কনফারেন্সকে সফল করতে যুক্তরাজ্য শাখা জাতীয় পার্টির কনভেনিং কমিটির এক জরুরী সভা গেল ১৬ নভেম্বর রাতে পেডিংটনের তাজ মহল রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির কনভেনার কাউন্সিলার শামসুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচীব সাহেদ আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় দেশব্যাপী সদস্য সংগ্রহ, ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড নিয়ে আলোকপাত করেন জাতীয় পার্টির ইউরোপীয়ান কো-অর্ডিনেটর মুজিবুর রহমান মুজিব, জয়েন্ট কনভেনার অ্যাডভোকেট এবাদ হোসেন, ইউকে কনভেনিং কমিটির সদস্য মাসুক আহমদ, জয়নাল উদ্দিন, সায়েফ রহমান, গ্রেটার লন্ডন শাখার কনভেনার আজম আলী, সদস্য সচীব শাহ শাহিদুর রাহমান ও জবলুল ইসলাম লনী প্রমুখ। সভায় বক্তারা একমত পোষন করে বলেন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃটেন থেকে যারা নির্বাচনে অংশ নেবেন তাদের বিজয় নিশ্চিত করতে বিশেষ করে সিলেট ৬ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট এবাদ হোসেন ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী শাহ শাহিদুর রাহমানের পক্ষে এখন থেকে প্রচারনা চালানো সহ দেশে বিদেশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের কাজ করার আহবান জানান।
(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)

বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে আমাদের জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা

লন্ডন: জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনই ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষনা, এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আদেশ প্রদান করেন। তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলেছিলেন ‘‘আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমার যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়াও শত্রুর মোকাবেলা কর,‘‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তার এই ভাষনের পরই ৮তারিখ থেকে দেশব্যাপী সাধারন মানুষ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে, এটাই সত্য এবং প্রকৃত ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষটির বিভিন্ন দিক রয়েছে, এনিয়ে বিশ্বব্যাপী আরো গবেষণা হবে, অনেকই এর উপর পিএইচডি করবে। তার এই ভাষনের প্রতিটি শব্দই গবেষণার দাবী রাখে। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো।
জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখা আয়োজিত আনন্দ সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে আমাদের জাতি হিসেবে প্রতিষ্টা করেছেন, এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা । বঙ্গবন্ধুর কারনে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা এবং আমাদের জাতীয় পরিচয়। বঙ্গবন্ধু -বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা আমরা কোন দিনই বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতে পারতামনা। বুধবার (৯নভেম্বর) পূর্ব লন্ডনের মক্কাগ্রীল রেস্টুরেন্টে আয়োজিত আনন্দ সভার শুরুতে একে অন্যকে মিষ্টি মুখ করান বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরামের যুক্তরাজ্য ও লন্ডন শাখার নেতৃবৃন্দ। বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখার সভাপতি বাতিরুল হক সরদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থিত বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ, যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিব্যারিস্টার এনামুল হক। সভায় বক্তব্য রাখেন গ্রেটারলন্ডন শাখার সহসভাপতি নারীনেত্রী নাজমা হোসেন, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সায়াদ আহমদ সাদ, সোনার তরি’র যুগ্ম আহবায়ক ও কন্ঠশিল্পী রুমি হক, বঙ্গবন্ধু ইয়াং রাইটার্স ফোরামের সভাপতি সেজুতি মনসুর, বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরাম লন্ডন শাখার সহ- সভাপতি ছড়াকার সৈয়দ হিলাল সাইফ, সহ -সভাপতি লেখক নূরুন্নবী আলী, সদস্য আনহার মিয়া, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য শাহ রাসেল এবং আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে মিসবাহ মাসুম, দুলাল আহমেদ, এনামুল হক, সাইফুল আলম লিটন ও রবিউল হাসান ভূঁইয়া প্রমুখ। উল্লেখ্য, উনিশ শ’ একাত্তর (১৯৭১)সালে সাতই মার্চ ঢাকায় রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতাকামী মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব -কালজয়ী এ ভাষণটি দিয়েছিলেন। এ ভাষণের তেজ ধরেই বীর বাঙ্গলীরা স্বাধীনতার মরণপণ যুদ্ধে অস্ত্রহাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।এ ভাষণটিই বিশ্বসেরা ভাষণরূপে -এ বছর (২০১৭ সালে ) ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলো।

জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনই ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষনা

লন্ডন: জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনই ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষনা, এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আদেশ প্রদান করেন। তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলেছিলেন ‘‘ আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমার যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়াও শত্রুর মোকাবেলা কর।‘‘ এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তার এই ভাষনের পরই ৮তারিখ থেকে দেশব্যাপী সাধারন মানুষ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে, এটাই সত্য এবং প্রকৃত ইতিহাস।
বঙ্গবন্ধুর এই ভাষটির বিভিন্ন দিক রয়েছে, এনিয়ে বিশ্বব্যাপী আরো গবেষণা হবে, অনেকই এর উপর পিএইচডি করবে। তার এই ভাষনের প্রতিটি শব্দই গবেষনার দাবী রাখে। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখা আয়োজিত আনন্দ সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে আমাদের জাতি হিসেবে প্রতিষ্টা করেছেন, এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা । বঙ্গবন্ধুর কারনে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা এবং আমাদের জাতীয় পরিচয়। বঙ্গবন্ধু -বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা আমরা কোন দিনই বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতে পারতামনা। বুধবার (৯নভেম্বর) পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের শুরুতে একে অন্যকে মিষ্টি মুখ করান বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরামের যুক্তরাজ্য ও লন্ডন শাখার নেতৃবৃন্দ। পরে বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখার সভাপতি বাতিরুল হক সরদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক , কলামিস্ট ফোরামের যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ, বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সভাপতি নাজমা হোসেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার এনামুল হক, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সায়াদ আহমদ সাদ, সোনার তরি’র যুগ্ম আহবায়ক ও কন্ঠশিল্পী রুমি হক, বঙ্গবন্ধু ইয়াং রাইটার্স ফোরামের সেজুতি মনসুর, বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরাম লন্ডন শাখার সহ- সভাপতি ছড়াকার সৈয়দ হিলাল সাইফ, সহ -সভাপতি লেখক নূরুন্নবী আলী, সদস্য আনহার মিয়া, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য শাহ রাসেল এবং আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে মিসবাহ মাসুম, দুলাল আহমেদ, এনামুল হক, সাইফুল আলম লিটন ও রবিউল হাসান ভূঁইয়া সহ আরো অনেকে ।
উল্লেখ্য, উনিশ শ’ একাত্তর (১৯৭১)সালে সাতই মার্চ ঢাকায় রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত লক্ষাধিক স্বাধীনতাকামী মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব -কালজয়ী এ ভাষণটি দিয়েছিলেন। এ ভাষণের তেজ ধরেই বীর বাঙ্গলীরা স্বাধীনতার মরণপণ যুদ্ধে অস্ত্রহাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।এ ভাষণটিই বিশ্বসেরা ভাষণরূপে -এ বছর (২০১৭ সালে ) ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলো।

তিন দিনের চিল্লা শেষে কবর থেকে উঠে এসেছেন নবীগঞ্জের জিন্দা শাহ

উত্তম কুমার পাল হিমেলঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কবরে ৩দিনের চিল্লা শেষে সম্পুর্ণ অক্ষত অবস্থায় কবর থেকে উঠে এসেছেন জিন্দা শাহ । জিন্দা শাহ নামের এই ব্যক্তির অদ্ভুত কর্মকান্ড নতুন নয় এর আগে ও একাধিক বার তিনি কবরে চিল্লায় গেছেন। এঘটনায় উপজেলা জুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে । গত শনিবার রাতে কবরবাসে যান জিন্দা শাহ । এমন কর্মকান্ডকে ‘ভন্ড পীর বলেও মন্তব্য করছেন অনেকেই। জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌর এলাকার তিমিরপুর গ্রামের বাসিন্দা জিতু মিয়া। বয়স ৭০ বছরের বেশি হবে। জিতু মিয়া নিজেকে জিন্দা শাহ দাবী করেন। এমনকি এলাকার তিনি জিন্দা বাবা নামেও পরিচিত । গত শনিবার রাত ৩ টার সময় জিন্দা শাহ নিজের ঘরের ভিতরে একটি কবর খনন করে ৩দিনের চিল্লায় চলে যান কবরবাসে। তারপর তিন দিন তিন রাত শেষে মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে কবর চিল্লা শেষে অক্ষত অবস্থায় উঠে আসেন জিন্দা শাহ। 1
এ সময় জিন্দা শাহ’র বাড়িতে উৎসুক জনতার ভীড় ছিল লক্ষনীয় । কবর থেকে উঠে এসে জিন্দা শাহ জিতু মিয়া (জিন্দা শাহ) প্রতিবেদকে জানান, ৩দিন ৩রাত শেষে আজ উঠে এসেছি । প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমার সঙ্গে প্রতিবারের মতো এবার ও ৩শ গ্রাম আঙ্গুর ছিল,কবর চিল্লা এখানেই শেষ । কিছুদিনের ভিতর ওরস করবো এবং যদি কেউ স্থান দেয় তাহলে অগ্নি চিল্লা ও পানি চিল্লা করবো । জানা গেছে,জিতু মিয়া (জিন্দা শাহ) কবরে যাওয়া এবারই প্রথম নয়! এর আগেও তিনি একাধিকবার কবরে অবস্থান করেছেন। এমনিক পানিতে ভেসেও রাত কাটিয়েছেন। জিন্দা শাহ, গত ৪৫ বছর ধরে ভারতসহ দেশের বিভিন্ন মাজারে মাজারে ‘সাধনা’ করেছেন। তিনি হবিগঞ্জ শহরতলীর মরহুম আধ্যাত্মিক সাধক দেওয়ান মাহবুব রাজার ভক্ত। স্বপ্নের মাধ্যমে মাহবুব রাজার কাছ থেকে ‘চিল্লা’য় যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন তিনি। জিতু মিয়ার মূল বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলায়। কিন্তু পাঁচ বছর ধরে নবীগঞ্জ উপজেলার তিমিরপুর গ্রামে বাস করছেন তিনি। এর আগেও তিনি ১১বার কবরে চিল্লা দিয়েছেন বলে জানা গেছে । সংসার জীবনে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ের পিতা। কিন্তু সংসারে তিনি থাকেন না। সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়েন। জিন্দা শাহর কবর চিল্লায় যাওয়ার ঘটনায় শিরিক আখ্যায়িত করে মাওলানা আব্দুর রকিব হাক্কানী নামে একব্যাক্তি বলেন বর্তমানে আমাদের সমাজে কিছু লোক আছে নানা কু-সংস্কার জড়িত এটা ভন্ডামি ছাড়া আর কিছু নয়।

আবারও অবৈধ দখলের কবলে সিলেটের তারাপুর চা বাগান

সিলেট থেকে বিশেষ প্রতিনিধিঃ বহুল আলোচিত সিলেটের তারাপুর চা বাগানটি অযত্ন আর অবহেলায় দিন দিন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। নেই আগের সেই পরিচর্চ্চা। অবাধে গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে সেই সাথে তৈরী হচ্ছে শত শত অবৈধ স্থাপনা এবং নতুন নতুন দোকান কোঠা।এমন অভিযোগ স্থানীযদের। পাঠানুটলা, গোয়াবাড়ি, করেরপাড়াসহ বাগানটির আসপাশের বাসিন্দারা বিষয়টি লিখিতভাবে সিলেটের জেলা প্রশাসককেও জানিয়েছেন। তার পরেও চলছে দখল বানিজ্য। অদৃশ্য কারনে প্রশাসনও পালন করছে নীরব ভূমিকা।
জেলা প্রশাসক বরাবরে পাঠানো অভিযোগ পত্রে বলা হয় ২০১৬ সালে আদালতের রায়ে বাগানটি যখন পূনরায় দেবত্তর সম্পতি হিসেবে গণ্য হয় তখন তারা আশা করেছিলেন বাগানটি আগেকার অবস্থায় ফিরে আসবে, সেই সাথে উন্নয়ন করা হবে বাগানের। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। দেখা যাচ্ছে এর ‍উল্টো চিত্র। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল বানান থেকে স্থাপনা উচ্চেদ সহ বাগানটিকে আগরে অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে। যদিও প্রচলিত আইনে রয়েছে বাগান এলাকায় কোন বানিজ্যিক প্রতিষ্টান বা আবাসিক স্থাপনা তৈরী করা যাবেনা, তার পরেও সিলেটের কথিত দানবীর রাগিব আলী বাগানের অভ্যন্তরে প্রতিষ্টা করেছে কলেজ হাসপাতাল সহ শত শত বাড়ী ঘর। আদালেতের আদেশ থাকা সত্বেও প্রশান উচ্ছেদ অভিযান পরিচলনা তো দূরের কথা নতুন করে তৈরী হচ্ছে আবারও নতুন নতুন স্থাপনা।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, গত এক বছরে চা বাগানের পরিচর্চ্চা অর্থাৎ ঘাস ছাটাই করা হয়নি কোন প্রকার সার প্রয়োগ করাও হয়নি। তারা বর্তমান মালিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে বলেন, বর্তমান মালিক পংকজ কুমার গুপ্ত বাগানের শত শত সেইড গাছ কেটে বাগানকে একটি পরিত্যাক্ত বাগানে পরিনত করেছেন। এছাড়া তিনি রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের উত্তর পাশে চা গাছ উপড়ে ফেলে ১৮টি দোকান তৈরী করে তা বিক্রি করার তৎপরতা চালাচ্ছেন বলেও আরা অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন।

তৃতীয় বাঙ্গালী হিসেবে ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় খেতাব নাইটহুড পেলেন বিচারপতি আখলাকুর রহমান চৌধুরী

লন্ডন প্রতিনিধিঃ বিশ্বকবি রবীনদ্র নাথ ঠাকুর ও স্যার ফজলে হাসান আবেদের পর এবার তৃতীয় বাঙ্গালী হিসেবে ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় নাইটহুড খেতাবে ভূষিত হলেন বিচারপতি আখলাক উর রহমান চৌধুরী। এবছরে মাঝামাঝি সময়ে তিনি প্রথম ব্রিটিশ বাঙ্গালি হিসেবে বৃটেনে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। গেল ২ অক্টোবর থেকে তার এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে এরই মধ্যে পেয়ে গেলেন ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় খেতাব নাইটহুড । এর আগে হাইকোর্টের ডেপুটি বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন আখলাকুর রহমান চৌধুরী।আখলাকুর রহমান চৌধুরী ১৯৯২ সালে ব্যারিস্টারি পাস করে আইন পেশায় যোগ দেন। এ পেশায় থাকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুইজন কুইনস কাউন্সেলের (কিউসি) মধ্যে তিনি একজন। অন্যজন হলেন- ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। ‘কমার্শিয়াল, এমপ্লয়মেন্ট ও ইনফরমেশন ‘ল’ বিশেষজ্ঞ আখলাকুর রহমান চৌধুরী গ্লাসগো ইউনিভার্সিটি থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রিধারী। পরে তিনি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি পান। আইন পেশায় যোগ দেওয়ার পর তিনি দ্রুত উন্নতি করতে থাকেন এবং এক পর্যায়ে শীর্ষ পাঁচ ব্রিটিশ আইনজীবীর তালিকায় চলে আসেন। লর্ড আরভিন অব লেয়ার্গ এবং লর্ড জাস্টিস ইলিয়াসের সঙ্গে আপিল আদালতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। অ্যাটর্নি জেনারেলের ‘এ’ প্যানেলভুক্ত আইনজীবী হিসেবে আখলাকুর রহমান চৌধুরী কিউসি দীর্ঘদিন ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস, মিনিস্ট্রি অফ ডিফেন্স, এইচএমআরসি ও সরকারের অন্যান্য বিভাগে আইন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্রিটিশ তথ্য কমিশনারের কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তথ্য অধিকার ও তথ্য সংরক্ষণ আইন নিয়ে অনেক মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আখলাকুর রহমান চৌধুরীকে ২০১৫ সালে কুইনস কাউন্সেল করে নেওয়া হয়।স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরের বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা স্বনামখ্যাত রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী মরহুম আজিজুর রহমান চৌধুরীর পুত্র আখলাকুর রহমান চৌধুরীর জন্ম হ্যাম্পশায়ারে। আখলাকুর রহমান চৌধুরীর পিতা মরহুম আজিজুর রহমান চৌধুরী ১৯৭১ সালে বৃটেনে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। তাদের আদি নিবাস বৃহত্তর সিলেটের করিমগঞ্জে (এখন ভারতের অংশ) ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর আজিজুর রহমান চৌধুরীর স্বপরিবার বাংলাদেশের জকিগঞ্জে চলে আসেন।আজিজুর রহমান চৌধুরী ১৯৬২ সালে বৃটেনে আগমন করেন। তার দুই পুত্র ও এক কন্যার মধ্যে আখলাকুর রহমান চৌধুরী বড়, তার সন্তানেরা সকলেই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত, একমাত্র কন্যা বৃটেনে এনএইচএসয়ে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। অন্য পুত্র ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদে আসীন রয়েছেন।

শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলকে প্রবাসীদের অভিনন্দন

লন্ডনঃ বৃহত্তর সিলেটের কৃতিসন্তান দৈনিক উত্তরপূর্ব সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ক্যাটাগরি-১ সিলেট বিভাগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি‘র) পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে বৃটেন থেকে জানিয়েছেন দৈনিক উত্তরপূর্ব পাঠক ফোরামের সভাপতি জাহাঙ্গির খান, সেক্রেটারী বাদিরুল হক সর্দার, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কয়ছর সৈয়দ, সেক্রেটারী আলিমুজ্জানান, বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে সুজাত মসসুর, আনসার আহমেদ উল্লাহ, মতিয়ার চৌধুরী, জামাল খান, সাজিয়া ¯িœগ্ধা, স্মৃতি আজাদ, বিবিসিসিসি‘র সেক্রেটারী শাহানুর খান, যুগ্মসম্পাদক সেলিম চৌধুরী, যুগ্মসম্পাদক সহিদুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা আলতাফুর রহমান চৌধুরী মিতা, একাউনটেন্ট মাহমুদ এ রউফ, সায়েক আহমদ, বিশ্ববাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর সম্পাদক শাহ মোস্কাফিজুর রহমান বেলাল প্রমুখ। অভিনন্দন বার্তায় তারা তার সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনকে বিশ্বের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতির সুপারিশ করেছে ইউনেস্কো

লন্ডনঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের বিখ্যাত ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল (world documentary heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সুপারিশ করেছে ইউনেস্কো। ঐতিহাসিক এই ভাষণসহ ৭৮টি আলোচিত বিষয়কে নতুন বিশ্ব ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।গেল সোমবার প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দফতর থেকে এ সুপারিশের ঘোষণা দেয়া হয়।সুপারিশে বলা হয়, ইউনেস্কো সদর দফতরে গত ২৪-২৭ অক্টোবর পর্যন্ত সংস্থাটির বিশ্ব ঐতিহ্যবিষয়ক কর্মসূচির আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা কমিটি (আইএসি) চার দিনব্যাপী বৈঠকে নতুন ৭৮টি বিষয়কে বিশেবর ঐতিহাসিক দলিলের স্বীকৃতি দিতে সুপারিশ করা হয়েছে।
সাতই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ৭ই মার্চ ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত এক ঐতিহাসিক ভাষণ। ১৮ মিনিট স্থায়ী এই ভাষণে তিনি তৎকারীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। এই ভাষণের একটি লিখিত ভাষ্য অচিরেই বিতরণ করা হয়েছিল। এটি তাজউদ্দীন আহমদ কর্তৃক কিছু পরিমার্জিত হয়েছিল। পরিমার্জনার মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবীটির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা। ১২টি ভাষায় ভাষণটি অনুবাদ করা হয়৷নিউজউইক ম্যাগাজিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী এই দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বিলম্ব করতে শুরু করে। প্রকৃতপক্ষে তাদের উদ্দেশ্য ছিল, যে-কোনভাবে ক্ষমতা পশ্চিম পাকিস্তানী রাজনীতিবিদদের হাতে কুক্ষিগত করে রাখা। এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৩রা মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ১লা মার্চ এই অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন। এই সংবাদে পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশের) জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ২রা মার্চ ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারাদেশে একযোগে হরতাল পালিত হয়। তিনি ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় সমগ্র পূর্ব বাংলায় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই পটভূমিতেই ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় বিপুল সংখ্যক লোক একত্রিত হয়; পুরো ময়দান পরিণত হয় এক জনসমুদ্রে। এই জনতা এবং সার্বিকভাবে সমগ্র জাতির উদ্দেশ্যে শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করেন।
একিহাসিক এই ভাষনে জাতির পিতা উচ্চারন করেনঃ ভায়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়। কী অন্যায় করেছিলাম? নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে আমাকে, আওয়ামী লীগকে ভোট দেন। আমাদের ন্যাশনাল এসেম্বলি বসবে, আমরা সেখানে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো এবং এদেশকে আমরা গড়ে তুলবো। এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় ২৩ বৎসরের করুণ ইতিহাস, বাংলার অত্যাচারের, বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস। ২৩ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর-নারীর আর্তনাদের ইতিহাস। বাংলার ইতিহাস-এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস। ১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারি নাই। ১৯৫৮ সালে আয়ুব খান মার্শাল ল’ জারি করে ১০ বছর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালে ৬দফা আন্দোলনে ৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯ এর আন্দোলনে আয়ুব খানের পতন হওয়ার পরে যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গনতন্ত্র দেবেন – আমরা মেনে নিলাম। তারপরে অনেক ইতিহাস হয়ে গেলো, নির্বাচন হলো। আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলা নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসাবে তাকে অনুরোধ করলাম, ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন। তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, প্রথম সপ্তাহে মার্চ মাসে হবে। আমরা বললাম, ঠিক আছে, আমরা এসেম্বলিতে বসবো। আমি বললাম, এসেম্বলির মধ্যে আলোচনা করবো- এমনকি আমি এ পর্যন্তও বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও একজনও যদি সে হয় তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব। জনাব ভুট্টো সাহেব এখানে এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আপনারা আসুন, বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো।
তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে কসাইখানা হবে এসেম্বলি। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলা দেয়া হবে। যদি কেউ এসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত জোর করে বন্ধ করা হবে। আমি বললাম, এসেম্বলি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে এসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হলো। ইয়াহিয়া খান সাহেব প্রেসিডেন্ট হিসেবে এসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপর হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হলো, দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে। বন্ধ করে দেয়ার পরে এদেশের মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।
আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কলকারখানা সব কিছু বন্ধ করে দেন। জনগণ সাড়া দিলো। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো, তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য স্থির প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো।
কী পেলাম আমরা? আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্র“র আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরীব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে- তার বুকের ওপরে হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু- আমরা বাঙালীরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
টেলিফোনে আমার সঙ্গে তার কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, জেনারেল ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কিভাবে আমার গরীবের ওপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের ওপর গুলি করা হয়েছে। কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তিনি বললেন, আমি নাকি স্বীকার করেছি যে, ১০ই তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স হবে। আমি তো অনেক আগেই বলে দিয়েছি, কিসের রাউন্ড টেবিল, কার সঙ্গে বসবো? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসবো? হঠাৎ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন, সমস্ত দোষ তিনি আমার ওপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের ওপরে দিয়েছেন।
ভায়েরা আমার, ২৫ তারিখে এসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০ তারিখে বলে দিয়েছি, ওই শহীদের রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে আরটিসিতে মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারেনা। এসেম্বলি কল করেছেন, আমার দাবী মানতে হবে। প্রথম, সামরিক আইন- মার্শাল ল’ উইথড্র করতে হবে। সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নিতে হবে। যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে। আর জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপর বিবেচনা করে দেখবো, আমরা এসেম্বলিতে বসতে পারবো কি পারবো না। এর পূর্বে এসেম্বলিতে বসতে আমরা পারি না। আমি, আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না। আমরা এদেশের মানুষের অধিকার চাই। আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাঁচারী, আদালত-ফৌজদারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
গরীবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে সেইজন্য যে সমস্ত অন্যান্য জিনিসগুলো আছে সেগুলোর হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা, ঘোড়ারগাড়ি, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে- শুধু… সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট, সেমি গভর্নমেন্ট দপ্তরগুলো, ওয়াপদা কোন কিছু চলবে না। ২৮ তারিখে কর্মচারীরা যেয়ে বেতন নিয়ে আসবেন। এরপরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয় – তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু – আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো। তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের ওপর গুলি চালাবার চেষ্টা করো না। সাত কোটি মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি তখন কেউ আমাদের দাবাতে পারবেনা। আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের থেকে যদ্দুর পারি তাদের সাহায্য করতে চেষ্টা করবো। যারা পারেন আমাদের রিলিফ কমিটিতে সামান্য টাকা-পয়সা পৌঁছে দেবেন। আর এই সাত দিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইয়েরা যোগদান করেছে, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাদের বেতন পৌঁছে দেবেন। সরকারি কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হবে, খাজনা ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো- কেউ দেবে না। মনে রাখবেন, শত্রুবাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে। এই বাংলায় হিন্দুমুসলমান, বাঙালী-ননবাঙালী যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের ওপর, আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন, রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা, যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোন বাঙালী রেডিও স্টেশনে যাবে না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোন বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। ২ ঘণ্টা ব্যাংক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মায়না-পত্র নেবার পারে। পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন, টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সংগে নিউজ পাঠাতে হলে আপনারা চালাবেন। কিন্তু যদি এ দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালীরা বুঝেসুঝে কাজ করবেন। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। রক্ত যখন দিয়েছি, আরো রক্ত দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম জয় বাংলা।
এখানে উল্লেখ্য যে লন্ডন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্টান অগ্রণী রিসার্স সাবেক কাউন্সিলার নুরুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ৭ই মার্চ ফাউন্ডেশন নামে ভাষনটির উপর গবেষনা সহ দিনটিকে জাতীয় দিবস ঘোণনার দাবী জানিয়ে আসছে সেই সাথে ভাষনটিকে অমূল্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য ইউনেস্কো সহ বিশ্বব্যাপী লবিং করে আসছে। এরই ধারাবাকিহতায় প্রতিবছর লন্ডন সহ ঢাকা সহ বিশশ্বর বিভিন্ন শহরের ৭ই মার্চ ফাউন্ডেশন সেমিনারের মাধ্যমে বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরছে।

মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে কারি লাইফ এওয়ার্ড লাভ করেছে হ্যারো‘র কারিমহল রেষ্টুরেন্ট
লন্ডনঃ বাঙ্গালী মালিকানাধীন হ্যারো‘র স্বনামখ্যাত কারিমহল রেষ্টুরেন্ট মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে ২০১৭‘র ‘কারি লাইফ এওয়াডর্’ লাভ করেছে। গেল ২২ অক্টোবর সেন্ট্রেল লন্ডনের পাঁচ তারকা লানকাষ্টার হোটেলে কারিলাইফ ম্যাগাজিন আয়োজিত এওয়ার্ড বিতরনি অনুষ্টানে অনুষ্টানের উপস্থাপক মাইকেল বার্ক কারি মহলকে মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে নাম ঘোষনা করেন। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এই এওয়ার্ড বিতরনী অনুষ্টানে ব্রিটিশ এমপি, লর্ডসভার সদস্য সহ বৃটেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় সাত শতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন। কারি লাইফ ম্যাগাজিন আয়োজিত এওয়ার্ড বিতরনী অনুষ্টানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লর্ড ব্যালমোরিয়া, শেডো সেক্রেটারী ফর ব্রেক্সিট কেয়ার ষ্টারমার্ক এমপি। এখানে উল্লেখ্য যে এই কারিমহল রেষ্টুরেন্ট ২০০৫সালে প্রথম ব্রিটিশ কারি এওয়ার্ড লাভ করে, এছাড়াও রেষ্টুরেন্টটি স্থানীয়ভাবে পর পর তিন বার হ্যারোর শ্রেষ্ট রেন্টুরেন্ট হিসেবে হ্যারো টাইমস এওয়ার্ড লাভ করে। বিশিষ্ট ক্যাটারারর্স নেতা ও বিবিসিএ‘র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল কদ্দুস ও হ্যারো কাউন্সিলের সাবেক কাউনিসলার ও সাবেক পুলিশ অফিসার সেলিম চৌধুরীর মালিকানাধীন এই রেষ্টুরেন্টটি ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করে। ৪১ বছরের পূরাতন এই প্রতিষ্টানটি হ্যারো এলাকায় বাঙ্গালী মালিকানাধীন সব চেয়ে প্রাচীন রেষ্টুরেন্ট। অনুষ্টানে অতিথি শেডো সেক্রেটারী ফর ব্রেক্সিট কেয়ার ষ্টারমার্ক এমপি‘র হাত থেকে এওয়ার্ড গ্রহন করেন রেষ্টরেন্টের সত্বাধিকারী সেলিম চৌধুরী ও পরিচালক তরুন ব্যবসায়ী রেজওয়ান কুদ্দুস ও অন্যান্যরা ।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net