শিরোনাম

বাংলাদেশ

বার্মিংহাম লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের কার্যকরী কমিটির পুনর্গঠন প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান চেয়ারম্যান মোঃ মিসবাউর রহমান সেক্রেটারি আমিরুল ইসলাম জামাল ট্রেজারার

মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী: যুক্তরাজ্যে অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের উদ্যোগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ‘দি ব্রিটিশ মুসলিম স্কুল হলে কমপ্লেক্সের কমিটি পুনর্গঠনের লক্ষে পেট্টন মেম্বারদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমপ্লেক্সের কমিটির চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান এবং সঞ্চালনা করেন কমপ্লেক্সের সেক্রেটারি মিসবাহুর রহমান।
উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের অন্যতম ট্রাস্টি যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আলহাজ নাছির IMG_6819আহমদ, অন্যতম ফাউন্ডার মেম্বার আলহাজ আবুল হোসাইন (সাত্তার মিয়া), ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ কাজী আঙ্গুর মিয়া, হাজী কামারুল হাসান চুনু, আলহাজ গয়াস মিয়া, মাওলানা রফিIMG_6820ক আহমদ, মোঃ খুরশিদ উল হক, আব্দুল ইকবাল, মোঃ আব্দুল হাই, মোঃ মন্তাজ আলী, মোহাম্মদ শাহজাহান, মোঃ এমদাদ হোসাইন, মাস্টার মোঃ আব্দুল মুহিত, মোঃ আমিরুল ইসলাম জামাল, ফিরুজ খান, মাওলানা বদরুল হক খান, হাজী হাসন আলী হেলাল, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মাওলানা নুরুল আমিন, মাওলানা মোঃ হুIMG_6821সাম উদ্দিন আল হুমায়দী, মোঃ রায়হান আহমদ চৌধুরী, মাওলানা গুলজার আহমদ, মাওলানা মোঃ আব্দুল মুনিম, মাওলানা মাহবুব কামাল, মোঃ আতাউর রহামন, মোঃ আকিকুর রহমান, হাজী ফারুক মিয়া, হাজী তেরা মিয়া, সুফী ইদরিছ আলী, হাফিজ আলী হোসেন বাবুল, মাওলানা এহসানুল হক, হাফিজ মাসুম আহমদ, হাজী আবুল কাশেম, কারী মাহফুজুল হাসান খান ও হাফিজ রুমেল আহমদ।
সভায় বিগত বছরের রিপোর্ট পেশ করা হয় এবং তা প্রশংসিত ও সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে নি¤œলিখিত কমিটি গঠণ করা হয়।
চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ কাজী আঙ্গুর মিয়া, আলহাজ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী রুহেল ও মাওলানা রফিক আহমদ। সেক্রেটারি মোঃ মিসবাউর রহমান, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ খুরশিদ উল হক ও মোঃ আব্দুল হাই, ট্রেজারার মোঃ আমিরুল ইসলাম জামাল, এসিস্ট্যান্ট ট্রেজারার মাওলানা গুলজার আহমদ, প্রেস এন্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী, মেম্বারশীপ সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ আব্দুল মুনিম, জয়েন্ট মেম্বারশীপ সেক্রেটারি মোঃ সাহাব উদ্দিন, অরগেনাইজিং সেক্রেটারি হাসন আলী হেলাল, জয়েন্ট অরগেনাইজিং সেক্রেটারি মোঃ সাইফুল আলম, এক্সিকিউটিভ মেম্বার এমদাদ হোসাইন, মোহাম্মদ শাহজাহান, হাফিজ আলী হোসেন বাবুল, হাজী ফারুক মিয়া, হাজী আবুল কাশেম, মাওলানা বদরুল হক খান, হাজী আজির উদ্দিন, রায়হান আহমদ চৌধুরী, আব্দুল ইকবাল, হাজী আবুল হোসাইন (সাত্তার মিয়া) ও হাজী মন্তাজ আলী।
পরিশেষে বিশেষ মুনাজাতে বিশ্বমুসলিমের শান্তি, সৌহার্দ্য ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ১২ জন

এ বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ১০ বিভাগে ১২ জন বিশিষ্ট কবি, লেখক ও গবেষক। শনিবার একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৭ পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন কবিতায় মোহাম্মদ সাদিক ও মারুফুল ইসলাম, কথাসাহিত্যে মামুন হুসাইন, প্রবন্ধে অধ্যাপক মাহবুবুল হক, গবেষণায় রফিক উল্লাহ খান, অনুবাদ সাহিত্যে আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে কামরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও সুরমা জাহিদ, ভ্রমণ কাহিনিতে শাকুর মজিদ, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে মোশতাক আহমেদ, নাটকে মলয় ভৌমিক ও শিশুসাহিত্যে ঝর্নাদাশ পুরকায়স্থ।

বিজয়ীদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদ দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদ এ বছরের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম অনুমোদন করে। আসাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসনাত, মামুনুর রশীদ, অধ্যাপক সৈয়দ মনজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ফকরুল আলম, কবি রুবি রহমান এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।

আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেবেন।

পুরস্কার ঘোষণার সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির পরিচালক শাহিদা খাতুন, জালাল আহমেদ প্রমুখ।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন দাখিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে ৯০৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদন আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিভাগে দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল হক টুটুল। এর আগে গত সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রিভিউ শুনানিতে আন্তর্জাতিক আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি চেয়ে বার কাউন্সিলে আবেদন করা হয়।বার কাউন্সিলে এ আবেদন করেন হাইকোর্টে ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটকারী নয় আইনজীবীর একজন একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ আবেদন করা হয়। আবেদনে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রিভিউ শুনানিতে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ অ্যাডভোকেট আগারওয়াল আমবুজ, অ্যাডভোকেট আগারওয়াল অনামিকা গুপ্তা ও অ্যাডভোকেট অধিমোলাম ভেংকটারমনকে নিযোগের অনুমতি চাওয়া হয়। আবেদন পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রার্থনা করা হয়েছে।
একলাছ উদ্দিন বলেন, যতটুকু জেনেছি রাষ্ট্রপক্ষ স্বল্প সময়ে এ মামলার রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করবেন। মামলাটি জনগুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তিনজন আন্তর্জাতিক মানের সংবিধান বিশেষজ্ঞ আইনজীবীর জন্য আবেদন করেছি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। তারা আমাকে এ মামলার বিষয়ে সহযোগিতা করবেন।
গত ০১ আগস্ট সকালে ৭৯৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়। গত ০৩ জুলাই ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখে সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত রায়টি দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলও খারিজ করে দেন সর্বোচ্চ আদালত।

ফলে মহাজোট সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে আনা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হয়ে যায়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়।

রংপুর সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মোস্তফা বিপুল ভোটে বিজয়ী

রংপুর: রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়েছে। বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় পার্টির (এ) মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা (লাঙ্গল)কে। মোস্তফা ১ লাখ ৬০ হাজার ৪শ ৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু (নৌকা) পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪’শ ভোট।
আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে রিটার্নিং ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি মহানগর সহ-সভাপতি কাওসার জামান বাবলা (ধানের শীষ) ৩৫ হাজার ১’শ ৩৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু (হাত পাখা) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬ ভোট। মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯’শ ৯৪ জনের মধ্যে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৭’শ ২৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ভোটারের মধ্যে ৭৪.৩০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
বিজয়ী প্রার্থী মোস্তফার প্রতিক্রিয়া:
রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সম্ভাব্য বিজয়ী জাতীয় পার্টির (এ) মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ফলাফলে এগিয়ে থাকার খবর পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, রংপুরকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করবো। রংপুরের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিগত মেয়রের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করবো।তিনি বলেন, রংপুরকে একটি আধুনিক, বসবাসযোগ্য, পরিবেশ বান্ধব নগরী গড়ার জন্য কাজ করে যাবো। সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে নিয়ে নগর উন্নয়ন কমিটি গঠন করে তাদের পরামর্শে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন তরান্বিত করবো। এছাড়া সরকার বিদেশী সাহায্য সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরী করে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের দাবি-দাওয়া পূরণে সচেষ্ট থাকবো। সিটি কর্পোরেশনকে দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করবো না।
রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু (নৌকা), বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী রংপুর মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি কাওসার জামান বাবলা (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির (এ) মেয়র প্রার্থী রংপুর মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা (লাঙ্গল), জাপা (এ) চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের ভাতিজা বহিস্কৃত কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এইচএম আসিফ শাহরিয়ার (হাতি), বাসদের মেয়র প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস (মই), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু (হাত পাখা) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মেয়র প্রার্থী সেলিম আখতার (আম) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২’শ ১১ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন প্রার্থী বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।প্রসঙ্গত, রংপুর পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার পর দ্বিতীয় ভোট হলো এবার। ২০১২ সালের ২৮ জুন রংপুর পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হয়। ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রথম নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে হলেও এবার মেয়র পদে ভোট হয়েছে দলীয় প্রতীকে।
গত নির্বাচনে সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টুর কাছে পরাজিত মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এবার জাতীয় পার্টির (এ) হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা প্রথম নির্বাচনে চতুর্থ অবস্থানে ছিলেন।গতকাল ২১ ডিসেম্বর রংপুর সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে মোট ১’শ ৯৩টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ১’শ ৭৭টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯’শ ৯৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬’শ ৫৯ এবং নারী ১ লাখ ৯১ হাজার ৭’শ ৬২ জন। এর মধ্যে তরুণ এবং নতুন ভোটার রয়েছে ৩৬ হাজার ২’শ ৮২ জন। ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

খালেদাকে ক্ষমা চেয়ে নোটিশ প্রত্যাহার করতে হবে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ

ঢাকা থেকে অমল সূত্রধরঃ বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমনত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লোক দেখানো আইনি নোটিস পাঠানোর কারণে তাঁকে ক্ষমা প্রার্থনা করে তা প্রত্যাহার না করলে বিষয়টি আদালতে মোকাবেলা করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। আজ বুধবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন একথা বলেন তারা।
প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপি চেয়ারপারসনের দেয়া আইনি নোটিসের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন, সেটি লোক দেখানো একটি নোটিস। নিজের ও সন্তানদের দুর্নীতি আড়াল করতেই তিনি এ কাজ করেছেন। তিনি জানেন তার দুর্নীতি মামলার রায় যেকোনো দিন হয়ে যেতে পারে। তাই তার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তিনি (বেগম জিয়া) তার এই নোটিস প্রত্যাহার না করলে এর ফয়সালা আইনের মাধ্যমে আদালতে করা হবে। এক্ষেত্রে তিনিই হারবেন। তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া ও তার দুই ছেলে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে দুর্নীতি করেছেন। দেশের টাকা বিদেশে পাচার করার জন্য জনসাধারণের কাছে খালেদা জিয়াকে ক্ষমা চাইতে হবে। হাছান বলেন, তাদের দুর্নীতি আজ বিশ্ব মিডিয়ায় প্রচারিত। সৌদি আরবসহ বিশ্বের ১২টির মতো দেশে তাদের অবৈধ সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে। তাদের এই দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদকে আড়াল করতেই তিনি (খালেদা) এই মানহানিকর কাজটি করেছেন। তাকে ক্ষমা চাইতেই হবে। নোটিস প্রত্যাহার না করলে তিনিই পস্তাবেন।হাছান মাহমুদ আরো বলেন, খালেদা জিয়ার বদৌলতে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে পর পর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়। তার ছেলে তারেক রহমানকে জনগণ আলিবাবা চল্লিশ চোরের থেকেও বড় চোর বলে আখ্যায়িত করেছে। সৌদি আরবে যে ১১ জন যুবরাজ গ্রেফতার হয়েছেন তাদের মধ্যে দুজন স্বীকার করেছেন তারা জিয়া পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার সৌদি আরবে শপিং মল, বিল্ডিংসহ নানা সম্পত্তি রয়েছে এমন কথা বেরিয়ে আসছে। টেলিভিশনের খবর অনুযায়ী বলা হচ্ছে পৃথিবীর অন্তত ১২টি দেশে বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পরিবারের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। এই যে সম্পত্তি এই সম্পত্তি লুটপাটের সম্পত্তি। বাংলাদেশ থেকে লুটপাট করে এই সম্পত্তি তারা অর্জন করেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ। তিনি এতিমদের টাকা পর্যন্ত আত্মসাৎ করেছিলেন। এ কারণে আজ তিনি আদালতে চক্কর কাটছেন। এই মামলা তো আর শেখ হাসিনা বা তার সরকার দেয় নাই। দিয়েছে খালেদা জিয়ার পছন্দের সরকার। এই উকিল নোটিস পাঠানোর বিষয়টি মানহানিকর। তাকে ক্ষমা চেয়ে এটি প্রত্যাহার করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবাহান গোলাপ প্রমুখ।

এমপি কেয়া চৌধুরীর উপর হামলার আসামী তারা মিয়া ও সাহেদ ঢাকায় গ্রেফতার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ হবিগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর উপর হামলার আসামী বাহুবল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও জেলা পরিষদের সদস্য আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। গতকাল রাত ১০টায় ঢাকার কদমতলী এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতারের জন্য হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি মোঃ শাহ আলম, ইন্সপেক্টর আহসান হাবীব ও এসআই ইকবাল বাহারের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম ৩ দিন পূর্বে রাজধানী ঢাকায় অবস্থায় নেয়। এরপর এই টিমটি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য তল্লাসী চালায়। গতকাল সন্ধ্যায় পুলিশ নিশ্চিত হয় তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদ কদমতলী এলাকার একটি বাসায় অবস্থান করছেন। এই তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়।789F21BA-37AB-434F-ABC9-28F3E8F96D95

বিভিন্ন সূত্র জানায়, হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন লাভ করার জন্য তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদ ঢাকা গিয়েছিলেন। কিন্তু হাইকোর্টে তিন দফা জামিন আবেদন করে তিনবারই জামিন নামঞ্জুর হয়। সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তারা মিয়া ও সাহেদের পক্ষে হাইকোর্টের ১৫নং কোর্টে জামিন আবেদন করেন সিনিয়র তিন আইনজীবী। সরকার পক্ষে জামিনের বিরোধীতা করেন এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও এডিশনাল এ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারপতি আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল তাদের জামিন না-মঞ্জুর করেন। জামিন না-মঞ্জুর হওয়ায় তারা মিয়া ও সাহেদ বিফল মনোরথে হাইকোর্ট থেকে ঢাকার কদমতলীর বাসায় ফিরেন। গোপন সূত্রে এ খবর পেয়ে যায় ঢাকায় অবস্থানরত হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশ।BCA9C08B-CDCC-4BDD-92C3-48CA2D579AFD
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদ ঢাকায় অবস্থান নিয়ে হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করে জামিন পাননি। বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নিয়ে ও নারী সংসদ সদস্যের উপর হামলার ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতারের জন্য হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ডিবি পুলিশ ঢাকায় অবস্থান নিয়ে গতকাল রাত ১০টার দিকে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি মোঃ শাহ আলম জানান, ঢাকায় ৩ দিন অবস্থান নিয়ে এমপি কেয়া চৌধুরীসহ নারী ইউপি সদস্যের উপর হামলা মামলার আসামী বাহুবল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও জেলা পরিষদ সদস্য আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়। রাতেই তাদেরকে নিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় ডিবি পুলিশ। রাত ২টার দিকে তারা হবিগঞ্জ ডিবি অফিসে এসে পৌঁছায়। আজ বুধবার তাদেরকে আদালতে হাজির করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১০ নভেম্বর বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজারের অদূরে বেদে পল্লীতে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণকালে এমপি কেয়া চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নারী ইউপি সদস্য পারভীন আক্তার ও সাবেক নারী ইউপি সদস্য রাহিলা আক্তারসহ কয়েকজন আহত হন। ১৮ নভেম্বর রাতে এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করেন লামাতাসী ইউপি’র ১নং (সাধারণ ওয়ার্ড ১, ২ ও ৩) সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য পারভীন আক্তার। মামলায় তারা মিয়া, আলাউর রহমান সাহেদ ও তারা মিয়ার ম্যানেজার জসিম উদ্দিনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১৪/১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। জসিম উদ্দিন আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনার ২৩ দিনের মাথায় হামলার ঘটনার সাথে জড়িত তারা মিয়া ও অলিউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতার করার খবর পেয়ে এমপি কেয়া চৌধুরী স্বরাষ্টমন্ত্রী, আইনমন্ত্রনালয় ও হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন তাদের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আবারও প্রমান করল আপরাদী যেই হউক তারা আইনের উর্ধে নয়।এবং তিনি আরও বলেন, বাহুবল নবীগঞ্জবাসী হবিগঞ্জ সিলেটসহ বর্হিবিশ্বে অবস্থানরত সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের স্বতফুর্ত নেতৃত্বে আমার আমার উপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে যে অগ্রনী ভুমিকা রেখেছেন আমি কেয়া চৌধুরী আজীবন স্বরন রাখব।

আলহাজ দেওয়ান ফরিদ গাজী’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

FARID GAZI 3

১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সাথে সিলেটে একটি জনসভায় দেওয়ান ফরিদ গাজী

Farid Gazi 2

১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ কীন ব্রীজ মেরামত শেষে উদ্ভোধন করছেন দেওয়ান ফরিদ

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বৃহত্তর সিলেট আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনের ৪ ও ৫ নম্বর সেক্টরের বেসামরিক উপদেষ্টা এবং প্রশাসনিক চেয়ারম্যান ৫ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজী এমপি’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী গতকাল শনিবার তাঁর জন্মস্থান নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পালিত হয়েছে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। দেওয়ান ফরিদ গাজী স্মৃতি সংসদ এর উদ্যোগে গতকাল শনিবার সন্ধা রাতে ঢাকা- সিলেট মহা সড়কের দেবপাড়া বাজারেও এক মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেওয়ান ফরিদ গাজীর পুত্র আওয়ামী লীগের নেতা শাহ নেওয়াজ গাজী মিলাদ। এতে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফরিদ গাজী স্মৃতি সংসদের আহবায়ক রুহেল আহমদ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দিলারা বেগম, মেম্বার রাবেয়া বেগমসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীগণ।

 

খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখা পুনর্গঠন ।। মাওলানা সাদিকুর রাহমান সভাপতি ও মাওলানা শাহ মিজানুল হক সাধারণ সম্পাদক

লন্ডন, ১৫ নভেম্বর: খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখার মজলিসে শুরার অধিবেশন গত ১১ নভেম্বর  ইস্ট লন্ডনস্থ আল-হুদা ইসলামিক সেন্টারে  অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ এর সভাপতিত্বে ও আলহাজ্ব সদরুজজামান খানের পরিচালনায় শুরা অধিবেশনে বিগত দুই বছরের সাংগঠনিক কাজের রিপোর্ট পেশ ও পর্যালাচনা করা হয়।

মজলিসে শুরা অধিবেশনে ২০১৮-১৯ সেশনের জন্য যুক্তরাজ্য শাখা পুনর্গঠন করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খেলাফত মজলিসের যুগ্মমহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ ও সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইউরোপ খেলাফত মজলিসের তত্বাবধায়ক আলহাজ্ব এম সদরুজ্জামান খান ও ড. আব্দুশ শুকুর ।

শুরার সদস্যদের গোপন ভোটের মাধ্যমে ২০১৮-’১৯ সেশনের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা সাদিকুর রাহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মাওলানা শাহ মিজানুল হক।

এছাড়াও অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হচ্ছেন- সহ সভাপতি মুফতি তাজুল ইসলাম, কারী আব্দুল মুকিত আজাদ, মাওলানা শওকত আলী, হাফিজ কাদির, মুফতি হাফিজ হাসান নুরী চৌধুরী, মাওলানা গোলাম মোহায়মীন ফরহাদ চৌধুরী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এনামুল হাসান ছাবির, মাওলানা আব্দুল করীম, মাওলানা আ ফ ম শুয়াইব, মুহাম্মদ আব্দুল করিম উবায়েদ। বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা তায়ীদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা কামরুল হাসান খান, তারবীয়াহ সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমান তালুকদার, দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান জাকির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শেখ হাফিজ মুশতাক আহমদ, অফিস ও প্রচার সম্পাদক সৈয়দ মারুফ আহমদ, সমাজ কল্যান সম্পাদক মাওলানা আব্দুল আহাদ, সদস্য হাফিজ সৈয়দ কফিল আহমদ, মির্জা আসহাব বেগ, সৈয়দ কবির আহমদ, হাফেজ মাওলানা সাদিকুর রহমান ও প্রফেসার আহজাবুল হক প্রমুখ।

তিন দিনের চিল্লা শেষে কবর থেকে উঠে এসেছেন নবীগঞ্জের জিন্দা শাহ

উত্তম কুমার পাল হিমেলঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কবরে ৩দিনের চিল্লা শেষে সম্পুর্ণ অক্ষত অবস্থায় কবর থেকে উঠে এসেছেন জিন্দা শাহ । জিন্দা শাহ নামের এই ব্যক্তির অদ্ভুত কর্মকান্ড নতুন নয় এর আগে ও একাধিক বার তিনি কবরে চিল্লায় গেছেন। এঘটনায় উপজেলা জুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে । গত শনিবার রাতে কবরবাসে যান জিন্দা শাহ । এমন কর্মকান্ডকে ‘ভন্ড পীর বলেও মন্তব্য করছেন অনেকেই। জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌর এলাকার তিমিরপুর গ্রামের বাসিন্দা জিতু মিয়া। বয়স ৭০ বছরের বেশি হবে। জিতু মিয়া নিজেকে জিন্দা শাহ দাবী করেন। এমনকি এলাকার তিনি জিন্দা বাবা নামেও পরিচিত । গত শনিবার রাত ৩ টার সময় জিন্দা শাহ নিজের ঘরের ভিতরে একটি কবর খনন করে ৩দিনের চিল্লায় চলে যান কবরবাসে। তারপর তিন দিন তিন রাত শেষে মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে কবর চিল্লা শেষে অক্ষত অবস্থায় উঠে আসেন জিন্দা শাহ। 1
এ সময় জিন্দা শাহ’র বাড়িতে উৎসুক জনতার ভীড় ছিল লক্ষনীয় । কবর থেকে উঠে এসে জিন্দা শাহ জিতু মিয়া (জিন্দা শাহ) প্রতিবেদকে জানান, ৩দিন ৩রাত শেষে আজ উঠে এসেছি । প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমার সঙ্গে প্রতিবারের মতো এবার ও ৩শ গ্রাম আঙ্গুর ছিল,কবর চিল্লা এখানেই শেষ । কিছুদিনের ভিতর ওরস করবো এবং যদি কেউ স্থান দেয় তাহলে অগ্নি চিল্লা ও পানি চিল্লা করবো । জানা গেছে,জিতু মিয়া (জিন্দা শাহ) কবরে যাওয়া এবারই প্রথম নয়! এর আগেও তিনি একাধিকবার কবরে অবস্থান করেছেন। এমনিক পানিতে ভেসেও রাত কাটিয়েছেন। জিন্দা শাহ, গত ৪৫ বছর ধরে ভারতসহ দেশের বিভিন্ন মাজারে মাজারে ‘সাধনা’ করেছেন। তিনি হবিগঞ্জ শহরতলীর মরহুম আধ্যাত্মিক সাধক দেওয়ান মাহবুব রাজার ভক্ত। স্বপ্নের মাধ্যমে মাহবুব রাজার কাছ থেকে ‘চিল্লা’য় যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন তিনি। জিতু মিয়ার মূল বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলায়। কিন্তু পাঁচ বছর ধরে নবীগঞ্জ উপজেলার তিমিরপুর গ্রামে বাস করছেন তিনি। এর আগেও তিনি ১১বার কবরে চিল্লা দিয়েছেন বলে জানা গেছে । সংসার জীবনে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ের পিতা। কিন্তু সংসারে তিনি থাকেন না। সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়েন। জিন্দা শাহর কবর চিল্লায় যাওয়ার ঘটনায় শিরিক আখ্যায়িত করে মাওলানা আব্দুর রকিব হাক্কানী নামে একব্যাক্তি বলেন বর্তমানে আমাদের সমাজে কিছু লোক আছে নানা কু-সংস্কার জড়িত এটা ভন্ডামি ছাড়া আর কিছু নয়।

আবারও অবৈধ দখলের কবলে সিলেটের তারাপুর চা বাগান

সিলেট থেকে বিশেষ প্রতিনিধিঃ বহুল আলোচিত সিলেটের তারাপুর চা বাগানটি অযত্ন আর অবহেলায় দিন দিন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। নেই আগের সেই পরিচর্চ্চা। অবাধে গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে সেই সাথে তৈরী হচ্ছে শত শত অবৈধ স্থাপনা এবং নতুন নতুন দোকান কোঠা।এমন অভিযোগ স্থানীযদের। পাঠানুটলা, গোয়াবাড়ি, করেরপাড়াসহ বাগানটির আসপাশের বাসিন্দারা বিষয়টি লিখিতভাবে সিলেটের জেলা প্রশাসককেও জানিয়েছেন। তার পরেও চলছে দখল বানিজ্য। অদৃশ্য কারনে প্রশাসনও পালন করছে নীরব ভূমিকা।
জেলা প্রশাসক বরাবরে পাঠানো অভিযোগ পত্রে বলা হয় ২০১৬ সালে আদালতের রায়ে বাগানটি যখন পূনরায় দেবত্তর সম্পতি হিসেবে গণ্য হয় তখন তারা আশা করেছিলেন বাগানটি আগেকার অবস্থায় ফিরে আসবে, সেই সাথে উন্নয়ন করা হবে বাগানের। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। দেখা যাচ্ছে এর ‍উল্টো চিত্র। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল বানান থেকে স্থাপনা উচ্চেদ সহ বাগানটিকে আগরে অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে। যদিও প্রচলিত আইনে রয়েছে বাগান এলাকায় কোন বানিজ্যিক প্রতিষ্টান বা আবাসিক স্থাপনা তৈরী করা যাবেনা, তার পরেও সিলেটের কথিত দানবীর রাগিব আলী বাগানের অভ্যন্তরে প্রতিষ্টা করেছে কলেজ হাসপাতাল সহ শত শত বাড়ী ঘর। আদালেতের আদেশ থাকা সত্বেও প্রশান উচ্ছেদ অভিযান পরিচলনা তো দূরের কথা নতুন করে তৈরী হচ্ছে আবারও নতুন নতুন স্থাপনা।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, গত এক বছরে চা বাগানের পরিচর্চ্চা অর্থাৎ ঘাস ছাটাই করা হয়নি কোন প্রকার সার প্রয়োগ করাও হয়নি। তারা বর্তমান মালিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে বলেন, বর্তমান মালিক পংকজ কুমার গুপ্ত বাগানের শত শত সেইড গাছ কেটে বাগানকে একটি পরিত্যাক্ত বাগানে পরিনত করেছেন। এছাড়া তিনি রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের উত্তর পাশে চা গাছ উপড়ে ফেলে ১৮টি দোকান তৈরী করে তা বিক্রি করার তৎপরতা চালাচ্ছেন বলেও আরা অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net