শিরোনাম

নারী মঞ্চ

চিকিৎসার অজুহাতে লন্ডনে বসে বেগম খালেদা জিয়া দেশ বিরোধী ষঢ়যন্ত্র করছেন সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ

লন্ডন প্রতিনিধিঃ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসার অজুহাতে লন্ডনে বসে দেশ বিরোধী ষঢ়যন্ত্র করছেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতাকে নাস্যাৎ করতে দেশী-বিদেশীদের সাথে নিয়ে নতুন করে চক্রান্ত শুরু করেছেন। সোমবার ২৪ জুলাই স্থানীয় সময় বিকেল তিনঘটিকায় লন্ডনে যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বেগম জিয়া ও তার পুত্র বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লন্ডনে পালিয়ে থাকা তারেক রহমানের বিরোদ্ধে লিখিত বক্তব্যে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ্এঅভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয় বেগম জিয়া জ¦ালাও পোড়াও, খুন রাহাজানির মাধ্যমে বিগত বছর গুলোতে দেশে যেভাবে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিলেন, লন্ডনে বসে নতুন করে সরকার উৎখাত এবং দেশে নৈরাজ্যকার পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেশী বিদেশী ষঢ়যন্ত্রকারীদের সাথে গোপন বৈঠক করছেন।
5

1 লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলা হয় দেশে হাওয়া ভবনের মাধ্যমে তারেক রহমান যে ভাবে চাঁদাবাজি করতেন ঠিক একই কায়দায় লন্ডনের কিংষ্টনে বসে চাদাবাজি করছেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় ইউটিউব খুললেই এখানকার নেতাকর্মীদের কাছ থেকে তারেক রহমানের চাদাবাজির কথা শুনতে পারবেন। সংবাদ সস্মেলনে বলা ২০১৩ সালের নির্বাচন পূর্ব ও পরবর্তিতে স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে বিএনপির আন্দোলনের নামে ধ্বংশাত্মক কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরে বরা বলা হয় তাদের ধ্বংমাত্মক কর্মকান্ডেন কারনে দেশের ২৫বিলিয়ন টাকার ক্ষতি হয়। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী নইমুদ্দিন রিয়াজের সঞ্চালনায় ও প্রেসিডেণ্ট প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জালাল উদ্দিন, সামসুদ্দিন মাষ্টার, হরমুজ আলী, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান, চৌধুরী, দেওয়ান গৌস সুলতান, সৈয়দ মোজাম্মিল আলী, শাহ শামীম, সাজ্জাদ মিয়া, আনসারুল হক, কাওসার চৌধুরী, সিতাব চৌধুরী, সৈয়দ ছুরুক আলী, কয়েছ চৌধুরী, নূরুল হক লালা মিয়া, ব্যরিস্টার অনুকুল তাকূলদার ডালটন, আ.স.ম মিসবাহ, ব্যারিস্টার শাহ আলম,জামাল খান জোবায়ের আহমদ, হোসনেয়ারা মতিন, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্চাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, আওয়ামী আইনজীবি পরিষদের নেতৃবৃন্দ।2সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাহ শামীম, সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সুলতান মাহমুদ শরীফ, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, নইমুদ্দিন রিয়াজ, হরমুজ আলী, দেওয়ান গৌস সুলতান, মোজাম্মিল আলী প্রমুখ। এজকন সাংবাদিক সন্ত্রাসের কারনে উন্নয়ন ব্যহত হচ্চে কিনা জানতে চাইলে বলা উন্নয়ন ব্যাহত করতেই বিএনপির ইন্দনে দেশে সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ গজিয়ে উঠে। সরকার জঙ্গি দমনে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। জঙ্গি দমনে দেশের সাধানর মানুষের সহযোগীতা রয়েছে। বৃটেনে জামাতের এজেন্ট হয়ে কারা কাজ করে জানতে চাইলে বলা হয় বড় বড় যুদ্ধাপরাধীদের ফাাঁসি কার্যকর হওয়ার পর যারা বৃটেনে গয়েবানা জানাজা পড়ে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে যারা ধর্মকে ব্যহার করে মানবতা বিরোধীদের সাফাই গায় এরাই বৃটেনে জামাতের এজেন্ট।

চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ পূর্ণিমা আবারও অভিনয়ে ফিরছেন

অনেক দিন ধরেই অভিনয় থেকে দূরে সরে আছেন চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ পূর্ণিমা। একমাত্র মেয়ে আরশিয়াকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণেই নাকি তাঁর এই দূরে থাকা। তবে এর মধ্যেও কিছু পরিচালকের অনুরোধ উপেক্ষা করতে পারেননি পূর্ণিমা। সংসার ও মেয়েকে সামলে নিয়ে কাজ করেছেন কোরবানির ঈদের একটি নাটকে। এরপর আবারও নিজের মতো করে সংসার-সন্তান নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু কত দিনই বা পরিচালকদের না করা যায়। সম্প্রতি নাটকে অভিনয়ের ব্যাপারে চারজন পরিচালকের সঙ্গে আলাপ হয়েছে বলে একটি জাতীয় দৈনিককে নিশ্চিত করেছেন পূর্ণিমা নিজে। তবে কাউকে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি তিনি। এঁদের মধ্যে একজন পরিচালকের নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে ফিরছেন তিনি- এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন পূর্ণিমা।পূর্ণিমা বলেছেন, ‘আমি অভিনয়ে ফিরব। কিন্তু আমার চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপারটিও মিলতে হবে। এখন কিন্তু আমি আগের মতো বিরতিহীনভাবে কাজ করতে পারব না। আমাকে সন্তান আর সংসার নিয়েও ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই সবকিছু সামলে নিয়ে যাঁর সঙ্গে কথাবার্তায় মিলবে, তাঁর নাটকেই অভিনয় করব।’অভিনয়শিল্পী পূর্ণিমার সাম্প্রতিকতম টিভি নাটক হচ্ছে আরিফ খানের ‘আমার বেলা যে যায়’ আর তুহিন হোসেনের ‘প্রেম অথবা দুঃস্বপ্নের রাত’। প্রথম নাটকটিতে তিনি অভিনয় করেন মাহফুজ আহমেদের সঙ্গে। আর দ্বিতীয়টিতে মোশাররফ করিম ও ইরেশ যাকেরের সঙ্গে।পূর্ণিমা চলচ্চিত্রের নায়িকা। কিন্তু এখন মাঝেমধ্যে তাঁকে টিভি নাটকেই অভিনয় করতে দেখা যায়। চলচ্চিত্রে আবার কবে দেখা যাবে?পূর্ণিমা এ প্রসঙ্গে পূর্ণিমা বলেছেন, ‘আমি কিন্তু অনেক আগে থেকেই নাটক করছি। চলচ্চিত্রের ফাঁকে ফাঁকে। যখন চলচ্চিত্রে খুব ব্যস্ত ছিলাম, তখনো ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছি। চলচ্চিত্রের জন্য অনেক সময় লাগে। আমার মেয়ে যেহেতু খুব ছোট, তাই চলচ্চিত্রে কাজ করাটা একটু কঠিন। নাটকে অল্প সময় লাগে। তাতে মেয়ের তেমন অসুবিধা হয় না।’চলচ্চিত্রে এখনই কাজ করতে চান না পূর্ণিমা। একমাত্র কারণ আরশিয়া। তিনি জানিয়েছেন, মেয়ে একটু বড় হওয়ার পর তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

৫০ মিটারেও সোনা জিতলেন বাংলাদেশের মেয়ে মাহফুজা আক্তার শীলা

পোর্টস রিপোর্টার্স: দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকের পর এবার ৫০ মিটারেও সোনা জিতলেন বাংলাদেশের মেয়ে মাহফুজা আক্তার শীলা। গতকাল সোমবার বিকেলে গুয়াহাটির ড. জাকির হোসেন অ্যাকুয়াটিম কমপ্লেক্সে মেয়েদের ৫০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে ৩৪.৮৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে রেকর্ড গড়ে সোনার পদকটি জেতেন মাহফুজা। এই ইভেন্টের সেরা টাইমিং ছিল ২০০৬ সালের আসরে গড়া ৩৪.৯৭ সেকেন্ড। এই ইভেন্টে শ্রীলঙ্কা হাসান্থি নুগাওয়েলা (৩৫.৬৯ সেকেন্ড) ও রামুদি সামারাকুন (৩৫.৯৯ সেকেন্ড) যথাক্রমে রূপা ও ব্রোঞ্জ পেয়েছেন।
গত রোববার ১০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে সেরা হয়ে এসএ গেমসের সাঁতারে প্রায় ১০ বছর পর বাংলাদেশকে সোনার পদক এনে দিয়েছিলেন মাহফুজা । ২০০৬ সালে সর্বশেষ সাঁতার থেকে সোনার পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১০ সালের আসরে নিজেদের পুলে ৬টি রুপা ও ১০টি ব্রোঞ্জ জিতেছিল বাংলাদেশ সাঁতারুরা।

ফেসবুকে যে কাজগুলো করলে আপনারা হবেন সবচাইতে বিরক্তিকর দম্পতি!

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর কারণে পুরো পৃথিবীটাই অনেক ছোট হয়ে আসছে। পৃথিবীর অন্য পাশের মানুষ কি করছেন, তার মনের মানুষটির সাথে কেমন আছেন সবই দেখা যায় এই ফেসবুক নামক যোগাযোগের অন্যতম সাইটে। কিন্তু এই ফেসবুক আজকাল শুধুমাত্র শো-অফ করার একটি মাধ্যম হয়ে যাচ্ছে। নিজের জীবনের অনেক তথ্যই নির্দ্বিধায় প্রকাশ করে দেন। সবচাইতে বিরক্তিকর কাজ করেন দম্পতিরা, বিশেষ করে নতুন বিবাহিত দম্পতিরা। তারা এমন কিছু কাজ করেন ফেসবুকে যা অন্যান্য সকলের মনে বিরক্তির উৎপাদন করে। হয়তো কেউই তা প্রকাশ করেন না কিন্তু মনে মনে ঠিকই বিরক্ত হয়ে যান।

১) ভালোবাসার শো-অফ

দম্পতীরা ফেসবুকে ভালোবাসার যে ডো-অফ করেন তা অন্যের চোখে খুবই বিরক্তিকর। আপনি নিজেই চিন্তা করে দেখুন নিজের সঙ্গীর সাথে খুবই মিষ্টি মধুর একটু আদুরে ধরণের ভালোবাসার কথা ফেসবুকের সকলের সামনে বলছেন তা অন্যের চোখে আপনাদের ঠিক কি হিসেবে উপস্থাপন করছে। আপনি নিজে যখন অন্যের এই ধরণের পোস্ট দেখেন তখন কি অনুভব করেন। সুতরাং ভালোবাসা প্রকাশ করতে গিয়ে শো-অফ করে ফেলবেন না। সীমা বজায় রাখুন।

২) খুবই আপত্তিকর ছবি

নিজের হানিমুন কিংবা নিজের ঘরের খুব ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে অনেকেরই অভিযোগ রয়েছে। নতুন বিবাহিত বেশীরভাগ দম্পতিরাই এই বিরক্তিকর কাজটি করে থাকেন। এতো ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে না দিলেই কি নয়? নিজের সম্মান নিজেরাই বজায় রাখুন এবং কিছু বিষয় ব্যক্তিগত থাকাই ভালো তা মনে রাখুন।

৩) ফেসবুকে দাম্পত্য কলহ

অনেকেই আছেন নিজের সঙ্গীর উপর রাগ অভিমান করে বিশাল বড় স্ট্যাটাস দিয়ে বসে থাকেন। মোট কথা ঘরের কথা পরকে জানানোর দারুণ কৌশল। আপনার কি আদৌ কোনো প্রয়োজন রয়েছে আপনার সঙ্গীর সাথে ঝগড়ার বিষয়টি একটু ঘুরিয়ে হলেও ফেসবুকে দেয়া? এবং এই কাজটি করে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে মানুষগুলোর বিরক্তিই উৎপাদন করছেন তা মনে রাখবেন।

৪) সঙ্গীর গুণগান

আপনার সঙ্গী আপনার জন্য কি রান্না করেছেন বা আপনার জন্য কি গিফত কিনে এনেছেন তা দেখতে কোনো ভাবেই আগ্রহী নন ফেসবুকের বন্ধুরা। ‘Best husband’ বা ‘Best wife’ লিখে সঙ্গীর গুণগান গাইছেন এক মুখে এবং কিছুদিন পরেই দিচ্ছেন দাম্পত্য কলহ ধরণের ফেক্সবুক স্ট্যাটাস এতে কি অন্যেরা বিরক্ত হবেন না? আপনি নিজে কি করতেন তা একবার ভেবে দেখেছেন কি? সব কিছু সীমার মধ্যেই থাকা ভালো।

সূত্র: bollywoodshaadis

 

সুস্থ থাকতে চাইলে রোজায় যা খাবেন, যা খাবেন না

পবিত্র রমজান সাধনার মাস।  রমজান মাসের ফজিলত অন্যান্য মাসের চেয়ে অনেক বেশি।  এ মাসে মহান আল্লাহ পাক আল কোরআন নাযিল করেছেন।  এ মাসের শবে ক্বদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।  এ মাসে সারাদিন উপোস থাকার পর মানুষের খাদ্য চাহিদা বাড়ে।  শারীরিকভাবেও কিছুটা দুর্বল অনুভুত হয়।

রমজান এলে আমাদের খাদ্যাভাস থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই কিছুটা পরিবর্তন আসে।  তাই স্বাস্থ্য নিয়ে কিছুটা জটিলতা হতে পারে।  তবে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকলে এসব সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।

রমজানে আমাদের নতুন রুটিনে খাবার খেতে হয়।  মেনুতেও চলে আসে অনেকটা বৈচিত্র্য।  অনেক সময় প্রথম প্রথম নতুন খাদ্যাভ্যাসে শরীরের ওপর বিরুপ প্রভাবও পড়তে পারে।  যে কারণে অনেকেরই আবার অসুস্থ হয়ে বাকি রোজাগুলো ঠিকমত পালন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।  এর মূলে রয়েছে খাওয়া-দাওয়া।

রমজানে যে ধরনের হতে পারে

কোষ্ঠ কাঠিন্য।  অতিরিক্ত ভাজাপোড়া জিনিস খাওয়া, পানি কম খাওয়া এবং খাবার মেনুতে আঁশযুক্ত খাবার না রাখায় এ সমস্যা হতে পারে।

মাথাব্যথা হতে পারে।  যাদের কফি বা ধূমপানের অভ্যাস আছে তারা অনেকসময় সারাদিনের রোজায় মাথাব্যথায় আক্রান্ত হতে পারেন।

লো ব্লাড প্রেনার হতে পারে।  কারণ তরল খাবার কম গ্রহণ করার কারণে এটি হতে পারে।

হজমে সমস্যা ও পেট ফাঁপা।  অনেক সময় হজমেও সমস্যা হতো পারে।

পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালাও হতে পারে।  সারাদিন উপোস থাকার কারণে অনেকের এসিডিটিও হয়ে থাকে।  মনে রাখবেন, অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার, কফি এবং সফট ড্রিঙ্কস এ অবস্থাকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।

যে ধরনের খাবার খাওয়া উচিত

১. রোজা রাখার পর ইফতারির সময় অনেকেই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। নিজের স্বাস্থ্যের ক্ষতি এড়ানোর জন্যই আপনাকে ইফতারিতে অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।  সারাদিন অভুক্ত থাকার পর হঠাৎকরে বেশি খাবার একসঙ্গে খেলে আপনার পরিপাকযন্ত্রে গণ্ডগোল দেখা দিতে পারে।

২. ইফতারিতে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার বর্জন করুণ।  যতদুর সম্ভব ভাজাপোড়া খাবার কম খাবেন।  এতে করে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৩. রোজায় লবণ পরিমাণ মত খেতে চেষ্টা করতে হবে।  কারণ লবণ বেশি খেলে পানির তৃষ্ণা বেশি লাগবে।  যেহেতু আপনি সারাদিন পানি পান করতে পারবেন না, তাই আপনার শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

৪. পানিশূন্যতা দুর করতে চিনি দিয়ে গোলানো শরবত অথবা সফট ড্রিঙ্কসের ওপর বেশি নির্ভর না করাই ভালো।  ঘরে তৈরি শরবত ও ফলের রস পরিমাণমত পান করা বুদ্ধিমানের কাজ।

৫. লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে প্রতি ইফতারে এবং সেহরিতে যথেষ্ট ফল ও শাক সবজি থাকে।

বেশি করে যেসব খাবার খাবেন

• আঁশযুক্ত খাদ্য

• কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাদ্য

• দেশি ফল, শাকসবজি ইত্যাদি

• প্রচুর পরিমাণ পানি

বেশি পরিমাণ খাদ্যগ্রহণ, ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার, মাত্রাতিরিক্ত চা পান ও সফট ড্রিঙ্কস থেকে দূরে থাকতে হবে।  প্রথম থেকে  এসব মেনে চললে রোজা রাখার পরও আপনি সুস্থ থাকবেন।

জীবনের ভীষণ খারাপ মুহূর্তে যে ৬টি পরামর্শ কাজে আসবে আপনার

এই জীবনে সুসময়ের চাইতে বেশী হয়তো দুঃসময়টাই বেশী দেখতে হয় আমাদের। একটা না একটা বিপদ যেন লেগেই থাকে সর্বদা। মোকাবেলা করতে করতে আমরা ক্লান্ত হয়ে যাই, ভেঙে পড়ি, হেরেও যাই কখনো কখনো। যদি আপনার অবস্থাও এমন হয়ে থাকে, তবে এই ফিচারটি আপনার জন্যই। জীবনের ভীষণ দুঃসময়ে এই ৬টি পরামর্শ আপনার পথ চলাকে কিছুটা হলেও সহজ করবে, নতুন বিপদের হাত থেকে বাঁচাবে।

১) একটা জিনিস মনে রাখবেন সর্বদা, সব সমস্যারই সমাধান আছে। আমরা হয়তো এই মুহূর্তে দেখতে পাচ্ছি না। কিন্তু একটু ঠাণ্ডা মাথায় আবেগ একপাশে সরিয়ে রেখে ভাবলে অবশ্যই একটা সমাধান বের হবে। হবেই। চাই কেবল একটু সময়।

২) বিপদের দিনে হুট করে কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না। হুট করে সিদ্ধান্ত নেয়ার অর্থ নিজেকে আরও একটি বিপদে ফেলা। যাই করবেন ও বলবেন, সবই খুব ঠাণ্ডা মাথায় ভেবেচিন্তে।

৩) বিপদের দিনে আমরা সবাই অধৈর্য হয়ে পড়ি, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব ঠাণ্ডা মাথায় থাকতে, যতটা সম্ভব মেজান নিয়ন্ত্রণে রেখে কারো সাথে খারাপ ব্যবহার না করতে। অযথা আরও একটি বিপদ বাড়িয়ে লাভ নেই।

৪) ভেঙে পড়বেন না। একটি জিনিস নিশ্চিত জানবেন যে আমরা নিজেদের অবস্থা যতটা খারাপ মনে করি, অবস্থা আসলে ততটা খারাপ নয়। আপনি নিশ্চয়ই এই বিপদ থেকে বের হয়ে আসবে। আস্থা রাখুন।

৫) বিপদে কারো সাহায্য আশা করবেন না। কারো ওপরে নির্ভর করেও থাকবেন না। যা করার, নিজেই করুন। নিজের ওপরেই আস্থা রাখুন। মনে রাখবেন, বিপদে কেউ আপন না। কেউ যদি পাশে দাঁড়ায় ভালো, না দাঁড়ালে নিজেই চলার প্রস্তুতি নিন।

৬) কাউকে চট করে বিশ্বাসও করতে যাবেন না। বিপদ একলা আসে না, আটঘাট বেঁধে আসে। অযথা অন্ধ বিশ্বাস করে নতুন বিপদ ডেকে আনার মানে নেই।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

কীভাবে চিনবেন “নকল” বন্ধুকে? জেনে নিন…

সত্যি কথা বলতে কি, এই জীবনে বন্ধু চিনতে আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুল করি। ভুল মানুষদেরকে আপন ভেবে নিই জীবনে, তারপর প্রতারণা ও ক্ষতির স্বীকার হয়ে নিজেই পস্তাই। একবার বিপদে পড়ার পর আর কিছুই করার থাকে না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে চিনবেন নকল বন্ধুকে? কীভাবে বুঝবেন যে যাকে আপন ভেবে পাশে রেখেছেন, সেই- ই আপনার ক্ষতির কারণ হবে? আছে কিছু নিশ্চিত লক্ষণ। জেনে নিন…

১) সবসময় কি আপনিই বন্ধুদের জন্য এটা-সেটা করতেই থাকেন? আপনিই খাওয়ান, আপনি বেড়াতে নিয়ে যান, আপনিই তাঁর প্রয়োজনের সময় পাশে থাকেন? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনি আছেন নকল বন্ধুত্বে।

২) কখনো মনোমালিন্য বা ভুল বোঝাবুঝি হলে কি আপনাকেই আগ বাড়িয়ে সমাধান করতে হয়? আপনি হাত নয়া বাড়ানো পর্যন্ত কি তিনি এগিয়ে আসেন না? জেনে রাখুন, সত্যিকারের বন্ধুত্বে এমন ইগো সমস্যা থাকে না।

৩) এমনিতে সম্পর্ক সাধারণ হলেও প্রয়োজনের সময় তাঁদের ব্যবহার হুট করেই খুব ভালো হয়ে যায়, এমন বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাকুন।

৪) বন্ধুকে মানুষ সাহায্য করবেই। কিন্তু সেই সাহায্য যদি প্রায়ই করতে হয়, তাহলে জানবেন বন্ধুত্বে আছে সমস্যা।

৫) আপনার বন্ধু কি প্রায়ই আপনাকে বলতে থাকেন যে “অমুকে এটা বলেছে, তমুকে সেটা বলেছে?” এমন বন্ধু হতে যত দ্রুত সম্ভব নিজেকে সরিয়ে নিন। অন্য কেউ তাঁর কাছে আপনার নামে বদনাম করার পরও সে সেটা শুনেছে, এর অর্থ সহজেই অনুমেয়।

৬) বন্ধুর উপকার করতে গিয়ে প্রায়ই কি বিপদে পড়েন আপনি? জেনে রাখুন, এই বন্ধুত্ব মিথ্যা। সত্যিকারের বন্ধু কখনো আরেকজনকে বিপদে ফেলেন না।

৭) আপনার বিপদের সময় কি বন্ধুকে কাছে পান? নাকি এটা-ওটা বাহানায় তিনি আজীবন ব্যস্তই থাকেন? উত্তর যদি পজেটিভ না হয়, তবে এমন বন্ধুত্ব থেকে সরে আসাই উত্তম।

৮) আপনার নিজেরই কি মনে হয় বন্ধু আপনাকে ব্যবহার করছে? উত্তর হ্যাঁ হলে নিজেই বুঝে নিন।

 

 

 

সূত্র-
এলিট ডেইলি ও সাইকোলজি টু ডে

মোবাইল ফোন লেখাপড়ার জন্যে ক্ষতিকর

স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার পর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল ভালো হয়েছে গবেষণায় দেখা গেছে।

গবেষকরা বলছেন, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার জন্যে বাড়তি সময় পেয়েছেন।

ইংল্যান্ডের চারটির শহরের স্কুলে জরিপ চালিয়ে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স এই সমীক্ষাটি প্রকাশ করেছে।

ফোন নিষিদ্ধ করার আগে ও পরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই মন্তব্য করা হয়েছে।

এছাড়াও দেখা গেছে, যেসব স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেসব স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল অন্যান্য স্কুলের তুলনায় ৬% ভালো।

গবেষকরা বলছেন, স্বল্প আয়ের পরিবারের ছেলেমেয়েদের উন্নতি হয়েছে সবচে’ বেশি।

ব্রিটেনে ৯০ শতাংশেরও বেশি কিশোর কিশোরী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে।

গবেষকরা বলছেন, নতুন নতুন স্মার্ট ফোনের অনেক সুবিধা থাকলেও এসব ফোন শিক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট করে। এতে পড়ালেখারও ক্ষতি হয়।

২০০৭ সালের এপ্রিল মাস থেকে শিক্ষক শিক্ষিকাদের বৈধ অধিকার ছিলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জিনিসপত্র জব্দ করা। তবে মোবাইল ফোনের ব্যাপারে সরকারি নীতিতে কিছু বলা ছিলো না।

একেকটি স্কুল এবিষয়ে একেক ধরনের নীতি গ্রহণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কের মেয়র সম্প্রতি স্কুল প্রাঙ্গণে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর থেকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে অসাম্য কমে আসবে বলে তারা মনে করেন।

কিন্তু গবেষকরা এর সাথে একমত নন।

তারা বলছেন, মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়াতে পারে।

মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখলে কি হয় ?

ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সীরিন রহ. বলেন : যদি স্বপ্নে কেউ মৃত ব্যক্তিকে দেখে তাহলে তাকে যে অবস্থায় দেখবে সেটাই বাস্তব বলে ধরা হবে। তাকে যা বলতে শুনবে, সেটা সত্যি বলে ধরা হবে। কারণ, সে এমন জগতে অবস্থান করছে যেখানে সত্য ছাড়া আর কিছু নেই। যদি কেউ মৃত ব্যক্তিকে ভাল পোশাক পরা অবস্থায় বা সুস্বাস্থের অধিকারী দেখে, তাহলে বুঝতে হবে সে ভাল অবস্থায় আছে। আর যদি জীর্ণ, শীর্ণ স্বাস্থ্য বা খারাপ পোশাকে দেখে তাহলে বুঝতে হবে, ভাল নেই। তার জন্য তখন বেশি করে মাগফিরাত কামনা ও দোআ-প্রার্থনা করতে হবে।

ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, বিদ্রোহীরা যখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু- এর বাসভবন ঘেরাও করল, তখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি গত রাতে স্বপ্ন দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, উসমান আমাদের সাথে তুমি ইফতার করবে। আর ঐ দিনই উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু শহীদ হলেন। (আল কাওয়ায়েদুল হুসনা ফী তাবীলির রুইয়া : শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস সাদহান)

আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, আবু মূসা আশ আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম, আমি একটি পাহাড়ের কাছে গেলাম। দেখলাম, পাহাড়ের উপরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রয়েছেন ও পাশে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার হাত দিয়ে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর দিকে ইশারা করছেন। আমি আবু মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহুর এ স্বপ্নের কথা শুনে বললাম, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। আল্লাহর শপথ! ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তো মারা যাবেন! আচ্ছা আপনি কি বিষয়টি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লিখে জানাবেন?

আবু মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার জীবদ্দশায তার নিজের মৃত্যু সংবাদ জানাব, এটা কি করে হয়? এর কয়েকদিন পরই স্বপ্নটা সত্যে পরিণত হল। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু শহীদ হয়ে গেলেন। কারণ, মৃত্যু পরবর্তী সত্য জগত থেকে যা আসে, তা মিথ্যা হতে পারে না। সেখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ নেই। (আল কাওয়ায়েদুল হুসনা ফী তাবীলির রুইয়া : শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস সাদহান)

 

সৌজন্য : ইসলামহাউজ

মুখে না বলেও যে ১০ উপায়ে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করেন পুরুষেরা

১) তিনি আপনাকে নিজের পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সামনে নিয়ে যাচ্ছেন
যখন একজন পুরুষের কাছে কোনো নারী অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হন তখন তিনি অবশ্যই তাকে নিজের জীবনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে থাকেন। এটি তার ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম প্রধান একটি উপায়।

২) তিনি আপনার পাশাপাশি থাকতে চান
শুধুমাত্র মুখে বলা নয় বা ফোনে ম্যাসেজ করা নয়, সত্যিকার ভাবেই যদি আপনি তাকে পাশে পান, তিনি আপনার সাথে থাকতে, সময় কাটাতে পছন্দ করেন, তিনি আপনার ছোট্ট ছোট্ট ছোঁয়াও অনুভব করেন তাহলে বুঝে নেবেন তার ভালোবাসা প্রকাশের ধরণ এমনই। তিনি মুখে না বলে তার কাজে প্রকাশ করছেন।

৩) তিনি সত্যিই আপনার কথা শোনেন
আপনার প্রতিটি কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। হতে পারে তার সাথে মতামতে ভিন্নতা আসছে, কিন্তু তিনি আপনার কথা তো শুনছেন। এই জিনিসটিও সম্পর্কের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এবং তিনি আপনাকে কতোটা গুরুত্ব দিচ্ছেন তা তার এই কাজের মাধ্যমেই প্রকাশ পেয়ে যায়।

৪) তিনি আপনার আন্তরিকতা উপভোগ করেন
আপনার প্রতিটি ছোঁয়া তার কাছে অনেক বেশি মূল্যবান। তিনি হয়তো মুখে বলেন না, কিন্তু তিনি আপনার আন্তরিক ছোঁয়ার বিপরীতে যে মধুর হাসি দিচ্ছেন তাতেই আপনার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে।

৫) শুধুমাত্র আপনার কথা ভেবে অনেক কিছু করেন
আপনার মুখে একটু হাসি ফুটে উঠবে সেই কথা ভেবে আপনার পছন্দের অনেক কাজই তিনি করে ফেলেন। আপনার কিন্তু বুঝে নিতে হবে এটিই তার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

৬) তিনি শুধুমাত্র আপনার সান্নিধ্য নিয়েই চিন্তা করেন
আপনি শপিংয়ে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকে শপিংমলে ঘোরাচ্ছেন। তিনি কিছুই বলছেন না, এতে প্রমান হয় যতোটা সময় আপনি তার পাশে আছেন তিনি অন্য কিছুর দিকে নজরই দিচ্ছেন না। আপনার সান্নিধ্যই তার কাছে মুখ্য। ভেবে দেখুন, এটি কি তার ভালোবাসা প্রকাশ নয়?

৭) তিনি অনেক চিন্তাভাবনা করে আপনাকে উপহার দেন
চোখের সামনে যা পড়ল তা কিনে উপহার দেয়া কিংবা আপনার কি পছন্দ তা জেনে নিয়ে উপহার দেয়ার এবং নিজে ভেবে চিন্তে উপহার দেয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তিনি হয়তো তার মিটিং বা অন্য কাজ ফেলে অথবা কাজের ফাঁকেই চিন্তা করেছেন আপনাকে নিয়ে এবং খুব ভেবে বের করেছেন কোন উপহারটি আপনার জন্য উপযুক্ত। এই বিষয়টিও কিন্তু প্রমান করে তিনি আপনাকে তার জীবনে কতোটা গুরুত্ব দেন।

৮) তিনি কম্প্রোমাইজ করেন
যে পুরুষটি সম্পর্কের ব্যাপারে একেবারেই সিরিয়াস নন তিনি কিন্তু কম্প্রোমাইজ করে চলার কথা ভাবতেও যাবেন না। তিনি বরং ভাববেন ‘সম্পর্কে থেকে তিনি কি পেলেন’। কিন্তু যদি আপনার সুবিধা, অসুবিধার কথা ভেবে, আপনার জন্য তিনি কম্প্রোমাইজ করে চলেন তাহলে কি মুখে বলে বোঝানো লাগবে তিনি আপনাকে ভালোবাসেন? মোটেও নয়।

৯) তিনি আপনার কাছে পরামর্শ চেয়ে থাকেন
যে কোনো কিছুর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়ে যদি তিনি আপনার কাছে পরামর্শ চেয়ে থাকেন তাহলেই প্রমানিত হয় তিনি আপনাকে কোন চোখে দেখেন। তিনি আপনার পরামর্শকে মূল্যায়ন করেন এবং আপনাকে মূল্যায়ন করেন বলেই তিনি পরামর্শ চান। ভালোবাসা প্রকাশের এর চাইতে ভালো কোনো উপায় আর আছে কি?

১০) তিনি আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন
পুরুষেরা স্বভাবতই একটু প্রতিরক্ষামূলক মনোভাবের হয়ে থাকেন। যে পুরুষটি আপনাকে ভালোবাসেন আপনাকে কেয়ার করেন তিনি আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আপনি তার সাথে থাকলে অনেক বেশি নিরাপদ অনুভব করবেন। আপনি যদি সমস্যায় পড়েন তাহলে তিনি কখনো প্রশ্ন করবেন না কিন্তু আপনি ঠিকই তাকে পাশে পাবেন। ভালোবাসা প্রকাশ কিন্তু এভাবেও হয়ে যায়।

 

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net