শিরোনাম

নারী মঞ্চ

যে প্রশ্নগুলো শুধু নারীদের করা হয়, পুরুষদের কেন নয়?

বহু প্রশ্ন রয়েছে যা শুধু নারীদেরকেই জিজ্ঞাসা করা হয়। এই প্রশ্নগুলো যেন পুরুষদের জন্যে নয়। অথচ দারুণ সুন্দর এসব প্রশ্ন পুরুষদের জন্যেও প্রযোজ্য। বিশেষজ্ঞের মতে, এই প্রশ্নগুলো পুরুষদেরকেও জিজ্ঞাসা করা উচিত।
১. তুমি কি সন্তান চাও?
দারুণ সুখকর একটি প্রশ্ন হতে পারে। স্ত্রীর হয়তো এখনই সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা নেই। কিন্তু স্বামীর তীব্র ইচ্ছা থাকতে পারে। তিনি বাবা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কিনা তা জেনে নেওয়া জরুরি। এমনকি চাকরির ইন্টারভিউয়ে পর্যন্ত নারীদের এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু ছেলেদের কখনো এ প্রশ্ন করা হয় না।
২. তুমি কেন সন্তান নিতে চাও না?
কোনো নারী সন্তান না নিতে চাইলে বিষয়টি অদ্ভুত মনে করা হয়। সন্তান নেই, এমন নারীর কথা কেউ চিন্তাই করতে পারেন না। কিন্তু সন্তান নেই এমন পুরুষ যেন স্বাভাবি বিষয়। কিন্তু তিনি কেন সন্তান চান না, সেই প্রশ্নটি কেউ তাকে করেন না।
৩. এই পোশাকটি পড়েছ কেন?
এমন পোশাক পরেছো কেন? এটা ভালো দেখাচ্ছে না ইত্যাদি ইত্যাদি শুধুমাত্রা নারীদেরই শুনতে হয়। নিজের চাল-চলন নিয়ে বেশি বেশি সাবধানতার কথা তুলে ধরা হয় নারীদের ক্ষেত্রে। কিন্তু একজন পুরুষকে কখনো শুনতে হয় না যে, তিনি এমন পোশাক কেন পড়েছেন বা তাকে ভালো দেখাচ্ছে না ইত্যাদি।
৪. এই রংয়ের পোশাক কেন পরেছো?
পোশাক নির্বাচনের বিষয়টিও যেন অন্য কারো পছন্দের হতে হবে। কোনো নারী কি রংয়ের পোশাক পরবেন, তাও অনেক সময় স্থির করে দিতে চান অনেকে। কিন্তু একজন পুরুষের ভুল রং নির্বাচন কোনো নারী তুলে ধরেন না।
৫. তোমার কি কোনো সাহায্য লাগবে?
অবধারিতভাবেই এই প্রশ্নটি শুধু মেয়েদেরকেই শুনতে হয়। কারণ তারা দুর্বল এবং কাজে অদক্ষ বলে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু কোনো পুরুষ কি এই প্রশ্নটি শুনতে পারেন না? তাকে কি কোনো নারী কোনো কাজে সাহায্য করতে পারেন না?
৬. কিভাবে নিজের সন্তানকে ছেড়ে চলে যাচ্ছো?
মা যদি সন্তানকে ছেড়ে চলে যেতে না পারে, তবে বাবা কিভাবে পারেন। সংসারের ঝামেলায় বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি বা রাগ করে চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ক্ষেত্রে নারীদেরই এই প্রশ্নটি শুনতে হয় যে, মা হয়ে তিনি কিভাবে সন্তানকে রেখে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু বাবা অহরহ এসব ঘটনা ঘটালেও তাদের এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় না।
৭. বয়সের ব্যবধান কেমন?
পুরুষরা তার চেয়ে অনেক কম বয়সী মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে গড়ে তুলতে পারেন। আর এটাই স্বাভাবিক বিষয় বলে মনে করা হয়। পুরুষরা তার চেয়ে কম বয়সী মেয়ে খুঁজে থাকেন বিয়ের জন্যে। কিন্তু মেয়েদের কখনো জিজ্ঞাসা করা হয় না যে তারা সঙ্গীকে কেমন বয়সের দেখতে চান। তারা সমবয়সী বা নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধান চান কিনা, তা কখনো জানতে চাওয়া হয় না এবং একে পাত্তাও দেওয়া হয় না। সেখানে পুরুষদের মতো নিজের বয়সের চেয়ে কম বয়সী কাউকে যে নারী চাইতে পারেন, তা তো কল্পনাতীত। সূত্র : ইন্টারনেট

স্ত্রীর কাছে যে ৪টি বিষয় প্রকাশ করেন না পুরুষরা

আপনাদের দাম্পত্য জীবনের বয়স কতদিন হয়েছে তা কোনো ব্যাপার নয়। কতদিন ধরে একে অপরকে চেনেন, তাও কোনো ঘটনা নয়। বিশেষজ্ঞের মতে, পুরুষরা কয়েকটি বিশেষ বিষয় স্ত্রীর কাছ থেকে আজীবন লুকিয়ে রাখতে চান। নিরাপত্তাহীনতা, আবেগপ্রসূত বিষয় এবং প্রয়োজনের তাগিদে এই বিষয়গুলো সঙ্গী যেকোনো মূল্যে লুকিয়ে রাখেন। জেনে নিন এমনই ৪টি বিষয়।

১. পুরুষরা আত্মবিশ্বাসী এবং নিরাপদ বোধ করতে পছন্দ করেন। নারীরা তার সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরে তাকে কেমন দেখাচ্ছে তা জানতে অস্থির থাকেন। কিন্তু পুরুষরা তা করতেই চান না। অথচ তারা বুঝতে চান যে, আপনি তার প্রতি এখনো যথেষ্ট আকৃষ্ট। আবার দৈহিকভাবে কোনো সমস্যা থাকলে পুরুষরা তা কোন অবস্থাতেই প্রকাশ করতে চান না। এ বিষয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন তারা। এই বিষয়টিও লুকিয়ে রাখতে চান। এসব তথ্য তুলে ধরেন লস অ্যাঞ্জেলসের সম্পর্ক বিষয়ক থেরাপিস্ট এলেন ব্র্যাডলে-উইন্ডেল।

২. প্রকৃতিগতভাবেই পুরুষরা নারীদের চেয়ে কম আবেগপ্রবণ বলে জানান ডেট্রয়েটের ক্লিনিক্যাল থেরাপিস্ট তোমানিকা উইদারস্পুন। এ কারণে পুরুষরা কখনোই নিজেকে সবকিছু উজাড় করে দেয় না। তার মানে এই নয় যে তারা আবেগহীন। তবে স্ত্রী কর্তৃক পুরুষদের চাহিদা পূরণ না হলে তারা সত্যিই তা সহ্য করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে তারা আরো নিজেকে গুটিয়ে নেন। সঙ্গিনীর প্রতি মনের ক্ষোভ সহজে প্রকাশ করতে নারাজ তারা।

৩. হতে পারে পুরুষরা সংসারটি চালিয়ে নেন, যেকোনো বিপদ এবং আপনার মাঝখানে দেওয়াল হয়ে দাঁড়ান। কিন্তু তারপরও জীবনের একজন বিশ্বস্ত সহযাত্রীর জন্যে তিনি আপনা কাছে অসহায়। বাইরে ছেলেদের বন্ধুর অভাব নেই। কিন্তু একান্তে তার হৃদয়ের কাছের কেউ নেই। এ বিষয়ে পুরুষদের মনে আবেগের ঝড় বয়ে যায়। এ বিষয়ে তিনি পুরোপুরি আপনার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু তা একেবারেই প্রকাশ পাবে না তার আচরণে। তাই এমন লক্ষণ না দেখলেও নারীর প্রয়োজন সঙ্গীর প্রতি মায়ার ডালপালা ছড়িয়ে দেওয়া।

৪. অনেক সময় মনে হবে তিনি আপনার সঙ্গে সেক্স করতে চান। হয়তো দুজন দুজনের বুকে জড়িয়ে রয়েছেন। সঙ্গী আপনার সঙ্গে খুনসুটি করছেন। তার চোখে বা মস্তিষ্কে যৌনতা থাকতে পারে। কিন্তু ইচ্ছাতে মোটেও নেই। এই সময়গুলো অধিকাংশ নারীদের ভুল হয়ে থাকে। কিছু সময় সঙ্গিনীর বিশ্বস্ত দুই হাতে বুকে জড়িয়ে নেওয়াটাই বেশি কাম্য থাকে পুরুষের কাছে, সেক্স নয়। তবে এই চাওয়ার কথা কখনোই বুঝতে দেবেন না সঙ্গী। এটা নারীদের বুঝে নিতে হয়।
সূত্র : ফক্স নিউজ

যা বলেছেন তা আসলে বোঝাননি, নারীদের এমনই ১০টি কথা

স্বাধীনতা-অধিকার ইত্যাদি নিয়ে নারীদের বক্তব্য এখন স্পষ্ট। নানা সম্পর্ক নিয়ে তাদের জীবনে যারা জুড়ে রয়েছেন, তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপচারিতা হয়। হতে পারে তর্ক-বিতর্ক। বিশেষজ্ঞের মতে, নারীদের এমন কিছু কথা রয়েছে যার অর্থ আসলে ভিন্ন হতে পারে। এ নিয়ে প্রায়ই ভুল বোঝেন পুরুষরা। তাই নারীদের সঙ্গে কথোপকথনে ১০টি বিষয়ের কথা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞ। এগুলো শুনে কিছু বুঝে নেওয়ার আগে অন্তত আরেকবার ভেবে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

১. ‘আমি রান্না করতে খুব ভালোবাসি’- এর অর্থ এই নয় যে তিনি সব সময় রান্না করতে পছন্দ করেন।

২. ‘আমি বাচ্চাদের খুব পছন্দ করি’- এ কথা দিয়ে তিনি সন্তানদের নিয়ে ক্রিকেট দল গঠন করার ইচ্ছা পোষণ করেননি। মাতৃত্বের স্বাদ নেওয়াটাই তার জন্যে যথেষ্ট হতে পারে।

৩. ‘আমি খুবই ধার্মিক’- তিনি হয়তো বোঝাতে চাননি যে নিয়মিত ধর্মকর্ম পালন করতে চান এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার। অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে তার ঘর-সংসার সামলানোই ধর্ম।

৪. ‘বাড়ি সাজানোর স্বপ্ন দেখি’- সব পছন্দের দামি জিনিসপত্র দিয়ে বাড়ি ভরে ফেলার কথা বলেননি তিনি।

৫. ‘আমি ক্যারিয়ার সচেতন’- এর অর্থ তিনি যে স্বামী-সংসারের প্রতি উদাসীন তা নয়।

৬. ‘আমি সব খাই’- বুঝবেন না যে তিনি খাদক। তা ছাড়া খাবার নিয়ে তার কোনো পছন্দ নেই তাও বলতে পারবেন না।

৭. ‘আমি ধূমপান করি’- এ কথায় বুঝে নেওয়া উচিত নয় যে তিনি ধূমপানে পুরোপুরি আসক্ত। অথবা নেশা জাতীয় দ্রব্যের প্রতি আসক্তি রয়েছে তার।

৮. ‘একটি ছেলেই আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু’- এর মানে ওই বন্ধু তার প্রেমিক নন। আবার ছেলেদের সঙ্গে সময় কাটাতেই যে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তাও নয়।

৯. ‘বেশি কাপড় পরতে ভালো লাগে না’- তার মানে এই নয় যে তিনি সেক্স সাইরেন হয়ে ঘুরে বেড়াতে চান। এটা দিয়ে নিজের আরামের কথাও প্রকাশ করতে পারেন তিনি।

১০. ‘একাকিত্ব আমার ভালো লাগে’- এর অর্থ আপনার সঙ্গ যে তার ভালো লাগছে না তা নয়। সূত্র : ডিএনএ ইন্ডিয়া

ছেলেদের সম্পর্কে যে ৮ টি তথ্য মেয়েরা একেবারেই জানেন না

মেয়েদের প্রশ্ন করছি, আপনার ভালোবাসার মানুষটি সম্পর্কে আপনি কতোটুকু জানেন? অনেকেই উত্তরে বলতে পারেন খুব বেশি নয়, আবার অনেকে বলবেন, বেশ ভালো করেই জানি তার সম্পর্কে। অনেকের মতে নারীর মন বোঝা শক্ত পুরুষের নয়। কিন্তু ব্যাপারটি সেরকম নয়। কারণ পুরুষের মন বোঝাও কষ্টকর। পুরুষেরা নিজের উপরের শক্ত খোলসের আড়ালে অনেক কিছুই লুকিয়ে রাখেন। তাই যতোটা সহজ ভাবছেন পুরুষকে বোঝা ঠিক ততোটা সহজ নয়। এবং নিজের সঙ্গীকে যতোটা জেনে ফেলেছেন মনে করছেন ঠিক ততোটা কিন্তু এখনো জানতে পারেন নি। আজকে চলুন জেনে নিন পুরুষ সম্পর্কে এমন কিছু অজানা তথ্য।

১) ছেলেরা নিজেদের কেমন দেখাচ্ছে তা নিয়ে অনেক চিন্তিত থাকেন

মেয়েরা ভাবেন ‘কেমন দেখাচ্ছে, কি পোশাক পড়ব’ এগুলো নিয়ে ছেলেরা একেবারেই ভাবেন না। বরং যা হাতের কাছে পান তা পরেই একেবারে যেমন ছিলেন তেমন ভাবেই দেখা করতে চলে আসেন। বিষয়টি কিন্তু একেবারেই ভুল। মেয়েদের মতো ছেলেরাও নিজেদের লুকস নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন। এছাড়াও ছেলেরা মেয়েদের মতো ডায়েট না করলেও নিজেদের বডি নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন।

২) ছেলেরা মানসিক ভাবেই প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে উঠে

সামান্য বিষয় নিয়ে প্রতিযোগী মনোভাব এবং জিততেই হবে এই ধরণের ব্যাপারটি ছেলেদের মধ্যে আপনাআপনিই তৈরি হয়ে যায়। বলা হয়, ছেলেরা জন্মগত ভাবেই প্রতিযোগী ও জেতার মানসিকতা নিয়ে বড় হতে থাকেন।

৩) শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণ ছেলেদের মনে ভালোবাসার সৃষ্টি করে না

অনেকেই মনে করেন ছেলেরা শুধুমাত্র মেয়েদের শারীরিক বিষয়ে আকর্ষণ বোধ করলেই তাকে ভালোবেসে ফেলেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল, কারণ সাধারণভাবে এবং স্বাভাবিক ছেলেরা কখনোই ভালোবাসার জন্য শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণকে প্রাধান্য দেন না। তারা সমঝোতা, তাকে বুঝতে পারা এবং বাস্তবের সাথে মিলিত সকল বিহসয় বিবেচনা করে ভালোবাসেন।

৪) ছেলেরা আত্মসম্মানকে ভালোবাসার চাইতেও বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন

ভালোবাসার মূল্য ছেলেদের কাছে রয়েছে কিন্তু তারা ভালোবাসার চাইতেও বেশি প্রাধান্য দেন আত্মসম্মানকে। ছেলেরা সবসময়েই নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে সম্মান আশা করেন। তাদের মাপকাঠিতে সম্মান ভালোবাসার চাইতেও উপরে থাকে। একারণে অনেক সময় ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়, কিন্তু তবুও তারা এভাবেই চিন্তা করেন।

৫) ছেলেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে থাকেন

মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ছেলেদের কাছে আশ্রয় নিয়ে থাকেন। এই নিরাপত্তা মানসিকভাবে কাজ করেন। কিন্তু এমন ভাবার কোনো কারণ নেই যে ছেলেরা একেবারেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না। নিজেদের একটু অসহায়ভাবে ছেলেরাও খুঁজে পান। আর তখনই ছেলেরা মেয়েদের কাছে মানসিক আশ্রয় খুঁজে থাকেন।

৬) ছেলেরা রোমান্স অনেক পছন্দ করেন যদিও তারা তা প্রকাশ করতে ভয় পান

ছেলেরা খুব রোম্যান্টিক হয়ে থাকেন। কিন্তু তা সবসময় সঠিক ভাবে উপস্থাপন এবং প্রকাশ করতে পারেন না। কারণ তারা দ্বিধায় থাকেন ‘যদি অতিরিক্ত হয়ে যায়, কিংবা তিনি যদি কিছু ভুল করে ফেলেন অথবা তাকে নিয়ে যদি সঙ্গী মজা করেন’।

৭) ছেলেরা শোনা কথায় কান দেয়ার চাইতে চোখে দেখায় বিশ্বাসী হয়ে থাকেন

মেয়েরা একটু কান কথায় বেশি বিশ্বাসী হলেও ছেলেরা এই কাজটি একটু কমই করেন। ছেলেরা নিজের চোখে না দেখা পর্যন্ত কোনো কথা বিশ্বাস করতে চান না। তাই আপনি বলে বলে বিরক্ত না হয়ে তাকে সত্য দেখানোর চেষ্টা করুন, দেখবেন তিনি ঠিকই বিশ্বাস করে নিয়েছেন।

৮) ছেলেরা সবসময়েই নিজের ভালোবাসার মানুষটির সামনে দুর্বল

ছেলেরা উপরে যতোই শক্ত থাকুন না কেন তিনি তার ভালোবাসার মানুষটির সামনে অনেক বেশি দুর্বলতা প্রকাশ করে ফেলেন। হয়তো তিনি চান তার এই দুর্বল দিকটি শুধুমাত্র তার মনের মানুষটিই দেখুন।

 

৪ টি যে অদ্ভুত কাজ বাড়াচ্ছে আপনার মৃত্যুঝুঁকি

কথায় বলে যেমন কর্ম তেমন ফল। বিষয়টি অনেকেই জানি কিন্তু মানি না। এই কথাটি শুধুমাত্র নীতিকথার জন্য প্রযোজ্য নয়। এটি স্বাস্থ্যের দিক থেকেও প্রযোজ্য। আপনি যা করছেন তার প্রভাব অনেকাংশেই আপনার স্বাস্থ্যের উপর পড়ছে। এমনকি আপনারই কিছু বাজে কাজ আপনার মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে প্রতিনিয়ত। অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও বিষয়টি সত্যি।

১) টিভি, কম্পিউটার ও মোবাইল অতিরিক্ত ব্যবহার করা

একটানা বেশিক্ষণ মোবাইল, কম্পিউটার এবং টিভি দেখা আপানার চোখকে ক্ষতিগ্রস্থ করে ফেলছে। এছাড়াও এই অতিরিক্ত প্রযুক্তির ব্যবহারে আপনার মস্তিষ্ক হয়ে পড়ছে দুর্বল। স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারিয়ে দিনকে দিন বাড়াচ্ছে মৃত্যুঝুঁকি। তাই খুব বেশি টিভি দেখা এবং কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা বন্ধ করুন।

২) বেহিসেবি অর্থ ব্যয়

বেহিসেবি অর্থ ব্যয়ের বদঅভ্যাসটি শুধুমাত্র আপনার অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ নয়, আপনার এই বাজে কাজটির প্রভাব আপনার স্বাস্থ্যের উপরেও পড়ছে। আপনার যখন আয়ের থেকে ব্যয় বেশি হবে তখন আপনি অর্থ সংকটে পড়বেন যা থেকে তৈরি হচ্ছে মানসিক চাপ এবং মানসিক চাপ জনিত সমস্যা। এর প্রভাব পড়ছে আপনার পুরো দেহের উপরে, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি।

৩) প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ঔষধ সেবন

অনেকেই সামান্য জ্বর কিংবা মাথাব্যথা অথবা অন্য কোনো কারণে অনেকেই হুটহাট ঔষধ খেয়ে ফেলেন কোনো ধরণের ডাক্তারের পরামর্শ এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়াই। এতে কিন্তু ক্ষতি আপনারই হচ্ছে। কারণ হয়তো আপনার আসল রোগের চিকিৎসা হচ্চে না অথবা ব্যথানাশক ঔষধ আপনার পাকস্থলীকে ড্যামেজ করে দিচ্ছে চিরদিনের জন্য। বাড়াচ্ছে মৃত্যুঝুঁকি প্রতিনিয়ত। তাই এই মারাত্মক বাজে কাজটি একেবারেই করবেন না।

৪) পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া

অনেকেই কাজের চাপে পরিমিত বিশ্রাম নিতে পারেন না। আবার অনেকে ভাবেন বেশিক্ষণ বিশ্রাম নেয়া শুধুমাত্রই সময় নষ্ট। তাই খুব বেশি পরিশ্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রাম নিতে যান না। এই কাজটি অনেক বড় একটি ভুল কাজ। এতে আপনার মস্তিস্ক ও দেহের উপর অনেক বেশি চাপ পড়ে। আপনার স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে বাঁধা প্রদান করে এবং দিনকে দিন ক্ষয় করে ফেলে দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে। তাই আপনার যতোটুকু বিশ্রামের প্রয়োজন ততোটুকুই বিশ্রাম নিন।

সূত্রঃ mensfitness

জেনে নিন হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হওয়ার প্রধান ৫ টি লক্ষণ

“করোনারি আর্টারি ডিজিজ” যাকে আমরা সাধারণত হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়া হিসেবেই বুঝে থাকি, নিঃসন্দেহে এটি অনেক মারাত্মক একটি সমস্যা। এই রোগটি মূলত অতিরিক্ত কলেস্টোরল এবং ফ্যাটি প্লাকের কারণে হয়ে থাকে যা হৃদপিণ্ডের ধমনীকে ধীরে ধীরে ব্লক করে ফেলে। হৃদপিণ্ডের রক্ত প্রবাহী ধমনী চিকন হয়ে যাওয়া বা ব্লক হয়ে গেলে পুরো দেহে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা শুরু হয় এবং মস্তিষ্কে রক্তের সাথে অক্সিজেন প্রবাহ কমে আসে। এইসকল কারণে হার্ট অ্যাটাক হয় যা রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই। কিছু লক্ষণে বুঝে নেয়া যায় ধমনী ব্লক হয়েছে কি না। এই সকল লক্ষণ রোগীর সুস্থতার জন্য সতর্কতার সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে।

১) শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট হওয়া

সামান্য সময় হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ১-২ তলা পর্যন্ত উঠা বা অন্যান্য দৈনন্দিন ছোটোখাটো কাজ করে অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠা, ছোটো ছোটো নিঃশ্বাস নেয়া এবং নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া ধমনীতে ব্লক হওয়া প্রধান লক্ষণ। যখন আমাদের হৃদপিণ্ডের ধমনীতে ব্লক থাকার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত পৌছায় না তখন এই ধরণের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা অতিরিক্ত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

২) বমি বমি ভাব

হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার আরেকটি লক্ষণ হচ্ছে অনেক বেশি বমি বমি ভাব হওয়া। এর পাশাপাশি পেটের নিচের দিকে ব্যথা অনুভূত হওয়াও অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই।

৩) মাথা ঘোরানো ও দুর্বলতা অনুভব করা

ধমনীতে ব্লক তৈরি হলে রক্তের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন আমাদের মস্তিষ্কে পৌছাতে পারে না। এর ফলে মাথা ঘোরানো, মাথা হালকা হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভব করা এবং উদ্বেগ ও অস্থিরতা অনুভূত হয়। এইসকল ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। এবং যতো দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

৪) দ্রুত অথবা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

যখন হৃদপিণ্ডের ধমনীতে ব্লকের সৃষ্টি হয় তখন রক্ত সঞ্চালনে বাঁধা তৈরি হয়। এর ফলে তখন হৃদপিণ্ড পর্যাপ্ত পর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালনের জন্য দ্রুত পাম্প হতে থাকে। এছাড়াও ব্লক থাকার কারণে সঠিকভাবে হৃদপিণ্ড রক্ত পাম্প করতে পারে না তখন অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সৃষ্টি হয়। এতে করে বুকে ব্যথা ও মাথা ঘোরানো শুরু করে। এই অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া জরুরী।

৫) এন্‌জিনা

এন্‌জিনা ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি। যাদের এন্‌জিনা রয়েছে তারা অনেক সময়েই বুকের মাঝে ব্যথা ও অস্বস্তি অনুভব করতে থাকেন। এই ব্যথা সাধারণত বুক ভারী লাগা, বুক চেপে ধরা ধরণের, বোধশক্তি হারিয়ে ফেলা অথবা প্রচণ্ড ব্যথা ও জ্বালাপোড়া ধরণের হয়ে থাকে। এই ব্যথা পরবর্তীতে বাহু, পিঠ, ঘাড়, গলা, পাকস্থলী ও চোয়ালের দিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এই লক্ষণগুলো একেবারেই অবহেলার নয়।

সূত্রঃ হেলথডাইজেস্ট

সিগারেট কি থেকে তৈরি, জানলে আতঁকে উঠবেন!

ক্লাস ও শিক্ষকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাবার পকেট কেটে শুরু করেছিলেন বন্ধুদের নিয়ে সুখ টান দেওয়া। ধূমপানের জন্য পকেট করে ফেলেছেন সদরঘাট। সরকার সিগারেটের দাম বাড়ালে ইচ্ছামত গালিগালাজ করেছেন। এমনকি বাবা, মা, প্রেমিকার নিষেদ সত্বেও ছাড়তে পারেননি সেই প্রথম টান প্রথম ভালবাসা সিগারেটকে।

সিগারেটের পিছনে মাসে কারো কারো হাজার হাজার অর্থব্যয় হয়৷ জানেন কি এই সিগারেট কি থেকে তৈরি হয়? হ্যাঁ, অবশ্যই তামাক পাতা সুন্দর করে কেটে পরিশোধন করার পর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে কাগজে মোড়ানো সিলিন্ডারের ভেতর পুড়ে সিগারেট তৈরি করা হয়৷ তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে।

ভিতরের উপাদান গুলির মধ্যে মূল উপাদান হিসাবে থাকে ইঁদুরের বিষ্ঠা৷ অবাক হওয়ার কিছুই নেই৷ কারণ সম্প্রতি অপর একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, পৃথিবী বিখ্যাত আইভরি কফি তৈরি নাকি তৈরি হয় হাতির বিষ্ঠা থেকে৷
যাই হোক এসব তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী যে তথ্যটি একেবারেই ঘৃন্যকর, সেটি হল সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডসের এক গবেষণাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ওই গবেষণায় দেখা গিয়েছে- ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত।
কারণ সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়। সিমন চ্যাপম্যান আরো বলেছেন, সিগারেট উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো কি কি উপাদান ব্যবহার করছে তা গোপন রাখায় এই বক্তব্যের বিষয়টি নিয়ে বেশি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলেন, এটা তাদের ব্যবসা এবং তারা ব্যবসার গোপন তথ্য ফাঁস করবেন না।
তিনি বলেছেন, নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়৷ গ্রিসের একটি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেছে। তারও আগে জানা গিয়েছিল, সস্তা সিগারেটের মধ্যে অ্যাসবেস্টস এবং মৃত মাছিও থাকে।
পৃথিবীতে এমন অনেক সম্প্রদায় আছে যারা প্রাণিভক্ষণ ধর্মের বিরোধী বলে মনে করেন। গোড়া ধর্মাবলম্বীরা এই খবর থেকে ধর্মচ্যূত হওয়ার সম্ভাবনাকে তুলে ধরেছেন৷ তাই এই বিষয়টি নিয়ে সমগ্র বিশ্বে তৈরি হয়েছে সংকট।

একটু বেলা বাড়লেই ক্লান্ত লাগে? জেনে নিন কারণ ও করণীয়

সকালে ঘুম থেকে উঠে তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে অফিস বা কাজে গেলেন। কিন্তু ১১ টা বাজতে না বাজতেই এনার্জির অভাব, ফলশ্রুতিতে কাজের সময় ক্লান্তি এবং ঘুম ঘুম ভাব। যখন অনেক বেশি ঘুম পেয়ে যায় কাজের সময় তখন আমরা সাধারণত দোষারোপ করি রাতের ঘুমের উপর। ঘুম কম হওয়ার কারণেই যতো সমস্যা হচ্ছে বলে মনে করে থাকি। ব্যাপারটি কিন্তু আসলেই ঠিক তাই। রাতে ঘুম কম হওয়া, অনিদ্রা এবং ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার কারণেই দিনের বেলা কাজের সময় পেয়ে বসে রাজ্যের ঘুম। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের গবেষণায় দেখা যায় প্রায় ২৯% মানুষ কাজের সময় অত্যন্ত ঘুম ঘুম ভাব অনুভব করেন অথবা ঘুমিয়েও পড়েন। এবং প্রায় ৩৬% মানুষ গাড়ি চালানোর সময় ঘুম ঘুম ভাব অনুভব করেন এবং ঘুমিয়ে পড়েন। এর ফলাফল কিন্তু ভয়াবহ। এছাড়াও ঘুম না হলে ধীরে ধীরে আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে, এতে করে অল্পতেই আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং রোগগুলো দেহে মারাত্মক আকার ধারণ করতে থাকে। সুতরাং ঘুমকে অবহেলা নয় মোটেই।

যে কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেঃ

জরীপে মানুষের নিজস্ব কিছু সমস্যার কথাই উঠে এসেছে যা তার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য দায়ী-

১) ৮৫.২% মানুষ বলেন ঘরের তাপমাত্রা ঘুমের জন্য উপযুক্ত ছিল না। তাপমাত্রা একেবারে কম ছিল কিংবা অনেক ক্ষেত্রে বেশি ছিল।
২) ৭১.৯% বলেন সঙ্গীর সাথে ঘুম সংক্রান্ত সমস্যার কথা।
৩) ৬৮.৬% বলেন আশেপাশে অনেক বেশি শব্দের কথা।
৪) ৫২.৮% বলেন ঘরে অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো ছিল।
৫) ৪০% মানুষ বলেন বিছানা আরামদায়ক ছিল না।
৬) ৩৫.৯% মানুষ বলেন বাচ্চার যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারেন নি।
৭) ১০.২% মানুষ বলেছেন তাদের শারীরিক অসুস্থতার কারণে ঘুমাতে পারেন নি।

সমস্যা এড়াতে যা করা উচিতঃ

১) প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি। কারণ এতে শারীরিক পরিশ্রম হবে যার কারণে রাতে ক্লান্তির কারণে আরামের ঘুম হবে।
২) একটানা কাজ না করে ২-৩ ঘণ্টা পরপর একটু বিশ্রাম দেয়া উচিত মস্তিষ্ককে। অর্থাৎ কাজ বন্ধ করে দিন, কিন্তু শারীরিকভাবে বিশ্রাম না নিয়ে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করে নিন।
৩) স্বাস্থ্যকর খাবার খান। এতে করে দেহে এনার্জি পাবেন।
৪) ঘোরের আলোর উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখুন ঘুমানোর সময়।
৫) খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার। গবেষণায় দেখা যায় যারা ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান তাদের ঘুমের সমস্যা কম হয়।

যা একেবারেই করবেন নাঃ

১) অনেক বেশি মাত্রার ক্যাফেইন ও চিনি গ্রহন করা থেকে বিরত থাকুন।
২) ঘুমুতে যাওয়ার আগে এবং বিছানায় শুয়ে মোবাইল, ল্যাপটপ টেপাটেপি করবেন না একেবারেই,
৩) একই বিছানার চাদর বালিশের কভার ১ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না।
৪) রাতে দেরি করে ব্যায়াম করবেন না।

সূত্র- দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

জেনে নিন অতিরিক্ত বিষণ্ণতা সমস্যায় আক্রান্তের অস্বাভাবিক ৭ টি লক্ষণ

অনেকেই ভাবেন বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষ দেখলেই বুঝে ফেলা যায়। অনেকের ধারণা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি বিষণ্ণ থাকবেন অথবা নিজের বিষণ্ণতা ঢাকার জন্য অতিরিক্ত খুশি হওয়ার ভান করে থাকবেন। কিন্তু বিষণ্ণতাকে যতোটা সাধারণ বলে ধরেন অনেকে বিষয়টি ততোটা স্বাভাবিক নয় একেবারেই। বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষ নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন, অনেক বেশি ফ্রাস্ট্রেটেড থাকেন এবং তিনি সুইসাইডের দিকেও নিজেকে নিতে পারেন। এবং সবচাইতে আশ্চর্যজনক জিনিসটি হচ্ছে এই বিষণ্ণতা সমস্যার লক্ষণ মানসিক ও শারীরিক উভয় দিক দিয়েই প্রকাশিত হয়।

১) বিষণ্ণতার কারণে মাথাব্যথা, খাবার হজমে সমস্যা এবং অন্যান্য শারীরিক ব্যথার সৃষ্টি হয়। শারীরিক ব্যথার মূলত কোনো কারণ থাকে না, বিষণ্ণতার কারণেই এই সমস্যা দেখা দেয়।

২) কথা বলতে এবং কারো সাথে পরিচিত হতে সমস্যা দেখা দেয় অতিরিক্ত বিষণ্ণ মানুষের মধ্যে। তারা অতিরিক্ত মাত্রায় চুপচাপ হয়ে পড়েন নতুন কারো সাথে পরিচিত হতে গেলে।

৩) অতিরিক্ত ইন্টারনেটের সাথে সম্পর্কিত থাকা বিষণ্ণতার লক্ষণ। যদি আপনি কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তার সাথে মেলাতে যাবেন না। গবেষণায় দেখা যায়, অতিরিক্ত বিষণ্ণ মানুষ শুধু শুধুই বিভিন্ন সাইট, পর্ণ সাইট ও সোশ্যাল পেইজ গুলো ব্রাউজ করে থাকেন।

৪) ঘুমের সমস্যা হওয়া অতিরিক্ত বিষণ্ণতার অন্যতম লক্ষণ। ঘুমের সাইকেল নষ্ট হওয়া, অনিদ্রা, বেশি ঘুমানো, ঘুম না হওয়ার ইত্যাদির সমস্যা দেখা দেয় অতিরিক্ত বিষণ্ণ মানুষের মধ্যে।

৫) নিজেকে উপস্থাপনের ব্যাপারে উদাসীনতা দেখা দেয়া অতিরিক্ত বিসন্ন মানুষের মধ্যে। নিজের শারীরিক যত্ন নেয়ার ব্যাপারে একেবারেই নজর দিতে দেখা যায় না।

৬) থাইরয়েড সমস্যা, হাইপারথায়রডিজম হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সেই সাথে খুব মন খারাপ থাকা, দুর্বলতা অনুভব করা, ওজন বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দেয়।

৭) খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন নজরে পড়ে। বিষণ্ণ থাকার কারণে অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভূত হয়, যার কারণে মস্তিষ্ক গ্লুকোজ ধরণের খাবার বেশি খুঁজে থাকে। এতে করে চিনি জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস দেখা দেয়।

সূত্রঃ দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

ঠান্ডা পানীয় বাড়িয়ে তোলে ডায়বেটিসের সম্ভাবনা

গরমকাল এলেই বাড়ে অস্বস্তি। চড়া রোদে বাইরে, হাসফাঁস গরমে শুকনো কাঠ গলা ভেজাতে প্রায়ই আমরা চুমুক দিই ঠান্ডা পানীয়ের বোতলে। কিন্তু তাতে সাময়িক তেষ্টা মিটলেও ক্ষতি হয় অনেক বেশি। ঠান্ডা পানীয় বাড়িয়ে তোলে টাইট টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঠান্ডা পানীয় নয়, তেষ্টা মেটাতে পান করুন জল।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে ঠান্ডা পানীয় পান করলে সাময়িক এনার্জি লেভেল বৃদ্ধি পায় ৫ শতাংশ। কিন্ত তার ফলে টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে প্রায় ১৮ শতাংশ। শুধুমাত্র সোডা, সফট ড্রিঙ্ক বা ঠান্ডা পানীয় নয়, চা, কফিতে চিনির পরিমানও টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়াতে পারে ১৪ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত। ৪০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী ২৫,০০০ জন মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়েছিল এপিক-নরফোক। সপ্তাহে ৭ দিন ধরে তাদের খাওয়া দাওয়ার ওপর নজর রাখা হয়। ১১ বছর পর তাদের মধ্যে ৮৪৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন টাইপ টু ডায়বেটিসে।

কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী নীতা ফারোহির এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ডায়বেটোলজিয়াতে।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net