শিরোনাম

নারী মঞ্চ

মেয়েরা যে ধরনের ছেলেদের পছন্দ করে না

সময় বদলের সঙ্গে বদলে গেছে অনেক কিছুই। একটা সময় জীবনসঙ্গী বাছাই করার ক্ষেত্রে মেয়েদের পছন্দের কোনও মূল্য ছিল না। কিন্তু বর্তমানে জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মহিলাদের পছন্দকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয় ও তা উচিতও। জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নারীর যেমন পছন্দ রয়েছে, তেমনি অপছন্দ রয়েছে।

কিছু পুরুষ আছেন যারা খুব সহজেই নারীদের মন জয় করে ফেলতে পারেন। আবার কিছু পুরুষকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না। যাকে বলা যায় একেবারে চক্ষুশূল। কিন্তু এই তারতম্যের কারণ কি?

জবাব লুকিয়ে আছে পুরুষের আচরণের মাঝেই। পুরুষের মাঝে কিছু স্বভাব আছে যেগুলো নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না। বরং বিশেষ এই স্বভাব গুলো নারীদেরকে দারুণভাবে বিকর্ষণ করে। এসব পুরুষের ধারে কাছেও ঘেঁষতে চান না অধিকাংশ নারী, সম্পর্ক কিংবা বিয়ে করা অনেক দূরের ব্যাপার।

জেনে নিন মেয়েদের অপছন্দের পুরুষ কারা।

চরিত্রহীন

চরিত্রহীন পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। যেসব পুরুষ একাধিক নারীর পেছনে পেছনে ঘোরে কিংবা অতিরিক্ত নারী ঘেঁষা হয়, সেই ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা পারতপক্ষে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। কারণ এধরনের পুরুষদের সঙ্গ নারীরা নিরাপদ মনে করেন না।

ব্যক্তিত্বহীন

ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। যেসব পুরুষরা ব্যক্তিত্বহীন আচরণ করে তাদেরকে নারীরা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে সবসময়। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের আচরণ, মেলামেশা ও সকল কাজকর্মই বেশ বিরক্তির দৃষ্টিতে দেখেন নারীরা।

দায়িত্বহীন

যেসব পুরুষরা একটি বড় দায়িত্ব নিয়ে সেটি রক্ষা করতে পারে না অথবা অবহেলা করে সেসব পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করে না। নারীরা পুরুষের কাছে চায় নির্ভরতা ও আশ্রয়। যেসব পুরুষ একেবারেই নির্ভর করার মত না কিংবা দায়িত্বগ্রহণ করার যোগ্য না তাদেরকে নারীরা সাধারণত সহ্য করতে পারে না।

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী

আত্মবিশ্বাসী পুরুষদেরকে নারীরা খুবই পছন্দ করে। পুরুষের আত্মবিশ্বাস পুরুষত্বকে যেন আরো বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু তাই বলে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নারীরা একেবারেই পছন্দ করে না। যেসব পুরুষদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস তাঁরা সাধারণত নিজের মতামতের বাইরে আর কারো কোনো কথা কিংবা পরামর্শ শুনতে চায় না। তাই এ ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা সহ্য করতে পারে না।

অসামাজিক পুরুষ: এরা নিজেও আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-প্রতিবেশী থেকে দূরে থাকে। এবং তারা চায় তার জীবনসঙ্গীও যেন সবার কাছ থেকে দূরে থাকুক। এমন অসামাজিক পুরুষদেরকে কোনও নারী পছন্দ করেন না।

বেখেয়ালি পুরুষ

কিছু পুরুষ আছেন যারা খুবই বেখেয়ালি স্বভাবের। কোনো তাদেরকে কোনো কিছু বললে কখনই খেয়াল থাকে না তাদের। বেশিরভাগ সময়েই অন্যমনস্ক স্বভাবের কারণে যত গুরুত্বপূর্ন কথাই বলা হলো ভুলে যায় তাঁরা। এ ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না।

অতিরিক্ত অহংকারী পুরুষ

নিজের অর্থ, চেহারা, গায়ের রঙ, বংশ কিংবা চাকরী নিয়ে অতিরিক্ত অহংকার করা পুরুষদেরকে নারীরা সহ্য করতে পারে না। নারী কিংবা পুরুষ কাউকেই অহংকার করা মানায় না একেবারেই। বিশেষ করে পুরুষরা যদি চেহারা কিংবা অর্থ নিয়ে অহংকারী আচরণ করে তাহলে তা খুবই দৃষ্টিকটু দেখায়।

 নারী বিদ্বেষী
 নারী বিদ্বেষী পুরুষদেরকে মহিলারা পছন্দ করেন না। যে পুরুষ সারাক্ষণ মহিলা সহকর্মী, বান্ধুবী, কিংবা নিকট নারী আত্মীয় সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেন, মহিলাদের পোশাক এমনকী চরিত্র নিয়ে নেতিবাচক কথা বলেন সেসব পুরুষ থেকে মেয়েরা দূরে থাকতে পছন্দ করেন।

ছিঁচ কাঁদুনে

কিছু কিছু পুরুষ আছেন প্রেমিকা একটু দেরিতে ফোন ধরলেই কেঁদে ভাসিয়ে ফেলেন। এসব ছিঁচ কাঁদুনে পুরুষদেরকে মহিলারা মোটেও পছন্দ করেন না।

হাড় কিপ্টে

হাড় কিপ্টে পুরুষদের কোটি টাকা থাকলেও তাঁরা বন্ধু-বান্ধুবীর সঙ্গে রেষ্টুরেন্টে খেতে গিয়ে এক কাপ চায়ের বিল দিতে চায় না। হাড় কিপ্টে পুরুষদের পকেট থেকে টাকা বের করে আনা কষ্টকর ব্যপার। এসব পুরুষদের কাছ থেকে মেয়েরা দশ হাত দূরে থাকতে চায়।

অতিরিক্ত মা ঘেষা

নিজের মাকে যে পুরুষ শ্রদ্ধা করেন, সে অন্য নারীকেও শ্রদ্ধা করেন। মাকে ভালোবাসেন এমন পুরুষ নারীর পছন্দের শীর্ষে। কিন্তু কিছু কিছু পুরুষ আছেন যারা মাকে অতিরিক্ত শ্রদ্ধা-ভক্তি করেন, মায়ের কথা ছাড়া এক ইঞ্চি জায়গা নড়াচড়া পর্যন্ত করেন না, সেসব পুরুষদেরকে নারীরা একেবারে অপছন্দ করেন।

মেয়েলি স্বভাবের

মেয়েরি-কূটকাচালি স্বভাবের পুরুষেরা সারাক্ষণ নিজের বন্ধু-বান্ধুবী, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী এমনকি নিজের ভাই-বোনের নামেও হিংসাত্মক কথা বলে বেড়ায়।

বন্ধু-পাগল

বন্ধু-বান্ধুবী নেই এমন পুরুষদেরকে নারীরা যেমন পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি বন্ধু পাগল পুরুষদেরকেও পছন্দ করেন না।

ফ্লার্টিং

যেকোন নারীর সঙ্গেই এরা ফ্লার্টিং করে বেড়ায়। বিয়ের পরও এদের চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয় না। এদের কাছে সম্পর্কের সততা বলে কিছু নেই।

দায়িত্বজ্ঞানহীন

এরা কোনো দায়িত্ব নিতে চায় না। এরা সব সময় অন্যের কাধে দায়িত্ব দিয়ে নিজে দায়ভার মুক্ত থাকতে পছন্দ করেন। বিয়ের পর এসব পুরুষেরা সংসারের বাজার থেকে শুরু সব দায়িত্ব সঙ্গীনীর কাধে চাপিয়ে দেয়।

অসামাজিক পুরুষ

এরা নিজেও আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-প্রতিবেশী থেকে দূরে থাকে। এবং তারা চায় তার জীবনসঙ্গীও যেন সবার কাছ থেকে দূরে থাকুক। এমন অসামাজিক পুরুষদেরকে কোনও নারী পছন্দ করেন না।

অর্থলোভী

এদের কাছে সব কিছুর উর্ধে অর্থ। এরা অর্থের কারণে নিজের স্ত্রীকে অন্যের কাছে বিক্রি করতে একটুও দ্বিধা করেন না। এসব পুরুষদের কথায় সব সময় টাকার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। এসব পুরুষদেরকে নারীরা মোটেও পছন্দ করেন না।

ন্যাকা টাইপের

 এরা সব সময় নিজেকে বারো বছরের বাচ্চা মনে করেন। এদের আচার-আচরন, কথা-বার্তায় সব সময় শিশুসুলভভাব প্রকাশ পায়। এমন ন্যাকা টাইপের পুরুষদের সঙ্গে খানিকটা সময় কাটালে নিজের প্রতি বিরক্ত চলে আসে।

যৌন লালসাপূর্ণ

যে পুরুষ পরিচিত হোক আর অপরিচিত হোক যেকোনও নারীর শরীর স্পর্শ করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করেন। যৌনতা বিষয়ক কথাবার্তা বলতে এরা পছন্দ করেন।

 

 

বিশেষজ্ঞের দৃষ্টিতে বিবাহ বিচ্ছেদের ছয় কারণ

বিয়ের অর্থ বাকি জীবনটা সুখে-শান্তিতে কাটিয়ে দেওয়া। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা হয় না। বরং সময় যত এগিয়ে যাচ্ছে, সংসার ভাঙার হআর তত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা এ অবস্থার কারণ চিহ্নিতের জন্যে নানা গবেষণা চালিয়েছেন। তবে কিছু কারণকে মৌলিক কারণ হিসেবে তুলে ধরেন বহু বিশেষজ্ঞ। এখানে দেখে নিন এমনই ৬টি কারণ যা একটি দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ ঘটাতে চাবিকাঠির কাজ করে।

১. অর্থনৈতিক অবস্থা: দুজনের মাঝে সম্পর্ক যত গভীরই হোক না কেন, অর্থনৈতিক অবস্থার ভারসাম্য না থাকলে সমস্যা হবে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিটি সম্পর্কই কোনো না কোনোভাবে শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক অবস্থার দ্বারা নির্ধারিত হয়। কোনো যুক্তি বা বাস্তবতা দিয়ে সম্পর্কের মধ্য থেকে অর্থনৈতিক বিষয়টিকে উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।

২. যোগাযোগে বিচ্ছিন্নতা: যোগাযোগ না থাকায় দুজনের মধ্যে হয়তো ঝামেলা হচ্ছে না, কিন্তু আপনারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। কথা না বলা বা যোগাযোগ না হওয়াই যথেষ্ট। এ ধরনের পরিস্থিতি বোঝায় যে, দুজনই আর বোঝাপড়ার বিষয় আগ্রহী নন। এই পরিস্থিতির পরবর্তী পদক্ষেপে সাধারণত ডিভোর্স নিতে দেখা যায় দম্পতিদের।

৩. ঘৃণা-অবজ্ঞা: দুজনের মাঝে বোঝাপড়া না থাকলে ঘৃণা-অবজ্ঞার মতো বিষয় সৃষ্টি হতে পারে। স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক নষ্টের পেছনে ঘৃণা-অবজ্ঞার মতো কার্যকর বিষয় আর নেই। বিয়ে এবং যৌনবিষয়ক থেরাপিস্ট ড. কাট ভ্যান কির্ক বলেন, দুজনের প্রতি দুজনের বিন্দুমাত্র আবেগ কাজ না করার অর্থ এখানে ঘৃণার আগমণ ঘটেছে। আর তা সম্পর্ক শেষের লক্ষণ।

৪. সম্পর্ককে বিচ্ছিন্নভাবে লালন করা: হয়তো দুজন সংসার পেতেছেন, কিন্তু এর যত্নআত্তি করলে যার যার মতো করে। এতে দুজনের মধ্যে ধীরে ধীরে দুই ধরনের মানসিকতা তৈরি হবে। দুজনের ব্যবহার দুই ধরনের হতে শুরু করবে। খুব দ্রুত টানাপড়েন শুরু হবে। একই বিষয়ে দুজনের দুই ধরনের মতামত সৃষ্টি হবে।

৫. মিথ্যাচার: এটা খুবই মারাত্মক বিষয়। একের বিষয়ে অন্যের বিশ্বস্ততা নষ্ট হয় মিথ্যাচারের কারণে। প্রত্যেকের দ্বৈত জীবন সংসারকে ধ্বংস করবে। সততা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে সম্পর্কের লালন করতে হয়। বিশ্বাস ভঙ্গ হলে সম্পর্কের ভিত্তি নষ্ট হয়।

৬. অন্তরঙ্গতার অভাব: দুজনের মধ্যে শুধু মানসিক বন্ধন থাকলেই চলবে না, দৈহিক অন্তরঙ্গতাও থাকতে হবে। স্পর্শ, জড়িয়ে ধরা, হাত ধরা ইত্যাদি দুজনের মধ্যে সম্পর্ককে অনেক গভীর করে তুলতে পারে। এর সঙ্গে দারুণ গুরুত্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে যৌনতা। এসবের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি হলে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য।

সূত্র: ফক্স নিউজ

মাত্রাতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে বর্ডারলাইন অটিজমে আক্রান্ত হতে পারে শিশুরাঃবলছেন মনোবিদরা

স্মার্টফোন ক্ষতি করতে পারে শিশুদের। এমন আশঙ্কা বরাবরই ছিল বিশেষজ্ঞদের। সম্প্রতি ইয়ান ম্যাকগিলক্রিস্ট নামের এক সাইকিয়াট্রিস্ট দাবি করেছেন ক্রমাগত স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে বর্ডারলাইন অটিস্টিক দেখা দিতে পারে শিশুদের মধ্যে।

ম্যাকগিলক্রিস্টের গবেষণায় উঠে এসেছে ৫ বছরের শিশুদের মধ্যে শারীরিক ভাষা বোঝা ও অনুভূতি প্রকাশের ক্ষমতা আগের প্রজন্মের শিশুদের থেকে উল্লেখজনক ভাবে কমে গিয়েছে।

অক্সফোর্ডের এক সাহিত্যের শিক্ষক জানান, তার এক তৃতীয়াংশ শিক্ষয়ত্রীর মধ্যে অপরের অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা কমে এসেছে। এর কারণ শিশুদের জীবনে অনবরত প্রযুক্তির উপস্থিতিই মনে করছেন তিনি।

আধুনিক পরিবারে বাবা, মায়েরা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় শিশুরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টিভি বা ট্যাবলেটের সামনে অবসর সময় কাটায়। যার ফলেই তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিসর্ডার।

দুশ্চিন্তা দূর করুন নিমিষেই!

দুশ্চিন্তা মাথায় আনেন না এমন কাউকেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। কমবেশি সবাই দুশ্চিন্তার সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা আমাদের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। যতোটা সম্ভব দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকার চেষ্টা সকলেরই কর উচিৎ।

নিচের নিয়মগুলো মেনে চললে আপনিও থাকতে পারেন দুশ্চিন্তামুক্ত।

১) যেকোনো সমস্যা নিয়ে একটু বড় আকারে ভেবে দেখুন, দেখবেন আপনার দুশ্চিন্তার বিষয়গুলো কত তুচ্ছ!

২) দুনিয়ার অসংখ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্লান্তি আপনাকে বিধ্বস্ত করে ফেলতে পারে। সবকিছু আপনি একা ঠিক করে ফেলতে পারবেন না। কিছু কিছু বিষয় যেভাবে ঘটছে, ঘটতে দিন।

৩) সুন্দর কোনো প্রাণীর ভিডিও এক মিনিটের মধ্যে আপনার হৃদকম্প এবং রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে।
৪) নারীরা, কফি পান করুন। পুরুষরা, সম্ভব হলে ছেড়ে দিন।

৫) স্ট্রেস বা মানসিক চাপ প্রধানত নির্ভর করে কোথায় আপনি আপনার লক্ষ্য স্থির করেছেন তার ওপর। ভালো সম্ভাবনার কথা ভাবুন অথবা ইতিবাচক বিষয়ে মনোযোগ নিবদ্ধ করুন।

৬) এক গবেষণায় দেখা যায়, নিজের খেয়ালখুশি মত করা দিনের একটা ঢিলেঢালা পরিকল্পনা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। কৌশলটা হল বাড়িতে কাজের চিন্তা না করা, অফিসে বসেই অফিসের সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনাগুলো করে ফেলুন।

৭)উপভোগ্য একটা চ্যালেঞ্জ এবং ক্লান্তিকর কাজের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে আপনি কাজটি করার একধরনের নিয়ন্ত্রণ বোধ করেন। কাজের চাপ কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হল আপনার কাছ থেকে কী আশা করা হচ্ছে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা। ওভারটাইম কাজ করা বন্ধ করুন, এতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি।

৮) শিল্পকলা মানসিক চাপ কমায়। সঙ্গীত কষ্টসহিষ্ণুতা বাড়ায় এবং দুশ্চিন্তা কমায়। অবসাদ কাটাতে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

৯) শারীরিক কসরত বিশেষ করে পাঞ্চিং বা ঘুষি প্র্যাকটিস করলে মন অনেক হালকা হয়, বুঝতেই পারছেন কেন!

১০) দুশ্চিন্তা যদি করতেই হয় তাহলে তো আপনাকে কেউ আটকাতে পারবে না, তবে দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় তার জন্য বরাদ্দ রাখুন। যেসব বিষয় আপনাকে পীড়া দিচ্ছে সেগুলো লিখে ফেলুন।

১১) ইচ্ছাশক্তির জোর, খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করার, অহেতুক দোনামনা দূর করার, সৃষ্টিশীল হওয়ার এবং লক্ষ্য অর্জন করার গোপন কৌশলগুলো বোঝার চেষ্টা করুন।

১২) মনে রাখবেন, যা-ই কিছু ঘটুক না কেন, ভালোর জন্যই ঘটবে।

১৩) এই সমস্যায় আক্রান্ত মানুষগুলোকে প্রথমেই মেডিটেশনের আশ্রয় নিতে হবে। বিক্ষিপ্ত মনকে একাগ্র করতে না পারলে কিছুতেই নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত করা সম্ভব নয়। অনেকে অ্যান্টি ডিপ্রেশন ওষুধ খেয়ে থাকেন এমন সমস্যায়। এই ওষুধ সাময়িক উপকার করলেও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ক্ষতিকর, যা মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে।

১৪) যে কাজটা করতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে, সেই কাজটা করতে হবে। নিজেকে সবসময় ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে।

১৫) দুশ্চিন্তা গ্রস্ত মানুষ সাধারণত অসামাজিক হয়ে থাকে, অর্থাৎ এরা অন্যদের সাথে মিশতে চায় কম। একসময় এদের মানুষের সাথে মেশার প্রবণতা বা সক্ষমতা হারিয়ে যায়। কিন্তু একমাত্র সামাজিকতাই পারে মানুষকে অনেক সহজভাবে বাঁচাতে। তাছাড়া নিজ সমস্যার কথা অন্যের সাথে আলোচনা করলে অনেক সময়ই সহজ সমাধান বেরিয়ে আসে যা দুশ্চিন্তাকে প্রকারান্তরে কমিয়ে আনে।

১৬) অনেকগুলো কাজ জমে গেলে এবং তার থেকে দুশ্চিন্তার উদ্ভব হলে সবচেয়ে সহজ কাজটা থেকে শুরু করা উচিত। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে এবং পরবর্তী জটিল কাজগুলো সহজ হয়ে যায়।

১৭) ছুটির দিনে প্রিয় স্থানে বেড়াতে যাওয়া যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয়, খোলামেলা স্থানে বেড়াতে গেলে। উন্মুক্ত পরিবেশ মানুষের মনকে প্রসারিত করে, যা নতুন উদ্ভাবনী চিন্তাকে তরাণ্বিত করে।

১৮) সকাল সকাল ঘুম থেকে জাগা এবং রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে যেভাবেই হোক। এতে দেহমন চনমনে থাকে।

১৯)হাসুন মন খুলে

২০)ভালো বন্ধুটির সাথে কথা বলুন। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন।

পরিশেষে ডেল কার্নেগী বলেছেন ” দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হল- ব্যস্ত থাকা।” পজিটিভ কাজে নিজে ব্যস্ত থাকুন দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে যাবে।

 

জাতিসংঘে ২০১৬ সালে নারী মহাসচিবের জন্য প্রচারণা

United Nation 2

২৭ এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সংস্থাটির পরবর্তী মহাসচিব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে বির্তক শুরু হওয়ার কথা আছে। ২০১৬ সালে জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব নির্বাচনে একজন নারীকে নির্বাচিত করার জন্য প্রচারণা শুরু করেছে একটি নারী অধিকার সংগঠন।

৭০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে পুরুষরাই বিশ্বসংস্থাটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। এবার এই ধারা পরিবর্তনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ নারী অধিকারকর্মীরা।
২২ এপ্রিল বুধবার নারী ও কিশোরীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ইক্যুয়ালিটি নাও’ অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ প্রচারণা শুরু করেছে।
ইক্যুয়ালিটি নাও’র আইনজীবী আন্তোনিয়া ক্রিকল্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেছেন, “জাতিসংঘের মহাসচিব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া বিশ্বব্যাপী লিঙ্গ-সমতা আনার ক্ষেত্রে আমাদের এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার বড় ধরনের সুযোগ করে দিয়েছে। একে বাস্তব সম্ভাবনায় পরিণত করার মতো আরো অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এ জন্য আমরা আশাবাদী।”
২০১৬ সালে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব বান কি মুনের মেয়াদ শেষ হবে।
২৭ এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সংস্থাটির পরবর্তী মহাসচিব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে বির্তক শুরু হওয়ার কথা আছে। ওই দিন ট্যুইটার, ফেইসবুক ও টাম্বলারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে “ঝড়” তোলার পরিকল্পনা করেছে ইক্যুয়ালিটি নাও।
তবে সংগঠনটি বিশেষ কোনো নারী প্রার্থীর জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে না। তারা বিশ্ব মঞ্চে প্রতিষ্ঠিত কোনো একজন নারীকে মহাসচিব হিসেবে বেছে নেয়ার জন্য জনমতের চাপ তৈরি করে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাচ্ছে।
জাতিসংঘের কূটনীতিকদের মতামত অনুযায়ী সম্ভাব্য যে নারীরা মহাসচিব পদপ্রার্থী হতে পারেন তাদের মধ্যে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচীর প্রধান নিউজিল্যান্ডের হেলেন ক্লার্ক, লিথুনিয়ার প্রেসিডেন্ট ডালিয়া গ্রিবাউসকাইট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজেট ও মানব সম্পদ কমিশনার বুলগেরিয়ার ক্রিস্টালিনা গেয়রগিভা এবং ইউনেস্কোর প্রধান ইরিনা বোকোভা।
জাতিসংঘের নিয়মানুযায়ী আগামী মহাসচিব হবেন পূর্ব ইউরোপের কোনো দেশের নাগরিক।

‘বিয়ের বাইরে সহবাস নারীর ক্ষমতায়ন নয়’

Deepika Sonakshi

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েই অনলাইনে আলোচনা-সমালোচনায় আসলো নারী অধিকার নিয়ে ভারতীয় অভিনেত্রী দিপিকা পাড়ুকোণ অভিনীত ‘মাই চয়েস’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েই অনলেইনে আলোচনায় আসলো  নারী অধিকার নিয়ে ভারতীয় অভিনেত্রী দিপিকা পাড়ুকোণ অভিনীত ‘মাই চয়েস’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। আসলো  নারী অধিকার নিয়ে ভারতীয় অভিনেত্রী দিপিকা পাড়ুকোণ অভিনীত ‘মাই চয়েস’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

সাহসী বক্তব্যের জন্য  অনেকে প্রশংসার পাশাপাশি এর সমালোচনাও করছেন। সোনাক্ষি সিনহা বলছেন, ‘মাই চয়েস’-এর বক্তব্যের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন তিনি।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির এক পর্যায়ে দিপিকার মুখে শোনা যায়, “আমার সিদ্ধান্ত, আমি বিয়ে করবো কি করবো না। বিয়ের আগে যৌন সম্পর্কে জড়াবো নাকি বিয়ের পরে, নাকি বিয়ের বাইরে গিয়ে জড়াবো। নাকি জড়াবো না। এটা আমার সিদ্ধান্ত।” এই বক্তব্যের সঙ্গেই মূলত দ্বিমত পোষণ করেছেন সোনাক্ষি। তিনি বলেছেন, বিয়ের বাইরে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর স্বাধীনতা নারীর ক্ষমতায়নকে তুলে ধরে না।

“নারীর ক্ষমতায়ন সবসময় আপনি কি ধরনেরর পোশাক পরবেন বা কার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়াবেন- সেটা নিয়ে নয়। এটা মূলত স্বনির্ভরতা এবং শক্তিকে কেন্দ্র করে হওয়া উচিৎ।”

সোনাক্ষি আরও বলেন, “এটা খুবই ভাল উদ্যোগ। এটা একটা ভালো জায়গা থেকেও করা হয়েছে। কিন্তু সত্যি বলতে কি, আমি বিশ্বাস করি ক্ষমতায়ন তাদের জন্যই হওয়া উচিৎ, যাদের এটির দরকার আছে। এটা তাদের জন্য, যারা আমাদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছে। আমরা বেড়েই উঠেছি বিত্ত এবং বৈভবের মধ্য দিয়ে। ”

‘ককটেইল’ নির্মাতা হোমি আদাজানিয়া নির্মীত ‘মাই চয়েস’-এ মূলত তুলে ধরা হয়েছে সমাজ এবং পুরুষের চোখে নারীদের নিয়ে প্রচলিত কিছু ধারণাকে। নারীর শরীর, যৌনতা, পেশা এবং জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নারীরই – এমন বক্তব্যই তুলে ধরে এটি।

 

আত্মজীবনী লিখবেন ম্যাডোনা

পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। অসাধারণ গায়a86277e011e3029fb961660ece16f3cd-madonnaকি দিয়ে জয় করে নিয়েছেন অগণিত ভক্তের হৃদয়। গান গাওয়ার পাশাপাশি গান লেখাতেও পারদর্শী তিনি। শুধু তাই নয়, এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি বইও লিখেছেন। ‘দ্য ইংলিশ রোজেস’-এর মতো জনপ্রিয় শিশুতোষ বই থেকে শুরু করে ‘সেক্স’, ‘নো বডি নোজ মি’সহ ম্যাডোনার একাধিক বই প্রশংসিত হয়েছে বিভিন্ন মহলে। বেস্ট সেলিং বইও উপহার দিয়েছেন ম্যাডোনা। এবার নিজের বর্ণাঢ্য জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নানা অধ্যায় নিয়ে আত্মজীবনী লিখবেন বলেই জানালেন ৫৬ বছর বয়সী এ তারকা সংগীতশিল্পী।
এ প্রসঙ্গে ম্যাডোনা বলেন, ‘বলার মতো অনেক গল্পই আছে আমার। আত্মজীবনী লিখলে তাতে জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনাই বলতে হবে।’ সম্প্রতি এক খবরে এমনটিই জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।
ম্যাডোনা আরও বলেন, ‘আমি গল্প বলতে, লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি আমার জীবনে ঘটে যাওয়া সেই গল্পগুলোই মানুষকে বলতে চাই, যা তাঁদের অনুপ্রাণিত করবে। আমার জীবনের যেসব মূল্যবান গল্পের সঙ্গে তাঁরা তাঁদের জীবনকে মেলাতে পারবেন, তেমন গল্পই আমি তুলে ধরতে চাই।’
আত্মজীবনী লেখার কথা জানানোর পাশাপাশি নিজের সম্পর্কে আরেকটি মজার তথ্য জানিয়েছেন ম্যাডোনা। এ বছরের ব্রিট অ্যাওয়ার্ডস আসরে মঞ্চ পরিবেশনার সময় মঞ্চ থেকে পড়ে যান ম্যাডোনা। সেই দৃশ্যের ভিডিও ফুটেজ দেখেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কখনোই নিজের মঞ্চ পরিবেশনা দেখেন না তিনি। এ জন্য ব্রিট অ্যাওয়ার্ডস আসরের মঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার ভিডিও ফুটেজ দেখা হয়নি তাঁর।
ব্রিট অ্যাওয়ার্ডস আসরের মঞ্চ থেকে ম্যাডোনার পড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে ক্লিক করুন

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net