শিরোনাম

রংবেরঙ

নবীগঞ্জে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ থেকেঃ নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার আলমপুর গ্রামবাসীর উদ্যোগে এ প্রতিযোগীতা অনুষ্টিত হয়। প্রতি বছর এই দিনে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্টিত হয়ে থাকে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার একমাত্র ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা আলমপুরে প্রায় দেড়শত বছর পূর্ব থেকে চলে আসছে। প্রতিযোগিতা উপভোগ করার জন্য পুরুষ মহিলা ও শিশু-কিশোরসহ দূর দূরান্ত থেকে কয়েক সহস্রাধিক লোক এসে সমবেত হন। এবারের প্রতিযোগিতায় আউশকান্দি ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের আলাল মিয়ার (উড়াল পংখি) ঘোড়াটি প্রথম স্থান অধিকার করে। দ্বিতীয় হয়েছে নবীগঞ্জের করগাঁও ইউনিয়নের পাঞ্জারাই গ্রামের শাহীদ মিয়ার (শাহী) ঘোড়া এবং তৃতীয় স্থান পেয়েছেন জগন্নাথপুরের জমসেদ আলীর ঘোড়া।

প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার ১টি রঙ্গিন টেলিভশন, দ্বিতীয় পুরস্কার ১টি ডিভিডি প্লেয়ার ও তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে একটি টেবিল ফ্যান প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতায় শেষে গ্রামবাসীসহ এ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

টি টোয়েন্টিতে জয় দিয়ে শুরু বাংলাদেশের

বিশেষ সংবাদদাতা : ছন্দে থেকেই প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। হ্যামিল্টন মাসাকাদজার রেকর্ড গড়া ইনিংসে ৭ উইকেটে ১৬৩ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ লক্ষ্য টপকে যায় ৮ বল বাকি থাকতেই। এই জয়ে স্বাগতিকরা এগিয়ে গেছে চার ম্যাচের এই সিরিজে।তবে জয়টা সহজে আসেনি। ম্যাচ জয় নিয়ে একাধিকবার শঙ্কায় পড়লেও শেষ পর্যন্তসঙ্গী হয়েছে জয়। শেষ ৪ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩৮ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। দুই দলেরই তখন প্রায় সমান সম্ভাবনা। কিন্তু দলের প্রয়োজনের দারুণ কার্যকরি এক ইনিংস খেললেন সাকিব। শেষ দিকে ব্রায়ান ভিটরি ও লুক জঙ্গুয়ের দুটি ওয়াইড বলে বাউন্ডারি হাকিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করলেন তিনি। বাংলাদেশের ইনিংসে অর্ধশতক ছিল না একটিও। ৩৬ বলে ৪৬ করে সর্বোচ্চ রান সাব্বির রহমানের। রান পেয়েছেন তামিম-মুশফিক। শেষ দিকে ১৩ বলে অপরাজিত ২০ রান করছেন সাকিব।রান দ্রুতগতিতেই শুরু করেছিলেন তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। সম্ভাবনাময় এই জুটি শেষ হয় দুই ব্যাটসম্যানের ভুল বোঝাবুঝিতে। দুজন এক প্রান্তে এসে পড়ায় রান আউট হন সৌম্য (৭)। দারুণ খেলতে থাকা তামিমকে নিজের প্রথম ওভারেই ফেরান গ্রায়েম ক্রেমার। ২৪ বলে ২৯ রানের ইনিংসের পথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের শততম ছক্কাটি মারেন বাঁহাতি এই ওপেনার। তিনে নেমে দলের রানের চাকা সচল রাখেন সাব্বির। মুশফিকুর রহিম শুরু থেকেই খেলছিনে দারুণ। কিন্তু আউট হয়ে যান ১৯ বলে ২৬ রান করে। মাঝে মাহমুদউল¬াহর একটি ছক্কা এগিয়ে নেয় দলকে। তবে আউট তিনি পরের বলেই (৭)। শেষ পর্যন্ত সাকিবের ব্যাটেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে বাংলাদেশ। ৭ রানে ছোট্ট অপরাজিত ইনিংসেও চাপের মাঝে শক্ত স্নায়ুর প্রমাণ রাখেন অভিষিক্ত নুরুল হাসান। নুরুল এর আগে উইকেটের পেছনে দেখিয়েছেন নজরকাড়া পারফরম্যারন্স। তবে ম্যাচের প্রথম ভাগটি ছিল মাসাকাদজার। টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংসের নিজের রেকর্ডই স্পর্শ করেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। ভুসি সিবান্দাকে নিয়ে গড়েছিলেস শতরানের উদ্বোধনী জুটি। জিম্বাবুয়ে হাতছানি ছিল আরও বড় স্কোরের। কিন্তু শেষ দিকে বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে কিছুটা ফিরে আসে বাংলাদেশ। শেষ ৪ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তুলতে পারে জিম্বাবুয়ে। শেষ দুই ওভারে জোড়া উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান ও আল আমিন হোসেন। শেষে পথ হারানোর আগে জিম্বাবুয়েকে বড় স্কোরের পথে রেখেছিলেন মাসাকাদজা। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের ফর্ম বয়ে আনলেন বাংলাদেশেও। গত নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরের জিম্বাবুয়ে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। পরে আফগানিস্তান সিরিজে দলে ফিরে বইয়ে দিয়েছেন রানের জোয়ার। ৪ ওয়ানডে খেলে করেছিলেন সিরিজের সর্বোচ্চ ২৬৬ রান, দুই টি-টোয়েন্টিতে করেছিলেন ৩৩ ও ৬৩। এবার আরও ছাড়িয়ে গেলেন নিজেকে।ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই মাশরাফিকে তিনটি চার মেরে ইঙ্গিতটা দিয়েছিলেন মাসাকাদজা। সময় যত গড়িয়েছে, ততই ছড়ি ঘুরিয়েছেন বাংলাদেশের বোলারদের ওপর। আরেক প্রান্তে দলে ফেরা ভুসি সিবান্দাও দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মাসাকাদজাকে। দুজনে গড়েন রেকর্ড ১০১ রানের জুটি।
জিম্বাবুয়ে হয়ে এটিই টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি। লং অনে সৌম্য সরকারের ক্যাচ মিসে ছক্কা হজম করার পরের বলেই সিবান্দাকে (৩৯ বলে ৪৬) ফিরিয়ে এই জুটি ভেঙেছেন সাকিব। দারুণ এই শুরুটাকে কাজে লাগাতে পারেননি জিম্বাবুয়ের পরের ব্যাটসম্যানরা। দুই ওপেনারের পর তিনে নামা ম্যালকম ওয়ালার (১৪) ছাড়া দুঅঙ্ক ছুঁতে পারেননি আর কেউ। বলতে গেলে একাই দলকে টেনেছেন মাসাকাদজা। ৩৪ বলে ছুঁয়েছিলেন অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত ৫৩ বলে ৭৯ রান করে মাসাকাদজা আউট হয়েছেন অভিষিক্ত উইকেটকিপার নুরুল হাসানের দুর্দান্ত সরাসরি থ্রোতে। শেষ ওভারে পিটার মুরের ছক্কার পরও জিম্বাবুয়ে আটকে যায় ১৬৩ রানে। শেষ ৫ ওভারের আগে ইনিংস জুড়ে বাংলাদেশের বোলিং ছিল সাদামাটা, ফিল্ডিংও ছিল হতাশাজনক। শতরানের ওপেনিং জুটি ভাঙলেও ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়েছেন সাকিব। টি-টোয়েন্টিতে যেটি তার সবচেয়ে খরুচে বোলিং, ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪০ রান। ৪ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে উইকেটশূন্য অধিনায়ক মাশরাফি। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ, ২৪ রান দিয়ে দুটি আল আমিন হোসেন। ৪৪ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ক্যারিয়ারে এই প্রথম কিপিং করেননি না মুশফিকুর রহিম; তবে ব্যাট হাতে যথারীতি রেখেছেন অবদান।

ব্রিটিশ অভিনেতা রিকম্যান আর নেই

সংবাদ ডেক্স: ব্রিটিশ অভিনেতা অ্যালান রিকম্যান আর নেই ১৪ জানুয়ারী তিনি ইহলোকত্যাগ করেন মৃত্যুকালে অভিনেতা রিকম্যানের বয়স হয়েছিলো ৬৯ বছর।  তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েই  তিনি চিরবিদায় নিয়েছেন।হলিউডের ছবিতে খলচরিত্রে বেশকিছু মনে রাখার মতো চরিত্রে অভিনয় করেছেন ব্রিটিশ অভিনেতা অ্যালান রিকম্যান। পর্দায় আর নতুন করে দেখা যাবে না তার অভিনয়। ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের ছবিতে প্রফেসর স্নেপ চরিত্রে রিকম্যানের অভিনয় ছেলেবুড়ো সবাইকে মাতিয়েছে। আশির দশকের মাঝামাঝি ব্রডওয়েতে জনপ্রিয়তা পান তিনি। এরপর তাকে প্রথমবার নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যায় ‘ডাই হার্ড’ ছবিতে। ‘রবিন হুড: প্রিন্স অব থিবস’-এ সর্বশেষ তাকে ভিলেন হিসেবে পাওয়া গেছে পর্দায়। তার অভিনীত ছবির তালিকায় আরও আছে ‘সুইনি টড: দ্য ডেমন বারবার অব ফ্লিট স্ট্রিট’, ‘ট্রলি ম্যাডলি ডিপলি’, ‘লাভ অ্যাকচুয়ালি’ প্রভৃতি।

স্মার্টফোন কিনতে রক্ত বিক্রি!

প্রযুক্তির এই যুগে স্মার্টফোনের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। বিশেষ করে তরুণ  ও কিশোরদের মধ্যে এই ঝোঁক সবচেয়ে বেশি। আর এই ঝোঁকের বশে নিজের শরীরের রক্ত বিক্রি করতেও দ্বিধা করছে না। শুনতে অবাক হলেও এরকম ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। রবিবার এমন তথ্যই জানিয়েছে ওয়ান ইন্ডিয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মার্টফোন ও অতিরিক্ত পকেট মানির আশায় উত্তরপ্রদেশের কোহলি ব্লাড ব্যাংকে বেআইনিভাবে ৫০০ টাকায় ইউনিট প্রতি রক্ত বিক্রি করতে গিয়ে তিন নাবালক ধরা পড়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে ব্লাডব্যাঙ্কটিতেও।
রক্ত বিক্রি করতে যাওয়া এক বালক স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরে সে একটি মোবাইল ফোন কেনার জন্য টাকা জমাতে শুরু করে। সেসময় এই ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে একজন ফোন করে তাকে টাকার বিনিময়ে রক্ত দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। অতিরিক্ত টাকা পাওয়া যাবে, এই লোভেই সে রাজি হয়ে যায়।
ঐ বালক জানিয়েছে, দারিদ্রের সংসার তাদের। বাবা মারা যাওয়ার পর মা একটি ক্লিনিতে তিন হাজার টাকার বিনিময়ে চাকরি করেন। মাকে সাহায্য করতে সেও একটি ছোটখাটো কাজ করে। কিন্তু দুজনের উপার্জনে পাঁচজনের সংসার টানাটা খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। গজনি নামে এই ব্যক্তি টাকার লোভ দেখাতেই আর সে দ্বিতীয়বার আর ভাবেনি।
রক্ত দেওয়ার আইনত বয়স ১৮ বছর এবং রক্তদাতার রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমপক্ষে ১৩ হতে হবে। কিন্তু স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, যে তিনজন দিয়েছে তাদের বয়স ১৮ বছরের কম এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ১৩-র নিচে।
ঐ বালকের পাশাপাশমি আরো এক বালকে এই ব্লাড ব্যাংকে রক্ত দেয়। এর আগে আরো দুইবার রক্ত দিয়েছে সে। সে জানিয়েছে, মাকে সাহায্য করার জন্য এক বছর ধরে চাকরি খুঁজছিল। তখনই এই প্রস্তাব মেলে। রক্ত বিক্রি করে তার পকেটমানি চালানোর মতো টাকা ভালই আসছিল। তাই সে এই কাজে রাজি হয়। তৃতীয় কিশোরের বাবা তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে দেননি।

সুস্থ থাকতে চাইলে রোজায় যা খাবেন, যা খাবেন না

পবিত্র রমজান সাধনার মাস।  রমজান মাসের ফজিলত অন্যান্য মাসের চেয়ে অনেক বেশি।  এ মাসে মহান আল্লাহ পাক আল কোরআন নাযিল করেছেন।  এ মাসের শবে ক্বদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।  এ মাসে সারাদিন উপোস থাকার পর মানুষের খাদ্য চাহিদা বাড়ে।  শারীরিকভাবেও কিছুটা দুর্বল অনুভুত হয়।

রমজান এলে আমাদের খাদ্যাভাস থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই কিছুটা পরিবর্তন আসে।  তাই স্বাস্থ্য নিয়ে কিছুটা জটিলতা হতে পারে।  তবে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকলে এসব সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।

রমজানে আমাদের নতুন রুটিনে খাবার খেতে হয়।  মেনুতেও চলে আসে অনেকটা বৈচিত্র্য।  অনেক সময় প্রথম প্রথম নতুন খাদ্যাভ্যাসে শরীরের ওপর বিরুপ প্রভাবও পড়তে পারে।  যে কারণে অনেকেরই আবার অসুস্থ হয়ে বাকি রোজাগুলো ঠিকমত পালন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।  এর মূলে রয়েছে খাওয়া-দাওয়া।

রমজানে যে ধরনের হতে পারে

কোষ্ঠ কাঠিন্য।  অতিরিক্ত ভাজাপোড়া জিনিস খাওয়া, পানি কম খাওয়া এবং খাবার মেনুতে আঁশযুক্ত খাবার না রাখায় এ সমস্যা হতে পারে।

মাথাব্যথা হতে পারে।  যাদের কফি বা ধূমপানের অভ্যাস আছে তারা অনেকসময় সারাদিনের রোজায় মাথাব্যথায় আক্রান্ত হতে পারেন।

লো ব্লাড প্রেনার হতে পারে।  কারণ তরল খাবার কম গ্রহণ করার কারণে এটি হতে পারে।

হজমে সমস্যা ও পেট ফাঁপা।  অনেক সময় হজমেও সমস্যা হতো পারে।

পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালাও হতে পারে।  সারাদিন উপোস থাকার কারণে অনেকের এসিডিটিও হয়ে থাকে।  মনে রাখবেন, অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার, কফি এবং সফট ড্রিঙ্কস এ অবস্থাকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।

যে ধরনের খাবার খাওয়া উচিত

১. রোজা রাখার পর ইফতারির সময় অনেকেই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। নিজের স্বাস্থ্যের ক্ষতি এড়ানোর জন্যই আপনাকে ইফতারিতে অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।  সারাদিন অভুক্ত থাকার পর হঠাৎকরে বেশি খাবার একসঙ্গে খেলে আপনার পরিপাকযন্ত্রে গণ্ডগোল দেখা দিতে পারে।

২. ইফতারিতে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার বর্জন করুণ।  যতদুর সম্ভব ভাজাপোড়া খাবার কম খাবেন।  এতে করে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৩. রোজায় লবণ পরিমাণ মত খেতে চেষ্টা করতে হবে।  কারণ লবণ বেশি খেলে পানির তৃষ্ণা বেশি লাগবে।  যেহেতু আপনি সারাদিন পানি পান করতে পারবেন না, তাই আপনার শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

৪. পানিশূন্যতা দুর করতে চিনি দিয়ে গোলানো শরবত অথবা সফট ড্রিঙ্কসের ওপর বেশি নির্ভর না করাই ভালো।  ঘরে তৈরি শরবত ও ফলের রস পরিমাণমত পান করা বুদ্ধিমানের কাজ।

৫. লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে প্রতি ইফতারে এবং সেহরিতে যথেষ্ট ফল ও শাক সবজি থাকে।

বেশি করে যেসব খাবার খাবেন

• আঁশযুক্ত খাদ্য

• কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাদ্য

• দেশি ফল, শাকসবজি ইত্যাদি

• প্রচুর পরিমাণ পানি

বেশি পরিমাণ খাদ্যগ্রহণ, ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার, মাত্রাতিরিক্ত চা পান ও সফট ড্রিঙ্কস থেকে দূরে থাকতে হবে।  প্রথম থেকে  এসব মেনে চললে রোজা রাখার পরও আপনি সুস্থ থাকবেন।

মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখলে কি হয় ?

ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সীরিন রহ. বলেন : যদি স্বপ্নে কেউ মৃত ব্যক্তিকে দেখে তাহলে তাকে যে অবস্থায় দেখবে সেটাই বাস্তব বলে ধরা হবে। তাকে যা বলতে শুনবে, সেটা সত্যি বলে ধরা হবে। কারণ, সে এমন জগতে অবস্থান করছে যেখানে সত্য ছাড়া আর কিছু নেই। যদি কেউ মৃত ব্যক্তিকে ভাল পোশাক পরা অবস্থায় বা সুস্বাস্থের অধিকারী দেখে, তাহলে বুঝতে হবে সে ভাল অবস্থায় আছে। আর যদি জীর্ণ, শীর্ণ স্বাস্থ্য বা খারাপ পোশাকে দেখে তাহলে বুঝতে হবে, ভাল নেই। তার জন্য তখন বেশি করে মাগফিরাত কামনা ও দোআ-প্রার্থনা করতে হবে।

ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, বিদ্রোহীরা যখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু- এর বাসভবন ঘেরাও করল, তখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি গত রাতে স্বপ্ন দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, উসমান আমাদের সাথে তুমি ইফতার করবে। আর ঐ দিনই উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু শহীদ হলেন। (আল কাওয়ায়েদুল হুসনা ফী তাবীলির রুইয়া : শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস সাদহান)

আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, আবু মূসা আশ আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম, আমি একটি পাহাড়ের কাছে গেলাম। দেখলাম, পাহাড়ের উপরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রয়েছেন ও পাশে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার হাত দিয়ে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর দিকে ইশারা করছেন। আমি আবু মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহুর এ স্বপ্নের কথা শুনে বললাম, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। আল্লাহর শপথ! ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তো মারা যাবেন! আচ্ছা আপনি কি বিষয়টি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লিখে জানাবেন?

আবু মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার জীবদ্দশায তার নিজের মৃত্যু সংবাদ জানাব, এটা কি করে হয়? এর কয়েকদিন পরই স্বপ্নটা সত্যে পরিণত হল। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু শহীদ হয়ে গেলেন। কারণ, মৃত্যু পরবর্তী সত্য জগত থেকে যা আসে, তা মিথ্যা হতে পারে না। সেখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ নেই। (আল কাওয়ায়েদুল হুসনা ফী তাবীলির রুইয়া : শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস সাদহান)

 

সৌজন্য : ইসলামহাউজ

মুখে না বলেও যে ১০ উপায়ে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করেন পুরুষেরা

১) তিনি আপনাকে নিজের পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সামনে নিয়ে যাচ্ছেন
যখন একজন পুরুষের কাছে কোনো নারী অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হন তখন তিনি অবশ্যই তাকে নিজের জীবনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে থাকেন। এটি তার ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম প্রধান একটি উপায়।

২) তিনি আপনার পাশাপাশি থাকতে চান
শুধুমাত্র মুখে বলা নয় বা ফোনে ম্যাসেজ করা নয়, সত্যিকার ভাবেই যদি আপনি তাকে পাশে পান, তিনি আপনার সাথে থাকতে, সময় কাটাতে পছন্দ করেন, তিনি আপনার ছোট্ট ছোট্ট ছোঁয়াও অনুভব করেন তাহলে বুঝে নেবেন তার ভালোবাসা প্রকাশের ধরণ এমনই। তিনি মুখে না বলে তার কাজে প্রকাশ করছেন।

৩) তিনি সত্যিই আপনার কথা শোনেন
আপনার প্রতিটি কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। হতে পারে তার সাথে মতামতে ভিন্নতা আসছে, কিন্তু তিনি আপনার কথা তো শুনছেন। এই জিনিসটিও সম্পর্কের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এবং তিনি আপনাকে কতোটা গুরুত্ব দিচ্ছেন তা তার এই কাজের মাধ্যমেই প্রকাশ পেয়ে যায়।

৪) তিনি আপনার আন্তরিকতা উপভোগ করেন
আপনার প্রতিটি ছোঁয়া তার কাছে অনেক বেশি মূল্যবান। তিনি হয়তো মুখে বলেন না, কিন্তু তিনি আপনার আন্তরিক ছোঁয়ার বিপরীতে যে মধুর হাসি দিচ্ছেন তাতেই আপনার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে।

৫) শুধুমাত্র আপনার কথা ভেবে অনেক কিছু করেন
আপনার মুখে একটু হাসি ফুটে উঠবে সেই কথা ভেবে আপনার পছন্দের অনেক কাজই তিনি করে ফেলেন। আপনার কিন্তু বুঝে নিতে হবে এটিই তার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

৬) তিনি শুধুমাত্র আপনার সান্নিধ্য নিয়েই চিন্তা করেন
আপনি শপিংয়ে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকে শপিংমলে ঘোরাচ্ছেন। তিনি কিছুই বলছেন না, এতে প্রমান হয় যতোটা সময় আপনি তার পাশে আছেন তিনি অন্য কিছুর দিকে নজরই দিচ্ছেন না। আপনার সান্নিধ্যই তার কাছে মুখ্য। ভেবে দেখুন, এটি কি তার ভালোবাসা প্রকাশ নয়?

৭) তিনি অনেক চিন্তাভাবনা করে আপনাকে উপহার দেন
চোখের সামনে যা পড়ল তা কিনে উপহার দেয়া কিংবা আপনার কি পছন্দ তা জেনে নিয়ে উপহার দেয়ার এবং নিজে ভেবে চিন্তে উপহার দেয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তিনি হয়তো তার মিটিং বা অন্য কাজ ফেলে অথবা কাজের ফাঁকেই চিন্তা করেছেন আপনাকে নিয়ে এবং খুব ভেবে বের করেছেন কোন উপহারটি আপনার জন্য উপযুক্ত। এই বিষয়টিও কিন্তু প্রমান করে তিনি আপনাকে তার জীবনে কতোটা গুরুত্ব দেন।

৮) তিনি কম্প্রোমাইজ করেন
যে পুরুষটি সম্পর্কের ব্যাপারে একেবারেই সিরিয়াস নন তিনি কিন্তু কম্প্রোমাইজ করে চলার কথা ভাবতেও যাবেন না। তিনি বরং ভাববেন ‘সম্পর্কে থেকে তিনি কি পেলেন’। কিন্তু যদি আপনার সুবিধা, অসুবিধার কথা ভেবে, আপনার জন্য তিনি কম্প্রোমাইজ করে চলেন তাহলে কি মুখে বলে বোঝানো লাগবে তিনি আপনাকে ভালোবাসেন? মোটেও নয়।

৯) তিনি আপনার কাছে পরামর্শ চেয়ে থাকেন
যে কোনো কিছুর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়ে যদি তিনি আপনার কাছে পরামর্শ চেয়ে থাকেন তাহলেই প্রমানিত হয় তিনি আপনাকে কোন চোখে দেখেন। তিনি আপনার পরামর্শকে মূল্যায়ন করেন এবং আপনাকে মূল্যায়ন করেন বলেই তিনি পরামর্শ চান। ভালোবাসা প্রকাশের এর চাইতে ভালো কোনো উপায় আর আছে কি?

১০) তিনি আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন
পুরুষেরা স্বভাবতই একটু প্রতিরক্ষামূলক মনোভাবের হয়ে থাকেন। যে পুরুষটি আপনাকে ভালোবাসেন আপনাকে কেয়ার করেন তিনি আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আপনি তার সাথে থাকলে অনেক বেশি নিরাপদ অনুভব করবেন। আপনি যদি সমস্যায় পড়েন তাহলে তিনি কখনো প্রশ্ন করবেন না কিন্তু আপনি ঠিকই তাকে পাশে পাবেন। ভালোবাসা প্রকাশ কিন্তু এভাবেও হয়ে যায়।

 

যে প্রশ্নগুলো শুধু নারীদের করা হয়, পুরুষদের কেন নয়?

বহু প্রশ্ন রয়েছে যা শুধু নারীদেরকেই জিজ্ঞাসা করা হয়। এই প্রশ্নগুলো যেন পুরুষদের জন্যে নয়। অথচ দারুণ সুন্দর এসব প্রশ্ন পুরুষদের জন্যেও প্রযোজ্য। বিশেষজ্ঞের মতে, এই প্রশ্নগুলো পুরুষদেরকেও জিজ্ঞাসা করা উচিত।
১. তুমি কি সন্তান চাও?
দারুণ সুখকর একটি প্রশ্ন হতে পারে। স্ত্রীর হয়তো এখনই সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা নেই। কিন্তু স্বামীর তীব্র ইচ্ছা থাকতে পারে। তিনি বাবা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কিনা তা জেনে নেওয়া জরুরি। এমনকি চাকরির ইন্টারভিউয়ে পর্যন্ত নারীদের এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু ছেলেদের কখনো এ প্রশ্ন করা হয় না।
২. তুমি কেন সন্তান নিতে চাও না?
কোনো নারী সন্তান না নিতে চাইলে বিষয়টি অদ্ভুত মনে করা হয়। সন্তান নেই, এমন নারীর কথা কেউ চিন্তাই করতে পারেন না। কিন্তু সন্তান নেই এমন পুরুষ যেন স্বাভাবি বিষয়। কিন্তু তিনি কেন সন্তান চান না, সেই প্রশ্নটি কেউ তাকে করেন না।
৩. এই পোশাকটি পড়েছ কেন?
এমন পোশাক পরেছো কেন? এটা ভালো দেখাচ্ছে না ইত্যাদি ইত্যাদি শুধুমাত্রা নারীদেরই শুনতে হয়। নিজের চাল-চলন নিয়ে বেশি বেশি সাবধানতার কথা তুলে ধরা হয় নারীদের ক্ষেত্রে। কিন্তু একজন পুরুষকে কখনো শুনতে হয় না যে, তিনি এমন পোশাক কেন পড়েছেন বা তাকে ভালো দেখাচ্ছে না ইত্যাদি।
৪. এই রংয়ের পোশাক কেন পরেছো?
পোশাক নির্বাচনের বিষয়টিও যেন অন্য কারো পছন্দের হতে হবে। কোনো নারী কি রংয়ের পোশাক পরবেন, তাও অনেক সময় স্থির করে দিতে চান অনেকে। কিন্তু একজন পুরুষের ভুল রং নির্বাচন কোনো নারী তুলে ধরেন না।
৫. তোমার কি কোনো সাহায্য লাগবে?
অবধারিতভাবেই এই প্রশ্নটি শুধু মেয়েদেরকেই শুনতে হয়। কারণ তারা দুর্বল এবং কাজে অদক্ষ বলে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু কোনো পুরুষ কি এই প্রশ্নটি শুনতে পারেন না? তাকে কি কোনো নারী কোনো কাজে সাহায্য করতে পারেন না?
৬. কিভাবে নিজের সন্তানকে ছেড়ে চলে যাচ্ছো?
মা যদি সন্তানকে ছেড়ে চলে যেতে না পারে, তবে বাবা কিভাবে পারেন। সংসারের ঝামেলায় বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি বা রাগ করে চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ক্ষেত্রে নারীদেরই এই প্রশ্নটি শুনতে হয় যে, মা হয়ে তিনি কিভাবে সন্তানকে রেখে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু বাবা অহরহ এসব ঘটনা ঘটালেও তাদের এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় না।
৭. বয়সের ব্যবধান কেমন?
পুরুষরা তার চেয়ে অনেক কম বয়সী মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে গড়ে তুলতে পারেন। আর এটাই স্বাভাবিক বিষয় বলে মনে করা হয়। পুরুষরা তার চেয়ে কম বয়সী মেয়ে খুঁজে থাকেন বিয়ের জন্যে। কিন্তু মেয়েদের কখনো জিজ্ঞাসা করা হয় না যে তারা সঙ্গীকে কেমন বয়সের দেখতে চান। তারা সমবয়সী বা নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধান চান কিনা, তা কখনো জানতে চাওয়া হয় না এবং একে পাত্তাও দেওয়া হয় না। সেখানে পুরুষদের মতো নিজের বয়সের চেয়ে কম বয়সী কাউকে যে নারী চাইতে পারেন, তা তো কল্পনাতীত। সূত্র : ইন্টারনেট

স্ত্রীর কাছে যে ৪টি বিষয় প্রকাশ করেন না পুরুষরা

আপনাদের দাম্পত্য জীবনের বয়স কতদিন হয়েছে তা কোনো ব্যাপার নয়। কতদিন ধরে একে অপরকে চেনেন, তাও কোনো ঘটনা নয়। বিশেষজ্ঞের মতে, পুরুষরা কয়েকটি বিশেষ বিষয় স্ত্রীর কাছ থেকে আজীবন লুকিয়ে রাখতে চান। নিরাপত্তাহীনতা, আবেগপ্রসূত বিষয় এবং প্রয়োজনের তাগিদে এই বিষয়গুলো সঙ্গী যেকোনো মূল্যে লুকিয়ে রাখেন। জেনে নিন এমনই ৪টি বিষয়।

১. পুরুষরা আত্মবিশ্বাসী এবং নিরাপদ বোধ করতে পছন্দ করেন। নারীরা তার সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরে তাকে কেমন দেখাচ্ছে তা জানতে অস্থির থাকেন। কিন্তু পুরুষরা তা করতেই চান না। অথচ তারা বুঝতে চান যে, আপনি তার প্রতি এখনো যথেষ্ট আকৃষ্ট। আবার দৈহিকভাবে কোনো সমস্যা থাকলে পুরুষরা তা কোন অবস্থাতেই প্রকাশ করতে চান না। এ বিষয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন তারা। এই বিষয়টিও লুকিয়ে রাখতে চান। এসব তথ্য তুলে ধরেন লস অ্যাঞ্জেলসের সম্পর্ক বিষয়ক থেরাপিস্ট এলেন ব্র্যাডলে-উইন্ডেল।

২. প্রকৃতিগতভাবেই পুরুষরা নারীদের চেয়ে কম আবেগপ্রবণ বলে জানান ডেট্রয়েটের ক্লিনিক্যাল থেরাপিস্ট তোমানিকা উইদারস্পুন। এ কারণে পুরুষরা কখনোই নিজেকে সবকিছু উজাড় করে দেয় না। তার মানে এই নয় যে তারা আবেগহীন। তবে স্ত্রী কর্তৃক পুরুষদের চাহিদা পূরণ না হলে তারা সত্যিই তা সহ্য করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে তারা আরো নিজেকে গুটিয়ে নেন। সঙ্গিনীর প্রতি মনের ক্ষোভ সহজে প্রকাশ করতে নারাজ তারা।

৩. হতে পারে পুরুষরা সংসারটি চালিয়ে নেন, যেকোনো বিপদ এবং আপনার মাঝখানে দেওয়াল হয়ে দাঁড়ান। কিন্তু তারপরও জীবনের একজন বিশ্বস্ত সহযাত্রীর জন্যে তিনি আপনা কাছে অসহায়। বাইরে ছেলেদের বন্ধুর অভাব নেই। কিন্তু একান্তে তার হৃদয়ের কাছের কেউ নেই। এ বিষয়ে পুরুষদের মনে আবেগের ঝড় বয়ে যায়। এ বিষয়ে তিনি পুরোপুরি আপনার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু তা একেবারেই প্রকাশ পাবে না তার আচরণে। তাই এমন লক্ষণ না দেখলেও নারীর প্রয়োজন সঙ্গীর প্রতি মায়ার ডালপালা ছড়িয়ে দেওয়া।

৪. অনেক সময় মনে হবে তিনি আপনার সঙ্গে সেক্স করতে চান। হয়তো দুজন দুজনের বুকে জড়িয়ে রয়েছেন। সঙ্গী আপনার সঙ্গে খুনসুটি করছেন। তার চোখে বা মস্তিষ্কে যৌনতা থাকতে পারে। কিন্তু ইচ্ছাতে মোটেও নেই। এই সময়গুলো অধিকাংশ নারীদের ভুল হয়ে থাকে। কিছু সময় সঙ্গিনীর বিশ্বস্ত দুই হাতে বুকে জড়িয়ে নেওয়াটাই বেশি কাম্য থাকে পুরুষের কাছে, সেক্স নয়। তবে এই চাওয়ার কথা কখনোই বুঝতে দেবেন না সঙ্গী। এটা নারীদের বুঝে নিতে হয়।
সূত্র : ফক্স নিউজ

যা বলেছেন তা আসলে বোঝাননি, নারীদের এমনই ১০টি কথা

স্বাধীনতা-অধিকার ইত্যাদি নিয়ে নারীদের বক্তব্য এখন স্পষ্ট। নানা সম্পর্ক নিয়ে তাদের জীবনে যারা জুড়ে রয়েছেন, তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপচারিতা হয়। হতে পারে তর্ক-বিতর্ক। বিশেষজ্ঞের মতে, নারীদের এমন কিছু কথা রয়েছে যার অর্থ আসলে ভিন্ন হতে পারে। এ নিয়ে প্রায়ই ভুল বোঝেন পুরুষরা। তাই নারীদের সঙ্গে কথোপকথনে ১০টি বিষয়ের কথা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞ। এগুলো শুনে কিছু বুঝে নেওয়ার আগে অন্তত আরেকবার ভেবে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

১. ‘আমি রান্না করতে খুব ভালোবাসি’- এর অর্থ এই নয় যে তিনি সব সময় রান্না করতে পছন্দ করেন।

২. ‘আমি বাচ্চাদের খুব পছন্দ করি’- এ কথা দিয়ে তিনি সন্তানদের নিয়ে ক্রিকেট দল গঠন করার ইচ্ছা পোষণ করেননি। মাতৃত্বের স্বাদ নেওয়াটাই তার জন্যে যথেষ্ট হতে পারে।

৩. ‘আমি খুবই ধার্মিক’- তিনি হয়তো বোঝাতে চাননি যে নিয়মিত ধর্মকর্ম পালন করতে চান এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার। অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে তার ঘর-সংসার সামলানোই ধর্ম।

৪. ‘বাড়ি সাজানোর স্বপ্ন দেখি’- সব পছন্দের দামি জিনিসপত্র দিয়ে বাড়ি ভরে ফেলার কথা বলেননি তিনি।

৫. ‘আমি ক্যারিয়ার সচেতন’- এর অর্থ তিনি যে স্বামী-সংসারের প্রতি উদাসীন তা নয়।

৬. ‘আমি সব খাই’- বুঝবেন না যে তিনি খাদক। তা ছাড়া খাবার নিয়ে তার কোনো পছন্দ নেই তাও বলতে পারবেন না।

৭. ‘আমি ধূমপান করি’- এ কথায় বুঝে নেওয়া উচিত নয় যে তিনি ধূমপানে পুরোপুরি আসক্ত। অথবা নেশা জাতীয় দ্রব্যের প্রতি আসক্তি রয়েছে তার।

৮. ‘একটি ছেলেই আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু’- এর মানে ওই বন্ধু তার প্রেমিক নন। আবার ছেলেদের সঙ্গে সময় কাটাতেই যে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তাও নয়।

৯. ‘বেশি কাপড় পরতে ভালো লাগে না’- তার মানে এই নয় যে তিনি সেক্স সাইরেন হয়ে ঘুরে বেড়াতে চান। এটা দিয়ে নিজের আরামের কথাও প্রকাশ করতে পারেন তিনি।

১০. ‘একাকিত্ব আমার ভালো লাগে’- এর অর্থ আপনার সঙ্গ যে তার ভালো লাগছে না তা নয়। সূত্র : ডিএনএ ইন্ডিয়া

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net