শিরোনাম

রংবেরঙ

ছেলেদের সম্পর্কে যে ৮ টি তথ্য মেয়েরা একেবারেই জানেন না

মেয়েদের প্রশ্ন করছি, আপনার ভালোবাসার মানুষটি সম্পর্কে আপনি কতোটুকু জানেন? অনেকেই উত্তরে বলতে পারেন খুব বেশি নয়, আবার অনেকে বলবেন, বেশ ভালো করেই জানি তার সম্পর্কে। অনেকের মতে নারীর মন বোঝা শক্ত পুরুষের নয়। কিন্তু ব্যাপারটি সেরকম নয়। কারণ পুরুষের মন বোঝাও কষ্টকর। পুরুষেরা নিজের উপরের শক্ত খোলসের আড়ালে অনেক কিছুই লুকিয়ে রাখেন। তাই যতোটা সহজ ভাবছেন পুরুষকে বোঝা ঠিক ততোটা সহজ নয়। এবং নিজের সঙ্গীকে যতোটা জেনে ফেলেছেন মনে করছেন ঠিক ততোটা কিন্তু এখনো জানতে পারেন নি। আজকে চলুন জেনে নিন পুরুষ সম্পর্কে এমন কিছু অজানা তথ্য।

১) ছেলেরা নিজেদের কেমন দেখাচ্ছে তা নিয়ে অনেক চিন্তিত থাকেন

মেয়েরা ভাবেন ‘কেমন দেখাচ্ছে, কি পোশাক পড়ব’ এগুলো নিয়ে ছেলেরা একেবারেই ভাবেন না। বরং যা হাতের কাছে পান তা পরেই একেবারে যেমন ছিলেন তেমন ভাবেই দেখা করতে চলে আসেন। বিষয়টি কিন্তু একেবারেই ভুল। মেয়েদের মতো ছেলেরাও নিজেদের লুকস নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন। এছাড়াও ছেলেরা মেয়েদের মতো ডায়েট না করলেও নিজেদের বডি নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন।

২) ছেলেরা মানসিক ভাবেই প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে উঠে

সামান্য বিষয় নিয়ে প্রতিযোগী মনোভাব এবং জিততেই হবে এই ধরণের ব্যাপারটি ছেলেদের মধ্যে আপনাআপনিই তৈরি হয়ে যায়। বলা হয়, ছেলেরা জন্মগত ভাবেই প্রতিযোগী ও জেতার মানসিকতা নিয়ে বড় হতে থাকেন।

৩) শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণ ছেলেদের মনে ভালোবাসার সৃষ্টি করে না

অনেকেই মনে করেন ছেলেরা শুধুমাত্র মেয়েদের শারীরিক বিষয়ে আকর্ষণ বোধ করলেই তাকে ভালোবেসে ফেলেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল, কারণ সাধারণভাবে এবং স্বাভাবিক ছেলেরা কখনোই ভালোবাসার জন্য শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণকে প্রাধান্য দেন না। তারা সমঝোতা, তাকে বুঝতে পারা এবং বাস্তবের সাথে মিলিত সকল বিহসয় বিবেচনা করে ভালোবাসেন।

৪) ছেলেরা আত্মসম্মানকে ভালোবাসার চাইতেও বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন

ভালোবাসার মূল্য ছেলেদের কাছে রয়েছে কিন্তু তারা ভালোবাসার চাইতেও বেশি প্রাধান্য দেন আত্মসম্মানকে। ছেলেরা সবসময়েই নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে সম্মান আশা করেন। তাদের মাপকাঠিতে সম্মান ভালোবাসার চাইতেও উপরে থাকে। একারণে অনেক সময় ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়, কিন্তু তবুও তারা এভাবেই চিন্তা করেন।

৫) ছেলেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে থাকেন

মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ছেলেদের কাছে আশ্রয় নিয়ে থাকেন। এই নিরাপত্তা মানসিকভাবে কাজ করেন। কিন্তু এমন ভাবার কোনো কারণ নেই যে ছেলেরা একেবারেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না। নিজেদের একটু অসহায়ভাবে ছেলেরাও খুঁজে পান। আর তখনই ছেলেরা মেয়েদের কাছে মানসিক আশ্রয় খুঁজে থাকেন।

৬) ছেলেরা রোমান্স অনেক পছন্দ করেন যদিও তারা তা প্রকাশ করতে ভয় পান

ছেলেরা খুব রোম্যান্টিক হয়ে থাকেন। কিন্তু তা সবসময় সঠিক ভাবে উপস্থাপন এবং প্রকাশ করতে পারেন না। কারণ তারা দ্বিধায় থাকেন ‘যদি অতিরিক্ত হয়ে যায়, কিংবা তিনি যদি কিছু ভুল করে ফেলেন অথবা তাকে নিয়ে যদি সঙ্গী মজা করেন’।

৭) ছেলেরা শোনা কথায় কান দেয়ার চাইতে চোখে দেখায় বিশ্বাসী হয়ে থাকেন

মেয়েরা একটু কান কথায় বেশি বিশ্বাসী হলেও ছেলেরা এই কাজটি একটু কমই করেন। ছেলেরা নিজের চোখে না দেখা পর্যন্ত কোনো কথা বিশ্বাস করতে চান না। তাই আপনি বলে বলে বিরক্ত না হয়ে তাকে সত্য দেখানোর চেষ্টা করুন, দেখবেন তিনি ঠিকই বিশ্বাস করে নিয়েছেন।

৮) ছেলেরা সবসময়েই নিজের ভালোবাসার মানুষটির সামনে দুর্বল

ছেলেরা উপরে যতোই শক্ত থাকুন না কেন তিনি তার ভালোবাসার মানুষটির সামনে অনেক বেশি দুর্বলতা প্রকাশ করে ফেলেন। হয়তো তিনি চান তার এই দুর্বল দিকটি শুধুমাত্র তার মনের মানুষটিই দেখুন।

 

৪ টি যে অদ্ভুত কাজ বাড়াচ্ছে আপনার মৃত্যুঝুঁকি

কথায় বলে যেমন কর্ম তেমন ফল। বিষয়টি অনেকেই জানি কিন্তু মানি না। এই কথাটি শুধুমাত্র নীতিকথার জন্য প্রযোজ্য নয়। এটি স্বাস্থ্যের দিক থেকেও প্রযোজ্য। আপনি যা করছেন তার প্রভাব অনেকাংশেই আপনার স্বাস্থ্যের উপর পড়ছে। এমনকি আপনারই কিছু বাজে কাজ আপনার মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে প্রতিনিয়ত। অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও বিষয়টি সত্যি।

১) টিভি, কম্পিউটার ও মোবাইল অতিরিক্ত ব্যবহার করা

একটানা বেশিক্ষণ মোবাইল, কম্পিউটার এবং টিভি দেখা আপানার চোখকে ক্ষতিগ্রস্থ করে ফেলছে। এছাড়াও এই অতিরিক্ত প্রযুক্তির ব্যবহারে আপনার মস্তিষ্ক হয়ে পড়ছে দুর্বল। স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারিয়ে দিনকে দিন বাড়াচ্ছে মৃত্যুঝুঁকি। তাই খুব বেশি টিভি দেখা এবং কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা বন্ধ করুন।

২) বেহিসেবি অর্থ ব্যয়

বেহিসেবি অর্থ ব্যয়ের বদঅভ্যাসটি শুধুমাত্র আপনার অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ নয়, আপনার এই বাজে কাজটির প্রভাব আপনার স্বাস্থ্যের উপরেও পড়ছে। আপনার যখন আয়ের থেকে ব্যয় বেশি হবে তখন আপনি অর্থ সংকটে পড়বেন যা থেকে তৈরি হচ্ছে মানসিক চাপ এবং মানসিক চাপ জনিত সমস্যা। এর প্রভাব পড়ছে আপনার পুরো দেহের উপরে, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি।

৩) প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ঔষধ সেবন

অনেকেই সামান্য জ্বর কিংবা মাথাব্যথা অথবা অন্য কোনো কারণে অনেকেই হুটহাট ঔষধ খেয়ে ফেলেন কোনো ধরণের ডাক্তারের পরামর্শ এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়াই। এতে কিন্তু ক্ষতি আপনারই হচ্ছে। কারণ হয়তো আপনার আসল রোগের চিকিৎসা হচ্চে না অথবা ব্যথানাশক ঔষধ আপনার পাকস্থলীকে ড্যামেজ করে দিচ্ছে চিরদিনের জন্য। বাড়াচ্ছে মৃত্যুঝুঁকি প্রতিনিয়ত। তাই এই মারাত্মক বাজে কাজটি একেবারেই করবেন না।

৪) পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া

অনেকেই কাজের চাপে পরিমিত বিশ্রাম নিতে পারেন না। আবার অনেকে ভাবেন বেশিক্ষণ বিশ্রাম নেয়া শুধুমাত্রই সময় নষ্ট। তাই খুব বেশি পরিশ্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রাম নিতে যান না। এই কাজটি অনেক বড় একটি ভুল কাজ। এতে আপনার মস্তিস্ক ও দেহের উপর অনেক বেশি চাপ পড়ে। আপনার স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে বাঁধা প্রদান করে এবং দিনকে দিন ক্ষয় করে ফেলে দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে। তাই আপনার যতোটুকু বিশ্রামের প্রয়োজন ততোটুকুই বিশ্রাম নিন।

সূত্রঃ mensfitness

জেনে নিন হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হওয়ার প্রধান ৫ টি লক্ষণ

“করোনারি আর্টারি ডিজিজ” যাকে আমরা সাধারণত হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়া হিসেবেই বুঝে থাকি, নিঃসন্দেহে এটি অনেক মারাত্মক একটি সমস্যা। এই রোগটি মূলত অতিরিক্ত কলেস্টোরল এবং ফ্যাটি প্লাকের কারণে হয়ে থাকে যা হৃদপিণ্ডের ধমনীকে ধীরে ধীরে ব্লক করে ফেলে। হৃদপিণ্ডের রক্ত প্রবাহী ধমনী চিকন হয়ে যাওয়া বা ব্লক হয়ে গেলে পুরো দেহে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা শুরু হয় এবং মস্তিষ্কে রক্তের সাথে অক্সিজেন প্রবাহ কমে আসে। এইসকল কারণে হার্ট অ্যাটাক হয় যা রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই। কিছু লক্ষণে বুঝে নেয়া যায় ধমনী ব্লক হয়েছে কি না। এই সকল লক্ষণ রোগীর সুস্থতার জন্য সতর্কতার সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে।

১) শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট হওয়া

সামান্য সময় হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ১-২ তলা পর্যন্ত উঠা বা অন্যান্য দৈনন্দিন ছোটোখাটো কাজ করে অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠা, ছোটো ছোটো নিঃশ্বাস নেয়া এবং নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া ধমনীতে ব্লক হওয়া প্রধান লক্ষণ। যখন আমাদের হৃদপিণ্ডের ধমনীতে ব্লক থাকার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত পৌছায় না তখন এই ধরণের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা অতিরিক্ত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

২) বমি বমি ভাব

হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার আরেকটি লক্ষণ হচ্ছে অনেক বেশি বমি বমি ভাব হওয়া। এর পাশাপাশি পেটের নিচের দিকে ব্যথা অনুভূত হওয়াও অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই।

৩) মাথা ঘোরানো ও দুর্বলতা অনুভব করা

ধমনীতে ব্লক তৈরি হলে রক্তের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন আমাদের মস্তিষ্কে পৌছাতে পারে না। এর ফলে মাথা ঘোরানো, মাথা হালকা হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভব করা এবং উদ্বেগ ও অস্থিরতা অনুভূত হয়। এইসকল ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। এবং যতো দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

৪) দ্রুত অথবা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

যখন হৃদপিণ্ডের ধমনীতে ব্লকের সৃষ্টি হয় তখন রক্ত সঞ্চালনে বাঁধা তৈরি হয়। এর ফলে তখন হৃদপিণ্ড পর্যাপ্ত পর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালনের জন্য দ্রুত পাম্প হতে থাকে। এছাড়াও ব্লক থাকার কারণে সঠিকভাবে হৃদপিণ্ড রক্ত পাম্প করতে পারে না তখন অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সৃষ্টি হয়। এতে করে বুকে ব্যথা ও মাথা ঘোরানো শুরু করে। এই অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া জরুরী।

৫) এন্‌জিনা

এন্‌জিনা ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি। যাদের এন্‌জিনা রয়েছে তারা অনেক সময়েই বুকের মাঝে ব্যথা ও অস্বস্তি অনুভব করতে থাকেন। এই ব্যথা সাধারণত বুক ভারী লাগা, বুক চেপে ধরা ধরণের, বোধশক্তি হারিয়ে ফেলা অথবা প্রচণ্ড ব্যথা ও জ্বালাপোড়া ধরণের হয়ে থাকে। এই ব্যথা পরবর্তীতে বাহু, পিঠ, ঘাড়, গলা, পাকস্থলী ও চোয়ালের দিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এই লক্ষণগুলো একেবারেই অবহেলার নয়।

সূত্রঃ হেলথডাইজেস্ট

সিগারেট কি থেকে তৈরি, জানলে আতঁকে উঠবেন!

ক্লাস ও শিক্ষকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাবার পকেট কেটে শুরু করেছিলেন বন্ধুদের নিয়ে সুখ টান দেওয়া। ধূমপানের জন্য পকেট করে ফেলেছেন সদরঘাট। সরকার সিগারেটের দাম বাড়ালে ইচ্ছামত গালিগালাজ করেছেন। এমনকি বাবা, মা, প্রেমিকার নিষেদ সত্বেও ছাড়তে পারেননি সেই প্রথম টান প্রথম ভালবাসা সিগারেটকে।

সিগারেটের পিছনে মাসে কারো কারো হাজার হাজার অর্থব্যয় হয়৷ জানেন কি এই সিগারেট কি থেকে তৈরি হয়? হ্যাঁ, অবশ্যই তামাক পাতা সুন্দর করে কেটে পরিশোধন করার পর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে কাগজে মোড়ানো সিলিন্ডারের ভেতর পুড়ে সিগারেট তৈরি করা হয়৷ তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে।

ভিতরের উপাদান গুলির মধ্যে মূল উপাদান হিসাবে থাকে ইঁদুরের বিষ্ঠা৷ অবাক হওয়ার কিছুই নেই৷ কারণ সম্প্রতি অপর একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, পৃথিবী বিখ্যাত আইভরি কফি তৈরি নাকি তৈরি হয় হাতির বিষ্ঠা থেকে৷
যাই হোক এসব তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী যে তথ্যটি একেবারেই ঘৃন্যকর, সেটি হল সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডসের এক গবেষণাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ওই গবেষণায় দেখা গিয়েছে- ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত।
কারণ সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়। সিমন চ্যাপম্যান আরো বলেছেন, সিগারেট উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো কি কি উপাদান ব্যবহার করছে তা গোপন রাখায় এই বক্তব্যের বিষয়টি নিয়ে বেশি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলেন, এটা তাদের ব্যবসা এবং তারা ব্যবসার গোপন তথ্য ফাঁস করবেন না।
তিনি বলেছেন, নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়৷ গ্রিসের একটি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেছে। তারও আগে জানা গিয়েছিল, সস্তা সিগারেটের মধ্যে অ্যাসবেস্টস এবং মৃত মাছিও থাকে।
পৃথিবীতে এমন অনেক সম্প্রদায় আছে যারা প্রাণিভক্ষণ ধর্মের বিরোধী বলে মনে করেন। গোড়া ধর্মাবলম্বীরা এই খবর থেকে ধর্মচ্যূত হওয়ার সম্ভাবনাকে তুলে ধরেছেন৷ তাই এই বিষয়টি নিয়ে সমগ্র বিশ্বে তৈরি হয়েছে সংকট।

একটু বেলা বাড়লেই ক্লান্ত লাগে? জেনে নিন কারণ ও করণীয়

সকালে ঘুম থেকে উঠে তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে অফিস বা কাজে গেলেন। কিন্তু ১১ টা বাজতে না বাজতেই এনার্জির অভাব, ফলশ্রুতিতে কাজের সময় ক্লান্তি এবং ঘুম ঘুম ভাব। যখন অনেক বেশি ঘুম পেয়ে যায় কাজের সময় তখন আমরা সাধারণত দোষারোপ করি রাতের ঘুমের উপর। ঘুম কম হওয়ার কারণেই যতো সমস্যা হচ্ছে বলে মনে করে থাকি। ব্যাপারটি কিন্তু আসলেই ঠিক তাই। রাতে ঘুম কম হওয়া, অনিদ্রা এবং ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার কারণেই দিনের বেলা কাজের সময় পেয়ে বসে রাজ্যের ঘুম। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের গবেষণায় দেখা যায় প্রায় ২৯% মানুষ কাজের সময় অত্যন্ত ঘুম ঘুম ভাব অনুভব করেন অথবা ঘুমিয়েও পড়েন। এবং প্রায় ৩৬% মানুষ গাড়ি চালানোর সময় ঘুম ঘুম ভাব অনুভব করেন এবং ঘুমিয়ে পড়েন। এর ফলাফল কিন্তু ভয়াবহ। এছাড়াও ঘুম না হলে ধীরে ধীরে আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে, এতে করে অল্পতেই আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং রোগগুলো দেহে মারাত্মক আকার ধারণ করতে থাকে। সুতরাং ঘুমকে অবহেলা নয় মোটেই।

যে কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেঃ

জরীপে মানুষের নিজস্ব কিছু সমস্যার কথাই উঠে এসেছে যা তার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য দায়ী-

১) ৮৫.২% মানুষ বলেন ঘরের তাপমাত্রা ঘুমের জন্য উপযুক্ত ছিল না। তাপমাত্রা একেবারে কম ছিল কিংবা অনেক ক্ষেত্রে বেশি ছিল।
২) ৭১.৯% বলেন সঙ্গীর সাথে ঘুম সংক্রান্ত সমস্যার কথা।
৩) ৬৮.৬% বলেন আশেপাশে অনেক বেশি শব্দের কথা।
৪) ৫২.৮% বলেন ঘরে অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো ছিল।
৫) ৪০% মানুষ বলেন বিছানা আরামদায়ক ছিল না।
৬) ৩৫.৯% মানুষ বলেন বাচ্চার যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারেন নি।
৭) ১০.২% মানুষ বলেছেন তাদের শারীরিক অসুস্থতার কারণে ঘুমাতে পারেন নি।

সমস্যা এড়াতে যা করা উচিতঃ

১) প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি। কারণ এতে শারীরিক পরিশ্রম হবে যার কারণে রাতে ক্লান্তির কারণে আরামের ঘুম হবে।
২) একটানা কাজ না করে ২-৩ ঘণ্টা পরপর একটু বিশ্রাম দেয়া উচিত মস্তিষ্ককে। অর্থাৎ কাজ বন্ধ করে দিন, কিন্তু শারীরিকভাবে বিশ্রাম না নিয়ে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করে নিন।
৩) স্বাস্থ্যকর খাবার খান। এতে করে দেহে এনার্জি পাবেন।
৪) ঘোরের আলোর উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখুন ঘুমানোর সময়।
৫) খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার। গবেষণায় দেখা যায় যারা ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান তাদের ঘুমের সমস্যা কম হয়।

যা একেবারেই করবেন নাঃ

১) অনেক বেশি মাত্রার ক্যাফেইন ও চিনি গ্রহন করা থেকে বিরত থাকুন।
২) ঘুমুতে যাওয়ার আগে এবং বিছানায় শুয়ে মোবাইল, ল্যাপটপ টেপাটেপি করবেন না একেবারেই,
৩) একই বিছানার চাদর বালিশের কভার ১ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না।
৪) রাতে দেরি করে ব্যায়াম করবেন না।

সূত্র- দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

জেনে নিন অতিরিক্ত বিষণ্ণতা সমস্যায় আক্রান্তের অস্বাভাবিক ৭ টি লক্ষণ

অনেকেই ভাবেন বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষ দেখলেই বুঝে ফেলা যায়। অনেকের ধারণা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি বিষণ্ণ থাকবেন অথবা নিজের বিষণ্ণতা ঢাকার জন্য অতিরিক্ত খুশি হওয়ার ভান করে থাকবেন। কিন্তু বিষণ্ণতাকে যতোটা সাধারণ বলে ধরেন অনেকে বিষয়টি ততোটা স্বাভাবিক নয় একেবারেই। বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষ নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন, অনেক বেশি ফ্রাস্ট্রেটেড থাকেন এবং তিনি সুইসাইডের দিকেও নিজেকে নিতে পারেন। এবং সবচাইতে আশ্চর্যজনক জিনিসটি হচ্ছে এই বিষণ্ণতা সমস্যার লক্ষণ মানসিক ও শারীরিক উভয় দিক দিয়েই প্রকাশিত হয়।

১) বিষণ্ণতার কারণে মাথাব্যথা, খাবার হজমে সমস্যা এবং অন্যান্য শারীরিক ব্যথার সৃষ্টি হয়। শারীরিক ব্যথার মূলত কোনো কারণ থাকে না, বিষণ্ণতার কারণেই এই সমস্যা দেখা দেয়।

২) কথা বলতে এবং কারো সাথে পরিচিত হতে সমস্যা দেখা দেয় অতিরিক্ত বিষণ্ণ মানুষের মধ্যে। তারা অতিরিক্ত মাত্রায় চুপচাপ হয়ে পড়েন নতুন কারো সাথে পরিচিত হতে গেলে।

৩) অতিরিক্ত ইন্টারনেটের সাথে সম্পর্কিত থাকা বিষণ্ণতার লক্ষণ। যদি আপনি কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তার সাথে মেলাতে যাবেন না। গবেষণায় দেখা যায়, অতিরিক্ত বিষণ্ণ মানুষ শুধু শুধুই বিভিন্ন সাইট, পর্ণ সাইট ও সোশ্যাল পেইজ গুলো ব্রাউজ করে থাকেন।

৪) ঘুমের সমস্যা হওয়া অতিরিক্ত বিষণ্ণতার অন্যতম লক্ষণ। ঘুমের সাইকেল নষ্ট হওয়া, অনিদ্রা, বেশি ঘুমানো, ঘুম না হওয়ার ইত্যাদির সমস্যা দেখা দেয় অতিরিক্ত বিষণ্ণ মানুষের মধ্যে।

৫) নিজেকে উপস্থাপনের ব্যাপারে উদাসীনতা দেখা দেয়া অতিরিক্ত বিসন্ন মানুষের মধ্যে। নিজের শারীরিক যত্ন নেয়ার ব্যাপারে একেবারেই নজর দিতে দেখা যায় না।

৬) থাইরয়েড সমস্যা, হাইপারথায়রডিজম হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সেই সাথে খুব মন খারাপ থাকা, দুর্বলতা অনুভব করা, ওজন বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দেয়।

৭) খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন নজরে পড়ে। বিষণ্ণ থাকার কারণে অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভূত হয়, যার কারণে মস্তিষ্ক গ্লুকোজ ধরণের খাবার বেশি খুঁজে থাকে। এতে করে চিনি জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস দেখা দেয়।

সূত্রঃ দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

মেয়েরা যে ধরনের ছেলেদের পছন্দ করে না

সময় বদলের সঙ্গে বদলে গেছে অনেক কিছুই। একটা সময় জীবনসঙ্গী বাছাই করার ক্ষেত্রে মেয়েদের পছন্দের কোনও মূল্য ছিল না। কিন্তু বর্তমানে জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মহিলাদের পছন্দকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয় ও তা উচিতও। জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নারীর যেমন পছন্দ রয়েছে, তেমনি অপছন্দ রয়েছে।

কিছু পুরুষ আছেন যারা খুব সহজেই নারীদের মন জয় করে ফেলতে পারেন। আবার কিছু পুরুষকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না। যাকে বলা যায় একেবারে চক্ষুশূল। কিন্তু এই তারতম্যের কারণ কি?

জবাব লুকিয়ে আছে পুরুষের আচরণের মাঝেই। পুরুষের মাঝে কিছু স্বভাব আছে যেগুলো নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না। বরং বিশেষ এই স্বভাব গুলো নারীদেরকে দারুণভাবে বিকর্ষণ করে। এসব পুরুষের ধারে কাছেও ঘেঁষতে চান না অধিকাংশ নারী, সম্পর্ক কিংবা বিয়ে করা অনেক দূরের ব্যাপার।

জেনে নিন মেয়েদের অপছন্দের পুরুষ কারা।

চরিত্রহীন

চরিত্রহীন পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। যেসব পুরুষ একাধিক নারীর পেছনে পেছনে ঘোরে কিংবা অতিরিক্ত নারী ঘেঁষা হয়, সেই ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা পারতপক্ষে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। কারণ এধরনের পুরুষদের সঙ্গ নারীরা নিরাপদ মনে করেন না।

ব্যক্তিত্বহীন

ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। যেসব পুরুষরা ব্যক্তিত্বহীন আচরণ করে তাদেরকে নারীরা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে সবসময়। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের আচরণ, মেলামেশা ও সকল কাজকর্মই বেশ বিরক্তির দৃষ্টিতে দেখেন নারীরা।

দায়িত্বহীন

যেসব পুরুষরা একটি বড় দায়িত্ব নিয়ে সেটি রক্ষা করতে পারে না অথবা অবহেলা করে সেসব পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করে না। নারীরা পুরুষের কাছে চায় নির্ভরতা ও আশ্রয়। যেসব পুরুষ একেবারেই নির্ভর করার মত না কিংবা দায়িত্বগ্রহণ করার যোগ্য না তাদেরকে নারীরা সাধারণত সহ্য করতে পারে না।

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী

আত্মবিশ্বাসী পুরুষদেরকে নারীরা খুবই পছন্দ করে। পুরুষের আত্মবিশ্বাস পুরুষত্বকে যেন আরো বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু তাই বলে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নারীরা একেবারেই পছন্দ করে না। যেসব পুরুষদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস তাঁরা সাধারণত নিজের মতামতের বাইরে আর কারো কোনো কথা কিংবা পরামর্শ শুনতে চায় না। তাই এ ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা সহ্য করতে পারে না।

অসামাজিক পুরুষ: এরা নিজেও আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-প্রতিবেশী থেকে দূরে থাকে। এবং তারা চায় তার জীবনসঙ্গীও যেন সবার কাছ থেকে দূরে থাকুক। এমন অসামাজিক পুরুষদেরকে কোনও নারী পছন্দ করেন না।

বেখেয়ালি পুরুষ

কিছু পুরুষ আছেন যারা খুবই বেখেয়ালি স্বভাবের। কোনো তাদেরকে কোনো কিছু বললে কখনই খেয়াল থাকে না তাদের। বেশিরভাগ সময়েই অন্যমনস্ক স্বভাবের কারণে যত গুরুত্বপূর্ন কথাই বলা হলো ভুলে যায় তাঁরা। এ ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না।

অতিরিক্ত অহংকারী পুরুষ

নিজের অর্থ, চেহারা, গায়ের রঙ, বংশ কিংবা চাকরী নিয়ে অতিরিক্ত অহংকার করা পুরুষদেরকে নারীরা সহ্য করতে পারে না। নারী কিংবা পুরুষ কাউকেই অহংকার করা মানায় না একেবারেই। বিশেষ করে পুরুষরা যদি চেহারা কিংবা অর্থ নিয়ে অহংকারী আচরণ করে তাহলে তা খুবই দৃষ্টিকটু দেখায়।

 নারী বিদ্বেষী
 নারী বিদ্বেষী পুরুষদেরকে মহিলারা পছন্দ করেন না। যে পুরুষ সারাক্ষণ মহিলা সহকর্মী, বান্ধুবী, কিংবা নিকট নারী আত্মীয় সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেন, মহিলাদের পোশাক এমনকী চরিত্র নিয়ে নেতিবাচক কথা বলেন সেসব পুরুষ থেকে মেয়েরা দূরে থাকতে পছন্দ করেন।

ছিঁচ কাঁদুনে

কিছু কিছু পুরুষ আছেন প্রেমিকা একটু দেরিতে ফোন ধরলেই কেঁদে ভাসিয়ে ফেলেন। এসব ছিঁচ কাঁদুনে পুরুষদেরকে মহিলারা মোটেও পছন্দ করেন না।

হাড় কিপ্টে

হাড় কিপ্টে পুরুষদের কোটি টাকা থাকলেও তাঁরা বন্ধু-বান্ধুবীর সঙ্গে রেষ্টুরেন্টে খেতে গিয়ে এক কাপ চায়ের বিল দিতে চায় না। হাড় কিপ্টে পুরুষদের পকেট থেকে টাকা বের করে আনা কষ্টকর ব্যপার। এসব পুরুষদের কাছ থেকে মেয়েরা দশ হাত দূরে থাকতে চায়।

অতিরিক্ত মা ঘেষা

নিজের মাকে যে পুরুষ শ্রদ্ধা করেন, সে অন্য নারীকেও শ্রদ্ধা করেন। মাকে ভালোবাসেন এমন পুরুষ নারীর পছন্দের শীর্ষে। কিন্তু কিছু কিছু পুরুষ আছেন যারা মাকে অতিরিক্ত শ্রদ্ধা-ভক্তি করেন, মায়ের কথা ছাড়া এক ইঞ্চি জায়গা নড়াচড়া পর্যন্ত করেন না, সেসব পুরুষদেরকে নারীরা একেবারে অপছন্দ করেন।

মেয়েলি স্বভাবের

মেয়েরি-কূটকাচালি স্বভাবের পুরুষেরা সারাক্ষণ নিজের বন্ধু-বান্ধুবী, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী এমনকি নিজের ভাই-বোনের নামেও হিংসাত্মক কথা বলে বেড়ায়।

বন্ধু-পাগল

বন্ধু-বান্ধুবী নেই এমন পুরুষদেরকে নারীরা যেমন পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি বন্ধু পাগল পুরুষদেরকেও পছন্দ করেন না।

ফ্লার্টিং

যেকোন নারীর সঙ্গেই এরা ফ্লার্টিং করে বেড়ায়। বিয়ের পরও এদের চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয় না। এদের কাছে সম্পর্কের সততা বলে কিছু নেই।

দায়িত্বজ্ঞানহীন

এরা কোনো দায়িত্ব নিতে চায় না। এরা সব সময় অন্যের কাধে দায়িত্ব দিয়ে নিজে দায়ভার মুক্ত থাকতে পছন্দ করেন। বিয়ের পর এসব পুরুষেরা সংসারের বাজার থেকে শুরু সব দায়িত্ব সঙ্গীনীর কাধে চাপিয়ে দেয়।

অসামাজিক পুরুষ

এরা নিজেও আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-প্রতিবেশী থেকে দূরে থাকে। এবং তারা চায় তার জীবনসঙ্গীও যেন সবার কাছ থেকে দূরে থাকুক। এমন অসামাজিক পুরুষদেরকে কোনও নারী পছন্দ করেন না।

অর্থলোভী

এদের কাছে সব কিছুর উর্ধে অর্থ। এরা অর্থের কারণে নিজের স্ত্রীকে অন্যের কাছে বিক্রি করতে একটুও দ্বিধা করেন না। এসব পুরুষদের কথায় সব সময় টাকার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। এসব পুরুষদেরকে নারীরা মোটেও পছন্দ করেন না।

ন্যাকা টাইপের

 এরা সব সময় নিজেকে বারো বছরের বাচ্চা মনে করেন। এদের আচার-আচরন, কথা-বার্তায় সব সময় শিশুসুলভভাব প্রকাশ পায়। এমন ন্যাকা টাইপের পুরুষদের সঙ্গে খানিকটা সময় কাটালে নিজের প্রতি বিরক্ত চলে আসে।

যৌন লালসাপূর্ণ

যে পুরুষ পরিচিত হোক আর অপরিচিত হোক যেকোনও নারীর শরীর স্পর্শ করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করেন। যৌনতা বিষয়ক কথাবার্তা বলতে এরা পছন্দ করেন।

 

 

বিশেষজ্ঞের দৃষ্টিতে বিবাহ বিচ্ছেদের ছয় কারণ

বিয়ের অর্থ বাকি জীবনটা সুখে-শান্তিতে কাটিয়ে দেওয়া। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা হয় না। বরং সময় যত এগিয়ে যাচ্ছে, সংসার ভাঙার হআর তত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা এ অবস্থার কারণ চিহ্নিতের জন্যে নানা গবেষণা চালিয়েছেন। তবে কিছু কারণকে মৌলিক কারণ হিসেবে তুলে ধরেন বহু বিশেষজ্ঞ। এখানে দেখে নিন এমনই ৬টি কারণ যা একটি দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ ঘটাতে চাবিকাঠির কাজ করে।

১. অর্থনৈতিক অবস্থা: দুজনের মাঝে সম্পর্ক যত গভীরই হোক না কেন, অর্থনৈতিক অবস্থার ভারসাম্য না থাকলে সমস্যা হবে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিটি সম্পর্কই কোনো না কোনোভাবে শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক অবস্থার দ্বারা নির্ধারিত হয়। কোনো যুক্তি বা বাস্তবতা দিয়ে সম্পর্কের মধ্য থেকে অর্থনৈতিক বিষয়টিকে উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।

২. যোগাযোগে বিচ্ছিন্নতা: যোগাযোগ না থাকায় দুজনের মধ্যে হয়তো ঝামেলা হচ্ছে না, কিন্তু আপনারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। কথা না বলা বা যোগাযোগ না হওয়াই যথেষ্ট। এ ধরনের পরিস্থিতি বোঝায় যে, দুজনই আর বোঝাপড়ার বিষয় আগ্রহী নন। এই পরিস্থিতির পরবর্তী পদক্ষেপে সাধারণত ডিভোর্স নিতে দেখা যায় দম্পতিদের।

৩. ঘৃণা-অবজ্ঞা: দুজনের মাঝে বোঝাপড়া না থাকলে ঘৃণা-অবজ্ঞার মতো বিষয় সৃষ্টি হতে পারে। স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক নষ্টের পেছনে ঘৃণা-অবজ্ঞার মতো কার্যকর বিষয় আর নেই। বিয়ে এবং যৌনবিষয়ক থেরাপিস্ট ড. কাট ভ্যান কির্ক বলেন, দুজনের প্রতি দুজনের বিন্দুমাত্র আবেগ কাজ না করার অর্থ এখানে ঘৃণার আগমণ ঘটেছে। আর তা সম্পর্ক শেষের লক্ষণ।

৪. সম্পর্ককে বিচ্ছিন্নভাবে লালন করা: হয়তো দুজন সংসার পেতেছেন, কিন্তু এর যত্নআত্তি করলে যার যার মতো করে। এতে দুজনের মধ্যে ধীরে ধীরে দুই ধরনের মানসিকতা তৈরি হবে। দুজনের ব্যবহার দুই ধরনের হতে শুরু করবে। খুব দ্রুত টানাপড়েন শুরু হবে। একই বিষয়ে দুজনের দুই ধরনের মতামত সৃষ্টি হবে।

৫. মিথ্যাচার: এটা খুবই মারাত্মক বিষয়। একের বিষয়ে অন্যের বিশ্বস্ততা নষ্ট হয় মিথ্যাচারের কারণে। প্রত্যেকের দ্বৈত জীবন সংসারকে ধ্বংস করবে। সততা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে সম্পর্কের লালন করতে হয়। বিশ্বাস ভঙ্গ হলে সম্পর্কের ভিত্তি নষ্ট হয়।

৬. অন্তরঙ্গতার অভাব: দুজনের মধ্যে শুধু মানসিক বন্ধন থাকলেই চলবে না, দৈহিক অন্তরঙ্গতাও থাকতে হবে। স্পর্শ, জড়িয়ে ধরা, হাত ধরা ইত্যাদি দুজনের মধ্যে সম্পর্ককে অনেক গভীর করে তুলতে পারে। এর সঙ্গে দারুণ গুরুত্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে যৌনতা। এসবের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি হলে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য।

সূত্র: ফক্স নিউজ

চালকবিহীন ট্রেনটি চলল ২৬ কিলোমিটার: বাঁচলেন যাত্রীরা

Bangladesh Rail

রাজবাড়ী থেকে ফরিদপুরগামী ‘ফরিদপুর এক্সপ্রেস’ এর চালক ট্রেনটি চালু করে ব্যাক গিয়ার দিয়ে সহকারী চালক এবং সহকারি চালক চা পান করতে যান। এতে ট্রেনটি উল্টো পথে প্রায় ২৬ কিলোমিটার যাওয়ার পর ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) কৌশলে সেটি থামাতে সক্ষম হন। আজ রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে। রোববার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীতে। লাইনে অন্য কোনো ট্রেন না আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেছেন যাত্রীরা। রাজবাড়ী স্টেশন থেকে উল্টোপথে ট্রেনটি ঘণ্টাখানেক চলে সূর্যনগর, বেলগাছী, কালুখালী ও পাংশা স্টেশন পেরিয়ে যায়। পরে কৌশলে ট্রেনটি থামিয়ে দেন এক টিকিট কালেকটর। রাজবাড়ী স্টেশনের মাস্টার কামরুজ্জামান বলেন, ৭৮৩ নম্বর আপ ট্রেনটি রাজবাড়ী থেকে ফরিদপুরে ছেড়ে যাওয়ার কথাছিল সকাল ৮টা ১০ মিনিটে। ছয়টি বগি নিয়ে ২ নম্বর প্লাটফর্মে ট্রেনটি ছিল।ট্রেনে যাত্রী ছিলেন ২৩ জন। “ট্রেনটি ছাড়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে চালক ইঞ্জিন চালু রেখে চা খেতে নিচে নামেন। গার্ডও ছিলেন না। এসময় হঠাৎই ট্রেনটি ফরিদপুরের দিকে না গিয়ে উল্টোপথে কুষ্টিয়ার দিকে চলা শুরু করে। “এ পরিস্থিতিতে ট্রেনের টিকিট কালেকটর আনোয়ার হোসেন যাত্রীদের শান্ত করে ট্রেনটি থামানোর চেষ্টা করেন। তিনি ইঞ্জিন ও বগির মাঝখানে ভ্যাকুয়াম ব্রেকের পাইপ খুলে দিলে বাবু পাড়া ব্রিজের কাছে ট্রেনটি থেমে যায়।”  রাজবাড়ী থেকে একটি লাইট ইঞ্জিন গিয়ে ট্রেনটি সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে স্টেশনে ফিরিয়ে আনে বলে জানান স্টেশন মাস্টার কামরুজ্জামান। পুরো সময়টায় রাজবাড়ীতে আটকা ছিল দৌলতদিয়া থেকে পোড়াদহগামী ৫০৬ নম্বর ডাউন ট্রেন। কামরুজ্জামান জানান, ঘটনার পর রেলওয়ে পাকশী বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেনের চালক মোহাম্মদ আলী এবং গার্ড সুভাস চন্দ্র সরকারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। এছাড়া ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে।

নগ্ন ছবি প্রকাশের অভিযোগে ১৮ বছরের কারাদণ্ড

Man Prison 18 years

নারী-পুরুষের বিনা অনুমতিতে তাদের নগ্ন ছবি প্রকাশ এবং তা নিয়ে চাঁদাবাজির অপরাধে যুক্তরাষ্ট্রে এক তরুণের ১৮ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। দেশটির ইতিহাসে এ ধরনের সাইবার অপরাধে এমন শাস্তির ঘটনা এই প্রথম। শুক্রবার যুগান্তকারী এই মামলার রায় দেয় সান ডিয়েগোর একটি আদালত। খবর এএফপির।

২৮ বছর বয়সী ওই তরুণের নাম কেভিন বোলায়ের্ট। একটি ‘রিভেঞ্জ পর্ন’ ওয়েবসাইটসহ একাধিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হাজারো নারী-পুরুষের নগ্ন ছবি প্রকাশ এবং সেসব সরিয়ে নিতে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন তিনি।

২০১২ সালের ডিসেম্বরে ‘ইউগটপোস্টেড ডটকম’ নামের ওয়েবসাইটটি চালু করেন কেভিন। এই সাইটে নারী ও পুরুষদের প্রায় ১০ হাজার নগ্ন ছবি পোস্ট করা হয়েছিল। এসব ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে কারও অনুমতি নেওয়া হয়নি। এ ধরনের অন্যান্য সাইটে পাত্র-পাত্রীদের নাম-ধাম প্রকাশ করা না হলেও কেভিনের সাইটটিতে ছবির সঙ্গে পুরো নাম ও বয়সও প্রকাশ করা হতো। এমনকি পাত্র-পাত্রীরা কোন এলাকায় বসবাস করেন তাও উল্লেখ করা হতো। দেওয়া হতো ফেসবুক প্রোফাইলের লিংকও।

‘ইউগটপোস্টেড ডটকম’ সাইটটির পাশাপাশি ‘চেঞ্জমাইরেপুটেশন ডটকম’ নামে আরেকটি ওয়েবসাইট চালাতেন কেভিন। নগ্ন ছবি প্রকাশের শিকার হয়েছেন এমন নারী-পুরুষদের সেসব ছবি সরিয়ে ফেলতে সহায়তা করার টোপ দেওয়া হতো দ্বিতীয় ওয়েবসাইটটিতে। ‘ইউগটপোস্টেড’ থেকে ছবি সরিয়ে ফেলার জন্য প্রত্যেকে ব্যক্তির কাছ থেকে ৩৫০ ডলার করে আদায় করতেন কেভিন। মানুষের কাছ থেকে এভাবে হাজার হাজার ডলার আদায় করে নিয়েছেন তিনি।

ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল কামালা হ্যারিস বলেছেন, সাইবার-হয়রানির কোনো ওয়েবসাইট পরিচালনার অপরাধে যুক্তরাষ্ট্রে কোনো ব্যক্তির বিচারের ঘটনা এটাই প্রথম। তিনি আরও বলেন, ‘এই সাজা এটা স্পষ্ট করেছে যে, অনলাইনে কাউকে হয়রানি করে মুনাফা করতে চাইলে ভয়াবহ পরিণতি হবে। আমরা চোখ-কান খোলা রাখব ও তদন্ত চালিয়ে যাব এবং যাঁরা এসব ঘৃণ্য কাজ করছেন তাদের বিচার করব।’

সম্প্রতি বেশ কয়েকজন হলিউড তারকাসহ অনেক সেলিব্রেটিদের নগ্ন ছবি অনলাইনে প্রকাশ হওয়ার ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রে। গত মাসে হোয়াইট হাউসের সাবেক ইন্টার্ন মনিকা লিওনিস্কি টেড সম্মেলনে প্রদত্ত বক্তৃতায় সাইবার নিপীড়নের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ হন। বিল ক্লিনটনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে দুনিয়াজুড়ে যে তোলপাড় হয়েছিল সেটাকে সাইবার হয়রানির অন্যতম প্রথম বড় ঘটনা এবং নিজেকে এর অন্যতম প্রথম শিকার হিসেবে উল্লেখ করেন মনিকা। বক্তৃতায় তিনি আরও বলেন, ‘ইন্টারনেট অন্যের লজ্জা নিয়ে আমাদের আনন্দ পেতে এবং ব্যবসা করতে শিখিয়েছে।’

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net