শিরোনাম

প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান

প্রশ্ন এবং উত্তর অন্তর দিয়ে পর্য্যালোচনা করার আগ্রহ না থাকলে আবিষ্কার সম্ভব নয় —— বিজ্ঞানী আতাউল করীম

মতিয়ার চৌধুরীঃ প্রশ্ন এবং উত্তর অন্তর দিয়ে পর্য্যালোচনা করার আগ্রহ নাথাকলে আবিষ্কার সম্ভব নয় এমন্তব্য বিশিষ্ট বাঙ্গালী বিজ্ঞানী ভাষমান রেলের উদ্ভাবক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভারসিটি অব মেসারটাস ডাহরামের এক্সিকিউটিভ ভাইস চ্যান্সেলর মোহাম্মদ আতাউল করীমের। গতকাল ১৭জুন দুপুরে ইষ্টলন্ডনের কুইনমেরী বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটার হলে দ্যা লন্ডন ইন্টার কোম্পেনী আয়োজিত ‘আইজ্যাক নিউটন এন্ড হিজ আ্যাপেল’ শীর্ষক সেমিনারে ড. আতাউল করীম এমন্তব্য করেন। তিনি বলেন গবেষনার শেষ নেই প্রশ্ন এবং উত্তরকে ভাল ভাবে জানার চেষ্টা করলে আবিষ্কারের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব। এসময় তিনি বলেন যুগ যুগ ধরে আমরা শুনে আসছি কলম্বাস আমেরিকা আবিস্কার করেছেন- এখন দেখা যাচ্ছে কলম্বাস কোন দিনই আমেরিকা যাননি। এময় তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শ্রেষ্ট বিজ্ঞানীদের গবেষনাকর্ম ও তাদের আবিস্কারের ফর্মুলা সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তার এই বক্তব্য শুনতে বৃটেনের প্রতিটি শহর থেকে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বাঙ্গালী সহ বিভিন্ন দেশের কয়েকশত মানুষ অংশ নেন। ড. আতাউল করীম আমেরিকায় (২০০৪-২০১৩) সাল পর্যন্ত ফাষ্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট অব দি রিসার্স দি অল্ড ডমিনিয়ন ইউনিভারসিটি অব ভার্জিনিয়া, (২০০০-২০০৪) পর্যন্ত ডিন অব ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যাট দ্য সিটি কলেজ অব নিউইয়র্ক অব দি সিটি ইউনিভারসিটি নিউইয়র্ক, ( ১৯৯৮-২০০০) হেড অব ইলেকট্রিক্যাল কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভারসিটি অব টেনেসি ( ১৯৯৪-১৯৯৮) ফাউন্ডিং ডিরেক্টর অব ইলেকট্রিক্যাল কম্পিউটার এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং চেয়ার (১৯৯৪-১৯৯৮) ইউনিভারসিটি অব ডাইটন এ দায়িত্ব পালন করেন। এর বাইরে তিনি ইলেকটেড ফেলো ইন দি ইন্সটিটিউসন অব ইলেকট্রিকেল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ( আই-ই-ই-ই) অ্যপটিক্যাল সোসাইটি অব আমেরিকা (ও-এস-এ), দি সোসাইটি অব ফটো ইন্সটিটিউশন ইঞ্জিনিয়ার্স ( এস-পি-আই-ই) দি ইন্সিটিটিউট অব ফিজিক্স, দি ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন টেকনোলজি,এ্যান্ড দি বাংলাদেশ এডাডেমী অব সায়েন্স , ড. করীম ১৯টি টেস্ট রেফারেন্ন বইয়ের লেখক এবং সম্পাদক। এছছাড়া তার ৩৬৫টি গবেষনা বিষয়ক রিপোর্ট বিশ্বব্যাপি আলোড়র সৃষ্টি করেছে। তার গবেষনা কর্মের তালিকা ও পন্সর করেছে অফিস অব নি নভেল রিসার্স ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন, ইউএস এয়ার ফোর্স, নভেল রিসার্স লেবরটরি, আমেরিকান আর্মি , নাসা, ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশন। তিনি ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিস্ক এর উপর বিএস অনার্স ডিগ্রি সমাপ্ত করেন। এমএস ইন ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন পিএইচডি, ইলেকট্রিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ইউনিভারসিটি অব আলাবামা ১৯৭৮,১৯৭৯,১৯৮১। বাঙ্গালী এই বিজ্ঞানীর জন্ম বৃহত্তর সিলেটর মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায়।

স্মার্টফোন দিয়ে শনাক্ত করা যাবে বিশ্বব্যাপী মরণঘাতী রোগ ক্যান্সার

স্মার্টফোন দিয়ে শনাক্ত করা যাবে বিশ্বব্যাপী মরণঘাতী রোগ ক্যান্সার। সঙ্গে প্রয়োজন ৭০ পাউন্ড মূল্যের একটি ডিভাইস যা অনলাইনে কেনা-বেচার সাইট অ্যামাজনে পাওয়া যাবে।‘এইচইউডি’ নামের এই ডিভাইসটি মেডিক্যাল পেশাদারদের কাছে ডার্মাটোস্কোপ নামেই পরিচিত। এতে থাকা ম্যাগনিফায়িং গ্লাস এবং এলইডি লাইট ব্যবহার করে ত্বকের পৃষ্ঠে হওয়া প্রতিফলনের মাধ্যমে এটি ত্বকের ক্ষত পর্যবেক্ষণ করতে পারে।প্রচলিত ডার্মাটোস্কোপগুলোর দাম শত পাউন্ডের মতো হলেও, থ্রিজেন নামের প্রতিষ্ঠানটি এইচইউডি বানিয়েছে প্লাস্টিক দিয়ে। এ কারণে, ডাক্তারদের ব্যবহৃত ডিভাইসের এর চেয়ে এটি সস্তায় পাওয়া যাবে।সুবিধাটি পেতে ব্যবহারকারীকে অবশ্যই ফার্স্ট ডার্ম অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে। আর এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অ্যাপে ক্ষতের ছবি আর তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।
আর এ বিষয়ে নিবন্ধিত ডার্মাটোলজিস্টরা তাদের উত্তর দেবেন।

আইফোনের চাহিদা কমে গেছে?

আইফোন বিক্রির হার আগের চেয়ে কমে গেছে। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রান্তিক আয় ঘোষণার সময় মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপল জানায়, আইফোন বিক্রির হার মাত্র এক শতাংশ বেড়েছে। অ্যাপলের বিনিয়োগকারীরা দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি আশা করলেও বাজার বিশে¬ষকেরা বলছেন, ২০০৭ সালের পর আইফোন বিক্রির হার যে হারে বাড়ছিল, তা এতটা কমে যাওয়ার ঘটনা প্রথমবারের মতো ঘটল। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আইফোন ৬ এস ও ৬ এস প¬াস বাজারে আসার পর এক সপ্তাহে রেকর্ড পরিমাণ আইফোন বিক্রি হলেও এখন সে চাহিদা কমে গেছে। বিশে¬ষকেরা বলছেন, আইফোনের পূর্ববর্তী প্রজন্মের সঙ্গে নতুন আইফোনের প্রযুক্তিতে তেমন তফাত নেই। নতুন ফিচারও অল্প। এ ছাড়া পুরোনো মডেলের আইফোনের সঙ্গেও নতুন আইফোনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছে। ২০১৪ সালে বড় মাপের স্ক্রিনযুক্ত আইফোন ৬ ও ৬ প¬াস বাজারে এনে বাজার দখল করে অ্যাপল। যা এশিয়ার গ্রাহকদেরও নাড়া দেয়। ধাক্কা দেয় প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাংকেও। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এফবিআর ক্যাপিটাল মার্কেটসের বাজার গবেষক ড্যানিয়েল আইভস বলেন, ‘নিজের সাফল্যের বলী হতে হচ্ছে অ্যাপলকে। আইফোন ৬ এর জনপ্রিয়তা ও ফোন ব্যবহারের মেয়াদ বেশি হওয়ায় নতুন আইফোন কিনবে কি না তা নিয়ে অনেক ক্রেতা ধন্দে পড়ে যান। এ ছাড়া নতুন আইফোনের দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই তা কিনতে আগ্রহ হারান। এ ছাড়া বাজারে আইফোন ৭ এর গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।’ বাজার গবেষকেদের মতে, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর- এ তিন মাসে অ্যাপল সাত কোটি ৫৫ লাখ ইউনিট আইফোন বিক্রি করেছে। যা এক বছর আগের একই সময়ের চেয়ে মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। বাজার বিশে¬ষকেরা বলছেন, ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারে ছাড়ার পর থেকে গত প্রান্তিকেই আইফোন বিক্রি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। বাজার বিশে¬ষক প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্ট সেটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিক অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ এ তিন মাসে পাঁচ কোটি ৪৬ লাখ আইফোন বিক্রি হবে বলে ধারণা করছে অ্যাপল। এক বছর আগে অর্থাৎ ২০১৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে ৬ কোটি ১২ লাখ ইউনিট আইফোন বিক্রি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। যা বছরের হিসেবে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির হার ছিল। বাজার গবেষকেরা বলছেন, অ্যাপলকে উদ্ধার করতে পারে নতুন আইফোন ‘৭’। এ বছরের শেষ নাগাদ এই আইফোন আনতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। প্রযুক্তি বিশে-ষকেদের ধারণা ক্রেতারা নতুন আইফোন এলে তা হালনাগাদ করতে আগ্রহী হবেন। নতুন এই আইফোন বেশ পানিরোধী প্রযুক্তি, তারহীন হেডফোনের মতো নতুন প্রযুক্তি রাখতে পারে অ্যাপল। এদিকে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে জোর গুঞ্জন, আইফোন বিক্রি ধরে রাখতে মার্চ মাসে আইফোন ৫এসই নামে চার ইঞ্চি মাপের একটি ছোট-খাটো আইফোন বাজারে ছাড়তে পারে অ্যাপল। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, বিবিসি।

স্মার্টফোনে ছড়াচ্ছে নতুন অসুখ!

ন্যাটিজেনদের কাছে স্মার্টফোনের কদরের কোনো শেষ নেই। কিন্তু মুশকিল হলো, দিব্যি স্মার্টভাবেই এই ফোন আমাদের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে একটা নতুন অসুখ। নতুন এই অসুখটাকে বলা হচ্ছে ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি’! পিঙ্কি মানে, কড়ে আঙুল। স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কোন সমস্যায় ফেলছে আমাদের কড়ে আঙুলকে?শুনতে অবাক লাগলেও, লাগাতার স্মার্টফোনের ব্যবহার বেঁকিয়ে দিচ্ছে আমাদের কড়ে আঙুল।আসলে, যত বেশি এক হাতে ফোনটাকে ধরে ঘাঁটাঘাঁটি করা হচ্ছে, ততই চাপ পড়ছে কড়ে আঙুল আর তার পাশের আঙুলের মাঝে। ফলে, সেই চাপে কড়ে আঙুল বেঁকে যাচ্ছে। সমীক্ষা বলছে, যারা দিনে প্রায় ছয় ঘণ্টা ঘরে নিজেদের ব্যস্ত রাখেন স্মার্টফোন নিয়ে, তাদেরই এই অসুখ বেশি হচ্ছে!বলাই বাহুল্য, যত বেশি ব্যবহার বাড়বে, আঙুলও তত বেঁকে যাবে!

        কর্মী ছাঁটাই করবে রোবট
প্রযুক্তি যেভাবে সামনের দিকে যাচ্ছে তাতে ২০২৫ সালে বেশ কিছু অভাবনীয় ডিভাইস আসতে পারে প্রযুক্তির বাজারে।ডেইলি মেইলের এক রিপোর্টে বলা হয়, শরীরের সাথে লাগানো মোবাইল ফোন, থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি করা মানব শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেগুলো শরীরে স্থাপন করা যাবে এমন সব নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে ২০২৫ সালে পরিচিত হতে যাচ্ছি আমরা।বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বলা হয়েছে, এসব প্রযু্ক্িততে এখন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী মনে হলেও ২০২৫ সালের মধ্যে এইসব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আরও উন্নয়ন ঘটবে।মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সেটায়া নাদেলা বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব তৈরি করতে যাচ্ছে একটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।’শিল্পে রোবট ব্যবহার ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ঘরে বসেই মানুষ এখন তার কারখানা পরিচালনা করতে পারে। এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রও নিয়ন্ত্রণ করছে ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে।তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ রোবটের ব্যবহার মানুষের বেকারত্বের হার আরও বাড়াবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে গবেষকরা। তাদের ধারণা আগামী ১৫ বছরের মধ্যে রোবটের ব্যবহার প্রায় ৫১ লক্ষ মানুষকে কর্মহীন করবে। এর ভুক্তভোগী সবচেয়ে বেশি হবে নারীরা।এই বছর বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যক্তিটি কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধান কিংবা কোন রাজনীতিবিদও ছিল না। সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল এবার কোরিয়ার তৈরি হুবো রোবটটি। সবাইকে স্মার্ট ফোনে তার সাথেই সবচেয়ে বেশি ছবি তুলতে দেখা গেছে ।প্রযুক্তির অতিরিক্ত আধুনিকায়নের একটা পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও রয়েছে। অর্থনৈতিক ফোরামের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, শিল্পক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার উন্নত এবং অনুন্নত অর্থনীতিতে আরও দূরত্ব তৈরি করবে।অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩ সালের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছিল, যদি শিল্পে সম্পূর্ণভাবে রোবটের ব্যবহার করা হয়, তবে ৪৭ শতাংশ মার্কিন নাগরিকের চাকরি ঝুঁকিতে রয়েছে।

লিঙ্কডইনে প্রতারণায় সুন্দরী মেয়েদের ছবি

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সিমানটেকের গবেষকেরা বলছেন, সুন্দরী মেয়েদের নামে লিঙ্কডইনে প্রোফাইল খুলে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে। লিঙ্কডইনে সাজানো গোছানো চমৎকার প্রোফাইল, সুন্দরী মেয়ের ছবিযুক্ত কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে আমন্ত্রণ পেতে পারেন। এক নজর দেখলেই মনে হতে পারে পেশাদার কোনো নারীর প্রোফাইল। কিন্তু এটি হতে পারে একটি ফাঁদ।

linkedup 2
সম্প্রতি অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিমানটেক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লিঙ্কডইনে ফাঁদ পেতে বসেছে সাইবার দুর্বৃত্তরা। তাঁরা ভুয়া লিঙ্কডইন প্রোফাইল ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ে এবং সেখান থেকে যোগাযোগের তথ্য সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে ওই তথ্য কাজে লাগিয়ে ফিশিং মেইলসহ নানা স্ক্যাম ছড়ায়।
সিমানটেকের অফিশিয়াল ব্লগে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৪০ কোটি মানুষ পেশাদার নেটওয়ার্ক হিসেবে লিঙ্কডইন ব্যবহার করছেন। এই নেটওয়ার্কে থাকা বিভিন্ন পেশার মানুষ বিশেষ করে নিরাপত্তা, তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের পেশাজীবীদের সঙ্গে যুক্ত হতে চায় দুর্বৃত্তরা। এরা আসল লিঙ্কডইন প্রোফাইল থেকে তথ্য নকল করে এবং চাকরিদাতা সেজে নতুন লিঙ্কডইন ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করে।

সিমানটেক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছর থেকে লিঙ্কডইনে ভুয়া অ্যাকাউন্ট বাড়তে শুরু করেছে। লিঙ্কডইনে প্রতারণা ঠেকাতে সিমানটেক লিঙ্কডইনের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে। এ ধরনের ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর ধরনে একটি বিশেষ ধারা দেখা যায়। তারা ভুয়া কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরিদাতা, উদ্যোক্তা বা নিজ প্রতিষ্ঠানের মালিক কিংবা কোনো পেশাদার সুন্দরী নারীর প্রোফাইল-ছবি চুরি করে ব্যবহার করে। গুগলে ছবি অনুসন্ধান কিংবা ছবি খোঁজার সফটওয়্যার ব্যবহার করে সহজেই ভুয়া এসব অ্যাকাউন্টের তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়। ভুয়া অ্যাকাউন্টধারীরা আসল অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য কপি করে এবং যাতে সহজে সার্চ রেজাল্টে দেখায় সে জন্য চেষ্টা চালায়। এ সব ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরির প্রাথমিক লক্ষ্য থাকে ব্যবসায়ীদের নেটওয়ার্কে ঢুকে তথ্য সংগ্রহ করা।
লিঙ্কডইন অ্যাকাউন্টে কাউকে যুক্ত করার আগে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সিমানটেক। অপরিচিত কাউকে লিঙ্কডইনে যুক্ত না করার পরামর্শ গবেষকদের। কোনো অ্যাকাউন্ট আসল না ভুয়া তা নিশ্চিত হয়ে গুগল গিয়ে ছবি সার্চ ও লিঙ্কডইন তথ্য গুগলে অনুসন্ধান চালালেই আসল তথ্য বের হয়ে আসবে।

ফেসবুকে আসছে ডিজলাইক বাটন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে যুক্ত হচ্ছে ‘ডিজলাইক’ বাটন।
জনপ্রিয় এই মাধ্যমটির প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের বরাতে বিবিসি এই তথ্য জানিয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে ফেইসবুকের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত এক প্রশ্নোত্তরপর্বে ৩১ বছর বয়সী জাকারবার্গ বলেন, এই বাটনটি মানুষের সহানুভূতি প্রকাশের একটি মাধ্যম হয়ে উঠবে।

তিনি আরো জানান, পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালুর ‘খুব কাছাকাছি’ রয়েছে ফেইসবুক।

২০০৯ সালে ‘লাইক’ বাটন যুক্ত করার পর থেকে ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের একটি অংশ নিরবচ্ছিন্নভাবে ‘ডিজলাইক’ বাটন যুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে আসছেন।

মঙ্গলবার প্রশ্নোত্তরপর্বে আসা দর্শকদের জাকারবার্গ বলেন, “অনেক বছর ধরেই মানুষ ‘ডিজলাইক’ বাটন চালু করতে বলছেন।”

তিনি আরো বলেন, “সম্ভবত শত শত মানুষের মনে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আজ একটি বিশেষ দিন কারণ আজই আমি প্রকৃতপক্ষে বলতে চাইছি, আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি এবং পরীক্ষামূলক ব্যবহারের খুব কাছাকাছি রয়েছি।”

জাকারবার্গ বলেন, কোনো পোস্টকে হেয় প্রতিপন্ন করার যন্ত্র হিসাবে এটি ব্যবহৃত হোক তা তিনি চান না। তার পরিবর্তে কেউ যখন বেদনা প্রকাশক কোনো পোস্টে লাইক দিতে চাইবেন তখনই ওই ‘ডিজলাইক’ বাটনটি সামনে চলে আসুক।

ফিলাডেলফিয়ার ড্রেক্সেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক এবং অংশগ্রহণমূলক মাধ্যম সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আন্দ্রেয়া ফর্তে বলেন, “আমি ধারণা করি হালকা অসমর্থনসূচক কোনোকিছু প্রকাশে এটি ব্যবহৃত হবে কিংবা মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতিবিষয়ক পোস্টগুলোতে একাত্মতা ও সহমর্মীতা প্রকাশে এর প্রয়োগ হবে।”

চালকহীন গাড়ি আনতে চলেছে গুগল

 

দুই আরোহী নিয়ে রাস্তা দিয়ে নির্দিষ্ট বেগে এগিয়া যাচ্ছে একটি গাড়ি। অথচ পিছনের আসনে দুই আরোহীই ঘুমিয়ে! কী আশ্চর্য! অথচ বাধা কাটিয়ে ঠিক এগিয়ে চলেছে গাড়িটি। এ কি কোনও রূপকথা! না, বাস্তবেও ঠিক এমন ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছেন শহরবাসী। কারণ, খুব তাড়াতাড়ি গুগল বাজারে আনতে চলেছে স্বচালিত একটি গাড়ি।
এর ফলে গাড়ি চালানোর ঝক্কি আর পোয়াতে হবে না। ইতিমধ্যেই গাড়িটি শহরের রাস্তায় চালানোর অনুমোদনও দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার মোটর ভেহিকলস্। ঘণ্টায় ২৫ মাইল বেগে চলতে পারে এই গাড়িটি। এতে ব্রেক, স্টিয়ারিং কোনওটাই নেই। গাড়িতে শুধুমাত্র দুই আরোহীর বসার জায়গা রয়েছে। জিপিএসের মাধ্যমে গাড়িটি চালানো হবে।
এর আগেও গুগল এই গাড়ি বাজারে আনার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তখন পরীক্ষামূলক ভাবে রাস্তায় চালানোর সময়ে দুর্ঘটনা ঘটেছিল।

মোবাইল ফোন লেখাপড়ার জন্যে ক্ষতিকর

স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার পর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল ভালো হয়েছে গবেষণায় দেখা গেছে।

গবেষকরা বলছেন, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার জন্যে বাড়তি সময় পেয়েছেন।

ইংল্যান্ডের চারটির শহরের স্কুলে জরিপ চালিয়ে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স এই সমীক্ষাটি প্রকাশ করেছে।

ফোন নিষিদ্ধ করার আগে ও পরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই মন্তব্য করা হয়েছে।

এছাড়াও দেখা গেছে, যেসব স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেসব স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল অন্যান্য স্কুলের তুলনায় ৬% ভালো।

গবেষকরা বলছেন, স্বল্প আয়ের পরিবারের ছেলেমেয়েদের উন্নতি হয়েছে সবচে’ বেশি।

ব্রিটেনে ৯০ শতাংশেরও বেশি কিশোর কিশোরী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে।

গবেষকরা বলছেন, নতুন নতুন স্মার্ট ফোনের অনেক সুবিধা থাকলেও এসব ফোন শিক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট করে। এতে পড়ালেখারও ক্ষতি হয়।

২০০৭ সালের এপ্রিল মাস থেকে শিক্ষক শিক্ষিকাদের বৈধ অধিকার ছিলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জিনিসপত্র জব্দ করা। তবে মোবাইল ফোনের ব্যাপারে সরকারি নীতিতে কিছু বলা ছিলো না।

একেকটি স্কুল এবিষয়ে একেক ধরনের নীতি গ্রহণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কের মেয়র সম্প্রতি স্কুল প্রাঙ্গণে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর থেকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে অসাম্য কমে আসবে বলে তারা মনে করেন।

কিন্তু গবেষকরা এর সাথে একমত নন।

তারা বলছেন, মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়াতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে বর্ডারলাইন অটিজমে আক্রান্ত হতে পারে শিশুরাঃবলছেন মনোবিদরা

স্মার্টফোন ক্ষতি করতে পারে শিশুদের। এমন আশঙ্কা বরাবরই ছিল বিশেষজ্ঞদের। সম্প্রতি ইয়ান ম্যাকগিলক্রিস্ট নামের এক সাইকিয়াট্রিস্ট দাবি করেছেন ক্রমাগত স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে বর্ডারলাইন অটিস্টিক দেখা দিতে পারে শিশুদের মধ্যে।

ম্যাকগিলক্রিস্টের গবেষণায় উঠে এসেছে ৫ বছরের শিশুদের মধ্যে শারীরিক ভাষা বোঝা ও অনুভূতি প্রকাশের ক্ষমতা আগের প্রজন্মের শিশুদের থেকে উল্লেখজনক ভাবে কমে গিয়েছে।

অক্সফোর্ডের এক সাহিত্যের শিক্ষক জানান, তার এক তৃতীয়াংশ শিক্ষয়ত্রীর মধ্যে অপরের অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা কমে এসেছে। এর কারণ শিশুদের জীবনে অনবরত প্রযুক্তির উপস্থিতিই মনে করছেন তিনি।

আধুনিক পরিবারে বাবা, মায়েরা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় শিশুরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টিভি বা ট্যাবলেটের সামনে অবসর সময় কাটায়। যার ফলেই তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিসর্ডার।

অ্যাপলের কাছে গুগলের দুঃক্ষ প্রকাশ!

গুগল ম্যাপে সংযুক্ত একটি ছবির কারণে অ্যাপলের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে গুগল। ম্যাপে সংযুক্ত ছবিটিতে অ্যানড্রয়েডের একটি মাস্কটকে অ্যাপলের একটি লোগোর ওপর মূত্র বিসর্জন করতে দেখা যাচ্ছে। ছবিটি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির কাছাকাছি অবস্থিত একটি পার্ককে ম্যাপে দেখাতে ব্যবহার করা হয়েছিল।
“ব্যবহারকারীদের তৈরি করা এসব অনুপযুক্ত ছবির কারণে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। ছবিটি সরিয়ে নিতে আমরা কাজ করছি। এ ধরনের ‘বাজে কাজ’ প্রতিরোধ করতে আমাদের দল কাজ করছে”- এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন গুগলের মুখপাত্র মারা হ্যরিস।
গুগল ম্যাপে ব্যবহারকারীরা তাদের পছন্দমত যায়গাকে চিহ্নিত করে নামকরণ ও ছবি যুক্ত করতে পারে। এই সুবিধাটিকে কাজে লাগিয়েই পাকিস্তানের কেউ এই কাজটি করেছিল। সূত্র: দ্য ভার্জ
Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net