শিরোনাম

যুক্তরাজ্য

বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থান ব্রিটিশ এমপিদের সতর্ক করে ইউকে আওয়ামীলীগের চিঠি

লন্ডনঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) সংঘাত এবং সন্ত্রাসের সাথে জড়িত অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ার বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র দলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থানের বিষয়ে ব্রিটিশ এমপিদের সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ।

যুক্তরাজ্য আওয়ামীলগের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ এমপিদের কাছে লিখা চিঠিতে সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে খালেদাকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসতে এবং তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে এমপিদের সহায়তা চাওয়া হয়।

যুক্তরাজ্য আওয়ামীরীগের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ৬৫০ জন এমপির কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত বুধবার পার্লামেন্টের ডাক ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার কাছে এসব চিঠি পৌঁছে দেন আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আহাদ চৌধুরী, লন্ডন আওয়ামী লীগ নেতা আশিকুল ইসলাম আশিক ও ছাত্রলীগের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি সারওয়ার কবির।

চিঠিতে বলা হয়, ‘খালেদা জিয়া বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। চিকিৎসার অজুহাতে তিনি লন্ডনে বসে দেশবিরোদী ষঢ়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্চেন, তাঁর দল বাংলাদেশকে সন্ত্রাসবাদ ও সংঘাতের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশিল করার পায়তারা করছে, মূলতঃ বিএনপি যে গণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে সংঘাদের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে তা ব্রিটিশ এমপিদের অবহিত করতেই এই চিঠি।
(সংবাদ বিজ্ঞপিত)

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখা’র মতবিনিময় সভা

লন্ডনঃ যেখানেই মানবতা লংঘিত হচ্ছে সেখানেই হিউম্যান রাইট কমিশন। বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন জন্মলগ্ন থেকে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। এমন্তব্য লন্ডন সফররত বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট সাংবাদিক ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী’র। তিনি বলেন, সমাজ থেকে অন্যায়, অনিয়ম এবং অবিচার দূর করতে হলে প্রতিটি মানবাধিকার কর্মিকে প্রকৃত সেবার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সেন্ট্রাল লন্ডনের ডামন স্ট্রিটের ফালাহিল কাফে রেস্তোঁরায় বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এমন্তব্য করেন।
তিনি হবিগঞ্জে হিউম্যান রাইটকমিশনের কার্য্যক্রমের বিবরন তুলে ধরে বলেন হিউম্যানরাইট কমিশন হবিগঞ্জ ইউনিট অসহায় ও অতিদরিদ্রদের জন্যে বিনামূল্যে আইনী সেবা চালু করেছে আর এতে এগিয়ে এসেছেন হবিগঞ্জ বারের কয়েকজন আইনজীবি। তিনি বলেন জেলার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি মাসের শেষ শনিবার হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট নিয়মিত সভা করে থাকে। তিনি যুক্তরাজ্যের হিউম্যান রাইট কমিশনের সদস্যদের বাংলাদেশে গেলে হবিগঞ্জ ইউনিট পরিদর্শনের আহবান জানান। বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখার প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আব্দুল আহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী জেনারেল তারাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএইচআরসি‘র ইউরোপীয়ান এম্বেসেডর সহিদুর রহমান, বিএইচআরসি ইংল্যান্ড শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সেক্রেটারী আব্দুল হাফিজ বক্কর, প্রেস সেক্রেটারী সাংবাদিক ফজলুল হক,ইউকে শাখার উপদেষ্টা শাহাব উদ্দিন সাবুল, ইউকে শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা চৌধুরী, কবীর মিয়া , কুতুব উদ্দিন প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল আহাদ চৌধুরী ইউকে এবং ইউরোপে বিএইচআরসি‘র কার্য্যক্রম তুলে ধরে বলেন ইংল্যান্ড এবং ইউরোপে বিএইচআরসি‘র শতাধিক সদস্য কাজ করছেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে ইসরাইলী সেনাবাহিনী কর্তৃক পিলিস্থিনীদের উপর নির্যাতন ও মসজিদে নামাজ আদায় করতে বাধা প্রদানে উদবেগ প্রকাশ করেন।

আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে কনজারভেটিব দলের প্রার্থী তালিকায় মিনা রহমানকে সিলেক্ট করা হয়েছে

লন্ডনঃ বৃটেনের আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে মিনা রহমানকে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী হিসেবে সিলেক্ট করা হয়েছে, গেল ২৭জুলাই কনজারভেটিভ দলের সদর দপ্তর থেকে এক পত্রে মিনা রহমানকে জানানো হয় ওয়েষ্ট মিনিস্টার প্রার্থী তালিকায় তার নাম চূরান্ত করা হয়েছে এবং তাকে এখন থেকে নির্বাচনের জন্যে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। মিনা রহমান ২০১৫ সালে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিব দলের একমাত্র বাঙ্গালী প্রার্থী হিসেবে বার্কিং এন্ড ডাগেনহ্যাম আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। রাজনীতি এবং সমাজ সেবায় বৃটেনের বহু জাতিক সমাজে তার অবদান রয়েছে, রয়েছে সকল মহলে গ্রহন যোগ্যতা। ইষ্ট লন্ডনে বেড়ে উঠা মিনা রহমান বিগত ৩১বছর যাতব এনএইচএস এবং হাউজিং ডিমার্টমেন্টে কর্মরত থেকে কমিউনিটির সেবা করে যাচ্ছেন। এছাড়া বাংলাদেশ উইম্যান নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি নারীদের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। দলের পক্ষ থেকে তাঁকে নির্বাচনের জন্যে প্রস্তুতি নিতে বলায় এবং প্রার্থী হিসেবে মিনা রহমানের নাম চূরান্ত করায় তার নির্বাচনী এলাকার জনগন দলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

A multimedia project to counter extremism Ansar Ahmed Ullah

One Creation, a multimedia performance, created by two artists believe it may be an answer to extremist terrorism. The work challenges conventional reaction to acts of terrorism and demonstrates that we who live in the age of terror are all part of one great connection and have nothing to fear from each other. It offers a solution that requires no action at all, by simply making us aware of the sheer glory of diversity, and the infinite and eternal interconnectedness of all living things.

Music director Gavin Roberts, and visual artist Alice Sielle invited artists and musicians born into different faiths to choose religious or secular texts/poems/songs from their own heritage that illustrated the three subjects of ‘Love of the whole of creation’, ‘Shared humanity’ and ‘Erotic love’.

This first ever event included Ranjana Ghatak of Hindu faith, Tami Tal of Jewish faith, Merit Ariane Stephanos of Christian faith, Avaes Mohammad of Muslim faith and Sikh musicians Harpriet, Harkesh, Simmeron & Akpaljit Kaur and Tarsem Singh Panesar who performed with a video of the related paintings projected at the back of the stage on 26 July at the St. Marylebone Parish Church.
Alice Sielle, the artist who initiated the project said, ‘I thought I would spontaneously combust if I didn’t try to do something about extremism before I died. One Creation grew out of a series of paintings I’ve been working on for a couple of years about the interconnectedness of all living things: that we are all part of one creation and have nothing to fear from each other’. She added, ‘I think peace movements fail because they require action. I would, of course, like to expand One Creation to include atheism, humanism, and every faith,’

বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন ছুটির নোটিশ

আগামী ২২ জুন ২০১৭ (বৃহষ্পতিবার) পবিত্র শব-ই-ক্বদর, ২৩ জুন ২০১৭ (শুক্রবার) জুমাতুল বিদা এবং *২৫-২৬ জুন ২০১৭ (রবিবার-সোমবার) অথবা *২৬-২৭ জুন ২০১৭ (সোমবার-মঙ্গলবার) ঈদ-উলফিতরের দিন ও পরের দিন *(চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল) উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন বন্ধ থাকবে। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি )

লন্ডনে বহুতল ভবনে অগ্নিকান্ড এক বাঙ্গালী পরিবার এখনও নিখোঁজ

লনlondon fire-2্ডন প্রতিনিধিঃ ওয়েষ্ট লন্ডনের লাটিমার রোডের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক বাঙ্গালী পরিবার এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে তাদের আত্মীয়রা জানিয়েছেন। এখনো ২৪ তলা এই ভবনটিতে অসংখ্য মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এর মধ্যে এক বাঙ্গালী পরিবারও নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ পরিবারটি হলো বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজারের বাসিন্দা কমরু মিয়া (৯০) ভবনটির একটি ফ্ল্যাটে স্বপরিবারে বসবাস করতেন। কমরু মিয়াসহ তাঁর স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের সন্ধান পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনরা।

কমরু মিয়ার ভাতিজা চেলসি এলাকার বাসিন্দা আবদুর রহিম বুধবার সংবাদমাধ্যমকে জানান আগুন লাগার পর পরই রাতে তার চাচাত বোনের সঙ্গে তার টেলিফোনে কথা হয়েছিল। তখন তিনি বাঁচার আকুতি জানাচ্ছিলেন।
আব্দুর রহিম বলেন “রাত আড়াইটার দিকে চাচাত বোন হাসনা বেগম (তানিমা) সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। তিনি বলেন তার আকুতি এখনও আমার কানে ভাসে। সে বলছিল, ‘আমরা সবাই এখন বাথরুমে, আমাদের বের হওয়ার কোনো উপায় নেই, দোয়া করেন আমাদের যেন কষ্টে মৃত্যু না হয়’।”আগামী ২৯ জুলাই তানিমার বিয়ের দিন ঠিক ছিল জানিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে রহিম বলেন, “এ নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি ছিল আমাদের। বিয়ের পর বাংলাদেশেও তাদের যাওয়ার কথা ছিল।”তানিমার হবু বর ব্রিটিশ যুবক লেস্টারও অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতে গ্রিনফেল টাওয়ারে ছুটে আসেন বলে জানান রহিম।
মৌলভীবাজারের কৈয়াছড়া গ্রামের ৯০ বছর বয়সী কমরু মিয়া বছর খানেক আগে সপরিবারে গ্রিনফেল টাওয়ারে উঠেছিলেন, অগ্নিকাণ্ডে পর ভবনটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।কমরুর বড় ছেলে আব্দুল হাকিম তার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে এনফিল্ডে আলাদা বাসায় থাকেন। অন্য দুই ছেলে আব্দুল হামিদ, আব্দুল হানিফ ও মেয়ে তানিমা বাবা-মার সঙ্গে থাকেন।তাদের কারও মোবাইল ফোনেই রাত আড়াইটার পর থেকে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে আব্দুর রহিম জানান। রহিম বলেন, “রাত সোয়া ১টার দিকে তানিমার ফোনে আগুন লাগার খবর পাই। গাড়ি নিয়ে ২০ মিনিটের মধ্যে যাই গ্রেনফেল টাওয়ারের সামনে, তখন সেখানে আগুন জ্বলছিল। হাকিমও ততক্ষণে চলে আসে।”এরপর রাত আড়াইটা পর্যন্ত তানিমার সঙ্গে কথা বললেও তারপর থেকে তারসহ অন্যদের ফোন বন্ধ পাচ্ছেন তিনি।হাকিমকে নিয়ে সকাল ৮টা পর্যন্ত ভবনের সামনেই ছিলেন বলে জানান রহিম। পরে দুজনে বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিয়েও স্বজনদের পাননি।পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন জানিয়ে রহিম বলেন, তারাও এখনও কোনো খবর দিতে পারেনি।রহিম বলেন, ওই ভবনটিতে আরও দু-একটি বাঙালি পরিবার থাকেন বলে চাচার কাছে শুনেছিলেন তিনি। তবে কারও সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তিনি জানেন না।আবাসিক ওই ভবনের বাসিন্দাদের বেশিরভাগই আরব ও আফ্রিকান। এযাবত ১২ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়ে পুলিশ, তবে এযাবত ৬৪জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, এদের বেশীর ভাগেরই অবস্থা আশংকাজনক। এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে, পুলিশ জানিয়ে এই ভবনটিতে ছয়শ লোক বাসবাস করতেন।
১৯৭৪ সালে নির্মিত ২৪ তলা এই ভবনে দেড়শর মতো আবাসিক ফ্ল্যাট ছিল। ১৪২ নম্বর ফ্ল্যাটে মৌলভীবাজারের কমরু পরিবার থাকতেন বলে তার স্বজনরা জানান। অন্য দুই বাঙ্গালী পরিবাবের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।

Tulip returns with a big majority Ansar Ahmed Ullah

‘Humbled to be re-elected for my home seat of Hampstead & Kilburn! Thank you all so much for your kind support’ said Tulip Siddiq following her win at the UK general election held on Thursday, 8 June. The results were announced at 4.30 in the morning. She was surrounded by her mother Sheikh Rehana, brother Redwan Siddiq Bobby and sister Azmina Siddiq. In her victory speech, Tulip Siddiq thanked everybody who worked on her campaign, escpecially the Bengali community, who had turned up in large numbers to support her during the campaign. She also thanked the Jewish community for their support. Tulip Siddiq received 34,664 votes defeating her nearest rival C Leyland from the Conservative Party who got 18,904 votes.12

Tulip Siddiq, Prime Minister Sheikh Hasina’s niece, was expected to win with a bigger majority than she did two years ago. In 2015, she polled 23,977 against her Conservative Party rival’s 22,839 in Hampstead and Kilburn constituency in north-west London.

If re-elected she had promised to fight for a sustainable future for the NHS, fight for close links with Europe & also fight for the housing London needs. Tulip Siddiq has worked with the London Mayor Sadiq Khan on his affordable housing deal. She will continue to push for more affordable housing. Tulip Siddiq had finally said during her election campaign, ‘Above all else, a vote for me will be a vote for a strong, local voice. I will always listen to you before I act in Parliament.’

ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচন সমাপ্ত ।। কোন দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করতে পারেনি

লন্ডন প্রতিনিধিঃ সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল ৮জুন রাত দশ ঘটিকায় শেষ হয়েছে ব্রিটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচন। এর পর লন্ডন সময় রাত এগারোটা থেকে আসতে থাকে রিজাল্ট। এপর্যন্ত সর্বশেষ ফলাফল অনুযায়ী ক্ষমতাসীন কনজারভেটিব দল পেয়েছে ৩১৩ টিন আসন, জেরেমী করবিনের নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরুধীদল লেবার পার্টি পেয়েছে ২৬০টি আসন, স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি এসএনপি পেেেয়ছে ৩৫টি, লিবারেল ডেমক্রেট পার্টি পেয়েছে ১২টি অন্যান্য দল পেয়েেেছ ১০টি। হাউজ অব কমন্সে সরকার গঠন করতে হলে অন্তত পক্ষে ৩২৬টি আসনে জয়ী হতে হয়। এখন পর্যন্ত কোন দলই একক সরকার গঠন করার মতো আসন পায়নি। সরকার গঠন করতে হলে কোয়ালিশন করতে হবে। জানা গেছে আজ কোন এক সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ভাষন দেবেন এর পর নির্ধারিত হবে কোনদলের সাথে কোয়ালিশন হচ্ছে। পারসেনটেজ হিসেবে থেরেসামে‘র নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিব দল পেয়েছে ৪৭% এবং লেবার পেয়েছে ৪৩% ভোট।

টিউলিপ সিদ্দিক রুপা হক ও রুশনারা আলী আবারও নির্বাচিত হলেন

মতিয়ার চৌধুরীঃ ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে আবারও টিউলিপ সিদ্দিক, রুপা হক ও রুশনারা আলী নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে রুশনারা আলী তিনবার এবং টউলিপ সিদ্দিক ও রুপা দ্বিতীয় বারের মতো বিজয়ী হয়ে ব্রিটেনের বহুজাতিক সমাজে বাঙালির মুখ উজ্জ্বল করলেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনী, শেখ রেহানা কন্যা টিউলিপ সিদ্দীক দ্বিতীয় বারের মত ব্রিটিশ এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে চারটায় লন্ডনের কেমডেন ভোট গণনা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার টিউলিপকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। ৩৪ হাজার ৬শ ৬৪ ভোট পেয়ে টিউলিপ তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি টোরি দলীয় প্রার্থি ক্লেয়ার লুইজ লিল্যান্ড এর চেয়ে প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে এমপি নির্বাচিত হন। ফল ঘোষণার সময় গণনা কেন্দ্রে টিউলিপের মা শেখ রেহানা, ভাই রেজোয়ান সিদ্দীক ববি, বোন রুপন্থী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফারুক, যুগ্ন সম্পাদক ও টিউলিপের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী ক্যাম্পেইনার আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, মতছির চৌধুরী জনি, জামাল খানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। ফলাফল ঘোষণার পর রিটার্নিং অফিসার ও প্রতিদ্বন্দ্বি

Tulip-2টিউলিপ সিদ্দিক

প্রার্থিদের পাশে নিয়ে টিউলিপ তাঁর প্রতিক্রিয়ায় তার বিজয়ে ব্রিটিশ জনগণের পাশাপাশি বাংলাদেশি তথা সিলেটি কমিউনিটির অবদানের কথা স্মরণ করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের নির্বাচনে প্রথম এমপি হিসেবে হাউস অফ কমন্সে প্রবেশ করেন টিউলিপ সিদ্দিক। পার্লামেন্টে প্রবেশের পর পরই লেবার পার্টির উদীয়মান তারকাখ্যাতি পান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বাংলাদেশের জনকের নাতনী এই ব্রিটিশ এমপি। ব্রিটেনের বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে পার্লামেন্টে তাঁর ঝাঁঝালো বক্তব্য সেরা দশ বক্তার খ্যাতিও এনে দেয় টিউলিপকে।
রোশনারা আলী
এ নিয়ে তৃতীয়বারের মত এমপি হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত লেবার দলীয় প্রার্থী রোশনারা আলী। স্থানীয় সময় ভোড় ৫টায় রিটার্নিং অফিসার রোশনারাকে বিজয়ী ঘোষণা করে বাঙালী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস ও বো’র ফলাফল ঘোষণা করেন। কনজারভেটিভ দলীয় নিকটতম প্রার্থীকে ৩৫হাজার ৩শ ৯৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে আনেন রোশনারা। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৪২হাজার ৯শ ৬৯। নিকটতম কনজারভেটিভ দলীয় প্রার্থী এলেকের প্রাপ্ত ভোট ৭হাজার ৫শ ৭৬।
রূপা হক
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে আবারও এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত লেবার দলীয় প্রার্থী ড. রূপা হক। নিকটতম কমজারভেটিভ দলীয় প্রার্থীকে ১৩ হাজার ৭শ ৬৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে গ্রেটার লন্ডনের ইলিং এন্ড একটন থেকে দ্বিতীয় বারের মত এমপি নির্বাচিত হলেন তিনি। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৭। নিকটতম কনজারভেটিভ দলীয় প্রার্থী পেয়েছেন ১৯ হাজার ২শ ৭২ ভোট।

Rumal Khan appeals to Portsmouth electorate

By Ansar Ahmed Ullah :‘I believe that when we talk about community, that means the whole of the community, not just one group’ said Rumal Khan. He was speaking at a community meeting on Sunday 4 June at the Fratton Community Centre, Fratton, Portsmouth. He added, ‘And that is why I have worked for many years towards greater integration of ethnic minorities in Portsmouth.’ Rumal Khan who was selected by the Labour Party to be the official Labour candidate for Portsmouth North in the June 8th General Election is appealing all to vote for him.

Rumal Khan has lived and worked in Portsmouth for over twenty six years and his family home is in Portsmouth North. His three children have grown up there. He is a small businessman who also works within the community. He has worked for the city council and for voluntary organisations in various community development roles, and currently the vice chair of the Portsmouth Race Equality Network Organisation representing minority ethnic communities.
When asked the reason he joined the Labour Party he said,’ I believe that politics should not be about making schemes which profit from people, but in serving people, in listening to them, in being aware of their needs, and in trying to change things for them for the better.’ He further said, ‘I believe that Labour not only has the needs of people at the heart of their politics, but is also the only caring party with the strength and resolve to carry out these policies.’

One of his campaign priorities are housing so that Portsmouth families can find a permanent home to live in, a home which they can afford and in an environment which is healthy and safe for their children to grow up in. One of his other campaign pledge is education. He wants to increase budget for schools. He believes everyone should have the chance to access free education for life. To improve the life chances of children and enhance the nation’s skills’ in order to thrive and succeed, Rumal Khan believes further education and training is the key.
Passionate about the health service he said National Health Service staff work hard to provide the decent care that we all need at different times in our lives yet money for NHS has been cut to the bone. Labour has policies to ensure that our hospitals, health services and NHS staff get the funding and support they need so desperately.

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net