শিরোনাম

যুক্তরাজ্য

তৃতীয় বাঙ্গালী হিসেবে ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় খেতাব নাইটহুড পেলেন বিচারপতি আখলাকুর রহমান চৌধুরী

লন্ডন প্রতিনিধিঃ বিশ্বকবি রবীনদ্র নাথ ঠাকুর ও স্যার ফজলে হাসান আবেদের পর এবার তৃতীয় বাঙ্গালী হিসেবে ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় নাইটহুড খেতাবে ভূষিত হলেন বিচারপতি আখলাক উর রহমান চৌধুরী। এবছরে মাঝামাঝি সময়ে তিনি প্রথম ব্রিটিশ বাঙ্গালি হিসেবে বৃটেনে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। গেল ২ অক্টোবর থেকে তার এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে এরই মধ্যে পেয়ে গেলেন ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় খেতাব নাইটহুড । এর আগে হাইকোর্টের ডেপুটি বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন আখলাকুর রহমান চৌধুরী।আখলাকুর রহমান চৌধুরী ১৯৯২ সালে ব্যারিস্টারি পাস করে আইন পেশায় যোগ দেন। এ পেশায় থাকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুইজন কুইনস কাউন্সেলের (কিউসি) মধ্যে তিনি একজন। অন্যজন হলেন- ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। ‘কমার্শিয়াল, এমপ্লয়মেন্ট ও ইনফরমেশন ‘ল’ বিশেষজ্ঞ আখলাকুর রহমান চৌধুরী গ্লাসগো ইউনিভার্সিটি থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রিধারী। পরে তিনি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি পান। আইন পেশায় যোগ দেওয়ার পর তিনি দ্রুত উন্নতি করতে থাকেন এবং এক পর্যায়ে শীর্ষ পাঁচ ব্রিটিশ আইনজীবীর তালিকায় চলে আসেন। লর্ড আরভিন অব লেয়ার্গ এবং লর্ড জাস্টিস ইলিয়াসের সঙ্গে আপিল আদালতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। অ্যাটর্নি জেনারেলের ‘এ’ প্যানেলভুক্ত আইনজীবী হিসেবে আখলাকুর রহমান চৌধুরী কিউসি দীর্ঘদিন ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস, মিনিস্ট্রি অফ ডিফেন্স, এইচএমআরসি ও সরকারের অন্যান্য বিভাগে আইন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্রিটিশ তথ্য কমিশনারের কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তথ্য অধিকার ও তথ্য সংরক্ষণ আইন নিয়ে অনেক মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আখলাকুর রহমান চৌধুরীকে ২০১৫ সালে কুইনস কাউন্সেল করে নেওয়া হয়।স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরের বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা স্বনামখ্যাত রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী মরহুম আজিজুর রহমান চৌধুরীর পুত্র আখলাকুর রহমান চৌধুরীর জন্ম হ্যাম্পশায়ারে। আখলাকুর রহমান চৌধুরীর পিতা মরহুম আজিজুর রহমান চৌধুরী ১৯৭১ সালে বৃটেনে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। তাদের আদি নিবাস বৃহত্তর সিলেটের করিমগঞ্জে (এখন ভারতের অংশ) ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর আজিজুর রহমান চৌধুরীর স্বপরিবার বাংলাদেশের জকিগঞ্জে চলে আসেন।আজিজুর রহমান চৌধুরী ১৯৬২ সালে বৃটেনে আগমন করেন। তার দুই পুত্র ও এক কন্যার মধ্যে আখলাকুর রহমান চৌধুরী বড়, তার সন্তানেরা সকলেই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত, একমাত্র কন্যা বৃটেনে এনএইচএসয়ে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। অন্য পুত্র ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদে আসীন রয়েছেন।

লন্ডন আন্ডার গ্রাউন্ড ট্রেনে বোমা হামলা

লন্ডনঃ আজ সকাল আটটা ত্রিশ মিনিটে অফিস আওয়ারে ব্যস্ত সময় নর্থওয়েষ্ট লন্ডনের পার্লমাসগ্রীন আন্ডার গ্রাউন্ড ষ্টেশনে ডিস্ট্রিক লাইনের একটি আন্ডার গ্রাউন্ড টেনে এ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় অন্ততপক্ষে ২৪জন আহত হয়েছেন। ট্রেনটি উইমবিল্ডন থেকে বার্কিং যাচ্চিল। হামলার সাথে কে বা কারা জড়িত তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে মেট পুলিশের ধারনা এটি ইসলামিষ্ট সস্ত্রাসীদের দ্বারা সংঠিত হযেছে। আহত ১৩ জনের অবস্থা আশংকাজন, পুশিল ষ্টেশসটি বন্ধ করে দিয়েছে। সমগ্র এরাকায় চলছে সাড়াশি অভিযান, বোমা হামলায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী ২৫ অক্টোবর

বার্মিংহাম, ৫ সেপ্টেম্বর: যুক্তরাজ্যে বসবাসরত হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে গত ৪ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামের স্মলহিথের স্থানীয় একটিIMG_5814 হলে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী তাহের আহমদ এবং যুগ্মভাবে পরিচালনা করেন স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ ইয়াওর উদ্দিন ও মোঃ আব্দুল বাতেন।IMG_5849
সভায় জানানো হয়, ১৯৭৭ সালে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর এটিই হবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রথম পুনর্মিলনী। পুনর্মিলনীকে সাফল্যমণ্ডিত ও সকলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করার লক্ষে বিগত ১৭ আগস্ট বুধবার বার্মিংহামে এবং ২৩ আগস্ট বুধবার লন্ডনে দুটো সIMG_5825ভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রছাত্রীর আয়োজনে ইনাতগঞ্জের সকল মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উন্মুক্ত পুনর্মিলনী আয়োজনের লক্ষে গত ৪ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা সম্মিলিত হন। সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে অক্টোবর মাসের ২৫ তারিখ বুধবার বার্মিহামে পুনর্মিলনী আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বার্মিংহাInathgonj School 2মের মাল্টিপারপাস সেন্টারে দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত পুনর্মিলনীর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপস্থিত থাকার জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে নিমন্ত্রণ করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ইমরানের কুরআন তেলাওয়াতের পর সভায় বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালিন ছাত্র হেলাল আহমদ খালেদ, মোঃ সিরাজ উদ্দিন, সৈয়দ ইকবাল আহমদ (সৈয়দ আতর আলী) মোঃ নুর আহমদ, মোঃ মঈন উদ্দিন, বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্খি নাসির আহমদ শ্যামল, মোঃ ফিরোজ উদ্দিন, মকবুল খান আমির সহ অন্যান্য ব্যাচের মধ্যে আব্দুল বাতেন, মহিবুর রহমান, মোঃ আব্দুস সোবহান, দেলোয়ার হোসাইন দিপু, মোঃ দিলবার হোসাইন, মোঃ মশিক আলম, জাফর আহমেদ আজিজ, গোলাম কিবরিয়া আনহার, মোঃ জুবায়ের চৌধুরী, রুকুম আহমেদ, কবির হুসেন, আছাবুর রহমান জীবন, শাহিন খান, দিলাওর রহমান চৌধুরী, আব্দুল হালিম, আব্দুল কাইয়ুম, দুলেনূর হাসান, শাহিন আহমেদ, কামাল হোসেন, আক্তার হোসাইন আলী প্রমুখ।
আসন্ন পুনর্মিলনীকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলার লক্ষে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভাকঙ্খিদের সম্পৃক্ত করার জন্য কমিটির প্রত্যেকের ওপর দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থান ব্রিটিশ এমপিদের সতর্ক করে ইউকে আওয়ামীলীগের চিঠি

লন্ডনঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) সংঘাত এবং সন্ত্রাসের সাথে জড়িত অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ার বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র দলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থানের বিষয়ে ব্রিটিশ এমপিদের সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ।

যুক্তরাজ্য আওয়ামীলগের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ এমপিদের কাছে লিখা চিঠিতে সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে খালেদাকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসতে এবং তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে এমপিদের সহায়তা চাওয়া হয়।

যুক্তরাজ্য আওয়ামীরীগের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ৬৫০ জন এমপির কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত বুধবার পার্লামেন্টের ডাক ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার কাছে এসব চিঠি পৌঁছে দেন আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আহাদ চৌধুরী, লন্ডন আওয়ামী লীগ নেতা আশিকুল ইসলাম আশিক ও ছাত্রলীগের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি সারওয়ার কবির।

চিঠিতে বলা হয়, ‘খালেদা জিয়া বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। চিকিৎসার অজুহাতে তিনি লন্ডনে বসে দেশবিরোদী ষঢ়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্চেন, তাঁর দল বাংলাদেশকে সন্ত্রাসবাদ ও সংঘাতের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশিল করার পায়তারা করছে, মূলতঃ বিএনপি যে গণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে সংঘাদের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে তা ব্রিটিশ এমপিদের অবহিত করতেই এই চিঠি।
(সংবাদ বিজ্ঞপিত)

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখা’র মতবিনিময় সভা

লন্ডনঃ যেখানেই মানবতা লংঘিত হচ্ছে সেখানেই হিউম্যান রাইট কমিশন। বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন জন্মলগ্ন থেকে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। এমন্তব্য লন্ডন সফররত বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট সাংবাদিক ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী’র। তিনি বলেন, সমাজ থেকে অন্যায়, অনিয়ম এবং অবিচার দূর করতে হলে প্রতিটি মানবাধিকার কর্মিকে প্রকৃত সেবার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সেন্ট্রাল লন্ডনের ডামন স্ট্রিটের ফালাহিল কাফে রেস্তোঁরায় বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এমন্তব্য করেন।
তিনি হবিগঞ্জে হিউম্যান রাইটকমিশনের কার্য্যক্রমের বিবরন তুলে ধরে বলেন হিউম্যানরাইট কমিশন হবিগঞ্জ ইউনিট অসহায় ও অতিদরিদ্রদের জন্যে বিনামূল্যে আইনী সেবা চালু করেছে আর এতে এগিয়ে এসেছেন হবিগঞ্জ বারের কয়েকজন আইনজীবি। তিনি বলেন জেলার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি মাসের শেষ শনিবার হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট নিয়মিত সভা করে থাকে। তিনি যুক্তরাজ্যের হিউম্যান রাইট কমিশনের সদস্যদের বাংলাদেশে গেলে হবিগঞ্জ ইউনিট পরিদর্শনের আহবান জানান। বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখার প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আব্দুল আহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী জেনারেল তারাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএইচআরসি‘র ইউরোপীয়ান এম্বেসেডর সহিদুর রহমান, বিএইচআরসি ইংল্যান্ড শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সেক্রেটারী আব্দুল হাফিজ বক্কর, প্রেস সেক্রেটারী সাংবাদিক ফজলুল হক,ইউকে শাখার উপদেষ্টা শাহাব উদ্দিন সাবুল, ইউকে শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা চৌধুরী, কবীর মিয়া , কুতুব উদ্দিন প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল আহাদ চৌধুরী ইউকে এবং ইউরোপে বিএইচআরসি‘র কার্য্যক্রম তুলে ধরে বলেন ইংল্যান্ড এবং ইউরোপে বিএইচআরসি‘র শতাধিক সদস্য কাজ করছেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে ইসরাইলী সেনাবাহিনী কর্তৃক পিলিস্থিনীদের উপর নির্যাতন ও মসজিদে নামাজ আদায় করতে বাধা প্রদানে উদবেগ প্রকাশ করেন।

আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে কনজারভেটিব দলের প্রার্থী তালিকায় মিনা রহমানকে সিলেক্ট করা হয়েছে

লন্ডনঃ বৃটেনের আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে মিনা রহমানকে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী হিসেবে সিলেক্ট করা হয়েছে, গেল ২৭জুলাই কনজারভেটিভ দলের সদর দপ্তর থেকে এক পত্রে মিনা রহমানকে জানানো হয় ওয়েষ্ট মিনিস্টার প্রার্থী তালিকায় তার নাম চূরান্ত করা হয়েছে এবং তাকে এখন থেকে নির্বাচনের জন্যে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। মিনা রহমান ২০১৫ সালে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিব দলের একমাত্র বাঙ্গালী প্রার্থী হিসেবে বার্কিং এন্ড ডাগেনহ্যাম আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। রাজনীতি এবং সমাজ সেবায় বৃটেনের বহু জাতিক সমাজে তার অবদান রয়েছে, রয়েছে সকল মহলে গ্রহন যোগ্যতা। ইষ্ট লন্ডনে বেড়ে উঠা মিনা রহমান বিগত ৩১বছর যাতব এনএইচএস এবং হাউজিং ডিমার্টমেন্টে কর্মরত থেকে কমিউনিটির সেবা করে যাচ্ছেন। এছাড়া বাংলাদেশ উইম্যান নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি নারীদের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। দলের পক্ষ থেকে তাঁকে নির্বাচনের জন্যে প্রস্তুতি নিতে বলায় এবং প্রার্থী হিসেবে মিনা রহমানের নাম চূরান্ত করায় তার নির্বাচনী এলাকার জনগন দলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

A multimedia project to counter extremism Ansar Ahmed Ullah

One Creation, a multimedia performance, created by two artists believe it may be an answer to extremist terrorism. The work challenges conventional reaction to acts of terrorism and demonstrates that we who live in the age of terror are all part of one great connection and have nothing to fear from each other. It offers a solution that requires no action at all, by simply making us aware of the sheer glory of diversity, and the infinite and eternal interconnectedness of all living things.

Music director Gavin Roberts, and visual artist Alice Sielle invited artists and musicians born into different faiths to choose religious or secular texts/poems/songs from their own heritage that illustrated the three subjects of ‘Love of the whole of creation’, ‘Shared humanity’ and ‘Erotic love’.

This first ever event included Ranjana Ghatak of Hindu faith, Tami Tal of Jewish faith, Merit Ariane Stephanos of Christian faith, Avaes Mohammad of Muslim faith and Sikh musicians Harpriet, Harkesh, Simmeron & Akpaljit Kaur and Tarsem Singh Panesar who performed with a video of the related paintings projected at the back of the stage on 26 July at the St. Marylebone Parish Church.
Alice Sielle, the artist who initiated the project said, ‘I thought I would spontaneously combust if I didn’t try to do something about extremism before I died. One Creation grew out of a series of paintings I’ve been working on for a couple of years about the interconnectedness of all living things: that we are all part of one creation and have nothing to fear from each other’. She added, ‘I think peace movements fail because they require action. I would, of course, like to expand One Creation to include atheism, humanism, and every faith,’

বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন ছুটির নোটিশ

আগামী ২২ জুন ২০১৭ (বৃহষ্পতিবার) পবিত্র শব-ই-ক্বদর, ২৩ জুন ২০১৭ (শুক্রবার) জুমাতুল বিদা এবং *২৫-২৬ জুন ২০১৭ (রবিবার-সোমবার) অথবা *২৬-২৭ জুন ২০১৭ (সোমবার-মঙ্গলবার) ঈদ-উলফিতরের দিন ও পরের দিন *(চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল) উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন বন্ধ থাকবে। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি )

লন্ডনে বহুতল ভবনে অগ্নিকান্ড এক বাঙ্গালী পরিবার এখনও নিখোঁজ

লনlondon fire-2্ডন প্রতিনিধিঃ ওয়েষ্ট লন্ডনের লাটিমার রোডের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক বাঙ্গালী পরিবার এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে তাদের আত্মীয়রা জানিয়েছেন। এখনো ২৪ তলা এই ভবনটিতে অসংখ্য মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এর মধ্যে এক বাঙ্গালী পরিবারও নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ পরিবারটি হলো বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজারের বাসিন্দা কমরু মিয়া (৯০) ভবনটির একটি ফ্ল্যাটে স্বপরিবারে বসবাস করতেন। কমরু মিয়াসহ তাঁর স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের সন্ধান পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনরা।

কমরু মিয়ার ভাতিজা চেলসি এলাকার বাসিন্দা আবদুর রহিম বুধবার সংবাদমাধ্যমকে জানান আগুন লাগার পর পরই রাতে তার চাচাত বোনের সঙ্গে তার টেলিফোনে কথা হয়েছিল। তখন তিনি বাঁচার আকুতি জানাচ্ছিলেন।
আব্দুর রহিম বলেন “রাত আড়াইটার দিকে চাচাত বোন হাসনা বেগম (তানিমা) সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। তিনি বলেন তার আকুতি এখনও আমার কানে ভাসে। সে বলছিল, ‘আমরা সবাই এখন বাথরুমে, আমাদের বের হওয়ার কোনো উপায় নেই, দোয়া করেন আমাদের যেন কষ্টে মৃত্যু না হয়’।”আগামী ২৯ জুলাই তানিমার বিয়ের দিন ঠিক ছিল জানিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে রহিম বলেন, “এ নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি ছিল আমাদের। বিয়ের পর বাংলাদেশেও তাদের যাওয়ার কথা ছিল।”তানিমার হবু বর ব্রিটিশ যুবক লেস্টারও অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতে গ্রিনফেল টাওয়ারে ছুটে আসেন বলে জানান রহিম।
মৌলভীবাজারের কৈয়াছড়া গ্রামের ৯০ বছর বয়সী কমরু মিয়া বছর খানেক আগে সপরিবারে গ্রিনফেল টাওয়ারে উঠেছিলেন, অগ্নিকাণ্ডে পর ভবনটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।কমরুর বড় ছেলে আব্দুল হাকিম তার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে এনফিল্ডে আলাদা বাসায় থাকেন। অন্য দুই ছেলে আব্দুল হামিদ, আব্দুল হানিফ ও মেয়ে তানিমা বাবা-মার সঙ্গে থাকেন।তাদের কারও মোবাইল ফোনেই রাত আড়াইটার পর থেকে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে আব্দুর রহিম জানান। রহিম বলেন, “রাত সোয়া ১টার দিকে তানিমার ফোনে আগুন লাগার খবর পাই। গাড়ি নিয়ে ২০ মিনিটের মধ্যে যাই গ্রেনফেল টাওয়ারের সামনে, তখন সেখানে আগুন জ্বলছিল। হাকিমও ততক্ষণে চলে আসে।”এরপর রাত আড়াইটা পর্যন্ত তানিমার সঙ্গে কথা বললেও তারপর থেকে তারসহ অন্যদের ফোন বন্ধ পাচ্ছেন তিনি।হাকিমকে নিয়ে সকাল ৮টা পর্যন্ত ভবনের সামনেই ছিলেন বলে জানান রহিম। পরে দুজনে বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিয়েও স্বজনদের পাননি।পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন জানিয়ে রহিম বলেন, তারাও এখনও কোনো খবর দিতে পারেনি।রহিম বলেন, ওই ভবনটিতে আরও দু-একটি বাঙালি পরিবার থাকেন বলে চাচার কাছে শুনেছিলেন তিনি। তবে কারও সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তিনি জানেন না।আবাসিক ওই ভবনের বাসিন্দাদের বেশিরভাগই আরব ও আফ্রিকান। এযাবত ১২ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়ে পুলিশ, তবে এযাবত ৬৪জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, এদের বেশীর ভাগেরই অবস্থা আশংকাজনক। এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে, পুলিশ জানিয়ে এই ভবনটিতে ছয়শ লোক বাসবাস করতেন।
১৯৭৪ সালে নির্মিত ২৪ তলা এই ভবনে দেড়শর মতো আবাসিক ফ্ল্যাট ছিল। ১৪২ নম্বর ফ্ল্যাটে মৌলভীবাজারের কমরু পরিবার থাকতেন বলে তার স্বজনরা জানান। অন্য দুই বাঙ্গালী পরিবাবের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।

Tulip returns with a big majority Ansar Ahmed Ullah

‘Humbled to be re-elected for my home seat of Hampstead & Kilburn! Thank you all so much for your kind support’ said Tulip Siddiq following her win at the UK general election held on Thursday, 8 June. The results were announced at 4.30 in the morning. She was surrounded by her mother Sheikh Rehana, brother Redwan Siddiq Bobby and sister Azmina Siddiq. In her victory speech, Tulip Siddiq thanked everybody who worked on her campaign, escpecially the Bengali community, who had turned up in large numbers to support her during the campaign. She also thanked the Jewish community for their support. Tulip Siddiq received 34,664 votes defeating her nearest rival C Leyland from the Conservative Party who got 18,904 votes.12

Tulip Siddiq, Prime Minister Sheikh Hasina’s niece, was expected to win with a bigger majority than she did two years ago. In 2015, she polled 23,977 against her Conservative Party rival’s 22,839 in Hampstead and Kilburn constituency in north-west London.

If re-elected she had promised to fight for a sustainable future for the NHS, fight for close links with Europe & also fight for the housing London needs. Tulip Siddiq has worked with the London Mayor Sadiq Khan on his affordable housing deal. She will continue to push for more affordable housing. Tulip Siddiq had finally said during her election campaign, ‘Above all else, a vote for me will be a vote for a strong, local voice. I will always listen to you before I act in Parliament.’

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net