শিরোনাম

যুক্তরাজ্য

Tulip returns with a big majority Ansar Ahmed Ullah

‘Humbled to be re-elected for my home seat of Hampstead & Kilburn! Thank you all so much for your kind support’ said Tulip Siddiq following her win at the UK general election held on Thursday, 8 June. The results were announced at 4.30 in the morning. She was surrounded by her mother Sheikh Rehana, brother Redwan Siddiq Bobby and sister Azmina Siddiq. In her victory speech, Tulip Siddiq thanked everybody who worked on her campaign, escpecially the Bengali community, who had turned up in large numbers to support her during the campaign. She also thanked the Jewish community for their support. Tulip Siddiq received 34,664 votes defeating her nearest rival C Leyland from the Conservative Party who got 18,904 votes.12

Tulip Siddiq, Prime Minister Sheikh Hasina’s niece, was expected to win with a bigger majority than she did two years ago. In 2015, she polled 23,977 against her Conservative Party rival’s 22,839 in Hampstead and Kilburn constituency in north-west London.

If re-elected she had promised to fight for a sustainable future for the NHS, fight for close links with Europe & also fight for the housing London needs. Tulip Siddiq has worked with the London Mayor Sadiq Khan on his affordable housing deal. She will continue to push for more affordable housing. Tulip Siddiq had finally said during her election campaign, ‘Above all else, a vote for me will be a vote for a strong, local voice. I will always listen to you before I act in Parliament.’

ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচন সমাপ্ত ।। কোন দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করতে পারেনি

লন্ডন প্রতিনিধিঃ সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল ৮জুন রাত দশ ঘটিকায় শেষ হয়েছে ব্রিটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচন। এর পর লন্ডন সময় রাত এগারোটা থেকে আসতে থাকে রিজাল্ট। এপর্যন্ত সর্বশেষ ফলাফল অনুযায়ী ক্ষমতাসীন কনজারভেটিব দল পেয়েছে ৩১৩ টিন আসন, জেরেমী করবিনের নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরুধীদল লেবার পার্টি পেয়েছে ২৬০টি আসন, স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি এসএনপি পেেেয়ছে ৩৫টি, লিবারেল ডেমক্রেট পার্টি পেয়েছে ১২টি অন্যান্য দল পেয়েেেছ ১০টি। হাউজ অব কমন্সে সরকার গঠন করতে হলে অন্তত পক্ষে ৩২৬টি আসনে জয়ী হতে হয়। এখন পর্যন্ত কোন দলই একক সরকার গঠন করার মতো আসন পায়নি। সরকার গঠন করতে হলে কোয়ালিশন করতে হবে। জানা গেছে আজ কোন এক সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ভাষন দেবেন এর পর নির্ধারিত হবে কোনদলের সাথে কোয়ালিশন হচ্ছে। পারসেনটেজ হিসেবে থেরেসামে‘র নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিব দল পেয়েছে ৪৭% এবং লেবার পেয়েছে ৪৩% ভোট।

টিউলিপ সিদ্দিক রুপা হক ও রুশনারা আলী আবারও নির্বাচিত হলেন

মতিয়ার চৌধুরীঃ ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে আবারও টিউলিপ সিদ্দিক, রুপা হক ও রুশনারা আলী নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে রুশনারা আলী তিনবার এবং টউলিপ সিদ্দিক ও রুপা দ্বিতীয় বারের মতো বিজয়ী হয়ে ব্রিটেনের বহুজাতিক সমাজে বাঙালির মুখ উজ্জ্বল করলেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনী, শেখ রেহানা কন্যা টিউলিপ সিদ্দীক দ্বিতীয় বারের মত ব্রিটিশ এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে চারটায় লন্ডনের কেমডেন ভোট গণনা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার টিউলিপকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। ৩৪ হাজার ৬শ ৬৪ ভোট পেয়ে টিউলিপ তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি টোরি দলীয় প্রার্থি ক্লেয়ার লুইজ লিল্যান্ড এর চেয়ে প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে এমপি নির্বাচিত হন। ফল ঘোষণার সময় গণনা কেন্দ্রে টিউলিপের মা শেখ রেহানা, ভাই রেজোয়ান সিদ্দীক ববি, বোন রুপন্থী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফারুক, যুগ্ন সম্পাদক ও টিউলিপের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী ক্যাম্পেইনার আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, মতছির চৌধুরী জনি, জামাল খানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। ফলাফল ঘোষণার পর রিটার্নিং অফিসার ও প্রতিদ্বন্দ্বি

Tulip-2টিউলিপ সিদ্দিক

প্রার্থিদের পাশে নিয়ে টিউলিপ তাঁর প্রতিক্রিয়ায় তার বিজয়ে ব্রিটিশ জনগণের পাশাপাশি বাংলাদেশি তথা সিলেটি কমিউনিটির অবদানের কথা স্মরণ করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের নির্বাচনে প্রথম এমপি হিসেবে হাউস অফ কমন্সে প্রবেশ করেন টিউলিপ সিদ্দিক। পার্লামেন্টে প্রবেশের পর পরই লেবার পার্টির উদীয়মান তারকাখ্যাতি পান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বাংলাদেশের জনকের নাতনী এই ব্রিটিশ এমপি। ব্রিটেনের বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে পার্লামেন্টে তাঁর ঝাঁঝালো বক্তব্য সেরা দশ বক্তার খ্যাতিও এনে দেয় টিউলিপকে।
রোশনারা আলী
এ নিয়ে তৃতীয়বারের মত এমপি হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত লেবার দলীয় প্রার্থী রোশনারা আলী। স্থানীয় সময় ভোড় ৫টায় রিটার্নিং অফিসার রোশনারাকে বিজয়ী ঘোষণা করে বাঙালী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস ও বো’র ফলাফল ঘোষণা করেন। কনজারভেটিভ দলীয় নিকটতম প্রার্থীকে ৩৫হাজার ৩শ ৯৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে আনেন রোশনারা। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৪২হাজার ৯শ ৬৯। নিকটতম কনজারভেটিভ দলীয় প্রার্থী এলেকের প্রাপ্ত ভোট ৭হাজার ৫শ ৭৬।
রূপা হক
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে আবারও এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত লেবার দলীয় প্রার্থী ড. রূপা হক। নিকটতম কমজারভেটিভ দলীয় প্রার্থীকে ১৩ হাজার ৭শ ৬৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে গ্রেটার লন্ডনের ইলিং এন্ড একটন থেকে দ্বিতীয় বারের মত এমপি নির্বাচিত হলেন তিনি। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৭। নিকটতম কনজারভেটিভ দলীয় প্রার্থী পেয়েছেন ১৯ হাজার ২শ ৭২ ভোট।

Rumal Khan appeals to Portsmouth electorate

By Ansar Ahmed Ullah :‘I believe that when we talk about community, that means the whole of the community, not just one group’ said Rumal Khan. He was speaking at a community meeting on Sunday 4 June at the Fratton Community Centre, Fratton, Portsmouth. He added, ‘And that is why I have worked for many years towards greater integration of ethnic minorities in Portsmouth.’ Rumal Khan who was selected by the Labour Party to be the official Labour candidate for Portsmouth North in the June 8th General Election is appealing all to vote for him.

Rumal Khan has lived and worked in Portsmouth for over twenty six years and his family home is in Portsmouth North. His three children have grown up there. He is a small businessman who also works within the community. He has worked for the city council and for voluntary organisations in various community development roles, and currently the vice chair of the Portsmouth Race Equality Network Organisation representing minority ethnic communities.
When asked the reason he joined the Labour Party he said,’ I believe that politics should not be about making schemes which profit from people, but in serving people, in listening to them, in being aware of their needs, and in trying to change things for them for the better.’ He further said, ‘I believe that Labour not only has the needs of people at the heart of their politics, but is also the only caring party with the strength and resolve to carry out these policies.’

One of his campaign priorities are housing so that Portsmouth families can find a permanent home to live in, a home which they can afford and in an environment which is healthy and safe for their children to grow up in. One of his other campaign pledge is education. He wants to increase budget for schools. He believes everyone should have the chance to access free education for life. To improve the life chances of children and enhance the nation’s skills’ in order to thrive and succeed, Rumal Khan believes further education and training is the key.
Passionate about the health service he said National Health Service staff work hard to provide the decent care that we all need at different times in our lives yet money for NHS has been cut to the bone. Labour has policies to ensure that our hospitals, health services and NHS staff get the funding and support they need so desperately.

লন্ডনে সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত দুই জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ

লন্ডন প্রতিনিধিঃ গেল শনিবার রাতে লন্ডনে সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত দুই জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ পুলিশ। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড জানিয়েছে যে, তাদের মধ্যে একজন পূর্ব লন্ডনের বার্কিং থেকে আগত পাকিস্তানে জন্মগ্রহণকারী খুরাম বাটের (২৭) কথা জানতে পেরেছে পুলিশ এবং এমআই ফাইভ। অন্য হামলাকারীও বার্কিং থেকে আগত মরক্কো-লিবিয়ান রাশিদ রেদওয়ান (৩০)। পুলিশ জানাচ্ছে, রিদওয়ানের পরিচয়ের ব্যাপারে তারা আগে নিশ্চিত ছিলেন না। পেশায় যিনি একজন শেফ রাশিদ ইলখাদার নামে পরিচিত ছিলেন।শনিবার রাতে লন্ডন ব্রিজ ও বারা মার্কেটের ওই হামলায় ৭ জন নিহত ও ৪৮ জন আহত হন। বৃটেনের সাধারণ নির্বাচনের মাত্র চারদিন আগে গত শনিবার রাত দশটা আট মিনিটে লন্ডন ব্রিজে ভিড়ের মধ্যে ভ্যান চালিয়ে দেওয়ার পর ছুরি হাতে সাধারণ মানুষের ওপর চড়াও হয় তিন হামলাকারী। পরে পুলিশের গুলিতে হামলাকারী তিনজনই নিহত হয়।পুলিশের সহকারী কমান্ডার মার্ক রোলি বলেন, “সন্ত্রাসীদের সহযোগীদের পরিচয় ও মদদদাতাদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান চলছে।”তিনি বলেন, বাট এর ব্যাপারে দুই বছর আগ থেকে পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছিল কিন্তু এই হামলার পরিকল্পনার সাথে তার যুক্ত থাকার বিষয়টি পুলিশের অনুসন্ধানে ধরা পড়িনি তখন।এ সন্ত্রাসী হামলার নেটওয়ার্ক সনাক্ত করতে পুলিশ তৎপড় রয়েছে জানায় এ কর্মকর্তা।

লন্ডনে একযোগে তিনস্থানে সন্ত্রাসী হামলা নিহত ৯ আহত ৫০ বৃটেন জুড়ে আতংক

মতিয়ার চৌধুরীঃ গেল রাতে ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে নয় জনে দাড়িয়েছে, আহত হয়েছে পঞ্চাশজনেরও বেশী তবে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। মানচেষ্টার এ্যারিনার জঙ্গি হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই একমাসের ভেতর এটি বৃটেনে দ্বিতীয় সন্ত্রাসী হামলা। গতকাল সন্ত্রাসীরা একযোগে রাজধানী শহর লন্ডনের তিনটি স্থানে ওভাল, লন্ডনব্রীজ এবং ভক্সল এলাকায় হামলা চালায়।

বিবিসি, রয়টার্স ও দ্য গার্ডিয়ানের ভাষ্যমতে ব্যস্ততম এলাকা লন্ডন ব্রিজে, এক ব্যাক্তি বেপরোয়া গতিতে গাড়ী চালিয়ে পথাচারীদের তুলেদেয় একই সময়ে লন্ডন ব্রিজের অদুরে বারা মার্কেট এলাকায় তিনজন সন্ত্রাসী ছুরি হাতে সাধারন মানুষের ওপর হামলা চালায়।আর তৃতীয় ঘটনাটি ঘটেছে ভক্সল এলাকায়। এসব হামলায় ৯ জন নিহত হয়েছেন বলে ব্রিটিশ পুলিশ জানিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে পুলিশের গুলিতে তিন হামলাকারী নিহত হয়েছে, তবে এবিষয়ে পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কয়েকজন পথাচারীরা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, সাদা একটি গাড়ি রাস্তা ছেড়ে ফুটপাতে উঠে পড়ে এবং পথচারীদের চাপা দেয়। ঘটনার পর সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, লন্ডন ব্রিজের ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সন্দেহভাজন আরো তিন হামলাকারীকে খোঁজা হচ্ছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে এই হামলাকে ‘ভয়ঙ্কর ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্বাচনী প্রচার স্থগিত রেখে নিরাপত্তাবিষয়ক কোবরা কমিটির জরুরি বৈঠকে বসছেন।লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, তারা লন্ডন ব্রিজ ও বারা মার্কেটের ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করছে। স্থানীয় অধিবাসী ও পর্যটকদের সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন লন্ডনের মুসলিম মেয়র সাদিক খান।তবে এখন পর্যন্ত কউ এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
গতকালের হামলা নিয়ে মার্চ থেকে শুরু করে বৃটেনে পর পর তিনটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটল। সর্বশেষ গত ২২ মে ম্যানচেস্টারে এ্যারিনায় একটি কনসার্টে আত্মঘাতী হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত ও ১১৬ জন আহত হয়। এর আগে গত ২২ মার্চ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে হাউজ অব কমন্সের সামনে সন্ত্রাসী হামলায় হামলাকারীসহ ৬ জন নিহত ও অন্তত ৫০ জন আহত হয়। মেট্রোপলিটান পুলিশের পক্ষ থেকে লন্ডনের সকল বাসিন্দাকে সতর্কতার সাথে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে। এই সন্ত্রসী হামলার পর বৃটেন জুড়ে আতংক বিরাজ করছে।

ম্যানচেস্টার হামলাকারী সালমান আবেদীর ভিডিও ফুটেজ

সংবাদ ডেস্কঃ ম্যানচেস্টার কনসার্টে আত্মঘাতী হামলাকারী সালমান আবেদীর একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় এক বছর আগে ধারণ করা সে ভিডিওটি করেছিল তার এক প্রতিবেশী। যে ঠিকানায় আবেদীর পরিবার বসবাস করতো সেখানেই ২০১৬ এর জুলাইয়ে ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন তার এক প্রতিবেশী। কী কারণে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে সে কারণটা স্পষ্ট নয়। তবে ভিডিওটি নিয়ে গণমাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে।ভিডিওতে দেখা যায় সালমান আবেদী একটি ময়লার ঝুড়ি বাইরে রেখে যাচ্ছে। এ সময় তার পরনে ছিল লম্বা রেইনকোর্ট, ছোট পাজামা ও পায়ে ছিল স্যান্ডাল।দক্ষিণ ম্যানচেস্টারে যেখানে আবেদীরা বসবাস করতো তাদের প্রতিবেশীদের কয়েকজন তাকে মনে করার চেষ্টা করে। আবেদী ছিল একজন লম্বা ও চিকন যুবক যে প্রায়ই মুসলমানদের ঐতিহ্যগত পোশাক পরতো।
উগ্রপন্থায় কীভাবে জড়িত হলো তা নিয়ে তার এক আত্মীয় বলেন গত বছর ছুরিকাঘাতে এক বন্ধু নিহত হওয়ার পর থেকে হয়তো মনে পরিবর্তন আসে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সে আত্মীয় ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে জানান মুসলমানদের প্রতি ব্রিটেনের বৈষম্যের কারণে ক্ষুব্ধ ছিল ২২ বছর বয়স সালমান আবেদী। আবেদী মনে করতো তার বন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি কারণ সে ছিল মুসলমান।ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া সালমান আবেদী ব্রিটিশদেরকে ‘কাফের’ মনে করতো। লিবিয়ান মা-বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া আবেদী মনে করতো ব্রিটিশরা ‘আরবদের প্রতি বৈষম্যপরায়ণ’। সেই নারী আত্মীয় ইন্ডিপেনডেন্টকে আরও জানান আবেদী আইসিস বা কোন জঙ্গি সংগঠনে জড়িত থাকতে পারেন না। আবেদী ‘একজন অসাধারণ বাচ্চা’ ছিল।

ব্রিটেনের ম্যানচেস্টারে বোমা হামলা: নিহত ১৯ আহত ৫০

সংবাদ২৪ ডেস্ক: ব্রিটেনের ম্যানচেস্টার শহরে একটি পপ কনসার্টে বিস্ফোরণে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছে।
এটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা বলে মনে করছে পুলিশ। অন্তত একটি বিস্ফোরণের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
মার্কিন গায়িকা আরিয়ান গ্রান্দে ম্যানচেস্টার এরিনাতে তার কনসার্ট কেবল শেষ করার পর যখন দর্শকরা উঠে বের হতে শুরু করেন ঠিক তখনই এই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এর পরই ব্যাপক আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন বিস্ফোরণে তিনি কয়েক মিটার দূরে আছড়ে পড়েন।
মাঠের মধ্যেই বহু মানুষকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।
এই কনসার্টে অনেক তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ছিলেন। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে অনেক পরিবার ছিলো।
ম্যানচেস্টার এরিনার কাছেই ভিক্টোরিয়া ট্রেন স্টেশন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
পুলিশ ওই এলাকা থেকে মানুষজনকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে প্রবাসীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই -লন্ডনে আইনমন্ত্রী

মতিয়ার চৌধুরীঃ প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে প্রবাসীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই, শেখ হাসিনার সরকার এমন কোন সিদ্ধান্ত নেবে না যাতে প্রবাসীরা ক্ষতিগ্রস্থ হন। একটি মহল এই বিষয়টিকে নিয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এ মন্তব্য আইন বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের। গতকাল ১৪মে রোববার দুপুরে লন্ডন্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের হল রুমে বৃটেনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাথে প্রস্থাবিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মতবিনিময় কালে আইনমন্ত্রী এমন্তব্য করেন। তিনি বলেন প্রবাসীদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয় এমন কয়েকটি ধারা খসড়া থেকে বাদ দেয়া হবে। আর একারনেই আজকের এই মতাবনিময়। ২০১৫ সালের প্রস্থাবিত দ্বৈত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বৃটেনে বসবাসরত সচেতন নাগরিকবৃন্দ ও প্রবাসীদের কয়েকটি সংগঠন প্রস্থাবিত আইনের কয়েকটি ধারা বাতিলের দাবী জানিয়ে বিভিন্ন সময় লন্ডনস্থ বাংলাদেশে মিশনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও আইন মন্ত্রী বরাবরে স্মরকলিপি প্রদান করে।
আইনটির বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রবাসীদের মতামত ও উদ্বেগের কথা জানতে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এতে প্রবাসীরা আইনটির বিভিন্ন ধারা নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা সরাসরি মন্ত্রীকে জানালে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মতবিনিময সভায় উপস্থিত প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্যে করে আইন মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা একটি বিষয় মনে রাখবেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যরকম। তিঁনি জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন এবং সাধারন জনগনের সেবায় নিজের জীবন বিলিয়ে দিচ্ছেন’। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের জেল থেকে ছাড়া পাবার পর লন্ডন প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে প্রথম এসেছিলেন, তিনি বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রবাসীদের ভোটাধিকার সহ দ্বৈত নাগরিকত্ব দিয়েছিনে। তার কন্যা এমন কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেনা যাতে প্রবাসীরা হয়রানির শিকার হন। আইনমন্ত্রী আনিসুল আরো বলেন বিএনপি-জামাত সরকার কারও সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই একতরফা ভাবে ২০০৫ সালে এই নাগরিকত্ব আইনের এই খসড়া প্রনয়ণ করে, এমনটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে আইন মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আজ সবার সাথে আলোচনা করে, এটাকে কার্যকরী রূপ দিতে যাচ্ছি’। এই আইনে প্রবাসীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার মত এখন আর কোন ধারা নেই। ব্যারিষ্টার আনিসুল হক বলেন, যে ২/১ টি ধারা নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি ছিলো তা বাদ দেয়া হয়েছে’। প্রবাসীদের এই উদ্বেগ লন্ডন হাইকমিশন বিভিন্ন সময় প্রধানমন্ত্রীর অফিস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও তাঁকে জানিয়েছে এমন মন্তব্য করে আইন মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধান মন্ত্রী প্রবাসীদের এই উদ্বেগ আমলে নিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে বারবার আমাদের সাথে কথা বলেছেন, আইনের খসড়া চূড়ান্ত করার আগে লন্ডনে এসে প্রবাসীদের সাথে কথা বলতে আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন। মূলত তাঁর নির্দেশেই আমাদের আজকে লন্ডনের এই মতবিনিময়। আইন মন্ত্রী বলেন, ২০০৫ সালে তৈরী করা নাগরিকত্ব আইনের অনেক ধারাই আমরা বাদ দিয়েছি। প্রবাসী প্রজন্ম সব সময়ই বাংলাদেশের নাগরিক থাকবে, দ্বৈত নাগরিক হতে তাদের কোন বাঁধা নেই। তিঁনি আরো বলেন ‘দ্বৈত নাগরিকত্ব আইন কোন ভাবেই প্রবাসীদের স্বার্থ খর্ব করবে না, শুধুমাত্র প্রজাতন্ত্রের কিছু চাকুরীজীবি ছাড়া’। আইন মন্ত্রী বলেন, বাস্তবতার প্রেক্ষিতেই নাগরিকত্ব আইন প্রয়োজন, আমরা যে ভিত্তি স্থাপন করলাম, তা ভবিষ্যতে বড় কোন পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করার প্রয়োজন হবে না। এ আইন সকল বাংলাদেশী ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের সমঅধিকার দেবে। এ আইনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্পত্তির অধিকার কোন ভাবেই ক্ষুন্ন হবে না ।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি ডাঃ দীপু মনি এমপি, হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন, মিনিষ্টার প্রেস সাংবাদিক নাদিম কাদির,লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের ফাষ্ট সেক্রেটারী মনিরুল ইসলাম কবীর, সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি সুলতান শরীফ, সহসভাপতি জালাল উদ্দিন, সহসভাপতি শামসুদ্দিন মাষ্টার, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীদের সহসভাপতি হরমুজ আলী,সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফারুক, সত্যবাণীর প্রধান সম্পাদক সৈয়দ আনাস পাশা, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সাংবাদিক আনসার আহমদ উল্রাহ, যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক জামাল খান, নাগরিকত্ব আইনে প্রবাসী স্বার্থ বিরোধী ধারার প্রথম প্রতিবাদকারী ডা: জাকি রেজওয়ানা আনোয়ার, ব্যারিস্টার নজির আহমেদ, কমরেড মশুদ আহমেদ, কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব আলাউদ্দিন আহমদ, মাহবুব হোসেন ও আব্দুল কাইয়ুম কয়সর, ব্যারিস্টার এনামুল হক, আলহাজ্ব নাসির আহমদ, ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী,চ্যানেল আই ইউরোপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী শোয়েব, এটিএন বাংলার সিই-ও হাফিজ আলম বক্স, বেতার বাংলার নাজিম চৌধুরী, ব্যারিস্টার অনুকুল তালুকদার ডালটন, বাংলাদেশ সেন্টারের পক্ষে জাহাঙ্গির খান, জাকির হোসাইন, আব্দুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার তাকের চৌধুরী সহ বাংলাদেশী কমউনিটির বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। নাগরিকত্ব আইনের কোন কোন ধারা নিয়ে উদ্বেগ জানালেও নতুন এই প্রস্তাবিত আইনটি সময়ের দাবী বলে এর প্রশংসা করেন মতবিনিময় সভায় আগত প্রবাসী নেতৃবৃন্দ। প্রবাসী নেতৃবৃন্দ লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

“আপনার সন্তানেরাই আপনাকে হত্যা করবে”- বঙ্গবন্ধুকে ফিডেল ক্যাস্ট্রো

মতিয়ার চৌধুরীঃ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের বিশালতা এবং উদারতা নিয়ে নিয়ে বিপ্লবী নেতা ফিডেল ক্যাস্ট্রোর প্রতিটি উক্তি অক্ষরে অক্ষরে প্রতিফলিত হয়েছে, তিনি বলেছিলেন ‘‘আমি হিমালয় দেখিনি বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি’’। আমার এখনও স্পষ্ট মনে আছে ১৯৭৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ৭৩জাতি সম্মেলনে ফিডেল ক্যাস্ট্রো বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে জানতে চেয়েছিলেন নব্যস্বাধীন বাংলাদেশের সামরিক ব্যবস্থা সম্পর্কে এবং তিনি যুদ্ধ শেষ হবার পর বিরুধীদের হত্যা করেছেন কিনা, উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেছেলিন সবইতো আমার সন্তান আর তাদের হত্যা করার প্রশ্নই আসেনা, তিনি ফিডেলকাষ্টকে আরো বলেছিলেন পাকিস্তান থেকে আমাদের বাঙ্গালী সামরিক অফিসারদের ফিরিয়ে এনেছি তারাই ডিফেন্স সহ দেশ পূনর্গঠনে কাজ করবে। উত্তরে ফিডেল কাষ্ট বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন তা হয়না আমি বিপ্লবের পর সাড়ে চার হাজারেরও অধিক বিরুধীকে হত্যা করেছি। বঙ্গবন্ধু ফিডেল কাষ্টকে বলেছিলেন আমার পক্ষে হত্যা সম্ভব নয় এরাতো আমারই সন্তান। আমার বেশ মনে পড়ে তাৎক্ষনিক ফিডেল কাষ্ট বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন আপনার সন্তানেরাই আপনাকে হত্যা করবে। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ফিডেল কাষ্টের উক্তিটির প্রতিফলন আমরা দেখতে পেলাম ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। এ মন্তব্য প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর। গতকাল ১২ মে শুক্রবার বিকেলে পূর্ব লন্ডনের লন্ডনের মাইক্রো বিজনেন্স সেন্টারে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের মিনিস্টার প্রেস সাংবাদিক নাদিম কাদিরের লিখা ‘‘ মুক্তিযুদ্ধ:অজানা অধ্যায়’’ প্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী একথা বলেন। তিনি বলেন, আজও আমরা মুক্তিযুদ্ধের একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস পাই নি, স্বাধীনতা পরবর্তিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিএনপি যেমন বিকৃত করেছেন আওয়ামী লীগও করেছে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান নাদিম কাদির রচিত আমাদের মুক্তিযুদ্ধ : অজানা অধ্যায় গ্রন্থটি একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিবেকর নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে লিখা। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হলে নাদিম কাদিরের এই গ্রন্থটি গ্রহণযোগ্য। লেখক বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের প্রতি যে আনুগত্য দেখিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ব্রিটেনের প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র সাপ্তাহিক জনমত সম্পাদক নবাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক সায়েম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত প্রকাশনা অনুষ্ঠনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন, গ্রন্থের উপর আলোচনায় অংশ নেন সাবেক প্রেস মিনিস্টার সাংবাদিক কলামিস্ট সৈয়দ বদরুল আহসান, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাহাস পাশা, সাংবাদিক লেখক ইসহাক কাজল। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে সঙ্গীত পরিবেশন করেন ড. শ্যামল চৌধুরী, মোস্তাফা কামাল মিলন।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net