শিরোনাম

যুক্তরাজ্য

Foysol Choudhury for Edinburgh South West

By Ansar Ahmed Ullah : Foysol Choudhury MBE is standing as an MP Candidate for Edinburgh South West at the general election on 8th June. He said, ‘I am particularly keen to enable rights and well-being of the South West Edinburgh residents. Therefore, a safe and fair society is vital. I will work to establish these rights for everyone. I’m determined to follow labour values and win the seat back taking upon legacy from my predecessors, Alistair Darling who had served the constituents many years’.Foysol Chy with Jeremy Corbyn

Foysol Choudhury moved with his family to Edinburgh over thirty five years ago. During the course of his education he had to take over the small business of his father, being the eldest amongst his siblings. Outside his attention to his family and work in the business, Foysol Choudhury is a very active member of the community and plays a leading role in several charities.
Foysol Choudhury has worked with the City of Edinburgh Council, other Councils of the Lothians and the Scottish Parliament to promote and protect the rights of anyone who needed his help. He was very active in the recent independence referendum. Although Foysol Choudhury is aware of important political issues such as Brexit and the impact it may have in Scotland, he believes that local issues are of primary importance and has worked tirelessly to address these to the benefit of all members of the community.

He is also a resourceful fundraiser and has worked on several successful fundraising campaigns, raising funds for St Colomba’s Hospice, Leukaemia & Cancer appeals, Sick Kids appeal, British Heart Foundation, Cycling for Refugees and many others. In recognition of his services to the community, Foysol Choudhury was awarded an MBE in New Year’s Honours list of 2004.

বৌদ্ধ পূর্ণিমা ও পবিত্র ই-বরাত উপলক্ষে ১০ এবং ১২ মে বাংলাদেশ হাইকমিশন বন্ধ

লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আগামী ১০মে ২০১৭ বুধবার বৌদ্ধ পূর্নিমা এবং ১২ই মে ২০১৭ শুক্রবার পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন বন্ধ থাকবে। যথারীতি ১৫ মে ২০১৭ সোমবার থেকে হাইকমিশনের সকল সেবা পাওয়া যাবে। -সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

উদীয়মান তারকা টিউলিপ সিদ্দিকের মত পরিশ্রমী তরুণ নেতৃত্ব বৃটেনের জন্য খুবই প্রয়োজন ——–লন্ডন মেয়র সাদিক খান

লন্ডন : ‘লেবার পার্টির উদীয়মান তারকা টিউলিপ সিদ্দিকের মত পরিশ্রমী তরুণ নেতৃত্ব বৃটেনের জন্য খুবই প্রয়োজন’। বৃটেনের বহু সাংস্কৃতিক,ঐতিহ্য ও ভাবমূর্তী ঠিকিয়ে রাখতে লেবার নেতৃত্বের বিকল্প নেই। এমন্তব্য লন্ডন মেয়র সাদিক খানের।বৃটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে কিলবার্ন ও হ্যামস্টেড আসনের লেবার দলীয় কেন্ডিডেট জাতির জনকের নাতনি টিউলিপ সিদ্দিকের নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্টানিক ভাবে উদ্বোধন করতে গিয়ে লন্ডন মেয়র সাদিকে এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন টউলিপ আমার বন্ধূ, ‘নেতৃত্ব তৈরীতে পার্লামেন্টে প্রয়োজন তরুণ, পরিশ্রমী ও মেধাবী এমপি। টিউলিপ হবেন তাদেরই একজন’।
গতকাল দুপুরে নির্বাচনী এলাকা হ্যামস্টেড ও কিলবার্নে আসনের কেমডেন থিয়েটারের সামনে লন্ডন মেয়র সাদির খানকে সাথে নিয়ে তিনি তাঁর আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন টউলিপ, এসময় তাঁর সাথে ছিলেন মা শেখ রেহানা, স্বামী ক্রীস পার্সি, মেয়ে আজালিয়া সিদ্দিক, বোন আজমিনা সিদ্দিক রপন্থি, ব্রেন্ট কাউন্সিলের মেয়র পারভেজ আহমেদ, ক্যাম্পেইন টিম সদস্য মতছির চৌধুরী জনি, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, আলী আকবর চৌধুরী, রাজনীতিক অধ্যাপক আবুল হাশেম, জালাল উদ্দিন, মারুফ চৌধুরী, আব্দুল আহাদ চৌধুরী ও জামাল খান প্রমূখ। tulip=3

আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে গিয়ে টিউলিপ বলেন, ‘হ্যামস্টেড-কিলবার্ণের সাথে আমি ঋণী। এই এলাকার জনগনের সাথে আমার সম্পর্ক এমপি ছিলাম বা আবারও এমপি হবো এর উপর নির্ভর করেনা। আমি আমৃত্যু এই এলাকার জনগনের সাথেই থাকতে চাই’। হ্যামস্টেড-কিলবার্নের সাথে তাঁর শৈশব, কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে টিউলিপ বলেন, ‘জন্ম নিয়েছি এখানে, বড় হয়েছি এখানে, এদের পাশেই থাকতে চাই’।tulip-2

সুখ-দু:খে এই এলাকার মানুষকে সবসময় পাশে পেয়েছি,। এই এলাকার মানুষের ভালোবাসার বদৌলতে পার্লামেন্টে বসার সুযোগ পেয়েছি, এই ঋন শোধ করার নয়’। টিউলিপ বলেন, ‘পাঁচ বছরের জন্যে হ্যামস্টেড-কিলবার্নের জনগণ অনেক আশা করে দায়িত্ব দিয়ে আমাকে পার্লামেন্টে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু পুরো মেয়াদ আমি পুরন করতে পারিনি। ফলে স্বাস্থ্য সেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগনের অধিকার সুরক্ষায় পার্লামেন্টে যে সংগ্রাম শুরু করেছিলাম, তা কিছুটা হোঁচট খেয়েছে’। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘এই হোঁচট কাটিয়ে উঠতে আমার এলাকার জনগন আবারও লেবারের পেছনে ঐক্যবদ্ধ হবেন, এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস’। ব্রিটেনের ক্রমাবনতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি রুখতে লেবার সরকারের বিকল্প নেই এমন মন্তব্য করে সদ্য সাবেক এই লেবার এমপি । তিনি বলেন ‘ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক বিশ্বে ব্রিটেনের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে হলে লেবার পার্টির বিকল্প নেই।

Altab Ali Day observed

By Ansar Ahmed Ullah : Altab Ali’s tragic, senseless and racially motivated murder in a park that now bears his name, helped mobilise a profound, heartfelt and energetic anti-racism movement said Mayor John Biggs. He was speaking at the annual Altab Ali Day on Thursday 4 May, 6pm at Altab Ali Park. The Commemorative Ceremony started with a minute silence followed by brief addresses by community activists.4

The Tower Hamlets Executive Mayor John Biggs went on to say that it was important to commemorate the life, and untimely death of Altab Ali in 1978 and to celebrate the anti-racist movement to promote community cohesion. Others who addressed the gathering were Md Nazmul Quaunine, High Commissioner for Bangladesh, Shafiqur Rahman Chowdhury from the Altab Ali Foundation and Rafique Ullah, General Secretary of Altab Ali Trust. They said anti-racism movement engaged both the Bengali and wider communities resulting in a high profile stand against hatred and intolerance.

Prior to the speeches floral wreaths from various organisations were laid at the Shahid Minar. Poetry readings in memory of Altab Ali was recited poet by Shamim Azad and David Lee Morgan.

Altab Ali Foundation’s Vice Chair Nooruddin Ahmed commented, ‘On the 39th anniversary of the racist killing of Altab Ali we remember him and all other victims of racism. We are also here to pledge our stand against all forms of hate crime’.

এবছর টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের উদ্যোগে পালিত হচ্ছে আলতাব আলী দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক: এবছরও দ্বিতীয়বারের মতো নানান কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলর উদ্যোগে পালিত হচ্ছে আলতাব আলী দিবস। ১৯৭৮ সালের ৪ মে, পূর্ব লন্ডনের এডলার স্ট্রীটে বর্ণবাদীদের নিহত হন বাঙ্গালী তরুন আলতাব আলী। তার স্মরনে প্রতিবছর বৃটেনের বাঙালী কমি্নিটি দিবসটি পালন করে আসলেও গেল বছর থেকে স্থানীয় কাউন্সিলের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবছর দিবসটি উপলক্ষে কাউন্সিল সহ বিভিন্ন সংগঠনের নানা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন, আলোচনা সভা এবং চিত্র প্রদর্শনী।
টাওয়ার হ্যামলেটস এর নির্বাহী মেয়র জন বিগস ৪ মে আলতাব আলীর নামে করা পার্কে অবস্থিত শহীদ মিনারের বেদীতে ফুল দিয়ে আলতাব আলীর প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা জানাবেন। উল্লেখ্য যে, বাঙ্গালী যুবক আলতাব আলী ১৯৭৮ সালের ৪ মে, পূর্ব লন্ডনের এডলার স্ট্রীটে বর্ণবাদীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন। এই বর্ণবাদী হত্যাটি ব্রিটেন জুড়ে তখন আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো। পরবর্তীতে তার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য হত্যাকান্ডের নিকটবর্তী সেন্ট মেরিস পার্কের নাম বদল করে রাখা হয় আলতাব আলী পার্ক। ২০১৫ সালে মেয়র নির্বাচনের সময় লেবার দলীয় প্রার্থী জন বিগস ঘোষনা দিয়েছিলেন তিনি নির্বাচিত হলে ৪ মেম্ব কে আলতাব আলী দিবস ঘোষনার পাশাপাশি একে কাউন্সিলের উদ্যোগে পালন করা হবে। নির্বাচিত হয়ে মেয়র জন বিগস তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন এবং এবছর দ্বিতীয়বারের মতো কাউন্সিলের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হতে যাচ্চেছ।
মেয়র জন বিগস এ উপলক্ষে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, আলতাব আলীর নির্মম হত্যাকান্ড এবং একে কেন্দ্র করে জেগে উঠা আন্দোলন আমাদের বারার ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। সেদিনের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন প্রমাণ করেছিলো ইস্ট এন্ডে বর্ণবাদ, বৈষম্য এবং ঘৃণার কোন স্থান নেই। প্রায় ৪০ বছর হয়ে গেলেও এই ঘটনার ত্পার্য এখনো বিদ্যমান। দিবসটিতে আমরা শুধু আলতাব আলীকেই স্মরণ করিনা, আমরা বর্ণবাদকেও ঘৃণা জানাই। এবছর আলতাব আলী দিবসের কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে, ৪ মে সন্ধ্যা ৬ টায় আলতাব আলী পার্কে মেয়র এবং বিভিন্ন সংগঠন কতৃক পুস্পস্তবক অপর্ন, সংক্ষিপ্ত বক্তব্য এবং কবিতা আবৃত্তি। এছাড়া একই দিন থেকে কাউন্সিলের উদ্যোগে কবি নজরুল সেন্টারে শুরু হবে মাসব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী। প্রদর্শনী চলবে ৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত।

জুলি বেগম টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল সিভিক এওয়ার্ড পেলেন

লন্ডনঃ কমিউনিটিতে বিশেষ অবদান রাখায় টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল এবছর হেল্থ সার্ভিস, হাউজিং, সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বারার ১১ জন নাগরিককে সিভিক এওয়ার্ড ২০১৭ প্রদান করেছে। গত ২৭ এপ্রিল মালবারি প্লেসে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার কাউন্সিলার খালিছ উদ্দিন সম্মানীত নাগরিকদের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন। এসময় এওয়ার্ডপ্রাপ্তদের আত্মীয় স্বজনসহ বাবার বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বছর যারা বিভিন্ন ক্যাটাগনিতে এওয়ার্ড লাভ করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন জুলি বেগম, ফিলিপ গ্রিন, নূরুল ইসলাম, আফসানা ইসলাম, ইউসুফ কামালী। স্পিটালফিল্ড এলাকা থেকে স্বাধীনতা ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট কমিউনিটি এক্টিভিস্ট জুলি বেগমকে এওয়ার্ড প্রাপ্তির জন্যে মনোনীত করেন তার বন্ধু সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মী আনসার আহমদ উল্লাহ। কিশোর বয়স থেকে জুলি বেগম বিভিন্ন ভাবে কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ১৯৮৬ সাল থেকে একজন ইয়ুথ ওয়ার্কার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়া তিনি শরণার্থিদের জন্যেও কাজ করেছেন। বর্তমানে জেফরি মিউজিয়ামে কর্মরত রয়েছেন তিনি। জুলি বেগম সিভিক এওয়ার্ড লাভ করার তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাংবাদিক গবেষক মতিয়ার চৌধুরী।

Altab Ali Day

by Ansar Ahmed Ullah: Bengali community, anti-racist activist and Tower Hamlets Council will observe Altab Ali Day on Thursday 4 May to mark a day of permanent commemoration in recognition of the death of Altab Ali.

The 1970s saw the rise of far right National Front and a constant stream of racist attacks. The terrible murder of young leather garments worker Altab Ali in Adler Street, Whitechapel in 1978 marked a turning point and the Bengali and other communities rallied together as part of the growing, vocal and defiant anti-racism movement.

Altab Ali Day is now a poignant and important date in the annual calendar on which to commemorate the life and untimely death of this young man. It pays tribute to the legacy of tolerance and unity and the stance against fascism that resulted from this crime.

Altab Ali Day will consist of a wreath laying, poetry readings and speeches from invited dignitaries. The event takes place from 6pm. Tower Hamlets Mayor John Biggs said, ‘Altab Ali’s murder and the subsequent demonstrations was a tragic but important moment in our borough’s history. The united community response showed that people in the East End will not tolerate division, discrimination and bigotry. Nearly forty years on and that message of community cohesion and of residents of all backgrounds standing united against racism is just as relevant.’

Other events related to Altab Ali Day include an exhibition organised by Tower Hamlets Council, Images of Resistance, which opens at the Kobi Nazrul Centre on 4 May and runs until 4 June. The show contains work created during and after 1978 by three local artists; Paul Trevor, Phil Maxwell and Tom Learmonth. It documents the strength of feeling at the time and the power of photography to capture this pivotal moment in the history of the East End. On Friday 5 May, the Osmani Centre in Underwood Road will host a book launch at 6.45pm for ‘Racist Murder of Altab Ali’ edited by Nobab Uddin which has been organised by Janomot and supported by the Altab Ali Foundation. There will also be a film screening of the play The Altab Ali Story at the London Bengali Film Festival on 20th May at a venue in Tower Hamlets.

লন্ডনে বড় দু’টি সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করেছে ব্রিটিশ পুলিশ : আটক ৩

সংবাদ২৪নিউজ: চব্বিশ ঘন্টার ব্যবধানে বড় ধরনের দু’টি সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা নস্যাৎ করেছে ব্রিটিশ পুলিশ। উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের উইলসডেনের একটি বাড়িতে পুলিশী অভিযান চলাকালে এক নারী গুলিবিদ্ধ হয়। এ অভিযানে আটক করা হয় মোট ছয় জনকে। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি সক্রিয় সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করা হয়েছে। তারও কিছুক্ষণ আগে বৃটিশ পার্লামেন্টের কাছ থেকে ছুরিধারী এক লোককে আটক করা হয়। সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী গোয়েন্দাদের এক অভিযানের অংশ হিসেবে তাকে আটক করা হয়। ওই লোকটিও ছুরি দিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালাতে চেয়েছিল বলে দাবি করছে পুলিশ। একই দিন ঘটলেও পুলিশ বলছে দুই ঘটনার মধ্যে কোন স¤পর্ক নেই। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে বলা হয়, পার্লামেন্টের কাছে আটককৃত ছুরিধারী ব্যাক্তির বয়স ২৭ বছর। তাকে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী হিসেবে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন তিনি ঘটনাস্থলে দু‘টি ছুরি পড়ে থাকতে দেখেছেন। এর মধ্যে একটি বড় ছুরি। ওই লোককে জোর করে পুলিশ মাটিতে ফেলে নিরস্ত্র করে। মেট্রোপলিটন পুলিশ বলেছে, এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
অপরদিকে উইলসডেনের দ্বিতীয় অভিযানে গুলিবিদ্ধ ওই নারীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই তদন্ত চলছিল। তার অবস্থা গুরুতর, তবে স্থিতিশীল। কর্মকর্তারা বলেছেন, এই অভিযানের সঙ্গে পার্লামেন্টের কাছে এক সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে আটকের সঙ্গে স¤পর্কিত নয়। পুলিশ বলেছে, উইলেসডেনের যে বাড়িতে এক নারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সেই বাড়িটি আগে থেকেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিল। পুলিশের অভিযানে ১৬ এবং ২০ বছর বয়সী দুই পুরুষ ও নারীকে আটক করা হয়। ৪৩ বছর বয়সী এক নারীকে কেন্ট থেকে আটক করা হয়। উইলেসডেনের বাড়িটিতে পরে আরও এক পুরুষ ও নারী ফিরে এলে তাদেরকেও আটক করা হয়। তাদের উভয়ের বয়স ২৮ বছর। মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ সহকারী কমিশনার নিল বসু বলেন, আমরা গতকাল যেই গ্রেপ্তারগুলো করেছি, তার ফলে আমি মনে করি যে, তাদের হুমকি আমরা নস্যাৎ করেছি। সাংবাদিকদের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশ একটি সক্রিয় সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে।
অপরদিকে পার্লামেন্টের কাছ থেকেও এক সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে ছুরি সমেত আটক করেছে পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কিছুটা দূরেই এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে অবশ্য এদিন ডার্বিশায়ার ও লিডসে নির্বাচনী প্রচারাভিযানে ব্যস্ত ছিলেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, আমাদের পুলিশ, গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সতর্ক রয়েছে, যেমনটা তারা সবসময়ই থাকে।’ বিবিসির স্বরাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিবেদক জুন কেলি বলেন, এটি বোঝা যাচ্ছে যে, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সন্ত্রাসবাদবিরোধী কমান্ডের নেতৃত্বাধীন চলমান এক অভিযানের অংশ হিসেবেই এই লোককে আটক করা হয়। আগে থেকেই তথ্য ছিল কর্মকর্তাদের কাছে। হোয়াইট হলের কাছে এলেই ওই লোককে কর্মকর্তারা চেক করেন ও গ্রেপ্তার করেন। একজন বিদেশী পর্যটক গোটা ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন। তিনি বলেন, সন্দেহভাজনকে বেশ শান্ত মনে হচ্ছিল। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, লোকটি চিৎকার করছিল না। আক্রমণাত্মক আচরণ করছিল না। পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কার্যালয়ের গোয়েন্দারা তাদের তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন। এই গ্রেপ্তারের পর আর কোন জ্ঞাত হুমকি নেই।’ উল্লেখ্য, মার্চের ২২ তারিখ বৃটিশ পার্লামেন্টের কাছে ছুরিধারী এক ব্যাক্তি গাড়ি দিয়ে পিষে ও ছুরিকাঘাত করে কয়েকজনকে হত্যা করেন। পরে পুলিশের গুলিতে ওই সন্ত্রাসী নিহত হয়।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে গোলাগুলি।।পুলিশ কর্মকর্তা ছুরিকাহত

লন্ডন, ২২ মার্চ: হাউস অব কমন্সের অধিবেশন চলার সময় ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বাইরে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে এক আততায়ী। পরে ওই আBrit 2ততায়ী পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন। Brit Parএদিকে অপর এক খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বাইরে এক আততায়ী ছুরি হাতে হামলার চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশের গুলিতে ওই ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার হাউস অব কমন্সের নেতা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন তিনি প্রচণ্ড আওয়াজ শুনেছেন। এদিকে রয়টার্সের একজন আলোকচিত্রী প্রায় এক ডজন আহত মানুষ তিনি দেখেছেন।

দেশটির পার্লামেন্টের এক কর্মকর্তা জানান, পার্লামেন্টের বাইরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে পার্লামেন্ট ভবন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হাউস কমন্সের অধিবেশন স্থগিত করা হয়েছে। পার্লামেন্ট সদস্যদের নিজ নিজ কার্যালয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েসের মৃত্যুতে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের শোক

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার মিজারুল কায়েসের মৃত্যুতে লন্ডনস্থ বাংংলাদেশ মিশন শোক প্রকাশ করেছে। সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক শোক বার্তায় বলা হয়, অতীব দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন-এর প্রাক্তন হাইকমিশনার মোহাম¥দ মিজারুল কায়েস গত ১০ মার্চ ২০১৭ তারিখ শুক্রবার রাত ৯ঃ০০ ঘটিকায় (বাংলাদেশ সময় ১১ মার্চ ২০১৭, সকাল ৬ঃ০০ ঘটিকা) ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৫৭ বছর। তাঁর মৃত্যুতে মান্যবর হাইকমিশনার মোঃ নাজমুল কাওনাইন এবং হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী গভীরভাবে শোকাহত। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনার জন্য আগামী মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০১৭, বিকাল ০৪ঃ৩০ ঘটিকায় হাইকমিশনের অভ্যর্থনা কক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত শোক সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত শোক সভায় তাঁর সকল শুভাকাক্সক্ষীদের আমন্ত্রন জানানো যাচ্ছে।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net