শিরোনাম

সবুজ বাংলা

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী ২৫ অক্টোবর

বার্মিংহাম, ৫ সেপ্টেম্বর: যুক্তরাজ্যে বসবাসরত হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে গত ৪ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামের স্মলহিথের স্থানীয় একটিIMG_5814 হলে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী তাহের আহমদ এবং যুগ্মভাবে পরিচালনা করেন স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ ইয়াওর উদ্দিন ও মোঃ আব্দুল বাতেন।IMG_5849
সভায় জানানো হয়, ১৯৭৭ সালে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর এটিই হবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রথম পুনর্মিলনী। পুনর্মিলনীকে সাফল্যমণ্ডিত ও সকলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করার লক্ষে বিগত ১৭ আগস্ট বুধবার বার্মিংহামে এবং ২৩ আগস্ট বুধবার লন্ডনে দুটো সIMG_5825ভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রছাত্রীর আয়োজনে ইনাতগঞ্জের সকল মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উন্মুক্ত পুনর্মিলনী আয়োজনের লক্ষে গত ৪ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা সম্মিলিত হন। সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে অক্টোবর মাসের ২৫ তারিখ বুধবার বার্মিহামে পুনর্মিলনী আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বার্মিংহাInathgonj School 2মের মাল্টিপারপাস সেন্টারে দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত পুনর্মিলনীর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপস্থিত থাকার জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইনাতগঞ্জ এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে নিমন্ত্রণ করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ইমরানের কুরআন তেলাওয়াতের পর সভায় বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালিন ছাত্র হেলাল আহমদ খালেদ, মোঃ সিরাজ উদ্দিন, সৈয়দ ইকবাল আহমদ (সৈয়দ আতর আলী) মোঃ নুর আহমদ, মোঃ মঈন উদ্দিন, বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্খি নাসির আহমদ শ্যামল, মোঃ ফিরোজ উদ্দিন, মকবুল খান আমির সহ অন্যান্য ব্যাচের মধ্যে আব্দুল বাতেন, মহিবুর রহমান, মোঃ আব্দুস সোবহান, দেলোয়ার হোসাইন দিপু, মোঃ দিলবার হোসাইন, মোঃ মশিক আলম, জাফর আহমেদ আজিজ, গোলাম কিবরিয়া আনহার, মোঃ জুবায়ের চৌধুরী, রুকুম আহমেদ, কবির হুসেন, আছাবুর রহমান জীবন, শাহিন খান, দিলাওর রহমান চৌধুরী, আব্দুল হালিম, আব্দুল কাইয়ুম, দুলেনূর হাসান, শাহিন আহমেদ, কামাল হোসেন, আক্তার হোসাইন আলী প্রমুখ।
আসন্ন পুনর্মিলনীকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলার লক্ষে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভাকঙ্খিদের সম্পৃক্ত করার জন্য কমিটির প্রত্যেকের ওপর দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

নবীগঞ্জে ৫’শ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য দপ্তর এর আয়োজনে গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। ২০১৭/১৮ আর্থিক সালে রাজস্ব খাতের আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে প্রায় ৫’শ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকতা শাহ মোঃ এনামুল হক, উপজেলা পরিষদের চেয়্যারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজিনা সারোয়ার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী, জেলা পরিষদের মেম্বার আব্দুল মালিক, নবীগঞ্জ থানার ও সি এস এম আতাউর রহমান, মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম, মোঃ তানজিমুল ইসলাম, মোঃ রাশেদুজ্জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আমিনুর রহমান চৌধুরী সুমন, প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার, যুবলীগ নেতা সুমন আহমদ প্রমুখ। এ সময় উপজেলা পুকুরে, উপজেলা হাসপাতাল পুকুর, নবীগঞ্জ সরকারি কলেজ পুকুরসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

নবীগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামি গ্রেফতার

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নে আলোচিত কসবা গ্রামের ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামি ছালেহ আহমদের পুত্র পারভেজ মিয়া (৩০)-কে গ্রেফতার করেছে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ । জানান যায়, গত রবিবার রাতে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ীর এস আই ধর্মজিৎ সিনহা একদল পুলিশ নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কসবা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন। নবীগঞ্জ থানার মাধ্যমে তাঁকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এস আই ধর্মজিৎ সিনহা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

বৃহত্তর কাজিটুলা প্রবাসী ইউকের সভা অনুষ্ঠিত

লন্ডন, ৫ জুলাই:  যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেট শহরের বৃহত্তর কাজিটুলার প্রবাসীদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। Imranগত ৩ জুলাই সোমবার বিকেলে পূর্ব লন্ডনের স্থানীয় এক রেষ্টুরেন্টে বৃহত্তর কাজিটুলা প্রবাসী ইউকের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন হিরক চৌধুরী। সামসুদ্দিন বাবলুর পরিচালনায় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। শাহরীন ইসলামকে আহবায়ক এবং মীর জসিম উদ্দিন জিলহাদকে সদস্য সচিব করে ৪৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আর এ চৌধুরী, মোঃ ফয়সল আহমদ, এনামুল হক, আফসর আহমদ,এলিছ খাঁন, শাহ জামাল হোসেন টিপু ,সোহেল আহমদ, শাহ কামাল হোসেন দিপু, সুজাদ আহমদ, আমিনুল হক মাসুম, মোঃ আশরাফুর রহমান, ওয়াহিদুর রহমান নাবেদ, ওমর শরীফ বাদশা, মোঃ আমিন খছরু ইমন, মনসুর আহমদ রুবেল, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, রাজিব আহমদ, মীর জসিম উদ্দিন জিলহাদ, আব্দুস ছালিম জাদীদ, মোঃ আতিকুর রহমান আতিক, আশরাফ আহমদ টিপু, হাসনাত আবুল কালাম, মীর জামাল উদ্দিন জালেক, নুরুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ সামাদ, বুলবুল আহমদ ,লাহিন আহমদ, আজিজুল আম্বিয়া সজিব, মিলাদ আহমদ, আবুল হায়াত মাসুম, ইকবাল আহমদ, শাকিল আহমদ ,শাহ নজরুল হোসেন শিপু , সজিব আহমদ প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আতিকুর রহমান চৌধুরী পাপ্পু, তোফায়েল বাছিত তপু, আব্দুর রাজ্জাক রোকন, মোহনুজ্জামান চৌধুরী, জাবেদ কাদির, জাবেদ আহমদ, নাসিম আহমদ প্রমুখ।
আহবায়ক কমিটি আহবায়ক শাহরীন ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক, আফসর আহমদ, সামসুদ্দিন বাবলু, মোঃ আশরাফুর রহমান, মনসুর আহমদ রুবেল, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, সদস্য সচিব মীর জসিম উদ্দিন জিলহাদ, সদস্যরা হলেন আর এ চৌধুরী, মোঃ ফয়সল আহমদ, সোহেল আহমদ, শাহ কামাল হোসেন দিপু, সুজাদ আহমদ, আমিনুল হক মাসুম, মোঃ আশরাফুর রহমান, ওয়াহিদুর রহমান নাবেদ, ওমর শরীফ বাদশা, মোঃ আমিন খছরু ইমন, আব্দুল জব্বার খান পাপ্পা, রাজিব আহমদ, মীর জসিম উদ্দিন জিলহাদ, আব্দুস ছালিম জাদীদ, মোঃ আতিকুর রহমান আতিক, আশরাফ আহমদ টিপু, হাসনাত আবুল কালাম, মীর জামাল উদ্দিন জালেক, নুরুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ সামাদ, লাহিন আহমদ, আজিজুল আম্বিয়া সজিব, মিলাদ আহমদ, আবুল হায়াত মাসুম, ইকবাল আহমদ, সজিব আহমদ, নুর আহমদ ফয়সল, নিজাম উদ্দিন ফরহাদ, আরিফ আহমদ জাবেদ, রুম্মান আহমদ, আব্দুল মুনিম চৌধুরী, আবুল মহসিন চৌধুরী।

নবীগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যানদের উন্নয়ন সমন্বয় সভা বর্জন

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা:নবীগঞ্জ ৮নং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজু আহমদ চৌধুরী ও তার সহোদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলিনা পারভীন কর্তৃক ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা জিডি এন্ট্রির প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নবীগঞ্জ উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা বর্জন করেছেন ১৩ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা সদস্যবৃন্দ। সভায় তাঁরা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অপসারণসহ জিডি এন্ট্রি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। এর মধ্যে মিথ্যা জিডি প্রত্যাহার করা না হলে আইনশৃংখলা কমিটির সভা বর্জনসহ কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। পরে তাৎক্ষনিকভাবে উন্নয়ন সমন্বয় সভা স্থগিত করেন কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী। এদিকে আগামী শনিবার এ ঘটনার পরিপেক্ষিতে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ এক জরুরি সভার ডাক দিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা হলরুমে নবীগঞ্জ উপজেলা মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের এমপি এম, এ মুনিম চৌধুরী বাবু। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজিনা সারোয়ার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনসহ সকল সদস্য। সভার শুরুতেই নবীগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি মোঃ ইজাজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুর রহমান মুকুল বক্তব্য রাখেন। তারা বক্তব্যে বলেন, নবীগঞ্জ ৮নং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজু আহমদ চৌধুরী ও তার সহোদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলিনা পারভীন কর্তৃক ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা জিডি এন্ট্রি করেছেন। তাঁর দায়েরকৃত জিডি এন্ট্রি ৪৮ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহার করা না হলে উন্নয়ন সমন্বয় সভা, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা বর্জন অব্যাহত রাখবেন বলে জানান। তারা এই বলে সভা বয়কট করে সভাস্থল ত্যাগ করেন। এর পর ১৩ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্যাগণ সভাস্থল বর্জন করে চলে আসেন। পরে তারা উপজেলা চেয়ারম্যানের রুমে সবাই আবার এক সভায় মিলিত হন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, উ্পজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান, ইমদাদুর রহমান মুকুল, এড.জাবিদ আলী, বজলুর রশিদ, আশিক মিয়া, আবু সিদ্দিক, নজরুল ইসলাম, মুহিবুর রহমান হারুন, সত্যজিত দাশ, আলী আহমদ মুসা, আবু সাঈদ এওলা, ছাঈমুদ্দিন, সাজু আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।
উল্লেখ্য যে, গত ৩১ মে রাতে নবীগঞ্জ উপজেলা সদর ৮নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজু আহমদ চৌধুরী ও তার সহোদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলিনা পারভীন হুমকির অভিযোগে জিডি এন্ট্রি করেন। এরপর নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ফুঁসে উঠে উপজেলার রাজনৈতিক মহলসহ সুশীল সমাজের লোকজন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলিনা পারভীন এর অপসারণ দাবি করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা একাধিক স্ট্যাটাস দেন।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা উন্নয়ন সম্বনয় কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, চেয়ারম্যানগণ উন্নয়ন সমন্বয় সভা বর্জন করার কারণে আমি সভা স্থগিত করেছি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। মিথ্যা জিডি এন্ট্রি প্রত্যাহার করা না হলে চেয়ারম্যানগণ উন্নয়ন সমন্বয় ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় যোগদান করবেন না এবং ঐ কর্মকর্তার অপসারণ গণদাবি করেছেন ।
নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলিনা পারভীন সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ব্যাপারে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

দক্ষিণ ছাতক উপজেলার দাবিতে লন্ডনে সভা

লন্ডন: দক্ষিণ ছাতক উপজেলা বাস্তবায়নের লক্ষে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত দক্ষিণ ছাতকবাসীদের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার পূর্ব লন্ডনের দারুল উম্মার কেয়ার সেন্টারে আয়োজিত সভা ব্যারিস্টার শাহ মিজবাহউর রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ সানাউর আলী কয়েস, মনসব আলী জেপি, জামাল উদ্দিন মকদ্দুস, চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল গনি, সাবেক পুলিশ ইন্সপেক্টর আহবাব মিয়া, আজমল মশরুর, কাউন্সিলার শহীদ আলী, মকবুল আলী, কাউন্সিলর শাহ  আলম, নরুল ইসলাম এমবিই, মো: গয়াছুর রহমান, ফারুক আহমদ, বদরুজ্জামান শামীম, আইয়ুব করম আলী, আব্দুল মালিক কুটি, আমিরুল হক জমীর, আব্দুল জালিল, হেলাল মিয়া, ছয়ফুলর আলম সুফিয়ান, জাকির হোসেন সেলিম, আব্দুল মালিক, আনোয়ার হুসেন, জরিপ উল্লাহ, আব্দুল হান্নান, হাফিজ, ছরোয়ার হোসেন সুজন, সবুজ মিয়া, ফজুলুর রহমান, এডভোকেট আমিরুদ্দিনস, মুফতি লুৎফুর রহমান, হাফিজ মাওলানা ওয়াহিদ সিরাজী, মো: মজির, শাহজাহান শামীম, ইসহাক আলী, আব্দুল মছাব্বির আলী, সরাব আলী, ফারুক মিয়া, আবরুজ আলী, আবুল হোসেন রফিক, আবুল খয়ের, মফিজুর রহমান, আক্তার মিয়া, মমতাজ আলী, জগম্বর আলী প্রমুখ।
ছাতক উপজেলার সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের দক্ষিণাংশে সব কয়টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হবে দক্ষিণ ছাতক উপজেলা- বক্তারা সভায় এ দাবি জানান। বক্তারা এও দাবি করেন সব দিক বিবেচনা করে উপজেলার স্থান নির্ধারণ করা হবে। নতুন উপজেলার নামকরনের ব্যাপারে কোন আপোষ করা  যাবে না। নাম হবে দক্ষিন ছাতক উপজেলা। দক্ষিন ছাতকের এটা প্রানের দাবী, যৌক্তিক দাবী। অবেহেলিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্যযোগাযোগ, তথা সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রেী করনের মাধ্যমে দক্ষিন ছাতকবাসী উপজেলা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ। এদাবী আদায়ে যুক্তরাজ্য বসবাসরত বাংলাদেশের সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এ দাবী আদায়ে সবাইকে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে বলে জানান বক্তারা।
এ কর্মসূচীকে বাস্তবায়নের লক্ষে সকলের সম্মতিক্রমে জামাল উদ্দিন মকদ্দসকে আহবায়ক, সানাউর আলী কয়েস, ব্যারিষ্টার মিসবাউর রহমান, আহবাব মিয়াকে যুগ্ম আহবায়ক করে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
আহবায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন মনচব আলী জেপি, চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল গনি, আলতাফুর রহমান মোজাহিদ, সাবেক ডেপুটি মেয়র শহীদ আলী, মাষ্টার রুস্তম আলী, গয়াছুর রহমান গয়াস, মো: ফজল উদ্দিন, নুরুল ইসলাম এমবিই, মুজিবুর রহমান মুজিব, ফারুক আহমেদ, বদরুজ্জামান শামীম, আব্দুল মালিক কুটি, মো: মজির, আতাউর রহমান আঙ্গুর মিয়া, মো: মকবুল আলী, আমিরুল হক জমির, আব্দুল মোছব্বির, এডভোকেট আমির উদ্দিন, মাস্টার আব্দুল হাফিজ, আব্দুল হান্নান, মো: জরিপ উল্লাহ, আবাব মিয়া, এমদাদুল হক, মিঠু চৌধুরী, রফিক হায়দার, কাউন্সিলার মাহবুব আলম মামুন, মো: মকসুদ আহমদ, আব্দুল আলিম, মো: মোশাহিদ আলী, মো: রুহুল আমিন, সাবেক কাউ: আব্দাল উল্লাহ, মো: ইসহাক আলী, আব্দুল জলিল, হেলাল মিয়া, সফিকুল বারী মাখন, নুর মিয়া, লিলু মিয়া তালুকদার, সয়ফুল আলম সুফিয়ান, জাকির হোসেন সেলিম, আনোয়ার কামাল দুলাল, শাহজাহান শামীম, আসাব আলী, মুজিবুর রহমান মুজিব, আব্দুল হান্নান ত্বকীপুর, আশিকুল ইসলাম আশিক, বাতির আলী, আবুল খয়ের, আব্দুল হান্নান, লিলু মিয়া, সুরাব আলী মেম্বার, আবরুছ আলী, ফারুক মিয়া, গয়াছ আলী, মো: নুরুদ্দিন, সবুজ মিয়া, আল মো: নুর, মো: মজির উদ্দিন, আবুল হোসেন রফিক, ফজলুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া চুনু, তাহেরুল ইসলাম, হারুন রশিদ, তফাজ্জল হোসেন, ফজর আলী সত্তার, সফিজুর রহমান, মন্তাজ আলী, দিলবর আলী, আনসার মিয়া, তারিস আলী, মুফতি লুৎফর রহমান, হাফিজ মাওলানা ওয়াহিদ সিরাজী, মো: আব্দুল মালিক ওল্ডহাম, শেখ আলফু মিয়া, মাওলানা আক্তার ফারুক, বশির আহমদ, মো: আমÍর আলী, মো: শোয়েব মিয়া তালুকদার, মো: নজরুল ইসলাম সাবেক কাউন্সিলার, মো: রমিজ উদ্দিন, আব্দুল কাদির, দিলাল হোসেন, মো: জহির আলী, মঞ্জুর আহমদ, নজরুল ইসলাম আসলমী, হুসেন আহমদ, ছরোয়ার হোসেন সুজন, আব্দুল খালিক, আনোয়ার হোসেন, আলহাজ্ব মাহমুদ আলী, মো: আলকাছ আলী, আলহাজ্ব ইজ্জাদ আলী, আলহাজ্ব শফিক উদ্দিন, মোজম্মিল আলী, নুরুল ইসলাম, মো: আবুল লেইস।

নবীগঞ্জ থানা পরিদর্শনে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা:বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি ফ্রান্সিসকাল রিটভেল্ড নবীগঞ্জ থানা পরির্দশন করেছেন । গতকাল মঙ্গলবার সকালে তিনি নবীগঞ্জ থানায় আসলে থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আতাউর রহমান ফুলেল তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের এ এস পি রাসেলুর রহমান ও অফিসার ইনর্চাজের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় থানার সেকেন্ড অফিসার মোবারক আলী, এস আই আবুল খয়ের, এস আই পলাশ চন্দ্র দাশ উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারে জুমার নামাজে বনানীর ধর্ষকদের মুক্তি ও আপন জুয়েলার্সের জন্য বিশেষ মোনাজাত

চট্টগ্রাম, ১৯ মে: কক্সবাজারের মসজিদে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয় দুই ছাত্রীর ধর্ষণকারীদের মুক্তি ও আপন জুয়েলার্সকে ‘বিপদ’ থেকে রক্ষার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর কক্সবাজারের শহরের বায়তুশ শরফ মসজিদে ধর্ষক ও আপন জুয়েলার্সের জন্য এই মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে এ নিয়ে মুসল্লিদের মাঝে প্রচণ্ড উত্তেজনা দেখা দেয়। কারো অনুমতি না নিয়ে ধর্ষকদের রক্ষার জন্য কেন মোনাজাত করা হলো তা নিয়ে মুসল্লিরা প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। পরে তোপের মুখে বাইতুশ শরফ মসজিদ কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও মসজিদের ইমাম রিদুয়ানুর হক পালিয়ে যান।
ওই মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া আবুল বাশার নামের এক মুসল্লি জানান, নামাজের সময় তিনি একেবারে সামনের সারিতেই ছিলেন। জুমার নামাজ শেষে মসজিদের ইমাম রিদুয়ানুল হক মোনাজাতে রাজধানীর বনানীতে ২ ছাত্রী ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের মুক্তি ও আপন জুয়েলার্সকে বিপদ থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করেন।।
একাধিক মুসল্লি জানান, বাইতুশ শরফ মসজিদ কক্সবাজার শহরের সবচেয়ে বড় মসজিদ। এই মসজিদে কয়েক হাজার মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেন। মোনাজাত শেষ হওয়ার পর ৩ তলা ওই মসজিদের কয়েক হাজারো মুসল্লি চিৎকার শুরু করেন। তারা মসজিদের ইমাম ও কমিটির সভাপতির কাছে এই ধরনের ঘৃণিত কাজের জন্য মোনাজাত কেন করা হয়েছে তা জানতে চান। মুসল্লিরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে ইমাম ও সভাপতি দ্রুত পালিয়ে যায়।
মসজিদের ইমাম রিদুয়ান জানান, জুমার নামাজের পর কার কার জন্য দোয়া করতে হবে তা সভাপতি সিরাজুল ইসলাম কাগজে লিখে দেন। আমি ঐ কাগজ দেখে দোয়া করি।
আবুল মনসুর নামে আরেক মুসল্লি জানিয়েছেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তিনি জামায়াতে ইসলামীর মতাদর্শে বিশ্বাসী। যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি হওয়া জামায়াত নেতা আলী আহসান মুজাহিদের অনুসারী ছিলেন। নানা সময় মসজিদের ভেতরে সিরাজুল ইসলাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে কটূক্তি করেছেন।
এই দিকে জুমার নামাজে মসজিদে ধর্ষক ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য দোয়া চাওয়া নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী ঐ ইমামকে মসজিদে ঢুকতে না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এই ব্যাপারে বাইতুশ শরফ কমপ্লেক্সের সভাপতি সিরাজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মসজিদে ধর্ষক ও আপন জুয়েলার্সের জন্য দোয়া করার কথা স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, মসজিদে যে কারো জন্য দোয়া করতে পারে। এটি অন্যায়ের কিছু না।

ইনাতগঞ্জে ফলমুলের দোকানে অবাধে বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশুসহ হাজার হাজার মানুষ

ইনাতগঞ্জ সংবাদদাতা: হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ বাজারের ফলমুলের পাইকারি বিক্রেতারা অবাধে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করছেন। IMG_0864একটি সূত্র জানায়, ইনাতগঞ্জ বাজারের সব চেয়ে বড় ফল ব্যবসায়ী বীরেন্দ্র রায় এবং তাঁর সহযোগিরা। তাঁদের গুদামে কলা, কাঁঠাল, আমসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল পাইকারি হারে বিক্রি হয়। তাঁর গুদাম থেকে রানিগঞ্জ, কাজিরবাজার, বান্দেরবাজারসহ আশেপাশের সবগুলো বাজারে ফলমুল সরবরাহ করা হয়। সম্প্রতি এক  গ্রাহকের ভিডিওতে দেখা গেছে, বীরেন্দ্র রায় নিঃসঙ্কোচে ও নিশ্চিন্তে একটি লাল রঙের বালতি থেকে গোলাপি রঙের রাসায়নিক তরল একটি বোতলে ভরে তা নিয়ে নিজের গুদামে রক্ষিত কলা, কাঁঠাল ও অন্যান্য ফলের সাRabindraথে মেশাচ্ছেন। ভিডিওটি ইনাতগঞ্জ এলাকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক শেয়ার হয়েছে।

অবৈধ ও বিষাক্ত রাসায়নিক তরল মেশানো ফলমুল ইনাতগঞ্জসহ আশেপাশের বিস্তৃর্ণ এলাকার বাজারগুলোতে বিক্রি হয়। এই ফলমুল খেয়ে যে কোন সময় শিশু, কিশোর কিংবা যে কোন বয়সী মানুষের মারাত্মক রোগ কিংবা মৃত্যুও হতে পারে। ইনাতগঞ্জ এলাকার লোকজন বীরেন্দ্র রায়ের ফলমুলের দোকানে অবৈধ রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ এবং এই অন্যায় কাজে নিয়োজিত থাকার কারণে বীরেন্দ্র রায়ের আইনানুগ বিচার ও শাস্তি দাবি করেছেন।Rabindra Roy সর্বশেষ জানা যায়, সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার পর ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ধর্মজিৎ সিনহা বিষয়টি নিয়ে বাজার কমিটির সাথে আলোচনা করে এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইনাতগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটিকে আহ্বান জানিয়েছেন। ফলে বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগের এই অপকর্ম রোধে আগামী রবিবার কমিটির সভা আহ্বান করা হয়েছে।

লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ নবীগঞ্জবাসীর জুতা মিছল: পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

নবীগঞ্জ, ১৬ মে: ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ নবিগঞ্জ পৌর এলাকাসহ উপজেলার ৩৫৪ গ্রামের সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ এই আছে, এই নেই- এটিই হলো বর্তমান সময়ে নবীগঞ্জের প্রতিদিনের চিত্র। সাধারণ মানুষকে কোন রকম অবগতি ও নোটিশ ছাড়াই সারা দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ও লোডশেডিং করা হচ্ছে। এতে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে উপজেলার সকল মানুষকে। ঘনঘন লোডশেডিং চরম দুর্ভোগে ফেলেছে সাধারণ মানুষকে। লোাডশেডিংয়ের কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই নবীগঞ্জে।
সোমবার রাতে প্রচণ্ড দাবদাহে এমন লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগে পড়ে রাস্তায় নেমে আসেন নবীগঞ্জ পৌর এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা। রাত ৯ টার দিকে শত শত মানুষ জুতা মিছিল নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে রাখে। এক পর্যায়ে জনতা বিদ্যুৎ অফিসকে লক্ষ করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে অফিসের কয়েকটি গ্লাস ভেঙ্গে গেছে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়কে মিছিল দিতে থাকেন, এ অবস্থায় জনতার তুপের মুখে রাত ১১ টার দিকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়।
সুত্রে জানা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম গ্যাস ক্ষেত্র নবীগঞ্জ বিবিয়ানা। এটি বাংলাদেশের গ্যাস চাহিদার মোট ৬০ শতাংশ পূরণ করছে। উত্তোলনকৃত গ্যাস ও বিদ্যুৎ বাংলাদেশের প্রধান জ্বালানীকারক হিসাবে চাহিদা মিটাচ্ছে। বিবিয়ানা গ্যাস উত্তোলনের পাশাপাশি ৯০০ মেগওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র চালু হলে গ্যাস ও বিদ্যুত জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে। গত ২৯ নভম্বের ২০১৪ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবীগঞ্জ আসলে উদ্বোধন করেন বিবিয়ানা ১১ নং গ্যাস কুপ ও পারকুলে ৯০০ মেগোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কুইক রেন্টাল। কিন্তু নবীগঞ্জবাসী পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং ও কম ভোল্টেজ এর কারণে অতিষ্ঠ। নিরবচ্ছিন বিদ্যুৎ এর জন্য বিবিয়ানা গ্রীড সাব স্টেশন স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নবীগঞ্জবাসী।
এদিকে, গেল বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখ নবীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং ও তৎকালিন ডিজিএম এর অপসারণের দাবিতে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র জনতা ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন বিক্ষোভ মিছিল করে পল্লী বিদ্যুতের অফিস ঘেরাও করে ফটকে তালা ঝুলিয়ে রাখে। এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনতা নবীগঞ্জ-কাজিরবাজার রোড প্রায় ২ ঘন্টা সময় অবরোধ করে রাখলে কয়েক শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা ও থানার অফিসার ইনচার্য একদল পুলিশ নিয়ে আন্দোলনকারীদের আলোচনা সাপেক্ষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। এর পর বদলি হয়েছেন সেই ডিজিএম ভজন কুমার বর্মনের কিন্তু উন্নতি হয়নি পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক সেবার।
অপর দিকে গ্রাহকদের অভিযোগ, নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র প্রচন্ড দাবদাহে এমন লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক লক্ষাধীক সাধারণ মানুষ। প্রচন্ড দাবদাহের মধ্যে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং চরম দূর্ভোগে পড়েন উপজেলাবাসী। এমনকি গত তিন বছর যাবৎ লাইন মেরামত করার অজুহাতে সপ্তাহে ২ দিন (শুক্রবার ও শনিবার) সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু কোন কোন দিন রাত ১০ টাও হয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে।
অনেক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে লোডশেডিং হলে আমরা পূর্ব থেকে প্রস্তুত থাকতে পারি। এ অবস্থায় লোডশেডিং চলতে থাকলে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকাই ভালো। লোডশেডিং চরম আকার ধারণ করার ফলে বিপাকে পরেছেন স্কুল কলেজে পড়–য়া শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, খলকারখানার মালিকগন, সংবাদকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। হঠাৎ করে ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ার ফলে সাংবাদিকদের পরতে হয় নানান বিপাকে। সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট সময়ে সংবাদ না পাঠালে তা প্রকাশের উপযোগী হয়না। শুধু সাংবাদিদের নয় ব্যবসায়ীদেরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। যার ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রতি মাসে। তাছাড়া বিদ্যুতের আলোতে পড়াশোনা করে অভ্যস্থ ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারে না। সামান্য বৃষ্টি ও বাতাসের আভাস পেলেই পল্লীবিদ্যুত কর্তৃপক্ষ কোন রকম অবগতি ছাড়াই বিদ্যুত লাইন বন্ধ করে দেয়। বিদ্যুত না থাকার কারন জানতে চেয়ে অফিসে একাধিক বার ফোন করলে রিসিভ করা হয় না আর ফোন রিসিভ করলেও প্রতিদিনই থাকছে কোন না কোন টালবাহান, এমন অভিযোগ গ্রাহক সাধারনের। সাধারণ মানুষ মনে করেন, এই ধরণের সমস্যার জন্য পল্লীবিদ্যুতের নিয়মিত অনিয়ম ও খায়খেয়ালীপনাই দায়ী। এ ব্যাপারে পল্লীবিদ্যুতের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেও কোন প্রতিকার পাননি সাধারন মানুষ।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আব্দুল বারী জানান, নবীগঞ্জের গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য শাহজীবাজার গ্রীড সাব-স্টেশন হতে ৫৪ কিঃ মিঃ দূরে ৩৩ কেভি বৈদ্যুতিক লাইনের মাধ্যমে নবীগঞ্জ উপজেলায় স্থাপিত ১৫ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
একই লাইনের মাধ্যমে নবীগঞ্জ, শায়েস্থাগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচং বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। আন্ডার সাইজের একই লাইনে ৪ উপজেলায় সংযোগ দেয়ায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। ৪ উপজেলার এক লাইন হওয়ায় যে কোন এক উপজেলায় কোন সমস্যা হলে এক যোগে ৪ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়।
ডিজিএম আরো জানান, গত সোমবার রাতে শাহজীবাজার লাইন বন্ধ থাকায় নবীগঞ্জসহ ৬ উপজেলায় বিদ্যুৎ ছিল না এ কারণে উত্তেজিত হয়ে জনতা অফিস ঘেরাও করে গ্লাস ভাংচুর করেছে। তিন বছর ধরে যে সপ্তায় দুদিন বিদ্যুৎ বন্ধ করে কাজ করা হয়, এ কাজ আর কত দিন পর শেষ হবে এমন প্রশ্নের স্পষ্ট কোন জবাব দেননি ডিজিএম।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net