শিরোনাম

সবুজ বাংলা

দীগলবাক ইউনিয়ন ডেভলাপমেন্ট এসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে ইউনিয়নের ২০ প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়াসামগ্রি ও আসবাবপত্র প্রদান

digolbakরাকিল হোসাইন, নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জে দীগলবাক ইউনিয়ন ডেভলাপমেন্ট এসোসিয়েশন ইউকে’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বক্তারা বলেন,আর্থ-মানবতার কল্যাণ ও এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে দীগলবাক ইউনিয়ন ডেভলাপমেন্ট এসোসিয়েশন ইউকে’র (দুদা) ভূমিকা প্রশংসনীয়। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত দীগলবাক ইউনিয়নের শিক্ষিত-সচেতন নবীন-প্রবণেের সমন্বয়ে গঠিত এই সংগঠনটি জন্মলগ্ন থেকে ব্যতিক্রমী কর্মকান্ডের মাধ্যমে সকল মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল দুপুরে ইউনিয়নের রাধাপুর মাদ্রসা মাঠে দূদা ইউকে’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আয়োজিত ইউনিয়নের ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পোর্টস সামগ্রী ও ফার্নিচার প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন । সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদের সিনিয়র সদস্য ব্যক্তিত্ব সিতার মিয়ার সভাপতিত্বে ও এ্যাডভোকেট শাহজাহান সিরাজের সঞ্চালনায় ও মোহাম্মদ রাজন মিয়ার সার্বিক তত্বাবধানে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা শফী মোস্তফা, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল বারিক (রনি), বিশিষ্ট সমাজ সেবী আনহার খান, শিক্ষাবিদ ও সংগঠনের উপদেষ্টা মতিউর রহমান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী সুজাত চৌধুরী, খলিলুর রহমান, শেখ নূরুল আমিন, সিরাজুল হক, ব্যবসায়ী শামীম চৌধুরী, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাদিক, বসই খান, শিক্ষিকা নিলুফা ইয়াসমিন, লাল মিয়া, গোলাম হোসেন, ফখরুল মেম্বার, ফারুক মিয়া প্রমুখ।

Duda

নবীগঞ্জের ৪নং দীগলবাক ইউনিয়নের তিনটি মাধ্যমিক ও ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবছর প্রথম বারের মতো প্রবাসীদের দ্বারা পরিচালিত সংগঠন দীগলবাক ইউনিয়ন ডেভল্যাপমেন্ট এসোসিয়েন ইউকের পক্ষ থেকে আসবাবপত্র ও খেলা সামগ্রী প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- দীগলবাক উচ্চ বিদ্যালয়, বনকাদিপুর আমজদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়, স্বস্তিপুর মতিউর রহমান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, দীগলবাক সুলেমান সরকার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাধাপপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, গালিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজুসুনাইত্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোসেনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাউদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাদে রায়ঘর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহরামপুর (বরমপুর) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জিয়াপুর বাড়িগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঁমার গাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্বস্থিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নূরগাঁও আব্দুর রহিম চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কারখানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দূর্গাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মথুরাপুর সিকন্দর প্রাথমিক বিদ্যালদয়। সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সিতার মিয়া সংগঠনটি প্রতিষ্ঠায় ব্রিটেনে বসবাসরত সর্বস্থরের ইউনিয়নবাসীর পক্ষে আশরাফুজ্জামান (চুনু মিয়া), সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, মরহুম ফজলু মিয়া, ইব্রাহীম খান, ফজলুর রহমান, আতিকুর রহমান লিটন, আব্দুল মতিন (মতিন মিয়া), সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ খোয়াজ আলী খান, আবু সুফিয়ান আহমদ, আবুবকর আহমেদ, মিনহাজুর রহমান, শেখ শামীম আহমদ, শেখ লেলিন, আঙ্গুর মিয়া, শাহরিয়ার খান ও শাহ আশরাফ আলীর কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরন করেন। তিনি বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশে নিয়মিত অনুদান আর্তমানবতার সেবা ও শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করার পেছনে কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য সহ ব্রিনে বসবাসরত দীগলবাক ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকই আন্তরিক। সিতার মিয়া বলেন এলাকাবাসীর সহযোগিতা থাকলে আমরা ইউনিয়ন বাসীর জন্যে এমন কিছু করতে চাই যা দেশের মানুষের জন্যে যুগ যুগ ধরে অনুস্মরনীয় হয়ে থাকবে।

নবীগঞ্জে কালবৈশাখির ছোবল:বৈদ্যুতিক টাওয়ার বিধস্ত, ২৫ হাজার গ্রাহক অন্ধকারে, আহত ১০

 

Baishakhi Jhor

রাকিল হোসেন, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ : নবীগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একটি টাওয়ার বিধ্বস্ত হওয়ায় নবীগঞ্জ উপজেলার প্রায় ২৫ হাজার গ্রাহক অন্ধকারে রয়েছেন। শনিবার রাত প্রায় ৮টায় ঝড়ের কবলে পড়ে বিভিন্ন স্থানে ১০জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়েছেন। বিদে্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পড়ে ১ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। নবীগঞ্জের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। সন্ধ্যারাতে দেড় ঘন্টাব্যাপী চলা ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িঘর, গাছপালা, কাঁচা ঘরবাড়ি, ঘরের চালা, বিদ্যুতের খুঁটিসহ বোরো ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলো হলো- দেবপাড়া, আউশকান্দি, কুর্শি, বড়ভাকৈর পূর্ব, বড়ভাকৈর পশ্চিম, নবীগঞ্জ সদর দেবপাড়া, পানিউমদা, গজনাইপুর, বাউশা, কুর্শি, দীঘলবাক ও ইনাতগঞ্জ। এসব ইউনিয়নে প্রতিটি গ্রামেই ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে যাওয়ায় গোটা উপজেলার সবক’টি গ্রামে ভূতুড়ে অন্ধকার বিরাজিত ছিল। এছাড়া কোন কোন ইউনিয়নে মাঝারি ধরনের শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। ঝড়ের পর উপজেলার গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কিছু কাঁচা ঘর ভেঙ্গে পড়েছে। অনেকের বাড়ি বা দোকানের টিনের চালা উড়ে গেছে। এতে দরিদ্র লোকজন পড়েছেন চরম বিপাকে। এছাড়াও নবীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। নবীগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একটি টাওয়ার বিধ্বস্ত হওয়ায় নবীগঞ্জ উপজেলার প্রায় ২৫ হাজার গ্রাহক অন্ধকারে রয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহাদ মিয়া জানান, হঠাৎ প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়ায় তাদের বহনকারী টমটমটি উড়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়লে তিনিসহ যাত্রীরা আহত হন।নবীগঞ্জ আউশকান্দি বাজার এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওপর পড়লে এক ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এছাড়া বাজারে অনেক দোকান পাট লন্ডভন্ড করে দেয় কাল বৈশাখি। এছাড়া নবীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য দোকানের সাইনবোর্ড ও রাস্তায় স্থাপন করা তোরণ ভেঙ্গে পড়েছে। ঝড়ের আঘাতে জেলার ৩৩ কেভি (৩৩ হাজার) ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বৈদ্যুতিক টাওয়ার বিধস্ত হয়।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোডের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঝড়ে টাওয়ারটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিকল্প পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের চেষ্টা করা হলেও সে লাইনটি কাজ করছে না।
তিনি আরো জানান, জেলার চারটি উপজেলায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল করতে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন ভোর থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তবে কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে তা বলা যাচ্ছে না।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net