শিরোনাম

সবুজ বাংলা

কক্সবাজারে জুমার নামাজে বনানীর ধর্ষকদের মুক্তি ও আপন জুয়েলার্সের জন্য বিশেষ মোনাজাত

চট্টগ্রাম, ১৯ মে: কক্সবাজারের মসজিদে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয় দুই ছাত্রীর ধর্ষণকারীদের মুক্তি ও আপন জুয়েলার্সকে ‘বিপদ’ থেকে রক্ষার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর কক্সবাজারের শহরের বায়তুশ শরফ মসজিদে ধর্ষক ও আপন জুয়েলার্সের জন্য এই মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে এ নিয়ে মুসল্লিদের মাঝে প্রচণ্ড উত্তেজনা দেখা দেয়। কারো অনুমতি না নিয়ে ধর্ষকদের রক্ষার জন্য কেন মোনাজাত করা হলো তা নিয়ে মুসল্লিরা প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। পরে তোপের মুখে বাইতুশ শরফ মসজিদ কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও মসজিদের ইমাম রিদুয়ানুর হক পালিয়ে যান।
ওই মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া আবুল বাশার নামের এক মুসল্লি জানান, নামাজের সময় তিনি একেবারে সামনের সারিতেই ছিলেন। জুমার নামাজ শেষে মসজিদের ইমাম রিদুয়ানুল হক মোনাজাতে রাজধানীর বনানীতে ২ ছাত্রী ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের মুক্তি ও আপন জুয়েলার্সকে বিপদ থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করেন।।
একাধিক মুসল্লি জানান, বাইতুশ শরফ মসজিদ কক্সবাজার শহরের সবচেয়ে বড় মসজিদ। এই মসজিদে কয়েক হাজার মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেন। মোনাজাত শেষ হওয়ার পর ৩ তলা ওই মসজিদের কয়েক হাজারো মুসল্লি চিৎকার শুরু করেন। তারা মসজিদের ইমাম ও কমিটির সভাপতির কাছে এই ধরনের ঘৃণিত কাজের জন্য মোনাজাত কেন করা হয়েছে তা জানতে চান। মুসল্লিরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে ইমাম ও সভাপতি দ্রুত পালিয়ে যায়।
মসজিদের ইমাম রিদুয়ান জানান, জুমার নামাজের পর কার কার জন্য দোয়া করতে হবে তা সভাপতি সিরাজুল ইসলাম কাগজে লিখে দেন। আমি ঐ কাগজ দেখে দোয়া করি।
আবুল মনসুর নামে আরেক মুসল্লি জানিয়েছেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তিনি জামায়াতে ইসলামীর মতাদর্শে বিশ্বাসী। যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি হওয়া জামায়াত নেতা আলী আহসান মুজাহিদের অনুসারী ছিলেন। নানা সময় মসজিদের ভেতরে সিরাজুল ইসলাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে কটূক্তি করেছেন।
এই দিকে জুমার নামাজে মসজিদে ধর্ষক ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য দোয়া চাওয়া নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী ঐ ইমামকে মসজিদে ঢুকতে না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এই ব্যাপারে বাইতুশ শরফ কমপ্লেক্সের সভাপতি সিরাজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মসজিদে ধর্ষক ও আপন জুয়েলার্সের জন্য দোয়া করার কথা স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, মসজিদে যে কারো জন্য দোয়া করতে পারে। এটি অন্যায়ের কিছু না।

ইনাতগঞ্জে ফলমুলের দোকানে অবাধে বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশুসহ হাজার হাজার মানুষ

ইনাতগঞ্জ সংবাদদাতা: হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ বাজারের ফলমুলের পাইকারি বিক্রেতারা অবাধে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করছেন। IMG_0864একটি সূত্র জানায়, ইনাতগঞ্জ বাজারের সব চেয়ে বড় ফল ব্যবসায়ী বীরেন্দ্র রায় এবং তাঁর সহযোগিরা। তাঁদের গুদামে কলা, কাঁঠাল, আমসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল পাইকারি হারে বিক্রি হয়। তাঁর গুদাম থেকে রানিগঞ্জ, কাজিরবাজার, বান্দেরবাজারসহ আশেপাশের সবগুলো বাজারে ফলমুল সরবরাহ করা হয়। সম্প্রতি এক  গ্রাহকের ভিডিওতে দেখা গেছে, বীরেন্দ্র রায় নিঃসঙ্কোচে ও নিশ্চিন্তে একটি লাল রঙের বালতি থেকে গোলাপি রঙের রাসায়নিক তরল একটি বোতলে ভরে তা নিয়ে নিজের গুদামে রক্ষিত কলা, কাঁঠাল ও অন্যান্য ফলের সাRabindraথে মেশাচ্ছেন। ভিডিওটি ইনাতগঞ্জ এলাকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক শেয়ার হয়েছে।

অবৈধ ও বিষাক্ত রাসায়নিক তরল মেশানো ফলমুল ইনাতগঞ্জসহ আশেপাশের বিস্তৃর্ণ এলাকার বাজারগুলোতে বিক্রি হয়। এই ফলমুল খেয়ে যে কোন সময় শিশু, কিশোর কিংবা যে কোন বয়সী মানুষের মারাত্মক রোগ কিংবা মৃত্যুও হতে পারে। ইনাতগঞ্জ এলাকার লোকজন বীরেন্দ্র রায়ের ফলমুলের দোকানে অবৈধ রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ এবং এই অন্যায় কাজে নিয়োজিত থাকার কারণে বীরেন্দ্র রায়ের আইনানুগ বিচার ও শাস্তি দাবি করেছেন।Rabindra Roy সর্বশেষ জানা যায়, সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার পর ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ধর্মজিৎ সিনহা বিষয়টি নিয়ে বাজার কমিটির সাথে আলোচনা করে এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইনাতগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটিকে আহ্বান জানিয়েছেন। ফলে বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগের এই অপকর্ম রোধে আগামী রবিবার কমিটির সভা আহ্বান করা হয়েছে।

লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ নবীগঞ্জবাসীর জুতা মিছল: পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

নবীগঞ্জ, ১৬ মে: ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ নবিগঞ্জ পৌর এলাকাসহ উপজেলার ৩৫৪ গ্রামের সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ এই আছে, এই নেই- এটিই হলো বর্তমান সময়ে নবীগঞ্জের প্রতিদিনের চিত্র। সাধারণ মানুষকে কোন রকম অবগতি ও নোটিশ ছাড়াই সারা দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ও লোডশেডিং করা হচ্ছে। এতে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে উপজেলার সকল মানুষকে। ঘনঘন লোডশেডিং চরম দুর্ভোগে ফেলেছে সাধারণ মানুষকে। লোাডশেডিংয়ের কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই নবীগঞ্জে।
সোমবার রাতে প্রচণ্ড দাবদাহে এমন লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগে পড়ে রাস্তায় নেমে আসেন নবীগঞ্জ পৌর এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা। রাত ৯ টার দিকে শত শত মানুষ জুতা মিছিল নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে রাখে। এক পর্যায়ে জনতা বিদ্যুৎ অফিসকে লক্ষ করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে অফিসের কয়েকটি গ্লাস ভেঙ্গে গেছে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়কে মিছিল দিতে থাকেন, এ অবস্থায় জনতার তুপের মুখে রাত ১১ টার দিকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়।
সুত্রে জানা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম গ্যাস ক্ষেত্র নবীগঞ্জ বিবিয়ানা। এটি বাংলাদেশের গ্যাস চাহিদার মোট ৬০ শতাংশ পূরণ করছে। উত্তোলনকৃত গ্যাস ও বিদ্যুৎ বাংলাদেশের প্রধান জ্বালানীকারক হিসাবে চাহিদা মিটাচ্ছে। বিবিয়ানা গ্যাস উত্তোলনের পাশাপাশি ৯০০ মেগওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র চালু হলে গ্যাস ও বিদ্যুত জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে। গত ২৯ নভম্বের ২০১৪ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবীগঞ্জ আসলে উদ্বোধন করেন বিবিয়ানা ১১ নং গ্যাস কুপ ও পারকুলে ৯০০ মেগোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কুইক রেন্টাল। কিন্তু নবীগঞ্জবাসী পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং ও কম ভোল্টেজ এর কারণে অতিষ্ঠ। নিরবচ্ছিন বিদ্যুৎ এর জন্য বিবিয়ানা গ্রীড সাব স্টেশন স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নবীগঞ্জবাসী।
এদিকে, গেল বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখ নবীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং ও তৎকালিন ডিজিএম এর অপসারণের দাবিতে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র জনতা ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন বিক্ষোভ মিছিল করে পল্লী বিদ্যুতের অফিস ঘেরাও করে ফটকে তালা ঝুলিয়ে রাখে। এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনতা নবীগঞ্জ-কাজিরবাজার রোড প্রায় ২ ঘন্টা সময় অবরোধ করে রাখলে কয়েক শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা ও থানার অফিসার ইনচার্য একদল পুলিশ নিয়ে আন্দোলনকারীদের আলোচনা সাপেক্ষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। এর পর বদলি হয়েছেন সেই ডিজিএম ভজন কুমার বর্মনের কিন্তু উন্নতি হয়নি পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক সেবার।
অপর দিকে গ্রাহকদের অভিযোগ, নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র প্রচন্ড দাবদাহে এমন লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক লক্ষাধীক সাধারণ মানুষ। প্রচন্ড দাবদাহের মধ্যে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং চরম দূর্ভোগে পড়েন উপজেলাবাসী। এমনকি গত তিন বছর যাবৎ লাইন মেরামত করার অজুহাতে সপ্তাহে ২ দিন (শুক্রবার ও শনিবার) সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু কোন কোন দিন রাত ১০ টাও হয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে।
অনেক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে লোডশেডিং হলে আমরা পূর্ব থেকে প্রস্তুত থাকতে পারি। এ অবস্থায় লোডশেডিং চলতে থাকলে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকাই ভালো। লোডশেডিং চরম আকার ধারণ করার ফলে বিপাকে পরেছেন স্কুল কলেজে পড়–য়া শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, খলকারখানার মালিকগন, সংবাদকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। হঠাৎ করে ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ার ফলে সাংবাদিকদের পরতে হয় নানান বিপাকে। সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট সময়ে সংবাদ না পাঠালে তা প্রকাশের উপযোগী হয়না। শুধু সাংবাদিদের নয় ব্যবসায়ীদেরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। যার ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রতি মাসে। তাছাড়া বিদ্যুতের আলোতে পড়াশোনা করে অভ্যস্থ ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারে না। সামান্য বৃষ্টি ও বাতাসের আভাস পেলেই পল্লীবিদ্যুত কর্তৃপক্ষ কোন রকম অবগতি ছাড়াই বিদ্যুত লাইন বন্ধ করে দেয়। বিদ্যুত না থাকার কারন জানতে চেয়ে অফিসে একাধিক বার ফোন করলে রিসিভ করা হয় না আর ফোন রিসিভ করলেও প্রতিদিনই থাকছে কোন না কোন টালবাহান, এমন অভিযোগ গ্রাহক সাধারনের। সাধারণ মানুষ মনে করেন, এই ধরণের সমস্যার জন্য পল্লীবিদ্যুতের নিয়মিত অনিয়ম ও খায়খেয়ালীপনাই দায়ী। এ ব্যাপারে পল্লীবিদ্যুতের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেও কোন প্রতিকার পাননি সাধারন মানুষ।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আব্দুল বারী জানান, নবীগঞ্জের গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য শাহজীবাজার গ্রীড সাব-স্টেশন হতে ৫৪ কিঃ মিঃ দূরে ৩৩ কেভি বৈদ্যুতিক লাইনের মাধ্যমে নবীগঞ্জ উপজেলায় স্থাপিত ১৫ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
একই লাইনের মাধ্যমে নবীগঞ্জ, শায়েস্থাগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচং বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। আন্ডার সাইজের একই লাইনে ৪ উপজেলায় সংযোগ দেয়ায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। ৪ উপজেলার এক লাইন হওয়ায় যে কোন এক উপজেলায় কোন সমস্যা হলে এক যোগে ৪ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়।
ডিজিএম আরো জানান, গত সোমবার রাতে শাহজীবাজার লাইন বন্ধ থাকায় নবীগঞ্জসহ ৬ উপজেলায় বিদ্যুৎ ছিল না এ কারণে উত্তেজিত হয়ে জনতা অফিস ঘেরাও করে গ্লাস ভাংচুর করেছে। তিন বছর ধরে যে সপ্তায় দুদিন বিদ্যুৎ বন্ধ করে কাজ করা হয়, এ কাজ আর কত দিন পর শেষ হবে এমন প্রশ্নের স্পষ্ট কোন জবাব দেননি ডিজিএম।

ইনাতগঞ্জে লন্ডন প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ৭লক্ষ টাকার মালামাল লুট

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা: নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জে লন্ডন প্রবাসী জিতু মিয়ার বাড়িতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘঠিত হয়েছে । ডাকাতদল নগদ টাকা স্বর্ণালংকার,ঘরের আসাবা পত্র সহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় । জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াই টার সময় উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের রমজানপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী জিতু মিয়ার বাড়ির কলাপসিবল গেইটের তালা ভেঙ্গে ৭/৮ জনের মুখোশধারী ডাকাতদল দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ডাকাতদল দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ঘন্টাব্যাপি লুটপাট চালায়। ডাকাতরা ৪টি স্টিলের আলমারি ভেঙ্গে নগদ ৩লক্ষ টাকা,৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, বিদেশী কাপড়সহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায় । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে । উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে ইনাতগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক হারে চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দিনে ৮/৯টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। সর্ব শেষ ডাকাতির ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নগদ, সহায়তা আগামী মওসুমে বিনামূল্যে বীজ সার -হাওর এলাকা পরিদর্শনে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ

বিশেষ প্রতিনিধি: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শনে এসে শাল্লায় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন হাওরে বাঁধ নির্মাণে“কারও যদি কোনো গাফলতি থাকে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”বন্যায় ফসলহানীর সুযোগ নিয়ে কেউ যদি দেশের বাজারে খাদ্যশস্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নগদ সহায়তার পাশাপাশি আগামী মওসুমের জন্য বিনামূল্যে বীজ আর সার দেওয়া হবে। মৎস্যজীবী ও কৃষকদের ঋণের সুদের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে। গো-খাদ্যের যেন অভাব না হয়, সে ব্যবস্থাও সরকার নেবে। একটা লোককে না খেয়ে মরতে দেব না। যা করার করব,” বলেন শেখ হাসিনা। গতমাসের শেষ দিকে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের বিস্তীর্ণ হাওর এলাকা তালিয়ে যায়। দূর্বল ও অসমাপ্ত বাঁধ ভেঙে প্লাবন ও ফসলহানির পেছনে বাঁধ নির্মাণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের দূর্নীতিকে দায়ী করে ঢাকায় মানববন্ধন ও সভা-সমাবেশ হয় সে সময়। বোরো ধান কাটার এই মওসুমে হঠাৎ এই বন্যায় লাখ লাখ কৃষকের মাথায় হাত পড়ে। এরপর পানি বিষাক্ত হলে মাছ মরা শুরু হয়; তারপর মরতে থাকে হাঁস। পরে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রতিনিধি দল ওই এলাকা ঘুরে পানি পরীক্ষা করে বলে, প্রাথমিকভাবে ইউরেনিয়াম তেজস্ক্রিয়তার কোনো প্রমাণ তারা পাননি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী হাওরাঞ্চলের ছয় জেলায় মোট দুই লাখ ১৯ হাজার ৮৪০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আট লাখ ৫০ হাজার ৮৮টি পরিবার। সুনামগঞ্জ, সিলেট, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের দুই হাজার ৮৬০টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ১৫ হাজার ৩৪৫টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ছয় জেলায় মোট ২১৩ দশমিক ৯৫ মেট্রিক টন মৎস্য সম্পদের ক্ষতি হয়েছে; সুনামগঞ্জে তিন হাজার ৯০২টি হাঁস ও চারটি মহিষ মারা গেছে। হাওরের পরিস্থিতি দেখতে প্রধানমন্ত্রী সকালে শাল্লা উপজেলা সদরে পৌঁছানোর পর স্থানীয় শাহেদ আলী বিদ্যালয়ের মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন। দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রীও বিতরণ করেন তিনি।শেখ হাসিনা জানান, হাওরের বন্যাকবলিত এলাকায় বিতরণের জন্য তিন হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রতি পরিবারকে মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।যেসব বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হাওর অঞ্চলে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তাদের আপাতত কিস্তি আদায় স্থগিত করে সুদ মওকুফের আহ্বান জানান তিনি। হাওরের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের নাব্যতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, খালগুলো যেন বেশি পানি নিষ্কাশন করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। হাওরকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। “প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, প্রকৃতিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করেই এগিয়ে যেতে হবে।হাওরের সম্ভাবনাকেও আমাদের কাজে লাগাতে হবে।”

হাওর এলাকা পরিদর্শন শেষে বিকালেই প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরেন।

জামিল হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে নবীগঞ্জে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র জামিল হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারিদের গ্রেফতারের দাবিতে নবীগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী। শনিবার সকাল ১০ টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার মডেলবাজার থেকে শুরু করে আউশকান্দি শহীদ কিবরিয়া স্কয়ারে এসে শেষ হয় বিক্ষোভ মিছিলটি। পরে বিশাল মানববন্ধনে প্রায় কয়েক হাজার লোক অংশগ্রহন করেন।
মানববন্ধন শেষে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আউশকান্দি শহীদ কিবরিয়া স্কয়ারে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাজী আব্দুর রবের সভাপতিত্বে ও মাওলানা মশাহিদ আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায়- বক্তব্য রাখেন, হবিগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি বিএনপি নেতা আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া, আউশকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী মহিবুর রহমান হারুন, নিহত জামিল আহমদের পিতা মাওলানা মোস্তফা আহমদ, মৌলভীবাবজার আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি নাজমুল হক, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সেফু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, নিহত মেধাবী কলেজ ছাত্র জামিলকে যেভাবে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে, এভাবে যেন আর কোন পিতার বুক খালি না হয়। অবিলম্বে খুনিদের খুঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
গত ১ এপ্রিল দিবাগত গভির রাতে নবীগঞ্জের মংলাপুর গ্রামে জামিলদের বাড়িতে প্রবেশ করে দূর্বৃত্তরা নৃশংশভাবে খুন করে জামিল আহমদকে। ঘটনার প্রায় ১ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও খুনিরা এখনও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

সিলেটের ২৯ কলেজ সরকারিকরণের জন্য চূড়ান্ত

সিলেট অফিস: সিলেট বিভাগের চার জেলার ২৯টি বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় রয়েছে ১০টি, সুনামগঞ্জ জেলায় ৯টি, হবিগঞ্জে ৫টি এবং মৌলভীবাজার জেলায় ৫টি।

সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার ২৯টি কলেজসহ সারা দেশের মোট ২৮৫টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করার জন্য চূড়ান্ত করেছে সরকার।

বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তালিকায় প্রকাশিত ওই সব কলেজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সরকারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয় এক আদেশে জরুরি ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সচিবের বরাবর রেজিস্ট্রিকৃত দানপত্র দলিল (Deed of Gift) পাঠাতে নির্দেশ দেয়। সবকটি কলেজের অধ্যক্ষ, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিলেট বিভাগের ৪টি জেলার বেসরকারি কলেজকে সরকারি করার জন্য চূড়ান্ত হওয়া কলেজগুলোর মধ্যে সিলেট জেলায় রয়েছে ১০টি কলেজ। এগুলো হলো- নগরীর রিকাবিবাজারস্থ মদনমোহন কলেজ, ওসমানীনগর উপজেলার গোয়ালাবাজার আদর্শ মহিলা ডিগ্রী কলেজ, দক্ষিণ সুরমার দক্ষিণ সুরমা কলেজ, বিশ্বনাথ উপজেলার বিশ্বনাথ কলেজ, কানাইঘাট উপজেলার কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ, গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ ডিগ্রি কলেজ, ফেঞ্চগঞ্জ উপজেলার ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, বালাগঞ্জ উপজেলার বালাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, জৈন্তাপুর উপজেলার ইমরান আহমদ মহিলা কলেজ ও গোয়াইনঘাট ডিগ্রি কলেজ।

তালিকায় সুনামগঞ্জ জেলায় রয়েছে ৯টি কলেজ- তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজ, বিশ্বম্বপুর উপজেলার দিগেন্দ্র বর্মন ডিগ্রি কলেজ, ছাতক উপজেলার ছাতক ডিগ্রি কলেজ, দিরাই উপজেলার দিরাই ডিগ্রি কলেজ, ধর্মপাশা উপজেলায় ধর্মপাশা ডিগ্রি কলেজ, দোয়ারাবাজার উপজেলার দোয়ারাবাজার ডিগ্রি কলেজ, জগন্নথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর ডিগ্রি কলেজ, জামালগঞ্জ উপজেলার জামালগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ও শাল্লা উপজেলার শাল্লা ডিগ্রি কলেজ।

হবিগঞ্জ জেলার রয়েছে ৫টি কলেজ। আজমিরীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, মাধবপুর উপজেলার শাহজালাল কলেজ, বানিয়াচং উপজেলার জনাব আলী ডিগ্রি কলেজ, নবীগঞ্জ উপজেলায় নবীগঞ্জ কলেজ ও বাহুবলের আলিম সোবহান চৌধুরী কলেজ।

এছাড়াও সরকারিকরণের চূড়ান্ত তালিকায় মৌলভীবাজার জেলা ৫টি কলেজ রয়েছে। এগুলো হলো- বড়লেখা উপজেলার বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ, কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ, রাজনগর উপজেলার রাজনগর ডিগ্রি কলেজ, কমলগঞ্জ উপজেলার কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয় (অনার্স কলেজ) এবং জুড়ির তৈয়বুন্নেছা খানম একাডেমি ডিগ্রি কলেজ।

থিয়েটার মুরারিচাঁদের মঙ্গল শোভাযাত্রায় হাওরে ফসলহানির প্রতিবাদ

সিলেট: পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রায় হাওরে ফসলহানির প্রতিবাদ জানিয়েছে থিয়েটার মুরারিচাঁদ। শুক্রবার সকাল ১০টায় এমসি কলেজ ক্যাম্পাসেMahdy এই মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে কলেজ প্রশাসন।
এতে অংশ নিয়ে সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হাওরে অকাল বন্যায় ফসল হানির প্রতিবাদ জানানো হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রায় থিয়েটারের কয়েকজন কর্মী ফসল হারানো কয়েকজন কৃষক সেজে একটি ঠেলাগাড়িতে চড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পূনর্বাসনের দাবি জানান।Mahdy 2

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে ১৪০টি হাওরের ফসল তলিয়ে গেছে। এতে হাজার কোটি টাকার ফসলহানি ঘটেছে। ফসল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন সুনামগঞ্জের কৃষকরা।

সুনামগঞ্জে শনির হাওরের বাঁধে ভাঙন

সুনামগঞ্জের শনির হাওরে কৃষক ও এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে রক্ষা পাওয়া বাঁধের তিন জায়গায় ভেঙে গেছে। সেখান দিয়ে ঢুকতে শুরু করেছে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি।

আজ রবিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে বাঁধের লালুর গোয়ালা, আহাম্মকখালী ও রাধাপুর নামে ৩টি জায়গা দিয়ে পানি ঢুকতে শুরু করে। এলাকাবাসী ও কৃষকেরা সেখানে সংস্কারের কাজ করছেন।

গত ৩০ মার্চ থেকে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের একের পর এক হাওরে পানি ঢুকে ফসল তলিয়ে যায়। রক্ষা পায় শনির হাওর। টানা ২২ দিন তিনটি উপজেলার হাওরপারের ৪০ গ্রামের মানুষের স্বেচ্ছাশ্রমে রক্ষা পেয়েছিল এই বাঁধ।

তাহেরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাঁধের ভাঙনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সুনামগঞ্জ জেলায় এ বছর ২ লাখ ২৩ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছিল।

প্রশাসন বলছে- ৮২ শতাংশ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কৃষকেরা বলছেন ৯০ শতাংশ। এ অবস্থায় রক্ষা পেয়েছিল শনির হাওর। এটি ‘ধানের খনি’ বলে কৃষকমহলে পরিচিত। এবার ২২ হাজার একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।

তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৪০টি গ্রামের মানুষের জমি আছে শনির হাওরে। প্রায় ২২ হাজার একর জমির মধ্যে তাহিরপুরের বাসিন্দা কৃষকের জমি আছে প্রায় ১৬ হাজার একর।

হাওরে বানভাসীদের ১০০ দিন চাল দেবে সরকার

সংবাদ২৪নিউজ: হাওরে বানভাসীদের ১০০ দিন চাল দেবে সরকার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া হাওর এলাকায় সৃষ্ট বন্যার বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রম ও করণীয় সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর অঞ্চলের ৬ জেলায় ৩ লাখ ৩০ হাজার পরিবারকে মাসে ৩০ কেজি করে বিনামূল্যে চাল ও ৫০০ টাকা অর্থসহায়তা দেবে সরকার ।
এছাড়া ওই এলাকায় ১০ টাকা মূল্যে চাল ও ওএসএসের চাল বিক্রি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী আরো জানান, বন্যা প্লাবিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করে ক্ষয়-ক্ষতি নির্ধারণ করে সুপারিশ দিতে সভায় একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটিও গঠন করা হয়।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net