শিরোনাম

কমিউনিটি

লন্ডনে তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির বিক্ষোভ জিসিএমকে বাংলাদেশ ত্যাগের পরামর্শ

গতকাল ১২ ডিসেম্বর সকালে সেন্ট্রাল লন্ডনের হ্যামিলটন প্লেসের সামনে গ্লোবাল কোল ম্যানেজমেন্টের (জিসিএম) এর বার্ষিক সাধারন সভা ও সেমিনার চলাকালে সভাস্থলের বাইরে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন প্রচেষ্টার প্রতিবাদে তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি যুক্তরাজ্য শাখা ও ফুলবাড়ী সলিডারিটি কমিটি বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি যুক্তরাজ্য শাখা, বাংলাদেশী কমিউনিটি সহ যুক্তরাজ্যের পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা এই প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেয়। জিসিএম একজন প্রক্সি শেয়ার হোলাডারকে সভায় ঢুকতে দেয়নি বলে জানা গেছে। আগে থেকেই ওয়েস্টমিনিস্টার পুলিশ সমাবেশ স্থলের বাইরে অবস্থান নেয়। প্রতিবাদ সমাবেশে ডা. মুখলিছুর রহমান বলেন, ২ লক্ষ মানুষকে বসতবাড়ী থেকে উচ্ছেদ ও ১৪ হাজার হেক্টর কৃষিজমি ধ্বংস করার সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়কারী এই কয়লা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। ড. আখতার সোবহান মাসরুর বলেন, বাংলাদেশে জিসিএমের সকল কার্যক্রম বন্দ্ধ ও ফুলবাড়ীতে স্থানীয় আন্দোলনকারীদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। মোস্তফা ফারুক বলেন, জিসিএম বাংলাদেশ সরকারের সাথে কোন চুক্তি ছাড়াই লন্ডন শেয়ার মার্কেটে শেয়ার বিক্রি করছে। তিনি জিসিএমকে একটা অফিস সর্বস্ব একটা প্রতারক কোম্পানি হিসেবে আখ্যায়িত করেন। নিসার আহমদ বলেন, বাংলাদেশকে কয়লা ত্যাগ করে নবায়নযোগ্য বিকল্প জ্বালানীর কথা ভাবতে হবে। মিরিয়াম রোজ বলেন, জিসিএম বাংলাদেশ ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা প্রতিবাদ করতে থাকবো। ড. রুমানা হাশেম ঘোষণা পত্রপাঠে বাংলাদেশে জিসিএমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। সমাবেশে লন্ডন মাইনিং নেটওয়ার্ক, ফয়েল ভেডান্ট, রিক্লেইমিং দ্যা পাওয়ার সহ বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়।

খেলাফত মজলিশ যুক্তরাজ্য শাখার উদ্যোগে ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ঈমান ও ক্বিবলা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান

লন্ডন, ১১ ডিসেম্বর: গত ৯ ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার রাত ৮টায় খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য কার্যালয় আলহুদা সেন্টারে যুক্তরাজ্য শাখার উদ্যোগে ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক সমাবেশ যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি মাওলানা সাদিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাহ মিজানুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ নজমুল হক।
উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহা সচিব অধ্যাপক আবদুল কাদির সালেহ। এছাড়া সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খলিফায়ে হযরত শেখ হেকিম আখতার-মাওলানা আসগর হোসাইন, কাউন্সিল অব মস্কের চেয়ারম্যান হাফিজ মাওলানা শামসুল হক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক, কমিউনিটি নেতা কে এম আবু তাহের চৌধুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব আহমদ, মাযাহিরুল উলুম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা ইমদাদুর রহমান আল-মাদানী, ব্যারিস্টার নাজির হোসাইন, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি শেখ মাওলানা হুসাইন নূরী চৌধুরী, যুক্তরাজ্য সহ সভাপতি মুফতি মাওলানা তাজুল ইসলাম, ক্বারী আবদুল মুকিত আজাদ, মাওলানা শওকত আলী, হাফিজ মাওলানা আবদুল কাদির, মাওলানা হাসান নূরী চৌধুরী, রিজেন্ট পার্ক মসজিদের ইমাম মাওলানা কাজী লুৎফুর রহমান, কাউন্সিলার শাহ আলম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সলিসিটর লিয়াকত সরকার, কবি সাংবাদিক আবু সুফিয়ান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য সহ সাধারণ সস্পাদক মাওলানা এনামুল হাসান সাবির, মাওলানা আবদুল করিম, আবদুল করীম উবায়েদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান খান, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা তায়ীদুল ইসলাম, দাওয়া সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান জাকির, অফিস সম্পাদক সৈয়দ মারুফ আহমদ, তথ্য গবেষণা সম্পাদক শেখ মোস্তাক আহমদ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা আবদুল আহাদ, লন্ডন মহানগরী সভাপতি মাওলানা এনামুল হক, সেক্রেটারী মাওলানা আনিসুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক ফুজায়েল আহমদ নাজমুল, মাওলানা নুফাইস আহমদ, আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন, মাওলানা নোমান উদ্দিন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল কাদির সালেহ Ñ মার্কিন প্রেসিডেন্ট কর্তৃক জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করায় এর তীব্র নিন্দা জানান এবং এই ঘোষণাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন ঈমান ও ক্বিবলা রক্ষায় বিশ্বের সকল মুসলিম সম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এখনই সময়। ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন ইসলাম শান্তির ধর্ম-মানবতার ধর্ম। জেরুজালেম মুসলমাদের একটি পবিত্রস্থান। অবিলম্বে ঘোষণা প্রত্যাহার না করলে বিশ্বের শান্তি বিনষ্ট হতে পারে।
প্রধান অতিথি বলেন- রাসুল (সা:) এর আদর্শ ব্যতিরেকে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও মুক্তি অসম্ভব। একমাত্র খেলাফত ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ সম্ভব। নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেনÑ নেতা হওয়ার স্বপ্ন সাবার থাকে। কিন্তু আদর্শ কর্মী না হতে পারলে নেতা হওয়া কঠিন। তাই আজকের ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শপথ হোক- আদর্শ কর্মী হওয়ার শপথ।

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার’’-এ অন্তর্ভূক্ত করায় লন্ডনে হাইকমিশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালী

লন্ডনঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের যেমন পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছেন অন্যদিকে জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্টা করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্যে আমরা বাঙ্গালীরা গর্বিত, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার’’-এ অন্তর্ভূক্ত করে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি প্রদান করায় লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন ৭ই মার্চের ভাষণই স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা। তিনি বলেছিলেন ‘‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতা সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’’। ‘‘আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমাদের যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়ার শত্রুর মোকাবলা কর’’ আর তাই ঘটেছিল। মার্চের ৮ তারিখ থেকে গ্রামে গঞ্জে শুরু হয় ট্রেনিং মানুষ যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। Matiar chowdhury

jamal khan
২৫ মার্চ তিনি পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার পূর্বমূহুর্থে তৎকালীণ ইপিআর-এর ওয়ার্লেস মারফত আবার স্বাধীনতার ঘোষনা দেন পরবর্তিতে অনেকেই তার পক্ষে এই ঘোষনাপত্র পাঠ করেন। এটিই হচ্ছে আসল সত্য । সোমবার ১১ ডিসেম্বর দুপুরে সাউথ-ওয়েষ্ট লন্ডনের ২৮ কুইন্স গেটের বাংলাদেশ মিশনের সেমিনার হলে লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনানের সভাপতিত্বে ও ফাষ্ট সেক্রেটরী স্বদীপ্ত আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে মাননীয় রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করে লন্ডনে নিযুক্ত সহকারী হাইকমিশনার খন্দকার এম তালহা ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর এম রেজা আবেদীন। এর পর প্রজেক্টারের মাধ্যমে বাজানো হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ।
bhl raly আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেটের রূপকার বিমান মল্লিক, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহসভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, সাবেক প্রেস মিনিষ্টার সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা আবু মুসা হাসান, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য যুবমহিলা লীগের সেক্রেটারী সাজিয়া ¯িœগ্ধা, যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্মসম্পাদক জামাল খান, সাবেক ছাত্র নেতা শায়েক আহমদ, সাবেক কাউন্সিলার সেলিম চৌধুরী প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বলেন ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান আমাদের কুটনৈতিক প্রচেষ্টার ফসল। তিনি বলেন ইউনেস্কো হ্যরিটেজ কমিটিতে ১৪জন সদস্য থাকেন এব্যাপারে প্রত্যেক সদস্যকে একমত পোষন করতে হয়, এই কমিটির কেউ দ্বিমত পোষন করলে তা সম্ভব হতোনা। এর পর বের করা হয় আনন্দ র‌্যালী, র‌্যালিটি হাইকমিশন ভবন থেকে বের হয়ে কুইন্সগেট এলাকার বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করে আবার হাইকমিশন ভবনে এসে শেষ হয়।

ভিশন ২০২১ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে এনআরবি নবপ্রজন্ম বিশেষ অবদান রাখতে পারে প্রয়োজন রেমিটেন্স থেকে নলেজ ট্রান্সপার পরিকল্পনা ——— একান্ত সাক্ষাৎকারে আইয়ুব করম আলী

বিশেষ প্রতিনিধিঃ আইয়ুব করম আলী বৃটেনের বাঙ্গালী কমিউনিটিতে একটি সুপরিচিত নাম। একজন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবী হিসেবে রয়েছে তার বেশ সুখ্যাতি। জন্ম বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে। ১৯৭৩ সালে মাত্র ১১বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপপ্ত করে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে বৃটেনে আগমন করেন। ইংল্যান্ডের রাস্কিন কলেজ, অক্সফোর্ড ও ব্রুনেল ইউনিভারসিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা গ্রহনের পর, ১৯৮২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা ২৮ বছর বৃটেনের স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগে উর্ধতন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত লন্ডনের নিউহ্যাম কাউন্সিলের একজন নির্বাচিত কাউন্সিলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নিষ্টার সাথে। গেল কয়েক বছর যাবত নিজ এলাকা ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ব্রীজ একাডেমী প্রতিষ্টার মাধ্যমে এলাকায় শিক্ষার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন, নিজে ঐ প্রতিষ্টানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাষ্টের প্রতিষ্টাতা ট্রাষ্টি। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে গ্রহীত ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের একটি প্রকল্পে ২০০১ থেকে টানা তিন বছর ডিরেক্টর পদে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ ২৫বছর বৃটেনের লেবার পার্টিতে একজন কর্মী ও সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যুক্তরাজ্যে যুবলীগে সক্রিয় ভূমিকা ও যুগ্মসাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যুক্তরাজ্য যুবলীগের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যর বিচারের জন্যে বৃটেনে সক্রিয়ভাবে আন্দোলন করেন। বিবাহিত জীবনে জনাব আইয়ুব করম আলী দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক, বড় ছেলে এডিনব্রা ইউনিভারসিটি থেকে অর্থনীতিতে ¯œাতক সমাপ্ত করে একজন ডেটা সাইনটিষ্ট হিসেবে কর্মরত, দিত্বীয় পুত্র মানচেষ্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্সে অধ্যয়নরত একমাত্র মেয়ে সেকেন্ডারী স্কুলে অধ্যয়নরত, স্ত্রী হোসনেয়ারা লন্ডনে একটি প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষিকা। আইয়ুব করম আলী বিগত ৭/৮ বছর যাবত দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, নিজ গ্রাম (বুড়াইরগাঁও গোবিন্দগঞ্জে) অবস্থান করে ২০১২ সালে প্রতিষ্টিত তার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ব্রীজ একাডেমীর দেখা শুনা সহ এলাকায় ২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ৫০শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল প্রতিষ্টার কাজে হাত দিয়েছেন, মাটি ভরাট সহ এই হাসপাতালটির কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে, তার মতে ২০২০সালে এটিকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল হিসেবে চালু করা হবে। এই হাসপাতালটি চালু হলে ছাতক সহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার মানুষ উপকৃত হবে। সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরীকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আইয়ুব করম আলী বলেন, আমি নিজকে একজন বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। নিজ এলাকার মানুষের জন্যে কিছু করতে চাই আর একারনেই দেশে ফিরে এসেছি। তিনি বলেন এখন পর্যন্ত এলাকার মানুষের জন্যে যা করেছি তা সম্পুর্ণ ব্যক্তি ব্যাক্তি উদ্যোগে। তবে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে অনেক কিছু করার সুযোগ থাকে যা ব্যক্তি উদ্যোগে সম্ভব নয়। তাই নিজ এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ থেকে এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাই আর একারনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনস্থির করেছি, এটা শুধু আমার নয় এলাকাবাসীও আমাকেই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায়, এজন্যই নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষনা করেছি। তিনি বলেন দেশের এককোটিরও বেশী মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন, দেশের উন্নয়নে তাদের অবদান খাটো করে দেখার উপায় নেই। তিনি বলেন দেশের উন্নয়নে এনআরবিদের সম্পৃক্ততা আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। সম্প্রতি সিলেটে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্টির (বিবিসিসিআই) এর আয়োজনে ও সিলেট চেম্বারের সহযোগীতায় ২১ থেকে ২৭ অক্টোবর অনুষ্টিত এনআরবি কনভেনশনে তার অশংনেয়া ও সেখানে এনআরবিদের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি যে মতামত তুলে ধরেছেন সে সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে আইয়ুব করম আলী বলেন একসময় আমাদের পূর্বপুরুষেরা এদেশে এসেছিলেন উন্নত জীবন যাপনের জন্যে। বিশেষ করে যারা ৬০ ও ৭০ এর দশকে এসছিলেন তারা নিয়মিত দেশে রেমিটেন্স পাটিয়েছেন এবং এনআরবিদের রেমিটেন্সে দেশ সম্বৃদ্ধ হয়েছে। তিনি বলেন এনআরবিরা বছরে দেশে পাঠিয়ে থাকেন ১৩বিলিয়ন ডলার, এখন কিন্তু দেশে রেমিটেন্স পাঠানোর প্রবাহ কমে যাচেছ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এনআরবিদের রেমিটেন্স প্রবাহ অব্যাহত রাখতে ও দেশের উন্নয়নে ২য় এবং ৩য় প্রজন্ম ও ভবিষ্যৎ এনআরবিদের সরাসরি দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে দেশ যেমন উপকৃত হবে শেকড়ের সাথে প্রবাসীদের সন্তানদের সম্পর্কও অটুট থাকবে। তবে এখন থেকেই এর জন্যে প্রয়োজন রিমিটেন্স থেকে নজেল ট্রেন্সপার পরিকল্পনা গ্রহন করা। তিনি ২০১০ সালের বৃটেনের সাসেক্স বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত একটি জরিপের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন এই পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ২০০২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বৃটেনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বছরে প্রায় সাত হাজার বিটিশ বাংলাদেশী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা নিয়ে বের হয়েছে, প্রতিবছরই এসংখ্যা বাড়ছে, বর্তমানে এসংখ্যা দশ হাজারেরও বেশী। এরা বৃটেনের বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছে, এর মধ্যে রয়েছে আইটি স্পেশালিষ্ট, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার সহ প্রতিটি শাখা থেকে শিক্ষার্থীরা বের হচ্ছে, এরা খুবই দক্ষ। এদের বাংলাদেশের উন্নয়নে সম্পৃক্ত করতে পারলে দেশ যেমন সম্বৃদ্ধ হবে থাকবে দেশের সাথে সম্পর্কও, যেমনটি করছে ভারত, চীন, মালয়েশিয়া সহ বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশ । ভারত আমেরিকা থেকে ভারতীয় আমেরিকানদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে ভারতের আইটি সেক্টরকে সম্বৃদ্ধ করেছে। ভারতের পথ অনুসরন করছে চীন মালয়েশিয়া সহ বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশ। মালয়েশিয়াতে কোন পদে লোক নিয়োগের প্রয়োজন হলে সেখানে থাকে তাদের প্রবাসীদের একটি কাটা, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মালয়েশিয়া তার প্রবাসীদের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিয়ে থাকে। জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়েতে হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এনআরবিদের কাজে লাগাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বেশ গুরুত্ব দিয়েছেন, বৃটেনেই রয়েছে ব্রিটিশ বাংলাদেশী নবপ্রজন্মের কয়েক হাজার আইটি স্পেশালিষ্ট যারা গেল কয়েক বছরে বৃটেনের বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যায়ল থেকে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে বেরিয়েছে, নেত্রীর স্বপ্ন হল ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করা ও ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের একটি উন্নত সম্বৃদ্ধশালী দেশ। জনাব আইয়ুব করম আলী বলেন দেশের সাথে প্রবাসী সন্তান তথা এনআরবিদের সম্পর্ক ধরে রাখতে হলে রেমিটেন্স থেকে নলেজ ট্রান্সপারের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আরো বলেন বৃটেন বা আমেরিকা থেকে যেসব এনআরবি সন্তানেরা বিভিন্ন সেক্টরে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে বের হচেছ তারা মেধাবি, সৎ এবং এনারজেটিক তাদের কাছ থেকে আশানুরুপ সার্ভিস পাওয়া সম্ভব যা দেশের উন্নয়নের কাজে লাগবে। বৃটেন থেকে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে দেশে গিয়ে কেন ইলেকশন করতে চান এমন প্রশ্নের উত্তরে আইয়ুব করম আলী বলেন বৃটেন একটি উন্নত দেশ এখানে সবকিছুই একটা ধারাবাহিকতার মধ্যে রয়েছে। এখানে নতুন করে কিছু করার নেই অথচ বাংলাদেশে যেদিকেই থাকান ,সব দিকে কাজ করার প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এই বাস্তবতা আমাকে দেশের জন্যে অনুপ্রাণিত করে এছাড়া আমি বৃটেনে থাকলেও বাংলাদেশকেই আমার দেশ মনে করি আর একারনে দেশের জন্যে নতুন কিছু করার চিন্তা ভাবনা থেকে সেখানে গিয়ে নিবর্বাচন করার কথা ভাবছি। বৃটেনের আমার দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতাকে দেশের উন্নয়কে কাজে লাগাতে চাই।

বার্মিংহাম লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সে শানে মুস্তাফা (স:) কনফারেন্স||আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে হলে রাসুল (সঃ)-কে ভালোবাসতে হবে

বার্মিংহাম : ইউকে লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্স এর উদ্যোগে গত ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স:) উপলক্ষে শানে মুস্তাফা কনফারেন্স ভাবগাম্ভির্য ও বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।Shane Mustafa 2
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির ব্যবস্থাপনায় এবং আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে মিডল্যান্ডস ডিভিশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে নারী-পুরুষদের জন্য আলাদা আসন ব্যবস্থার কারণে আগত অতিথিরা তা দেখে মুগ্ধ হন।
কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান এবং পরিচালনা করেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির কো-অর্ডিনেটর মাওলানা রফিক আহেমদ ও প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর সম্মানিত সভাপতি, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ হযরত আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাদীসে নববীর অন্যতম খাদেম, বাহরাইন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর শায়েখ ড. নাজি ইবনে রাশিদ আল-আরাবী আল আজহারী, লন্ডন ব্রিকলেন জামে মসজিদের খতিব, দারুল হাদীস লতিফিয়া লন্ডনের মুহাদ্দিছ হযরত মাওলানা নজরুল ইসলাম।
শায়েখ ড. নাজি ইবনে রাশিদ আল-আরাবী আল আজহারী’র আরবী ভাষায় প্রদত্ত বক্তব্য ইংরেজীতে অনুবাদ করেন দারুল হাদীস লতিফিয়া লন্ডনের শিক্ষক মাওলানা মারুফ আহমদ।
বার্মিংহামের ব্রিটিশ মুসলিম স্কুলের ইয়ার নাইনের ছাত্র মোঃ আব্দুল মুনিমের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও শামছুদ্দোহা শিল্পী গোষ্ঠির নাশিদ পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হওয়া সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের মেয়র, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার কাউন্সিলার আহমেদ উল হক এমবিই, বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারের চেয়ারম্যান, লতিফিয়া ফুShane Mustafa 3লতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার আলহাজ নাছির আহমদ, বার্মিংহাম সিরাজাম মুনিরা জামে মসজিদের খতিব হাফিজ মাওলানা সাব্বির আহমদ, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ কাজী আংগুর মিয়া, হাজী কামরুল হাসান চুনু মিয়া, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের সেক্রেটারি মোঃ মিসবাউর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ খুরশিদ উল হক, মোঃ আব্দুল হাই, ক্যাশিয়ার আমিরুল ইসলাম জামাল, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার, জমজম ট্রাভেলস এর সত্ত্বাধিকারী মোঃ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা রুকনুদ্দীন আহমদ, আলহাজ আবুল হোসাইন সাত্তার মিয়া, বার্মিংহাম আল ইসলাহ’র প্রেসিডেন্ট মাওলানা আতিকুুর রহমান, মাওলানা নোমান আহমদ, মাওলানা আবুল হাসান, আলহাজ গয়াস মিয়া, আলহাজ গৌছ আহমদ, মোহাম্মদ শাহজাহান, মাওলানা নুরুল আমিন, মাওলানা গুলজার আহমদ, মাওলানা মাহবুব কামাল, হাজী হাসন আলী হেলাল, হাফিজ আলী হোসেন বাবুল, মাওলানা আব্দুল মুনিম, মোঃ সাইফুল আলম, মোঃ আবুল কালাম, মাওলানা নুরুল ইসলাম, শফিক মিয়া চৌধুরী, মাওলানা এহসানুল হক, হাফিজ উসমান খান, মাওলানা বুরহান উদ্দিন আহমদ, সুফী ইদ্রিস আলী।Shane Mustafa 4
কনফারেন্সে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মানুষের জন্য আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে রাসুল (সঃ) এর প্রতি ভালোবাসা। রাসুল (সঃ) এর প্রতি মহব্বত ছাড়া কারো ঈমান পরিপূর্ণ হয় না। তিনি আরো বলেন, রাসুলে পাক (সঃ)-কে অনুসরণ করতে হলে তাঁকে ভালোবাসতে হবে। আর তাঁকে ভালোবাসতে হলে তাঁর সুমহান চরিত্র এবং আল্লাহ প্রদত্ত অতুলনীয় মর্যাদা সম্পর্কে জানতে হবে। এ জন্য তিনি সকলকে বেশি বেশি করে এ জাতীয় মাহফিল আয়োজনের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের সকলকে দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে আল্লাহর হাবিবের অনন্য আখলাক তুলে ধরতে হবে। এ প্রসঙ্গে লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব বিবেচনায় সকলকে এই প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সহযোগিতার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শায়েখ ড. নাজি ইবনে রাশিদ আল-আরাবী আল আজহারী বলেন, রাসুল (সঃ) হচ্ছেন গোটা মানবজাতির সরদার। আল্লাহ তাবারাকা ওতায়ালা তাঁকে গোটা বিশ্ব জাহানের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হিসেবে প্রেরণ করেছেন।
তিনি রাসুল (সঃ) এর একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেন, রাসুল (সঃ) ইরশাদ করেছেন, তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত আমি রাসুল (সঃ) তোমাদের নিকট তোমাদের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এমন কি দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়ে অধিকতর প্রিয় না হই। তিনি আরো বলেন, মানবতার মুক্তির দিশারী তাজদারে মদীনা, নূরে মুজাসসাম হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-কে মহান আল্লাহ তায়ালা জগতবাসীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ রহমত ও নিয়ামত স্বরূপ প্রেরণ করেছেন। তাঁর আগমনে দুনিয়ার সকল কিছু খুশি ও আনন্দ প্রকাশ করেছিলো। একমাত্র অখুশি হয়েছিলো ইবলিশ শয়তান। আজও বিশ্বের ঈমানদার আশেকে রাসুলগণ তাঁর আগমনের মাস মাহে রবিউল আওয়ালে খুশি প্রকাশ করেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট শুকরিয়া আদায় করেন- অর্থ্যাৎ, তাঁরা ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন করেন। তিনি আরেকটি হাদীস উল্লেখ করে বলেন, আবু লাহাব কাফির সরদার হয়েও ঈমান গ্রহণ না করে শুধু মাত্র আপন ভাতিজা হিসেবে আল্লাহর নবীর আগমনে খুশি প্রকাশ করায় প্রতি সোমবার তাঁর কবর শান্তি লাভ করছে। তিনি পরিশেষে বলেন, এতে প্রমাণিত হয় মুমিন হিসেবে আল্লাহর হাবীবের আগমনে খুশি প্রকাশ করা একান্ত কর্তব্য।
কনফারেন্স এর শেষে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মিলাদে বিশ্বের মুসলমানদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুক্তি কামনায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

সাফরন রেস্টুরেন্টে চার্লস ওয়াকার এমপি

হার্ডফোর্ডশায়ার ব্রক্সবোউন এলাকার এমপি চার্লস ওয়াকার ব্রিটেনের অর্থনীতিতে কারী শিল্পের অবদান উল্লেখ করে নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন।  শুক্রবার হডেসডনের হাই রোডের স্থানীয় সাফরান রেস্টুরেন্ট পরিদর্শন করেন এমপি। তিনি বলেন দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা জরুরী। বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ শেফ আনার ব্যাপারেও কথা বলেন তিনি। খাবারের মান ও পরিবেশনায় অনন্য গুনাবলীর জন্য এ বছর কারী লাইফ এওয়ার্ড জয়ী হয়  সাফরান রেস্টুরেন্ট। এ সম্মাননার জন্য রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা জানান চার্লস ওয়াকার।  উপস্থিত ছিলেন রেস্টুরেন্টের মালিক শামসুল আলম, শেফ নোমান আহমেদ, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাহাস পাশা, কারী লাইফ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সৈয়দ বেলাল আহমদসহ অন্যান্যরা।  মন্ত্রী বলেন এ এলাকায় যে কয়েকটি ভাল মানের রেন্টুরেন্ট রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম সাফরান। তিনি মনে করেন ভবিষ্যতে এ রেন্টুরেন্ট তাদের খাবারের মান ও অন্যান্য সুবিধাসমুহ ধরে রাখবে।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্যারিস্টার নূরা শরীফ ছিলেন বাংলাদেশ এবং বাঙ্গালীর একজন অকৃত্রিম বন্ধু
——–মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা
মতিয়ার চৌধুরীঃ ব্যারিস্টার নূরা শরীফ ছিলেন বাংলাদেশ এবং বাঙ্গালীর একজন অকৃত্রিম বন্ধু। আগরতলা ষঢ়যন্ত্র মামলা, মাহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সর্বশেষ মানবতা বিরুধী অপরাদের বিচারেও তার অবদান রয়েছে। আগরতলা ষঢ়যন্ত্র মামলার সময় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বৃটেন থেকে আইনজীবি টমাস উইলিয়ামকে বাংলাদেশে পাঠানো সহ তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিনে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত আদায়ে কাজ করেছেন, লন্ডনের রাজ পথে মিছিল মিটিং করেছেন। পরবর্তিতে বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হলেও তিনি নানা ভাবে সহায়তা করে গেছেন। একজন অবাঙ্গালী হয়ে তিনি আমাদের জন্যে যা করেছেন তা অতুলনীয় তার এই ঋণ কোনদিনই শোধ করার নয়। বাংলাদেশের বন্ধু ব্যারিস্টার নূরা শরীফের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা এ অভিমত ব্যাক্ত করেন। গেলে ২ডিসেম্বর ইষ্ট লন্ডনের মাইক্রো বিজনেন্স সেন্টারে যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। যুক্তরাজ্য মাহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খালেদা কোরেশীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মুসলিমা শামস বন্নির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন। ব্যারিস্টার নূরাশরীফের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন সাংবাদিক আনসার আহমদ উল্লাহ, আওয়ামীলীগ নেতা মোজাম্মিল আলী, ব্যারিসটার নূরা শরীফের পরিবারের পক্ষ থেকে তার স্বামী প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠন সুলতান মাহমুদ শরীফ, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সাবেক সেক্রেটারী অধ্যাপক আবুল হাসেম, ইউকে আওয়ামীলীগের সহসভাপতি হরমুজ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, হাজী আব্দুল হান্নান, যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে হুসনেয়ারা মতিন, আনজুমানয়ারা আঞ্জু, রাজিয়া রহমান, সাজিয়া ¯িœগ্ধা, স্মৃতি আজাদ, শাহ শামীম আহমদ, সরওয়ার কবীর, জামাল খান প্রমুখ।

সাবেক ছাত্রনেতা জুবায়ের আহমদ আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণ বিচার আন্দোলন যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক মনোনীত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ সাবেক ছাত্রনেতা জুবায়ের আহমদ কে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণ বিচার আন্দোলন যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সম্প্রতি লন্ডন সফররত সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহবায়ক, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নৌ-পরিবহন মন্ত্রী জনাব শাহজাহান খাঁন তাকে এই পদে মনোনীত করেন। গেল ১ ডিসেম্বর সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি হোটেলে সংগঠনের যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা জাবিছ আহমদ জিম্মাদার মাননীয় মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে জুবায়ের আহমদকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রস্তাব করলে এবং তাঁর অনুরূধে মাননীয় মন্ত্রী এই মনোনয়নের কথা জানান।
এসময় শাহজাহান খাঁন বলেন, “আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণ বিচার আন্দোলন” মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সকল শ্রেণী পেশা, দল মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত একটি প্লাটফর্ম। এই সংগঠনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক সাফল্য দেশে এবং বিদেশে তুলে ধরা। এটি শুধু একটি সংগঠন নয় এটি একটি আন্দোলনের নাম। তিনি বলেন, আমি জানি সকল কে ঐক্যবদ্ধ করে একটি প্লাটফর্মে নিয়ে আসা খুবই কঠিন কাজ। আর সেটা চিন্তা করেই অত্যন্ত পরিশ্রমী ও সাংগঠনিক দক্ষতা সম্পন্ন দুজন তরুণ কে তাদের অতীত সাংগঠনিক কর্মকান্ড বিবেচনা করে যুক্তরাজ্যের সর্বস্তরের নেতাকর্মীর কাছে গ্রহণযোগ্য জাবিছ আহমদ জিম্মাদার কে সভাপতি ও জুবায়ের আহমদ কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেছি। আমি আশা করি তারা তাদের দজ্ঞতা দিয়ে যুক্তরাজ্যে এই সংগঠ্নের বিস্তৃতি ঘটাতে সক্ষম হবে।পরে নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এমপি কেয়া চৌধুরীর উপর হামলার আসামী তারা মিয়া ও সাহেদ ঢাকায় গ্রেফতার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ হবিগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর উপর হামলার আসামী বাহুবল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও জেলা পরিষদের সদস্য আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। গতকাল রাত ১০টায় ঢাকার কদমতলী এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতারের জন্য হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি মোঃ শাহ আলম, ইন্সপেক্টর আহসান হাবীব ও এসআই ইকবাল বাহারের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম ৩ দিন পূর্বে রাজধানী ঢাকায় অবস্থায় নেয়। এরপর এই টিমটি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য তল্লাসী চালায়। গতকাল সন্ধ্যায় পুলিশ নিশ্চিত হয় তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদ কদমতলী এলাকার একটি বাসায় অবস্থান করছেন। এই তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়।789F21BA-37AB-434F-ABC9-28F3E8F96D95

বিভিন্ন সূত্র জানায়, হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন লাভ করার জন্য তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদ ঢাকা গিয়েছিলেন। কিন্তু হাইকোর্টে তিন দফা জামিন আবেদন করে তিনবারই জামিন নামঞ্জুর হয়। সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তারা মিয়া ও সাহেদের পক্ষে হাইকোর্টের ১৫নং কোর্টে জামিন আবেদন করেন সিনিয়র তিন আইনজীবী। সরকার পক্ষে জামিনের বিরোধীতা করেন এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও এডিশনাল এ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারপতি আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল তাদের জামিন না-মঞ্জুর করেন। জামিন না-মঞ্জুর হওয়ায় তারা মিয়া ও সাহেদ বিফল মনোরথে হাইকোর্ট থেকে ঢাকার কদমতলীর বাসায় ফিরেন। গোপন সূত্রে এ খবর পেয়ে যায় ঢাকায় অবস্থানরত হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশ।BCA9C08B-CDCC-4BDD-92C3-48CA2D579AFD
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদ ঢাকায় অবস্থান নিয়ে হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করে জামিন পাননি। বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নিয়ে ও নারী সংসদ সদস্যের উপর হামলার ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তারা মিয়া ও আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতারের জন্য হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ডিবি পুলিশ ঢাকায় অবস্থান নিয়ে গতকাল রাত ১০টার দিকে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি মোঃ শাহ আলম জানান, ঢাকায় ৩ দিন অবস্থান নিয়ে এমপি কেয়া চৌধুরীসহ নারী ইউপি সদস্যের উপর হামলা মামলার আসামী বাহুবল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া ও জেলা পরিষদ সদস্য আলাউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়। রাতেই তাদেরকে নিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় ডিবি পুলিশ। রাত ২টার দিকে তারা হবিগঞ্জ ডিবি অফিসে এসে পৌঁছায়। আজ বুধবার তাদেরকে আদালতে হাজির করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১০ নভেম্বর বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজারের অদূরে বেদে পল্লীতে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণকালে এমপি কেয়া চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নারী ইউপি সদস্য পারভীন আক্তার ও সাবেক নারী ইউপি সদস্য রাহিলা আক্তারসহ কয়েকজন আহত হন। ১৮ নভেম্বর রাতে এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করেন লামাতাসী ইউপি’র ১নং (সাধারণ ওয়ার্ড ১, ২ ও ৩) সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য পারভীন আক্তার। মামলায় তারা মিয়া, আলাউর রহমান সাহেদ ও তারা মিয়ার ম্যানেজার জসিম উদ্দিনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১৪/১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। জসিম উদ্দিন আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনার ২৩ দিনের মাথায় হামলার ঘটনার সাথে জড়িত তারা মিয়া ও অলিউর রহমান সাহেদকে গ্রেফতার করার খবর পেয়ে এমপি কেয়া চৌধুরী স্বরাষ্টমন্ত্রী, আইনমন্ত্রনালয় ও হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন তাদের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আবারও প্রমান করল আপরাদী যেই হউক তারা আইনের উর্ধে নয়।এবং তিনি আরও বলেন, বাহুবল নবীগঞ্জবাসী হবিগঞ্জ সিলেটসহ বর্হিবিশ্বে অবস্থানরত সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের স্বতফুর্ত নেতৃত্বে আমার আমার উপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে যে অগ্রনী ভুমিকা রেখেছেন আমি কেয়া চৌধুরী আজীবন স্বরন রাখব।

গোলাপগঞ্জ এডুককেশন ট্রাস্ট ইউকে‘র নির্বাচন সম্পন্ন।।আলতাফ হোসেন বাইছ প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর চৌধুরী রুহুল

লন্ডনঃ গোলাপগঞ্জ এডুককেশন ট্রাষ্ট ইউকে‘র নির্বাচন সম্পন্ন আলতাফ-মোস্তাফিজ জবরুল প্যানেল বিজয়ী । গত কাল ২৬ নভেম্বর রবিবার বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গোলাপগঞ্জ এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউকে‘র নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। বিপূল সংখ্যক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এই নির্বাচনে দুটি প্র্যানেল অংশ নেয় ৮০ ভোটের ব্যাবধানে আলতাফ-মোস্তাফিজ জবরুল প্যানেল বিজয়ী হয়। পূর্ব লন্ডনের দি আট্রিয়াম ব্যানকুইটিং ভ্যানুতে অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের ২১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিবার্চিত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবী আলতাফ হোসেন বাইছ, সেক্রেটারী মোস্তাফিজুর চৌধুরী রুহুল, কোষাধ্যক্ষ জবরুল ইসলাম লনি। নির্বাচনে আলতাফ-রুহুল-জবরুল প্যানেল ভোট পেয়েছে ৫৫০ টি। অন্যদিকে পরাজিত প্যানেল আশরাফ-এনাম-সেলিম প্যানেল পেয়েছে ৪৭০ টি ভোট। উল্লেখ্য ১৯৯৮ সালে যুক্তরাজ্য বসবাসরত সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলাবাসীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে। ট্রাষ্ট্রে বর্তমানে সদস্যসংখ্যা ১২০২ এবং মূলধন আড়াই কোটির টাকার কাছাকাছি। বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যাক্তির পক্ষ থেকে গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নব নির্বাচিত কমটির সদস্যরা হলেন। প্রেসিডেন্ট : আলতাফ হোসেন ভাইসপ্রেসিডেন্ট ১ : মাইজ উদ্দিন আহমদ ভাইস চেয়ারম্যান ২ : হারুন মিয়া ভাইস প্রেসিডেন্ট ৩ : ভাইসপ্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন , ভাইস প্রেসিডেন্ট ৪ : নজরুল ইসলাম ভাইস প্রেসিডেন্ট ৫ : ফখর উদ্দিন আহমদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ৬ : মো দেলওয়ার হোসেন জেনারেল সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি : সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল বাছির, ট্রেজারার : জবরুল ইসলাম, জয়েন্ট ট্রেজারার : এনাম উদ্দিন, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি : মোহাম্মদ জামিল আহমদ প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি : মোহাম্মদ শামীম আহমদ মেম্বারশিপ সেক্রেটারি : নুনু মোহাম্মদ শেখ, বোর্ড মেম্বারা হলেন :১। নাজমুল ইসলাম নুরু ২। ফরিদা পারভীন নুরু ৩। সিদ্দিকুর রহমান৪। মনজুর আহমদ শাহনাজ ৫।মো শাহআলম কাশেম ৬।জয়নাল আবেদিন জয়নুল ৭। মো সাইফুল আলম

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net