শিরোনাম

কমিউনিটি

লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের উগ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

লন্ডনঃ লন্ডনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে লন্ডস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।
মঙ্গলবার লন্ডন সময় সকাল সাড়ে ১১টায় চেলসী টাউন হলে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ডাঃ নাজমুল কাওনাইনের সভাপতিত্বে অনুস্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে ১৫ই আগষ্টের শহীদদের সম্মান জানিয়ে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
ফাস্ট সেক্রেটারী সওদিপ্তা আলমের সঞ্চালনায় রাষ্ট্রপতি. প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শুনান যথাক্রমে সহকারী হাইকমিশনার খন্দকার এম তালহা, মিনিস্টার কনসুলার টিএম জোবায়ের, পলিটিক্যাল মিনিষ্টার শ্যামল কান্তি চৌধুরী, কাউন্সেলার মিঃ আবেদিন। এর পর বাংলাদেশ হাইকমিশন ও অন্যান্য সামাজিক সাংসকৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে একে একে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুলদিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
১৫ই আগষ্টের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় অংশ নেয় প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী নইমুদ্দিন রিয়াজ, সহসভাপতি জালাল উদ্দিন, সামসুদ্দিন মাষ্টার, আনসারুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ এনাম, বিমান মল্লিক, জামাম খান, সাজিয়া স্নিগ্ধা, ডাঃ আলাউদ্দিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি বসে থাকেনি, তারা চেয়েছিল চিদিনের জন্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে, আজও তারা চাইছে দেশকে পাকিস্তানী ভাবধারায় ফিরিয়ে নিতে, আমাদের সকলকে সব ধরনের ষঢ়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। ভেদাভেদ ভুলে সকলকে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মরমী কবি শাহ ইস্কন্দর মিয়া আর নেই

লন্ডনঃ প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ওল্ডহ্যাম শহরের বাসিন্দা মরমী কবি বহুগ্রন্থ প্রণেতা পীর শাহ ইস্কন্দর মিয়া আর নেই (ইন্নালিল্লাহি রাজিউন), ১৪ আগষ্ট সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল ছয় ঘটিকায় তিনি বাংলাদেশে গ্রামের বাড়ী জগন্নাথপুর উপজেলার আলাগদি তেরাউতিয়া গ্রামে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি চার পুত্র এক কন্যা নাতি নাতনি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বাদ আসর গ্রামের বাড়ীতে তাঁকে পারিবারিক গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। আজীবন জাতির জনকের আদর্শের অনুসারী ইস্কন্দর মিয়া প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠন হিসেবে কাজ করেন। গান গেয়ে প্রবাসে মুক্তিযদ্ধের ফান্ডসংগ্রহ সহ লন্ডনে প্রতিটি মিছিল মিটিংয়ে অগ্রসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৫জুন জগন্নাথপুরের পাইলগ্রাও ইউনিয়নের তেরাউতিয়া মোকামবাড়ীতে জন্মগ্রহন করেন। ছোট বেলা থেকেই গান বাজনা লেখালেখির প্রতি তার আগ্রহ ছিল। পাইলগাঁও ব্রজনাথ উচ্চবিদ্যালয়ে অধ্যনকালীন সময় ময়মনসিংহের সাধক জয়নাল আবেদিন পাঠানের কাছে গানের গানের গুঢ়-তত্ত্ব, রাগ-রাগিনী ও বাজনার উপর তালিম নেন। যৌবন কালে গান-বাজনার পাশাপাশি মঞ্চ নাটক এবং যাত্রাপালায় অভিনয়ও করেছেন। জীবনে অনেক বাউল গান গেয়েছেন। এলাকার মানুষের মতে যৌবনে বাউল গান এবং যাত্রা পালার ভিশাশনি ছিলেন পীর ইস্কন্দর মিয়া। তিনি ১৯৬৩ সালে যুক্তরাজ্যে আগমন করেন, বৃটেনে অভিবাসী হওয়ার পরও তাঁর উৎসাহ উদ্দীপনায় ভাটা পড়েনি। যখন তিনি বিলেতে আসেন তখন ভরা যৌবন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে বন্ধ-ুবান্ধবদের নিয়ে সঙ্গীতচর্চা অব্যাহত রাখেন। বন্ধু-বান্ধব মিলে চিত্ত বিনোদনের জন্য গানের আসরে মিলিত হন নিয়মিত। এশকের আশিক হয়ে প্রাণের কথা গানে লিখতে শুরু করেন। ‘‘সবুজ আসর নামে‘‘ একটি গানের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন ওল্ডহ্যামে। পীর মোহাম্মদ শাহ ইসকন্দর মিয়ার তের খন্ডে রচিত গানের সংখ্যা দেড় হাজারেরও অধিক। ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ইসকন্দর গীতি প্রথম খন্ড প্রকাশিত হয় ১০১টি গান নিয়ে দ্বিতীয় খন্ড প্রকাশিত হয় ১১৪টি গান নিয়ে। পরে সংশোধিত আকারে ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে ১০১টি গান নিয়ে ইসকন্দর গীতি দ্বিতীয়বার পুনঃমুদ্রণ করা হয়। ইসকন্দর গীতি দ্বিতীয় ও তৃতীয় খন্ড একত্রে প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালের ফেব্রƒয়ারী মাসে। দ্বিতীয় খন্ডে গানের সংখা ১১৪টি ও তৃতীয় খন্ডে গানের সংখ্যা ১১৫টি। ইসকন্দর গীতি চতুর্থ ও পঞ্চম খন্ড একত্রে প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালের মে মাসে। চতুর্থ খন্ডে গানের সংখ্যা ১৩৩টি আর পঞ্চম খন্ডে গানের সংখ্যা ১৪৫টি। ২০০৭ সালে তার লিখা গান নিয়ে দুটি গানের সিডি প্রকাশ করে ঢাকার একটি প্রতিষ্টান, রূহি ঠাকুর সহ সিলেট অঞ্চলের বহু বাউল তার গানে গেয়ে প্রতিষ্টা পেয়েছেন। মরমী কবি পীর মোহাম্মদ শাহ ইসকন্দর মিয়া প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় তখন কবি প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। ওল্ডহ্যামে প্রবাসী বাঙ্গালীদের সংগঠিত করা বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত আদায়ে কাজ করেন। তখন লন্ডনে অবস্থানরত বিচারপতি আবুসাঈদ চৌধুরীর সাথে কাজ করেন। সুদুর ওল্ডহ্যাম থেকে লন্ডনে এসে প্রতিটি মিছল মিটিং-এ অংশ নেওয়া সহ আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে প্রতিটি সভা সমিতিতে তিনি পালন করেন অগ্রণী ভূমিকা। একজন মরমী কবি হিসেবে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য মহাকবি সৈয়দ সুলতান সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ সুলতাশী হাবেলী হবিগঞ্জ তাঁকে ২০০১ সালে পুরস্কার প্রদান করে। মরহুমের দ্বিতীয় পুত্র কবি শাহ মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে তার পিতার রুহের মাগফেরাত কামনায় সকলের দোয়া চেয়েছেন, মরমী কবি ইস্কন্দর মিয়ার মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক-গবেষক মতিয়ার চৌধুরী, গবেষক এডভোকেট মোমিনুল হক, সাংবাদিক হান্নান মিয়া, আওয়ামীলীন নেতা আজিজুর রহমান দাড়া। শোক বার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোক সমন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

রিদওয়ান মাইশার বিয়ে সম্পন্ন

লন্ডনঃ মোহাম্মদ রিদওয়ান রহমান ও মাইশা মোমতাজ সালামের এর বিয়ে ও ওয়ালিমা গেল সাত আগষ্ট সন্ধ্যায় রমফোর্ডের সিটি প্যাভিলিয়নে সম্পন্ন হয়েছে। বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা গয়াছুর রহমান গয়াছ ও রাজনীতিবিদ মিনা রহমান দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র মোহাম্মদ রিদওয়ান রহমানের বিয়েতে বর-কনেকে আশির্বাদ দিতে রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক কমিউনিটি সংগঠক সহ বৃটেনের বাঙ্গালী কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা উপস্থিতি ছিলেন।

বিশ্বে শান্তি এবং সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের সকলকে মহানবীর প্রদর্শিত পথে চলতে হবে

লন্ডনঃ ইসলাম শান্তির ধর্ম ইসলামে সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদের স্থান নেই, আমাদের প্রীয় নবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) শান্তির বাণী নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন, বিশ্বে শান্তি এবং সাম্য প্রতিষ্টা করতে হলে আমাদের সকলকে মহানবীর প্রদর্শিত পথে চলতে হবে। আহমদিয়া মুসলিম এ্যাসোসিয়েশন বাংলাডিপার্টমেন্ট আয়োজিত সিরাত-উন-নবী (সঃ) বার্ষিক জলসায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা 2বলেন বর্তমান সময়ে একটি গোষ্টী পবিত্র ধর্ম ইসলামের নাম ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামের সাথে এদের কোন সম্পর্ক নেই, এরা পবিত্র ধর্ম ইসলামকে কলংকিত করছে, এরা ইসলাম এবং মানবতার শত্রু। গতকাল ৬ আগষ্ট দুপুরে ইষ্টলন্ডনের বায়তুল আহাদ মসজিদে ড. আব্দুল্লাহ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জলসায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত আহমদিয়া মুসলিম এ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের জাতীয় আমীর মোবাশ্বের উর রহমান।
অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওত করেন ফোয়াদ আলম, এর ইংরেজী তরজমা করেন আফজাল জাকারিয়া, বাংলা অনুবাদ তুলে ধরেন সৈয়দ মোহাম্মদ, নাশিদ পরিবেশন করেন তাইয়েদ আলম, অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিরাতু-উন-নবী (সঃ) আয়োজক কমিটির কনভেনার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাদী, খোদা প্রেরিত শান্তির দূত হযরত মুহম্মদ (সঃ) শীর্ষক আলোচনা করেন আহমদিয়া মুসলিম এ্যসোসিয়েশন বাংলাডিপার্টমেন্ট সেন্ট্রোল ইনচার্জ মৌলানা ফেরোজ আলম, দয়াল নবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) শীর্ষক আলোচনা করেন আহমদিয়া মুসলিম এ্যসোসিয়েশন বাংলাদেশের জাতীয় আমীর মোবাশ্বের উর রহমান, প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশ নেন জলসায় আগত অতিথিরা, ড. আব্দুল্লাহ জাকারিয়ার ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্যদিয়ে অলোচনা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। বিশ্বমাববতার কল্যাণ কামনায় নীরব মোনাজাতের মাধ্যমে জলসার সমাপ্তি ঘটে।

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখা’র মতবিনিময় সভা

লন্ডনঃ যেখানেই মানবতা লংঘিত হচ্ছে সেখানেই হিউম্যান রাইট কমিশন। বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন জন্মলগ্ন থেকে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। এমন্তব্য লন্ডন সফররত বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট সাংবাদিক ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী’র। তিনি বলেন, সমাজ থেকে অন্যায়, অনিয়ম এবং অবিচার দূর করতে হলে প্রতিটি মানবাধিকার কর্মিকে প্রকৃত সেবার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সেন্ট্রাল লন্ডনের ডামন স্ট্রিটের ফালাহিল কাফে রেস্তোঁরায় বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এমন্তব্য করেন।
তিনি হবিগঞ্জে হিউম্যান রাইটকমিশনের কার্য্যক্রমের বিবরন তুলে ধরে বলেন হিউম্যানরাইট কমিশন হবিগঞ্জ ইউনিট অসহায় ও অতিদরিদ্রদের জন্যে বিনামূল্যে আইনী সেবা চালু করেছে আর এতে এগিয়ে এসেছেন হবিগঞ্জ বারের কয়েকজন আইনজীবি। তিনি বলেন জেলার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি মাসের শেষ শনিবার হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট নিয়মিত সভা করে থাকে। তিনি যুক্তরাজ্যের হিউম্যান রাইট কমিশনের সদস্যদের বাংলাদেশে গেলে হবিগঞ্জ ইউনিট পরিদর্শনের আহবান জানান। বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখার প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আব্দুল আহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী জেনারেল তারাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএইচআরসি‘র ইউরোপীয়ান এম্বেসেডর সহিদুর রহমান, বিএইচআরসি ইংল্যান্ড শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সেক্রেটারী আব্দুল হাফিজ বক্কর, প্রেস সেক্রেটারী সাংবাদিক ফজলুল হক,ইউকে শাখার উপদেষ্টা শাহাব উদ্দিন সাবুল, ইউকে শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা চৌধুরী, কবীর মিয়া , কুতুব উদ্দিন প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল আহাদ চৌধুরী ইউকে এবং ইউরোপে বিএইচআরসি‘র কার্য্যক্রম তুলে ধরে বলেন ইংল্যান্ড এবং ইউরোপে বিএইচআরসি‘র শতাধিক সদস্য কাজ করছেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে ইসরাইলী সেনাবাহিনী কর্তৃক পিলিস্থিনীদের উপর নির্যাতন ও মসজিদে নামাজ আদায় করতে বাধা প্রদানে উদবেগ প্রকাশ করেন।

পরলোকে সমাজ সেবী মনোহর আলী

লন্ডনঃ ব্রিটিশকারী এওয়ার্ডের প্রবর্তক ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি‘র (বিবিসিসিআই)এর প্রেসিডেন্ট এনাম আলী এমবিই‘র পিতা সিলেট সিটির জিন্দাবাজারের বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রবীণ মূরব্বী আলহাজ্ব মনোহর আলী আর নেই (ইন্নালিল্লা…হি..রাজিউন)। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ২রা আগষ্ট সকালে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধ্যক্য জনিত রোগে ভোগছিলেন মৃত্যুকালে তিনি পাঁচ পুত্র, তিন কন্যা, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামী ৪ আগষ্ট শুক্রবার বাদ জুমা সিলেটে হযরত শাহ জালাল (রঃ) এর দরগা প্রাঙ্গনে নামাজে জানাজা শেষে দরগা কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হবে। মরহুমের মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম,সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সাংবাদিক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তিকামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

শোকের মাস আগষ্ট

শোকের মাস আগস্ট মাসের প্রথম দিন আজ মঙ্গলবার। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল বহু নেতাকর্মীকে। ফলে এ মাসটি এ দেশে বড়ই শোকের। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করা হবে রাষ্ট্রীয়ভাবে। তবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো শোকাবহ এ মাসজুড়েই নানা কর্মসূচি পালন করবে।

উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আজ (০১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে কৃষক লীগের আয়োজনে রক্তদান কর্মসূচি। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে যুবলীগের আয়োজনে সকাল ১০টায় শিল্পকলা একাডেমির তৃতীয় তলায় ৬ নম্বর গ্যালারিতে মাসব্যাপী বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক সংবাদচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ঢাকা মহানগর উত্তর তাঁতী লীগের আয়োজনে দুপুর দেড়টায় বনানী কবরস্থানে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় গুলশান ২ নম্বর সার্কেলে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে মানববন্ধন করবে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। ৪ আগস্ট শুক্রবার শহীদ শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের আয়োজনে হবে আলোচনাসভা।

৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় গুলশান ২ নম্বর সার্কেলে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে মানববন্ধন করবে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। ৪ আগস্ট শুক্রবার শহীদ শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের আয়োজনে হবে আলোচনাসভা। ৫ আগস্ট সকাল ৮টায় ধানমণ্ডি আবাহনী ক্লাব প্রাঙ্গণে শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে শ্রদ্ধার্ঘয অপর্ণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে।
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে ৬ আগস্ট সব বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, উপজেলা শাখা মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ করবে।

বঙ্গমাতা শহীদ ফজিলাতুননেসা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে ৭ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মহিলা শ্রমিক লীগ বনানী কবরস্থানের সামনে মোমবাতি প্রজ্বালন করবে।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর আয়োজনে ৮ আগস্ট সকাল সাড়ে ৮টায় বনানী কবরস্থানে বঙ্গমাতা শহীদ ফজিলাতুননেসা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে শ্রদ্ধার্ঘয অর্পণ, কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি রয়েছে। সকাল ১১টায় ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে আলোচনাসভা হবে।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের উদ্যোগে ১০ আগস্ট বিকেল ৫টায় সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে হবে আলোচনাসভা। যুব মহিলা লীগের উদ্যোগে ১২ আগস্ট বিকেল ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে হবে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনাসভা।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সূর্য উদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সংগঠনের সব স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমণ্ডিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল সাড়ে ৭টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘয নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল হবে।

সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘয নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি রয়েছে। টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষে জাতীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। বাদ জোহর দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হবে। সুবিধামতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন থাকবে। দুপুরে অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থ মানুষের মধ্যে করা হবে খাদ্য বিতরণ। বাদ আসর বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৬ আগস্ট আওয়ামী লীগের উদ্যোগে হবে আলোচনাসভা। ২০০৫ সালে সারা দেশে সিরিজ বোমা হামলাকারীদের বিচার দাবিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে ১৭ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করা হবে।

স্বপরিবারে হজ্বে যাচ্ছেন সহিদুর রহমান

লন্ডনঃ বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন ইংল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ও ইউরোপীয়ান এম্বেসেটর ব্রিটিশ বাংলাদেশী ক্যাটারারর্স এসোসিয়েন (বিবিসিসিএ) এর যুগ্ম সম্পাদক ও ওয়েষ্টলন্ডন আওয়ামীলীগের যুগ্মসম্পাদক মোহাম্মদ সহিদুর রহমান আগামী ১১ আগষ্ট স্বপরিবারে হজ্ব পালন করতে সৌদি আরব যাচ্ছেন। সময় স্বল্পতার কারনে সবার সাথে যোগোগ করতে পারেননি। তিনি সকলের দোয়া চেয়েছেন।

Mina Rahman selected by the Conservative Party

Ansar Ahmed Ullah : Mina Rahman has been selected by the Conservative Party to contest at the next election to be held in the UK. In a letter dated 27 July addressed to Mina Rahman it informed her of being placed on the Westminster Approved List for the next general election.
On hearing the news Mina Rahman said she was delighted to be back on the approved list. Mina Rahman was previously the Barking perspective parliamentary candidate (PCC) for the 2015 general election.
Mina Rahman believes it’s vital that local people have a strong voice in Parliament, someone who fights for their concerns and stands up for the community.
Mina has worked in the public sector for the last 31 years in housing and the NHS. She grew up in Tower Hamlets but now lives in Barking area with her family. She is married to BASOD politician & community activist Goyasur Rahman Goyas. To date she is the only candidate of Bengali origin chosen by the Conservative Party.

পুলিশ হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পূর্ব লন্ডনে দাঙ্গা

লন্ডনঃ রাশান চার্লস নামে পুলিশ হেফাজতে কাল এক যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে ইষ্টলন্ডনে পুলিশের সাথে প্রতিবাদকারীদের দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছে।২৮জুলাই শুক্রবার বিকাল থেকে শনিবার ভোররাত পর্যন্ত এই দাঙ্গা হয়েছে ইস্ট লন্ডনের হ্যাকনি কাউন্সিলে। প্রশ্নবিদ্ধ এই মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে বিক্ষোভ শুরু হয় ডালস্টোন এলাকার কিংসল্যান্ড রোডে।
1
পুলিশের হাতে প্রশ্নবিদ্ধ মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন বেনারের পাশাপাশি কেউ কেউ ‘ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার্স’ লিখা বেনার ফেস্টুন নিয়েও আসেন। রাত ৮টার দিকে ধীরে ধীরে বিক্ষোভ অগ্নিমূর্তি ধারণ করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। কালো মুখোশধারী কিছু বিক্ষোভকারী রাস্তায় অসংখ্য বিন, ম্যাট্রেস ইত্যাদিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। রাত প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে দাঙ্গা পুলিশ ধীরে ধীরে তাদের কাছে যাবার চেস্টা করলে পুলিশের উপর আক্রমণ শুরু হয়। এ সময় পুলিশকে উদ্দেশ্য করে ইট-পাটকেল, বোতল, আগুন বোমা নিক্ষেপ শুরু করে বলে পুলিশ জানায়। এ সময় মুখোশধারীরা স্থানীয় দোকানপাটও ভাংচুর করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কালোদের সাথে সাদা এবং এশিয়ান লোকজনও দাঙ্গায় অংশ নেন। রাত প্রায় ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ। এ সময় ১০ থেকে ১৫ টি দাঙ্গা পুলিশের ভেন সেখানে ছিল বলে এক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এছাড়াও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ঘোড়া এবং হলিকপ্টারও ব্যবহার করে।
উল্লেখ্য ২০ বছর বয়সী রাশানকে ২২ জুলাই গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের প্রায় এক ঘন্টা পর রয়েল লন্ডন হাসপাতালের মৃত্যুবরণ করে সে। তার প্রশ্নবিদ্ধ মৃত্যুর কারণ জানতে ওই দিন থেকেই বিক্ষোভ করে আসছেন স্থানীয়রা। তাড়া করে স্থানীয় দোকানের ভেতর গ্রেফতারের সময় হ্যান্ডকাফ পরা রাশানকে নিয়ে দু’জন পুলিশ অফিসার মাঠিতে পড়ে ধস্তাধস্তি করছেন, এমন একটি সিসিটিভি ফুটেজ তাৎক্ষনিকভাবেই সামাজিক মাধ্যমে আসে। তবে পুলিশের ধাওয়ার মধ্যে রাশান কিছু একটা গিলার চেস্টা করছিল বলে দাবী পুলিশের। সেটা বের করার জন্যে তার গলায় অতিমাত্রায় চাপাচাপির কারনে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। যদিও দ্যা ইন্ডিপেনডেন্ট পুলিশ কমপ্লায়েন্স কমিশন রাশানের মৃত্যুর কারণ উদ্ধারে তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে রাশানের পরিবার থেকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিক্ষোভ প্রতিবাদ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net