শিরোনাম

আন্তর্জাতিক

২১ ২২ ও ২৩ অক্টোবর সিলেটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী এনআরবি বিজনেন্স কনভেনশন

মতিয়ার চৌধুরীঃ ্ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্টির (বিবিসিসিআই) উদ্যোগে এবং সিলেট চেম্বারের সহযোগীতায় প্রথম বারেরমত সিলেটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিন দিনব্যাপী এনআরবি (অনাবাসী বাংলাদেশী) বিজনেন্স কনভেনশন ২০১৭। এই অনুষ্টানকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত অনাবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা। কনভেশনকে সফল করতে সিলেটে চলছে নানা প্রস্তুতি। ২১,২২ ও ২৩ অক্টোবর আবুল মাল আব্দুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিতব্য এই কনভেনশনকে সফল করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক প্রবাসী এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। কনভেনশনের মূল উদ্যোক্তা বিবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট ও ব্রিটিশ কারি এওয়ার্ডের প্রবর্তক আন্তর্জাতিক ইভেন্ট মাষ্টার এনাম আলী এমবিই সিলেটে অবস্থান করে এর সবদিক তদারকি করছেন। মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকা, ইউরোপ ও অষ্ট্রেলিয়া সহ বিশ্বের ৩০টি দেশের এনআরবি প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দেশের পক্ষে কনভেনশনে পতাকা উত্তোলন করবেন বলে জানিয়েছেন বিবিসিসিআই লন্ডন রিজিওনের প্রেসিডেন্ট বশির আহমদ। এই কনভেনশনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেশে বিনিয়োগ সমস্যা, সম্ভাবনা ও সাফল্যকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে। এই কনভেনশনে নতুন বাংলাদেশ গঠনে প্রবাসীদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিবিসিসিআই প্রস্তাবিত বছরের একটি দিনকে এনআরবি ডে ঘোষনার দাবী উত্থাপন করা হবে দেশবাসী ও সরকারের কাছে। এখানে উল্লেখ্য যে, গেল কয়েক বছর যাবত বিবিসিসিআই‘র নেতৃত্বে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা বছররের যেকোন একটি দিনকে এনআরবি ডে হিসেবে ঘোষানার দাবী জানিয়ে আসছেন। দেশে অবস্থানরত বা বিশ্বের যেকোন প্রান্থ থেকে প্রবাসীরা রেজিষ্টেশনের মাধ্যমে কনভেনশনে যোগ দিতে পারবেন। এব্যাপারে বিস্তারিত জানতে (০০৪৪) ০৭৯৪৭ ৯৮৫৬১৮ নাম্বারে যোগাযোগ করলে সব তথ্য পাওয়া যাবে, যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী নেতা শফিকুল ইসলাম বিবিসিসিআই‘র পক্ষ থেকে কনভেনশনকে সফল করতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

মিয়ানমারে হিন্দু রোহিঙ্গাদের গণকবর — বিচার দাবি ভারতের

মিয়ানমারে চলমান রোহিঙ্গা সংকটের মধ্যেই দেশটির রাখাইন রাজ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের যে গণকবর পাওয়ার খবর বেরিয়েছে তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। সেইসঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিচার দাবি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাভীশ কুমার শুক্রবার এ দাবি জানান। তিনি বলেন, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলরের দফতর থেকে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, গণকবরের সব লাশ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের। এ ছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত খবরও তারা প্রত্যক্ষ করেছেন বলে উল্লেখ করেন।তার দেশ যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কাজের নিন্দা জানায় উল্লেখ করে কুমার বলেন, ‘চলমান দ্বন্দ্বে বেসামরিক লোকদের টার্গেট করা হচ্ছে এমন যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কাজের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের সরকার বিচারের আওতায় আনতে পারবে বলে আমরা আশা করছি। আমরা এও আশা করছি, সংশ্লিষ্টদের পরিবারকে নিরাপত্তাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।’প্রসঙ্গত, মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে সম্প্রতি একটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং সেই গণকবরে থাকা সব লাশ হিন্দুদের বলে জানায় মিয়ানমার সরকার।রাভীশ কুমার আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের আক্রান্ত লোকদের জন্য আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।’এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ভারত ও বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুর ওপর নজর রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

৮৪% রোহিঙ্গা রাখাইন থেকে বিতাড়িত আইওএম‘র হিসেব ১৯৭০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১১ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থী হয়েছে

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন চলছেই। এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, মিয়ানমার বাহিনীর নির্যাতনের মুখে ইতোমধ্যে ৮৪ শতাংশ রোহিঙ্গা দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। তুরস্কের আনাদুলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, ১৯৭০ সাল থেকে ৮০ শতাংশ রোহিঙ্গা মুসলিম নিজ জন্মভূমি রাখাইন রাজ্য ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থী হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মতে, ১৯৭০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১১ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, ভারত এবং গালফ ও এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলোতে শরণার্থী হয়েছেন। ইউরোপিয়ান কমিশন এক রিপোর্টে বলেছে, ২০১৭ সালের শুরুর দিকেও রাখাইনে আনুমানিক ৮ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমের বসবাস ছিল। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে মিয়ানমার সেনার অভিযানের পর থেকে সংঘাতে ৫ লাখ এক হাজার রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের ধারণা, আর মাত্র ৩ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাণ বাঁচাতে ১৬ লাখের মতো রোহিঙ্গা প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। আর এসব তথ্যের ভিত্তিতে এটা স্পষ্ট, ১৯৭০ সাল থেকে ৮৪ শতাংশের (প্রায় ১৯ লাখ) কাছাকাছি রোহিঙ্গ মুসলিম মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়েছেন।
আর মাত্র ১৬ শতাংশ রোহিঙ্গা দেশটিতে রয়েছেন। এই সংখ্যায় প্রমাণ করে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে কতটা জাতিগত নিধনের শিকার! সাম্প্রতিক সংঘাতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বৌদ্ধরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। তারা নির্বিচারে রোহিঙ্গা নারী, শিশু ও পুরুষদের হত্যা করে। গ্রামবাসীদের অকথ্য নির্যাতন ও বাড়িঘরে আগুন দিয়ে লুটপাট চালায়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, গত ২৫ আগস্টের পর থেকে রাখাইনে ৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। আর প্রাণ বাঁচাতে নাফ নদী পাড়ি দিতে গিয়ে নারী-শিশুসহ দেড় শতাধিক রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনি গুতেরেস বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বলেন, রাখাইনে সহিংসতা রোহিঙ্গাদের খুব দ্রুতই বিশ্বের বড় উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠীতে পরিণত করেছে, যা মানবিকতা ও মানবাধিকারের জন্য দুঃস্বপ্নের জন্ম দিয়েছে। ২০১২ সালেও একই ধরনের সংঘাতে রাখাইনে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৮২ সালে মিয়ানমার সরকার জাতীয়তা বিষয়ক আইন পাস করে, যেখানে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করা হয়। এরপর থেকেই রাষ্ট্রহীন এই মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বিড়াতনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কাজ শুরু করে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

বিসিএ ইস্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নতুন কমিটি ।। সাইফুল প্রেসিডেন্ট ফিরুজুল সেক্রেটারি এ কে চৌধুরী ট্রেজারার

লন্ডনঃ ব্রিটেনে বাঙালির ঐতিহ্যের স্মারক বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন (বিসিএ) এর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে ক্যাটারার্স নেতা সাইফুল আলমকে প্রেসিডেন্ট ফিরুজুল হককে EC Comittee-1সেক্রেটারী ও এ কে চৌধুরীকে ট্রেজারার করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট ইস্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর লুটনের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের উপস্EC comittee-2থিতিতে ২১সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ক্যাটারার্স নেতা ফজল উদ্দিন, মোজাহিদ চৌধুরী ও মিঃ সোলায়মান জেপি।

বিসিএ ইস্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নব-নির্বাচিত কর্মকর্তারা হলেন প্রেসিডেন্ট সাইফুল আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট জিয়া আলী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মালিক উদ্দিন, সেক্রেটারি ফিরুজুল হক, জয়েন্ট সেক্রেটারি সাফওয়ান চৌধুরী, ট্রেজারার এ কে চৌধুরী, জয়েন্ট ট্রেজারারর শাহাব উদ্দিন, অর্গেনাইজিং সেক্রেটারী হুমায়ুন রশিদ, মেম্বারশীপ সেক্রেটারি সিদ্দিকুর রহমান জয়নাল, পাবলিকেশন সেক্রেটারি ছুরুক মিয়া, কার্যকরী কমিটির সদস্যরা হলেন, বশির আহমদ চৌধুরী, সুরুক মিয়া, ফরহাদ আহমদ, নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ মোস্তফা, বজলুর রশিদ ছালিম, শরীফ চৌধুরী, তাহির উল্লাহ খান, আবু বক্কর সিদ্দিক, আকলিছ মিয়া ও মন্নান চৌধুরী।

নির্বাচন প্রত্যক্ষ করতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিoneলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বজলুল রশিদ এমবিই, সাবেক প্রেসিডেন্ট পাশা খন্দকার, বর্তমান প্রেসিডেন্ট কামাল ইয়াকুব সাবেক সেক্রেটারি এম এ মুনিম বর্তমান সেক্রেটারি অলি খান, ট্রেজারার সাইদুর রহমান বিপুলসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নতুন কমিটির সফলতা কামনা করেন ও নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি ট্রেজারারসহ সকলকে অভিনন্দন জানান। কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিতদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাইফুল আলম বলেন দীর্ঘ দিন যাবত ক্যাটারার্স এর সাথে আছি কেন্দ্রীয় কমিটির মেম্বারশীপ সেক্রেটারী হিসেবে সংগঠনকে গতিশীল করতে কাজ করেছি। এখন দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। এই রিজিওনটি হচ্ছে সব চাইতে বড়, আমি রিজিওন ওয়ানকে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই যা অন্যদের জন্যে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

স্বাধীনতা বিরোধীদের অপপ্রচারের কারনে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশীদের ভূল ধারনা পাল্টে দিয়েছেন নাদিম কাদির বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্টানে বক্তারা

লন্ডনঃ নাদিম কাদির লন্ডনে মিনিষ্টার প্রেস হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বেশ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। লন্ডনের বাংলামিডিয়া এবং বৃটেনের বাঙ্গালী কমিউনিটির সাথে বাংলাদেশ মিশনের সুসম্পর্ক তৈরী, অন্য দিকে বৃটেনের মেইনষ্টীম মিডিয়ায় লেখনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রজেটিভ দিকগুলো সফল ভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি অত্যন্ত সুদক্ষভাবে বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন মূলক দিক গুলো বৃটেনের পত্রপত্রিকায় তুলে ধরেছেন যা ইতিপূর্বে লক্ষ্য করা যায়নি। অনেক বিদেশী আছেন যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের অপপ্রচারের কারনে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভূল ধারনা পোষন করতেন নাদিম কাদির তাদের সেই ধারনা পাল্টে দিয়েছেন। তিনি একাধারে একজন সফল সাংবাদিক এবং দক্ষ কুটনীতিক । তিনি লন্ডনে থাকলে বৃটেনের বাঙ্গালী কমিউনিটি এবং দেশ আরো উপকৃত হত।
pict-2
যুক্তরাজ্য ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটি আয়োজিত লন্ডন মিশনের প্রেসমিনিষ্টার নাদিম কাদিরের বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্টানে বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন তিনি একজন সাদা মনের মানুষ যেখানেই যান না তার কাজে দেশ এবং জাতি উপকৃত হবে, বক্তরা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু এবং সফলতা কামনা করেন। গতকাল ১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় ইষ্টলন্ডনের আমারগাঁও রেস্তুরায় যুক্তরাজ্য ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির অনারারী প্রেসিডেন্ট প্রবীণ সাংবাদিক ইসহাক কাজলের সভাপতিত্বে ও নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জামাল খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সাংবাদিক আনসার আহমেদ উল্লাহ, যুক্তরাজ্য ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, এটিএন বাংলার প্রেজেন্টার সাংবাদিক উর্মি মজহার, বাংলাটিভির নিউজ এডিটর মিলটন রহমান, নির্মূল কমিটির সহকারী সেক্রেটারী স্মৃতি আজাদ, সাংগঠননিক সম্পাদক রুবি হক, কমিউনিটি নেতা গয়াছুর রহমান গয়াছ, নির্মুল কমির কোষাধ্যক্ষ শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, সদস্য বাতিরুল হক সরদার, সদস্য বাছিরুল হক, সাংবাদিক হামিদ মোহাম্মদ,কমিউনিটি নেতা শেখ আশরাফুজ্জামান,নারীনেত্রী হোসনেয়ারা মতিন, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাষ্টের সাবেক সেক্রেটারী আঙ্গুর আলী, সাবেক ডেপুটি মেয়র শহীদ আলী, সাংবাদিক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক সরওয়ার হোসেন, সাংবাদিক হেফাজুল করিম রাকিব, গণজাগরণ মঞ্চের সিনথিয়া আরেফিন, শিল্পি গৌরি চৌধুরী,রাইসুল ইসলাম. মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাদি, মিঠু আজাদ. তপু আহমেদ. ডালিয়া রহমান, ব্যারিষ্টার ফারা, সালমা আক্তার, ফাতেমা নার্গিস, মোসস্তফা কামাল মিলন সালমা আক্তার প্রমুখ। নাদিম কাদির বলেন আপনারা আমাকে আপন করে নিয়েছেন যেখানেই যাই না কেন আপনাদের সাথে আমার সম্পর্ক থাকবে। তিনি বলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন এবং দেশের সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি অটুট রাখতে আমাদের সকলকে শেখ হাসিনার পাশে দাড়াতে হবে।

ধর্মীয় লেবাসে জঙ্গীবাদ বিস্তারের প্রবণতা রুখতে সচেতনতার বিকল্প নেই

সুইডেন প্রতিনিধিঃ সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আয়োজিত সন্ত্রাস বিরোধী এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, ধর্মীয় লেবাসে জঙ্গীবাদ বিস্তারের প্রবণতা রুখতে সচেতনতার বিকল্প নেই। সরকারী একশনের পাশাপাশি জনগনকে ঐক্যবদ্ধ করে এই অপতৎপরতা রুখতে হবে। গত ৮ সেপ্টেম্বর , শুক্রবার সুইডেনের স্টকহোল্ম এ সন্ত্রাস বিরোধী এই সেমিনারে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সুইডেন এর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তরুণ কুমার চৌধুরীর পরিচালনায় সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সুইডেনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সুইডেন এর জেনারেল সেক্রেটারি আন্না লিন্ডেনফোর্স ,স্টকহোম কাউন্টির সাবেক বিচারপতি সৈয়দ আসিফ শাখার, ইউএন এ উপসালার সভাপতি মোনা স্ট্রিন্ডবার্গ, সুইডিশ পেন এর জেনারেল সেক্রেটারি আন্না লিভিয়ান ইনগরভার্সণ, এরিক রোভা হেডলুন্ড, ডেনমার্ক ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক ড.বিদ্যুৎ বড়ুয়া, আরেফ মাহবুব ও নাজমুল হাসানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।বক্তারা বলেন, সন্ত্রাসবাদ বর্তমানে গ্লোবাল সমস্যা। কোন দেশের একার পক্ষে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। এটি মোকাবেলায় বিশ্বের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার প্রধান শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন বক্তারা। তারা বলেন, রাজনৈতিক আশ্রয়ে কোন দেশে জঙ্গিবাদ লালন করা হলে সেখানে তা নির্মূল করা সহজ হয় না। ধর্মীয় লেবাস ব্যবহার করে জঙ্গিবাদ যাতে বিস্তৃত না হয় সেই জন্য সচেতনতা তৈরী করতে হবে। সেমিনারের শেষ পর্বে শাহরিয়ার কবির এর ‘আল্টিমেট জিহাদ’ ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খলিলুর রহমান, তসলিমা মুন, সফিকুল ইসলাম লিটন, জুবাইদুল হক সবুজ, হেদায়েতুল ইসলাম শেলী, রানা হামিদ, শাহিনা খান, মুনিরুল ইসমাল নাহার মমতাজ ও শোভন প্রমুখ।

বাংলাদেশে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে লন্ডনে প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির করণীয় শীর্ষক সেমিনার

লন্ডনঃ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্থান বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির করণীয় শীর্ষক এক সেমিনার গতকাল ৩রা সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে ইষ্ট লন্ডনের চার্চহীল কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্টিত হয়। যুক্তরাজ্য ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটি আয়োজিত সেমিনারে কীনোট স্পীকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট মানবাধিকার নেতা ও ঘাতক-দালাল নিমূল কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর। কিনোট স্পীকারের বক্তব্যে সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর বলেন নাৎসী বাহিনী কর্তৃক গণহত্যা সহ বিশ্বব্যাপী প্রতিটি গণহত্যার আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত হলেও বাংলাদেশে যেখানে তিন মিলিয়ন মানুষকে হত্যাকরা হয় তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। বিশ্ববাসী বিষয়টি জানলেও ১৯৭৫পরবর্তিতে এবিষয়ে কোন কুটনৈতিক তৎপরতা হয়নি, বরং ৭৫ পরবর্তি সরকার গুলো বাংলাদেশকে পাকিস্তানী ভাবধারায় ফিরিয়ে নিতে সচেষ্ট ছিল।
বাংলাদেশে মানবতাবিরুধী অপরাধের বিচার হচ্ছে, শীর্ষ অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে তার পরেও কথা থেকে যায়, যেসব মানবতা বিরুধী অপরাধী মারা গেছে তাদের বিচারের আওতায় আনা যায়নি আইন করে এদেরও বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি। তিনি বলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন আইন রয়েছে, ইচ্ছে করলে যে কেহ প্রমান সহ এসব বিষয়ে মামলা করতে পারে। তিনি আরো বলেন এখনও আমরা যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে জামাতের বিচার করতে পারিনি, মানবতা বিরুধী সংগঠন গুলোকে নিষিদ্ধের দাবী জানান। যুক্তরাজ্য ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির অনারারী প্রেসিডেন্ট সাংবাদিক ইসহাক কাজলের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এনামুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রবীন সাংবাদিক ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আব্দুল গাফফার চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক নির্মুল কমিটির উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে তার ব্যবস্থা সরকারী ভাবে করতে হবে। দেশের মানুষ যাতে ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের দিকে ধাবিত না হয় সেলক্ষ্যে একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা জরুরী। বৃটেনে পালিয়ে থাকা ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মইনুদ্দিনকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে দন্ড কার্যকর করতে সরকারকে আরো উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানান তিনি। পরবর্তিতে প্রশ্নউত্তর পর্বে অংশ নেন ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির সহসভাপতি সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পুষিপতা গুপ্তা, গণজাগরণ মঞ্চের অজয়ন্তা দেব রায়, সাবেক কাউন্সিলার ও নির্মুল কমিটির উপদেষ্টা নুরুদ্দিন আহমদ, মিঃ স্মীথ ব্যাকার, শাহানা আখঞ্জি, প্রমুখ।

লন্ডনে চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন

লন্ডন: আজ থেকে ২১ বছর আগে খুনের শিকার চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে আবারও এমন অভিযোগ করে এর বিচার দাবি করেছেন লন্ডনে অবস্থানরত তার মা নীলা চৌধুরী।
সম্প্রতি সালমানকে হত্যা করা হয়েছে, সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই মামলার অন্যতম আসামী রুবির এমন ভিডিও স্বীকারাক্তির পর আট আগষ্ট মঙ্গলবার বিকেলে লন্ডনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিচারের দাবী জানান সালমান জননী নীলা চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে নীলা চৌধুরীর দুই ভাই বুলবুল ও জগলুল হায়াতও উপস্থিত ছিলেন।
রুবি’র ভিডিও স্বীকারাক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করে নীলা চৌধুরী বলেন ধর্মের ঢুল বাতাসে নড়ে। ২১ বছর ধরে প্রতিনিয়ত আমি বলে আসছি এটি আত্মহত্যা নয়, আমার ছেলেকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বারবার আমাকে থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ছেলে হত্যার বিচার চেয়েছি বলে আমাকেও হুমকি ধামকি এমন কি মেরে ফেলার চেষ্টা হয়।
সালমান শাহ’র মৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলা হিসেবে আমলে নিয়ে অবিলম্বে বিচার শুরুর আকুতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্যে নীলা চৌধুরী বলেন, আপনি আপনার পুরো পরিবার হারিয়েছেন, আমি হারিয়েছি আমার ছেলে। পরিজন হারানোর কি কষ্ট তা আমরা দুজনই অনুধাবন করতে পারি। একমাত্র আপনিই পারেন আমার ছেলে হত্যার বিচার আদায় করিয়ে দিতে।
আমেরিকা প্রবাসী রুবিকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের মাধ্যমে স্বাক্ষ্য গ্রহনের অনুরোধ জানিয়ে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘হত্যাকারীদের প্রভাব খর্ব করে একমাত্র প্রধানমন্ত্রীই পারেন এটি সম্ভব করতে’। সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাসহ বিভিন্ন হত্যাকান্ডের বিচার নিশ্চিতের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের প্রশংসা করে সালমান শাহ জননী নীলা বলেন, আমার ছেলে হত্যার বিচারেও এমন সাফল্য আসবে, এটি আমি বিশ্বাস করি। হত্যাকারীদের প্রভাবে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের সব আলামত নষ্ট করা হয়েছে এমন অভিযোগ করে নীলা চৌধুরী বলেন, আমি বারবার আবেদন জানিয়েছি আমার ছেলের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে হত্যকাণ্ড হিসেবে আমলে নিয়ে মামলা পরিচালিত হোক। আমেরিকা প্রবাসী রুবির সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও স্বীকারোক্তির পর আমার দাবিই সঠিক প্রমানিত হলো, হত্যামামলা হিসেবে আমলে নিতে এখনতো আর অসুবিধা থাকার কথা নয়। পুত্রের হত্যামামলা নিষ্পত্তি এবং বিচার না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাকে মরন না দেন সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রার্থনা করে সালমান জননী বলেন, আমি না পারলে আমার পরবর্তী প্রজন্মও এই বিচার আদায়ে সবসময় স্বক্রিয় থাকবে।

লন্ডনে বিসিসিআই’এর উদ্যোগে বৃটিশ হাই কমিশনার এলিসন ব্লেইক’কে সম্মাননা

বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রী (বিসিসিআই) ‘এর উদ্যোগে ১৯ জুলাই বুধবার দুপুরে লন্ডনে ঢাকায় নিযুক্ত বৃটিশ হাই কমিশনার ও বিসিসিআই পেট্রন এলিসন ব্লেইক’কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ইষ্টলন্ডনের ক্যানারী ওয়ার্ফে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিসিসিআই কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতৃবন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট এনাম আলী এমবিই’র সভাপতিত্বে ও লন্ডন রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট বশির আহমেদ’র সঞ্চালনায় অনুষিঠত অনুষ্টানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনস ফররত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনি এমপি, অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন বিসিসিআই’র সাবেক প্রেসিডেন্ট শাহগীর বখ্ত ফারুক ও ড. ওয়ালী তসর উদ্দীন, ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার খন্দকার মোহাম্মদ তালহা, আহমেদুস সামাদ চৌধুরী, বিসিসিআই নর্থ রিজিয়নের প্রেসিডন্ট মাহতাব মিয়া, বিসিসিআই ডাইরেক্টর জেনারেল সাইদুর রহমান রেনু প্রমুখ। বৃটিশ হাই কমিশনার এলিসন ব্লেইক সম্মাননার জবাবে বলেন, বিসিসিআই দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বিপুল অবদান রেখে চলেছে। এন আরবি’রা উভয় দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বৃটিশ হাই কমিশনার এলিসন ব্লেইক আসন্ন প্রবাসী কনভেনশনের সাফল্য কামনা করে বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ ও টু্রিজম উভয়ের জন্যই একটি অনবদ্য দেশ। রুশনারা আলীকে পুনরায় বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য দূত নিয়োগের কথা উল্লেখ করে দুইদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য গড়ে তুলতে বিসিসিআই’কে আরো কার্যকর ভুমিকা রাখার আহবান জানান।ব্রেক্সিট ইস্যুতে উদ্বেগ সম্পর্কে বৃটিশ সরকারের সচেতনতা রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ইউরোপে বাংলাদেশী পণ্যের যে ডিউটি ফ্রী সুবিধা রয়েছ তা অব্যাহত রাখার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বৃটেন ইউরোপের মধ্যে বাংলাদেশী পণ্যের দ্বিতীয় প্রধান ভোক্তা দেশ। এটা নতুন প্রেক্ষাপটেও গুরুত্ব পাবে।
ভিসা প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে বর্তমান জটিলতার বিষয়ে তার সচেতনতার কথা উল্লেখ করে বলেন, দিল্লী থেকে ঢাকায় স্থানান্তরে কিছু করণীয় না থাকলেও ঢাকার কর্মকর্তারা যাতে তাদের লোকাল জ্ঞানকে এক্ষেত্রে আরো বেশী কাজে লাগাতে পারে, সে চেষ্টা তিনি অব্যাহত রাখবেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী নাগরিকত্ব আইনের খসড়া নিয়ে উদ্বেগের জের ধরে সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রবাসীদের নাগরিকত্ব ও মর্যাদা অক্ষুন্ন থাকবে। অক্টোবর সিলেটে গ্লোবাল এনআরবি বিজনেস কনভেনশন ২০১৭ সফল করতে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগীতার কথা উল্লেখ করে বলেন, কনভেনশনে প্রবাসীদের স্বাগত জানাতে তিনি নিজে উপস্থিত থাকবেন। ড. মশিউর রহমান ও ডা. দিপু মনি মুক্তিযুদ্বে বিলেত প্রবাসীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে এনআরবি বিজনেস কনভেনশন প্রবাসীদের স্বীকৃতি ও বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের অংশগ্রহণকে আরো সম্ভাবনা তৈরী করবে।
অনুষ্ঠানে সম্প্রতি ডেভিড ক্যামেরুনের বাংলাদেশ সফর এবং এবছরের ২১-২৩ অক্টোবর সিলেটে গ্লোবাল এনআরবি বিজনেস কনভেনশন ২০১৭- এর উপর নির্মিত দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। বিসিসিআই প্রেসিডন্ট অক্টোবরের কনভেনশনে সকলকে অংশ নেয়ার আহবান জানান।

কোন সংগঠনের উদ্যোগে নয়, তাই সভায় যোগ দেয় নি লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশন

লন্ডন প্রতিনিধিঃ লন্ডনে লর্ড কারলাইলের ডাকা “টেররিজম এন্ড দি রোল অব ল’’ বিষয়ক সেমিনারে উপস্থিত না হওয়ার কারণ সম্পর্কে গতকাল সন্ধ্যায় লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশন আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা বলেন, যেহেতু এই কনফারেন্সটি কোন সংগঠনের ব্যানারে ডাকা হয়নি, এ কারণে আমরা সব দিক বিবেচনা করে কনফারেন্স যোগা না দেবার সিদ্ধান্ত নেই এবং লন্ডন্থ বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে আয়োজকদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়া হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন তিনটি কারণে আমাদের ব্রিটেন সফর একটি হলো কনজারভেটিভ ফেন্ডস অব বাংলাদেশের সাথে বৈঠক, আগামী কাল বিবিসিসি আইয়ে‘র সাথে বৈঠক। দীপু মনি ও ড. গহর রিজবী আগে থেকেই ব্রিটেনে অবস্থান করছেন। কোন সংগঠনের ব্যানারে সেমিনার হলে তার গুরুত্ব থাকে যেহেতু এটি ছিল লর্ড কারলাইলের নিতান্তই এক জনের উদ্যোগের ব্যাপর। তিনি বলেন, অন্যান্য সময়ে ব্রিটেনের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় পার্লামেন্টারি গ্রুপ বা ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ফাউনেডশন সহ কয়েকটি সংগঠন সার্বিক ভাবে আয়োজন করায় আমারাও সেমিনারে যোগ দিয়েছি। ড. মশিউর রহমান বলেন, আজও কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের লাঞ্চ পার্টিতে কয়েকজন ব্রিটিশ এমপির সাথে আমাদের দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও উন্নয়নের বিষয় নিয়ে কথা হয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সন্ত্রাস দমনে আমাদের প্রশংসা করেছেন সকলেই । আমাদের সেমিনারে না যাওয়ার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকেও জানিয়েছি। আগামীকালও কয়েকজন ব্রিটিশ এমপির সাথে আমাদের আলাপ হবে। জামায়াতকে এই কনফারেন্সে আমন্ত্রণ জানানোর কারণে তারা সেমিনারে অংশ নেননি একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ডাঃ দীপু মনি বলেন, জামায়াত তো নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল নয়, আর বিএনপি এখন সংসদে নেই তারা জ্বালাও পোড়াও নিয়ে ব্যস্ত । কোন দল যদি নিবন্ধিত না হয় তার সাথে বসার প্রশ্নই আসেনা, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতকে আদালত চিহ্নিত করেছেন। লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের মিনিস্টার প্রেস নাদিম কাদিরের সঞ্চালনায় প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ড. মশিউর রহমান, ড.গহর রিজভী ও ডাঃ দীপু মনি।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net