শিরোনাম

আন্তর্জাতিক

লন্ডনে চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন

লন্ডন: আজ থেকে ২১ বছর আগে খুনের শিকার চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে আবারও এমন অভিযোগ করে এর বিচার দাবি করেছেন লন্ডনে অবস্থানরত তার মা নীলা চৌধুরী।
সম্প্রতি সালমানকে হত্যা করা হয়েছে, সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই মামলার অন্যতম আসামী রুবির এমন ভিডিও স্বীকারাক্তির পর আট আগষ্ট মঙ্গলবার বিকেলে লন্ডনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিচারের দাবী জানান সালমান জননী নীলা চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে নীলা চৌধুরীর দুই ভাই বুলবুল ও জগলুল হায়াতও উপস্থিত ছিলেন।
রুবি’র ভিডিও স্বীকারাক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করে নীলা চৌধুরী বলেন ধর্মের ঢুল বাতাসে নড়ে। ২১ বছর ধরে প্রতিনিয়ত আমি বলে আসছি এটি আত্মহত্যা নয়, আমার ছেলেকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বারবার আমাকে থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ছেলে হত্যার বিচার চেয়েছি বলে আমাকেও হুমকি ধামকি এমন কি মেরে ফেলার চেষ্টা হয়।
সালমান শাহ’র মৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলা হিসেবে আমলে নিয়ে অবিলম্বে বিচার শুরুর আকুতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্যে নীলা চৌধুরী বলেন, আপনি আপনার পুরো পরিবার হারিয়েছেন, আমি হারিয়েছি আমার ছেলে। পরিজন হারানোর কি কষ্ট তা আমরা দুজনই অনুধাবন করতে পারি। একমাত্র আপনিই পারেন আমার ছেলে হত্যার বিচার আদায় করিয়ে দিতে।
আমেরিকা প্রবাসী রুবিকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের মাধ্যমে স্বাক্ষ্য গ্রহনের অনুরোধ জানিয়ে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘হত্যাকারীদের প্রভাব খর্ব করে একমাত্র প্রধানমন্ত্রীই পারেন এটি সম্ভব করতে’। সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাসহ বিভিন্ন হত্যাকান্ডের বিচার নিশ্চিতের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের প্রশংসা করে সালমান শাহ জননী নীলা বলেন, আমার ছেলে হত্যার বিচারেও এমন সাফল্য আসবে, এটি আমি বিশ্বাস করি। হত্যাকারীদের প্রভাবে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের সব আলামত নষ্ট করা হয়েছে এমন অভিযোগ করে নীলা চৌধুরী বলেন, আমি বারবার আবেদন জানিয়েছি আমার ছেলের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে হত্যকাণ্ড হিসেবে আমলে নিয়ে মামলা পরিচালিত হোক। আমেরিকা প্রবাসী রুবির সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও স্বীকারোক্তির পর আমার দাবিই সঠিক প্রমানিত হলো, হত্যামামলা হিসেবে আমলে নিতে এখনতো আর অসুবিধা থাকার কথা নয়। পুত্রের হত্যামামলা নিষ্পত্তি এবং বিচার না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাকে মরন না দেন সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রার্থনা করে সালমান জননী বলেন, আমি না পারলে আমার পরবর্তী প্রজন্মও এই বিচার আদায়ে সবসময় স্বক্রিয় থাকবে।

লন্ডনে বিসিসিআই’এর উদ্যোগে বৃটিশ হাই কমিশনার এলিসন ব্লেইক’কে সম্মাননা

বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রী (বিসিসিআই) ‘এর উদ্যোগে ১৯ জুলাই বুধবার দুপুরে লন্ডনে ঢাকায় নিযুক্ত বৃটিশ হাই কমিশনার ও বিসিসিআই পেট্রন এলিসন ব্লেইক’কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ইষ্টলন্ডনের ক্যানারী ওয়ার্ফে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিসিসিআই কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতৃবন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট এনাম আলী এমবিই’র সভাপতিত্বে ও লন্ডন রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট বশির আহমেদ’র সঞ্চালনায় অনুষিঠত অনুষ্টানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনস ফররত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনি এমপি, অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন বিসিসিআই’র সাবেক প্রেসিডেন্ট শাহগীর বখ্ত ফারুক ও ড. ওয়ালী তসর উদ্দীন, ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার খন্দকার মোহাম্মদ তালহা, আহমেদুস সামাদ চৌধুরী, বিসিসিআই নর্থ রিজিয়নের প্রেসিডন্ট মাহতাব মিয়া, বিসিসিআই ডাইরেক্টর জেনারেল সাইদুর রহমান রেনু প্রমুখ। বৃটিশ হাই কমিশনার এলিসন ব্লেইক সম্মাননার জবাবে বলেন, বিসিসিআই দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বিপুল অবদান রেখে চলেছে। এন আরবি’রা উভয় দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বৃটিশ হাই কমিশনার এলিসন ব্লেইক আসন্ন প্রবাসী কনভেনশনের সাফল্য কামনা করে বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ ও টু্রিজম উভয়ের জন্যই একটি অনবদ্য দেশ। রুশনারা আলীকে পুনরায় বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য দূত নিয়োগের কথা উল্লেখ করে দুইদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য গড়ে তুলতে বিসিসিআই’কে আরো কার্যকর ভুমিকা রাখার আহবান জানান।ব্রেক্সিট ইস্যুতে উদ্বেগ সম্পর্কে বৃটিশ সরকারের সচেতনতা রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ইউরোপে বাংলাদেশী পণ্যের যে ডিউটি ফ্রী সুবিধা রয়েছ তা অব্যাহত রাখার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বৃটেন ইউরোপের মধ্যে বাংলাদেশী পণ্যের দ্বিতীয় প্রধান ভোক্তা দেশ। এটা নতুন প্রেক্ষাপটেও গুরুত্ব পাবে।
ভিসা প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে বর্তমান জটিলতার বিষয়ে তার সচেতনতার কথা উল্লেখ করে বলেন, দিল্লী থেকে ঢাকায় স্থানান্তরে কিছু করণীয় না থাকলেও ঢাকার কর্মকর্তারা যাতে তাদের লোকাল জ্ঞানকে এক্ষেত্রে আরো বেশী কাজে লাগাতে পারে, সে চেষ্টা তিনি অব্যাহত রাখবেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী নাগরিকত্ব আইনের খসড়া নিয়ে উদ্বেগের জের ধরে সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রবাসীদের নাগরিকত্ব ও মর্যাদা অক্ষুন্ন থাকবে। অক্টোবর সিলেটে গ্লোবাল এনআরবি বিজনেস কনভেনশন ২০১৭ সফল করতে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগীতার কথা উল্লেখ করে বলেন, কনভেনশনে প্রবাসীদের স্বাগত জানাতে তিনি নিজে উপস্থিত থাকবেন। ড. মশিউর রহমান ও ডা. দিপু মনি মুক্তিযুদ্বে বিলেত প্রবাসীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে এনআরবি বিজনেস কনভেনশন প্রবাসীদের স্বীকৃতি ও বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের অংশগ্রহণকে আরো সম্ভাবনা তৈরী করবে।
অনুষ্ঠানে সম্প্রতি ডেভিড ক্যামেরুনের বাংলাদেশ সফর এবং এবছরের ২১-২৩ অক্টোবর সিলেটে গ্লোবাল এনআরবি বিজনেস কনভেনশন ২০১৭- এর উপর নির্মিত দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। বিসিসিআই প্রেসিডন্ট অক্টোবরের কনভেনশনে সকলকে অংশ নেয়ার আহবান জানান।

কোন সংগঠনের উদ্যোগে নয়, তাই সভায় যোগ দেয় নি লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশন

লন্ডন প্রতিনিধিঃ লন্ডনে লর্ড কারলাইলের ডাকা “টেররিজম এন্ড দি রোল অব ল’’ বিষয়ক সেমিনারে উপস্থিত না হওয়ার কারণ সম্পর্কে গতকাল সন্ধ্যায় লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশন আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা বলেন, যেহেতু এই কনফারেন্সটি কোন সংগঠনের ব্যানারে ডাকা হয়নি, এ কারণে আমরা সব দিক বিবেচনা করে কনফারেন্স যোগা না দেবার সিদ্ধান্ত নেই এবং লন্ডন্থ বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে আয়োজকদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়া হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন তিনটি কারণে আমাদের ব্রিটেন সফর একটি হলো কনজারভেটিভ ফেন্ডস অব বাংলাদেশের সাথে বৈঠক, আগামী কাল বিবিসিসি আইয়ে‘র সাথে বৈঠক। দীপু মনি ও ড. গহর রিজবী আগে থেকেই ব্রিটেনে অবস্থান করছেন। কোন সংগঠনের ব্যানারে সেমিনার হলে তার গুরুত্ব থাকে যেহেতু এটি ছিল লর্ড কারলাইলের নিতান্তই এক জনের উদ্যোগের ব্যাপর। তিনি বলেন, অন্যান্য সময়ে ব্রিটেনের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় পার্লামেন্টারি গ্রুপ বা ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ফাউনেডশন সহ কয়েকটি সংগঠন সার্বিক ভাবে আয়োজন করায় আমারাও সেমিনারে যোগ দিয়েছি। ড. মশিউর রহমান বলেন, আজও কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের লাঞ্চ পার্টিতে কয়েকজন ব্রিটিশ এমপির সাথে আমাদের দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও উন্নয়নের বিষয় নিয়ে কথা হয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সন্ত্রাস দমনে আমাদের প্রশংসা করেছেন সকলেই । আমাদের সেমিনারে না যাওয়ার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকেও জানিয়েছি। আগামীকালও কয়েকজন ব্রিটিশ এমপির সাথে আমাদের আলাপ হবে। জামায়াতকে এই কনফারেন্সে আমন্ত্রণ জানানোর কারণে তারা সেমিনারে অংশ নেননি একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ডাঃ দীপু মনি বলেন, জামায়াত তো নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল নয়, আর বিএনপি এখন সংসদে নেই তারা জ্বালাও পোড়াও নিয়ে ব্যস্ত । কোন দল যদি নিবন্ধিত না হয় তার সাথে বসার প্রশ্নই আসেনা, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতকে আদালত চিহ্নিত করেছেন। লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের মিনিস্টার প্রেস নাদিম কাদিরের সঞ্চালনায় প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ড. মশিউর রহমান, ড.গহর রিজভী ও ডাঃ দীপু মনি।

লর্ড কারলাইলের আয়োজনে লন্ডনে বাংলাদেশ বিষয়ক সেমিনার ‘‘টেররিজম এন্ড দি রোল অব ল’’

লন্ডন প্রতিনিধিঃ লন্ডনে লর্ড সভার সদস্য লর্ড কারলাইলে ডাকা বাংলাদেশ বিষয়ক সেমিনার ‘‘টেররিজম এন্ড দি রোল অব ল’’ একপক্ষের বর্জন এবং আমন্ত্রিত অতিথীদের বেশ কয়েকজনের অনুপস্থিতির কারণে একতরফা বক্তব্যের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করা হয়। গতকাল ১৮ জুলাই ওয়েস্ট মিনিস্টারের হাউজ অব লর্ডসে মিলব্যাংক হাউজের আর্চ বিশপ রুমে বিকেল সাড়ে চারটায় শুরু হয়ে সন্ধ্যে সাড়ে ছয়টায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ১৫মিনিট আগেই শেষ করা হয়। সেমিনারে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল থেকে স্পীকার হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপষ্টো ড. মশিউর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গহর রিজভী ও সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপিকে। তারা সকলেই সেমিনার বয়কট করেন। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরো উপস্থিত হননি কয়েকজন ব্রিটিশ এমপি, লর্ড ও বেশ কয়েকজন পর্যবেক্ষক। তারপরেও যথা সময়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতেই আয়োজক লর্ড কারলাইল বলেন, বাংলাদেশ ব্রিটেনের একটি বন্ধুপ্রতীম এবং কমনওয়েলথ এর একটি উন্নয়নশীল দেশ, অন্যান্য সময়ে সাংগঠনিক ভাবে ব্যানারের মাধ্যমে এর আয়োজন করা হলেও এই আয়োজনটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত। এই মাত্র জানতে পারলাম, বাংলাদেশ মিশন লন্ডন থেকে জানানো হয়েছে আমন্ত্রিত অতিথিরা আসতে পারবেন না। সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বিএনপি‘র স্টেনন্ডিং কমির সদস্য আমির খছরু মাহমুদ চৌধুরীকে বক্তব্য রাখতে বলা হলে তিনি বলেন, বাংলাদেশে দু‘রকমের টেররিস্ট রয়েছে একটি হলো যা ধর্মীয় উগ্রবাদের দ্বারা সমগ্র বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে, অন্যটি হলো বাংলাদেশের সরকারের সৃষ্ট। তিনি বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যে বাংলাদেশে সন্ত্রাস এবং উগ্রবাদকে লালন করছে। এবিষয়ে তিনি ভারতের কয়েকটি দেনিক এবং নিউইয়র্ক টাইমস এর উদ্ধৃতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বালাদেশে প্রতিদিনই মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে, মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই, বিচার ব্যবস্থা সহ সব কিছু করা হচ্ছে দলীয়করণ। বিএনপির সহকারী আন্তর্জাতিক বিষযক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন গেল কয়েক বছর ধরে ক্রমাগত ভাবে বাংলাদেশ গণতন্ত্র নেই লংঘিত হচ্ছে মানবাধিকার, দেশে নেই আইনের শাসন, প্রতিদিনই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতন চলছে। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ২৬১টি সংখ্যালঘু পরিবারার বিভিন্ন ভাবে নির্যাতিত হচ্ছে ২০১৭ সালে তা হয়েছে দ্বিগুণ, সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে এবস নির্যাতনের পেছনে সরকারের এমপি, মন্ত্রী ও দলের লোকেরা জড়িত, কোনটিরই বিচার হচ্ছেনা। তিনি রামু এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, এসবস্থানে সংখ্যালঘুদের নির্যানের পেছনে সরকার দলীয় এমপিরা সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, বাড়ছে শিশু শ্রম, র‌্যাবের হাতে প্রতিদিনই মানুষ মরছে, তিনি বলেন দেশের আইন শৃঙখলা পরিস্থি নাজুক । বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সমপাদক হুমায়ুন কবীর বলেন এই সরকার গণতন্ত্রকে কুক্ষিতগ করে রেখেছে, সর্বত্র দুর্নিতি এমন পর্য্যায় পৌছেছে সরকার দলের সকলেই দুর্নিতির সাথে জড়িত। তিনি বলেন এই সরকারের জামাতিদের নির্যাতন করছে । সরকার জামাতের ব্যাংকিং প্রতিষ্টান ইসলামী ব্যাক তাদের কৃর্তত্বে নিয়ে গেছে, মন্ত্রী এমপি সকলেই দেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার করছে। এই দুই বছরে বাংলাদেশ থেকে ৯.৬বিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে। বাংলাদেশ পলিসি ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের মিঃ ডরিন মিহা বলেন বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্টানিক রুপ দিতে হলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সকলকেই কাজ করতে হবে। হিউম্যান রাইট ওয়াচের সাউথ এশিয়া ডিরেক্টর মিস মানসী গাংগুলী বলেন বাংলাদেশে গুম খুনের সংখ্য বৃদ্ধি পেয়েছে, সরকার উগবাদের সাথে আপোষ করেছে, উগ্রবাদীদের নির্দেশে আদালত চত্তর থেকে ষ্টেচু সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে, সরকারের আশ্রয় প্রশ্রয়ের কারনে বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের দারা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বিনষট হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেন। বিসিসি ব্রডকাস্টার উদয় শংকর দাশ বলেন প্রতিদিনই দেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে বিচার না হওয়ার কারনে এর প্রকোপ বাড়ছে। আমন্ত্রিত অথিতিদের মধ্যে আরো উপস্থিত হননি, লিব ডেমের লর্ড ষ্টুনেল, কনজারভেটিবের বরোনেস ব্রেডি, কনজারভেটিভের এ্যান মেইনএমপি, নিকল ল্যামবার্ট, সহ আরো অনেকে।
আয়োজক লর্ড কারলাইলের বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি এমন প্রশ্নের জবাবে আমির খছরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন এবংগণতন্ত্রে বিশ্বাসী, তিনি বলেন সকল দলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপি অবশ্যই অংশ নেবে। তিনি বলেন, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। দর্শক গ্যালারি থেকে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক বলেন, আমরা ব্রিটিশ বাংলাদেশিরাও এই সরকারের কাছে নিরাপদ নয়, যারা সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেন, দেশে গেলে তাদের নির্যাতিত হতে হয়। তিনি বলেন বেশ কয়েকজন ব্রিটিশ বাংলাদেশিকে এই সরকার অকারণে আটকে রেখেছে।

ব্রাসেলসে ইবিএফ সেমিনার : সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ প্রতিরোধে প্রবাসি বাঙালিদের এগিয়ে আসার আহ্বান

লন্ডনঃ সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ প্রতিরোধ প্রবাসী বাঙ্গালীদের এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্বব্যাপী ধর্মের নামে উগ্রবাদীরা সন্ত্রাসকে ছড়িয়ে দিচ্ছে, কেউ যাতে উগ্রবাদ এবং সন্ত্রাসের দিকে ধাবিত না হয় সেলক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি ঐক্য গড়ে তোলতে হবে। এটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, বিশ্বের প্রতিটি দেশ এবং সমাজে উগ্রবাদ ঢুকে পড়েছে একক কোন দেশ বা গোষ্ঠীর পক্ষে তা প্রতিহত করা সম্ভব নয়। উগ্রবাদ মোকাবেলায় বিশ্ববাসীকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। গেল ১১ জুলই ব্রাসেলসে ইউরোপীয়ান বাংলাদেশ ফোরাম (ইবিএফ) আয়োজিত আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন ধর্মকে পূজি করে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসকে ছড়িয়ে দিচ্ছে উগ্রবাদীরা। এদের শেকড় কিন্তু এক জায়গায় এরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে সামাজিক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন ও সাহায্য সংস্থার ব্যানারে উগ্রবাদকে লালন করছে। বিশ্বব্যাপী কয়েকটি সংগঠন শিক্ষা এবং সেবার নামে নন ভায়ল্যান্স সন্ত্রাস করে যাচ্ছে। এদের সনাক্ত করতে বিশ্বব্যাপী সচেতনতার সৃষ্ঠি করতে হবে। প্রতিটি সচেতন নাগরিকের উচিত এদের কর্মকান্ড পর্যবেক্ষন করা।্
News Brussels 3
ইবিএফ এর আনসার আহমেদ উল্লার সভাপতিত্বে ব্রাসেলস প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে ‘‘ এগেনেষ্ট ভায়লেন্স এস্কট্রিমিজম এন্ড টেররিজম ইন ইউরোপ এন্ড বাংলাদেশ’’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ইউকে কনজারভেটিভ দলীয় মেম্বার অফ ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট জেফরী ভেন ওরডেন এমবিই এমইপি, ইতালীয়ান সোসাল ডেমক্রেট দলীয় ব্রানদো বেনিফি, লেবার দলীয় সাবেক ডাচ এমপি এ্যামা আশান্তি সোসালিষ্ট পার্টির হ্যারী ভ্যান ভোমের্ল, সেমিনারে বাংলাদেশের স্যাকুলারিজম কাউন্টার টেররিজম এবং ইসলামপন্থীদের উত্থান প্রসঙ্গ নিয়ে আলোকপাত করেন বক্তারা। সেমিনারে সভাপতির ব্ক্তব্যে আনসার আহমদ উল্লাহ সন্ত্রাস নির্মুলে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন, জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ সরকার জিরো টলারেন্সে বিশ্বাসী তিনি বাংলাদেশের ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারও তাদের বিচারের সম্মুখীন করায় সরকারের প্রশংসা করেন। সেমিনারে বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্তনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোকতাত করেন বক্তারা।
11 July 17 first session.jpg 2
জাফরী ভ্যান অরডেন এমইপি বলেন সাউথ এশিয়ান দেশ গুলোতে উগ্রবাদীদের উত্থান ঘটেছে এবং ঘটছে, আর এর বিস্তৃতি ঘটছে এখন বৃটেন সহ সমগ্র ইউরোপ ব্যাপী, সন্ত্রাস নির্মুল করতে হলে বৃটেন সহ ইউরোপের দেশগুলোর সাউথ এশিয়ার দেশ গুলোর সাথে সম্পর্ক আরো জোরদার এবং কাউন্টার টেররিজমকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। আর এ ব্যাপারে দেশগুলোর ফরেন এ্যাফেয়ার্সকে আরো তৎপর হওয়ার আহবান জানান। তিনি সম্প্রতি লন্ডন মানচেষ্টার সহ বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী হামলার বিবরন তুলে ধরে বলেন এর সাথে জড়িতদের বেশীর ভাগই সাউথ এশিয়ান বংশদ্ভোত ব্রিটিশ এবং কনভার্ট মুসলিম। এখান থেকে যাতে আ্র কেউ উগ্রবাদের দিকে ধাবিত না হয় এখনি পদক্ষেপ নিতে হবে। কারা এখানকার মুসলিম তরুন তরুনীদের সিরিয়া ইরাক গিয়ে আইএস বাহিনীতে অংশ নিতে উৎসাহিত করছে, এরাতো এই বৃটেন এবং ইউরোপ থেকে কাজ করছে, তাদের শেকড় খুঁজে বের করতে হবে। এখানেই শেষ নয় বিশেষ করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারত থেকে আগত অভিবাসীদের তাদের সন্তানদের ব্যাপারে আরো সচেতন হতে হবে।
সাবেক ডাচ এমপি আশান্তি বলেন বাংলাদেশী ডায়েসপারারা কমিউনিটি ইউরোপে ভিকটিম ডিসক্রিমিনেমন এবং তাদের পরিচিতি সংকটে ভোগছে, একটি গোষ্ঠী এদরের ধর্মের নামে একষ্টিমিজমের দিকে ধাবিত করছে। তিনি বলেন বৃটেন এবং ্ইউরোপে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের ইসলামপন্থী দলগুলোর শাখা রয়েছে ।
সেমিনারে বাংলাদেশে একের পর এক মুক্তমনা ও ব্লগারদের হত্যার জন্যে এসব ইসলামপন্থীদের ইঙ্গিত করে বলেন এ ব্যাপারে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। সেমিনারে বাংলাদেশের মুক্তমনা লেখক ব্লগার ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা যথেষ্ট নয়, বক্তারা এবপারে বাংলাদেশ সরকারকে আরো বলিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি সেমিনারে মুক্তমনা লেখকদের হত্যার বিচার ও সুষ্টূ তদন্তের দাবী জানান। কীনোট স্পীকারের বক্তব্যে কনফ্লিক্ট ল এন্ড ডেভল্যপমেন্ট ষ্টাডিজের ডিরেক্টর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আব্দুর রশিদ বলেন বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি এবং সেকুল্যারিজমের বিরুদ্ধে উগ্রবাদীদের অপব্যাখ্যা দায়ী। তিনি বলেন ্এদের অপব্যাখ্যার কারণে বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদের বিস্তার ঘঠছে। ইসলামমিষ্টরা বিভিন্ন ধর্মীয় রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে সমাজে অপব্যাখা দিয়ে যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করছে এসব যারা করছে এরা হলো জিহাদী, ওহাবী এবং মউদুদীবাদের অনুসারী। হাজার হাজার বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্পৃতির মাঝে বসবাস করে আসলেও বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশে এসব ইসলামপন্থী দল গুলোর কারণে সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি যেমন বিনষ্ট হছে গজিয়ে উঠছে উগ্রবাদ এবং ধর্মের নামে সন্ত্রাস।
সেমিনারে আরো ব্কতব্য রাখেন হিউমেনিষ্ট ফেডারেশনের জুলি ফার্নেট, লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্সের অধ্র্যাপক চেতন ভাট, কাউন্টার এক্সিটিমিজম প্রজেক্ট এর রবাটা ব্যানাজি, রয়েল ইন্সটিটিউট ফর ইন্টার ন্যামনাল রিলেশন এর টমাস রেনার্ড।

প্রশ্নউত্তর পর্বে অংশ নেন ইউকে ঘাতকদালাল নির্মুল কমিটির পুষ্পিতা গুপ্তা, ন্যাদারল্যান্ডের দি হেগের এসটিড ফেরী, বেলজিয়ামের এরিক ডামিনেস মেনগুইয়াম, কাওছার আহমদ আহমদিয়া মুসলিম জামাত নেদারল্যান্ড। পাবলু গলভেজ রলান্ড বাংলাদেশ ডেস্ক এটদ্য এশিয়ান পেসিফিক ডিভিশন এটদ্য ইউরোপীয়ান ্এক্সটারমেল এযাকমন সার্ভিস (ইইএএস), তানজেন মোরশেদ ইউনিভারসাইট লিবরে ডা ব্রাক্সেল প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু ফাউনেডশন জার্মেনী, ইউনুস আলী খান, ডাক্তার বিদ্যুৎ বড়–য়া ডেনমার্ক, বিধান দেব ভাইস প্রেসিডেন্ট বেলজিয়াম আওয়ামীলীগ, ভাইস প্রেসিডেন্ড জামাল হোসেন মনির বেলজিয়াম আওয়ামীলীগ, আক্তারুজ্জামান পাবলিসিটি সেক্রেটারী, টেকনলোজজি সেক্রেটারী ইমরান আলী, যুবলীগ পাবলিসিটি সেক্রেটারী আরিফ উদ্দিন, আনার চৌধুরী, আবদুল হাই এবং বেলজিয়াম ডায়াসপারা সোসাইটির প্রতিনিধিবৃন্দ। বেলজিয়ামের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এ ছাড়া কনফারেনেস যুক্তরাজ্য, জার্মানী, ফ্রান্স,ইতালী ও ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশী বিভিন্ন সামাজিক সাংসকৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ব্রাসেলসে ঢাকা সলিডারিটি ফর পীস কমিটির কোঅর্ডিনেটর এমএম মোর্শেদের ধন্যবাদ বক্তব্যের মাধ্যমে সেমিনারের সমাপ্তি ঘটে।

“Lack of Integration and Inclusion Promote Terrorism among Diaspora”

Brussels, July 11 : Speakers urged the active role of diaspora communities and the role of civil society to counter extremism and terrorism in the European as well as home countries in the global south. They demanded the special focus on the social inclusion and integration of the young generation for the better protection against radicalisation and terrorism.
Speakers urged this in the day-long conference on “Countering Violent Extremism: Global Context and Bangladeshi Diaspora” held in the European Press Club in Belgium on Tuesday. European Bangladesh Forum (EBF) organized the conference as part of the series of programs against the violent extremism and terrorism in Europe and the perspective of Bangladesh.
President of the European Bangladesh Forum, UK Ansar Ahmed Ullah presented welcome address in the conference. In the opening session on Bangladesh and global context was chaired by the Head of the Centre for Study of Human Rights, London School of Economics, UK. The keynote paper on “Islamic Terrorism in Bangladesh: Progression and Prognosis” was presented by the Executive Director of the Institute of Conflict, Law and Development Studies (ICLDS) Major General (Retired) Abdur Rashid. The session was addressed, among others, by Julie Pernet from European Humanist Federation IHEU, Brussels on“The role of free expression and secularism in combating violent extremism in Bangladesh and beyond and Saleem Samad, senior journalist and Ashoka Fellow (USA) and working with Bangladesh Observer and Special Correspondent of the Asian Age, Dhaka.
The Member of European Parliament from the European Conservatives and Reformists Party, UK Geoffrey Van Orden presented the discussion as Guest of Honour on “Why is Counter Terrorism so Difficult” in the context of de-radicalisation. Van Orden stressed on the integration and social inclusion as root cause of increasing trend of terrorism among the young people with and without background of migration. Considering the recent history of the terrorism and violent extremism speakers in conference expressed their great concern at the rise of the terrorists inside Europe and in the home country they are from. Even not only the young people from Diaspora families, rather youth from the European families are being involved in the violent extremism due to the lack of integration, social inequalities and exclusion. The similar situation including the faulty educational system and the suppression of the freedom of opinions cause the root to the radicalization and terrorism inside the country and the export of terrorism from Bangladesh, they added.
The working session on Impact of Terrorism and what can the Diaspora do was chaired by EBF, UK President Ansar Ahmed Ullah. Member of European Parliament from Social-Democratic Party, Italy Brando Benifei addressed the session as Guest of Honour. Among others, Head of Counter Extremism Project in Brussels and Founder and President of the European Foundation for Democracy Roberta Bonazzi, Head of EU Office of Front Line Defenders in Brussels Emma Achilli on “Bangladeshi Human Rights Defenders at Risk”, Senior Research Fellow of Europe in the World, Egmont – Royal Institute for International Relations, Belgium Thomas Renard on “Key trends of terrorism in Belgium and Europe”, former Member of Parliament from Labour Party in The Netherlands Amma Asante, former Member of Parliament from Socialist Party in The Netherlands Harry van Bommel, on “Violent extremism: Islam or Crime” addressed the conference. The Coordinator of Brussels Dhaka Peace Committee M. M Murshed rendered vote of thanks.
Among others, BASUG Chairman Bikash Chowdhury Barua, President of German-Bangladesh Association and House of Integration Juboraj Talukder, President of Bangabandhu Foundation, Germany (BFG) Younus Ali Khan, BFG Advisor Mahbubul Hoque, BASUG Project Coordinator in Germany AHM Abdul Hai and Senior Program Officer Mahamud Firoz, Commonwealth Liaison Coordinator of the British and Commonwealth Women’s Club of Brussels Anar Chowdhury, EBF Organisers Atish Chowdhury and Sumana Barua, BASUG Internee Marco Schmidberger, Secretary of European Press Club Abu Tahir and about one hundred representatives from Diaspora, civil society and political organizations took part in the conference.

ডক্টর এনামুল হক সরদারকে লন্ডনে সংবর্ধনা প্রদান

লন্ডন প্রতিনিধিঃ একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো শিক্ষা আর তাই সামাজিক দায় থেকে প্রায় পচিশ বছর ধরে আলেকিত মানুষ ও সমাজ বিনির্মাণে পারিবারিক ভাবে কাজ করছি এমন্তব্য বৃটেন সফররত ডক্টর এনামুল হক সরদারের। গতকাল লন্ডনে তার সম্মানে আায়োজিত সম্বর্ধনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে তার অংশ গ্রহন প্রসঙ্গে বলেন ছাত্র/ছাত্রী ও এলাকাবাসীর চাপে সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করি।
10
যদিও নিদর্লীয় ভাবে নির্বাচন হয় কিন্তু শেষ পর্যায়ে দলীয় আবহ চলে আসে প্রথম পর্যায়ে বর্ষিয়ান নেতা সাবেক গণপরিষদ সদস্য জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি লুৎফুর রহমান নির্বাচনে অংশ নেন এই বিষয়টি ছিলো আমার জন্য বিব্রতকর ৷যদিও তমুল প্রতিযোগীতা হয় কিন্তু আমি সরে আসার কোন সুযোগ ছিলোনা তাই তাকে সম্মান দেখাতে পারিনাই কিন্তু মনে প্রানে কামনা ছিলো তিনি যেনো জিতে যান৷তার কারন একজন অতি মুরব্বী এবং ভালো মানুষের পরাজয় আমি চাইনি ৷যদিও আমাদের অনেক সময় আছে৷
13
সিলেটের ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ও শাহজালাল সিটি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যন ডক্টর এনামুল হক সরদার এবং শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগি অধ্যাপক ডক্টর রাজিয়া সুলতানা চৌধুরীর সম্মানে সম্বর্ধনা অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলেল স্পিকার কাউন্সিলার সাবিনা আক্তার বলেন আমি অভিভূত একই পরিবারের দুজন শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছেন ৷সমাজের উন্নতির জন্য শিক্ষার বিকল্প নেই তিনি বলেন আমাদের শেকড় হলো বাংলাদেশ আমরা প্রবাসীরা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যানের জন্য যারাই কাজ করেন তাদের প্রতি সহযোগীতা থাকে। ডক্টর রাজিয়া সুলতানা চৌধুরী বলেন শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে এবং সিলেটের শহরের মেয়ে হিসাবে মানুষের প্রত্যাশা থাকে অনেক সেই হিসাবে আমার প্রচেষ্টা সাধ্যমত ৷ তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রবাসীদের গৌরব উজ্জল অংশ গ্রহন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য ছিলো সহায়ক শক্তি৷ ইষ্ট লন্ডনের মাইক্রো বিজনেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বিশ্ববাংলানিউজ২৪ ডটকমের উপদেষ্টা গয়াছ আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চালনায় অনুষ্টানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর টাইমস্ ডটকমের সম্পাদক ও সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান । সংবর্ধিত অতিথিদের সম্মান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন -ব্রিকলেন ট্রাস্টের সভাপতি শাহ মুনিম, সাবেক ডেপুটি মেয়র মুহাম্মদ শাহীদ আলী , অধ্যাপক শাহ জাহান, আব্দুল বাছির, ব্রিটবাংলা২৪ এর নির্বাহী সম্পাদক আহাদ চৌধুরী বাবু , বাংলাদেশ সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর খান , ডেইলী স্টারের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি আনছার আহমদ উল্লাহ ,সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী , সাপ্তাহিক জনমতের এসিসটেন্ট এডিটর মুসলেহ উদ্দিন আহমদ ও কমিউনিটি নেতা সমুজ আলী চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধা যুব কমান্ড যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহিবুর রহমান কাওসার, জাহাঙ্গির চৌধুরী, এডভোকেট এম এ করিম প্রমুখ৷

ঈদ মোবারক

পবিত্র ঈদুলফিতর উপলক্ষ্যে সংবাদটুয়েন্টিফোরডট কমের সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের জনাচ্ছি শুভেচ্ছা – ঈদ মোবারক— সম্পাদক।

European Bangladesh Forum meeting in Brussels

A crisis emergency meeting of European Bangladesh Forum (EBF) was held on Sat 17 June in Brussels Press Club, Belgium to discuss extremism following recent terror attacks in the UK

The meeting was chaired by Ansar Ahmed Ullah, EBF President from the UK. In attendance were journalist Bikash Chowdhury Barua from Holland, activist Sumana Barua from The Netherlands, activist Rubaiyat Muksed Rubel, Ms. Anar Chowdhury, Vice-President of Vrije University Belgium, activist Suja Chowdhury, M M Murshed of Dhaka Brussels Peace Committee and Laurent Brihay & Maria Laura Franciosi, Press Club Brussels Europe.

They expressed their concern at the recent terror attacks and the impact of terrorist attacks. The meeting decided to hold an international conference in the European capital in July 2017. The Brussels Conference is intended to provide a platform for South Asians and Europeans activists/policy makers to come together to understand the impact of terrorism and explore ways to provide assistance to those who are under attack from the terrorists.

:

Cricket Council hosts Iftar for Bangladeshi journalists Ansar Ahmed Ullah

An Iftar Mahfil was hosted by the Bangladesh Cricket Council UK officials on Tuesday, 20th June, at the Bhojon Bari Restaurant, East London in honour of journalists who had come from Bangladesh to cover ICC champions trophy.

A brief discussion took place prior to Iftar chaired by President Noim Uddin Riaz & conducted by Secretary Mustak Babul.

In attendance were Channel 24’s special correspondent Rezwanuzzaman, Manabkontho’s Md Mohiuddin Palash, Macarangas TV’s A K M Abu Sadat, Banglavision’s Ujjal Das, Monir Hussain Khan, Ch I’s Saydur Rahman Shahin, Janokanta’s Mitun Ashraf, Baishakhi TV’s S M Sumon, Daily Independent’s Syed Md Titu and others.

Bangladesh Cricket Council’s Maruf Ahmed, Abdul Ahad Chowdhury, Jamal Khan, Musleh Uddin Ahmed, Kamrunnahar Lipi, Zakir Hussain Koyes, Rezaul Karim Mrida, Abdul Basit, journalist Shoeb Kabir were present at the event. The guests were given copies of brochure published by the Cricket Council to coincide with ICC champions.

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net