শিরোনাম

Breaking news

বাংলাদেশ মিশনের উদ্যোগে লন্ডনে কেক কেটে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

লন্ডন থেকে মতিয়ার চৌধুরীঃ সশস্ত্র বাহিনী দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক গৌরবোজ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং বীর মুক্তিসেনারা সম্মিলিত ভাবে দখলদার পাকিস্থানী হানাদারদের উপর সম্মিলিত ভাবে আক্রমন শুরু করে। চারিদিক থেকে আক্রমনে বির্যস্থ হয়ে পড়ে পাকবাহিনী। ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাক বাহিনী ভারত-বাংলা মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পনে বাধ্য হয়। আমরা অর্জন করি বিজয়। বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেয় নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের সেই বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিবছর ২১ নভেম্বর দিনটিকে জাতীয় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। জাতীয় ভাবে আয়োজন করা করা হয় জাতির শ্রেষ্ট সন্তানদের সম্বর্ধনা ও নানা অনুষ্টানের।
3প্রতিবছরের ন্যায় এবারও লন্ডন্থ বাংলাদেশ মিশন লন্ডনে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে আয়োজন করে এক ব্যতিক্রমী অনুষ্টান মালার। গতকাল ২১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচ ঘটিকায় টেমস নদীর তীরে ৪ আলবার্ট এমবেকমেন্ট লেমবাথে আয়োজন করে সম্বর্ধনা ও ডিনারপার্টির। অনুষ্টানে উপস্থিত হন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা । আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ব্রিটিশ সেনা নৌ বাহিনীর সদস্য, এমপি,লর্ডসভার সদস্য, লন্ডনে কর্মরত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কুটনীতিক, বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট জনেরা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠননের নেতৃবৃন্দ ও ৭১‘র শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা। 3
লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সেলার মিঃ আবেদিনের সঞ্চালনায় অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের ডিফেন্স এডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ.কে.এম. আমিনুল হক এএফসি,পিএসসি,সিএসই। স্বাগত বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার আমিনুল হক শ্রদ্ধাভরে স্মরন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, তিনি বলেন জাতির জনক ৭১‘র ৭ইমার্চ জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান, এর পর থেকে বাঙ্গালী জাতি যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে, তিনি আবার ২৬ মার্চ সরাসরি স্বাধীতার ঘোষনা দেন। অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল এম এ জি ওসমানীকে প্রধান করে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ, তৎকালীন পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যে সব বাঙ্গালী ছিলেন তাদের অনেকেই পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীর অবদানের কথা শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করেন, স্মররন করেন তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে। তিনি বলেন বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী একটি সুশৃঙখল বাহিনী, এই বাহিনীকে শক্তিশালী করতে কাজ করে গেছেন জাতির জনক তার পথ অনুসরণ করে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনা বাহিনীকে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্টা করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে কর্মরত বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা সুনামের সাথে কাজ করছে। অতিথিদের সাথে নিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কেক কাটেন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেলর এ.কে.এম. আমিনুল হক এএফসি,পিএসসি,সিএসই। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাকিমিশনার নাজমুল কাওনাইন বলেন বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী দেশ পূনগঠনে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক শান্তি মিশনে কাজ করে আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা দেশের ভাবমূর্তি উজ্বল করছে। দেশের দুর্যোগ মূহুর্থে দেশবাসীর পাশে দাড়ায় সেনাবাহিনী, বর্তমানে রোহিঙ্গা শরনার্থিদের পাশে দাড়িয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। অনুষ্টানে সশস্ত্রবাহিনী দিবসে একটি ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়। সব শেষে আগত অতিথিদের সম্মানে আয়োজন করা হয় নৈশভোজের।

ব্রিটিশ মুসলিম স্কুলের আনুষ্ঠানিক শুভ যাত্রা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

বার্মিংহাম থেকে, মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী: লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্স ইউকে বার্মিংহাম এর অন্যতম প্রকল্প ব্রিটিশ কারিকুলাম ও ইসলামিক সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত বোর্ডিং মাদরাসা ‘দি ব্রিটিশ মুসলিম স্কুল’ এর আনুষ্ঠানিক শুভ যাত্রা উপলক্ষে গত ২০ নভেম্বর সোমবার দুপুরে বার্মিংহামে স্থানীয় মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।e0ea7fc7-3ca7-4b4f-9ec4-129ac3a4532f
প্রেস কনফারেন্স জানানো হয়, গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে মাদরাসাটি সফলতার সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং গত অক্টোবর মাসে ‘অফস্টেড’ (শিক্ষা বোর্ড) এর পরিদর্শনে প্রতিষ্ঠানটি ‘এড়ড়ফ’ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এছাড়া অক্টোবর মাস থেকেই ছাত্রদের বোর্ডিং চালু হয়েছে। উদ্যোক্তারা এ সফলতার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করে লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের অগণিত ফাউন্ডার মেম্বার, লাইফ মেম্বার, দাতা, শুভাকাঙ্খি ও কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ সকলের কাছে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ সফলতার জন্য এবং কমপ্লেক্সের বাকি প্রজেক্টগুলো যাতে ধারাবাহিক ভাবে সম্পন্ন করে চালু করা যায় এ জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করা করেন।
লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোঃ মিসবাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের মেয়র ও লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের অন্যমত ফাউন্ডার মেম্বার কাউন্সিলার আহমদ উল হক এমবিই, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার আলহাজ নাছির আহমদ, হাজী আংগুর মিয়া, হাজী আবুল হোসেন সাত্তার মিয়া, আলহাজ হিরন মিয়া, মাওলানা রফিক আহমদ, আমিরুল ইসলাম (জামান), মোঃ খুরশিদুল হক, মোঃ আব্দুল হাই, হাজী আব্দুল কাদির, মাস্টার আব্দুল মুহিত, মাওলানা রুকনুদ্দীন আহমদ, মোঃ এমদাদ হোসাইন, মাওলানা আতিকুর রহমান, মাওলানা বদরুল হক খান, মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন, মাওলানা মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী, মোঃ সাইফুল আলম, মাওলানা গুলজার আহমদ, মাওলানা মাহবুব কামাল, মাওলানা মোঃ আব্দুল মুনিম, মোঃ সাহাব উদ্দিন, হাজী হাসন আলী হেলাল, হাফিজ আলী হোসেন বাবুল, হাজী ফারুক মিয়া, হাজী আব্দুল গফুর, সুফী ইদ্রিস আলী, হাফিজ কবির আহমদ, হাজী তেরা মিয়া, মোঃ জাহেদুল ইসলাম, ক্বারী মাহফুজুল হাসান খান মিল্লাত, মাওলানা এহসানুল হক ও মাওলানা বুরহান উদ্দিন আহমদ।
মাওলানা নুরুল আমিনের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল এস এর বার্মিংহাম প্রতিনিধি ও বাংলা কাগজের নির্বাহী পরিচালক রিয়াদ আহমদ, টিভি ওয়ান এর বার্মিংহাম প্রতিনিধি আমিরুল ইসলাম বেলাল, চ্যানেল আই বার্মিংহাম প্রতিনিধি লুকমান হোসেন কাজী, ৭১ চ্যানেলের প্রতিনিধি রাজু আহমদ প্রমুখ।
প্রেস  কনফারেন্স শেষে বিশেষ মুনাজাতে বিশ্ব মুসলিমের উন্নতি সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করা হয়।

আলহাজ দেওয়ান ফরিদ গাজী’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

FARID GAZI 3

১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সাথে সিলেটে একটি জনসভায় দেওয়ান ফরিদ গাজী

Farid Gazi 2

১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ কীন ব্রীজ মেরামত শেষে উদ্ভোধন করছেন দেওয়ান ফরিদ

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বৃহত্তর সিলেট আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনের ৪ ও ৫ নম্বর সেক্টরের বেসামরিক উপদেষ্টা এবং প্রশাসনিক চেয়ারম্যান ৫ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজী এমপি’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী গতকাল শনিবার তাঁর জন্মস্থান নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পালিত হয়েছে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। দেওয়ান ফরিদ গাজী স্মৃতি সংসদ এর উদ্যোগে গতকাল শনিবার সন্ধা রাতে ঢাকা- সিলেট মহা সড়কের দেবপাড়া বাজারেও এক মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেওয়ান ফরিদ গাজীর পুত্র আওয়ামী লীগের নেতা শাহ নেওয়াজ গাজী মিলাদ। এতে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফরিদ গাজী স্মৃতি সংসদের আহবায়ক রুহেল আহমদ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দিলারা বেগম, মেম্বার রাবেয়া বেগমসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীগণ।

 

যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির কর্মী সভা

লন্ডনঃ বৃটেনে জাতীয় পার্টির নতুন কমিটি গঠন ও কনফারেন্সকে সফল করতে যুক্তরাজ্য শাখা জাতীয় পার্টির কনভেনিং কমিটির এক জরুরী সভা গেল ১৬ নভেম্বর রাতে পেডিংটনের তাজ মহল রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির কনভেনার কাউন্সিলার শামসুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচীব সাহেদ আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় দেশব্যাপী সদস্য সংগ্রহ, ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড নিয়ে আলোকপাত করেন জাতীয় পার্টির ইউরোপীয়ান কো-অর্ডিনেটর মুজিবুর রহমান মুজিব, জয়েন্ট কনভেনার অ্যাডভোকেট এবাদ হোসেন, ইউকে কনভেনিং কমিটির সদস্য মাসুক আহমদ, জয়নাল উদ্দিন, সায়েফ রহমান, গ্রেটার লন্ডন শাখার কনভেনার আজম আলী, সদস্য সচীব শাহ শাহিদুর রাহমান ও জবলুল ইসলাম লনী প্রমুখ। সভায় বক্তারা একমত পোষন করে বলেন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃটেন থেকে যারা নির্বাচনে অংশ নেবেন তাদের বিজয় নিশ্চিত করতে বিশেষ করে সিলেট ৬ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট এবাদ হোসেন ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী শাহ শাহিদুর রাহমানের পক্ষে এখন থেকে প্রচারনা চালানো সহ দেশে বিদেশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের কাজ করার আহবান জানান।
(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)

খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখা পুনর্গঠন ।। মাওলানা সাদিকুর রাহমান সভাপতি ও মাওলানা শাহ মিজানুল হক সাধারণ সম্পাদক

লন্ডন, ১৫ নভেম্বর: খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখার মজলিসে শুরার অধিবেশন গত ১১ নভেম্বর  ইস্ট লন্ডনস্থ আল-হুদা ইসলামিক সেন্টারে  অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ এর সভাপতিত্বে ও আলহাজ্ব সদরুজজামান খানের পরিচালনায় শুরা অধিবেশনে বিগত দুই বছরের সাংগঠনিক কাজের রিপোর্ট পেশ ও পর্যালাচনা করা হয়।

মজলিসে শুরা অধিবেশনে ২০১৮-১৯ সেশনের জন্য যুক্তরাজ্য শাখা পুনর্গঠন করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খেলাফত মজলিসের যুগ্মমহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ ও সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইউরোপ খেলাফত মজলিসের তত্বাবধায়ক আলহাজ্ব এম সদরুজ্জামান খান ও ড. আব্দুশ শুকুর ।

শুরার সদস্যদের গোপন ভোটের মাধ্যমে ২০১৮-’১৯ সেশনের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা সাদিকুর রাহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মাওলানা শাহ মিজানুল হক।

এছাড়াও অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হচ্ছেন- সহ সভাপতি মুফতি তাজুল ইসলাম, কারী আব্দুল মুকিত আজাদ, মাওলানা শওকত আলী, হাফিজ কাদির, মুফতি হাফিজ হাসান নুরী চৌধুরী, মাওলানা গোলাম মোহায়মীন ফরহাদ চৌধুরী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এনামুল হাসান ছাবির, মাওলানা আব্দুল করীম, মাওলানা আ ফ ম শুয়াইব, মুহাম্মদ আব্দুল করিম উবায়েদ। বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা তায়ীদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা কামরুল হাসান খান, তারবীয়াহ সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমান তালুকদার, দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান জাকির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শেখ হাফিজ মুশতাক আহমদ, অফিস ও প্রচার সম্পাদক সৈয়দ মারুফ আহমদ, সমাজ কল্যান সম্পাদক মাওলানা আব্দুল আহাদ, সদস্য হাফিজ সৈয়দ কফিল আহমদ, মির্জা আসহাব বেগ, সৈয়দ কবির আহমদ, হাফেজ মাওলানা সাদিকুর রহমান ও প্রফেসার আহজাবুল হক প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে আমাদের জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা

লন্ডন: জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনই ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষনা, এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আদেশ প্রদান করেন। তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলেছিলেন ‘‘আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমার যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়াও শত্রুর মোকাবেলা কর,‘‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তার এই ভাষনের পরই ৮তারিখ থেকে দেশব্যাপী সাধারন মানুষ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে, এটাই সত্য এবং প্রকৃত ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষটির বিভিন্ন দিক রয়েছে, এনিয়ে বিশ্বব্যাপী আরো গবেষণা হবে, অনেকই এর উপর পিএইচডি করবে। তার এই ভাষনের প্রতিটি শব্দই গবেষণার দাবী রাখে। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো।
জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখা আয়োজিত আনন্দ সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে আমাদের জাতি হিসেবে প্রতিষ্টা করেছেন, এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা । বঙ্গবন্ধুর কারনে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা এবং আমাদের জাতীয় পরিচয়। বঙ্গবন্ধু -বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা আমরা কোন দিনই বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতে পারতামনা। বুধবার (৯নভেম্বর) পূর্ব লন্ডনের মক্কাগ্রীল রেস্টুরেন্টে আয়োজিত আনন্দ সভার শুরুতে একে অন্যকে মিষ্টি মুখ করান বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরামের যুক্তরাজ্য ও লন্ডন শাখার নেতৃবৃন্দ। বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখার সভাপতি বাতিরুল হক সরদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থিত বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ, যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিব্যারিস্টার এনামুল হক। সভায় বক্তব্য রাখেন গ্রেটারলন্ডন শাখার সহসভাপতি নারীনেত্রী নাজমা হোসেন, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সায়াদ আহমদ সাদ, সোনার তরি’র যুগ্ম আহবায়ক ও কন্ঠশিল্পী রুমি হক, বঙ্গবন্ধু ইয়াং রাইটার্স ফোরামের সভাপতি সেজুতি মনসুর, বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরাম লন্ডন শাখার সহ- সভাপতি ছড়াকার সৈয়দ হিলাল সাইফ, সহ -সভাপতি লেখক নূরুন্নবী আলী, সদস্য আনহার মিয়া, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য শাহ রাসেল এবং আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে মিসবাহ মাসুম, দুলাল আহমেদ, এনামুল হক, সাইফুল আলম লিটন ও রবিউল হাসান ভূঁইয়া প্রমুখ। উল্লেখ্য, উনিশ শ’ একাত্তর (১৯৭১)সালে সাতই মার্চ ঢাকায় রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতাকামী মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব -কালজয়ী এ ভাষণটি দিয়েছিলেন। এ ভাষণের তেজ ধরেই বীর বাঙ্গলীরা স্বাধীনতার মরণপণ যুদ্ধে অস্ত্রহাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।এ ভাষণটিই বিশ্বসেরা ভাষণরূপে -এ বছর (২০১৭ সালে ) ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলো।

জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনই ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষনা

লন্ডন: জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনই ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষনা, এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আদেশ প্রদান করেন। তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলেছিলেন ‘‘ আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমার যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়াও শত্রুর মোকাবেলা কর।‘‘ এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তার এই ভাষনের পরই ৮তারিখ থেকে দেশব্যাপী সাধারন মানুষ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে, এটাই সত্য এবং প্রকৃত ইতিহাস।
বঙ্গবন্ধুর এই ভাষটির বিভিন্ন দিক রয়েছে, এনিয়ে বিশ্বব্যাপী আরো গবেষণা হবে, অনেকই এর উপর পিএইচডি করবে। তার এই ভাষনের প্রতিটি শব্দই গবেষনার দাবী রাখে। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখা আয়োজিত আনন্দ সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে আমাদের জাতি হিসেবে প্রতিষ্টা করেছেন, এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা । বঙ্গবন্ধুর কারনে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা এবং আমাদের জাতীয় পরিচয়। বঙ্গবন্ধু -বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা আমরা কোন দিনই বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতে পারতামনা। বুধবার (৯নভেম্বর) পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের শুরুতে একে অন্যকে মিষ্টি মুখ করান বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরামের যুক্তরাজ্য ও লন্ডন শাখার নেতৃবৃন্দ। পরে বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখার সভাপতি বাতিরুল হক সরদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক , কলামিস্ট ফোরামের যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ, বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সভাপতি নাজমা হোসেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার এনামুল হক, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সায়াদ আহমদ সাদ, সোনার তরি’র যুগ্ম আহবায়ক ও কন্ঠশিল্পী রুমি হক, বঙ্গবন্ধু ইয়াং রাইটার্স ফোরামের সেজুতি মনসুর, বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরাম লন্ডন শাখার সহ- সভাপতি ছড়াকার সৈয়দ হিলাল সাইফ, সহ -সভাপতি লেখক নূরুন্নবী আলী, সদস্য আনহার মিয়া, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য শাহ রাসেল এবং আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে মিসবাহ মাসুম, দুলাল আহমেদ, এনামুল হক, সাইফুল আলম লিটন ও রবিউল হাসান ভূঁইয়া সহ আরো অনেকে ।
উল্লেখ্য, উনিশ শ’ একাত্তর (১৯৭১)সালে সাতই মার্চ ঢাকায় রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত লক্ষাধিক স্বাধীনতাকামী মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব -কালজয়ী এ ভাষণটি দিয়েছিলেন। এ ভাষণের তেজ ধরেই বীর বাঙ্গলীরা স্বাধীনতার মরণপণ যুদ্ধে অস্ত্রহাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।এ ভাষণটিই বিশ্বসেরা ভাষণরূপে -এ বছর (২০১৭ সালে ) ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলো।

তিন দিনের চিল্লা শেষে কবর থেকে উঠে এসেছেন নবীগঞ্জের জিন্দা শাহ

উত্তম কুমার পাল হিমেলঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কবরে ৩দিনের চিল্লা শেষে সম্পুর্ণ অক্ষত অবস্থায় কবর থেকে উঠে এসেছেন জিন্দা শাহ । জিন্দা শাহ নামের এই ব্যক্তির অদ্ভুত কর্মকান্ড নতুন নয় এর আগে ও একাধিক বার তিনি কবরে চিল্লায় গেছেন। এঘটনায় উপজেলা জুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে । গত শনিবার রাতে কবরবাসে যান জিন্দা শাহ । এমন কর্মকান্ডকে ‘ভন্ড পীর বলেও মন্তব্য করছেন অনেকেই। জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌর এলাকার তিমিরপুর গ্রামের বাসিন্দা জিতু মিয়া। বয়স ৭০ বছরের বেশি হবে। জিতু মিয়া নিজেকে জিন্দা শাহ দাবী করেন। এমনকি এলাকার তিনি জিন্দা বাবা নামেও পরিচিত । গত শনিবার রাত ৩ টার সময় জিন্দা শাহ নিজের ঘরের ভিতরে একটি কবর খনন করে ৩দিনের চিল্লায় চলে যান কবরবাসে। তারপর তিন দিন তিন রাত শেষে মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে কবর চিল্লা শেষে অক্ষত অবস্থায় উঠে আসেন জিন্দা শাহ। 1
এ সময় জিন্দা শাহ’র বাড়িতে উৎসুক জনতার ভীড় ছিল লক্ষনীয় । কবর থেকে উঠে এসে জিন্দা শাহ জিতু মিয়া (জিন্দা শাহ) প্রতিবেদকে জানান, ৩দিন ৩রাত শেষে আজ উঠে এসেছি । প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমার সঙ্গে প্রতিবারের মতো এবার ও ৩শ গ্রাম আঙ্গুর ছিল,কবর চিল্লা এখানেই শেষ । কিছুদিনের ভিতর ওরস করবো এবং যদি কেউ স্থান দেয় তাহলে অগ্নি চিল্লা ও পানি চিল্লা করবো । জানা গেছে,জিতু মিয়া (জিন্দা শাহ) কবরে যাওয়া এবারই প্রথম নয়! এর আগেও তিনি একাধিকবার কবরে অবস্থান করেছেন। এমনিক পানিতে ভেসেও রাত কাটিয়েছেন। জিন্দা শাহ, গত ৪৫ বছর ধরে ভারতসহ দেশের বিভিন্ন মাজারে মাজারে ‘সাধনা’ করেছেন। তিনি হবিগঞ্জ শহরতলীর মরহুম আধ্যাত্মিক সাধক দেওয়ান মাহবুব রাজার ভক্ত। স্বপ্নের মাধ্যমে মাহবুব রাজার কাছ থেকে ‘চিল্লা’য় যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন তিনি। জিতু মিয়ার মূল বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলায়। কিন্তু পাঁচ বছর ধরে নবীগঞ্জ উপজেলার তিমিরপুর গ্রামে বাস করছেন তিনি। এর আগেও তিনি ১১বার কবরে চিল্লা দিয়েছেন বলে জানা গেছে । সংসার জীবনে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ের পিতা। কিন্তু সংসারে তিনি থাকেন না। সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়েন। জিন্দা শাহর কবর চিল্লায় যাওয়ার ঘটনায় শিরিক আখ্যায়িত করে মাওলানা আব্দুর রকিব হাক্কানী নামে একব্যাক্তি বলেন বর্তমানে আমাদের সমাজে কিছু লোক আছে নানা কু-সংস্কার জড়িত এটা ভন্ডামি ছাড়া আর কিছু নয়।

আবারও অবৈধ দখলের কবলে সিলেটের তারাপুর চা বাগান

সিলেট থেকে বিশেষ প্রতিনিধিঃ বহুল আলোচিত সিলেটের তারাপুর চা বাগানটি অযত্ন আর অবহেলায় দিন দিন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। নেই আগের সেই পরিচর্চ্চা। অবাধে গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে সেই সাথে তৈরী হচ্ছে শত শত অবৈধ স্থাপনা এবং নতুন নতুন দোকান কোঠা।এমন অভিযোগ স্থানীযদের। পাঠানুটলা, গোয়াবাড়ি, করেরপাড়াসহ বাগানটির আসপাশের বাসিন্দারা বিষয়টি লিখিতভাবে সিলেটের জেলা প্রশাসককেও জানিয়েছেন। তার পরেও চলছে দখল বানিজ্য। অদৃশ্য কারনে প্রশাসনও পালন করছে নীরব ভূমিকা।
জেলা প্রশাসক বরাবরে পাঠানো অভিযোগ পত্রে বলা হয় ২০১৬ সালে আদালতের রায়ে বাগানটি যখন পূনরায় দেবত্তর সম্পতি হিসেবে গণ্য হয় তখন তারা আশা করেছিলেন বাগানটি আগেকার অবস্থায় ফিরে আসবে, সেই সাথে উন্নয়ন করা হবে বাগানের। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। দেখা যাচ্ছে এর ‍উল্টো চিত্র। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল বানান থেকে স্থাপনা উচ্চেদ সহ বাগানটিকে আগরে অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে। যদিও প্রচলিত আইনে রয়েছে বাগান এলাকায় কোন বানিজ্যিক প্রতিষ্টান বা আবাসিক স্থাপনা তৈরী করা যাবেনা, তার পরেও সিলেটের কথিত দানবীর রাগিব আলী বাগানের অভ্যন্তরে প্রতিষ্টা করেছে কলেজ হাসপাতাল সহ শত শত বাড়ী ঘর। আদালেতের আদেশ থাকা সত্বেও প্রশান উচ্ছেদ অভিযান পরিচলনা তো দূরের কথা নতুন করে তৈরী হচ্ছে আবারও নতুন নতুন স্থাপনা।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, গত এক বছরে চা বাগানের পরিচর্চ্চা অর্থাৎ ঘাস ছাটাই করা হয়নি কোন প্রকার সার প্রয়োগ করাও হয়নি। তারা বর্তমান মালিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে বলেন, বর্তমান মালিক পংকজ কুমার গুপ্ত বাগানের শত শত সেইড গাছ কেটে বাগানকে একটি পরিত্যাক্ত বাগানে পরিনত করেছেন। এছাড়া তিনি রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের উত্তর পাশে চা গাছ উপড়ে ফেলে ১৮টি দোকান তৈরী করে তা বিক্রি করার তৎপরতা চালাচ্ছেন বলেও আরা অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন।

তৃতীয় বাঙ্গালী হিসেবে ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় খেতাব নাইটহুড পেলেন বিচারপতি আখলাকুর রহমান চৌধুরী

লন্ডন প্রতিনিধিঃ বিশ্বকবি রবীনদ্র নাথ ঠাকুর ও স্যার ফজলে হাসান আবেদের পর এবার তৃতীয় বাঙ্গালী হিসেবে ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় নাইটহুড খেতাবে ভূষিত হলেন বিচারপতি আখলাক উর রহমান চৌধুরী। এবছরে মাঝামাঝি সময়ে তিনি প্রথম ব্রিটিশ বাঙ্গালি হিসেবে বৃটেনে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। গেল ২ অক্টোবর থেকে তার এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে এরই মধ্যে পেয়ে গেলেন ব্রিটেনের সর্বোচ্চ রাজকীয় খেতাব নাইটহুড । এর আগে হাইকোর্টের ডেপুটি বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন আখলাকুর রহমান চৌধুরী।আখলাকুর রহমান চৌধুরী ১৯৯২ সালে ব্যারিস্টারি পাস করে আইন পেশায় যোগ দেন। এ পেশায় থাকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুইজন কুইনস কাউন্সেলের (কিউসি) মধ্যে তিনি একজন। অন্যজন হলেন- ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। ‘কমার্শিয়াল, এমপ্লয়মেন্ট ও ইনফরমেশন ‘ল’ বিশেষজ্ঞ আখলাকুর রহমান চৌধুরী গ্লাসগো ইউনিভার্সিটি থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রিধারী। পরে তিনি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি পান। আইন পেশায় যোগ দেওয়ার পর তিনি দ্রুত উন্নতি করতে থাকেন এবং এক পর্যায়ে শীর্ষ পাঁচ ব্রিটিশ আইনজীবীর তালিকায় চলে আসেন। লর্ড আরভিন অব লেয়ার্গ এবং লর্ড জাস্টিস ইলিয়াসের সঙ্গে আপিল আদালতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। অ্যাটর্নি জেনারেলের ‘এ’ প্যানেলভুক্ত আইনজীবী হিসেবে আখলাকুর রহমান চৌধুরী কিউসি দীর্ঘদিন ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস, মিনিস্ট্রি অফ ডিফেন্স, এইচএমআরসি ও সরকারের অন্যান্য বিভাগে আইন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্রিটিশ তথ্য কমিশনারের কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তথ্য অধিকার ও তথ্য সংরক্ষণ আইন নিয়ে অনেক মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আখলাকুর রহমান চৌধুরীকে ২০১৫ সালে কুইনস কাউন্সেল করে নেওয়া হয়।স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরের বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা স্বনামখ্যাত রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী মরহুম আজিজুর রহমান চৌধুরীর পুত্র আখলাকুর রহমান চৌধুরীর জন্ম হ্যাম্পশায়ারে। আখলাকুর রহমান চৌধুরীর পিতা মরহুম আজিজুর রহমান চৌধুরী ১৯৭১ সালে বৃটেনে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। তাদের আদি নিবাস বৃহত্তর সিলেটের করিমগঞ্জে (এখন ভারতের অংশ) ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর আজিজুর রহমান চৌধুরীর স্বপরিবার বাংলাদেশের জকিগঞ্জে চলে আসেন।আজিজুর রহমান চৌধুরী ১৯৬২ সালে বৃটেনে আগমন করেন। তার দুই পুত্র ও এক কন্যার মধ্যে আখলাকুর রহমান চৌধুরী বড়, তার সন্তানেরা সকলেই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত, একমাত্র কন্যা বৃটেনে এনএইচএসয়ে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। অন্য পুত্র ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদে আসীন রয়েছেন।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net