শিরোনাম

শীর্ষ খবর

লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের উগ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

লন্ডনঃ লন্ডনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে লন্ডস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।
মঙ্গলবার লন্ডন সময় সকাল সাড়ে ১১টায় চেলসী টাউন হলে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ডাঃ নাজমুল কাওনাইনের সভাপতিত্বে অনুস্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে ১৫ই আগষ্টের শহীদদের সম্মান জানিয়ে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
ফাস্ট সেক্রেটারী সওদিপ্তা আলমের সঞ্চালনায় রাষ্ট্রপতি. প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শুনান যথাক্রমে সহকারী হাইকমিশনার খন্দকার এম তালহা, মিনিস্টার কনসুলার টিএম জোবায়ের, পলিটিক্যাল মিনিষ্টার শ্যামল কান্তি চৌধুরী, কাউন্সেলার মিঃ আবেদিন। এর পর বাংলাদেশ হাইকমিশন ও অন্যান্য সামাজিক সাংসকৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে একে একে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুলদিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
১৫ই আগষ্টের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় অংশ নেয় প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী নইমুদ্দিন রিয়াজ, সহসভাপতি জালাল উদ্দিন, সামসুদ্দিন মাষ্টার, আনসারুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ এনাম, বিমান মল্লিক, জামাম খান, সাজিয়া স্নিগ্ধা, ডাঃ আলাউদ্দিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি বসে থাকেনি, তারা চেয়েছিল চিদিনের জন্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে, আজও তারা চাইছে দেশকে পাকিস্তানী ভাবধারায় ফিরিয়ে নিতে, আমাদের সকলকে সব ধরনের ষঢ়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। ভেদাভেদ ভুলে সকলকে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মরমী কবি শাহ ইস্কন্দর মিয়া আর নেই

লন্ডনঃ প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ওল্ডহ্যাম শহরের বাসিন্দা মরমী কবি বহুগ্রন্থ প্রণেতা পীর শাহ ইস্কন্দর মিয়া আর নেই (ইন্নালিল্লাহি রাজিউন), ১৪ আগষ্ট সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল ছয় ঘটিকায় তিনি বাংলাদেশে গ্রামের বাড়ী জগন্নাথপুর উপজেলার আলাগদি তেরাউতিয়া গ্রামে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি চার পুত্র এক কন্যা নাতি নাতনি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বাদ আসর গ্রামের বাড়ীতে তাঁকে পারিবারিক গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। আজীবন জাতির জনকের আদর্শের অনুসারী ইস্কন্দর মিয়া প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠন হিসেবে কাজ করেন। গান গেয়ে প্রবাসে মুক্তিযদ্ধের ফান্ডসংগ্রহ সহ লন্ডনে প্রতিটি মিছিল মিটিংয়ে অগ্রসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৫জুন জগন্নাথপুরের পাইলগ্রাও ইউনিয়নের তেরাউতিয়া মোকামবাড়ীতে জন্মগ্রহন করেন। ছোট বেলা থেকেই গান বাজনা লেখালেখির প্রতি তার আগ্রহ ছিল। পাইলগাঁও ব্রজনাথ উচ্চবিদ্যালয়ে অধ্যনকালীন সময় ময়মনসিংহের সাধক জয়নাল আবেদিন পাঠানের কাছে গানের গানের গুঢ়-তত্ত্ব, রাগ-রাগিনী ও বাজনার উপর তালিম নেন। যৌবন কালে গান-বাজনার পাশাপাশি মঞ্চ নাটক এবং যাত্রাপালায় অভিনয়ও করেছেন। জীবনে অনেক বাউল গান গেয়েছেন। এলাকার মানুষের মতে যৌবনে বাউল গান এবং যাত্রা পালার ভিশাশনি ছিলেন পীর ইস্কন্দর মিয়া। তিনি ১৯৬৩ সালে যুক্তরাজ্যে আগমন করেন, বৃটেনে অভিবাসী হওয়ার পরও তাঁর উৎসাহ উদ্দীপনায় ভাটা পড়েনি। যখন তিনি বিলেতে আসেন তখন ভরা যৌবন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে বন্ধ-ুবান্ধবদের নিয়ে সঙ্গীতচর্চা অব্যাহত রাখেন। বন্ধু-বান্ধব মিলে চিত্ত বিনোদনের জন্য গানের আসরে মিলিত হন নিয়মিত। এশকের আশিক হয়ে প্রাণের কথা গানে লিখতে শুরু করেন। ‘‘সবুজ আসর নামে‘‘ একটি গানের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন ওল্ডহ্যামে। পীর মোহাম্মদ শাহ ইসকন্দর মিয়ার তের খন্ডে রচিত গানের সংখ্যা দেড় হাজারেরও অধিক। ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ইসকন্দর গীতি প্রথম খন্ড প্রকাশিত হয় ১০১টি গান নিয়ে দ্বিতীয় খন্ড প্রকাশিত হয় ১১৪টি গান নিয়ে। পরে সংশোধিত আকারে ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে ১০১টি গান নিয়ে ইসকন্দর গীতি দ্বিতীয়বার পুনঃমুদ্রণ করা হয়। ইসকন্দর গীতি দ্বিতীয় ও তৃতীয় খন্ড একত্রে প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালের ফেব্রƒয়ারী মাসে। দ্বিতীয় খন্ডে গানের সংখা ১১৪টি ও তৃতীয় খন্ডে গানের সংখ্যা ১১৫টি। ইসকন্দর গীতি চতুর্থ ও পঞ্চম খন্ড একত্রে প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালের মে মাসে। চতুর্থ খন্ডে গানের সংখ্যা ১৩৩টি আর পঞ্চম খন্ডে গানের সংখ্যা ১৪৫টি। ২০০৭ সালে তার লিখা গান নিয়ে দুটি গানের সিডি প্রকাশ করে ঢাকার একটি প্রতিষ্টান, রূহি ঠাকুর সহ সিলেট অঞ্চলের বহু বাউল তার গানে গেয়ে প্রতিষ্টা পেয়েছেন। মরমী কবি পীর মোহাম্মদ শাহ ইসকন্দর মিয়া প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় তখন কবি প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। ওল্ডহ্যামে প্রবাসী বাঙ্গালীদের সংগঠিত করা বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত আদায়ে কাজ করেন। তখন লন্ডনে অবস্থানরত বিচারপতি আবুসাঈদ চৌধুরীর সাথে কাজ করেন। সুদুর ওল্ডহ্যাম থেকে লন্ডনে এসে প্রতিটি মিছল মিটিং-এ অংশ নেওয়া সহ আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে প্রতিটি সভা সমিতিতে তিনি পালন করেন অগ্রণী ভূমিকা। একজন মরমী কবি হিসেবে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য মহাকবি সৈয়দ সুলতান সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ সুলতাশী হাবেলী হবিগঞ্জ তাঁকে ২০০১ সালে পুরস্কার প্রদান করে। মরহুমের দ্বিতীয় পুত্র কবি শাহ মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে তার পিতার রুহের মাগফেরাত কামনায় সকলের দোয়া চেয়েছেন, মরমী কবি ইস্কন্দর মিয়ার মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক-গবেষক মতিয়ার চৌধুরী, গবেষক এডভোকেট মোমিনুল হক, সাংবাদিক হান্নান মিয়া, আওয়ামীলীন নেতা আজিজুর রহমান দাড়া। শোক বার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোক সমন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থান ব্রিটিশ এমপিদের সতর্ক করে ইউকে আওয়ামীলীগের চিঠি

লন্ডনঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) সংঘাত এবং সন্ত্রাসের সাথে জড়িত অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ার বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র দলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থানের বিষয়ে ব্রিটিশ এমপিদের সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ।

যুক্তরাজ্য আওয়ামীলগের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ এমপিদের কাছে লিখা চিঠিতে সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে খালেদাকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসতে এবং তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে এমপিদের সহায়তা চাওয়া হয়।

যুক্তরাজ্য আওয়ামীরীগের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ৬৫০ জন এমপির কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত বুধবার পার্লামেন্টের ডাক ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার কাছে এসব চিঠি পৌঁছে দেন আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আহাদ চৌধুরী, লন্ডন আওয়ামী লীগ নেতা আশিকুল ইসলাম আশিক ও ছাত্রলীগের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি সারওয়ার কবির।

চিঠিতে বলা হয়, ‘খালেদা জিয়া বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। চিকিৎসার অজুহাতে তিনি লন্ডনে বসে দেশবিরোদী ষঢ়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্চেন, তাঁর দল বাংলাদেশকে সন্ত্রাসবাদ ও সংঘাতের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশিল করার পায়তারা করছে, মূলতঃ বিএনপি যে গণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে সংঘাদের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে তা ব্রিটিশ এমপিদের অবহিত করতেই এই চিঠি।
(সংবাদ বিজ্ঞপিত)

রিদওয়ান মাইশার বিয়ে সম্পন্ন

লন্ডনঃ মোহাম্মদ রিদওয়ান রহমান ও মাইশা মোমতাজ সালামের এর বিয়ে ও ওয়ালিমা গেল সাত আগষ্ট সন্ধ্যায় রমফোর্ডের সিটি প্যাভিলিয়নে সম্পন্ন হয়েছে। বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা গয়াছুর রহমান গয়াছ ও রাজনীতিবিদ মিনা রহমান দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র মোহাম্মদ রিদওয়ান রহমানের বিয়েতে বর-কনেকে আশির্বাদ দিতে রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক কমিউনিটি সংগঠক সহ বৃটেনের বাঙ্গালী কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা উপস্থিতি ছিলেন।

লন্ডনে চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন

লন্ডন: আজ থেকে ২১ বছর আগে খুনের শিকার চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে আবারও এমন অভিযোগ করে এর বিচার দাবি করেছেন লন্ডনে অবস্থানরত তার মা নীলা চৌধুরী।
সম্প্রতি সালমানকে হত্যা করা হয়েছে, সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই মামলার অন্যতম আসামী রুবির এমন ভিডিও স্বীকারাক্তির পর আট আগষ্ট মঙ্গলবার বিকেলে লন্ডনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিচারের দাবী জানান সালমান জননী নীলা চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে নীলা চৌধুরীর দুই ভাই বুলবুল ও জগলুল হায়াতও উপস্থিত ছিলেন।
রুবি’র ভিডিও স্বীকারাক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করে নীলা চৌধুরী বলেন ধর্মের ঢুল বাতাসে নড়ে। ২১ বছর ধরে প্রতিনিয়ত আমি বলে আসছি এটি আত্মহত্যা নয়, আমার ছেলেকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বারবার আমাকে থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ছেলে হত্যার বিচার চেয়েছি বলে আমাকেও হুমকি ধামকি এমন কি মেরে ফেলার চেষ্টা হয়।
সালমান শাহ’র মৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলা হিসেবে আমলে নিয়ে অবিলম্বে বিচার শুরুর আকুতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্যে নীলা চৌধুরী বলেন, আপনি আপনার পুরো পরিবার হারিয়েছেন, আমি হারিয়েছি আমার ছেলে। পরিজন হারানোর কি কষ্ট তা আমরা দুজনই অনুধাবন করতে পারি। একমাত্র আপনিই পারেন আমার ছেলে হত্যার বিচার আদায় করিয়ে দিতে।
আমেরিকা প্রবাসী রুবিকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের মাধ্যমে স্বাক্ষ্য গ্রহনের অনুরোধ জানিয়ে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘হত্যাকারীদের প্রভাব খর্ব করে একমাত্র প্রধানমন্ত্রীই পারেন এটি সম্ভব করতে’। সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাসহ বিভিন্ন হত্যাকান্ডের বিচার নিশ্চিতের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের প্রশংসা করে সালমান শাহ জননী নীলা বলেন, আমার ছেলে হত্যার বিচারেও এমন সাফল্য আসবে, এটি আমি বিশ্বাস করি। হত্যাকারীদের প্রভাবে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের সব আলামত নষ্ট করা হয়েছে এমন অভিযোগ করে নীলা চৌধুরী বলেন, আমি বারবার আবেদন জানিয়েছি আমার ছেলের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে হত্যকাণ্ড হিসেবে আমলে নিয়ে মামলা পরিচালিত হোক। আমেরিকা প্রবাসী রুবির সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও স্বীকারোক্তির পর আমার দাবিই সঠিক প্রমানিত হলো, হত্যামামলা হিসেবে আমলে নিতে এখনতো আর অসুবিধা থাকার কথা নয়। পুত্রের হত্যামামলা নিষ্পত্তি এবং বিচার না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাকে মরন না দেন সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রার্থনা করে সালমান জননী বলেন, আমি না পারলে আমার পরবর্তী প্রজন্মও এই বিচার আদায়ে সবসময় স্বক্রিয় থাকবে।

বহুল আলোচিত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

ঢাকা সংবাদদাতাঃ রাজধানীর পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে বহুল আলোচিত দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। এ মামলায় নিম্ন আদালতে আটজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল। রোববার বিকালে বিচারপতি মো: রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর যুগ্ম-বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই মামলায় নিম্ন আদালতে রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জিএম রাশেদুজ্জামান শাওন এবং মীর মো. নূরে আলম লিমনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে।এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কাইয়ুম মিঞা টিপু ও সাইফুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে এএইচএম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফাকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।তবে নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাকি ১১ আসামি কোনো আপিল না করায় তাদের বিষয়ে মন্তব্য করেননি আদালত। এর ফলে এসব আসামির যাবজ্জীবন সাজা বহাল থাকছে।যাবজ্জীবন বহাল থাকা আসামিরা হলেন- ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান। এদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়।উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ কর্মীরা নির্মমভাবে খুন করেন দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাসকে।বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই ২১ আসামির মধ্যে ৮ জন কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক।গত ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক।রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ড সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা।গত ২৬ ফেব্রুয়ারি এ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা।এরপর ১৬ মে হাইকোর্টে বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। গত ১৭ জুলাই উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত।

বিশ্বে শান্তি এবং সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের সকলকে মহানবীর প্রদর্শিত পথে চলতে হবে

লন্ডনঃ ইসলাম শান্তির ধর্ম ইসলামে সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদের স্থান নেই, আমাদের প্রীয় নবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) শান্তির বাণী নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন, বিশ্বে শান্তি এবং সাম্য প্রতিষ্টা করতে হলে আমাদের সকলকে মহানবীর প্রদর্শিত পথে চলতে হবে। আহমদিয়া মুসলিম এ্যাসোসিয়েশন বাংলাডিপার্টমেন্ট আয়োজিত সিরাত-উন-নবী (সঃ) বার্ষিক জলসায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা 2বলেন বর্তমান সময়ে একটি গোষ্টী পবিত্র ধর্ম ইসলামের নাম ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামের সাথে এদের কোন সম্পর্ক নেই, এরা পবিত্র ধর্ম ইসলামকে কলংকিত করছে, এরা ইসলাম এবং মানবতার শত্রু। গতকাল ৬ আগষ্ট দুপুরে ইষ্টলন্ডনের বায়তুল আহাদ মসজিদে ড. আব্দুল্লাহ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জলসায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত আহমদিয়া মুসলিম এ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের জাতীয় আমীর মোবাশ্বের উর রহমান।
অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওত করেন ফোয়াদ আলম, এর ইংরেজী তরজমা করেন আফজাল জাকারিয়া, বাংলা অনুবাদ তুলে ধরেন সৈয়দ মোহাম্মদ, নাশিদ পরিবেশন করেন তাইয়েদ আলম, অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিরাতু-উন-নবী (সঃ) আয়োজক কমিটির কনভেনার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাদী, খোদা প্রেরিত শান্তির দূত হযরত মুহম্মদ (সঃ) শীর্ষক আলোচনা করেন আহমদিয়া মুসলিম এ্যসোসিয়েশন বাংলাডিপার্টমেন্ট সেন্ট্রোল ইনচার্জ মৌলানা ফেরোজ আলম, দয়াল নবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) শীর্ষক আলোচনা করেন আহমদিয়া মুসলিম এ্যসোসিয়েশন বাংলাদেশের জাতীয় আমীর মোবাশ্বের উর রহমান, প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশ নেন জলসায় আগত অতিথিরা, ড. আব্দুল্লাহ জাকারিয়ার ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্যদিয়ে অলোচনা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। বিশ্বমাববতার কল্যাণ কামনায় নীরব মোনাজাতের মাধ্যমে জলসার সমাপ্তি ঘটে।

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখা’র মতবিনিময় সভা

লন্ডনঃ যেখানেই মানবতা লংঘিত হচ্ছে সেখানেই হিউম্যান রাইট কমিশন। বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন জন্মলগ্ন থেকে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। এমন্তব্য লন্ডন সফররত বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট সাংবাদিক ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী’র। তিনি বলেন, সমাজ থেকে অন্যায়, অনিয়ম এবং অবিচার দূর করতে হলে প্রতিটি মানবাধিকার কর্মিকে প্রকৃত সেবার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সেন্ট্রাল লন্ডনের ডামন স্ট্রিটের ফালাহিল কাফে রেস্তোঁরায় বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এমন্তব্য করেন।
তিনি হবিগঞ্জে হিউম্যান রাইটকমিশনের কার্য্যক্রমের বিবরন তুলে ধরে বলেন হিউম্যানরাইট কমিশন হবিগঞ্জ ইউনিট অসহায় ও অতিদরিদ্রদের জন্যে বিনামূল্যে আইনী সেবা চালু করেছে আর এতে এগিয়ে এসেছেন হবিগঞ্জ বারের কয়েকজন আইনজীবি। তিনি বলেন জেলার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি মাসের শেষ শনিবার হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট নিয়মিত সভা করে থাকে। তিনি যুক্তরাজ্যের হিউম্যান রাইট কমিশনের সদস্যদের বাংলাদেশে গেলে হবিগঞ্জ ইউনিট পরিদর্শনের আহবান জানান। বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখার প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আব্দুল আহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী জেনারেল তারাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএইচআরসি‘র ইউরোপীয়ান এম্বেসেডর সহিদুর রহমান, বিএইচআরসি ইংল্যান্ড শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সেক্রেটারী আব্দুল হাফিজ বক্কর, প্রেস সেক্রেটারী সাংবাদিক ফজলুল হক,ইউকে শাখার উপদেষ্টা শাহাব উদ্দিন সাবুল, ইউকে শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা চৌধুরী, কবীর মিয়া , কুতুব উদ্দিন প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল আহাদ চৌধুরী ইউকে এবং ইউরোপে বিএইচআরসি‘র কার্য্যক্রম তুলে ধরে বলেন ইংল্যান্ড এবং ইউরোপে বিএইচআরসি‘র শতাধিক সদস্য কাজ করছেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে ইসরাইলী সেনাবাহিনী কর্তৃক পিলিস্থিনীদের উপর নির্যাতন ও মসজিদে নামাজ আদায় করতে বাধা প্রদানে উদবেগ প্রকাশ করেন।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ২৬১ জনের অপরাধের তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ২৬১ জনের তালিকা ও অপরাধের তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সেগুনবাগিচার স্বাধীনতা হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ১৯৫ জন পাকিস্তানি সেনাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের বিচারের দাবিতে ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন’ নামের সংগঠন গঠন করেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। এরপর পালিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সেনাদের বিচারের দাবিতে ২১ দফা কর্মসূচী পালন করে আসা সংগঠনটি তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।
মাহবুব উদ্দিন বীরবিক্রমকে আহবায়ক, ক্যাপ্টেন সাহাবুদ্দিন বীর উত্তম ও হাবিবুল আলম বীর প্রতীককে সদস্য করে গঠন করা ওই তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ কমিটিই ২৬১ জন পাকিস্তানি সেনার যুদ্ধাপরাধের তথ্য প্রকাশ করলো।
এতে জেনারেল ইয়াহিয়া খান, জেনারেল আবদুল হামিদ খান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল পীরজাদাসহ শীর্ষস্থানীয় অনেক পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে।
সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব উদ্দিন বীরবিক্রম বলেন, আমরা সর্বসাকুল্যে ২৬১ জনের বিরুদ্ধে যে তথ্য সংগ্রহ করেছি তা জাতির সামনে উপস্থাপন করছি। এদের মধ্যে ৪৩ জন সিনিয়র পাকিস্তানি জেনারেল, মেজর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং দু-একজন বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও আছেন।
তিনি বলেন, হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্টেই এদের বিরুদ্ধে অনেক স্বাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া পাকিস্তানি উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের লিখিত পুস্তকে এই চিহ্নিত সামরিক গোষ্ঠির বিরুদ্ধে অনেক স্বাক্ষ্য বিধৃত আছে।
মাহবুব উদ্দীন বলেন, আমরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অপরাধের যে ভয়াবহতা লক্ষ্য করছি তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে, তাদের অপরাধের বিপরীতে এটিই যথেষ্ট নয়। তথ্য সংগ্রহ কমিটির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রাপ্ত তথ্য আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কমিটির নিকট অর্পণ করা হবে।
এ সংগঠনের আহ্বায়ক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। ৬ জনের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। অনেকগুলো মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বর্বর পাক সেনাদের বিচার ত্বরান্বিত করা এবং তাদের কাছে বাংলাদেশের পাওনা ৩৫ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লড়াইয়ে সকলকে এক হতে হবে।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের পাক হানাদার ও তাদের এদেশীয় দোসর-রাজাকার-আলবদরদের প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ ও সৃষ্টি করতে হবে। পাকিস্তানিরা মুক্তিযুদ্ধের সময় যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, লুট করেছে সেজন্য এখনো তারা বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায়নি। তাদেরকে অবশ্যই তাদের অপকর্ম ও নৃশংসতার জন্য বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শিরীন আক্তার, ইসমত কাদির গামা, আলাউদ্দিন মিয়া, ক্যাপ্টেন সাহাবুদ্দিন বীর উত্তম, হাবিবুল আলম বীর প্রতীক প্রমুখ।

পরলোকে সমাজ সেবী মনোহর আলী

লন্ডনঃ ব্রিটিশকারী এওয়ার্ডের প্রবর্তক ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি‘র (বিবিসিসিআই)এর প্রেসিডেন্ট এনাম আলী এমবিই‘র পিতা সিলেট সিটির জিন্দাবাজারের বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রবীণ মূরব্বী আলহাজ্ব মনোহর আলী আর নেই (ইন্নালিল্লা…হি..রাজিউন)। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ২রা আগষ্ট সকালে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধ্যক্য জনিত রোগে ভোগছিলেন মৃত্যুকালে তিনি পাঁচ পুত্র, তিন কন্যা, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামী ৪ আগষ্ট শুক্রবার বাদ জুমা সিলেটে হযরত শাহ জালাল (রঃ) এর দরগা প্রাঙ্গনে নামাজে জানাজা শেষে দরগা কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হবে। মরহুমের মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম,সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সাংবাদিক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তিকামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net