শিরোনাম

শীর্ষ খবর

প্যারিসে পিপলস ট্রাইব্যুনালের বিক্ষোভ সমাবেশ ——আনসার আহমেদ উল্লাহ

গেল ১২ ডিসেম্বর প্যারিস জলবায়ু চুক্তির ২ বছর পূর্তি হলো। এ উপলক্ষে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যক্রনের আমন্ত্রণে বিভিন্ন দেশেররাষ্ট্রপ্রধাণরা জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিজ্ঞা পুনব্যক্ত করতে সমবেত হয়েছেন।
এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলি লক্ষ্য হলো, ২০১৫ সালে প্যারিসের জলবায়ু সম্মেলনের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন তরান্বিত করা এবং চুক্তির অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হওয়া। বাংলাদেশের প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে অংশ নিয়েছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকারকরলেও বাস্তবিক পক্ষে জলবায়ুর জন্য হুমকিস্বরূপ জীবাশ্ম জ্বালানী নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যহত রেখেছে। বাংলাদেশ ২০৪১ সাল নাগাদ মোট জ্বালানীর ৩৫ শতাংশ কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে, যা প্যারিস জলবায়ু চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশও এরকম দ্বিমুখীজ্বালানী পরিকল্পনা করেছে। সেকারনে গত ১০ ডিসেম্বর পরিবেশ সতেচন বিভিন্ন সংগঠন প্যারিসে জলবায়ুর পরিবর্তন শীর্ষক গণশুনানি (Peoples Tribunal)আয়োজন করে।

জাতীয় কমিটি ফ্রান্স শাখার পক্ষ থেকে এই ট্রাইবুন্যালে অংশ নেয়া হয় এবং সুন্দরবনের উপর রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রভাব নিয়ে প্রতিনিধিরা আলোচনা করেন। সুন্দরবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করতে পারে, এমন সকল তৎপরতা বন্ধ করার দাবি পুনব্যক্ত করা হয়। রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করতে ফ্রান্সের এবং বিশ্বের পরিবেশ আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা চাওয়া হয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম, জুয়েল দাশ রায় লেনিন, নিলয় সূত্রধর সুমন ও সারদা মনি রায় ছন্দা। 350 France, Tour Alternatiba, Les Amis de Terre France, ANV Action non-violent COP21, Attac France, Biyi Mugi, Le CRID, Oxfam France Le Refedd, ZEA, La Foundation pour la Nature et l`Homme সহ ইউরোপের অনেকগুলো সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।
প্রোগ্রামের ধারাবাহিকতায় আজ ১২ ডিসেম্বর সকালে আন্দোলনকারীরা এক সমাবেশের আয়োজন করে। এতে কয়লার রূপক অর্থে কালো চাদর দিয়ে পৃথিবীকে প্রথমে ঢেকে ফেলা হয়, এরপর প্রতিবাদী জনতা সে চাদর ছিন্নভিন্ন করে মুক্ত বাতাসে বের হয়ে আসে এবং মুক্তির গান গেয়ে ও শ্লোগান দিয়ে বিশ্বকে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে বলে। এই আয়োজনে প্রায় হাজারখানকি মানুষ অংশ নয়ে। বাংলাদেশ তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ- বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি ফ্রান্স শাখা এই প্রতিবাদ কর্মসূচির সাথে একাত্মতা জানায়। জাতীয় কমিটি ফ্রান্স শাখার পক্ষ থেকে উপস্থতি ছিলেন আহ্বায়ক ফাহাদ রিপন, সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম, সদস্য আহাম্মেদ আলী দুলাল, তপু বড়ুয়া ও ইয়াসমিন আক্তার। অনেকে। এসময় জাতীয় কমিটির নেতৃবন্দ বাংলাদেশের সুন্দরবন নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। আজকের আয়োজনে ইউরোপের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর পক্ষে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন Clemens Dubois, Brett Fleishman, Victoire Guillonneau এবং আরো অনেকে। গত এক সপ্তাহ ধরে নানা প্রস্তুতি এবং রিহার্সালের মধ্যে দিয়ে এই আয়োজন সফল করা হয়।

লন্ডনে তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির বিক্ষোভ জিসিএমকে বাংলাদেশ ত্যাগের পরামর্শ

গতকাল ১২ ডিসেম্বর সকালে সেন্ট্রাল লন্ডনের হ্যামিলটন প্লেসের সামনে গ্লোবাল কোল ম্যানেজমেন্টের (জিসিএম) এর বার্ষিক সাধারন সভা ও সেমিনার চলাকালে সভাস্থলের বাইরে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন প্রচেষ্টার প্রতিবাদে তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি যুক্তরাজ্য শাখা ও ফুলবাড়ী সলিডারিটি কমিটি বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি যুক্তরাজ্য শাখা, বাংলাদেশী কমিউনিটি সহ যুক্তরাজ্যের পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা এই প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেয়। জিসিএম একজন প্রক্সি শেয়ার হোলাডারকে সভায় ঢুকতে দেয়নি বলে জানা গেছে। আগে থেকেই ওয়েস্টমিনিস্টার পুলিশ সমাবেশ স্থলের বাইরে অবস্থান নেয়। প্রতিবাদ সমাবেশে ডা. মুখলিছুর রহমান বলেন, ২ লক্ষ মানুষকে বসতবাড়ী থেকে উচ্ছেদ ও ১৪ হাজার হেক্টর কৃষিজমি ধ্বংস করার সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়কারী এই কয়লা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। ড. আখতার সোবহান মাসরুর বলেন, বাংলাদেশে জিসিএমের সকল কার্যক্রম বন্দ্ধ ও ফুলবাড়ীতে স্থানীয় আন্দোলনকারীদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। মোস্তফা ফারুক বলেন, জিসিএম বাংলাদেশ সরকারের সাথে কোন চুক্তি ছাড়াই লন্ডন শেয়ার মার্কেটে শেয়ার বিক্রি করছে। তিনি জিসিএমকে একটা অফিস সর্বস্ব একটা প্রতারক কোম্পানি হিসেবে আখ্যায়িত করেন। নিসার আহমদ বলেন, বাংলাদেশকে কয়লা ত্যাগ করে নবায়নযোগ্য বিকল্প জ্বালানীর কথা ভাবতে হবে। মিরিয়াম রোজ বলেন, জিসিএম বাংলাদেশ ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা প্রতিবাদ করতে থাকবো। ড. রুমানা হাশেম ঘোষণা পত্রপাঠে বাংলাদেশে জিসিএমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। সমাবেশে লন্ডন মাইনিং নেটওয়ার্ক, ফয়েল ভেডান্ট, রিক্লেইমিং দ্যা পাওয়ার সহ বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়।

খেলাফত মজলিশ যুক্তরাজ্য শাখার উদ্যোগে ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ঈমান ও ক্বিবলা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান

লন্ডন, ১১ ডিসেম্বর: গত ৯ ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার রাত ৮টায় খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য কার্যালয় আলহুদা সেন্টারে যুক্তরাজ্য শাখার উদ্যোগে ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক সমাবেশ যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি মাওলানা সাদিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাহ মিজানুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ নজমুল হক।
উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহা সচিব অধ্যাপক আবদুল কাদির সালেহ। এছাড়া সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খলিফায়ে হযরত শেখ হেকিম আখতার-মাওলানা আসগর হোসাইন, কাউন্সিল অব মস্কের চেয়ারম্যান হাফিজ মাওলানা শামসুল হক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক, কমিউনিটি নেতা কে এম আবু তাহের চৌধুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব আহমদ, মাযাহিরুল উলুম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা ইমদাদুর রহমান আল-মাদানী, ব্যারিস্টার নাজির হোসাইন, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি শেখ মাওলানা হুসাইন নূরী চৌধুরী, যুক্তরাজ্য সহ সভাপতি মুফতি মাওলানা তাজুল ইসলাম, ক্বারী আবদুল মুকিত আজাদ, মাওলানা শওকত আলী, হাফিজ মাওলানা আবদুল কাদির, মাওলানা হাসান নূরী চৌধুরী, রিজেন্ট পার্ক মসজিদের ইমাম মাওলানা কাজী লুৎফুর রহমান, কাউন্সিলার শাহ আলম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সলিসিটর লিয়াকত সরকার, কবি সাংবাদিক আবু সুফিয়ান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য সহ সাধারণ সস্পাদক মাওলানা এনামুল হাসান সাবির, মাওলানা আবদুল করিম, আবদুল করীম উবায়েদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান খান, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা তায়ীদুল ইসলাম, দাওয়া সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান জাকির, অফিস সম্পাদক সৈয়দ মারুফ আহমদ, তথ্য গবেষণা সম্পাদক শেখ মোস্তাক আহমদ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা আবদুল আহাদ, লন্ডন মহানগরী সভাপতি মাওলানা এনামুল হক, সেক্রেটারী মাওলানা আনিসুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক ফুজায়েল আহমদ নাজমুল, মাওলানা নুফাইস আহমদ, আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন, মাওলানা নোমান উদ্দিন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল কাদির সালেহ Ñ মার্কিন প্রেসিডেন্ট কর্তৃক জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করায় এর তীব্র নিন্দা জানান এবং এই ঘোষণাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন ঈমান ও ক্বিবলা রক্ষায় বিশ্বের সকল মুসলিম সম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এখনই সময়। ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন ইসলাম শান্তির ধর্ম-মানবতার ধর্ম। জেরুজালেম মুসলমাদের একটি পবিত্রস্থান। অবিলম্বে ঘোষণা প্রত্যাহার না করলে বিশ্বের শান্তি বিনষ্ট হতে পারে।
প্রধান অতিথি বলেন- রাসুল (সা:) এর আদর্শ ব্যতিরেকে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও মুক্তি অসম্ভব। একমাত্র খেলাফত ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ সম্ভব। নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেনÑ নেতা হওয়ার স্বপ্ন সাবার থাকে। কিন্তু আদর্শ কর্মী না হতে পারলে নেতা হওয়া কঠিন। তাই আজকের ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শপথ হোক- আদর্শ কর্মী হওয়ার শপথ।

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার’’-এ অন্তর্ভূক্ত করায় লন্ডনে হাইকমিশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালী
লন্ডনঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের যেমন পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছেন অন্যদিকে জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্টা করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্যে আমরা বাঙ্গালীরা গর্বিত, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার’’-এ অন্তর্ভূক্ত করে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি প্রদান করায় লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন ৭ই মার্চের ভাষণই স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা। তিনি বলেছিলেন ‘‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতা সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’’। ‘‘আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমাদের যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়ার শত্রুর মোকাবলা কর’’ আর তাই ঘটেছিল। মার্চের ৮ তারিখ থেকে গ্রামে গঞ্জে শুরু হয় ট্রেনিং মানুষ যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ২৫ মার্চ তিনি পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার পূর্বমূহুর্থে তৎকালীণ ইপিআর-এর ওয়ার্লেস মারফত আবার স্বাধীনতার ঘোষনা দেন পরবর্তিতে অনেকেই তার পক্ষে এই ঘোষনাপত্র পাঠ করেন। এটিই হচ্ছে আসল সত্য ।Matiar chowdhury

jamal khanMatiar chowdhury
সোমবার ১১ ডিসেম্বর দুপুরে সাউথ-ওয়েষ্ট লন্ডনের ২৮ কুইন্স গেটের বাংলাদেশ মিশনের সেমিনার হলে লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনানের সভাপতিত্বে ও ফাষ্ট সেক্রেটরী স্বদীপ্ত আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে মাননীয় রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করে লন্ডনে নিযুক্ত সহকারী হাইকমিশনার খন্দকার এম তালহা ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর এম রেজা আবেদীন। এর পর প্রজেক্টারের মাধ্যমে বাজানো হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেটের রূপকার বিমান মল্লিক, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহসভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, সাবেক প্রেস মিনিষ্টার সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা আবু মুসা হাসান, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য যুবমহিলা লীগের সেক্রেটারী সাজিয়া ¯িœগ্ধা, যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্মসম্পাদক জামাল খান, সাবেক ছাত্র নেতা শায়েক আহমদ, সাবেক কাউন্সিলার সেলিম চৌধুরী প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বলেন ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান আমাদের কুটনৈতিক প্রচেষ্টার ফসল। তিনি বলেন ইউনেস্কো হ্যরিটেজ কমিটিতে ১৪জন সদস্য থাকেন এব্যাপারে প্রত্যেক সদস্যকে একমত পোষন করতে হয়, এই কমিটির কেউ দ্বিমত পোষন করলে তা সম্ভব হতোনা। এর পর বের করা হয় আনন্দ র‌্যালী, র‌্যালিটি হাইকমিশন ভবন থেকে বের হয়ে কুইন্সগেট এলাকার বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করে আবার হাইকমিশন ভবনে এসে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার’’-এ অন্তর্ভূক্ত করায় লন্ডনে হাইকমিশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালী

লন্ডনঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের যেমন পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছেন অন্যদিকে জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্টা করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্যে আমরা বাঙ্গালীরা গর্বিত, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার’’-এ অন্তর্ভূক্ত করে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি প্রদান করায় লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন ৭ই মার্চের ভাষণই স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা। তিনি বলেছিলেন ‘‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতা সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’’। ‘‘আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমাদের যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়ার শত্রুর মোকাবলা কর’’ আর তাই ঘটেছিল। মার্চের ৮ তারিখ থেকে গ্রামে গঞ্জে শুরু হয় ট্রেনিং মানুষ যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ২৫ মার্চ তিনি পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার পূর্বমূহুর্থে তৎকালীণ ইপিআর-এর ওয়ার্লেস মারফত আবার স্বাধীনতার ঘোষনা দেন পরবর্তিতে অনেকেই তার পক্ষে এই ঘোষনাপত্র পাঠ করেন। এটিই হচ্ছে আসল সত্য ।bhl ralyMatiar chowdhury
সোমবার ১১ ডিসেম্বর দুপুরে সাউথ-ওয়েষ্ট লন্ডনের ২৮ কুইন্স গেটের বাংলাদেশ মিশনের সেমিনার হলে লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনানের সভাপতিত্বে ও ফাষ্ট সেক্রেটরী স্বদীপ্ত আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে মাননীয় রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করে লন্ডনে নিযুক্ত সহকারী হাইকমিশনার খন্দকার এম তালহা ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর এম রেজা আবেদীন। এর পর প্রজেক্টারের মাধ্যমে বাজানো হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেটের রূপকার বিমান মল্লিক, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহসভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, সাবেক প্রেস মিনিষ্টার সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা আবু মুসা হাসান, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য যুবমহিলা লীগের সেক্রেটারী সাজিয়া ¯িœগ্ধা, যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্মসম্পাদক জামাল খান, সাবেক ছাত্র নেতা শায়েক আহমদ, সাবেক কাউন্সিলার সেলিম চৌধুরী প্রমুখ।

jamal khan সভাপতির বক্তব্যে হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বলেন ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান আমাদের কুটনৈতিক প্রচেষ্টার ফসল। তিনি বলেন ইউনেস্কো হ্যরিটেজ কমিটিতে ১৪জন সদস্য থাকেন এব্যাপারে প্রত্যেক সদস্যকে একমত পোষন করতে হয়, এই কমিটির কেউ দ্বিমত পোষন করলে তা সম্ভব হতোনা। এর পর বের করা হয় আনন্দ র‌্যালী, র‌্যালিটি হাইকমিশন ভবন থেকে বের হয়ে কুইন্সগেট এলাকার বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করে আবার হাইকমিশন ভবনে এসে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার’’-এ অন্তর্ভূক্ত করায় লন্ডনে হাইকমিশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালী

লন্ডনঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের যেমন পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছেন অন্যদিকে জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্টা করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্যে আমরা বাঙ্গালীরা গর্বিত, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘‘মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার’’-এ অন্তর্ভূক্ত করে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি প্রদান করায় লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন ৭ই মার্চের ভাষণই স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা। তিনি বলেছিলেন ‘‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতা সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’’। ‘‘আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমাদের যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়ার শত্রুর মোকাবলা কর’’ আর তাই ঘটেছিল। মার্চের ৮ তারিখ থেকে গ্রামে গঞ্জে শুরু হয় ট্রেনিং মানুষ যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। Matiar chowdhury

jamal khan
২৫ মার্চ তিনি পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার পূর্বমূহুর্থে তৎকালীণ ইপিআর-এর ওয়ার্লেস মারফত আবার স্বাধীনতার ঘোষনা দেন পরবর্তিতে অনেকেই তার পক্ষে এই ঘোষনাপত্র পাঠ করেন। এটিই হচ্ছে আসল সত্য । সোমবার ১১ ডিসেম্বর দুপুরে সাউথ-ওয়েষ্ট লন্ডনের ২৮ কুইন্স গেটের বাংলাদেশ মিশনের সেমিনার হলে লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনানের সভাপতিত্বে ও ফাষ্ট সেক্রেটরী স্বদীপ্ত আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে মাননীয় রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করে লন্ডনে নিযুক্ত সহকারী হাইকমিশনার খন্দকার এম তালহা ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর এম রেজা আবেদীন। এর পর প্রজেক্টারের মাধ্যমে বাজানো হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ।
bhl raly আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেটের রূপকার বিমান মল্লিক, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহসভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, সাবেক প্রেস মিনিষ্টার সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা আবু মুসা হাসান, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য যুবমহিলা লীগের সেক্রেটারী সাজিয়া ¯িœগ্ধা, যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্মসম্পাদক জামাল খান, সাবেক ছাত্র নেতা শায়েক আহমদ, সাবেক কাউন্সিলার সেলিম চৌধুরী প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বলেন ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান আমাদের কুটনৈতিক প্রচেষ্টার ফসল। তিনি বলেন ইউনেস্কো হ্যরিটেজ কমিটিতে ১৪জন সদস্য থাকেন এব্যাপারে প্রত্যেক সদস্যকে একমত পোষন করতে হয়, এই কমিটির কেউ দ্বিমত পোষন করলে তা সম্ভব হতোনা। এর পর বের করা হয় আনন্দ র‌্যালী, র‌্যালিটি হাইকমিশন ভবন থেকে বের হয়ে কুইন্সগেট এলাকার বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করে আবার হাইকমিশন ভবনে এসে শেষ হয়।

ভিশন ২০২১ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে এনআরবি নবপ্রজন্ম বিশেষ অবদান রাখতে পারে প্রয়োজন রেমিটেন্স থেকে নলেজ ট্রান্সপার পরিকল্পনা ——— একান্ত সাক্ষাৎকারে আইয়ুব করম আলী

বিশেষ প্রতিনিধিঃ আইয়ুব করম আলী বৃটেনের বাঙ্গালী কমিউনিটিতে একটি সুপরিচিত নাম। একজন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবী হিসেবে রয়েছে তার বেশ সুখ্যাতি। জন্ম বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে। ১৯৭৩ সালে মাত্র ১১বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপপ্ত করে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে বৃটেনে আগমন করেন। ইংল্যান্ডের রাস্কিন কলেজ, অক্সফোর্ড ও ব্রুনেল ইউনিভারসিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা গ্রহনের পর, ১৯৮২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা ২৮ বছর বৃটেনের স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগে উর্ধতন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত লন্ডনের নিউহ্যাম কাউন্সিলের একজন নির্বাচিত কাউন্সিলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নিষ্টার সাথে। গেল কয়েক বছর যাবত নিজ এলাকা ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ব্রীজ একাডেমী প্রতিষ্টার মাধ্যমে এলাকায় শিক্ষার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন, নিজে ঐ প্রতিষ্টানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাষ্টের প্রতিষ্টাতা ট্রাষ্টি। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে গ্রহীত ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের একটি প্রকল্পে ২০০১ থেকে টানা তিন বছর ডিরেক্টর পদে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ ২৫বছর বৃটেনের লেবার পার্টিতে একজন কর্মী ও সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যুক্তরাজ্যে যুবলীগে সক্রিয় ভূমিকা ও যুগ্মসাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যুক্তরাজ্য যুবলীগের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যর বিচারের জন্যে বৃটেনে সক্রিয়ভাবে আন্দোলন করেন। বিবাহিত জীবনে জনাব আইয়ুব করম আলী দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক, বড় ছেলে এডিনব্রা ইউনিভারসিটি থেকে অর্থনীতিতে ¯œাতক সমাপ্ত করে একজন ডেটা সাইনটিষ্ট হিসেবে কর্মরত, দিত্বীয় পুত্র মানচেষ্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্সে অধ্যয়নরত একমাত্র মেয়ে সেকেন্ডারী স্কুলে অধ্যয়নরত, স্ত্রী হোসনেয়ারা লন্ডনে একটি প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষিকা। আইয়ুব করম আলী বিগত ৭/৮ বছর যাবত দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, নিজ গ্রাম (বুড়াইরগাঁও গোবিন্দগঞ্জে) অবস্থান করে ২০১২ সালে প্রতিষ্টিত তার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ব্রীজ একাডেমীর দেখা শুনা সহ এলাকায় ২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ৫০শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল প্রতিষ্টার কাজে হাত দিয়েছেন, মাটি ভরাট সহ এই হাসপাতালটির কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে, তার মতে ২০২০সালে এটিকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল হিসেবে চালু করা হবে। এই হাসপাতালটি চালু হলে ছাতক সহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার মানুষ উপকৃত হবে। সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরীকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আইয়ুব করম আলী বলেন, আমি নিজকে একজন বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। নিজ এলাকার মানুষের জন্যে কিছু করতে চাই আর একারনেই দেশে ফিরে এসেছি। তিনি বলেন এখন পর্যন্ত এলাকার মানুষের জন্যে যা করেছি তা সম্পুর্ণ ব্যক্তি ব্যাক্তি উদ্যোগে। তবে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে অনেক কিছু করার সুযোগ থাকে যা ব্যক্তি উদ্যোগে সম্ভব নয়। তাই নিজ এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ থেকে এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাই আর একারনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনস্থির করেছি, এটা শুধু আমার নয় এলাকাবাসীও আমাকেই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায়, এজন্যই নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষনা করেছি। তিনি বলেন দেশের এককোটিরও বেশী মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন, দেশের উন্নয়নে তাদের অবদান খাটো করে দেখার উপায় নেই। তিনি বলেন দেশের উন্নয়নে এনআরবিদের সম্পৃক্ততা আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। সম্প্রতি সিলেটে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্টির (বিবিসিসিআই) এর আয়োজনে ও সিলেট চেম্বারের সহযোগীতায় ২১ থেকে ২৭ অক্টোবর অনুষ্টিত এনআরবি কনভেনশনে তার অশংনেয়া ও সেখানে এনআরবিদের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি যে মতামত তুলে ধরেছেন সে সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে আইয়ুব করম আলী বলেন একসময় আমাদের পূর্বপুরুষেরা এদেশে এসেছিলেন উন্নত জীবন যাপনের জন্যে। বিশেষ করে যারা ৬০ ও ৭০ এর দশকে এসছিলেন তারা নিয়মিত দেশে রেমিটেন্স পাটিয়েছেন এবং এনআরবিদের রেমিটেন্সে দেশ সম্বৃদ্ধ হয়েছে। তিনি বলেন এনআরবিরা বছরে দেশে পাঠিয়ে থাকেন ১৩বিলিয়ন ডলার, এখন কিন্তু দেশে রেমিটেন্স পাঠানোর প্রবাহ কমে যাচেছ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এনআরবিদের রেমিটেন্স প্রবাহ অব্যাহত রাখতে ও দেশের উন্নয়নে ২য় এবং ৩য় প্রজন্ম ও ভবিষ্যৎ এনআরবিদের সরাসরি দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে দেশ যেমন উপকৃত হবে শেকড়ের সাথে প্রবাসীদের সন্তানদের সম্পর্কও অটুট থাকবে। তবে এখন থেকেই এর জন্যে প্রয়োজন রিমিটেন্স থেকে নজেল ট্রেন্সপার পরিকল্পনা গ্রহন করা। তিনি ২০১০ সালের বৃটেনের সাসেক্স বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত একটি জরিপের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন এই পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ২০০২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বৃটেনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বছরে প্রায় সাত হাজার বিটিশ বাংলাদেশী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা নিয়ে বের হয়েছে, প্রতিবছরই এসংখ্যা বাড়ছে, বর্তমানে এসংখ্যা দশ হাজারেরও বেশী। এরা বৃটেনের বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছে, এর মধ্যে রয়েছে আইটি স্পেশালিষ্ট, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার সহ প্রতিটি শাখা থেকে শিক্ষার্থীরা বের হচ্ছে, এরা খুবই দক্ষ। এদের বাংলাদেশের উন্নয়নে সম্পৃক্ত করতে পারলে দেশ যেমন সম্বৃদ্ধ হবে থাকবে দেশের সাথে সম্পর্কও, যেমনটি করছে ভারত, চীন, মালয়েশিয়া সহ বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশ । ভারত আমেরিকা থেকে ভারতীয় আমেরিকানদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে ভারতের আইটি সেক্টরকে সম্বৃদ্ধ করেছে। ভারতের পথ অনুসরন করছে চীন মালয়েশিয়া সহ বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশ। মালয়েশিয়াতে কোন পদে লোক নিয়োগের প্রয়োজন হলে সেখানে থাকে তাদের প্রবাসীদের একটি কাটা, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মালয়েশিয়া তার প্রবাসীদের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিয়ে থাকে। জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়েতে হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এনআরবিদের কাজে লাগাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বেশ গুরুত্ব দিয়েছেন, বৃটেনেই রয়েছে ব্রিটিশ বাংলাদেশী নবপ্রজন্মের কয়েক হাজার আইটি স্পেশালিষ্ট যারা গেল কয়েক বছরে বৃটেনের বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যায়ল থেকে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে বেরিয়েছে, নেত্রীর স্বপ্ন হল ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করা ও ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের একটি উন্নত সম্বৃদ্ধশালী দেশ। জনাব আইয়ুব করম আলী বলেন দেশের সাথে প্রবাসী সন্তান তথা এনআরবিদের সম্পর্ক ধরে রাখতে হলে রেমিটেন্স থেকে নলেজ ট্রান্সপারের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আরো বলেন বৃটেন বা আমেরিকা থেকে যেসব এনআরবি সন্তানেরা বিভিন্ন সেক্টরে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে বের হচেছ তারা মেধাবি, সৎ এবং এনারজেটিক তাদের কাছ থেকে আশানুরুপ সার্ভিস পাওয়া সম্ভব যা দেশের উন্নয়নের কাজে লাগবে। বৃটেন থেকে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে দেশে গিয়ে কেন ইলেকশন করতে চান এমন প্রশ্নের উত্তরে আইয়ুব করম আলী বলেন বৃটেন একটি উন্নত দেশ এখানে সবকিছুই একটা ধারাবাহিকতার মধ্যে রয়েছে। এখানে নতুন করে কিছু করার নেই অথচ বাংলাদেশে যেদিকেই থাকান ,সব দিকে কাজ করার প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এই বাস্তবতা আমাকে দেশের জন্যে অনুপ্রাণিত করে এছাড়া আমি বৃটেনে থাকলেও বাংলাদেশকেই আমার দেশ মনে করি আর একারনে দেশের জন্যে নতুন কিছু করার চিন্তা ভাবনা থেকে সেখানে গিয়ে নিবর্বাচন করার কথা ভাবছি। বৃটেনের আমার দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতাকে দেশের উন্নয়কে কাজে লাগাতে চাই।

বার্মিংহাম লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সে শানে মুস্তাফা (স:) কনফারেন্স||আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে হলে রাসুল (সঃ)-কে ভালোবাসতে হবে

বার্মিংহাম : ইউকে লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্স এর উদ্যোগে গত ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স:) উপলক্ষে শানে মুস্তাফা কনফারেন্স ভাবগাম্ভির্য ও বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।Shane Mustafa 2
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির ব্যবস্থাপনায় এবং আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে মিডল্যান্ডস ডিভিশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে নারী-পুরুষদের জন্য আলাদা আসন ব্যবস্থার কারণে আগত অতিথিরা তা দেখে মুগ্ধ হন।
কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান এবং পরিচালনা করেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির কো-অর্ডিনেটর মাওলানা রফিক আহেমদ ও প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর সম্মানিত সভাপতি, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ হযরত আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাদীসে নববীর অন্যতম খাদেম, বাহরাইন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর শায়েখ ড. নাজি ইবনে রাশিদ আল-আরাবী আল আজহারী, লন্ডন ব্রিকলেন জামে মসজিদের খতিব, দারুল হাদীস লতিফিয়া লন্ডনের মুহাদ্দিছ হযরত মাওলানা নজরুল ইসলাম।
শায়েখ ড. নাজি ইবনে রাশিদ আল-আরাবী আল আজহারী’র আরবী ভাষায় প্রদত্ত বক্তব্য ইংরেজীতে অনুবাদ করেন দারুল হাদীস লতিফিয়া লন্ডনের শিক্ষক মাওলানা মারুফ আহমদ।
বার্মিংহামের ব্রিটিশ মুসলিম স্কুলের ইয়ার নাইনের ছাত্র মোঃ আব্দুল মুনিমের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও শামছুদ্দোহা শিল্পী গোষ্ঠির নাশিদ পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হওয়া সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের মেয়র, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার কাউন্সিলার আহমেদ উল হক এমবিই, বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারের চেয়ারম্যান, লতিফিয়া ফুShane Mustafa 3লতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার আলহাজ নাছির আহমদ, বার্মিংহাম সিরাজাম মুনিরা জামে মসজিদের খতিব হাফিজ মাওলানা সাব্বির আহমদ, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ কাজী আংগুর মিয়া, হাজী কামরুল হাসান চুনু মিয়া, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের সেক্রেটারি মোঃ মিসবাউর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ খুরশিদ উল হক, মোঃ আব্দুল হাই, ক্যাশিয়ার আমিরুল ইসলাম জামাল, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার, জমজম ট্রাভেলস এর সত্ত্বাধিকারী মোঃ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা রুকনুদ্দীন আহমদ, আলহাজ আবুল হোসাইন সাত্তার মিয়া, বার্মিংহাম আল ইসলাহ’র প্রেসিডেন্ট মাওলানা আতিকুুর রহমান, মাওলানা নোমান আহমদ, মাওলানা আবুল হাসান, আলহাজ গয়াস মিয়া, আলহাজ গৌছ আহমদ, মোহাম্মদ শাহজাহান, মাওলানা নুরুল আমিন, মাওলানা গুলজার আহমদ, মাওলানা মাহবুব কামাল, হাজী হাসন আলী হেলাল, হাফিজ আলী হোসেন বাবুল, মাওলানা আব্দুল মুনিম, মোঃ সাইফুল আলম, মোঃ আবুল কালাম, মাওলানা নুরুল ইসলাম, শফিক মিয়া চৌধুরী, মাওলানা এহসানুল হক, হাফিজ উসমান খান, মাওলানা বুরহান উদ্দিন আহমদ, সুফী ইদ্রিস আলী।Shane Mustafa 4
কনফারেন্সে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মানুষের জন্য আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে রাসুল (সঃ) এর প্রতি ভালোবাসা। রাসুল (সঃ) এর প্রতি মহব্বত ছাড়া কারো ঈমান পরিপূর্ণ হয় না। তিনি আরো বলেন, রাসুলে পাক (সঃ)-কে অনুসরণ করতে হলে তাঁকে ভালোবাসতে হবে। আর তাঁকে ভালোবাসতে হলে তাঁর সুমহান চরিত্র এবং আল্লাহ প্রদত্ত অতুলনীয় মর্যাদা সম্পর্কে জানতে হবে। এ জন্য তিনি সকলকে বেশি বেশি করে এ জাতীয় মাহফিল আয়োজনের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের সকলকে দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে আল্লাহর হাবিবের অনন্য আখলাক তুলে ধরতে হবে। এ প্রসঙ্গে লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব বিবেচনায় সকলকে এই প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সহযোগিতার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শায়েখ ড. নাজি ইবনে রাশিদ আল-আরাবী আল আজহারী বলেন, রাসুল (সঃ) হচ্ছেন গোটা মানবজাতির সরদার। আল্লাহ তাবারাকা ওতায়ালা তাঁকে গোটা বিশ্ব জাহানের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হিসেবে প্রেরণ করেছেন।
তিনি রাসুল (সঃ) এর একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেন, রাসুল (সঃ) ইরশাদ করেছেন, তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত আমি রাসুল (সঃ) তোমাদের নিকট তোমাদের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এমন কি দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়ে অধিকতর প্রিয় না হই। তিনি আরো বলেন, মানবতার মুক্তির দিশারী তাজদারে মদীনা, নূরে মুজাসসাম হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-কে মহান আল্লাহ তায়ালা জগতবাসীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ রহমত ও নিয়ামত স্বরূপ প্রেরণ করেছেন। তাঁর আগমনে দুনিয়ার সকল কিছু খুশি ও আনন্দ প্রকাশ করেছিলো। একমাত্র অখুশি হয়েছিলো ইবলিশ শয়তান। আজও বিশ্বের ঈমানদার আশেকে রাসুলগণ তাঁর আগমনের মাস মাহে রবিউল আওয়ালে খুশি প্রকাশ করেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট শুকরিয়া আদায় করেন- অর্থ্যাৎ, তাঁরা ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন করেন। তিনি আরেকটি হাদীস উল্লেখ করে বলেন, আবু লাহাব কাফির সরদার হয়েও ঈমান গ্রহণ না করে শুধু মাত্র আপন ভাতিজা হিসেবে আল্লাহর নবীর আগমনে খুশি প্রকাশ করায় প্রতি সোমবার তাঁর কবর শান্তি লাভ করছে। তিনি পরিশেষে বলেন, এতে প্রমাণিত হয় মুমিন হিসেবে আল্লাহর হাবীবের আগমনে খুশি প্রকাশ করা একান্ত কর্তব্য।
কনফারেন্স এর শেষে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মিলাদে বিশ্বের মুসলমানদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুক্তি কামনায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

সাফরন রেস্টুরেন্টে চার্লস ওয়াকার এমপি

হার্ডফোর্ডশায়ার ব্রক্সবোউন এলাকার এমপি চার্লস ওয়াকার ব্রিটেনের অর্থনীতিতে কারী শিল্পের অবদান উল্লেখ করে নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন।  শুক্রবার হডেসডনের হাই রোডের স্থানীয় সাফরান রেস্টুরেন্ট পরিদর্শন করেন এমপি। তিনি বলেন দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা জরুরী। বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ শেফ আনার ব্যাপারেও কথা বলেন তিনি। খাবারের মান ও পরিবেশনায় অনন্য গুনাবলীর জন্য এ বছর কারী লাইফ এওয়ার্ড জয়ী হয়  সাফরান রেস্টুরেন্ট। এ সম্মাননার জন্য রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা জানান চার্লস ওয়াকার।  উপস্থিত ছিলেন রেস্টুরেন্টের মালিক শামসুল আলম, শেফ নোমান আহমেদ, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাহাস পাশা, কারী লাইফ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সৈয়দ বেলাল আহমদসহ অন্যান্যরা।  মন্ত্রী বলেন এ এলাকায় যে কয়েকটি ভাল মানের রেন্টুরেন্ট রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম সাফরান। তিনি মনে করেন ভবিষ্যতে এ রেন্টুরেন্ট তাদের খাবারের মান ও অন্যান্য সুবিধাসমুহ ধরে রাখবে।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ইউনেস্কোর ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে শীতলপাটি

ইউনেস্কোর নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণের জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় কমিটি বুধবার শীতলপাটির বয়নপদ্ধতির স্বীকৃতির ঘোষণা দিয়েছে বলে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জানিয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ওই কমিটির বৈঠক, চলবে শনিবার পর্যন্ত। কমিটির আলোচ্যসূচির মধ্যে অন্যতম ছিল ২০১৭ সালের নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকা অনুমোদন।

বাংলাদেশের শীতলপাটির বয়নশিল্পের সঙ্গে ১৯টি দেশের ১৫টি নৈর্ব্যক্তিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সদ্য অনুমোদিত তালিকায় স্থান পেয়েছে।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জাতীয় জাদুঘর শীতলপাটির বয়নপদ্ধতির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কমিটির কাছে প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল।

আগের দিন সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরে শীতলপাটির এক বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধনীতে এসে সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, কমিটির চলতি অধিবেশনে স্বীকৃতির বিষয়টি ‘প্রায় নিশ্চিত’, এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।

এর আগে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা, বাংলার বাউল সংগীত, ঐতিহ্যবাহী জামদানী বুনন পদ্ধতি ইউনেস্কোর নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।

বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন বাংলার শীতলপাটি। লোকশিল্পটি মুর্তা নামক গাছের বেতি থেকে বিশেষ বুনন কৌশলে শিল্পরূপ ধারণ করে।

বৃহত্তর ঢাকা বিভাগ, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কিছু অংশে এই বেত গাছ জন্মালেও শীতলপাটির বুননশিল্পীদের অধিকাংশের বসবাস সিলেট বিভাগে। বৃহত্তর সিলেটের ১০০ গ্রামের প্রায় ৪ হাজার পরিবার সরাসরি এই কারুশিল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে জাতীয় জাদুঘর এক সমীক্ষায় জানিয়েছে।

সিলেটের শীতলপাটির এই বুননশিল্পীরা ‘পাটিয়াল’ বা ‘পাটিকর’ নামে পরিচিত।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net