শিরোনাম

 খেলা

প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের জয়

সংবাদ২৪ ডেস্ক: প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে সিডনি সিক্সার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বিসিবি একাদশ। ৮ ওভারে ৮৪ রানের লক্ষ্যটা শেষ ওভারে ছুঁয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ।

সিডনি ওভালে এই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৬৯ রান করেছিল সিডনি সিক্সার্স। বৃষ্টি আইনে ৮ ওভারে ৮৪ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায় বাংলাদেশের। শুরুটা দারুণ করেছেন সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েস। প্রথম ওভারেই ১৭ রান তুলে ফেলেছেন দুজন। দ্বিতীয় ওভারে ১২ রান তোলার পর আউট হয়েছেন ইমরুল। তবে পরের দুই ওভারে ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশের ইনিংস। ৩৭ রানের মধ্যে ফিরেছেন সাব্বির রহমান ও সৌম্য। ৪ ওভারে ৪৩ রানের পরই দলকে জয়ের আশা দেখান মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ।

পঞ্চম ওভারে ১৯ রান তুলে পরের দুই ওভারে ১০ রান করে তুলেছেন দলের দুই ব্যাটিং ভরসা। শেষ ওভারে মাত্র ২ রান প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। দলকে আর কোনো ঝামেলা পোহাতে দেননি এ দুজন, ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। গত বিপিএলের সেরা খেলোয়াড় মাহমুদউল্লাহ ১৩ বলে ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। তিনটি করে চার ও দুটি ছক্কা মেরেছেন। মুশফিক ৮ বলে ২টি চারে করেছেন অপরাজিত ১৫। সৌম্য ৯ বলে এক ছক্কা ও তিন চারে করেছেন ২০। ইমরুল ৭ বলে ১২। তিনিও একটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। সাব্বির ৩ বলে ১।

বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতেও সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছেন সৌম্য। ১ ওভারে ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। সৌম্যের করা ইনিংসের শেষ ওভারটা এমন না হলে বাংলাদেশের লক্ষ্য আরও বড় হয়ে যেত। তাসকিন ও তাইজুল দুজনই ৪ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট করে নিয়েছেন। মাশরাফি ২৯ রানে ১ উইকেট। আর ইংল্যান্ড সিরিজের চমক মেহেদী মিরাজ ১ ওভারে ৭ রানে ১ উইকেট।

প্রস্তুতি ম্যাচ, তবু এর গুরুত্ব কমছে না। সিডনি সিক্সার্স বিগ ব্যাশের বড় দলগুলোর একটি। সাবেক চ্যাম্পিয়নও তারা। তবে প্রতিপক্ষ দলের চেয়ে প্রথম ম্যাচে সব সময়ই বড় প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে যাত্রার ধকল আর ভিন্ন কন্ডিশন। সেটি মানিয়ে নিয়ে বৃষ্টিতে কমে আসা ম্যাচের দৈর্ঘ্যের চ্যালেঞ্জ সামলে জেতা অবশ্যই বড় স্বস্তির। দ্বিতীয় ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে, আগামী ১৬ই ডিসেম্বর।

ম্যাচটি দেখতে বেশ ভালো সংখ্যায় প্রবাসী বাঙালি মাঠে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশ–বাংলাদেশ গর্জনে গ্যালারি কাঁপিয়েছেন। ১৬ ডিসেম্বর ভিড়টা আরও বড় হবে, সন্দেহ নেই।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সিডনি সিক্সার্স: ২০ ওভারে ১৬৯/৯ (হিউজ ৪৭, জেসন রয় ৪২; সৌম্য ৩/৫, তাসকিন ২/৩৮, তাইজুল ২/৩৮, মিরাজ ১/৭, মাশরাফি ১/২৯)।
বিসিবি একাদশ (লক্ষ্য ৮ ওভারে ৮৪): ৬.৪ ওভারে ৮৪/৩ (মাহমুদউল্লাহ ২৮*, সৌম্য ২০, মুশফিক ১৫*, ইমরুল ১২, সাব্বির ১)।
ফল: বিসিবি একাদশ ৭ উইকেটে জয়ী।

নবীগঞ্জের দীঘলবাকে ফুটবল ফাইনাল সম্পন্ন

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)সংবাদদাতা : নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে গতকাল সোমবার আমেরিকা প্রবাসী আবির হাসান নাঈম এর সৌজন্যে রূপার নাও রূপার বইঠা ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠি হয়েছে। খেলায় অংশ গ্রহণ করেন এভারগ্রীন স্পোর্টিং ক্লাব ক্লাব কামারগাঁও বনাম জামাল ব্রাদার্স স্পোর্টি ক্লাব মশিবপুর। খেলায় এক শূন্য গোলে জামাল ব্রাদার্স স্পোর্টিং ক্লাব মশিবপুর বিজয়ী হয়। ম্যান অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হন মোঃ তারেক আহমদ।
এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ধর্মজিত সিনহা, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিল হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউ,পি সদস্য খালেদ হাসান দুলন, ইউ,পি সদস্য ইউসুফ আলী, লন্ডন প্রবাসী সফির আহমদ চৌধুরী, ইউ,পি কৃষকলীগ সভাপতি ফজলু চৌধুরী, হাজী খলিলুর রহমান, জ্যুতিষ কুমার দেব, নবীগঞ্জ প্রবাসী কল্যান সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ ছালিক মিয়া, দীঘলবাক ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের পরিচালক মনসুর আহমদ নাঈম, মিটুন দেব প্রমুখ। পরে অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

ডায়ান কার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী

লন্ডন সংবাদদাতা: ডায়ান কার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী সম্পন্ন হয়েছে। ২০টি দলের মধ্যে ফাইনালে কামরুল-বক্কর জুটি, শহিদ-আমনিুর জুটিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। ৩০ এপ্রিল শনিবার সিলেট ফ্রেন্ডস ক্লাব ইউকে’র উদ্যোগে আয়োজিত পূর্বলন্ডনের স্থানীয় একটি ইনডোর প্লেগ্রাউন্ডে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাডমিন্ট ফেডারেশনের সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার আরমান আহমেদ শিপলু।
ডায়ান কারের সত্বাধিকারী শাহবাজ আলীর সভাপতিত্বে খালেদ আহমেদ জয়ের পরিচালনায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে তরুণদের কমিউনিটির উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তরুণ ব্যবসায়ী সেলিম আহমদ, সংগঠক গোলাম ফারুক। বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন তাঁরা।
এতে অন্যানের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম, সাজুল ইসলাম, খালেদ আহমদ, কামাল উদ্দিন, আবু জাফর প্রমুখ।

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

এনএনবি : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার প্রথম রাউন্ডে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে অপরাজিত ৮৩ রানে ভরকরে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৩ রান তোলে বাংলাদেশ। ডাচরা ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে করে ১৪৫ রান।ম্যাচের মাত্র এক দিন আগে ধর্মশালায় পা রেখেছিল দল। অনুশীলন সেশন পেয়েছিল মোটে একটি। সদ্য এশিয়া কাপ খেলার অবসাদ, হিমাচলের ঠাণ্ডা, উইকেট না বোঝা, উচ্চতায় মানিয়ে নেওয়ার সময় অনেক কম পাওয়া! প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ হিসেবে ডাচরাও ছিল কঠিন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা বরাবরই বড় শিকারি। সব মিলিয়ে পারফরম্যান্সে গোছানো ছিল না বাংলাদেশের। তবে প্রয়োজনের সময় ঠিকই পথ খুঁজে নিয়েছে তারা। ব্যাটিংয়ে যেমন দারুণ দায়িত্বশীল ও পরিণত ইনিংসে দলকে লড়ার মত রান এনে দিয়েছেন তামিম ইকবাল। মাশরাফি যথারীতি নেতৃত্বে ছিলেন দারুণ, বোলাররা দরকারের সময় ঠিকই করেছেন নিজেদের কাজটুকু।১৫৪ রান তাড়ায় ডাচদের শুরুটা ছিল সাবধানী। প্রথম ৪ ওভারে রান আসে ২১। প্রান্ত বদলে আক্রমণে এসে পঞ্চম ওভারে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আল-আমিন হোসেন। লেংথ বল পুল করে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন ওয়েসলি বারেসি (৯)।হুমকি হয়ে উঠছিল দ্বিতীয় উইকেটে স্টেফান মাইবার্গ ও বেন কুপারের জুটি। থিতু হয়ে শট খেলতে শুরু করেছিলেন নেদারল্যান্ডসের গত বিশ্বকাপের নায়ক মাইবার্গ। আউট হন তিনি নাসিরকে ¯¬গ সুইপ করতে গিয়ে (২৯ বলে ২৯)। বেন কুপারও ¯¬গ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন সাকিব আল হাসানের বলে (১৫ বলে ২০)।ডাচ অধিনায়ক পিটার বোরেন চেষ্টা করেছেন রানের গতি বাড়ানোর। তবে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কখনোই লাগামটা সেভাবে ছাড়েনি বাংলাদেশ। শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৫৪। সাকিবকে টার্গেট করেছিলেন ডাচরা, ওভারের প্রতি বলেই ¯¬গ করেছেন বোরেন। নাসিরকে একবার সহজ ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি। তবে ওই ওভারের শেষ বলেই আবার নাসিরের হাতে ধরা পড়েন বোরেন (২৯)।৪ ওভারে প্রয়োজন তখন ৪২। উইকেটে মারমুখি দুই ব্যাটসম্যান টম কুপার ও রোয়েলফ ফন ডার মারউই। কিন্তু অসাধারণ এক ওভারে ডাচদের জয়ের আশা অনেকটাই শেষ করে দেন মাশরাফি। দুর্দান্ত বোলিং করে ওই ওভারে মাত্র ১ রান দিয়েছেন অধিনায়ক, আউট করেন ফন ডার মারউইকে।পরের ওভারে দারুণ বোলিং করেন তাসকিন। বাধা হয়ে থাকা টম কুপার আউট হন আল আমিনকে রিভার্স প্যাডল করতে গিয়ে। ওই ওভারে চার-ছক্কা মেরে ম্যাচ কিছুটা জমিয়ে দিয়েছিলেন মুদাসসর বুখারি। তবে শেষ ওভারে আবারও দারুণ বোলিং করেছেন তাসকিন।উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়েছেন তাসকিন। ২৪ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন আল আমিন, ২৮ রানে দুটি সাকিব। ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি।বোলিংয়ের মতো বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের শেষটাও হয় দারুণ। তবে শেষের আগে পুরোটাই শুধু একজনেরই গল্প। ইনিংসের শুরু থেকে দলের হাল ধরেছিলেন তামিম, ছাড়েননি শেষ পর্যন্ত। এক প্রান্ত আগলে ব্যাটিং করে গেছেন; আরেক প্রান্তে শুধু ব্যাটম্যানদের আসা যাওয়া।টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। টসের সময় দুই অধিনায়কের কাছেই উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য মনে হয়েছিল ভালো। কিন্তু খেলা শুরুর পরপরই বোঝা গেল, ঠিক ব্যাটিং স্বর্গ নয় উইকেট, বরং একটুমন্থর। বল ব্যাটে এসেছে একটু থেমে, বাউন্সও কখনও কখনও ছিল খানিকটা অসমান।ইনিংস জুড়ে উইকেটের দুই প্রান্তে দেখা গেল দুই রকমের ব্যাটিং। তামিমের ব্যাটিংয়ে অস্বস্তি ছিল সামান্যই। অন্য প্রান্তে ধুঁকেছেন বাকিরা। প্রথম ওভারেই এলোমেলো এক শট খেলে জীবন পান সৌম্য সরকার (১৩ বলে ১৫)। থার্ডম্যানে সহজ ক্যাচ ছাড়েন পল ফন মিকেরেন। তবে খুব দ্রুতই প্রায়শ্চিত্ত করেন নিজেই।
সাব্বির রহমানের শুরুটা ছিল সতর্ক। একটু থিতু হয়ে যখন হাত খোলার ইঙ্গিত দিলেন, আউট তখনই। রোয়েলফ ফন ডার মারউইকে উড়িয়েছিলেন মাথার ওপর দিয়ে। কিন্তু ছক্কার পরের বলেই আউট। সোজা বলে এলবিডবি¬উ (১৫ বলে ১৫)।সাকিব আল হাসান ৫ রান করে ডাচ অধিনায়ক পিটার বোরেনের ¯ে¬া মিডিয়াম পেসে আউট হন বাজে এক শটে।বাজে শটের প্রতিযোগিতায় সামিল হলেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মাহমুদউল¬াহ ও ফর্মের জন্য লড়তে থাকা মুশফিকুর রহিম। মিডিয়াম পেসার টিম ফন ডার গুগটেনের তিন বলের মধ্যে আউট দুজন। সোজা বল ক্রস ব্যাটে খেলে বোল্ড মাহমুদউল¬াহ (১০)। গুড লেংথ থেকে একটু ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড মুশফিক (০)।আরেক পাশে তখনও দারুণ খেলে চলেছেন তামিম। ৪৬ রানে বেঁচে গিয়েছিলেন স্টাম্পিংয়ের সহজ সুযোগ দিয়েও। সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন দারুণভাবে। কিন্তু এক সময়ের ‘ফিনিশার’ নাসির হোসেন (৩) পারলেন না সঙ্গ দিতে।একের পর এক উইকেট হারিয়ে রানের গতিও যায় থমকে। পরে শেষ ২ ওভারে ৩ ছক্কায় রানটা ছাড়ায় দেড়শ’। ফন গুগটেনকে মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা মারেন মাশরাফি। শেষ ওভারে লোগান ফন বিককে গ্যালারিতে ফেলেন তামিম। এমনকি ছক্কা মারেন আরাফাত সানিও! ৬টি চার ও ৩ ছক্কায় ৫৮ বলে ৮৩ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম।সংক্ষিপ্ত স্কোর:বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৫৩/৭ (তামিম ৮৩*, সৌম্য ১৫, সাব্বির ১৫, সাকিব ৫, মাহমুদউল¬াহ ১০, মুশফিক ০, নাসির ৩, মাশরাফি ৭, আরাফাত ৮*; ফন ডার গুগটেন ৩/২১, ফন মিকেরেন ২/১৭, বোরেন ১/৯, ফন ডার মারউই ১/২৮)নেদারল্যান্ডস: ২০ ওভারে ১৪৫/৭ (মাইবার্গ ২৯, বারেসি ৯, বেন কুপার ২০, বোরেন ২৯, টম কুপার ১৫, ফন ডার মারউই ১, সিলার ৮*, বুখারি ১৪, ফন বিক ৪*; আল আমিন ২/২৪, সাকিব ২/২৮, মাশরাফি ১/১৪, নাসির ১/২৪)

এশিয়া কাপে ভারতের শিরোপা জয়

ঢাকা অফিসঃ বাংলাদেশের দেওয়া ১২১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৪.৪ ওভারে জয়ের লক্ষে পৌঁছে যায় ভারত। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ করেছিল ৫ উইকেটে ১২০ রান। জবাবে ভারত ৭ বল বাকি থাকতে জয় তুলে নেয় ২ উইকেট হারিয়ে। তারা অপরাজিতভাবেই শিরোপা জয় করল।আল আমিন হোসেন দ্বিতীয় ওভারেই রোহিত শর্মাকে আউট করে বাংলাদেশের আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু শিখর ধাওয়ান (৬০), বিরাট কোহলি (৪১ অপ.), মহেন্দ্র সিং ধোনি (২০ অপ.) ভারতকে জয়ের পথে নিয়ে যান।এর আগে এশিয়া কাপ টুয়েন্টি টুয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচ সন্ধ্যায় বৃষ্টির কারণে ২ ঘন্টা পর শুরু হয়। ফলে ১৫ ওভারে নামিয়ে আনা হয় শিরোপা লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচটি। ফাইনাল ম্যাচ, তার মধ্যে আবার ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে যাওয়া। তাই বাংলাদেশের উপর শুরুতে চাপ সৃষ্টি করতেই টস জিতেই প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্বান্ত নেন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। দলপতির সিদ্বান্তটা সঠিক করতেই প্রথম ওভারে লাইন-লেন্থ দুর্দান্ত বজায় রাখেন টিম ইন্ডিয়ার স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিন। প্রথম চার বল সামলাতেই হিমশিম খান ওপেনার তামিম ইকবাল। পঞ্চম বলে ১ রান নিয়ে হাফ ছেড়ে কোনরকম বাচেন তামিম। তবে চাপ যে ছিলো না তা বুঝিয়ে দেন সৌম্য। ওভারের শেষ বলে দুর্দান্ত এক বাউন্ডারি হাকাঁন তিনি।সৌম্যর বাউন্ডারিতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন তামিম। তাতেই পরবর্তীতে দু’টি বাউন্ডারি আসে তামিমের ব্যাট থেকে। থেমে থাকেননি সৌম্য। এরপর আরও দু’টি বাউন্ডারি মারেন তিনি। দু’জনের রান তোলার চিত্র দেখে মনে হচ্ছিলো- স্বপ্ল দৈর্ঘ্যর ম্যাচে বড়সড় স্কোরই করবে বাংলাদেশ। কিন্তু ৫ বলের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চিন্তায় পড়ে যায় বাংলাদেশ। এই অবস্থায় দলের চিন্তা দূর করার কাজটা ভালোভাবেই সাড়েন সাব্বির রহমান ও সাকিব আল হাসান। ভারতীয় বোলারদের উপর চড়াও হন তারা। তাতে কিছুটা লাইন-লেন্থহীন হয়ে পড়ে টিম ইন্ডিয়ার বোলিং। এই সুযোগে স্কোর বোর্ডে রানটা ভালোই তুলেছেন সাব্বির ও সাকিব। রান তোলায় বেশি এগিয়ে ছিলেন সাকিব। তবে অশ্বিনকে আবারো আক্রমণে এনে সাকিবের ইনিংসের ইতি ঘটান ধোনি। ৩টি চারে ১৬ বলে ২১ রান করেন সাকিব। আর সাব্বিরের সাথে ২৭ বলে ৩৪ রান যোগ করেন সাকিব। এই জুটিতে সাব্বিরের অবদান ছিলো ১২ রান।  সাকিবের পরপরই প্যাভিলিয়নে ফিরেন মুশফিকুর রহিম। রান আউট হবার আগে ৫ বলে ৪ রান করেন মুশফিকুর। এরপর উইকেটে এসেই ১ বলের বেশি থাকতে পারেননি টাইগার দলপতি মাশরাফি। ১ বলে শুন্য হাতে বিদায় নিতে হয় তাকে। তখন বাংলাদেশের রান ছিলো ১১.৪ ওভারে ৫ উইকেটে ৭৫ রান। ফলে বাংলাদেশের স্কোর শক্তপোক্ত অবস্থায় পৌছায় কি-না বা তিন অংক স্পর্শ করতে পারে কি-না, এই নিয়ে জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়ে মিরপুর স্টেডিয়ামে। তবে সেই জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। চলমান টুর্নামেন্টে শেষদিকে নেমে বহুবারই বাংলাদেশের রানকে পাহাড়ে বসিয়ে ছিলেন রিয়াদ। আর ফাইনাল ম্যাচে এই কাজটি তিনি করবেন না, তা কি-হয়!!  উত্তর ব্যাট হাতেই দিয়েছেন রিয়াদ। সাত নম্বরে নেমে মাত্র ১৩ বলে অপরাজিত ৩৩ রান করেন রিয়াদ। তার ইনিংসে ২টি করে চার ও ছক্কা ছিলো। অন্যপ্রান্তে ২৯ বলে ৩২ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন সাব্বির। আর বাংলাদেশের স্কোর গিয়ে দাড়ায় ১৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১২০ রান।বাংলাদেশ একাদশ : মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, নাসির হোসেন, আল-আমিন হোসেন, আবু হায়দার
ভারত একাদশ : মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক), রবীচন্দ্রন অশ্বিন, জাসপ্রিরাত বুমরাহ, শিখর ধাওয়ান, রবীন্দ্র জাদেজা, বিরাট কোহলি, আশিষ নেহরা, হার্ডিক পান্ডে, সুরেশ রায়না, রোহিত শর্মা ও যুবরাজ সিং।

খেলা নাহওয়ারই সম্ভাবনা বেশী দুই ফাইনালিস্ট বাংলাদেশ-ভারতকে  যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হতে পারে

ঢাকা থেকে ক্রীড়া সংবাদদাতাঃ প্রতীক্ষার ফাইনালে বাগড়া দিয়ে আপাতত জিরিয়ে নিচ্ছে বেরসিক বৃষ্টি। এই ফাঁকে চলছে মাঠ কর্মীদের তৎপরতা। খেলার উপযোগী হিসেবে মাঠকে গড়ে তুলতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।এদিকে খেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাড়ে ৮টার দিকে মাঠ পরিদর্শন করবেন আম্পায়ররা। কর্তৃপক্ষ বলছে খেলা শুরুর শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে রাত ১০টা ৪০মিনিট।  এর আগে রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে রাজধানীর মিরপুর স্টেডিয়ামে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়তে শুরু করে। এ সময় খেলার জন্য তৈরি পিচ দ্রুত ঢেকে ফেলা হয়। মিনিটে দশেক পর বৃষ্টি থামে। সরিয়ে নেয়া হয় পিচ কাভার।তবে এর কিছুক্ষণ পরই দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টির সঙ্গে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া। এতে মিরপুর স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্ধকারে ঢেকে যায় পুরো স্টেডিয়াম। প্রায় ৩০ মিনিট পর স্টেডিয়ামের বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপিত হয়। তবে ঝড়ের কবলে পড়ে স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঝড়ে অন্য একটি সাইড স্ক্রিনটিও ক্ষতিগ্রস্থ হয়।ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের মতে, প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে গড়াতে পারে ফাইনাল ম্যাচ। এর ফলে অন্তত ৫ ওভারের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর যদি বৃষ্টির কারণে শেষ পর্যন্ত একটি বলও না গড়ায়, ম্যাচ হয়ে যাবে পরিত্যক্ত। দুই ফাইনালিস্ট বাংলাদেশ-ভারতকে তখন যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।আশার কথা হলো- আবহাওয়া দফতরের তথ্য মতে খেলা চলাকালীন সময়ে আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

 

পাকস্তিানকে হারয়িে এশয়িা কাপরে ফাইনালে ওঠায় বাংলাদশে ক্রকিটে দলকে অভনিন্দন জানয়িছেনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামদি

চিকিৎসার জন্য লন্ডনে সফররত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জনাব আবদুল হামিদ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সব খেলোয়াড়, কোচ, ম্যানেজার ও কর্মকর্তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিঁনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল জয়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁর হোটেল কক্ষে উক্ত খেলাটি উপভোগ করেন। চিকিৎসা শেষে তিঁনি আগামী ০৬ মার্চ ২০১৬ রবিরারে লন্ডন ত্যাগ করা কথা রয়েছে।

এশিয়া কাপে    পাকিস্তানকেই ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে  বাংলাদেশ

বিশেষ সংবাদদাতা: বাংলার টাইগাররা বিয়ের মাসে  পাকিস্তানকে হারিয়ে আবারও প্রমাণ করলো আমরা বীররে জাতি। ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ সেই ম্যাচটা মাত্র ২ রানে হেরে শিরোপা জয়ের স্বাদ পায়নি লাল-সবুজের দল। এবার এশিয়া কাপের অঘোষিত সেমিফাইনালে সেই পাকিস্তানকেই ৫ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেছে মাশরাফি বাহিনী। ১৩০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৫ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। সদ্যই বাবা হওয়ার খুশি নিয়ে দলে ফিরেছিলেন তামিম ইকবাল। মোহাম্মদ আমিরের বলে দারুণ এক ছয় মেরে ইঙ্গিতই দিয়েছিলেন লম্বা ইনিংস খেলার। কিন্তু প্রত্যাবর্তনটা খুব বেশি স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না বাংলাদেশের এই বাঁ-হাতি ওপেনার। আউট হয়ে গেলেন ৭ রান করে। দ্বিতীয় উইকেটে ৩৩ রানের জুটি গড়ে ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিলেন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার ও সাব্বির। নবম ওভারে সাব্বিরকে বোল্ড করেছেন আফ্রিদি। ১৪ রান করে ফিরেছেন সাব্বির। তৃতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে আবার ৩৭ রানের জুটি গড়েছিলেন সৌম্য। ১৪তম ওভারে দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে দারুণ এক ডেভিভারিতে সৌম্যকে বোল্ড করেছেন আমির। ৪৮ রান করে ফিরেছেন সৌম্য। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের দাপুটে পারফরম্যান্সের সামনে স্কোরবোর্ডে ১২৯ রান জমা করতে পেরেছে পাকিস্তান। ৩০ বলে ৪১ রানের দারুণ ইনিংস খেলেছেন শোয়েব মালিক। ৪২ বলে ৫৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন সরফরাজ আহমেদ। বাংলাদেশের পক্ষে দারুণ বোলিং করে তিনটি উইকেট নিয়েছেন আল-আমিন হোসেন। দুইটি উইকেট গেছে আরাফাত সানির ঝুলিতে। ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৪ রানের বিনিময়ে একটি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।

 

টাইগারদের শ্রীলংকা বধ  দুর্দান্ত জয় দিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালের  পথ সুগম

ক্রীড়া সংবাদদাতাঃ টি-টোয়েন্টিতে এর আগে চারবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়ে জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। রোববার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ব্যাটে-বলে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে করলেন শ্রীলঙ্কা বধ। ২৩ রানের দুর্দান্ত জয় দিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার আশাও বেশ ভালোমতো টিকিয়ে রাখলেন মাশরাফিরা। জয়ের জন্য ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১২৪ রানেই থেমে গেছে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ এই জয়ের পর ২০১২ সালের পর এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার আশা জোরদার করেছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচে দুই জয় দিয়ে ভারত আছে শীর্ষে। তিন ম্যাচ শেষে দুই জয় দিয়ে বাংলাদেশ আছে দ্বিতীয় স্থানে। দুই ম্যাচে একটি জয়ের পর শ্রীলঙ্কা আছে তৃতীয় স্থানে। পাকিস্তান ও আরব আমিরাত এখনো পায়নি জয়ের দেখা। সাব্বির রহমানের দারুণ ব্যাটিংয়ে ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৮ রানের লক্ষ্যে বেঁধে দিয়েছিল বাংলাদেশ। বল হাতে শুরুটা অবশ্য হয়েছিল হতাশা দিয়ে। আরব আমিরাতের ম্যাচের মতো শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও প্রথম ওভারে ক্যাচ মিস করেছিলেন স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্য সরকার। তবে সাকিব আল হাসানের করা চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে অনেকটা দৌড়ে এসে সেই সৌম্যই ধরেছেন দারুণ এক ক্যাচ। ১২ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ ওপেনার তিলকারত্নে দিলশানকে। সৌম্যর ক্যাচ মিসের সুবাদে শূণ্য রানে জীবন পেয়ে চান্দিমাল শেষপর্যন্ত খেলেছেন ৩৭ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় উইকেটে সেহান জয়সুরিয়াকে সঙ্গে নিয়ে চান্দিমাল গড়েছিলেন ৫৬ রানের জুটি। একাদশ ওভারে এই জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে খেলায় ফেরান মাহমুদউল্লাহ। ৩৭ রান করে ফিরে যান চান্দিমাল। পরের ওভারে জয়সুরিয়াকেও দারুণভাবে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফিরিয়েছেন সাকিব। ১৪তম ওভারে থিসারা পেরেরাকে আউট করে বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যান মুস্তাফিজুর রহমান। পরের ওভারে মিলিন্দা সিরিবর্ধনের উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে জয়ের পথে অনেকখানি এগিয়ে দেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে লঙ্কান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের উইকেট তুলে নিয়ে জয় নিশ্চিত করে ফেলেন আল-আমিন।

বাংলাদেশের পক্ষে দারুণ বোলিং করে তিনটি উইকেট নিয়েছেন আল-আমিন। দুইটি উইকেট গেছে সাকিবের ঝুলিতে। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ, মাশরাফি ও মুস্তাফিজ।এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো নৈপুণ্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে তিন উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়লেও সাব্বির রহমানের ৫৪ বলে ৮০ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসের সুবাদে স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ১৪৭ রান। ৩২ রান করেছেন সাকিব আল হাসান। চতুর্থ উইকেটে তাঁরা গড়েছিলেন ৮২ রানের জুটি। শেষপর্যায়ে মাহমুদউল্লাহ খেলেছেন ১২ বলে ২৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনিংস।

এসএ গেমসে সোনা জয়ীদের ৫ লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এসএ গেমসের সোনাজয়ী প্রত্যেক অ্যাথলেটকে প্রতিটি সোনার পদকের জন্য ৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিল বিসিবি।
মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে এক সভা শেষে আজ এ ঘোষণা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। ভারতের গুয়াহাটি ও শিলংয়ে অনুষ্ঠিত এসএ গেমসে এবার চারটি সোনা জিতেছেন বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা। সাঁতারে ২টি সোনা জিতেছেন মাহফুজা খাতুন শিলা, ভারোত্তোলনে ১টি সোনা জিতেছেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত ও অন্যটি শুটার শাকিল আহমেদের। বিসিবি তাই মাহফুজাকে ১০ লাখ এবং মাবিয়া ও শাকিলকে ৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের জন্য বিশ্বমানের বিদেশি কোচ আনা হলে সেই কোচের বেতনের অর্থ জোগানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বিসিবি। এ প্রসঙ্গে আজ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘অন্য খেলাগুলোর চেয়ে হকিতে বাংলাদেশের বৈশ্বিক পর্যায়ে সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করে আমরা। আর সে কারণেই হকিতে বিশ্বমানের কোচ আনা হলে তার খরচ দিতে চায় বিসিবি।’

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net