শিরোনাম

 খেলা

ব্যাটিং পাওয়ার প্লে বাদ

ওয়ানডে ক্রিকেটে আর থাকছে না ব্যাটিং পাওয়ার প্লে। ব্যাট ও বলের লড়াইয়ে ভারসাম্য আনতে ওয়ানডে ক্রিকেটের ফিল্ডিংয়ে আরও কয়েকটি পরিবর্তন এনেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানরা এখন বোলারদের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধা পান উল্লেখ করে আইসিসির ক্রিকেট কমিটি ব্যাটিং পাওয়ার প্লে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছিল। বার্বাডোজে আইসিসির বার্ষিক সভায় শুক্রবার তা অনুমোদিত হয়।
প্রথম ১০ ওভারে পাওয়ার প্লের সময় বাধ্যতামূলক দুই জন ‘ক্লোজ ফিল্ডার’ রাখার নিয়ম বাদ দেওয়া হয়েছে।
আর এখন থেকে শেষ ১০ ওভারে ত্রিশ গজের বাইরে সর্বোচ্চ পাঁচ জন ফিল্ডার রাখা যাবে।
ফলে এখন থেকে প্রথম ১০ ওভারে সর্বোচ্চ দুই জন খেলোয়াড় ত্রিশ গজের বাইরে থাকতে পারবেন। পরের ৩০ ওভারে সর্বোচ্চ চার জন খেলোয়াড় এবং শেষ ১০ ওভারে সর্বোচ্চ পাঁচ জন ত্রিশ গজের বাইরে থাকতে পারবেন।
এখন তাই প্রয়োজন অনুযায়ী আক্রমণাত্মক বা রক্ষণাত্মক ফিল্ডিং সাজাতে পারবেন অধিনায়ক।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে সব ‘নো’ বলেই এখন ফ্রি-হিট দেওয়া হবে। আগে কেবল কেবল পায়ের ‘নো’ বলে (ওভার স্টেপিং) ফ্রি-হিট দেওয়া হতো।
আগামী ৫ জুলাই থেকে নিয়মগুলো কার্যকর হবে বলে আইসিসি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
ব্যাটিং পাওয়ার প্লে বাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন জানান, এই পাঁচ ওভারে ত্রিশ গজ বৃত্তের বাইরে মাত্র তিন জন ফিল্ডার থাকার সুযোগ নিয়ে ব্যাটসম্যানরা তাণ্ডব চালায়। সাধারণত ৩৬তম থেকে ৪০তম ওভার পর্যন্ত এই পাওয়ার প্লে নেওয়া হতো। সঙ্গে শেষ ১০ ওভার মিলিয়ে শেষ ১৫ ওভারে একটি ভালো ব্যাটিং উইকেটে ব্যাটসম্যানরা ইচ্ছেমতো মেরে খেলে।

বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিয়ে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র

ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশ এখন নতুন আতংক। বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে। ওয়ানডে ক্রিকেটে যে কোন দলকেই এখন হারাতে পারে টাইগাররা। আর এটা শুরু বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর থেকে। বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তান আর ভারতের সিরিজ হারার পর থেকে সব দলের কাছেই বাংলাদেশ এখন নতুন আতংক। বাংলাদেশের মাঠের সাফল্য যত বাড়ছে সেই সাথে বাড়ছে টাইগারদের বিপক্ষে ষড়যন্ত্রও। আর এটা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে।

ভারতকে টানা দুই ম্যাচে হারিয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সেই সাথে পাকিস্তান আর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পিছনে ফেলে উঠে এসেছে র‌্যাংকিংয়ের সাত নাম্বারে। কিন্তু এখন কি ভাবে বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বাদ দেয়া যায় সেই চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ যাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে খেলতে না পারে তা নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আর এ জন্য সামনে আনা হচ্ছে জিম্বাবুয়ের, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের বিষয়টি। আগামী আগস্টেই এই সিরিজ আয়োজনের চেষ্টা চলছে। আর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাইরে থাকা জিম্বাবুয়েই এ ত্রিদেশীয় সিরিজের মূল উদ্যোক্তা। তারাই উদ্যোগী হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘সম্প্রতি আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে। তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।’ জিম্বাবুয়ে যেহেতু আয়োজক, স্বাভাবিকভাবেই তারাই আমন্ত্রণ জানাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। কিন্তু হঠাৎ কেন এ পরিকল্পনা? বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ দুটো ম্যাচ জয়ের পর? চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলতে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই দলই মরিয়া। পাকিস্তান যথেষ্ট উৎসাহী এ সিরিজ খেলতে। র‌্যাংকিংয়ের জন্য এ সিরিজে অংশ নিতে যথেষ্ট আগ্রহী ওয়েস্ট ইন্ডিজও। তাই বাংলাদেশ থেকে পিছিয়ে পড়া পাকিস্তান আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ যে সায় দিবে এটাই স্বাভাবিক।
ভারতের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে খেলার সমীকরণটা ছিল ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের ছয়টি ওয়ানডের দুটি জিতলেই বাংলাদেশ খেলবে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। ভারতের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশ সেই হিসাব সম্পন্ন করেছে।

কিন্তু জিম্বাবুয়েতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ হলে মাশরাফি বাহিনীকে পড়তে হবে জটিল অঙ্কে। আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা আগেই ছিল জিম্বাবুয়ের। এখন এর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যোগ হওয়ায় বিষয়টি বেশ গোলমেলে হয়ে গেছে। কারণ, ভারতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ জেতায় র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সাতে। অষ্টম দল হিসেবে শুধু লড়াইয়ের কথা পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এফটিপি অনুযায়ী, আগামী মাসে শ্রীলংকার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ রয়েছে পাকিস্তানের। এরপর আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। তবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কোয়ালিফাইয়ের ‘ডেডলাইন’ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো ম্যাচ ছিল না। এখন হিসাবটা গোলমেলে করে দিতে পারে আলোচিত এ ত্রিদেশীয় সিরিজ।

আনুশকার জন্য বাংলাদেশ থেকে কোহলির উপহার “জামদানি শাড়ি”

বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের সর্বশেষ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটা যে ভাল ছিল না, সেটা বলে না দিলেও চলে। আর সেটা বোঝাতে চাইলে, বিরাট কোহলিকে প্রতীক হিসেবে দাঁড় করানো যায়। তিন ম্যাচ মিলিয়ে তিনি করেছেন মাত্র ৪৯ রান।

ব্যাটে তেমনভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও ঠিকই প্রেমিকার আবদার মিটাতে সমর্থ হয়েছে। এমন খবরই প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। ক্রিকেট খেলে যে ফলাফলই হোক না কেন, আনুশকার জন্য বাংলাদেশের জামদানি শাড়ি নিতে ভুল না করেননি বিরাট।

ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে খেকেই আনুশকাসহ আরো কয়েকজনের জন্য মোট ৭টি জামদানি শাড়ি একাই নিয়েছেন বলে জানা গেছে। শুধু কোহলি নয়, আরও কয়েকজন কিনেছেন জামদানী শাড়ি।

 

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে আবারো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশ

আইসিসি ঘোষিত ম্যাচ শিডিউল অনুসারে ভারত-বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা-বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজে মাত্র ২টি ম্যাচ জিতলেই নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলা। এরই মধ্যে ভারতকে দুই ম্যাচ হারিয়ে তা নিশ্চিত করে ফেলেছে বাংলাদেশ। কিন্তু জিম্বাবুয়ের আয়োজনে জিম্বাবুয়ে-পাকিস্তান-ওয়েস্টইন্ডিজ ত্রিদেশীয় সিরিজের পরিকল্পনা আবারো অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিল বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।
আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল জিম্বাবুয়ের। ওই সিরিজের সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এখন এর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যোগ হওয়ায় বিষয়টি বেশ গোলমেলেই হয়ে গেছে। কারণ, ভারতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ জেতায় র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সাতে। অষ্টম দল হিসেবে শুধু লড়াইয়ের কথা পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
এফটিপি অনুযায়ী, আগামী মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ রয়েছে পাকিস্তানের। এরপর আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কোয়ালিফাইয়ের ‘ডেডলাইন’ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো ম্যাচ ছিল না। তাই ত্রিদেশীয় এই সিরিজ গোলমাল পাকাচ্ছে সব হিসেবে।
ত্রিদেশীয় সিরিজ সম্পর্কে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “সম্প্রতি আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ওয়েস্ট ​ইন্ডিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে। তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।”
জিম্বাবুয়ে যেহেতু আয়োজক, স্বাভাবিকভাবেই তারাই আমন্ত্রণ জানাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। কিন্তু হঠাৎ​ কেন এ পরিকল্পনা? বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ দুটো ম্যাচ জয়ের পর। তবে কি জিম্বাবুয়েকে সামনে রেখে আড়ালে কলকাঠি নাড়ছে অন্য কেউ?

বাংলাদেশ আম্পায়ারের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করে আইসিসি যেতে চাইছে ভারত!!

এক যুদ্ধ শেষ। অন্য যুদ্ধ শুরু। বাংলাদেশ সফরোত্তর ভারতীয় শিবিরের অবস্থা বর্ণনা করতে গেলে এটাই লিখতে হবে।

যেখানে সিরিজ শেষ হওয়ার পরেও প্রতিপক্ষ থাকছে। এবং যে প্রতিপক্ষের নাম মোটেও মাশরফি মর্তুজার বাংলাদেশ নয়। তিনি সদ্য সমাপ্ত ওয়ান ডে সিরিজের ফিল্ড আম্পায়ার। এবং ঘটনাচক্রে তিনিও বাংলাদেশের। তিনি ইনামুল হক। যাঁর বিরুদ্ধে এখন ভারতীয় বোর্ডের মাধ্যমে আইসিসির দ্বারস্থ হতে চাইছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। ঠিক কী হয়েছে? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ওয়ান ডে সিরিজে এই সংশ্লিষ্ট আম্পায়ারের বিরুদ্ধে ভারতীয় অসূয়া বেশ কিছু দিন ধরেই চলছিল। ভারতীয় শিবির অভিযোগ করছে যে, বেশ কয়েকটা অদ্ভুত সিদ্ধান্তের শিকার হয়ে তাদের ভুগতে হয়েছে।

কিছু ন্যায্য ডেলিভারিকে নাকি ‘নো’ ডেকে দেওয়া হয়েছে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে কোহলির একটা ন্যায্য ক্যাচ ধরার পরেও বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানকে আউট দেওয়া হয়নি। কিন্তু তার পরেও চরম রাস্তা ধরার কথা ভাবেনি টিম ম্যানেজমেন্ট। এ বার যা ভাবছে। কারণ বুধবার অম্বাতি রায়ডুর সঙ্গে যা ঘটেছে, তাকে অবিশ্বাস্য বলছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ভারতীয় ইনিংসের চুয়াল্লিশতম ওভার চলছে তখন। মাশরফি বল করছেন। আচমকাই মাশরফির বলে অফস্টাম্প থেকে সরে গিয়ে ডে’ভিলিয়ার্সের কায়দায় ফাইন লেগ দিয়ে তাঁকে ফেলে দিতে যান রায়ডু। কিন্তু বল ব্যাটে না লেগে প্যাড ছুঁয়ে কিপারের হাতে চলে যায়। এবং রায়ডু-ধোনিকে বিস্ফারিত করে কট বিহাইন্ডের আবেদনে আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন! অথচ ব্যাট আর বলের মধ্যে ততটাই দূরত্ব, যতটা কি না ঢাকা আর মীরপুরে! যার পর মোটামুটি ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন রায়ডু।

আগুনে চোখ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আম্পায়ারের দিকে তাঁকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা ধোনিকেও অবাক দৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। শোনা গেল, ড্রেসিংরুমে ফেরার পরেও রায়ডুকে শান্ত করা যাচ্ছিল না। প্রবল আক্রোশে ব্যাট ঠুকতে থাকেন ড্রেসিংরুমে। কোনওক্রমে তাঁকে শান্ত করেন টিম ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রী। ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ভারত জিতে যাওয়ায় রায়ডুকে শান্ত করা সম্ভব হয়েছে বটে, কিন্তু আম্পায়ারিং ঘিরে টিমের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষকে শান্ত করা সম্ভব হয়নি। এমনিতেই পর্যাপ্ত ফ্লাইট বুকিং না পাওয়ায় টিম ইন্ডিয়ার সবার এ দিন দেশে ফেরা হল না। মহেন্দ্র সিংহ ধোনি এবং বিরাট কোহলি শুধু ফিরে গেলেন। কিন্তু তার আগেই ইনামুল হকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়ে গেল। বলা হচ্ছে, মাঠে প্লেয়ার অসন্তোষ দেখালে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়, তা হলে একই আম্পায়ার পরের পর ম্যাচে ভুগিয়ে গেলে তার ক্ষেত্রে কেন কিছু করা হবে না? রায়ডুর বিরুদ্ধে হাস্যকর আউটের সিদ্ধান্ত দেওয়া তো বটেই, গোটা সিরিজেই ঘটে যাওয়া আরও বেশ কিছু অদ্ভুত সিদ্ধান্তকে তুলে আনা হচ্ছে। যেমন বলা হচ্ছে, দ্বিতীয় ম্যাচে বিরাট কোহলি ঠিকঠাক ক্যাচ ধরার পরেও কোন যুক্তিতে বাংলাদেশ ওপেনার তামিম ইকবালকে আউট দেওয়া হল না, সেটা একমাত্র আম্পায়াররাই বলতে পারবেন। কারণ ড্রেসিংরমে প্রাপ্ত ম্যাচের ডাইরেক্ট ফিড থেকেই নাকি পরিষ্কার যে, তামিম আউট ছিলেন। কোহলি নাকি তার পর জানতেও চেয়েছিলেন, কেন তামিমকে আউট দেওয়া হল না। হক তখন নাকি সদুত্তর দিতে পারেননি। পুরোটাই ঠেলে দেন তৃতীয় আম্পায়ারের দিকে। আরও একটা ঘটনার কথা বলা হচ্ছে। দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ইনিংসের শেষ দিকে সাকিব আল হাসান ফিল্ড আম্পায়ার রড টাকারের অনুমতি না নিয়েই মাঠে ড্রিঙ্কস ডেকে নেন। যা নিয়েও নাকি হককে টুঁ শব্দ করতে শোনা যায়নি বলে অভিযোগ।

ভারতীয় শিবিরের বক্তব্য হল, সাকিব সে দিন যা করেছেন, অপরাধ। একশো শতাংশ ম্যাচ ফি কাটা যাওয়া উচিত। যা খবর, তাতে টিম ম্যানেজারকে নাকি ধোনিরা বলে দিয়েছেন, ব্যাপারটা বোর্ডকে জানাতে। যাতে এমন বিশ্রী আম্পায়ারিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে আইসিসির কাছে পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। সব দেখলে মনে হবে, বাইশ গজের ভারত বনাম বাংলাদেশ ওয়ান ডে সিরিজ শেষ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু বাইশ গজের বাইরেরটা এখনও হয়নি। প্রথম বলটা পড়ল সবে!

-আনন্দবাজার

তদন্তের মুখে ধোনি

image

ধোনির বিরুদ্ধে তদন্ত করবে ভারতীয় বোর্ড

ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ধোনির বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
ঝামেলাটা দু বছর আগে থেকে শুরু। যার কেন্দ্রে আছে ঋতি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ধোনির বন্ধু অরুণ পাণ্ডে।
ক্রীড়া বাণিজ্যের বিভিন্ন দিকের সঙ্গে যুক্ত এই প্রতিষ্ঠানটি আইপিএলের সফলতম দল চেন্নাই সুপার কিংসের বাণিজ্যিক স্বত্বের মালিক। তা ছাড়া সুরেশ রায়না, রবীন্দ্র জাজেদা ও প্রজ্ঞান ওঝাও ঋতির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। এর মধ্যে প্রথম দুজন চেন্নাইয়ে খেলেন, ধোনি যে দলের অধিনায়ক। তা ছাড়া এঁরা ভারতীয় দলের হয়েও খেলেন। খেলোয়াড়দের সব ধরনের চুক্তির দেখভাল করে প্রতিষ্ঠানটি।
বছর দুয়েক আগে ফাঁস হয়ে যায়, রায়না-জাদেজাদের মতো ধোনি শুধু ঋতির সঙ্গে শুধু চুক্তিবদ্ধ নন, প্রতিষ্ঠানটির ১৫.১ শতাংশ শেয়ারেরও মালিক। তখনই প্রশ্ন ওঠে, এতে করে ‘কনফ্লিকট অব ইন্টারেস্ট’ বা ‘স্বার্থের সংঘাত’ দেখা দিচ্ছে কি না? কারণ হিসাবটা সোজা। এই খেলোয়াড়েরা যত খেলবেন, ততই আর্থিকভাবে লাভজনক হবে ঋতি, সেই সঙ্গে ধোনিও।

image
অধিনায়ক হিসেবে চেন্নাই সুপার কিংস ও ভারতের জাতীয় দলের একাদশ বেছে নেওয়ার ক্ষমতা আছে ধোনির। এ কারণেই স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নটি উঠছে। ধোনি ইচ্ছে করেই এই তিন খেলোয়াড়কে বাড়তি আনুকূল্য দেন-এমন কোনো স্পষ্ট প্রমাণ নেই। তবে রায়না-জাদেজা, বিশেষ করে ধোনি জাদেজার খেলার ভক্ত বলে একটা কথা প্রচলিত আছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলেই।
বিষয়টি নিয়ে আগেই শোরগোল উঠলেও বিসিসিআই তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সমস্যা হলো তখন বিসিসিআই প্রধান ছিলেন এন শ্রীনিবাসন, যিনি চেন্নাইয়ের মালিকানার অংশীদার। এখানেও তো স্বার্থের সংঘাত!

image
কিন্তু জগমোহন ডালমিয়ার ক্রিকেট প্রশাসন বিষয়টি গুরুতরভাবেই নিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডালমিয়া যে বিষয়টি নিয়ে কতটা ‘সিরিয়াস’ তা বোঝা যাচ্ছে, এই তিনজনের মধ্যে আছেন তিনিও।

তদন্ত কমিটি গঠনের খবরটিও নিশ্চিত করেছেন ডালমিয়াই। তবে এ ব্যাপারে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে তিনি নারাজ। হিন্দুস্তান টাইমসকে বিসিসিআই প্রধান বলেছেন, ‘আগে তো কমিটি সব কিছু খতিয়ে দেখে একটা প্রতিবেদন দিক, তখনই আমরা একটি ঘোষণা দেব।’
ডালমিয়া জানিয়েছেন, আগের বোর্ডের মতো অন্তত এই কমিটি বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখবে না। যত দ্রুত সম্ভব দেওয়া হবে প্রতিবেদন।

ধোনি ও মুস্তাফিজের জরিমানা

ভারতের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে তার ম্যাচ ফির ৭৫ শতাংশ জরিমানা করেছেন ম্যাচ রেফারি। বাংলাদেশের তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ধাক্কা মারার অপরাধে তাঁকে এ জরিমানা করা হয়েছে। এদিকে, ব্যাটসম্যান রান নেয়ার সময় পিচের ওপর দাঁড়ানোর অপরাধে মুস্তাফিজকে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

ম্যাচ শেষে বিষয়টি ম্যাচ রেফারি এন্ড্রি পাইক্রফট নজরে এনে ধোনি এবং মুস্তাফিজকে শুনানির জন্য তলব করেন।
পরে হোটেল সোনারগাঁওয়ে ওই ম্যাচের আম্পায়ার, ম্যাচ রেফারি এবং ধোনি-মুস্তাফিজের উপস্থিতিতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল ১৮ জুন বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে ভারতকে ৭৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হারায় টাইগাররা। প্রথমে ব্যাট করে ৪৯.৪ এভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে বাংলাদেশ। ৩০৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ভারত।

মুস্তাফিজ একাই ভারতীয় দলের বারোটা বাজিয়ে দেন। ভারতের যখন চার উইকেটের পতন হয় ঠিক তখনই মাঠে নামেন অধিনায়ক ধোনি। তার আগেই পর পর দুই ওভারে দুই উইকেট নিয়ে ভারতের টপ অর্ডারের লাইন আপকে গুড়িয়ে দেন তরুণ পেসার মুস্তাফিজ। ধোনি যখন ব্যাট করতে নামেন তখনও বোলার ছিলেন অভিষিক্ত মুস্তাফিজ। বল করে পিচের ওপর দাঁড়িয়ে যান তিনি। এক রান নিতে দৌড় শুরু করেন এমএস ধোনি। ঠিক সে সময় পিচের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা মুস্তাফিজের বুকে কনুই দিয়ে সজোরে ধাক্কা দেন ভারতের দলপতি। এতে মুস্তাফিজ আঘাত পেয়ে ওভার শেষ করার আগেই মাঠের বাইরে চলে যান।

ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সুজনের পদত্যাগ

বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার হিসেবে আর দায়িত্ব পালন করবেন না খালেদ মাহমুদ সুজন। পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি ‘ম্যানেজার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে অপারগতার কথা বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজনের কাছে পাঠানো ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেন। বিসিবির কয়েকজন পরিচালকও এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৌখিকভাবে বিসিবি পরিচালক এবং বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান দুর্জয়কেও ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তবে, এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি নাঈমুর রহমান। খালেদ মাহমুদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই এ ব্যাপারে মন্তব্য করবেন বলে জানান তিনি।

রোববারই স্থানীয় একটি পত্রিকায় ম্যানেজারের পদে খালেদ মাহমুদের থাকার বৈধতা নিয়ে একটি অনুসন্ধানি প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। যেখানে বলা হয়, অন্যদের তুলনায় মাহমুদকে ম্যানেজার করাটা বিসিবির জন্য একটু বেশিই ব্যয়বহুল। বিসিবির একটি সূত্রের তথ্য, গত বছর ভারতের বিপক্ষে তিন ওয়ানডের সিরিজ, এ বছরের বিশ্বকাপ এবং সর্বশেষ পাকিস্তান সিরিজের বেতন হিসেবে বিসিবি থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকার মতো নিয়েছেন মাহমুদ।

এর মধ্যে শুধু বিশ্বকাপের ম্যানেজার হিসেবেই নিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা। এটা দৈনিক ভাতার বাইরে। বিশ্বকাপে দলের আর সবার মতো তিনিও দৈনিক ভাতা পেয়েছেন প্রায় ১৭৫ ডলার করে। হোম সিরিজে অঙ্কটা ৫০ ডলার।

অতীতে যতবারই জাতীয় দলের জন্য বেতনভুক্ত ম্যানেজার নেওয়া হয়েছে, মাসিক বেতন কখনোই এক লাখ টাকার বেশি হয়নি। কিন্তু মাহমুদের ক্ষেত্রে মাসিক বেতনের অঙ্কটা দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা। কোনো সিরিজের সময় এক মাসের কম বা বেশি হলে বেতনের টাকাও সেভাবে বাড়ে-কমে।

ওই প্রতিবেদটিতে আরও বলা হয়, বিসিবির পরিচালক বা নির্বাচকেরা এর আগেও অনেকবার জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু বেতন তো দূরের কথা, দৈনিক ভাতা ছাড়া কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধাই তাঁদের দেওয়া হয়নি।

খালেদ মাহমুদকে ম্যানেজার করা নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠেছিল। বিশ্বকাপে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে আল আমিন হোসেনকে বহিস্কার করার বিষয়েও অভিযোগ উঠেছিল ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। তার দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ম্যানেজারের অগোচরে কিভাবে একজন ক্রিকেটার হোটেলের বাইরে সময় কাটায় কিংবা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তা নিয়ে তখন তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ওই সময়ই খালেদ মাহমুদের পদত্যাগ দাবি করেন ক্রিকেট ভক্তরা।

একই সঙ্গে বিশ্বকাপে ক্যাসিনোতে জুয়া খেলার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। মাহমুদ অবশ্য ক্যাসিনোতে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও জুয়া খেলেননি বলে দাবি করেন। তারপরও পাকিস্তান সিরিজে তাঁকে ম্যানেজার করা হয়। ম্যানেজার হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় ভারতের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজেও।

খালেদ মাহমুদ সুজনের পদত্যাগ পত্র বিসিবি গ্রহণ করেছে কি না, তাঁর বদলে নতুন ম্যানেজার কে হবেন—এটি এখনও জানা যায়নি। তবে এটা জানা গেছে, নতুন ম্যানেজার নিয়োগে আলোচনায় বসেছে বিসিবি।

নেইমারকে ছাড়াই জিতল ব্রাজিল

শুরু হয়ে গেছে লাতিন আমেরিকান ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর কোপা আমেরিকার প্রস্তুতি। নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে আটবারের শিরোপাজয়ী ব্রাজিল এক প্রীতি ম্যাচ খেলতে নেমেছিল মেক্সিকোর বিপক্ষে। ঘরের মাঠের এই ম্যাচে ব্রাজিল খেলেছে সেরা তারকা নেইমারকে ছাড়া। তবে তাতে কোনো সমস্যা হয়নি সেলেসাওদের, বার্সেলোনা তারকাকে ছাড়াই তারা জিতেছে ২-০ গোলে। ২০১৪ বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর লুইস ফেলিপে স্কলারির স্থলাভিষিক্ত দুঙ্গার অধীনে এটা ব্রাজিলের টানা নবম জয়।

সাও পাওলোর আলিয়াঞ্জ পার্কে ২৮ মিনিটে স্বাগতিক দলকে এগিয়ে দেন ফিলিপ্পে কোচিনিয়ো। ব্রাজিলের হয়ে এটাই কোচিনিয়োর প্রথম গোল। নয় মিনিট পর দিয়েগো তারদেল্লির লক্ষ্যভেদে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল খেলার জন্য জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি নেইমার। ফাইনালে বার্সার ৩-১ গোলের জয়ে নেইমারের গোল ছিল একটি। মেক্সিকোর বিপক্ষে তাঁর অভাব দলকে বুঝতে দেননি তারদেল্লি, কোচিনিয়ো, উইলিয়ানরা। ম্যাচ শেষে কোচ দুঙ্গা বলেছেন, ‘আমরা জানতাম যে নেইমারকে ছাড়াই আমাদের খেলতে হবে। এটা সব খেলোয়াড়কে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ করে দিয়েছে। নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের পর ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমাদের জন্য।’

আগামী ১১ জুন থেকে (বাংলাদেশ সময় ১২ জুন ভোর) শুরু হবে কোপা আমেরিকা। ১৪ জুন ব্রাজিলের প্রথম প্রতিপক্ষ পেরু।

এখন ঢাকায় কোহলিরা

বাংলাদেশের বিপক্ষে ১টি টেস্ট ও ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে ঢাকায় পৌঁছেছে কোহলিরা।

সোমবার সকাল ৯টার দিকে জেট এয়ারওয়েজের বিমানে চড়ে হযরত শাহজালাল (রা.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন কোহলিরা।

বিমানবন্দর থেকে ভারতীয় দল সরাসরি চলে যাবে হোটেল সোনারগাঁওয়ে। দুপুর আড়াইটা থেকে মিরপুরের একাডেমী মাঠে কোহলি-রোহিত শর্মাদের অনুশীলন করার কথা রয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করার কথা বাংলাদেশ দলের।

আগামি ১০ জুন ফতুল্লায় একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি শুরু হবে। এরপর ১৮, ২১ ও ২৪ জুন ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। দিবা-রাত্রির সবগুলো ম্যাচই হবে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

ভারতের টেস্ট স্কোয়াড: বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), মুরালি বিজয়, শিখর ধাওয়ান, চেতেশ্বর পূজারা, অজিঙ্কা রাহানে, রোহিত শর্মা, ঋদ্ধিমান সাহা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, হরভজন সিং, করণ শর্মা, ভুবনেশ্বর কুমার, উমেশ যাদব, বরুণ অ্যারন, লোকেশ রাহুল ও ইশান্ত শর্মা।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net