শিরোনাম

Monthly Archives: এপ্রিল ২০১৫

নেপালের ভূমিকম্পের আগের মুহূর্ত (ভিডিও)

আট দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পে হিমালয়কন্যা নেপাল প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

২৫ এপ্রিল নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর একটি রাস্তায় ট্রাফিক সিগন্যালের খুঁটিতে সংযুক্ত একটি ভিডিও ক্যামেরায় ধরা পড়ে ভূমিকম্পের ভয়াবহ চিত্র।মুহুর্তের ভুমিকম্পের কী করে একটি শান্ত চলাচলরত রাজপথ হঠাৎ পরিণত হলো মৃত্যুফাঁদে, অতঃপর ধ্বংসস্তুপে।

সুবিশাল প্রকৃতির বুকে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মানুষ কতখানি অসহায়, তার আরও একটি উদাহরণ।

ভিডিওটির লিঙ্ক নিচে দেওয়া হল-

‘সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত’ বিরাটের কাঙ্ক্ষিত অনুশকা!

সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক জরিপে ৫০ জন পুরুষের মধ্যে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরুষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটার বিরাট কোহলি।

এর প্রতিক্রিয়ায় নিজের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী আনুশকা শর্মার প্রতি অনুরাগের কথাই জানালেন তিনি।

সংকোচহীন কোহলি প্রেমিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে বলেন, ‘আমার চোখে আমার প্রেমিকা আনুশকা শর্মাই সারা বিশ্বে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নারী।’

এর পেছনের কারণ জানতে চাইলে বিরাটের সোজাসাপ্টা জবাব, ‘সে সাধাসিধে ও সুন্দর মনের একজন মানুষ। ঠিক আমার মতোই সেও অনেক সৎ। তার এই সততা আমি প্রচণ্ড ভালোবাসি। এই গুণটির কারণেই তার প্রতি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ অনুভব করি আমি।’

 

প্রসঙ্গত, গত বছর থেকে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আনুশকা-কোহলি। প্রথম দিকে লুকিয়ে প্রেম করলেও পরবর্তীতে প্রেমের কথা স্বীকার করেন তারা। প্রেমিকা আনুশকাকে নিয়ে কোনো প্রশ্নের মুখে পড়লে এতদিন বরাবরই জবাব দিতে লজ্জা পেতেন কোহলি।

“জিয়াউর রহমানের সমাধির উপর হামলা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না’’

রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির উপর হামলা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না’ বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. মাহবুবুর রহমান।

এসময় তিনি জিয়াউর রহমানের সমাধির উপর যারা হামলা করেছে তাদেরকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আক্ষায়িত করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে জিয়াউর রহমানের ভাঙ্গা সমাধিস্থল পরিদর্শন করে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মাহবুবুর রহমান বলেন, রাতের অন্ধকারে জিয়াউর রহমানের মাজারের ১১টি টাইলস ভাঙচুর মূলত তার সমাধির ওপর আক্রমণ বলেই আমরা মনে করি। এটা দূরভিসন্ধিমূলক একটি ষড়যন্ত্রের অংশ। জিয়াউর রহমান একজন সেক্টর কমান্ডার ও দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ছিলেন। যারা তার মাজার ভাঙচুর করেছে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি।

এদিকে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরকে ঘিরে চারপাশের তৈরি স্থাপনার একটি অংশ থেকে দামি  মার্বেল পাথর ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে মার্বেলের ভাঙা টাইলস পড়ে থাকতে দেখা যায়।

কবরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করতে বিএনপি থেকে নিয়োগ দেয়া  মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের জানান, সকালে গিয়ে তিনি কবরকে ঘিরে থাকা নকশার মার্বেল পাথরের ১১টি টাইলস ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
পুলিশ বলছে, বুধবার রাতে কোনো এক সময় ‘অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা’ এ ঘটনা ঘটায়। 

আমি একই সঙ্গে হিন্দু ও মুসলিম

সালমান খানের সিনেমা মানেই যেন বক্স অফিসে হিট। দর্শক প্রিয়তার দিক থেকেও তিনি অন্যান্য তারকার চেয়ে কম নয়। বলিউডের তিনি ভাইজান নামেই পরিচিত। পৈতৃক পরিচয়ে তিনি একজন খাঁটি মুসলিম। কিন্তু নিজেকে শুধু মুসলিম নয়, একজন হিন্দু-মুসলিম বলে মনে করেন সুপারস্টার সালমান খান।

বুধবার ভারতের যোধপুর গ্রামীণ আদালতে ওই মামলার শুনানিতে হাজিরা দিতে যান তিনি।১৯৯৮ কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলার সঙ্গেই যুক্ত এই বেআইনি অস্ত্রের মামলা।
তখন বিচারপতি তার জাত পরিচয় জানতে চাইলে সালমান বললেন, আমি হিন্দু-মুসলিম, উভয়ই। কারণ আমার মা হিন্দু, বাবা মুসলিম।
এদিন শুনানিতে হাজিরা দিতে গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে সালমানের দাবি, পুলিশ ও বন বিভাগের কর্তারা তাঁকে ফাঁসিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সালমান কোনও তথ্যপ্রমাণ পেশ করতে পারবেন কিনা, তা জানতে চায় আদালত।
জবাবে তথ্যপ্রমাণ দাখিল করবেন বলে জানান সালমান।
জোধপুরে কৃষ্ণ হরিণ হত্যার পাশাপাশি বন আইনের অধীনে সালমানের বিরূদ্ধে আনা হয়েছে নতুন অভিযোগ। এই অভিযোগে বলা হয়েছে অনুমোদনবিহীন অস্ত্র বহন করায় সালমানের অস্ত্র ব্যবহার অবৈধ ছিল। এদিন আদালতে দাঁড়িয়ে সালমান দাবি করেন লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি এর নবায়ন করিয়েছিলেন। আর তাই তার বহন করা অস্ত্র অবৈধ ছিল না। এই মামলায় দোষ প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজা হতে পারে সালমানের।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের মার্বেল পাথর ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ

বাংলাদেশের সাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরকে ঘিরে চারপাশের তৈরি স্থাপনার একটি অংশ থেকে দামি  মার্বেল পাথর ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে দেশের কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যমে জিয়ার কবরের নকশা ধ্বংস করার অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে মার্বেলের ভাঙা টাইলস পড়ে থাকতে দেখা যায়।

কবরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করতে বিএনপি থেকে নিয়োগ দেয়া  মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের জানান, সকালে গিয়ে তিনি কবরকে ঘিরে থাকা নকশার মার্বেল পাথরের ১১টি টাইলস ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।জিয়ার কবর ঘিরে থাকা নকশার ওপর পড়ে আছে ভাঙা টাইলস। ছবিটি বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তোলা। ছবি: সাজিদ হোসেনবিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রথম আলোকে বলেন, কে বা কারা কবরের নকশা ভেঙেছে, তাঁরা এখনো তা জানতে পারেননি।

তবে কারো কারো ধারনা নকশা নয়, বরং দামি মার্বেল পাথর চুরি করার উদ্দেশেই কেউ এই ঘটনা ঘটাতে পারে।

বিএনপি সরকারের সময় রাজধানী ঢাকার সংসদ ভবন এলাকার নিকটবর্তি চন্দ্রিমা উদ্যানের কিছু অংশ দখল করে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে খুনিদের হাতে নিহত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেহাবশেষ পুনরায় কবর দিয়ে কবরের চারপাশে সুদৃশ্য ও মূল্যবান পাথর দিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। এই স্থাপনাকে ঘিরে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন বিভিন্ন জাতীয় দিবসে এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে নানাবিধ কর্মসূচি পালন করে।

তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে জিয়ার কবরকে অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়া হবে বলে জোর গুজব ওঠে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত তেমন কোন উদ্যোগ এখনো দেখা যায়নি।

হিন্দুপ্রধান দেশ নেপালকে গরুর মশলা পাঠালো পাকিস্তান

শনিবারের ভূকম্পনের পর প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে দেশটি। খাদ্য, বাসস্থান, পানির অভাবে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ভূমিকম্প দুর্গতরা। এমন বিপদে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ত্রাণ পাঠাচ্ছে নেপালে। কিন্তু পাকিস্তানের পাঠানো ত্রাণ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

আনুমানিক প্রায় ১০,০০০ লাশ এবং লাখ দুয়েক আহতের নেপালে ভূমিকম্পের রিলিফ হিসেবে পাকিস্তান গরুর মাংস পাঠিয়েছে।

কাঠমান্ডুর বীর হাসপাতালে মঙ্গলবার পাকিস্তান থেকে ত্রাণ এসে পৌঁছায়। মশলা মাখানো গরুর মাংসের কাবাব বলে তারা মনে করছেন। এরপরই সরগোল পড়ে যায় হাসপাতাল ও ত্রাণ শিবিরে। হাসপাতালটির এক চিকিত্‍সক বলেন, ”আমরা পাকিস্তানি ত্রাণ নাড়িনী। স্থানীয়রা অনেকেই প্রথমে বুঝতে পারেননি। পরে জানতে পেরে, তারাও এসব ত্রাণ বর্জন করেছেন।

 

নেপাল একটি হিন্দুপ্রধান রাষ্ট্র। ৮১ শতাংশ লোক হিন্দু, যারা গরুর প্রতি সম্মানের কারণে গরুর মাংস খাবার জন্য নিষিদ্ধ মনে করেন। গো হত্যার জন্য নেপালে ১২ বছর কারাদন্ড ভোগ করতে হয়।

ডাক্তার বাল্বিন্দার সিং সংবাদ মাধ্যমকে  বলেন “আমরা যখন পাকিস্তান থেকে আসা ত্রান সংগ্রহ করতে এয়ারপোর্ট এ পৌছাই তখন আমরা অন্যান্য সামগ্রীর মধ্যে গরুর মাংসের মসাল্লা পাই।আমরা এটা স্পর্শ করিনি” ।

তিনি আরও বলেন “গরুর মসলা পাঠানোর মাধ্যেমে  পাকিস্তান নেপালের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে”

2825870B00000578-3061416-image-a-2_1430345490674

নেপাল সরকারের উচ্চপদস্থ একজন জানান”খবরটি ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রিকে জানানো হয়েছে।যদি রিপোর্টটি সত্যি হয় তাহলে আমরা পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা করব।”

সুত্রঃডেইলি মেইল ইউকে

 

ম্যানচেস্টারে নবীগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্টের সভা : বিয়াম স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

Nabigonj Education Trustসৈয়দ সামি, ৩০ এপ্রিল  ২০১৫: নবীগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র বিশেষ সাধারণ সভা গত ২৬ এপ্রিল রবিবার ম্যানচেস্টারের ইকবাল ব্যাংকুয়েটিং হলে অনুষ্ঠিত হয়।  ট্রাস্টের সভাপতি ফয়জুর রহমান চৌধুরী এমবিই’র সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি এনায়েত খানের সঞ্চালনায় উক্ত সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেনসংগঠনের ট্রাস্টি মোঃ খোয়াজ আলী খান।

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় বিয়াম স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ট্রাস্টিদের মতামত গ্রহণের জন্য আয়োজিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন বদরুজ্জামান, গোলাম হুসেন চৌধুরী, কামরুল হাসান চুনু, ব্যারিস্টার আতাউর রহমান, ব্যারিস্টার মাহমুদুল হক, অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, শফিক মিয়া, মাহবুব নুরুল ইসলাম, মাহমুদ মিয়া, ছুরুক মিয়া মাস্টার, আবু তাহের এমবিই, এডভোকেট মৌলদ হুসেন, কাউন্সিলর জিলাদ মিয়া, নজির মিয়া, আব্দুস সহিদ, শাহ আলী হায়দার, আবু ইউসুফ চৌধুরী, হান্নান মিয়া, নাছির আহমেদ শ্যামল, তমিম চৌধুরী, ফখর উদ্দিন, শাহ হাবিবুর রহমান বেলায়েত, মর্তুজা মিয়া, শামীম বুরহানী, মোফাজ্জুল চৌধুরী ইমরান, কুতুব উদ্দিন, আবুল কাসেম চৌধুরী, এলাইছ মিয়া, কবি কুতুব আফতাব, মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
দীর্ঘ আলোচনা পর্যালোচনার পর বিয়াম স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রকল্পটি ব্যায়বহুল হওয়াতে ট্রাস্টিদের মতামতের ভিত্তিতে স্কুলটি বিলেত প্রবাসী নবীগঞ্জবাসীর ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
সভাটির হোস্ট ছিলেন ট্রাস্টের সাবেক চেয়ারম্যান মইনুল আমিন বুলবুল।

 

আইসিসি চেয়ারম্যানের পদ হারাচ্ছেন শ্রীনি!

শেষ কবে কোনো ভালো খবরের জন্য শিরোনাম হয়েছিলেন নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসন সে কথা হয়তো নিজেও ভুলে গেছেন তিনি। একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত, বোর্ড এবং আইসিসিতে নিজের অন্যায় আধিপত্য বিস্তার, দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার জন্য বারবার আলোচনায় আসেন তিনি। সম্প্রতি বিভিন্ন ভারতীয় মাধ্যম তাদের নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, বিতর্কিত শ্রীনিকে আইসিসি চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরাতে তৎপর হয়ে উঠেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। সূত্রগুলো জানিয়েছে যে আগামী মে মাসের ২৪ তারিখে বোর্ড একটি বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করেছে। সেখানে আলোচনার মূল বিষয়ই হবে শ্রীনিকে আইসিসিতে রাখা হবে কি না।
বিসিসিআই সভাপতি জগমোহন ডালমিয়া দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শ্রীনিবাসনের সঙ্গে তার বিরোধ একরকম প্রকাশ্য। শ্রীনির পছন্দের কোনো প্রার্থীকেই বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখেননি ডালমিয়া। আইপিএল চেয়ারম্যান পদে শ্রীনিবাসনের লোক সঞ্জীব বিসওয়ালকে সরিয়ে বসিয়েছেন শ্রীনি-বিরোধী রাজীব শুক্লাকে। বিশেষ সাধারণ সভায় শ্রীনিকে অপসারণ করতে হলে বোর্ডের দুই-তৃতীয়াংশ নীতি নির্ধারকদের ভোট লাগবে। সংখ্যার হিসেবে যা ২১টি। শোনা যাচ্ছে যে শ্রীনির বিপক্ষে ২১টি ভোট জোগাড় করতেই এখন উঠে পড়ে লেগেছেন ডালমিয়া এবং বোর্ড সচিব অনুরাগ ঠাকুর। এমনকি ২১টি ভোট নিশ্চিত না হলে বিশেষ সাধারণ সভাটি নাও আহ্বান করা হতে পারে।
সম্প্রতি একটি খবর ছড়িয়েছে যে বিসিসিআই সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে শ্রীনি লন্ডনভিত্তিক একটি গুপ্তচর এজেন্সিকে ভাড়া করেন, যে এজেন্সির কাজ ছিল বোর্ডের বিভিন্ন সদস্যদের ওপর নজরদারি করা। বোর্ড কর্তাদের ভাবগতিক বুঝে সেটাকে নিজের সুবিধামতো প্রভাবিত করার জন্যই শ্রীনি এই আয়োজন করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর জন্য খরচ হওয়া প্রায় ১৪ কোটি রুপির পুরোটাই দেওয়া হয়েছিল বোর্ডের হিসাব থেকে। এই ঘটনা তদন্তে বিসিসিআই একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির প্রধান কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বোর্ড সচিব অনুরাগ ঠাকুরকে। অনুরাগ ঠাকুরের সঙ্গেও সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না শ্রীনির। ম্যাচ গড়াপেটায় অভিযুক্ত বুকিদের তালিকা চেয়ে ঠাকুর একটি অফিশিয়াল চিঠি পাঠিয়েছিলেন শ্রীনিকে। সেখানে সংশ্লিষ্ট ছিল শ্রীনি জামাতার নামও। বিরোধের সূত্রপাত সেখান থেকেই।

ক্ষমতার দাপট আর প্রভাব বিস্তার করে যতই শ্রীনি আইসিসির পদ আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করুন না কেন, তার পায়ের নিচ থেকে যে মাটি সরতে শুরু করেছে তা বুঝতে বাকি নেই আর কারও। সময়ই বলে দেবে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে গড়ায়। সূত্র: এনডিটিভি

দুই যুগ ধরে পাঁচ পরিবারের পুকুরের পানিই ভরসা

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি : নবীগঞ্জে ৫টি পরিবার ২ যুগ ধরে পান করছেন পুকুরের পানি,শিশুসহ পরিবারের সবাই আক্রান্ত হচ্ছেন পানিবাহিত রোগে

নবীগঞ্জ উপজেলার ২ নং ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত হলেও একটি সমৃদ্ধ এলাকা।ওই ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত একটি গ্রাম হচ্ছে বাগাউড়া। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাগাউড়া গ্রামের অধিকাংশ পরিবারই বিত্তশালী। সমাজে প্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত। তারা অনেকেই ভোগ করছেন আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা। কিন্ত ওই গ্রামেই ৫/৬টি পরিবার রয়েছেন বঞ্চিত, অবহেলিত। তারা প্রায় ২ যুগ ধরে পুকুরের পানি পান করছেন। টিউবওয়েলের পানি পান করা তাদের কাছে স্বপ্ন। যার ফলে শিশু থেকে শুরু করে বয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছেন পানিবাহিত নানা রোগে। এই পরিবারগুলোর দুর্দশা দেখার যেন কেউ নেই। জানা যায়, বাগাউড়া গ্রামের আব্দাল মিয়ার স্ত্রী তাসমিনা বেগম প্রায়ই শিশু সন্তানদের নিয়ে ইনাতগঞ্জে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতিবারই রোগের ধরন একই রকম। আর তা হচ্ছে পানিবাহিত রোগ। প্রতিবারই আসেন ডায়রিয়া,আমাশয়,জ্বর, টাইফওয়েডসহ পেটের পীড়া রোগ নিয়ে। শুধু তাসমিনা নয়, ওই পরিবারের অনেকেই এ রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন। বুধবার দুপুরে তাসমিনা তার শিশু সন্তান ডায়রিয়ায় আক্তান্ত ১০ মাসের সিয়ামকে নিয়ে ইনাতগঞ্জ উপস্বাস্থ কেন্দ্রে আসলে মেডিকেল অফিসার ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম বার বার এ রোগ কেন আসে জানতে তাসমিনা বেগমকে কিছু প্রশ্ন করেন। তিনি জানতে চান টিউবওয়েলের পানি পান করেন কি-না। এ সময় তাসমিনা জানায়, তাঁদের বাড়িতে কোন টিউবওয়েল নাই। বিগত ২৫ বছর ধরে বাড়ির ৪/৫টি পরিবার পুকুরের পানি পান করছেন। পুকুরের পানি থেকেই খাওয়া-দাওয়া রান্ন-বান্না সব কিছু চলে। ডাক্তারের এক প্রশ্নের জবাবে তাসমিনা জানান, পুকুরের পাড়েই রয়েছে খোলা টয়লেট। আমরা এভাবেই বেঁচে আছি।
ওই পরিবারের অনেকেরই একই বক্তব্য।
এলাকার বিত্তশালিদের এ ব্যাপারে এগিয়ে আসলে পরিবারগুলো পানিবাহিত রোগ থেকে রক্ষা পাবে বলে মেডিকেল অফিসার জানিয়েছেন।

নির্বাচনকে বিব্রতকর বললো টিআইবি

নির্বাচন কমিশন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এরূপ ব্যর্থতা মানুষের ভোটের অধিকার ব্যাপকভাবে খর্ব করেছে এবং একই সঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানই নিজেদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিব্রত করেছে বলে মনে করছে টিআইবি। অন্যদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মাঝপথে নির্দলীয় এই নির্বাচন বিতর্কিতভাবে বর্জন করে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে, যার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে সুস্থ পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নতুন করে ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

টিআইবি নির্বাচনে নজিরবিহীন কারচুপি, বিভিন্ন কেন্দ্রে গোলযোগ ও সহিংসতা, ভোট প্রদানে বাধা, দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে অনৈতিক প্রতিবন্ধকতা প্রতিহত করে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রনির্ভর নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতায় গভীর হতাশা ও উদ্বেগ ব্যক্ত করেছে। এ মন্তব্য টিআইবি’র।

একই সঙ্গে টিআইবি বলেছে, বিতর্কিতভাবে মাঝপথে নির্বাচন বর্জন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুস্থ পরিবেশ প্রতিষ্ঠার পথে নতুন করে ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থায় সব রাজনৈতিক দলকে সংযত, সহনশীল ও গণতান্ত্রিক চর্চার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।

আজ বুধবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় ও পেশিশক্তির প্রয়োগে ব্যাপক অনিয়ম সংঘটিত হওয়ায় সদ্য সমাপ্ত তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক একটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনী আইন প্রয়োগসহ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে ব্যর্থতায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ব্যাপক কারচুপির নির্ভরযোগ্য তথ্য আর প্রমাণ থাকার পরও কমিশন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে অস্বীকৃতি, মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে নিজেকে বিব্রত করেছে। যথাযথ দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন শুধু যে ব্যর্থ হয়েছে তা-ই নয়, বরং কমিশন ব্যাপকভাবে রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক আচরণ করায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ও জন আস্থা ধূলিসাৎ হয়েছে।’

ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘পেশিশক্তি দমনসহ আইনের লঙ্ঘন প্রতিহত করে পেশাদারির সঙ্গে নির্বাচনের জন্য সুস্থ ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করে ভোট প্রদানে নাগরিকদের সর্বতোভাবে সহযোগিতা করার জন্য অর্পিত দায়িত্ব পালনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী একদিকে নীরব দর্শক ও অন্যদিকে পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা পালন করে শুধু ব্যর্থ হয়েছে তা-ই নয়; বরং ক্ষেত্রবিশেষে রাজনৈতিক শিখণ্ডি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে নিজেদের প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ওপর মহলের নির্দেশের অজুহাত দেখিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান ও নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধিদের পর্যাপ্ত সহযোগিতা প্রদানে ব্যর্থ হয়ে এই বাহিনী তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।’
ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের সংঘাতময় রাজনীতি থেকে উত্তরণে যে ইতিবাচক সুযোগের সৃষ্টি হয়েছিল, মঙ্গলবারের তিনটি সিটি নির্বাচনই সামগ্রিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতির ঝুঁকি পুনরায় সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জনজীবনে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সব দলকে রাজনৈতিক সহনশীলতা, পরমতসহিষ্ণুতা এবং সর্বোপরি গণতান্ত্রিক চর্চার ধারা অনুশীলন ও তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net