শিরোনাম

Monthly Archives: মার্চ ২০১৬

নবীগঞ্জে ইউনাইটেড ফ্রেন্ডস অর্গানাইজেশনের স্বাধীনতা দিবস কুইজ প্রতিযোগিতা

উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ থেকেঃ গতকাল নবীগঞ্জ আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ইউনাইটেড ফ্রেন্ডস অর্গানাইজেশন কর্তৃক স্বাধীনতা দিবস আন্ত: পৌরসভা কুইজ প্রতিযোগিতা ২০১৬ আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড ফ্রেন্ডস অর্গানাইজেনের সভাপতি রাজন চন্দ্র দাশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাহিনের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নবীগঞ্জ আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আমজদ মিলন। উক্ত কুইজ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে নবীগঞ্জ জে.কে মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, নবীগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ম্যাফল উচ্চ বিদ্যালয়, আরমান উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়। এতে বিজয়ী হয়েছে, নবীগঞ্জ জে.কে মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং রানার্স আফ হয়েছে নবীগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড ফ্রেন্ডস অর্গানাইজেশনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সৈকত, লায়েছ, আবির, সাইফ, রনি, কৈশিক, মাহিন, দেবাশীষ, জয়, সুমন প্রমুখ।

তনু হত্যার বিচারের দাবিতে নবীগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

rakil-2

রাকিল হোসেন, নবীগঞ্জ থেকেঃ নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি এলাকায় ঢাকা- সিলেট মহা সড়কে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মি সোহাগী জাহান তনু হত্যার বিচারের দাবিতে গত ৩১ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আউশকান্দি স্কুল এন্ড কলেজের সামনে বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে। ফুল অব লাইট সোসাইটির উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধিসহ হাজারো লোকের সমাগম হয় বিশাল এ মানববন্ধনে। ফুল অব লাইট সোসাইটির সদস্য রকি পারভেজ এর পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মুহিবুর রহমান হারুন, মহিলা কাউন্সিলর জাকিয়া আক্তার লাকি, আউশকান্দি স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক ইকবাল বাহার তালুকদার, বাংলা প্রভাষক শাহিনা আক্তার, ইংরেজী প্রভাষক ফাতেমা মুতালেব তালুকদার, ছাত্রদল নেতা শিহাব আহমদ, কামরুল হাসান বাবলু, ওসমানী স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্টাতা সভাপতি বদরুজ্জামান চানু, শওকত মিয়া, ব্যবসায়ী সুমন আহমদ প্রমূখ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র শিক্ষক আবু সিদ্দিক, এনটিভি প্রতিনিধি মুহিবুর রহমান চৌধুরী তছনু, বুলবুল আহমদ, সুলতান মাহমুদ, মিজানুর রহমান সুহেল, আবুল কালাম, আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কোষাধ্যক্ষ আব্দুর নুর, মেম্বার পদ প্রার্থী খালেদ আহমদ জজ, ফুল অব লাইট সোসাইটির সদস্য সুলতান আহমদ, মুনাঈম আহমদ, মুফাজ্জল হোসেন, শাহিন আহমদ, টিপু আহমদ, ইমরান আহমদ, জাবেদ আহমদ, নাসের আহমদ, রাজু আহমদ, ইমরান আহমদ ২, এহিয়া আহমদ, ফরহাদ আহমদ, জহির, নোমান, গুপাল, রুপন, হাসান সহ আউশকান্দি র, প উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষিকা, অভিভাবক, শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে বক্তারা, অবিলম্বে সোহাগী জাহান তনুর হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়।

পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করায় মিথ্যা মামলা:প্রাণ নাশের হুমকি

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পৈতৃক সম্পত্তি ফেরত পেতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সম্পদ আত্মসাতকারীদের দ্বারা অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে জানান আফজল বখত খান নামের এক তরুণ। প্রতিদিনই তাঁকে দেয়া হচ্ছে প্রাণ নাশের হুমকি। বছরের পর বছর সালিশ পঞ্চায়েতের পেছনে ঘুরে কোন ফল না পেয়ে নিরুপায় হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন আফজল খান নামের সিলেটের এই তরুন। ভদ্রতার মুখোশ পড়া আপন চাচারাই সম্পদ আত্মসাত করতে তাঁকে হত্যার চেষ্টা এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন আফজল খান। তিনি জানান তার আপন চাচারা তাদের সম্মত্তি আত্মসাত করতে নানান কুট কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন আমার আপন চাচারাই আমার পিতার সম্পদ আত্মসাত করতে নির্যাতন করে আমার পিতাকে হত্যা করেছে। পিতা যখন মারা যান তখন আমরা ছোট ছিলাম, মামলা করলে এই চাচারা মামলার নথিপত্র গায়েব করে ফেলেন, এখানেই শেষ নয় আমাদের উপর নেমে আসে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। যখন বুঝতে পারি এরা আমাদেরও মেরে ফেলবে তখন বাধ্য হয়ে প্রাণের ভয়ে আমরা অন্যের বাড়ীতে আশ্রয় নেই। বসত ভিটে সহ, পিতার রেখে যাওয়া সহায় সম্পদ সব হারিয়ে আমি প্রাণ রক্ষার্থে দেশের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছি আর আমার তিন বোন ও মা আশ্রয় নেন লন্ডনে। এর পর আমার পিতার সম্পদ বুঝে নিতে চাইলে শুরু হয় নানা টালবাহনা, আমাদের জন্যে আমাদের পাড়া প্রতিবেশী সকলেই চাচাদের কাছে অনুরোধ করেছেন, কোন অবস্থাতেই তারা সম্পদ ফেরত দিতে রাজি নন। এনিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলার সহ পাড়াপ্রতিবেসী সকলেই ওয়াকিবহাল রয়েছেন। অনেক কষ্টে আমার পিতার সম্পদের ডকুমেন্ট যোগার করে আইনী পক্রিয়ায় সিলেট শহরের বাসার অংশ আমার মা ও আমারা ভাইবোনদের নামে নামজারি করায় তাদের রোশানলে পড়তে হয়। আমার পিতার রেখে যাওয়া সিলেট শহর এবং গোলাপগঞ্জের বিশাল সম্পত্তি চাচারা জোর পূর্বক ভোগ দখল করে আসছেন। সম্পদ পাওয়া তো দূরের কথা প্রাণের ভয়ে আমাদের আশ্রয় নিতে হচ্ছে অন্যের বাড়ীতে। অথচ আমি অসহায় হয়ে পড়া প্রতিবেসীর মাধ্যমে তাদের কাছে বার বার ধর্ণা দিয়েও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমি আমার পিতার নির্মিত ঘরে থাকতে পারছি না। তাই আমার দুঃখ, কষ্টের কথাগুলিই ফেইস বুকে লিখেছি। এটা অপরাধ কিনা তা আমি জানিনা। আমার পিতার সম্পত্তি আত্মসাত কারী হলেন আমার আপন চাচারা। আমার চাচা মৌলানা ফরিদ আহমদ খান সমাজে নিজকে আলেম পরিচয় দিয়ে দেশ বিদেশে ওয়াজ মাহফিল করে ঘুরে বেড়ান, অথচ এতিমের সম্পদ আত্মসাত করেন। এমন কথাই আমি ফেস বুকে লিখেছি। এটা অপরাধ কিনা জানিনা। আমি এই স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আমার কষ্টের কথা তুলে ধরেছি। আমার চাচা ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস হসপিটাল এর মুসলিম চ্যাপলাইন মাওলানা ফরিদ আহমদ খানকে ফেইসবুকে, সম্পদ আত্মসাৎকারী উল্লেখ করে স্ট্যাট্যাস দেওয়ায় সিলেট কোতোয়ালি থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করেছেন আমার আরেক চাচা মাওলানা ফরিদ আহমদ খানের বড় ভাই হামিদ বখত খান। আফজল খান বলেন আমাকে আমার পৈতৃক সম্পদ থেকে বঞ্চিত করে আমার চাচা মাওলানা ফরিদ আহমদ খান বিভিন্ন জায়গায় ওয়াজ নসিওত করে যাচ্ছেন। আমি এতিম অসহায় আমার সম্পত্তি ফিরিয়ে দিতে তার কোন উদ্যোগ না দেখায় আমি ফেইস বুকের নিজের দুঃখটা শেয়ার করেছি মাত্র। আফজল বখত জানান, সিলেটের শিবগঞ্জস্থ খরাদিপাড়ার আনন্দ-২ বাড়ীতে আমার শিশুকাল কেটেছে। অথচ আজ আমাকে অসহায়ের মত ঘুরতে হচ্ছে থাকতে হচ্ছে অন্যের বাড়ীতে। আমি পাড়া, প্রতিবেশীসহ সমাজের সচেতন মানুষের কাছে এর বিচার চাই। এদিকে আফজল খানের চাচা হামিদ বখত খান থানায় তার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেছেন আমার ভাই ফরিদ বখত খান ব্রিটিশ নাগরিক এবং ফিলিস্তিনে মসজিদুল আল আকসার ইমাম সাহেবের দোভাষী হিসেবে সেখানে কর্মরত আছেন। আমাদের গ্রামের বাড়ী সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিনের চক্রবর্তীপাড়ায়। আমরা আমাদের এলাকায় মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা স্থাপনসহ সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখার চেষ্টা করছি। আমাদের এরূপ কর্মকান্ডে আফজাল বখত ঈর্ষান্তিত হয়ে সামাজিকভাবে আমাদের মানসম্মান ক্ষুন্ন করতে ব্যর্থ হয়ে বর্তমানে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সুসম্মান ক্ষুন্ন করার প্রয়াসে তথ্য প্রযুক্তির আশ্রয় নিয়াছে। সে তার ফেইসবুক একাউন্ট হইতে প্রতিনিয়ত আমার প্রবাসী ভাই ফরিদ বখত খানসহ আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপুর্ণ বক্তব্য যেমন আত্মসাৎকারী, বাটপার, হাতেমতাই ইত্যাদি উল্লেখে তথ্য সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে আমরা অত্যন্ত লজ্জা ও বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। কে এই মৌলানা ফরিদ খান। কিভাবে তিনি এতো সম্পদের মালিক হলেন তার আয়ের উৎস কি? এনিয়ে রয়েছে নানান প্রশ্ন। ফরিদ খানের রাজনৈতিক পরিচয় ও নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন? তিনি ব্রিটেনে অবস্থান করলেও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশের একাধিক উগ্রবাদি সংগঠনের সাথে তার সম্পর্ক রয়েছে। ফিলিস্তিনের হামাস, লেবাননের হিযবুল্লাহ সহ পাকিস্তান ভিত্তিক কয়েকটি উগ্রবাদী সংগঠনের সাথে রয়েছে তার যোগাযোগ। তিনি হেলিকাপ্টারে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ করে ঘুরে বেড়ান এসব অর্থের উৎস খুঁজে দেখার দায়িত্ব অবশ্যই দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর। এছাড়া বর্তমান সময়ে বাংলাদেশেকে অস্থিতিশীল করতে ওয়াজ মাহফিলের নেপথ্যে এই মাওলানা ফরিদ কি করছেন সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা দরকার। লন্ডনে মৌলানা ফরিদ খানের এক সহকর্মী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান মাওলানা ফরিদ আর্থমানবতার নাম ব্যবহার করে কি করছেন তার তদন্তে বেরিয়ে আসবে। এলাকাবাসীর অভিযোগ মাওলানা ফরিদ খান ও তার ভাইয়েরা মসজিদ মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে আসছেন। সত্যিই এই অর্থ মসজিদ মাদ্রসার পেছেন ব্যয় হচ্ছে না দেশকে অস্থিতিশীল করার পেছেনে ।কাজ করছেন তা খতিয়ে দেখা দরকার বলেও অনেকের মত। লন্ডনে অবস্থানরত আফজল খানের বৃদ্ধা মা ও তিন বোন ভাইয়ের চিন্তায় অস্থির তার সরকারের কাছে তার নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে তাদের সম্পদ উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

লন্ডনে ‘জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ : আবেগাপ্লুত  প্রবাসী সংগঠকরা

লন্ডন প্রতিনিধি: ‘জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা ২০১৬’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লন্ডনে রচিত হলো দুই প্রজন্মের এক ব্যতিক্রমী সেতুবন্ধন। ১৯৭১ সালে ব্রিটেনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ২ ব্রিটিশ ও ৩ ব্রিটিশ-বাংলাদেশীর হাতে ব্রিটেনে জন্ম নেয়া এই প্রজন্মের প্রতিনিধিরা যখন সম্মাননা পত্র তুলে দেয় অনুষ্ঠানস্থলে তখন রচিত হয় এক আবেগগণ পরিবেশ, করতালী ও উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো অনুষ্ঠান স্থল। স্বাধীনতার মাস মার্চে দুই প্রজন্মের যোগসূত্র স্থাপনে এমন একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানান অনুষ্ঠানে আগত দর্শকরা।

২৯ মারচ ঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৯টা অবধি  ‘জয় বাংলা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের অক্সফোর্ড হাউসে প্রথম বারের মত অনুষ্ঠিত হয় ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় দুই ব্রিটিশ নাগরিক ডোনাল্ড চেসওয়ার্থ (মরনোত্তর) ও ভ্যালেন্টাইন হার্ডিং এবং তিনজন ব্রিটিশ বাঙালী মিসেস কলসুম উল্লা, দবির আহমেদ ও নুরুদ্দিন আহমেদকে বিশেষ সম্মানান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষে ছিলেন মিনিষ্টার প্রেস নাদিম কাদির।

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব বুলবুল হাসানের সাবলিল উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’২০১৬ এর অন্যতম উদ্যোক্তা মানবাধিকার কর্মী আনসার আহমেদ উল্লা। অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্দেশ্যে সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন জয় বাংলা ফাউন্ডেশনের অন্যতম আরও দুই সংগঠক সাংবাদিক সৈয়দ আনাস পাশা ও সালিমা শারমিন হোসেন। নতুন প্রজন্মের পক্ষে বক্তব্য রাখেন এলএসই স্টুডেন্ট মাহাথির পাশা। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পী আলাউর রহমান, ফজলুল বারী বাবু ও শিশু শিল্পী নাহিয়ান পাশা সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে সম্মান জানান মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সংগঠকদের।

জয় বাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে মূলত মূল ভূমিকা পালন করে ব্রিটেনে জন্ম নেয়া তরুণ প্রজন্মের একটি গ্রুপ। সম্মাননা প্রাপ্ত পাঁচ মুক্তিযুদ্ধ সংগঠকের পরিচিতি প্রোফাইল তুলে ধরা থেকে শুরু করে হাত ধরে তাদের স্টেইজে নিয়ে যাওয়া এবং সম্মাননা পত্র তাদের হাতে তুলে ধরা সবকিছুই করে এই গ্রুপটি। এই গ্রুপটির মধ্যে ছিলো শ্বাশতি শারমিন হোসেইন, নাহিয়ান পাশা, প্রপা রেজওয়ানা আনোয়ার, ওয়াজেদ মঈনুল হোসেইন এবং রাফা হক।

সম্মাননা প্রাপ্তদের মঞ্চে ফুল দিয়ে বরণ করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিষ্টার প্রেস নাদিম কাদির, উত্তোরিয় পরিয়ে দেন প্রধান অতিথি আবদুল গাফফার চৌধুরী। সম্মাননা গ্রহন শেষে নিজেদের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন সম্মানণা প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সংগঠকরা। মরনোত্তর সম্মানণা প্রাপ্ত ডোনাল্ড চেসওয়ার্থের পক্ষে সম্মানণা গ্রহন করেন তাঁর দীর্ঘ দিনের ঘনিষ্ট সহকর্মী মার্ক টেডল। সম্মানণা গ্রহন শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ডোনাল্ডের মত একজন মানবতাবাদির সাথে কাজ করতে পারায় আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনেকরি। লন্ডনের বাংলাদেশী কমিউনিটির সাথে চেসওয়ার্থের ছিল একটি ঘনিষ্ট সম্পর্ক। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে চেসওয়ার্থের ভূমিকার বিষয়ে স্মৃতিচারণ করে টেডল বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চেসওয়ার্থকে দেয়া ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ পদক গ্রহন করতে আমি বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। এটি আমার জন্য অন্য এক অনুভূতি। তিনি ডোনাল্ড চেসওয়ার্থকে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ পদক দেয়ায় বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আজ জয় বাংলা ফাউন্ডেশন নতুন প্রজন্মের হাত দিয়ে চেসওয়ার্থকে যে সম্মানণা জানালো তা চেসওয়ার্থদের প্রজন্ম থেকে প্রজান্মান্তরে নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

১৯৭১ সালে ভারতের শরনার্থি শিবিরে অক্লান্ত পরিশ্রমকারী নার্স ভ্যালেন্টাইন হার্ডিং জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা গ্রহন করে বলেন, আমি নিজে কখনও আশা করিনি এমন সম্মানণা পাবো। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নেয়া একটি সাহসি জাতির পক্ষ থেকে এমন সম্মানণা পেয়ে আমি আবেগাপ্লুত। এসময় তিনি ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় বলেন আজ এখানে আসার সুযোগ পেয়ে আমি খুব খুশি।

মুক্তিযুদ্ধের শুরু লগ্নেই প্রকাশ্য সমাবেশে পাকিস্তানী পাসপোর্ট জ্বালিয়ে ফেলে ১৯ বছর যে তরুণ ব্যতিক্রমী নজির সৃষ্টি করেছিলেন, আজকের ৬৫ বছর বয়সের সেই পৌঢ় সম্মানণা প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক দবির আহমেদ তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বাংলাদেশ যদি স্বাধীন না হতো তাহলে ঐদিন আমরা যারা পাকিস্তানী পাসপোর্ট ছিড়ে ফেলেছিলাম তাদের কি অবস্থা হতো আজ এটি চিন্তা করলেই কৃতজ্ঞতায়, শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে সেই মহামানবের প্রতি, যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক দেশটি আমরা পেতাম না। তিনি জয় বাংলা ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে আমাদের পৌছে দেয়ার আজকের এই উদ্যোগ জীবনের অন্যতম একটি পরম পাওয়া হিসেবেই আমি নিচ্ছি।

বয়সের ভারে নুজ্য কলসুম উল্লা, আবেগে কিছুই বলতে পারেননি, অনেক স্মৃতি ভুলেও গেছেন। শুধু বললেন, আমাদের স্মৃতি প্রজন্মান্তরে বাঁচিয়ে রাখার এই উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’

১৯৭১ সালের তরুণ নুরুদ্দিন আহমেদ, আবেগে অভিভূত। তিনি সম্মানণা পাচ্ছেন বিষয়টি তাঁর স্ত্রী সন্তানরা জানলেও জানতেন না তিনি নিজে। সারপ্রাইজ দেয়ার জন্যে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিলো। সম্মানণা গ্রহন শেষে তিনি বললেন, চেতনার তাগিদে নিজ দায়িত্ববোধ থেকে ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সংগ্রহের কাজে নেমেছিলাম। কোন একদিন এরজন্য যে সম্মানিত হবো তা ভাবিওনি আশাও করিনি। জয় বাংলা ফাউন্ডেশন’র এই সম্মানণায় আমি অভিভূত, আবেগাপ্লুত। যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রাস্তায় নেমেছিলেন, সেই স্বপ্ন অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার চলমান সংগ্রামে আমৃত্যু কাজ করে যাবেন এসময় এমন প্রত্যয় ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ নিয়ে গবেষণারত এই মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, জয় বাংলা ফাউন্ডেশনের এই মুক্তিযুদ্ধ সম্মানণা উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেণ, এমন একটি উদ্যোগ বিস্তৃতির অন্তরালে হারিয়ে যাওয়া মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সংগঠকদের খুজে বের করতে সহযোগিতা করবে। তিনি পরিপূর্ণ গবেষণা কারযক্রম শুরু করে তৃণমূলের প্রবাসী সংগঠকদের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহবান জানান ফাউন্ডেশনের প্রতি। গাফফার চৌধুরী বলেন, ৭৫ পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মগজ ধোলাইয়ের যে অপচেষ্টা শুরু হয়েছিলো, তা থেকে এখন বেড়িয়ে আসতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। জয়বাংলা ফাউন্ডেশনের মুক্তিযুদ্ধ সম্মানণা প্রকৃত ইতিহাসের ধারায় এই প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনার চলমান সেই সংগ্রামকেই বেগবান করবে। গাফ্ফার চৌধুরী নতুন প্রজন্মকে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সংগঠকদের সম্মানণা জানানোর এই উদ্যোগকে যুগান্তকারী আখ্যায়িত করে বলেন, আমাদের প্রজন্ম এখন পৃথিবী ছাড়ার পথে, মধ্য প্রজন্ম কিছুটা স্মৃতি, কিছুটা ইতিহাস নির্ভর হয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলছে, এমনি একটি মুহূর্তে আমাদের গৌরব, আমাদের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌছে দেয়ার এমন উদ্যোগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার চলমান আন্দোলনে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি মিনিষ্টার প্রেস নাদিম কাদির জয় বাংলা ফাউন্ডেশনের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার যে সংগ্রাম শুরু করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জংয় বাংলা ফাউন্ডেশনের আজকের এ উদ্যোগ সেই সংগ্রামেই ভূমিকা রাখবে। এ প্রসঙ্গে তিনি রাষ্ট্রের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের বিদেশী বন্ধুদের সম্মানণা’র কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আজকের যে সমৃদ্ধ অবস্থান সেই অবস্থান ধরে রাখতে আমাদের সবাইকে তাঁর পাশে দাড়াতে হবে, ‘জয় বাংলা ফাউন্ডেশন মুক্তিযুদ্ধ সম্মানণা’র মত ক্রিয়েটিভ উদ্যোগ নিয়েই আমরা এভাবে তাঁর পাশে দাড়াতে পারি।

অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা সৈয়দ আনাস পাশা, সালিমা শারমিন হোসেন, আনসার আহমেদ উল্লা ও জামাল খান বাংলানিউজকে জানান ‘জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধ সম্মানণা’ টি এখন থেকে প্রতি বছরই তারা করতে চান। মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সংগঠকদের খুজে বের করে পরযায়ক্রমে সম্মানণা জানানোর পরিকল্পনা তাদের রয়েছে এমনটি জানিয়ে উদ্যোক্তারা বলেন, আমাদের হিরোদের সাথে নতুন প্রজন্মের একটি যোগসূত্র তৈরী করতে চাই আমরা এই উদ্যোগের মাধ্যমে।

অবশেষে ভারমুক্ত হলেন মির্জা ফখরুল

অবশেষে ভারমুক্ত হলেন পাঁচ বছর থেকে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে মহাসচিব পদে দায়িত্ব অর্পন করলেন।

২০০৬ সালে ক্ষমতা ছাড়ার পর দুই দফায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে গিয়েও সাফল্যের দেখা না পাওয়া এ দলটির সাত যুগ্ম মহাসচিবের মধ্যে রুহুল কবির রিজভীও পদোন্নতি পেয়েছেন, হয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।

আর কোষাধক্ষ পদে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার ওপরই আস্থা রেখেছেন বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়া।

ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের ১১ দিন পর বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই তিন পদে বিএনপি চেয়ারপারসনের মনোনয়নের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। খালেদার পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান রিজভী।

গত ১৯ মার্চ ঢাকার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একাংশে আয়োজিত বিএনপির কাউন্সিলে চেয়ারপারসন ও জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যানের পদে খালেদা ও তারেক রহমানকে নির্বাচিত করা হয়। সেখানেই কাউন্সিলরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের দায়িত্ব চেয়ারপাসনকে দেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

বিএনপির গঠনতন্ত্রে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠনের কথা বলা থাকলেও গত কয়েকটি কাউন্সিলেও দেখা গেছে একই চিত্র। কাউন্সিলে কমিটি ঘোষণা না করে অনেক পরে সেই ঘোষণা এসেছে চেযারপারসনের দপ্তর থেকে।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, “দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে সকল সদস্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দায়িত্ব দিয়েছেন, ক্ষমতা দিয়েছেন, তিনিই জাতীয় নির্বাহী কমিটি গঠন করবেন। সেই জাতীয় কাউন্সিলরদের দেওয়া ক্ষমতাবলে চেয়ারপারসন জাতীয় নির্বাহী কমিটির কিছু পদে নেতৃবৃন্দকে মনোনয়ন দিয়েছেন।”

এরপর তিন পদে চেয়ারপারসনের মনোনীত তিনজনের নাম ঘোষণা করে রিজভী বলেন, “আমি আপাতত এই তিনটি নাম ঘোষণা করলাম। পরে ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য পদে নেতৃবৃন্দের নাম ঘোষণা করব।”

মূলত এই ঘোষণার মধ্য দিয়েই কার্যক্রম শুরু করল বিএনপি নতুন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি।

বার্মিংহামে আল্লামা ফুলতলী (রঃ) এর ইসালে সাওয়াব মাহফিল ‘দি ফাউন্টেন অফ লাইট’ ৫ এপ্রিল

Gias Uddin Chy Fultoli

প্রতিবারের ন্যায় এবছরও ভাবগাম্ভির্য ও ব্যাপক আয়োজনে আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র সহযোগিতায় শামছুল উলামা আল্লামা ফুলতলী (রঃ) এর ইসালে সাওয়াব উপলক্ষে আজিমুশ্বান মাহফিল ‘দি ফাউন্টেন অফ লাইট’ আগামী ৫ এপ্রিল মঙ্গলবার বার্মিংহামের স্মলহিথ গামকুল শরীফ সেন্ট্রাল জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। আজিমুশ্বান মাহফিল দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।

মিডল্যান্ডস ইসালে সাওয়াব মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাহফিলে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে ফুলতলী (রঃ) এর ভক্ত, মুরিদানসহ সর্বস্তরের মুসলমানদের সমাগম হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন। মাহফিলকে কেন্দ্র করে ইতোপূর্বে খতমে কুরআন, খতমে বুখারীসহ বিভন্ন খতমের আয়োজন করা হয়েছে।
আজিমুশ্বান মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন হযরত আল্লামা মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। এছাড়াও মাহফিলে বক্তব্য রাখবেন শায়েখ আহমদ তিজিয়ানী বিন উমর, আল্লামা মুজাহিদ উদ্দিন চৌধুরী দুবাগী, শায়খুল হাদিস মাওলানা আব্দুল জলিল, মাওলানা মুফতি ইলিয়াছ হুসাইন, মাওলানা নজরুল ইসলামসহ প্রখ্যাত উলামায়ে কেরামবৃন্দ।
মাহফিলে মহিলাদের জন্য আলাদা আসন ও যাবতীয় ব্যবস্থা রাখা হবে। মাহফিলে বাংলা এবং ইংরেজিতে বক্তব্য পেশ করা হবে।
উক্ত আজিমুশ্বান মাহফিলে সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য ইসালে সাওয়াব মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ নাছির আহমদ ও সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান অনুরোধ জানিয়েছেন।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন ২০১৬

নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন ২০১৬

  নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন ২০১৬

নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন ২০১৬

নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন ২০১৬

নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন ২০১৬

নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন ২০১৬

এ কে এম আব্দুল্লাহ’র কবিতা

AKM Abdullah

কেবলই পুড়ছি

পৃথিবীর জমিন যেন তামদারি ডেকচি
আকাশটা ঢাকনা
ভিতরে কেবলই পুড়ছি ।

পাঁচপুরণ মশলার ঘ্রাণে বিভোর,অজানা নেশায়
ধাক্কা-ধাক্কিতে কারো গায়ে
মশলার আড়ত ;
কেউ পুড়ছি খালি চামড়ায়, মশলাবিহীন ।

আহা ! একটু আগেও এখানে কেউ ছিল ।

শুরু হলো প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রথম ধাপের নির্বাচনে ভোট নেওয়া শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দেশের ৭১৭টি ইউপিতে নির্বাচন হচ্ছে। সকাল আটটা থেকে ভোট নেওয়া শুরু হয়। বিকেল চারটা পর্যন্ত একটানা এই ভোট নেওয়া চলবে।

দেশে এবারই প্রথম এই নির্বাচন রাজনৈতিক দলের পরিচয়ও প্রতীকে হচ্ছে। নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার পর থেকে প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতা-হানাহানির প্রেক্ষাপটে নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে একধরনের উদ্বেগ রয়েছে।UP Election 2

আজ যেসব ইউপিতে ভোট হচ্ছে, এর মধ্যে ৫৪ টিতে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার পথে। এঁরা সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত। একই পদে ১২১টি ইউপিতে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। প্রথম ধাপের অন্তর্ভুক্ত টাঙ্গাইলের নাগরপুরের ১১টি ইউনিয়নে ভোট হবে আগামীকাল বুধবার। কক্সবাজারের টেকনাফের দুটি ইউনিয়নে হবে ২৭ মার্চ।

আওয়ামী লীগ-বিএনপি ছাড়াও এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি, জাসদ, বিকল্পধারা, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি-জেপি, বিএনএফ, সিপিবি, তরীকত ফেডারেশন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ন্যাপ অংশ নিচ্ছে।

আগামী জুনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয় ধাপে দেশের চার হাজার ২৭৫টি ইউপিতে ভোট নেওয়া হবে।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে মোট ২০ সদস্যের বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। এর বাইরে পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), র‍্যাব, বিজিবি ও আনসারের সমন্বয়ে গড়া ভ্রাম্যমাণ ও অপেক্ষমাণ বাহিনী (স্ট্রাইকিং ফোর্স) এবং বিচারিক ও নির্বাহী হাকিমগণ দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমদ গতকাল সোমবার বিকেলে কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে গণমাধ্যমকে জানান। তিনি বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন সরকারের অন্যান্য বিভাগের ওপর নির্ভরশীল। তাদের ওপর কমিশনের কর্তৃত্বও কম। যে কারণে কমিশন সবার কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পায় না।

নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া, হানাহানি, সহিংসতা, কেন্দ্র দখল ইত্যাদি বিষয়ে সিইসি বলেন, দুঃখজনক হলো, এ দেশের নির্বাচন আগে থেকেই মারপিট ও খুনখারাবির চিত্র বহন করে আসছে। নির্বাচন অর্থকেন্দ্রিক হয়ে গেছে আগেই। যার শক্তি বেশি, সে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী মনে করে। যে কারণে হানাহানি ও সহিংসতা থামছে না। এবার তা আগের চেয়ে কিছুটা বেশি হচ্ছে। কমিশন তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। এই সংস্কৃতি বদলাতে সময় লাগবে।

সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, কেন্দ্রে বেশি ভোটার থাকলে সন্ত্রাসীরা সাহস কম পাবে। তিনি সব দল ও প্রার্থীর সহযোগিতা চেয়েছেন।

লন্ডনে সাংবাদিক সুজাত মনসুরের দু’টি গ্রন্থের পাঠোন্মোচন

লন্ডন প্রতিনিধিঃ সাংবাদিক কলামিস্ট সুজাত মনসুরের গ্রন্থে উঠে এসেছে ইতিহাসের বাস্তব সত্য দিকগুলো, সমসাময়িক প্রসঙ্গে রয়েছে ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনা এবং বস্তুনিষ্ঠ উপস্থাপনা।Sujat Audience

সাবেক ছাত্রনেতা সাংবাদিক সুজাত মনসুরের সম্পাদিত ‘‘কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ’’ এবং তাঁর রচিত ‘‘সফল রাজনীতিক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’’ শীর্ষক দুটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এ মন্তব্য করেন।

Sujat 4বক্তারা বলেন সুজাত মনসুর সত্যিকার অর্থেই বলেছেন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পেতে হলে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আমাদের এগুতে হবে। তিনি অত্যন্ত সুনিপূণ ভাবে শেখ হাসিনার সফলতার দিকগুলো তুলে ধরেছেন এই গ্রন্থে।

গত কাল ২১ মার্চ বিকেলে পূর্ব লন্ডনের মন্টিফিউরী সেন্টারে কবি মাসুদ আহমদের সভাপতিত্বে ও কবি ইকবাল হোসেন বুলবুলের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের প্রেস মিনিস্টার সাংবাদিক নাদিম কাদির। অনুষ্ঠানে Sujat 2মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলা একাডেমী‘র প্রবাসী লেখক পুরষ্কারপ্রাপ্ত লেখক গবেষক ফারুক আহমদ, গ্রন্থের উপর আলোচনা করেন প্রধান অতিথি সাংবাদিক নাদিম কাদির ও কবি মাসুদ আহমেদ।

‘‘কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ’’ গ্রন্থ থেকে কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন ছড়াকার দিলু নাসের, কবি আবু মকসুদ,  মুজিবুল হক মণি, উদয় শংকর দুর্জয়, সাগর রহমান প্রমুখ।

সাংবাদিSujat 3ক সুজাত মনসুর বলেন, আমি নিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করিনা- লিখতে হলে তা হতে হবে বস্তুনিষ্ট। আর বাংলাদেশের প্রশ্নে আমি কখনোই নিরপেক্ষ হতে পারি না। আমি মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পক্ষে। তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা নিয়ে তিনি কারো সাথে আপোষ করতে রাজি নন।

অনুষ্ঠানে ব্রিটেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কবি সাংবাদিকরা অংশ নেন।

 

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net