শিরোনাম

Monthly Archives: মে ২০১৬

লন্ডনে ১৭ তম রেইনবো চলচ্চিত্র উৎসব —আনসার আহমেদ উল্লাহ

 

আগামী ২৯ শে মে রবিবার দুপুর ১২.০০ টায় রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে পূর্ব লন্ডনের মাইল এ্যন্ড রোডেঅবস্থিত জেনেসিস সিনেমা হলে। হুমায়ুন আহমেদের গল্প অবলম্বনে এবং মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত ”কৃষ্ণপক্ষ” ছায়াছবি প্রদর্শিত হবে।সোমবার ৩০ শে মে থেকে বৃহস্পতিবার ২রা জুন পর্য্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৫.৩০ টায় বেথনাণ গ্রীণ রোডে অবস্থিত ”রিচ মিক্স সেন্টারে” যথাক্রমেব্যাচেলর, থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার, সিমানা পেরিয়ে এবং গেরিলা প্রদর্শিত হবে। শুক্রবার ৩রা জুন হ্যানবারী ষ্ট্রিটের ব্র্যাডি আর্টস সেন্টারেখালিদ মাহমুদ মিঠু স্মরণে ”গহীণে শব্দ” প্রদর্শিত হবে বিকেল ৬.৩০ টায়।

 

শনিবার ৪ঠা জুন এবং রবিবার ৫ই জুন শ্যাডওয়েল স্টেশনের নিকটবতী মার্থা রোডে অবস্থিত ”টারলিং কম্যুনিটি সেন্টারে” প্রতিদিন তিনটি করেপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে: শনিবার দুপুর ১২.০০ টায় ”ঘাসফুল” , ৩.০০ টায় ”খেলাঘর” , ৬.০০ টায় ”লাল চর” এবং রবিবার দুপুর ১২.০০টায় ”উত্তরের সুর” , ৩.০০ টায় আমজাদ হোসেন পরিচালিত ”নয়ন মনি” , ৬.০০ টায় ”জালালের গল্প”।

 

পূর্ব লন্ডনের হ্যানবারী ষ্ট্রিটে অবস্থিত রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯১ সালে। ২০১৬ সালে বিভিন্ন কার্য্যক্রমের মধ্য দিয়ে  পালিতহচ্ছে সংগঠনটির ২৫ তম বর্ষপূর্তি। এর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে, ১৭ তম রেইনবো চলচ্চিত্র উৎসব। ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবেএই সংগঠনের কার্য্যক্রম শুরু হলেও, বাৎসরিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হয় ২০০০ সালে।

 

 

২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠাণ সকলের জন্য উন্মুক্ত । বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন রেইনবো ফিল্ম সোসাইটি,মন্টেফিউরি সেন্টার, হ্যানবারী ষ্ট্রীট, লন্ডন ই-১, ফোন : ০৭৯৫৬-৯২৪২৪৬.

Attachments area

 

নবীগঞ্জ ইউনিয়ন নির্বাচনে ৩৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা :হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ৬ টি আওয়ামীলগ,৬ টি সতন্ত্র ও ১টিতে বিএ্নপি জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে ৩৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত বাজেয়াপ্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হচ্ছেন- ১নং পশ্চিম বড় ভাকৈর ইউনিয়নে সুশেন চন্দ্র তালুকদার আনারস ও গোপেন্দ্র কুমার দাস ভোলা লাঙ্গল।
২নং পশ্চিম বড় ভাকৈর ইউনিয়ন জাকির হোসেন আনারস ও বজলুর রহমান চশমা । ৩নং ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন মাসুদ আহমেদ জিহাদী ঘোড়া ও সিরাজ উল্লাহ লাঙ্গল, ৪নং দীঘলবাক ইউনিয়ন আব্দুল হান্নান চৌধুরী চান মিয়া লাঙ্গল ও এলাওর মিয়া ঘোড়া, ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়ন মাওঃ মোস্তফা আহমেদ মাটর সাইকেল, শাহেনা আক্তার লাঙ্গল, মোঃ হিরা মিয়া ঘোড়া ও সৈয়দ কাওসার মিয়া অটো রিক্সা, ৬নং কুর্শী ইউনিয়ন মির্জা আলী রায়হান ঘোড়া ও শাহ ইলিয়াছ আলী মোটার সাইকেল, ৭নং করগাও ইউনিয়ন আবু সুফিয়ান আনারস ওলাঙ্গল, ৮নং সদর ইউনিয়ন মিরাশ আলী আনারস, আবু ইউসুফ লাঙ্গল ও আতাউনর রহমান ঘোড়া, ৯নং বাউসা ইউনিয়ন আব্দুল লতিফ নানু চশমা ও আব্দুল মজিদ ধানের শীষ, ১০নং দেবপাড়া ইউনিয়ন রজব আলী মোটর সাইকেল, আবুল হোসেন জীবন (চশমা), আজিজুল বারী আমির, ওমর ফারুক লাঙ্গল, আনছার মিয়া চৌধুরী অটোরিক্সা, ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়ন শাহ মোস্তাকিম আলী ধানের শীষ, সফিকুল ইসলাম সেলিম ঘোড়া ও আব্দুল আউয়াল মোটর সাইকেল, ১২নং কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়ন জাফর আলী মোটর সাইকেল ও সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী লাঙ্গল,১৩নং পানিউমদা ইউনিয়ন শেখ রুবেল ধানের শীষ, জাহেদ আহমেদ চশমা, লুৎফুর রহমান লঙ্গল ও সোহেল আহমদ মোটর সাইকেল।

নবীগঞ্জে ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মহিলাসহ ৩ জন নিহত
রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ সংবাদদাতাঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আউশকান্দি ইউনিয়নের মডেল বাজার নামকস্থানে ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মহিলাসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয় হয়েছেন ৮ জন। এসময় মহাসড়কের ১ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকাল ১২ টার দিকে। স্থানীয়রা জানান, গতকাল রবিবার সকাল থেকেই ঢাকা সিলেট মহাসড়কে ট্রাক চালকদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করছিল হাইওয়ে পুলিশ। এসময় সিলেট থেকে চেড়ে আসা একটি পাথর ভর্তি ট্রাককে হাইওয়ে পুলিশ ধাওয়া দিলে ট্রাকটি দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার সময় উলে¬খিত স্থানে আসা মাত্রই সিলেট গামি মাইক্রোবাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষবাধে। এসময় মাইক্রোবাসটি ধুমরেমুচরে গিয়ে পাশের একটি জমিতে পড়ে যায়। তাৎনিকভাবে নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি নুরুন্নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ছালেক আহমদ (ছালেক মিয়াকে) বৃটেন প্রবাসী ৩নং মুন্সিবাজার ইউনিয়ন বাসীর অভিনন্দন

লন্ডনঃ ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ৩নং মুন্সিবাজর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যুবলীগ নেতা তরুন রাজনীতিবিদ ছালেক আহমদ ( ছালেক মিয়া ) আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতিক নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করায় বৃটেনে বসবাসরত মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সর্বস্থরের প্রবাসী বৃন্দ ও প্রবাসী মৌলবীবাজার কেনসেলরাইজ এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশিষ্ট ক্যাটারারর্স নেতা ব্রিটিশ বাংলাদেশী ক্যাটারারর্স এসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কেনসেলরাইজ এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব তারাউল ইসলাম, মোহাম্মদ সহিদুর রহমান, সাজ্জাদ মিয়া, হারুনুর রশিদ, রাসেল আহমদ প্রমুখ। অভিনন্দন বার্তায় তারা বলেন তারণ্যের প্রতিক ছালেক মিয়ার নেতৃত্বে মুন্সিবাজার ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ইউনিয়নে রুপান্তর করা সম্ভব। ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে তার কাজে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগীতার আম্বাস প্রদান করেন প্রবাসীবৃন্দ।

বৃহত্তর সিলেটের ১১উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা

সিলেট অফিসঃ সিলেট বিভাগের ১১ উপজেলায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি কোনটিই তেমন কোন সুবিধা করতে পারেনি। মূলত আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরাই ‘নৌকা’ ডুবিয়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থী না হলে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করত।

রাত ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ৩৪টি ইউনিয়নে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা ১২টি ইউনিয়নে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা ১৩টি ইউনিয়নে, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ৭টি ইউনিয়নে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩টি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন।

সিলেট জেলার দুটি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ দুটি উপজেলা হচ্ছে, ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জ। দুটি উপজেলাই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমানভাবে অর্থাৎ ৫টি করে ইউনিয়নে জয়ী হয়েছে। ৩টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা এবং একটি ইউনিয়নে বিএনপির বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

ওসমানীনগরঃ এ উপজেলায় আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। উপজেলার ৮ ইউনিয়নে বিএনপি ৩, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ৩, বিএনপির বিদ্রোহী ১ এবং আওয়ামী লীগের একজন প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ৮ইউনিয়নের ৭৬টি কেন্দ্রের ৩শ ৪৫টি কক্ষে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভোটগ্রহণ চলাকালে দয়ামীর ইউনিয়নের চকের বাজার ভোট কেন্দ্রে জালভোট দিতে গিয়ে পুলিশের আটক হন ৯জন। পরে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

এদিকে, রাত ৯ টার দিক ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কুরুয়া বাজার থেকে সাদীপুর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সমর্থকরা। পরবর্তিতে রাত ১০ টার দিকে মহাসড়ক থেকে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে যান চলাচল স্বাভাভিক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তারা।

উমরপুর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী (নৌকা) গোলাম কিবরিয়া, সাদীপুর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রব (ধানের শীষ), পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল হাফিজ ওরফে এমএ মতিন (আনারস), বুরুঙ্গা ইউনিয়নে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খলেক আহমদ লটই (আনারস), গোয়ালাবাজার ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান মানিক (ঘোড়া), তাজপুর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইমরান রব্বানী (ধানের শীষ), দয়ামীর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এসটিএম ফখর উদ্দিন (ধানের শীষ), উছমানপুর ইউনিয়নে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ময়নুল আজাদ ফারুক (আনারস)।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শওকত আলী ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এমদাদুর রহমান বলেন, দয়ামীর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ধিরারাই মজম্মিল আলীর ডাকবাংলোর ভোট কেন্দ্রের মেম্বার প্রার্থীদের ফলাফল ছাড়া বাকি সবকটি ইউনিয়নের ফলাফল ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে।

বালাগঞ্জঃ এ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ২ টিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ তথ্যের নিশ্চিত করেছেন।

বেসরকারী ফলাফলে পূর্ব পৈলনপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. আব্দুল মতিন (নৌকা)। তার প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ৯৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ নজরুল ইসলাম জিতু (ধানের শিষ) পেয়েছে ২ হাজার ২২ ভোট।

বোয়ালজুড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আনহার মিয়া (নৌকা)। তার প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৫শ ৮০। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মো. আলাউদ্দিন রিপন (ধানের শিষ) পেয়েছেন ২ হাজার ৪শ ৭৪ ভোট।

দেওয়ান বাজার ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাজমুল আলম (ধানের শিষ)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এনায়েতুর রহমান খান রাজু মিয়া (মোটরসাইকেল)।

পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আমিরুল ইসলাম মধু (নৌকা)।
বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মুনিম (ধানের শিষ)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত এমএ মতিন (নৌকা)।

পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিমাংশু রঞ্জন দাস (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এম. মুজিবুর রহমান (ধানের শিষ)।
কমলগঞ্জঃ  কমলগঞ্জে ৯টি ইউনিয়নেরর মধ্যে ৬টিতে আওয়ামী লীগ, ১টিতে বিএনপি এবং বিএনপির বিদ্রোহী ২টিতে বিজয়ী হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ৯টি ইউনিয়নের ৯৪ টি কেন্দ্রে মোট ৪২৫টি কক্ষে (বুথ) মোট ১৩৬৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ভোট গ্রহণ করেন।

বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন রহিমপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপির ছোট ভাই কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখার আহমেদ বদরুল (নৌকা), পতনউষার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. তওফিক আহমদ বাবু (নৌকা), মুন্সীবাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালিব তরফদার (নৌকা), শমশেরনগর আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জুয়েল আহমদ (নৌকা), কমলগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল হান্নান (নৌকা), আলীনগর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক হক বাদশা (নৌকা), আদমপুর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আবদাল হোসেন (ধানের শিষ), মাধবপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা পুষ্প কুমার কানু (সিএনজি) ও ইসলামপুর স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মো. আবদুল হান্নান (আনারস) প্রতীক নিয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

শ্রীমঙ্গলঃ  শ্রীমঙ্গলে বিএনপির ভরাডুবি হয়েছে। এ উপজেলার সবকটি ইউনিয়নেই পরাজিত হয়েছেন ধানের শিষ নিয়ে ভোটযুদ্ধে নামা প্রার্থীরা। ৯ ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিতে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা এবং ৩টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ান চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নে ভানু লাল রায়, সিন্দুরখান ইউনিয়নে আল হেলাল, আশীদ্রোণ ইউনিয়নে রনেন্দ্র প্রসাদ বর্ধন, কালিঘাট ইউনিয়নে প্রাণেশ গোয়ালা ও রাজঘাট ইউনিয়নে বিজয় বুনার্জী বিজয়ী হয়েছেন।

অপর তিনটি ইউনিয়নে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন- ভূনবীর ইউনিয়নে চেরাগ আলী (আনারস), কালাপুর ইউনিয়নে মুজিবুর রহমান মুজুল (আনারস) ও সাতগাঁউ ইউনিয়নে মিলন শীল (আনারস)। এ তিনজনই আওয়ামী লীগ ঘরনার। দলের মনোনয়ন না পেয়ে তারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন।
নবীগঞ্জ প্রতিনিধি এম,এ আহমদ আজাদ জানান, উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে বেসরকারি হিসাবে আওয়ামী লীগ ৬টি, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ২টি, বিএনপি ১টি, বিএনপির বিদ্রোহী ২টি এবং স্বতন্ত্র ২টি ইউনিয়নে জয়ী হয়েছে।

বিজয়ীরা হলেন বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী সত্যজিত দাশ, বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী আশিক মিয়া, ইনাতগঞ্জ ইউপিতে স্বতন্ত্র বজলুর রশিদ, দীঘলবাক ইউপিতে আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ এওলা মিয়া, আউশকান্দি ইউপিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মুহিবুর রহমান হারুন, কুর্শি ইউপিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলী আহমদ মুসা, করগাঁও ইউপিতে বিএনপির ছাইমুদ্দিন, নবীগঞ্জ সদর ইউপিতে আওয়ামী লীগের সাজু আহমদ চৌধুরী, বাউশা ইউপিতে আওয়ামী লীগের আবু সিদ্দিক, দেবপাড়া ইউপিতে স্বতন্ত্র অ্যাডভোকেট জাবিদ আলী, গজনাই পুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইমদাদুর রহমান মুকুল, কালিয়ার ভাঙ্গা ইউপিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী নজরুল ইসলাম, পানিউমদা ইউপিতে আওয়ামী লীগের ইজাজুর রহমান জয়ী হয়েছেন।

হবিগঞ্জঃ , হবিগঞ্জ জেলার ৩১ ইউনিয়নের ১৩টিতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ৪, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৮, বিএনপি বিদ্রোহী ৩ ও স্বতন্ত্র ২টিতে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। এর মাঝে মাধবপুরে আওয়ামী লীগ ৪, বিএনপি ২, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৪, বিএনপি বিদ্রোহী ১, নবীগঞ্জে আওয়ামী লীগ ৬, বিএনপি ১, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৩, বিএনপি বিদ্রোহী ১, স্বতন্ত্র ২, লাখাইয়ে আওয়ামী লীগ ২, বিএনপি ১, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ১, বিএনপি বিদ্রোহী ১, বানিয়াচংয়ে আওয়ামী লীগ ১। লাখাই উপজেলার বামৈ ইউনিয়নের ফলাফল আওয়ীমীগ বিদ্রোহী এনামুল হক মামুন।

মাধবপুরঃ  মাধবপুরে বুল্লা ইউপিতে বিএনপির সামছুল ইসলাম মামুন, ধর্মঘর বিএনপি সামছুল ইসলাম কামাল, চৌমুহনী আওয়ামী লীগ মো. আপন মিয়া, ছাতিয়াইন আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আব্দুস শহীদ, জগদীশপুর আওয়ামী লীগ শফিকুল ইসলাম, নয়াপাড়া বিএনপি বিদ্রোহী সৈয়দ মো. আলমগীর, বহরা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আরিফুর রহমান, বাঘাসুরা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী শাহাব উদ্দিন, শাহজাহানপুর আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, আন্দিউড়া আওয়ামী লীগ আতিকুর রহমান ও আদাঐর আওয়ামী লীগ ফারুক পাঠান।

নবীগঞ্জঃ নবীগঞ্জে সদর আওয়ামী লীগ সাজু আহমেদ চৌধুরী, আউশকান্দি স্বতন্ত্র মহিবুর রহমান হারুন, বড় ভাকৈর পূর্ব বিএনপি বিদ্রোহী আশিক মিয়া, বড় ভাকৈর পশ্চিম আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী সত্যজিৎ দাশ, করগাঁও বিএনপি ছাইম উদ্দিন, বাউশা আওয়ামী লীগ আবু সিদ্দিক, কালিয়ারভাঙ্গা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী নজরুল ইসলাম, ইনাতগঞ্জ স্বতন্ত্র ফজলুর রশিদ, দিঘলবাক আওয়ামী লীগ আবু সাইদ এওলা মিয়া, দেবপাড়া আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী জাবেদুর রহমান, পানিউমদা আওয়ামী লীগ ইজাজুর রহমান, কুর্শি আওয়ামী লীগ আলী আহমেদ মুছা ও গজনাইপুর ইমদাদুর রহমান।

লাখাইঃ লাখাই উপজেলার সদর বিএনপি আরিফুল ইসলাম রুপম, মুড়িয়াউক বিএনপি বিদ্রোহী মলাই মিয়া, করাব আওয়ামী লীগ আব্দুল হাই কামাল, মোড়াকরি আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ফয়ছল মোল্লা, বুল্লা আওয়ামী লীগ মোক্তার হোসেন বেনু ও বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের আব্দুল কুদ্দুছ শামীম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জঃ ৫ম ধাপে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর, শাল্লা ও দিরাই উপজেলার ১৯ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ৭টিতে আওয়ামী লীগ, ৬টিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী, ৩টিতে বিএনপি, ২টি বিএনপি বিদ্রোহী এবং একটিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

শাল্লা উপজেলা : শাল্লা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মধ্যে বেসরকারিভাবে দুটিতে আওয়ামী লীগ, একটিতে বিএনপি এবং একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলার শাল্লা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফুল মিয়া, বাহারা ইউনিয়নে আ.লীগ প্রার্থী বিধান চন্দ্র সরকার, হবিবপুর ইউনিয়নে আ.লীগ প্রার্থী বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল ও আটগাঁও ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী নোমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

দিরাই উপজেলা : এদিকে, দিরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে বেসরকারিভাবে তিনটিতে আওয়ামী লীগ, দুটিতে আ.লীগ বিদ্রোহী এবং দুটিতে বিএনপি এবং অপর দুটিতে বিএনপি বিদ্রোহী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী করিমপুর ইউনয়ন আ.লীগের আসাব উদ্দিন সরদার, রাজানগর ইউনয়ন আ.লীগের সৌম্য চৌধুরী, রফিনগর ইউনিয়নে আ.লীগের রেজোয়ান খান, জগদল ইউনিয়নে আ.লীগ বিদ্রোহী শিবলী আহমদ বেগ, ভাটিপাড়া ইউনিয়নে আ.লীগ বিদ্রোহী শাহজাহান কাজী কুলঞ্জ ইউনিয়নে বিএনপির মুজিবুর রহমান, চরনাচর ইউনিয়ন বিএনপির রতন কুমার দাস, সরমঙ্গল ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী এহসান চৌধুরী, ও তাড়ল ইউনিয়ন বিদ্রোহী বিএনপি আব্দুল কদ্দুছ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

জগন্নাথপুরঃ, বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে আ.লীগের বিদ্রোহীদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে আ.লীগ মনোনীত প্রার্থীরা।

শনিবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। ৬ ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আ.লীগ মনোনীত ২, আ.লীগের বিদ্রোহী ৩ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১ জন নির্বাচিত হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারগণ বেসরকারিভাবে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে-

১নং কলকলিয়া ইউনিয়নে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ্ব আব্দুল হাসিম (চশমা) প্রতীকে মোট ৫৯৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী দ্বীপক কান্তি দে দীপাল (নৌকা) প্রতীকে ৪৯৯৮ ভোট পান।

২নং পাটলি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী সিরাজুল হক (আনারস) প্রতীকে মোট ৫৪০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী আংগুর মিয়া (নৌকা) প্রতীকে ৩৩৬০ ভোট পান।

৫নং চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো.আরশ মিয়া (নৌকা) প্রতীকে ৫৫৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হারুনুর রশীদ (আনারস) প্রতীকে ৫৫০৯ ভোট পান।

৭নং সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী তৈয়ব মিয়া কামালী (আনারস) প্রতীকে ৪৩৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবুল হাসান (নৌকা) প্রতীকে ৪৩৩২ ভোট পান।

৮নং আশারকান্দি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহ আবু ইমানী (নৌকা) প্রতীকে ৩৮৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল আহাদ মদরিছ (আনারস) প্রতীকে ৩৭৯৯ ভোট পান।

৯নং পাইলগাঁও ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী হাজী মখলুছ মিয়া (ঘোড়া) প্রতীকে ৩১০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মঞ্জুর আলী আফজল (মোটরসাইকেল) প্রতীকে ২৯৪০ ভোট পেয়েছেন।

নবীগঞ্জে নির্বাচন : ৬ টি আওয়ামী লীগ ৬ টি স্বতন্ত্র ও ১টিতে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী

নবীগঞ্জ থেকে রাকিল হোসেন ও উত্তম কুমার পাল হিমেলঃ বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে গতকাল শনিবার নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। সকালে বৃষ্টির মধ্যে ভোটারের উপস্থিতি ছিল তুলনা মুলক কম। বৃষ্টি বন্ধ হলে ভোটারের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। শনিবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহন চলে। শান্তিপূর্ণভাবে নারী-পুরুষ ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করছেন।

নির্বচানের বেসরকারী ফলাফল অনুযায়ী ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামীলীগ ৬ টি ইউনিয়নে সতন্ত্র ৬টি এবং ১টিতে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ীরা হলেন ১ নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী সতন্ত্র প্রার্থী সত্যজিত দাশ (চশমা) ৩ হাজার ৩ শত ৭১ ভোট, প্রতিদ্বন্ধী পার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান (নৌকা) সমর চন্দ্র দাশ পেয়েছেন ২ হাজার ২ শত ৪১ ভোট, ২নং বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী আশিক মিয়া ২ হাজার ৫ শত ৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচতি হয়েছেন,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বর্তমান চেয়ারম্যান মেহের আলী মালদার (নৌকা) পেয়েছেন ২ হাজার ২ শত ৩ ভোট, ৩ নং ইনাতগঞ্জ ইউপিতে স্বতন্ত্র বজলুর রশিদ(আনারস) ৩ হাজার ৯ শত ৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থীছায়েদ উদ্দিন(সতন্ত্র) পেয়েছেন ৩ হাজার ৬ শত ৪২ ভোট, জামাল হোসাইন(নৌকা পেয়েছেন ১ হাজার ৭ শত ১২ ভোট, ৪ নং দীঘলবাক ইউপিতে আওয়ামীলীগের আবু সাঈদ এওলা মিয়া(নৌকা) ৭ হাজার ১ শত ৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী সতন্ত্র ছালিক মিয়া পেয়েছেন ৪ হাজার ৮ শত ৬১ ভোট, ৫নং আউশকান্দি ইউপিতে সতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমান হারুন ৫ হাজার ৫ শত ২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান দিলাওয়ার মিয়া নৌকা পেয়েছেন ৩ হাজার ৮ শত ৮৭ ভোট পেয়েছেন। ৬নং কুর্শি ইউপিতে আওয়ামীলীগ প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমদ মুস (নৌকা) ৪ হাজার ২ শত ৪০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ(ধানেরশীষ) পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ৮৫ ভোট,আব্দুল বাছিত সতন্ত্র(আনারস) পেয়েছেন ২ হাজার ৭ শত ৭৮ ভোট ৭ নং করগাঁও ইউপিতে বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ছাইমুদ্দিন (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৫ শত ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী নির্মলেন্দু দাশ রানা(নৌকা) পেয়েছেন ৭ হাজার ২ শত ৩১ ভোট। ৮ নং নবীগঞ্জ সদর ইউপিতে আওয়ামীলীগের প্রার্থী সাজু আহমদ চৌধুরী(নৌকা) ৫ হাজার ১ শত ৫৫ বোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী(ধানেরশীষ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৩ শত ৯০ ভোট।

৯ নং বাউশা ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আবু সিদ্দিক(নৌকা) ৫ হাজার ৮ শত ৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম সতন্ত্র প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ডেইজি (আনারস) পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ১৮ ভোট, বর্তমান চেয়ারম্যান সতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার মিয়া পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫ ভোট। ১০নং দেবপাড়া ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এড. জাবিদ আলী(ঘাড়া) প্রতিকে ৪ হাজার ১ শত ৪৭ বোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী সতস্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আ,ক,ম ফখরুল ইসলাম কালাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৭ শত ৬৮ ভোট। বিএনপির প্রার্থী আমির হোসেন পেয়েছন ২ শত ৮৮ ভোট। ১১নং গজনাই পুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদুর রহমান মুকুল (নৌকা) ৪ হাজার ৯ শত ৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সতন্ত্র প্রার্থী(আনারস) আবুল খয়ের গোলাপ পেয়েছেন ৪ হাজার ১ শত ২৮ ভোট, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ শাহনেওয়া(চশমা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৬ শত ৭ ভোট। ১২ নং কালিয়ারভাঙ্গ ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান সতন্ত্র প্রার্থী(আওয়ামীলীগ বিদ্রহী) মোঃ নজরুল ইসলাম (ঘাড়া) ৩ হাজার ৭ শত ২৬ ভেট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান এমদাদুল হক চৌধুরী(নৌকা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ৯৯ ভোট।
১৩ নং পানিউমদা ইউপিতে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ ইজাজুর রহমান(নৌকা) ৪ হাজার ১ শত ৪০ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধীপ্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান)ঘোড়া) পেয়েছেন ৩ হাজার ৮ শত ৬ ভোট। ১৩ টি ইউনিয়নের ১ শত ৩২ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮১ ঝুকিপূন কেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি ও র‌্যাব স্ট্র্যাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করে। নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনুষ্টিত ভোট কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন হবিগঞ্জ জেলা প্রমাসক সাবিনা আলম। এ সময় তার সাথে ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ,উপজেলা নির্বাচন অফিসার আবু সাইম,নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী রাকিল হোসেন, সহ-সভাপতি প্রভাষক উত্তম কুমার পাল হিমেল,দৈনিক হবিগঞ্জ সময় পত্রিকার প্রকাশক মোঃ সেলিম মিয়া তালুকদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ১৩টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ৯ হাজার ৭শত ১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২ হাজার ৬শত ৭১ জন এবং মহিলা ১ লাখ ৭ হাজার ৪৭ জন।

বাবা হতে চলেছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক

ফুটা গাছে ফুল ফুটেছে অবশেষে বাবা হচ্ছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। স্ত্রী হনুফা আক্তারকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিগগিরই দেশবাসীকে সু-সংবাদ জানাবেন রেলমন্ত্রী। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে রেলমন্ত্রীর স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে অপেক্ষার প্রহর গুণছেন মা হওয়ার। বৃদ্ধ বয়সে ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর নিজ জেলা কুমিল্লার মেয়ে হনুফা আক্তারকে বিয়ে করেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। বছরের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ছিল সেই জাকজমকপূর্ণ বিয়ে। বরযাত্রায় ছিলেন ৬ জন মন্ত্রী, এমপিসহ ৭০০ বরযাত্রীর বিশাল গাড়িবহর। পরবর্তীতে ঢাকায় সম্পন্ন হয় বিবাহোত্তর সংবর্ধনা।

সিঙ্গাপুরে গ্রেপ্তার হওয়া ছয় বাংলাদেশী জঙ্গির বিরুদ্ধে  অভিযোগ গঠন

গত মাসে সিঙ্গাপুরে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইনের অধীনে গ্রেপ্তার হওয়া আটজন বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের বিরুদ্ধে শুক্রবার জঙ্গিবাদে অর্থায়নের অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তারাই প্রথম বিচারাধীন।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের অনলাইন সংস্করণে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত এই ছয়জনকে শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে তিনটি পৃথক সাঁজোয়া যানে কঠোর নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। এই ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন এবং আগামী মঙ্গলবার তাদের আবারো আদালতে হাজির করা হবে।

জঙ্গিবাদমূলক কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে অর্থ সংগ্রহ ও সরবরাহের অভিযোগে আইনটির ৪(ক) অনুচ্ছেদের অধীনে তারা অভিযুক্ত হয়েছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া চক্রটির প্রধান রহমান মিজানুর (৩১) ছাড়া বাকিরা হলেন- মামুন লিয়াকত আলি (২৯), সোহেল হাওলাদার ওরফে ইসমাইল হাওলাদার (২৯), জামান দৌলত (৩৪), মোহাম্মদ জাবেদ কায়সার ওরফে হাজি নুরুল ইসলাম সওদাগর (৩০) ও মিয়া রুবেল (২৬)।

রহমানের বিরুদ্ধে একইরকম চারটি ও মামুনের বিরুদ্ধে দু’টি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। জাবেদ ও মিয়ার বিরুদ্ধে আইনটির পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে জঙ্গিবাদের উদ্দেশ্যে অর্থ রাখার অতিরিক্ত অভিযোগ আনা হয়েছে। মামুন নিজেকে নিরপরাধ বলে দাবি করেছেন এবং আগামী ৯ জুন বিচারপূর্ব শুনানির জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হবে। তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, তার কাজ ছিল সহকর্মী হোসেন শামিনের কাছ থেকে পাঁচশ’ সিঙ্গাপুরী ডলার নিয়ে তা রহমানের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কেবলমাত্র অর্থের লেনদেন ছাড়া আর কোনোকিছুতে জড়িত ছিলেন না তিনি।

টুডে অনলাইন ডটকম জানিয়েছে, অপরাধী বলে প্রমাণিত হলে তাদের প্রত্যেকের প্রতিটি অভিযোগের জন্য পাঁচ লাখ সিঙ্গাপুরী ডলার অর্থদণ্ড, অথবা ১০ বছর করে কারাদণ্ড বা দু’টোই হতে পারে।

আটজন বাংলাদেশি গত এপ্রিলে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বাকি দু’জন হলেন সোহাগ ইব্রাহিম (২৭) ও ইসলাম শরীফুল (২৭)। এরা সিঙ্গাপুরে অভিবাসী কর্মজীবী হিসেবে ছিলেন। তারা সিঙ্গাপুরে গোপনে একটি জঙ্গি সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। ‘ইসলামিক স্টেট ইন বাংলাদেশ’ নামের কথিত সংগঠনটির পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশকে স্বঘোষিত খিলাফত ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) খিলাফতে পরিণত করা। নিজ দেশে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে হামলার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে সিঙ্গাপুরে অর্থসংগ্রহ করছিলেন তারা।

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত বাংলাদেশী প্রবাসীদের মৌলবাদে জড়িয়ে পড়া ও গ্রেপ্তার হওয়ার এটি দ্বিতীয় ঘটনা।

গত জানুয়ারি মাসে সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটিতে কর্মরত ২৭ জন বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিকের গ্রেপ্তার হওয়ার খবর প্রকাশ করেছিল। বিদেশে সশস্ত্র জিহাদের পরিকল্পনা করা ওই ২৭ জনকে পরে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইপিবিএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়: সহযোগিতার আশ্বাস

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ইউরোপীয়ান প্রবাসী বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশন- ইপিবিএ’র নেতারা। এসময় তারা প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে হয়রানী বন্ধ ও হেল্প ডেস্ককে প্রবাসী বান্ধব করে ওয়ানস্টপ সলিউশনে কার্যকর করার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা চান ইপিবিএর নেতারা। ইপিবিএর পক্ষে এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ওসমান হোসাইন মনির, অর্থ সচিব শারফুদ্দীন আহমেদ জুয়েল, উপদেষ্টা এস এইচ হায়দার ও বাংলাদেশ কো-অডিনেটর ইকবাল করিম নিশান।

তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। এসময় তারা জানান, গত বছর ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশে লাশ এসেছে ৩ হাজার ৩০৭ প্রবাসীর। বিদেশ থেকে এই লাশ আনা নিয়েও চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় স্বজনদের। ক্ষতিপূরণ পাওয়া তো দূরের কথা, বেশির ভাগ সময় অন্য প্রবাসীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে লাশ দেশে পাঠাতে হয়। এই চিত্র ভয়াবহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। বিশেষভাবে যারা অ্যাসাইলাম নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন, তাদের কারো মৃত্যু হলে চাঁদা তুলে লাশ পাঠানোর বিকল্প উপায় নেই। ইপিবিএ’র নেতারা সরকারি উদ্যোগে দেশে লাশ আনার প্রস্তাবের পাশাপাশি লাশের মৃত্যৃর কারণ নিশ্চিত করতে ময়না তদন্তের ব্যবস্থা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা চান। পাশাপাশি মানবপাচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতের দাবি জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার সাধ্যমতো ইপিবিএকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

 

Another Bengali takes oath as a Mayor Ansar Ahmed Ullah

Luton Borough Council has appointed its first Mayor of Bangladesh origin at
a special meeting held on 25 May at Luton Town Hall. The Mayoral Investiture
held at Council Chamber formally appointed Tahir Khan as the new Mayor of
Luton to serve 2016-2017. Tahir Khan was elected Mayor of the Borough of
Luton at Annual Meeting of the Council on 17 May.

The event started with prayers from Imam Uddin. Tahir Khan took the oath
declaring, ‘Having been elected to the office of Mayor of Luton Borough
Council, hereby declare that I take that office upon myself, and will duly &
faithfully fulfil the duties of it according to best of my judgement and
ability.’ And with that the Chief Executive formally presented the Chain and
Badge of Office of Mayor. Tahir Khan’s wife Shubeerar Akthar was also
invested with Mayoress’s Badge.

In a brief address the new Mayor Tahir Khan thanked his parents, family &
the Bengali community for their support and almighty Allah. He appealed to
all to assist him in working towards the betterment of Luton as a whole.

He was elected as Councillor in 2007 and has served on a number of
committees.  He successfully served as Lead Executive Member for Children
Services for five years. He is also on the Board of Directors at London
Luton Airport Limited and has served as a school governor for over 15 years,
currently acting as Chair of Governors at Denbigh Primary.
Tahir Khan has lived in Luton for almost twenty five years. He comes from
youth & community work background and is currently working as senior manager
in local government. He has worked for Bedfordshire County Council, Luton
Borough Council and some of the London boroughs. His special interests
include young people’s issues and developing opportunities for them to
participate in positive activities.
His involvement with the community started with the Bangladesh Youth League
and Centre for Youth & Community Development in Bury Park. Tahir Khan spent
his teenage years in Luton. He studied Community Management at the
University of Bedfordshire.

He is originally from Jagannathpur, Sylhet. He completed his primary and
secondary education in Bangladesh. But before finishing high school he came
to the UK in 1982 to join his father. His parents are Warish Khan and
Meherunnesa Khanom. Tahir Khan is married with two daughters and a son who
were all present at the investiture. He was elected as a councillor in 2007,
then in 2011, 2015 and finally became Mayor in 2016.

 

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net