শিরোনাম

Daily Archives: ৪ মে ২০১৬

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ক্যামপেইন ফর দ্যা প্রটেকশন রিলিজিয়াস মাইনরিটিস ইন বাংলাদেশ

লন্ডনঃ প্রবীণ সাংবাদিক প্রবীর শিকদারের উপর বাংলাদেশ সরকারের মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে ব্রিটিশ প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ক্যামপেইন ফর দ্যা প্রটেকশন রিলিজিয়াস মাইনরিটিস ইন বাংলাদেশ যুক্তরাজ্য । ৩রামে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে লিখিত পিটিশনে বলা হয় একটি ফেইস বুকে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেন সম্পর্কিত একটি ষ্টেটাস দেবার কারনে ২০১৫ সালে সাংবাদিক প্রবীর শিকদারকে গেফতার করা হয়। তার গ্রেফতারে প্রতিবাদে সাংবাদিক সমাজ সহ দেশের মানবাধিকার সংগঠন গুলো সোচ্চার হলে প্রবীর শিকদারকে মুক্তি দেয়া হয়। এবিষয়ে বৃটেন থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে ছিলেন প্রয়াত লর্ড এ্যাভুবেরী। সম্প্রতি ঐ মামলায় সাংবাদিক প্রবীর শিকদারের উপর চার্জ গঠন করায় দেশের সংখ্যলঘু সম্প্রদায় উদেবেগ প্রকাশ সহ মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে ব্রিটিশ প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। ক্যামপেইন ফর রিলিজিয়াস মাইনরিটিস ইন বাংলাদেশ (সিপিআরএমবি) এর প্যাডে লিখিত আবেদনে বাংলাদেশ হিন্দু এসোসিয়েশন ইউকে, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্যপরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ ইউনিটি কাউন্সিল ইউরোপ, জগন্নাথহল এ্যালোমনাই এসোসিয়েশন ইউকে, সার্বজনীন বাবা লোকনাথ এসোসিয়েশন ইউকে, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ এসোসিয়েশন ইউকে সহ কয়েকটি হিউমেনেটেরিয়ান এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আবেদন পত্রে সাক্ষর করেন জেনারেল সেক্রেটারী এ কে শাহা এফসিসিএ ।

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে নতুন নির্দেশনা

বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এক শ্রেণির শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করার লক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিপ্তর (মাউশি) এক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।

প্রায় চার বছর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালায় বলা হয়েছিল, সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক তাঁর নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিয়ে এক দিনে অন্য প্রতিষ্ঠানের সীমিতসংখ্যক (১০ জনের বেশি নয়) শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন।

নীতিমালা জারির শুরুর দিকে কড়াকড়ির কারণে কোচিং-প্রাইভেট কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হলেও কিছুদিন পর শিক্ষকেরা আবারও আগের মতো কোচিং-প্রাইভেটে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ রকম পরিস্থিতিতে আবারও এই নীতিমালা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ জন্য মাউশি আজ বুধবার (সই ২৮ এপ্রিল) এক চিঠিতে ২০১২ সালের জুনে জারি করা নীতিমালাটি অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছে। একই পত্রে বিষয়টি তদারকি করার জন্য মাউশির অধীন আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাউশির সহকারী পরিচালক সাখায়েত হোসেন বিশ্বাসের সই করা ওই পত্রের অনুলিপি প্রত্যেক কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। সাখায়েত হোসেন বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, নীতিমালাটি বেশ আগের করা। তাই নীতিমালাটি বাস্তবায়ন করতে সবাইকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনেও কোচিং-প্রাইভেট বন্ধের বিধান রাখা হয়েছে। এ রকম পরিস্থিতিতে আবারও নড়েচড়ে বসল মাউশি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম চলাকালে কোনো শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেন না । তবে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে শুধু অভিভাবকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন । এ ক্ষেত্রে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি বিষয়ের জন্য সরকারনির্ধারিত টাকা রসিদের মাধ্যমে নেওয়া যাবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলতে সরকারি-বেসরকারি স্কুল (নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক), কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর), মাদ্রাসা (দাখিল, আলিম, ফাজিল, কামিল) ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তাঁর এমপিও স্থগিত থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত পর্যন্ত করা যাবে। এমপিওর বাইরের কোনো শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন-ভাতা স্থগিতের পাশাপাশি তাঁকেও বরখাস্ত করা যাবে। কোচিং-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সরকার পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়াসহ প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা অধিভুক্তি বাতিল করতে পারবে। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫-এর অধীনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

বেড়েছে সোনার দাম

বাংলাদেশের বাজারে আবারো বাড়লো সোনার দাম।

দেশের বাজারে সোনার দাম প্রতি ভরিতে ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এতে করে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াবে ৪৭ হাজার ৪১৫ টাকা। আগামী শুক্রবার থেকে নতুন এই দর কার্যকর হবে।

বাজুস আজ বুধবার দুপুরে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি জানিয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি বছর এ নিয়ে দেশের বাজারে পঞ্চমবারের মতো সোনার দাম বাড়ছে।

নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনা ৪৭ হাজার ৪১৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৫ হাজার ৩১৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম হবে ৩৮ হাজার ৬৬৭ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি হবে ২৭ হাজার ৫৮৬ টাকা।

এদিকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলার্সে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৪৬ হাজার ১৯০ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৪ হাজার ৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৩৭ হাজার ৪৪২ টাকায় বিক্রি হবে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ২৬ হাজার ৩৬১ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা থাকে। সনাতন পদ্ধতির সোনা পুরোনো স্বর্ণালংকার গলিয়ে তৈরি করা হয়। এ ক্ষেত্রে কত শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা মিলবে, সেটি নিশ্চিত নয়।

এদিকে রুপার দামও ভরিতে ৫৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ১৬৫ টাকা হচ্ছে। তবে আগামীকাল পর্যন্ত রুপা ১ হাজার ১০৮ টাকা ভরি দরেই পাওয়া যাবে।

 

যুক্তরাজ্য ঘাতক দালাল  নির্মূল কমিটির সভায় ব্লগার হত্যাকারীদের বিচার দাবি

লন্ডন প্রতিনিধি : ২৪ বছর আগে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ‘৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং জামাত-শিবির চক্রের মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের দাবিতে যে অভূতপূর্ব নাগরিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল তার আংশিক বিজয়  হয়েছে বিশেষ ট্রাইবুন্যালে নেতৃস্থানীয় ২৬ যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও শাস্তির মাধ্যমে। একাত্তরের ঘাতক দালাল  নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্য শাখা আয়োজিত শহীদ জননীর ৮৫তম জন্ম দিনের আলোচনা সভায় বক্তারা একথা বলেন। বক্তারা বলেন  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালে একাত্তরের প্রধান প্রধান হত্যাকারীদের বিচার হলেও দল হিসেবে এখনও জামাতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম, মুসলীম লীগ কিংবা তাদের ঘাতক বাহিনী রাজাকার, আলবদর, আল শামস শান্তি কমিটির বিচার এখনও আরম্ভ হয়নি। যে পাকিস্থানী সামরিক জান্তা স্মরণকালের ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যাযজ্ঞ আরম্ভ করেছিল এবং এর প্রধান ভূমিকায় ছিল –যাদের বিচারের জন্য বঙ্গবন্ধুর সরকার বিশেষ ভাবে আন্তরজাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল আইন ১৯৭৩‘ প্রণয়ন করেছিলেন তাদের বিচারও আরম্ভ হয়নি। যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার বানচাল এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মহাজোট সরকারকে উৎখাতের জন্য জামাতে ইসলামী এবং তাদের সহযোগীরা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা্ আইএসআই-এর সহযোগিতায় দেশে বিদেশে যে বহুমাত্রিক চক্রান্ত করছে তার অন্যতম  অভিব্যক্তি হচ্ছে মুক্তচিন্তার বুদ্ধিজীবি ও তরুণ ব্লগারদের চলমান হত্যাকাণ্ড। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও এই সব হত্যাকাণ্ডের জন্য জামাত বিএনপি জোটকে দায়ী করেছেন। গতকাল ৩মে বিকেলে ইস্ট লন্ডন মন্টিফিউরী সেন্টারে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্য শাখার সহ-সভাপতি সৈয়দ এনামুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, ঘাতক দালাল  নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য আনসার আহমেদ উল্লাহ। আলোচনায় অংশ নেন ইউকে নির্মূল কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কোষাধ্যক্ষ শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন আহমদ বেলাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাজ্য ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা নাজনিন সুলতানা শিখা, যুক্তরাজ্য ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুবী হক, সদস্য আনজুমান আরা অঞ্জু, সিনথিয়া, কামরুল হাসান তোষার, যুক্তরাজ্য তরুণ লীগের সভাপতি জোবায়ের আহমদ, ওয়ালীউর রহমান, কমউনিটি নেতা আঙ্গুর আলী, মজুমদার আলী, আলম হোসেন প্রমুখ।  সংগঠনের সদস্য ও অতিথিদের সাথে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জন্মদিনের কেক প্রধান অতিথি সুলতান মাহমুদ শরীফ।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net