শিরোনাম

Daily Archives: ২৬ মে ২০১৬

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ , ইউ এস এ – এর প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ ——আনসার আহমেদ উল্লাহ

 

গত ২২শে মেবাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ , ইউ এস এ, জ্যামাইকাস্থ অফিসে বর্তমান বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদেরহুমকি, হত্যা ও নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ক্রমাগত পরিকল্পিত নিপীড়ন, নির্যাতন এবং এধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে সরকারের নিরবতা বা অধিকাংশক্ষেত্রে সরকারের কোনরূপ পদক্ষেপ নিতে অনিচ্ছা, অযত্ন ও উপেক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভাতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এর কেন্দ্রীয় নেতা এবং বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টেরএপিলেট ডিভিশনের সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ঐক্য জোটেরসাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সেলিম চৌধুরী।

উক্ত প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সভায় সম্প্রতি বাংলদেশে পুরোহিত,পাদ্রী ও ভিক্ষু সহ ধর্মযাজকদের হত্যা, ইসলামের অবমাননার নামে শিক্ষকদেরঅপমান ও জেল সহ সংখ্যালঘু নারীদের ধর্ষন ও অপহরনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দেয়া হয়। উক্ত সভাতে বক্তাগণসরকার ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগনের প্রতি সুশাসন ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করার তাগিদ প্রকাশ করেন এবং বর্তমান সরকারের অাভ্যন্তরীনঅথবা বহিরাগত ভাড়াটে বা মদদপুষ্ট গুন্ডাদের দ্বারা সংখ্যালঘুদের উপর নৃশংস নিপীড়ন, অমানুষিক নির্যাতন ও অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধেরুখে দাঁড়ানোর আহব্বান জানানো হয়।

সংগঠনের অন্যতম সভাপতি নবেন্দু দত্তের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সেক্রেটারী স্বপন দাসের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভায়প্রধান অতিথি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর বর্তমান সময়ের বর্বর ও ভয়াবহ অবস্থার চিত্র তুলে ধুরেন এবং নিউইয়র্ক সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মিডিয়া ও জনগনের দৃষ্টি আকর্ষন করে প্রচার ও প্রতিবাদের জন্য প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারউন্নয়নমূলক অনেক কাজ করলেও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে, বিশেষকরে মৌলবাদের উত্থান এবং সন্ত্রাসবাদসরকার লাগাম টেনে ধরতে পারে নাই। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিচারহীনতা বা এর দীর্ঘসুত্রিতা সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর পেশাগত দায়িত্বহীনতার চরম পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে।

প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন – ঐক্য পরিষদে, ইউ এস এ এর চেয়ারম্যান এটর্নী অশোক কর্মকার। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অন্যতমসভাপতি নয়ন বড়ুয়া ও জেমস রয়, সদস্য সচীব চন্দন সেনগুপ্ত, কালচারাল সেক্রেটাররী বিষ্ণু গোপ, জয়েন্ট সেক্রেটারী সুবীর রোজারিও, প্রিয়তোষ দে, পার্থ তালুকদার, সুজন রায়, অমল বড়ুয়া, ট্রেজারার পল্লব সরকার, ডিপার্টমেন্টাল সেক্রেটারী বরুন পাল, প্রকাশ দাশগুপ্ত, লিন্ডাবারই, সমর রায়  ও সুকান্ত দাস টুটুল। উক্ত সভাতে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কমিটির অন্যান্য এক্সিকিউটিভ ও সাধারন সদস্যসদস্যাবৃন্দ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুশীল সাহা, শিতাশু গুহ ও রবীন্দ্র সরকার, ইন্জিনিয়ার রবিন্দ্র সেন, ডা: বিপ্লব দাশ প্রমুখ। প্রচারসম্পাদক বাপী অধিকারী ঐক্য পরিষদের সাত দফা দাবীনামা পড়ে শোনান।

 

 

হিথ্রো বিমানবন্দরে হিউম্যান রাইট কমিশন নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানিয়েছে বিএইচআরসি ইউকে

লন্ডনঃ বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কমিশশের ইউরোপীয়ান এম্বেসেডর মোহাম্মদ সহিদুর রহমান ও যুক্তরাজ্য শাখার সেক্রেটারী তারাউল ইসলামকে হিথ্রো বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখার নেতৃবৃন্দ। ২৫মে বুধবার বিকেলে মোহাম্মদ সহিদুর রহমান ও তার সফরসঙ্গী বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কমিশন যুক্তরাজ্য শাখার সেক্রেটারী তারাউল ইসলাম হিথ্রো বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে যুক্তরাজ্যা শাখার প্রেসিডেন্ট আব্দুল আহাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে তাদের স্বাগত জানান যুক্তরাজ্য শাখার নেতৃবৃন্দ। এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব উস্তার আলী, হাজী মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান, আশরাফ উদ্দিন, ফজলুল হক সহ অন্যান্যরা। এসময় যুক্তরাজ্য শাখার নেতৃবৃন্দ তাদের ফুল দিয়ে বরন করেন।

নবীগঞ্জে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের সাথে প্রশাসনের মতবিনিময়

রাকিল হোসেন: আগামী ২৮ মে‘র স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সুষ্ট করতে নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ও দীঘলবাক ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যান,সাধারন সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থীদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের মতবিনিময় এক সভা গতকাল বুধবার দুপুরে ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁিড়তে অনুষ্টিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হেসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাছুম বিল্লাহ,নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল বাতেন খাঁন,ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন,ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ীর এসআই ধর্মজিত সিংহ প্রমূখ। প্রার্থীদের উদ্যেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন,যে কোন উপায়ে আমরা সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণ একটি নির্বাচন উপহার দিতে চাই। এজন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। নির্বাচনে নিরাপত্তা বিঘœ সৃষ্টি করা যাবেনা। তিনি বলেন,কোন ভোট কেন্দ্র যদি ঝুকিপূর্ণ মনে হয়,তাহলে বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য প্রাথীদের প্রতি আহবান জানান।

বিবিসিসিআইয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গালা ডিনার ও নতুন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ

লন্ডনঃ ব্রিটেনে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ব্যবাসায়ীদের  সংগঠন ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (বিবিসিসিআই) ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গালা ডিনার গত ২৪ মে মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনের অ্যাট্রিয়াম ব্যানকুইটিং হলো। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্টানে  বিবিসিসিআই-এর ডাইরেক্টর হিসেবে যোগ দেয়া ১৪ জন নতুন ডাইরেক্টরকে পরিচিয় করিয়ে দেয়া হয়, পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় গত নব নির্বাচিত পরিচালনা কমিটির সদস্যদের। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের বাংলাদেশ সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক দূত বেথনালগ্রীন ও বো আসনের এমপি রুশনারা আলী। রুশনারা আলী এমপি বাংলাদেশ বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর এটাই ছিল বাংলাদেশি কোনো সংগঠনের অনুষ্ঠানে প্রথম অংশগ্রহণ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম এ হান্নান এবং টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র জন বিগস।

এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কমার্সিয়াল কাউন্সিলর শরিফা খান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইউকে এন্ড আয়ারল্যান্ডের  কান্ট্রি ম্যানেজার শফিকুল ইসলামসহ বিবিসিসিআই-এর মেম্বার, ডাইরেক্টর, কমিউনিটি নেতা, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বিবিসিসিআই-এর বিদায়ী প্রেসিডেন্ট মাতাব চৌধুরী বলেন, গত দুই বছর তিনি বিবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগের দুই বছর তিনি ছিলেন সংগঠনের ডাইরেক্টর জেনারেল। তিনি বলেন, নতুনদের হাতে বিবিসিসিআইয়ের হাল তুলে দিতে তিনি গত নির্বাচনে প্রার্থী হননি। তিনি চেয়েছেন, নতুন মেধা ও নতুন নেতৃত্ব বিবিসিসিআইয়ের হাল ধরে সংগঠনটিকে নতুন এক দিগন্তের পথে নিয়ে যাক।

মাতাব চৌধুরী বলেন, গত দুই বছরে বিবিসিসিআইয়ের সদস্য সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য তিনি সংগঠনের মেম্বারশীফ সেক্রেটারি মনির আহমদের ভূয়ষী প্রশংসা করেন। এছাড়া বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সংগঠনের ডাইরেক্টর সংখ্যা বৃদ্ধি করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সদস্যদের অনুমোদন নিয়ে সংগঠনের সংবিধান সংশোধন করে তিনি ১৪ জন নতুন ডাইরেক্টর নেয়ার পথ সুগম করেছেন।

যার ফলে বর্তমানে সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ৩৫ জনে উন্নীত হয়েছে। সেই সঙ্গে নতুনরা যাতে সংগঠনের হাল ধরতে পারে সেজন্য তিনি ডাইরেক্টরশীপের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য সীমিত করা হয়েছে। ১০ বছর পরে একজন ডাইরেক্টর সংগঠনের সক্রিয় ডাইরেক্টর পথ হারাবেন, সম্মানসূচক (অনারারি) ডাইরেক্টর হিসেবে পরিচিত হবেন।

মাতাব চৌধুরী বলেন, দুই বছর আগে তিনি দায়িত্ব নেয়ার সময় সংগঠনের তহবিল খালি পেলেও বিদায় বেলায় তিনি বিবিসিসিআই-এর জন্য শক্তিশালী একটি তহবিল রেখে যেতে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, জেএমজি কার্গো, সিলেটের গ্রান্ড সুলতান এবং ঢাকার হোটেল রিজেন্সিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে কর্পোরেট চুক্তির মাধ্যমে বিবিসিসিআইয়ের সদস্যদের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা করেছেন বলে জানান মাতাব চৌধুরী।

সংগঠনের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এনাম আলী এমবিই বলেন, বিবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে তিনি কৃতজ্ঞ। সংগঠনের সকল মেম্বার ও ডাইরেক্টরদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়িক কমিউনিটির স্বার্থ রক্ষায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। সংগঠনকে আরও বেশি কার্যকর ও সক্রিয় করে তুলতে তাঁর নানা পরিকল্পনা আছে জানিয়ে এনাম আলী বলেন, ব্যবসায়ী কিংবা কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে তিনি শুনতে চান এবং এসব সমস্যা সমাধানে তিনি স্বাধ্যমত চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

সংগঠনের বিদায়ী ফাইনেন্স ডাইরেক্টর এবং নব নির্বাচিত কমিটির ডাইরেক্টর জেনারেল সাইদুর রহমান রেনু বলেন, বিবিসিসিআই গত দুই বছর বেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিদায়ী কমিটির দক্ষতা ও একাগ্রতার ফলে সংগঠনের তহবিল এতটাই মজবুত হয়েছে যে, তা দিয়ে আগামী দুই বছর চলতে পারবে বিবিসিসিআই। বিদায়ী কমিটির মেম্বারশীফ ডাইরেক্টর এবং নব নির্বাচিত কমিটির ফাইন্যান্স ডাইরেক্টর মনির আহমদ বলেন, গত দুই বছর বিবিসিসিআই-এর মেম্বারশীফ ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনের স্বার্থ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।

নতুন মেম্বার সংগ্রহে তার যে সফলতা তার কৃতিত্ব তিনি তাঁর সহকর্মীদের সাথেও ভাগাভাগি করতে চান। নতুন কমিটির ফাইন্যান্স ডাইরেক্টর হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য তিনি সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ফাইন্যান্স ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনে তিনি সামর্থ্যরে সবটুকু দিয়ে চেষ্টা চালাবেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রুশনারা আলী তার বক্তব্যে ইউরোপিয় ইউনিয়নে (ইইউ) থাকা না থাকা প্রশ্নে আসন্ন গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি চান যুক্তরাজ্য ইইউর সাথেই থাকুক। তিনি বলেন, ইইউর করা কিছু আইনের ফলে ব্রিটেনে অভিবাসীদের অনেক অধিকার সুরক্ষিত হয়েছে। বিশেষ করে মানবাধিকার, অ্যাসাইলাম এবং কর্মক্ষেত্রে সমঅধিকার বিষয়ক আইনের কথা উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকদের ইইউতে থাকার পক্ষে অবস্থান নেয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ইইউ ছাড়লে ব্রিটেনে অভিবাসীদের অনেক অধিকার খর্ব হতে পারে।

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র জন বিগসও ইইউতে থাকার পক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরেন। ব্রিটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম এ হান্নান ব্রিটেন প্রবাসী ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানান। তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগের নানা সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সবরকম সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net