শিরোনাম

Daily Archives: ২৭ মে ২০১৬

বাবা হতে চলেছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক

ফুটা গাছে ফুল ফুটেছে অবশেষে বাবা হচ্ছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। স্ত্রী হনুফা আক্তারকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিগগিরই দেশবাসীকে সু-সংবাদ জানাবেন রেলমন্ত্রী। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে রেলমন্ত্রীর স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে অপেক্ষার প্রহর গুণছেন মা হওয়ার। বৃদ্ধ বয়সে ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর নিজ জেলা কুমিল্লার মেয়ে হনুফা আক্তারকে বিয়ে করেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। বছরের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ছিল সেই জাকজমকপূর্ণ বিয়ে। বরযাত্রায় ছিলেন ৬ জন মন্ত্রী, এমপিসহ ৭০০ বরযাত্রীর বিশাল গাড়িবহর। পরবর্তীতে ঢাকায় সম্পন্ন হয় বিবাহোত্তর সংবর্ধনা।

সিঙ্গাপুরে গ্রেপ্তার হওয়া ছয় বাংলাদেশী জঙ্গির বিরুদ্ধে  অভিযোগ গঠন

গত মাসে সিঙ্গাপুরে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইনের অধীনে গ্রেপ্তার হওয়া আটজন বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের বিরুদ্ধে শুক্রবার জঙ্গিবাদে অর্থায়নের অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তারাই প্রথম বিচারাধীন।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের অনলাইন সংস্করণে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত এই ছয়জনকে শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে তিনটি পৃথক সাঁজোয়া যানে কঠোর নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। এই ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন এবং আগামী মঙ্গলবার তাদের আবারো আদালতে হাজির করা হবে।

জঙ্গিবাদমূলক কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে অর্থ সংগ্রহ ও সরবরাহের অভিযোগে আইনটির ৪(ক) অনুচ্ছেদের অধীনে তারা অভিযুক্ত হয়েছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া চক্রটির প্রধান রহমান মিজানুর (৩১) ছাড়া বাকিরা হলেন- মামুন লিয়াকত আলি (২৯), সোহেল হাওলাদার ওরফে ইসমাইল হাওলাদার (২৯), জামান দৌলত (৩৪), মোহাম্মদ জাবেদ কায়সার ওরফে হাজি নুরুল ইসলাম সওদাগর (৩০) ও মিয়া রুবেল (২৬)।

রহমানের বিরুদ্ধে একইরকম চারটি ও মামুনের বিরুদ্ধে দু’টি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। জাবেদ ও মিয়ার বিরুদ্ধে আইনটির পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে জঙ্গিবাদের উদ্দেশ্যে অর্থ রাখার অতিরিক্ত অভিযোগ আনা হয়েছে। মামুন নিজেকে নিরপরাধ বলে দাবি করেছেন এবং আগামী ৯ জুন বিচারপূর্ব শুনানির জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হবে। তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, তার কাজ ছিল সহকর্মী হোসেন শামিনের কাছ থেকে পাঁচশ’ সিঙ্গাপুরী ডলার নিয়ে তা রহমানের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কেবলমাত্র অর্থের লেনদেন ছাড়া আর কোনোকিছুতে জড়িত ছিলেন না তিনি।

টুডে অনলাইন ডটকম জানিয়েছে, অপরাধী বলে প্রমাণিত হলে তাদের প্রত্যেকের প্রতিটি অভিযোগের জন্য পাঁচ লাখ সিঙ্গাপুরী ডলার অর্থদণ্ড, অথবা ১০ বছর করে কারাদণ্ড বা দু’টোই হতে পারে।

আটজন বাংলাদেশি গত এপ্রিলে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বাকি দু’জন হলেন সোহাগ ইব্রাহিম (২৭) ও ইসলাম শরীফুল (২৭)। এরা সিঙ্গাপুরে অভিবাসী কর্মজীবী হিসেবে ছিলেন। তারা সিঙ্গাপুরে গোপনে একটি জঙ্গি সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। ‘ইসলামিক স্টেট ইন বাংলাদেশ’ নামের কথিত সংগঠনটির পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশকে স্বঘোষিত খিলাফত ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) খিলাফতে পরিণত করা। নিজ দেশে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে হামলার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে সিঙ্গাপুরে অর্থসংগ্রহ করছিলেন তারা।

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত বাংলাদেশী প্রবাসীদের মৌলবাদে জড়িয়ে পড়া ও গ্রেপ্তার হওয়ার এটি দ্বিতীয় ঘটনা।

গত জানুয়ারি মাসে সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটিতে কর্মরত ২৭ জন বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিকের গ্রেপ্তার হওয়ার খবর প্রকাশ করেছিল। বিদেশে সশস্ত্র জিহাদের পরিকল্পনা করা ওই ২৭ জনকে পরে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইপিবিএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়: সহযোগিতার আশ্বাস

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ইউরোপীয়ান প্রবাসী বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশন- ইপিবিএ’র নেতারা। এসময় তারা প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে হয়রানী বন্ধ ও হেল্প ডেস্ককে প্রবাসী বান্ধব করে ওয়ানস্টপ সলিউশনে কার্যকর করার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা চান ইপিবিএর নেতারা। ইপিবিএর পক্ষে এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ওসমান হোসাইন মনির, অর্থ সচিব শারফুদ্দীন আহমেদ জুয়েল, উপদেষ্টা এস এইচ হায়দার ও বাংলাদেশ কো-অডিনেটর ইকবাল করিম নিশান।

তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। এসময় তারা জানান, গত বছর ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশে লাশ এসেছে ৩ হাজার ৩০৭ প্রবাসীর। বিদেশ থেকে এই লাশ আনা নিয়েও চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় স্বজনদের। ক্ষতিপূরণ পাওয়া তো দূরের কথা, বেশির ভাগ সময় অন্য প্রবাসীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে লাশ দেশে পাঠাতে হয়। এই চিত্র ভয়াবহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। বিশেষভাবে যারা অ্যাসাইলাম নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন, তাদের কারো মৃত্যু হলে চাঁদা তুলে লাশ পাঠানোর বিকল্প উপায় নেই। ইপিবিএ’র নেতারা সরকারি উদ্যোগে দেশে লাশ আনার প্রস্তাবের পাশাপাশি লাশের মৃত্যৃর কারণ নিশ্চিত করতে ময়না তদন্তের ব্যবস্থা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা চান। পাশাপাশি মানবপাচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতের দাবি জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার সাধ্যমতো ইপিবিএকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

 

Another Bengali takes oath as a Mayor Ansar Ahmed Ullah

Luton Borough Council has appointed its first Mayor of Bangladesh origin at
a special meeting held on 25 May at Luton Town Hall. The Mayoral Investiture
held at Council Chamber formally appointed Tahir Khan as the new Mayor of
Luton to serve 2016-2017. Tahir Khan was elected Mayor of the Borough of
Luton at Annual Meeting of the Council on 17 May.

The event started with prayers from Imam Uddin. Tahir Khan took the oath
declaring, ‘Having been elected to the office of Mayor of Luton Borough
Council, hereby declare that I take that office upon myself, and will duly &
faithfully fulfil the duties of it according to best of my judgement and
ability.’ And with that the Chief Executive formally presented the Chain and
Badge of Office of Mayor. Tahir Khan’s wife Shubeerar Akthar was also
invested with Mayoress’s Badge.

In a brief address the new Mayor Tahir Khan thanked his parents, family &
the Bengali community for their support and almighty Allah. He appealed to
all to assist him in working towards the betterment of Luton as a whole.

He was elected as Councillor in 2007 and has served on a number of
committees.  He successfully served as Lead Executive Member for Children
Services for five years. He is also on the Board of Directors at London
Luton Airport Limited and has served as a school governor for over 15 years,
currently acting as Chair of Governors at Denbigh Primary.
Tahir Khan has lived in Luton for almost twenty five years. He comes from
youth & community work background and is currently working as senior manager
in local government. He has worked for Bedfordshire County Council, Luton
Borough Council and some of the London boroughs. His special interests
include young people’s issues and developing opportunities for them to
participate in positive activities.
His involvement with the community started with the Bangladesh Youth League
and Centre for Youth & Community Development in Bury Park. Tahir Khan spent
his teenage years in Luton. He studied Community Management at the
University of Bedfordshire.

He is originally from Jagannathpur, Sylhet. He completed his primary and
secondary education in Bangladesh. But before finishing high school he came
to the UK in 1982 to join his father. His parents are Warish Khan and
Meherunnesa Khanom. Tahir Khan is married with two daughters and a son who
were all present at the investiture. He was elected as a councillor in 2007,
then in 2011, 2015 and finally became Mayor in 2016.

 

জাপানে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সংবাদ ডেস্কঃ জাপানে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৭মে শুক্রবার সকালে  প্রধানমন্ত্রী কাশিকো দ্বীপের শিমা কানকো হোটেলের ব্যাংকোয়েট হলে পৌঁছালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে তাকে স্বাগত জানান। বিশ্ব অর্থনীতির সাত পরাশক্তির কাছে দক্ষিণ এশিয়ার বার্তা পৌঁছে দিতে জাপানের ইসে-শিমায় জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  এই সম্মেলনে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের সঙ্গে জি-সেভেন জোটের সাত দেশের নেতারাও উদ্বোধনী সেশনে যোগ দেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক পাশে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা; অন্যপাশে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি।ওবামা ও রেনজি ছাড়াও জি-সেভেনের সদস্য দেশ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া অলন্দ, জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেল, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং সম্মেলনের এবারের আয়োজক জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে উপস্থিত ছিলেন আউটরিচ সম্মেলনে।বাংলাদেশ ছাড়াও লাওস, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, পাপুয়া নিউ গিনি ও শাদের সরকার প্রধানরা আউটরিচ বৈঠকে এশিয়া ও আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করছেন।জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে এসেছেন আফ্রিকান ইউনিয়নের চেয়ারপারসন এবং বিশ্ব ব্যাংক, এডিবি ও আইএমএফ এর প্রধানরাও।বিশ্ব অর্থনীতির সাত পরাশক্তির জোট জি-সেভেনের সম্মেলনের পাশাপাশি আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনার জন্য জোটের বাইরে থেকে বিভিন্ন দেশকে আলাদা বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। একেই বলা হচ্ছে জি-সেভেন আউটরিচ মিটিং। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আউটরিচ মিটিংয়ের দুই সেশনেই যোগ দেবেন।  এছাড়া নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন তিনি। এই সম্মেলন কেন্দ্রেই দুপুরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক হবে।চলছে অফিসিয়াল ফটোসেশন, তারই ফাঁকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন আর কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর মাঝে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা।চলছে অফিসিয়াল ফটোসেশন, তারই ফাঁকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন আর কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর মাঝে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা।জি সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাপানের নাগোয়ার শুবু সেন্ট্রাইয়ার বিমানবন্দরে পৌঁছালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।জাতির জনকের কন্যা শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মতলুব আহমাদের নেতৃত্ব ব্যবসায়ীদের ৩০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আক্তারুজ্জামান এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন।চার দিনের সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ছাড়াও শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনার সঙ্গে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।

জি সেভেন আউটরিচ মিটিং শেষে শনিবার দুপুরে নাগোয়া থেকে টোকিও যাবেন প্রানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন চ্যান্সেরি ভবন উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এবং জাপানের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য সংস্থা জেইটিআর এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে।রবিবার সকালে জাপানের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠকের পর ওই সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হওয়ার কথা। জাপান প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সংবর্ধনায় যোগ দেওয়ার পর রোববার সন্ধ্যায় টোকিও থেকে ঢাকার পথে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

 

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net