শিরোনাম

Monthly Archives: জুলাই ২০১৬

বৈশাখী মেলার মাধ্যমে বৃটেনে জন্ম নেয়া তৃতীয় প্রজন্মের ব্রিটিশ বাঙ্গালীরা নিজেদের শেকড়ের সন্ধান পাচ্ছে ——মেয়র জনবিগস

লন্ডনঃ গতকাল রোববার (৩১জুলাই) তৃতীয়বাংলা খ্যাত লন্ডনে বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব বৈশাখী মেলায় মানুষের ঢল নেসেছিল ইষ্ট লন্ডনের বাংলা টাউনের উইভার্স ফিল্ডে । অন্যান্য বছরের চেয়ে ব্যতিক্রমী এই মেলার মূল আকর্ষন ছিল বাংলাদেশ থেকে আগত জনপ্রয়ি দুই শিল্পি আইয়ুব বাচ্চু আর হাবিব ওয়াহিদ। মেলা উপভোগ করতে বৃটেনের বিভিন্ন শহর থকে পরিবার পরিজন সহ মেলায় যোগদেন সংস্কৃতিপ্রিয় বাঙ্গালীরা। সকাল ১১টায় ইষ্টলন্ডনের বাস্কটন ষ্ট্রীট থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রা এর নেতৃত্ব দেন টাওয়ার হ্যামলেটস মেয়র জন বিগস। লন্ডনের বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সাংস্কৃতি কর্মীরা অংশ নেন শুভযাত্রায়। শুভযাত্রার পরপরই মুল মঞ্চ থেকে ধারাবাহিক ভাবে পরিবেশন করা হয় নৃত্য,সঙ্গীত ও ফ্যাশনশো।এবারে বৈশাখী মেলা সরাসরি প্রচার করা হয় স্কাই চ্যানেল ৮৩৮ নাম্বারে লন্ডনের এনটিভি থেকে। ইউরোপজুরে জঙ্গি হুমকী থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল প্রচুর, আগতদের তল্লাশীর মাধ্যমে প্রবেশ করতে দেয়া হয় মেলার মূল ষ্টেজের কাছে। টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র জনবিগস বলেন বৃটেনের এই বহুজাতিক সমাজে বাংলার কৃষ্টিও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই এই আয়োজন। বৈশাখী মেলার মাধ্যমে বৃটেনে জন্ম নেয়া তৃতীয় প্রজন্মের ব্রিটিশ বাঙ্গালীরা যেমন নিজেদের শেকড়ের সন্ধান পাচ্ছে ঠিক তেমনি অন্যরাও বাংলা সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হচ্ছেন। আগামীতে এর পরিধি আরো বাড়ানো হবে। অনুষ্টারে আরো বক্তব্য রাখেন লন্ডন্থ বাংলাদেশ মিশনের প্রেস মিনিষ্টার সাংবাদিক নাদিম কাদির, ডেপুটি মেয়র সিরাজুল ইসলাম, মেলা শেষ হয় সন্ধ্র্যে সাত ঘটিকায়। টাওয়ার হ্রঅমলেটস কাউন্সিলের সহয়োগীতায় ১৯৯৬ সালে বৃটেনে বাংলা সংস্কৃতির প্রচার প্রসার ও ইষ্ট লন্ডনে বাংলা টাউনের পরিচিতির লক্ষ্যে সংস্কৃতি প্রিয় বাঙ্গালীরা এর যাত্রা শুরু করেন, পরবর্তিতে মেলা আয়োজনের দায়িত্ব পায় বৈশাখী মেলা ট্রাষ্ট নামে একটি সংগঠন এবছর সম্পুর্ণ কাউন্সিলের তত্বাবধানের আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলার।

নবীগঞ্জে ধর্ষনের অভিযোগে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নবীগঞ্জ সংবাদদাতাঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ধর্ষক ও মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের রুস্তমপুর গ্রামে ভিক্ষুক উসুন উল্ল¬াহ পরিবারকে নিয়ে দীঘদিন ধরে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন। ভিক্ষুক উসুন উল্ল¬াহর যুবতি কন্যা পারুলের উপর কুনজর পড়ে একই গ্রামের মৃত চান মিয়ার পুত্র মাদক ব্য্বসায়ী জাবেল মিয়ার (২৩)। মা বাবার অনুপস্থিতিতে পারুল বেগমকে অনেক দিন ধরে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে আসছে। কিন্ত জাবেলের মেরে ফেলার হুমকির ভয়ে মামলা করতে সাহস পায়নি পারুল ও তার পরিবার। গত মঙ্গলবার সকালে পেটের তাগিদে উসুন উল্ল¬াহ ও তাঁর স্ত্রী ভিক্ষার জন্য বাসা থেকে বের হয়ে যান। এই সুযোগে দুপুর ২টার দিকে জাবেল মিয়া উসুন উল্ল-া’র বাসায় প্রবেশ করে পারুলকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। রাতেই পারুল বাদী হয়ে জাবেল মিয়াকে আসামী করে নবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা নং২৯।অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ জাবেলকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। এস আই আব্দুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আটক করেছি। পারুল বেগমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে । ভিক্ষুক উসুন উল্ল¬া’র গ্রামের বানিয়াচং উপজেলার চমকপুর গ্রামে।

নবীগঞ্জে কমিউিনিটি পুলিশিংয়ের জঙ্গিবাদ বিরোধী মতবিনিময় সভা

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)সংবাদদাতা; নবীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর সভার উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং এর সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী মত বিনিময় সভা গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় থানা কম্পাউন্ড ভবনে অনুষ্টিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন খাঁন। পরিচালনা করেন উপজেলা কমিউিনিটি পুলিশিংয়ের সাধারন সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জের এডিশনাল এসপি আ,স,ম শামছুর রহমান ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্কেল এ এসপি সাজিদুর রহমান,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম,পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল,সাধারন সম্পাদক সাইফুল জাহান। সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক সিভিল সার্জন ডাঃ শফিকুর রহমান,সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ মিলু, এড.সুলতান মাহমুদ,এড, ফারুক আহমদ, সিনিয়র সাংবাদিক ফখরুল আহসান চৌধুরী, দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি এম,এ আহমদ আজাদ,ইউপি চেয়ারম্যান বৃন্দের মধ্যে নজরুল ইসলাম,আবু সিদ্দিক,মহিবুর রহমান হারুন, জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজু,উপজেলা জাতীয় পার্টিও আহবায়ক ডাঃ শাহ আবুল খায়ের, সাবেক কমিশনার মিনা আক্তার, আওয়ামীলীগের নেত্রী দিলারা হোসেন, সাবেক কাউন্সিলার রেজভী আহমদ খালেদ,ব্যবসায়ী বাবুল রায়, গৌরাঙ্গ বাবু, নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহি দেওয়ান চৌধুরী, গৌতম রায় প্রমূখ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে আলী আহমদ মুসা, আবু সাঈদ এওলা মিয়া, সত্যজিত দাশ, আশিক মিয়া, নবীগঞ্জ পৌর সভার প্যানেল মেয়র এটিএম সালাম প্রমূখ। সভায় জঙ্গি দমনে পুলিশের জিরো ট্রলারেন্সনীতি পালনে সবাই সর্বাত্বক সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন। আমরা চাই বাংলাদেশকে জঙ্গি মুক্ত করতে। প্রথমেই জনগনকে সচেতন হতে হবে। এখানে কোন রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেয়া হবেনা।

জিয়াউর রহমানই কর্ণেল তাহের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী যুক্তরাজ্য জাসদের আলোচনা সভায় বক্তারা

লন্ডনঃ ক্ষমতালোভী জিয়াউর রহমানের নির্দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল তাহের (বীর উত্তম) কে একটি সাজানো মামলায় সামরিক আদালদের মাধ্যমে ফাঁসির কাষ্টে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। জিয়াউর রহমানই কর্ণেল তাহের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী। কর্ণেল তাহেরকে হত্যার মাধ্যমে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ক্ষমতাকে চিস্থায়ী করতে চেয়েছিলেন। ২০১১ সালের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সামরিক আদালতের এই রায়কে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও জিয়াউর রহমান যে এই হত্যার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন তা বিভিন্ন লেখকদের লেখায় বেরিয়ে আসছে। তাহের দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন জিয়ার রহমান যেমন স্বাধীনতা বিরুধীধের পুণর্বাসিত করেছে তার স্ত্রী বেগম জিয়া বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিনত করতে স্বাধীনতা বিরুধীদের সাথে হাত মিলিয়েছে। আজকের জঙ্গিদের পেছেন বেগম জিয়ার ইন্দন রয়েছে, সময়ে তা প্রমানিত হবে বলে আমারা বিশ্বাস করি। গতকাল ২৭ জুলাই বুধবার ইষ্টলন্ডনের মন্টিফিউরী সেন্টারে যুক্তরাজ্য জাসদের সহসভাপতি এ্যাডভোকেট মুজিবুল হক মনির সভাপতিত্বে সেক্রেটারী সৈয়দ আবুল মনসুর লিলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত তাহের দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির ইন্ডাষ্ট্রি এন্ড বিজনেন্স এ্যাফেয়ার সেক্রেটারী শামীম আহমদ, সভায় বক্তব্য রাখেন ইউকে ন্যাপের সভাপতি আব্দুল আজিজ, যুক্তরাজ্য বাসদের আহবায়ক গয়াছুর রহমান গয়াছ, ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য আনসার আহমেদ উল্লাহ, যুক্তরাজ্য জাসদের যুগ্মসম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান, ফিনান্স সেক্রেটারী রেদওয়ান খান, সাংস্কৃতিক কর্মী রুবি হক প্রমুখ।

নবীগঞ্জের কৃতি সন্তান ভিসি হাবিবুর রহমানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)সংবাদদাতাঃ বরেন্য শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী নবীগঞ্জ তথা বৃহত্তর সিলেটের কৃতি সন্তান শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী গতকাল বুধবার পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে দুপুরে মরহুমের ছোট ভাই বাউসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ারুর রহমান এর নবীগঞ্জ শহরের নুরানী মার্কেটস্থ বাসভবনে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হয়। এতে মরহুমের বড় ছেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবিব এনাম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ২৭ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ প্রেরক

নবীগঞ্জে অগ্নিকান্ড ক্ষয় ক্ষতি ৫ লাখ টাকারও বেশী

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)সংবাদদাতা ঃ নবীগঞ্জ পৌর এলাকার নোয়াপাড়া গ্রামে গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে আগুনে পুড়ে ছাই হয়েগেছে অসহায় মমতা বেগমের বসত ভিটা। এতে নগদ টাকা, ছাগল ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ৫ লাখ ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ মমতা বেগম ওই গ্রামের মৃত জলিল মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার খবর পেয়ে পৌরসভার প্যানেল মেয়র আওয়ামীলীগ নেতা এটিএম সালাম, পুলিশ ও দমকল বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত গভীর রাতে হঠাৎ করে অসহায় বিধাব মমতা বেগমের বসত ঘরে দাউ দাউ করে আগুনের লিলিহান শিখা দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে। প্রাণপন চেষ্টা করে আশপাশের ঘর গুলো অক্ষত রাখতে সক্ষম হলেও মমতা বেগমের ঘরটি সম্পুর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরের ভিতরে থাকা ৮টি ছাগল, নগদ প্রায় ৭০ হাজার টাকা, আসবাবপত্রসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী আসার আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে নবীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র ( ওই দিনের দায়িত্বরত) এটিএম সালাম, কাউন্সিলর কবির মিয়া, সংরক্ষিত কাউন্সিলর সৈয়দা নাসিমা বেগম এবং নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তারা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে শান্তনা দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তবে কিভাবে আগুনের সুত্রপাত হলো তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ধারনা করা যাচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অথবা রান্নার ছুলা থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটতে পারে।

War Hero Maj Gen Cardozo honoured by UK Bengali diaspora Ansar Ahmed Ullah

A Reception was given in honour of retired Indian army officer Maj Gen Ian Gen Cardozo on 26 July at the Bangladesh High Commission, hosted by the Acting High Commissioner Khondker Mohammad Talha in association with Swadhinata Trust and Curry Life Magazine on behalf of the UK Bengali diaspora.

Maj Gen Cardozo in his address said. ‘People always praise the Indian Army and freedom fighters for our victory over Pakistan, but in fact it was the people of Bangladesh who fought to win’. In his brief speech he narrated a number of battles fought in Sylhet by 4/5 Gorkha Rifles (Frontier Force) which he commanded from 7 to 16 December in 1971 including the first ever Heliborne operation of Indian Army.

He described how his Battalion had fought two decisive battles at Atgram and Gazipur Tea State near Kulaura, where they wiped out B Company 31 Punjab (Pakistan Army) at Atgram including the Company Commander purely with Kukris (knife).

The surrender of the entire Pakistani Sylhet Garrison, which included 3 Brigadiers, 1 Colonel, 107 officers, 219 JCO’s, 6190 Pakistani soldiers and 39 non-combatants was taken on the morning of 16 December. During the battle at Sylhet between 7 and 16 December 1 officer, 2 JCOs and 11 other Indian ranks made the supreme sacrifice, while 3 officers including Maj Ian Cardozo and 36 other ranks were wounded. The Indian Battalion strength in Sylhet consisted of about 6-7 officers, 10-15 JCOs and about 300- 350 soldiers.

After the surrender of the Pakistanis, the Indian Battalion triumphantly entered Sylhet town. It was when this march towards the town was taking place Major Ian Cardozo stepped over a mine and lost his leg. He overcame his disability & became the first disabled officer to command an infantry battalion, brigade and division in operational areas. Following his retirement he was appointed as Chairman of Rehabilitation Council of India.

Also present at the reception was Lord Karan Bilimoria who also in a brief address said his father Lt Gen Bilimoria told him about the bravery of the Mukti Bahinis (freedom fighters). ‘Teenaged boys were ready to take up any challenges and give their life for Bangladesh,’ he said. His father, Lt. General Faridoon Bilimoria was the General Officer Commanding-in-Chief of the Central Indian Army and led the 2/5 Gurkha Rifles during the Bangladesh Liberation War in 1971.

Acting High Commissioner Khondker Talha thanked the Maj General on behalf of the Bengali community for attending the event, sharing his memories of and gratefully appreciated his contribution in freeing our motherland. He presented Gen Cardoza and his wife Priscila Cardoza with a bouquet and gifts. Minister (Press) Nadeem Qadir presented the General with his book ‘My Beautiful Bangladesh,’ which carries the story of his martyred freedom fighter father Lt Col M Abdul Qadir. Mayor of Brent Cllr Parvez Ahmed presented the Gen with a crest. In addition, the UK Mohila Awami League also gave Priscilla Cardoza a floral bouquet. The reception in the Conference room was attended by a cross section of freedom fighters, media corps, community activists and High Commission officials including the Acting High Commissioner Khondker Mohammad Talha, Minister (Press) Nadeem Qadir, Defence Advisor Major General Sheikh Pasha Habibuddin and Minister (Consular) T M Jobaer amongst others.

পাকিস্থানীদের পরাজিত করতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সৈন্যরা ——- মেজর জেনারেল ইয়ান কারডজো

লন্ডনঃ বাংলাদেশে মানবতা বিরুধী অপরাদীদের বিচার নিয়ে সন্তোস প্রকাশ করলেন মিত্র বাহিনীর সদস্য মেজর জেনারেল ইয়ান কারডজো। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় রণাঙ্গনের স্মৃতিচারন করে বলেন বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য অধিকারের জন্যে পাকিস্থানীদের পরাজিত করতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভারতীয় সেনাবাবিনী ও মুক্তিবাহিনী যুদ্ধ করেছে। আর তা সম্ভব হয়েছিল বাংলাদেশের মানুষের দৃঢ় মনোবলের কারণে। গতকাল ২৬ জুলাই বিকেলে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনফারেন্স হলে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশন, স্বাধীনতা ট্রাষ্ট ও কারি লাইফের সহযোগীতায় সর্বস্থরের প্রবাসী বাঙ্গালীদের দেয়া সম্বর্ধনা সভায় তিনি একথা বলেন। তিনি ১৯৭১ সালের ৭ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিলেট মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্থানীদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধের বিবরন তুলে ধরে বলেন। এসময় আটগ্রাম এবং গাজীপুর চা বাগানের সম্মুখ যুদ্ধের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন সিলেটে পাকিস্থানী সৈন্যরা তিনটি ব্রিগেড নিয়ে কিভাবে আত্মসমর্পন করেছিল এদের মধ্যে ১০৭ জন অফিসার, ২১৯ জেসিও, ৬১৯০ সৈনিক এবং ৩৯জন যারা তাদের সাথে ছিল এরা সকলেই ৭ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে মিত্রবাহীনীর কাছে আত্মসমর্পন করে। সিলেট বিজয়ে তিনি সহ পাকিস্তানীদের সাথে যুদ্ধে ৩জন অফিসার সহ আরো ৩৬ আহত হয়েছিলেন। সিলেট মুক্তিবাহিনীকে সাথে নিয়ে ৬-৭জন অফিসার ১০-১৫ জেসিও এবং ৩০০-৩৫০ ভারতীয় সৈন্য অংশ নেয়। পরাজিত পাকিস্তানী সৈন্যদের নিয়ে আসা হয় সিলেট শহরে এসময় পাকিস্তানীদের পেতে রাখা মাইন অপসারন করতে গিয়ে মাইন বিষ্ফুরনে তার একটি পা হারান। মেজর জেনারেল ইয়ান কারডজোকে ফুল দিয়ে বরন করেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনরার খন্দকার তালহা. পলিটিক্যাল কাউন্সিলার এম আর আই আবেদিনে সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্বর্ধনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ লর্ড সভার সদস্য লর্ড কারন এফ বিলিমরিয়া, তিনি বলেন ১৯৭১ সালে তার পিতা জেনারেল বিলিমরিয়া বাংলাদেল পক্ষে যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি তার পিতার কাছ থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অনেক কিছু শুনেছেন। সম্বর্ধনা সভায় মেজর জেনালের ইয়ান কার্ডোজের সহধর্মিনী প্রিসিলা কার্ডোজের হাতে হাই কমিশনের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। এসময় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কর্ণেল আব্দুল কাদিদের সন্তান বাংলাদেশ মিশনের মিনিষ্টার প্রেস সাংবাদিক নাদিম কাদির মেজর জেনারেল ইয়ান কারডজোর হাতে তার লিখা গ্রন্থ ‘ বিউটিফুল বাংলাদেশ’ তুলে দেন। এছাড়া ব্রেন্ট কাউন্সিলের মেয়র পারভেজ আহমদ অতিথি বৃন্দের হাতে ক্রেষ্ট তুলে দেন। অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মিশনের ডিফেন্স এডভাইজার মেজর জেনারেল শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন, মিনিষ্টার কাউন্সিলার এটি এম জোবায়ের, এছাড়া বিবিসি এবং লন্ডনের বাংলামিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিক বৃন্দ এবং বৃটেনে বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধারা ।

নবীগঞ্জে পলাতক আসামী ও মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)সংবাদদাতা : নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ীর পুলিশ ৪বছরের পলাতক আসামী ও মোবাইল ফোন চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য কমল উদ্দিন(৩৫)এগ্রফতার করেছেন। তার বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় জিআর মামলা নং ৩১২/১১। সে উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের পশ্চিম কসবা গ্রামের রাইব উদ্দিনের পুত্র। গতকাল সোমবার বিকেলে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ীর এসআই ধর্মজিত সিনহা ইনাতগঞ্জের বান্দের বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন। এসআই ধর্মজিত সিনহা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,সে শুধু পলাতক আসামীই না সে আউশকান্দি এলাকার মোবাইল ফোন চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। আউশকান্দি এলাকা থেকে অনেকেই তার বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন চুরির করার অভিযোগ করেছেন। তাকে জিঞ্জাসাবাদ করা হচ্ছে।

নবীগঞ্জে প্রবাসী কল্যাণ সমিতির সম্মানে প্রীতিভোজ ও মতবিনিময় সভা

উত্তম কুমার পাল হিমেলঃ নবীগঞ্জের সর্বস্থরের নেতৃবৃন্দের আয়োজনে প্রবাসী কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দের সম্মানে রোববার বিকেলে শহরের চায়নিজ রেষ্টুরেন্ট নাইচে প্রীতিভোজ ও মত বিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন নবীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল মালিক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা প্রফেসর আব্দুল হান্নান। প্রধান অতিথি ছিলেন নবীগঞ্জ বাহুবল আসনের সংসদ সদস্য এম এ মুনিম চৌধুরী বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাছুম বিল¬াহ,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম,পৌর মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী প্রমূখ। আরো বক্তেব্য রাখেন কল্যাণ সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান,সিনিয়র সভাপতি রিন্জল মিয়া,সহ সভাপতি আলী জাহান,সহসভাপতি আব্দুল কাশেম,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী,সদস্য আব্দুল আলী,জিল¬ুর রহমান জিলু নবীগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম হোসেন আজাদ,হবিগঞ্জের জনতার এক্সপ্রেস পত্রিকার সম্পাদক ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলুর রহমান,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুল,সাধারন সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী,সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান,সাবেক সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আবু সিদ্দিক,সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই,মুক্তিযোদ্ধ আব্দুর রুপ,আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট গতি গোবিন্দ দাশ,সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ মিলু,রিজভী আহমদ খালেদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি শামীম আহমদ চৌধুরী,সাধারন সম্পাদক রুবেল মিয়া,বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান সেফু,ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমদ মুছা,ইউপি চেয়ারম্যান জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজু ,প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক রাকিল হোসেন,উজ্ঝল সরদার,ছাত্রলীগের সভাপতি আবু ছালেহ জীবন,পৌর কাউিন্সিলর জাহেদ চৌধুরী প্রমূখ। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আগামী ৩০ জুলাই প্রবাসী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে নবীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের গরীব ও দু;স্থদের মধ্যে রিক্সা ও সেলাই মেশিন বিতরনী অনুষ্টানে নেতৃবৃন্দ নবীগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করে বলেন, া প্রবাসে থাকার পরও মা মাটির টানে এলাকায় এসে গরীব দু;খী অসহায় মানুষের পাশে দাড়িছেন এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net