শিরোনাম

Monthly Archives: সেপ্টেম্বর ২০১৬

সাউথ এশিয়ায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে দেবার দাবীতে লন্ডন্থ পাকিস্থান দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ

মতিয়ার চৌধুরীঃ পাকিস্থানে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধু‘র আত্মস্বীকৃত খুনি ফাাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী কর্নেল রশিদ, মেজর ডালিম, রিসালদার মোসলেহ উদ্দিন সহ অন্যান্য পলাতক খুনি এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যেসব পাকিস্থানী সৈন্য যুদ্ধাপরাধ করেছিল সেসব যুদ্ধাপরাধীদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর ও পাকিস্থানী গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ পৃষ্টপোষকতায় গড়ে উঠা জঙ্গি সংগঠন গুলোর কার্যক্রম বন্ধ ও বাংলাদেশের ন্যায্য পাওনা ফিরিয়ে দেবার দাবীতে লন্ডন্থ পাকিস্থান দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করেছে বৃটেনে বসবাসরত প্রবাসী বাঙ্গালীরা।
আজ ২৭ সেস্টম্বের লন্ডন সময় দুপুর ১টা ত্রিশ মিনিটে সাউথ-ওয়েষ্ট লন্ডনের ৩৪-৩৬ লন্ডেস স্কয়ারের পাকিস্থান এম্বেসীর সামনে বৃটেনের বিভিন্ন শহর থেকে ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে শত শত প্রবাসী বাঙ্গালী সমবেত হয়। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন পাকিস্থান একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র, পাকিস্থান সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার পৃষ্টপোষকতায় গড়ে উঠা পাকিস্থান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলো বিশ্ব শান্তির জন্যে হুমকী, বিশেষ করে লস্করী তৈয়বা, জয়সী মোহাম্মদ, পাকিস্থানী তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গি সংগঠন গুলোর তৎপরতা ভারত-বাংলাদেশ সহ সাউথ এশিয়ার দেশ গুলোর জন্যে হুমকী হয়ে দাড়িয়েছে। এসব সন্ত্রাসী সংগঠন গুলো পাকিস্থানসহ সাউথ এশিয়ার দেশগুলোকে অস্থিতিশীল করে তোলছে। এইসব জঙ্গি সংগঠন গুলোর যোগাযোগ রয়েছে আলকায়দা এবং আইএস‘র মতো আন্তর্জাতিক জঙ্গিসংগঠন গুলোর সাথে। পাকিস্থানকে অবিলম্বে এসব সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ করতে হবে, সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনী এবং যুদ্ধাপরাদীদের বাংলাদেশের কাছে হস্থান্তর করতে হবে। বক্তারা বলেন প্রতিদিনই পাকিস্থানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে নীরবে গণহত্যা চলছে বেলুচিস্থানে পাকিস্থানী আইন শৃঙাখলা বাহিনীর হাতে বেলুচ মেয়েরা ধর্ষিত হচ্ছে হত্যাকরা হচ্ছে বেলুচিস্থানের নিরপরাধ মানুষকে। এসবের জন্যে নওয়াজ শরীফকে অবশ্যই মূল্য দিতে হবে। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক নইমুদ্দিন রিয়াজ, আব্দুল মতিন, সহসভাপতি সামসুদ্দিন মাষ্টার, সহসভাপতি মারুফ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, অন্যান্য সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ছাত্র নেতা ইমন , আলী আকবর চৌধুরী,শামীম আহমদ ঈকবাল হোসেন, অরুপ চৌধুরী প্রমুখ। সমাবেশ শেষে পাঁচ দফা দাবী সম্বলিত পাকিস্থান সরকার বরাবরে একটি সস্মারক লিপি প্রদান করা হয় স্মারকলিপিটি গ্রহন করেন পাকিস্থান দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা।

ক্যাপশনঃ ছবি আছে (১) পাকিস্থান দূতাবাসে স্মারক লিপি প্রদান করছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। (২) পাকিস্তান দূতাবাসের সামনে প্রবাসী বাঙ্গালীদের বিক্ষোভ।
(মতিয়ার চৌধুরী-লন্ডন ২৭সেপ্টেম্বর ২০১৬।)
সাউথ এশিয়ায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে দেবার দাবীতে লন্ডন্থ পাকিস্থান দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ
মতিয়ার চৌধুরীঃ পাকিস্থানে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধু‘র আত্মস্বীকৃত খুনি ফাাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী কর্নেল রশিদ, মেজর ডালিম, রিসালদার মোসলেহ উদ্দিন সহ অন্যান্য পলাতক খুনি এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যেসব পাকিস্থানী সৈন্য যুদ্ধাপরাধ করেছিল সেসব যুদ্ধাপরাধীদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর ও পাকিস্থানী গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ পৃষ্টপোষকতায় গড়ে উঠা জঙ্গি সংগঠন গুলোর কার্যক্রম বন্ধ ও বাংলাদেশের ন্যায্য পাওনা ফিরিয়ে দেবার দাবীতে লন্ডন্থ পাকিস্থান দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করেছে বৃটেনে বসবাসরত প্রবাসী বাঙ্গালীরা।
আজ ২৭ সেস্টম্বের লন্ডন সময় দুপুর ১টা ত্রিশ মিনিটে সাউথ-ওয়েষ্ট লন্ডনের ৩৪-৩৬ লন্ডেস স্কয়ারের পাকিস্থান এম্বেসীর সামনে বৃটেনের বিভিন্ন শহর থেকে ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে শত শত প্রবাসী বাঙ্গালী সমবেত হয়। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন পাকিস্থান একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র, পাকিস্থান সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার পৃষ্টপোষকতায় গড়ে উঠা পাকিস্থান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলো বিশ্ব শান্তির জন্যে হুমকী, বিশেষ করে লস্করী তৈয়বা, জয়সী মোহাম্মদ, পাকিস্থানী তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গি সংগঠন গুলোর তৎপরতা ভারত-বাংলাদেশ সহ সাউথ এশিয়ার দেশ গুলোর জন্যে হুমকী হয়ে দাড়িয়েছে। এসব সন্ত্রাসী সংগঠন গুলো পাকিস্থানসহ সাউথ এশিয়ার দেশগুলোকে অস্থিতিশীল করে তোলছে। এইসব জঙ্গি সংগঠন গুলোর যোগাযোগ রয়েছে আলকায়দা এবং আইএস‘র মতো আন্তর্জাতিক জঙ্গিসংগঠন গুলোর সাথে। পাকিস্থানকে অবিলম্বে এসব সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ করতে হবে, সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনী এবং যুদ্ধাপরাদীদের বাংলাদেশের কাছে হস্থান্তর করতে হবে। বক্তারা বলেন প্রতিদিনই পাকিস্থানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে নীরবে গণহত্যা চলছে বেলুচিস্থানে পাকিস্থানী আইন শৃঙাখলা বাহিনীর হাতে বেলুচ মেয়েরা ধর্ষিত হচ্ছে হত্যাকরা হচ্ছে বেলুচিস্থানের নিরপরাধ মানুষকে। এসবের জন্যে নওয়াজ শরীফকে অবশ্যই মূল্য দিতে হবে। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক নইমুদ্দিন রিয়াজ, আব্দুল মতিন, সহসভাপতি সামসুদ্দিন মাষ্টার, সহসভাপতি মারুফ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, অন্যান্য সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ছাত্র নেতা ইমন , আলী আকবর চৌধুরী,শামীম আহমদ ঈকবাল হোসেন, অরুপ চৌধুরী প্রমুখ। সমাবেশ শেষে পাঁচ দফা দাবী সম্বলিত পাকিস্থান সরকার বরাবরে একটি সস্মারক লিপি প্রদান করা হয় স্মারকলিপিটি গ্রহন করেন পাকিস্থান দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা।

ক্যাপশনঃ ছবি আছে (১) পাকিস্থান দূতাবাসে স্মারক লিপি প্রদান করছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। (২) পাকিস্তান দূতাবাসের সামনে প্রবাসী বাঙ্গালীদের বিক্ষোভ।

কবরে নামানোর সময় নড়ে উঠলো নবজাতক

সংবাদদাতাঃ ফরিদপুরে চিকিৎসকের মৃত ঘোষণার পর একটি নবজাতক বেঁচে ওঠার ঘটনায় ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে। জন্ম নেওয়ার কিছু সময় পর চিকিৎসকেরা নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে দাফনের জন্য নেওয়া হয় গোরস্থানে। দাফনের ঠিক আগে নড়েচড়ে ওঠে শিশুটি। পরে দ্রুতই শিশুটিকে নেওয়া হয় শিশু হাসপাতালে। বর্তমানে শিশুটিকে শিশু হাসপাতালের ইনকিউবিটরে রাখা হয়েছে।
এমন ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। চিকিৎসকের অবহেলার বিচার দাবি করেছেন তারা।
ফরিদপুর শহরের কমলাপুর এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হোসেন মিঠুর স্ত্রী অ্যাডভোকেট নাজনীন আক্তার প্রসবজনিত ব্যথা নিয়ে বুধবার রাত ১১টার দিকে ভর্তি হন ফরিদপুর শিশু হাসপাতালে। হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত ১টার দিকে প্রসূতির নরমাল ডেলিভারি হয়। নাজনীন জন্ম দেন একটি ছেলে সন্তানের। বেশ কিছু সময় পর শিশু হাসপাতালের কর্তব্যরত গাইনি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রিজিয়া আলম নবজাতকটিকে মৃত ঘোষণা করেন। রাতেই লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হয় পরিবারের স্বজনদের কাছে।
পরিবারের সদস্যরা বৃহস্পতিবার ভোরে নবজাতক শিশুটিকে আলীপুর গোরস্থানে দাফন করার প্রস্তুতি নিলে দাফনের আগে নড়েচড়ে ওঠে শিশুটি। সঙ্গে সঙ্গেই শিশুটিকে আবার নেওয়া হয় শিশু হাসপাতালে। শিশুটিকে হাসপাতালের ইনকিউবিটরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের এমন অবহেলায় হতবাক শিশুটির স্বজন ও স্থানীয়রা।
নবজাতক শিশুর বাবা নাজমুল হোসেন মিঠু বলেন, লাশ দাফনের জন্য আলীপুর কবরস্থানে কবর খোঁড়া হয়। গোরস্থানের মসজিদের ইমাম দাফনের সব আয়োজনও সম্পন্ন করেন। কিন্তু লাশের মাথা কোনদিকে আছে দেখতে গিয়ে চোখ ছানাবড়া হয়ে ওঠে দাফন করার কাজে নিয়োজিতদের।
আলীপুর কবরস্থানের কেয়ারটেকার বিল্লাল হোসেন বলেন, শিশুটির লাশের কাফনের কাপড় খুললে দেখা যায় সে জীবিত রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ডা. রিজিয়া আলম বলেন, এ ব্যাপারে রিপোর্ট যা করার আমি অফিসে করেছি। আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলবো না।
শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের সদস্য শওকত আলী জাহিদ বলেছে, ঘটনাটির বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতাল থেকে মৃত ঘোষণার পর নবজাতক বেঁচে উঠার ঘটনায় শহরজুড়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং চিকিৎসকদের অবহেলায় আর যাতে এমন অনাকাক্ষিত ঘটনা না ঘটে সেজন্য দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শিশুটির স্বজনেরা।

নবীগঞ্জে কলেজ ছাত্রী তন্নী রায় হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নবীগঞ্জ-সংবাদদাতা : নবীগঞ্জে কলেজ ছাত্রী তন্নী রায়কে নৃশংস ভাবে হত্যার প্রতিবাদে নবীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য সংগঠন কুটিশ্বর দাশ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদ এক বিশাল মানববন্ধনের আয়োজন করে। গতকাল বিকাল ৩ ঘটিকায় নবীগঞ্জ নতুন বাজার মোড়ে কয়েক হাজার জনতার উপস্থিতিতে এ মানববন্ধন কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও ছাত্রনেতা রতœদীপ দাশ রাজু। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত দাশ । প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মুনিম চৌধুরী বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও জেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি এড. সুমঙ্গল দাশ সুমন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি বিজয় ভূষন রায়, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলী সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু দাশ রানা, এ এস পি শুভাশিষ ধর, জেলা যুব সংহতির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমীন পাঠান, পৌর জাপা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক হবিগঞ্জ সময় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মুরাদ আহমদ, প্যানেল মেয়র এটিএম সালাম, কাউন্সিলর প্রানেশ চন্দ্র দেব, যুবলীগ নেতা সুবিনয় রায়, কাউন্সিলর জায়েদ চৌধুরী, পৌর হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি বিপুল চন্দ্র দেব, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কর্ণমনি দাশ, সুখেন্দু পুরকায়েস্থ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি দুলাল চৌধুরী, সেচ্ছাসেবকলীগ যুগ্ম আহব্বায়ক ইকবাল আহমদ বেলাল, আনন্দনিকেতন সভাপতি প্রনব দেব, কুটিশ্বর দাশ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি কংকন কুমার দাশ, সহ-সভাপতি অনুপ দাশ, সহ-সভাপতি প্রভাশ চন্দ্র দাশ টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক শংকর পাল, শিক্ষ ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক উত্তম কুমার দাশ হিমেল, সাংবাদিক সলিল বরন দাশ, মুজবুর রহমান, জেলা যুবসংহতি নেতা নিউটন সূত্রধর, ছাত্রনেতা অলিউর রহমান, জিবেশ গোপ, এম এ মুহিত, আমিনুর হক দুলাল, মুজাহিদুল ইসলাম, শ্রীবাস পাল (মেম্বার), বিশ্বজিৎ দাশ, সুরঞ্জন বৈদ্য, কৃষকলীগ নেতা ফারুক মিয়া, টিটু আচার্য্য, জয়ন্ত ভট্টাচার্য, শামানুর রহমান, চন্দন রায়, অরুবিন্দু দাশ, সুয়েব আহমেদ, কৃপাসিন্দু সূত্রধর, সমিরন চন্দ্র দে, গৌরিন দাশ, টিংকু দে, পলাশ দে, হারুনুর রশিদ, রাহুল দাশ, আনন্দ বিশ্বাস, জেশন আহমেদ প্রমূখ। সভায় বক্তাগণ কলেজ ছাত্রী তন্নী রায়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং আগামী ৭২ ঘন্টার ভিতরে আসামীদের গ্রেপ্তার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে বলে ঘোষনা দেন।
নবীগঞ্জের কলেজ ছাত্রী তন্নী হত্যা মামলা- প্রেমিক রানু’র বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার
নবীগঞ্জের আলোচিত কলেজ ছাত্রী তন্নী রায়(১৮) হত্যা মামলার কিনারা করতে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা চালালেও এখন পর্যন্ত সদ্বিগ্ধ কাউকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। গত শুক্রবার প্রেমিক রানুর বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া সন্দেহ-ভাজনদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে বলে জানাগেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,গত২৩সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১১টায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবীগঞ্জ থানার এস আই মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মোঃ আলাউদ্দিন আহমদ ও পৗর কাউন্সিলর জায়েদ চৌধুরীসহ স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে প্রেমিক রানু রায়ের বাসার গ্রিলের তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তল্লাশীকালে এ বাসা থেকে লাশের সাথে পাওয়া চটের বস্তা ও তারের হুবহু মিল থাকায় তার ও বস্তা আলামত জব্দ করে। পরে ঐ বাসায় ২টি নতুন তালা লাগিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরের জিম্মায় রেখে আসে। ওপর দিকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত থানা পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহভজান কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি ।

এদিকে আলোচিত এ হত্যাকান্ড নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনসহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ইতিমধ্যেই মানববন্দন ও নিন্দা প্রস্তাবের পাশাপাশি ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন। তন্নীর লাশ উদ্ধারের পর ৪ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও থানা পুলিশ কোন ক্লু-উদঘাটন করতে না পারায় আদৌ কি তন্নীর হত্যাকারীরা আইনের আওতায় আাসবে কিনা এ নিয়ে সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন! পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদকালে নবীগঞ্জ ইউ.কে আইসিটি কম্পিউটার ইন্সটিটিউট এর অধ্যক্ষ ফয়সল আহমদ চৌধুরী গত ১৭ সেপ্টেম্বর শনিবার তন্নী ক্লাশ করতে না যাওয়ার কথা জানালেও এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিষ্টানের পার্শ্ববর্তী এক্সিম ব্যাংকের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করার পাশাপাশি অন্যভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল। গতকাল শুক্রবারও নবীগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে। এছাড়া তন্নীর বাসায় নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের প্রয়াত এমপির পুত্র শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী,নবীগঞ্জ উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নারায়ন রায়,কালীপদ ভট্টাচার্য্য,সাধারন সম্পাদক প্রভাষক উত্তম কুমার পাল হিমেলসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ তন্নীর বাসায় যান এবং তার পরিবারের লোকজনকে শান্তনা দেন। একটি সুত্রে জানাযায়, হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করতে বানিয়াচং উপজেলার বিথঙ্গল আখড়া এলাকায় অভিযান চালালে ও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

নবীগঞ্জে কলেজ ছাত্রী তন্নী রায় হত্যাকান্ড বান্ধবীসহ ৩জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের বরাক নদী থেকে হাত-পা বাধা বস্তাবন্দি কলেজ ছাত্রী তন্নী রায় (১৮) হত্যা মামলায় তন্নীর ঘনিষ্ট বান্ধবী কান্তা রায়, আইসিটি সেন্টারের প্রিন্সিপাল ফয়সল ও প্রশিক্ষক নাজনীন আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধায় তাদের থানায় খবর দিয়ে এনে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ ওই ৩ জনেরও মোবাইল কল লিষ্ট সংগ্রহ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এদের জিজ্ঞাসাবাদকালে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ.স.ম সামছুর রহমান ভুইয়া, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বাতেন খান, ওসি (তদন্ত) কামরুল হাসান ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোবারক হোসেন।এদিকে লাশের সাথে বস্তায় ব্যবহৃত ছামিন কোং ইট জব্দ করেছে পুলিশ। ছামির কোং এর ইট দিয়ে জয়নগর এলাকায় সৈয়দ জাহির মিয়ার বাড়ির নির্মাণ কাজ চলছে। ওই বাড়ি থেকে ইট চুরি করে এনে বস্তায় বাধা হয় বলে অনেকে ধারণা করছেন। অন্যদিকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে থানায় নিয়ে আসা তন্নীর বান্ধবীসহ ৩ জনের কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া গেছে কি-না মামলার তদন্তের স্বার্থে তা জানাতে অপারগতা জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। নিহত কলেজ ছাত্রী তন্নীর লাশ উদ্ধার এবং মামলা দায়েরের পর থেকেই পুলিশ ঘটনাস্থল এবং রানু রায়ের বাড়িসহ আশপাশের সম্ভাব্য ঘরবাড়িতে তল্লাশী অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার তদন্তে হবিগঞ্জ থেকে ডিবি পুলিশও মাঠে কাজ করছে বলে জানা গেছে।একটি সুত্র দাবী করছে, তন্নী রায় নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকালে বান্ধবী কান্তা রায়ের সাথে যোগাযোগ করে প্রেমিক রানু রায় প্রেমিকা তন্নীর খোজখবর নেয়। এ সময় রানু রায় কম্পিউটার সেন্টারের প্রিন্সিপাল ফয়সলের মোবাইল নম্বারটিও সংগ্রহ করে। রানু ওই দিন ফয়সলকে ফোন দিয়েছে কি-না তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যা যাচাই এর প্রক্রিয়া চলছে। তবে ফয়সল আহমদ দাবী করেছেন, রানু রায়ের সাথে তার কোন প্রকার যোগাযোগ বা ফোনে কথা হয়নি। অপর দিকে বস্তাবন্দি নবীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের মেধাবী ছাত্রী তন্নী রায়ের মৃত দেহ নদী থেকে উত্তোলনের সময় বস্তার ভিতরে ছামিন কোং ইট পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল, প্রেমিক রানু রায়ের বাড়ি ও আশপাশ এলাকায় ওই কোম্পানীর ইট কোথায় রয়েছে কি-না তার সন্ধানকালে জয়নগর এলাকায় সৈয়দ জাহির মিয়ার নতুন বিল্ডিং নির্মাণ কাজে ব্যবহার করতে দেখতে পায়। যা ঘটনাস্থল নদী থেকে প্রায় দেড় শত ফুট এবং রানু রায়ের বাড়ি থেকে প্রায় ৭০ ফুট দুরত্বে হবে। ফলে এই লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের তীর ধীরে ধীরে তন্নীর প্রেমিক রানু রায়ের দিকেই যাচ্ছে বলে অবস্থা দৃষ্টে ধারনা করা যাচ্ছে। রানু রায়কে গ্রেফতার করলেই হত্যাকান্ডের মূল রহস্য উদঘাটিত হতে পারে বলে দাবী সুশীল সমাজ। রানু রায় ব্যতিত তন্নী রায়ের অন্য কারো সাথে সম্পর্ক ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেন।প্রকাশ, গত শনিবার বেলা দেড় টার দিকে তন্মী রায় ইউ.কে আই,সিটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেড় হয়ে আর ফিরেনি। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী করার ৩ দিনের মাথায় উক্ত কলেজ ছাত্রী তন্মী রায়ের বস্তাবন্দি লাশ নদী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

নবীগঞ্জের আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন অনষ্টিত

উত্তম কুমার পাল হিমেল,নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)থেকেঃ নবীগঞ্জ উপজেলার ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ এর প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন অনুষ্টিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে ভোট। দুপুর ২টায় আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মুহিবুর রহমান হারুন আনুষ্টানিক ভাবে ভোটের ফলাফল ঘোষনা করেন। আউশকান্দি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাহিদুর রহমান প্যানেল চেয়ারম্যান-১ ও ১নং ওয়ার্ড সদস্য হাজী দুলাল আহমদ প্যানেল চেয়ারম্যান -২ নির্বাচিত হন। এতে ভোট যুদ্ধে ৩জন প্রার্থী প্রতিদদ্ধীতা করেন। অপরদিকে ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা শিবু রানী দেব বিনা প্রতিদদ্বীতায় প্যানেল চেয়ারম্যান -৩ নির্বাচিত হন। ভোট কেন্দ্রের এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ নুরুল হুদা চৌধুরী।এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য হাসান আলী উস্তার, ফজলুল করিম মিছবাহ, খালেদ আহমদ জজ, শায়েল আহমদ, সুমন আহমদ, ইকবাল হোসেন, আব্দুল কাদির, সংরক্ষিত ইউপি মহিলা সদস্যা রুজিনা বেগম, রহিমা আক্তার সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন।

‘বর্তমান সময়ের দুটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হচ্ছে—জঙ্গিবাদ ও সহিংস চরমপন্থা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সংবাদটুয়েন্টিফোরডমকম ডেস্ক্ঃ বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদীদের অর্থ-অস্ত্রশস্ত্র যোগান বন্ধ; তাদের প্রতি নৈতিক ও বৈশ্বিক সমর্থন না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নেই। এদের সর্বত্রভাবে সমূলে উৎপাটন করার সংকল্পে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল পৌনে ৫টায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে বাংলায় দেওয়া ভাষণে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ের দুটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হচ্ছে—জঙ্গিবাদ ও সহিংস চরমপন্থা। আমরা দেখতে পাচ্ছি, এ চ্যালেঞ্জগুলো কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যে আবদ্ধ না থেকে বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। কোনো দেশই আপাতদৃষ্টিতে নিরাপদ নয়। কোনো ব্যক্তি এদের লক্ষ্যের বাইরে নয়। আমেরিকা থেকে ইউরোপ, আফ্রিকা থেকে এশিয়ার অগণিত মানুষ সন্ত্রাসবাদের শিকার হচ্ছে। আমরা মনে করি, সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নেই। এদের সর্বত্রভাবে সমূলে উৎপাটন করার সংকল্পে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। তবে ১ জুলাই আমরা এক ঘৃণ্য সন্ত্রাসী হামলার শিকার হই। ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় দেশীয় কিছু উগ্রপন্থী-সন্ত্রাসী ২০ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। এ সময় ১৩ জন জিম্মিকে উদ্ধারে সক্ষম হই আমরা। এ ভয়ঙ্কর ঘটনা বাংলাদেশের জনগণের মনে এক গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে আমরা এ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করতে এবং এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে আমরা ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এতে সাড়া দেওয়ার জন্য সমগ্র জাতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছি। সমাজের প্রতি স্তর থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, জনগণের দৃঢ়তা ও সহযোগিতায় আমরা বাংলাদেশের মাটি থেকে সন্ত্রাসীদের সমূলে উচ্ছেদ করতে সক্ষম হব।’
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে সরকারের নেওয়া চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং নানা সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রায় অর্ধ দশক পূর্বে নারীর শিক্ষা বাড়ানোর বিভিন্ন পদক্ষেপের ফল আমরা পেতে শুরু করেছি। বাংলাদেশের নারীরা এখন উন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশীদার।’
তিনি বলেন, ‘বিশ্বায়নের এ যুগে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমরা যদি সঠিক পন্থা অবলম্বন করি তাহলে এখানে সম্ভাবনা ও সুযোগও রয়েছে প্রচুর। এক মানবতার জন্য কাজ করার উদ্দেশে আমরা সকলে এখানে সমবেত হয়েছি। জাতিসংঘই হতে পারে আমাদের জন্য একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম। আসুন আমরা এ সংস্থাকে আরো টেকসই ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে নতুন করে শপথ গ্রহণ করি।’

নবীগঞ্জের বরাক নদী থেকে উদ্ধারকৃত বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় মিলেছে সন্ধেহের তীর কতিথ প্রেমিক রানুর দিকে

রাকিল হোসেন ঃ নবীগঞ্জের বরাক নদী থেকে হাত-পা বাধা বস্তাবন্ধি অবস্থায় উদ্ধারকৃত অজ্ঞাতনামা যুবতীর লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। সে নবীগঞ্জ পৌর এলাকার শিবপাশা শ্যামলী আবাসিক এলাকার বাসিন্দা বিমল রায়ের কলেজ পড়–য়া কন্যা তন্মী রায় (১৮)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ থানা পুলিশ বস্তাবন্দি অবস্থায় নবীগঞ্জ পৌর শহরের আক্রমপুর এলাকায় গড়মুড়িয়া ব্রীজ সংলগ্ন শাখা বরাক নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসলে মৃতের কোমড়ে থাকা চাবি দিয়ে ঘরের চোকেসের তালা খোলে সনাক্ত করেন তন্মীর পরিবার। এর আগে লাশে পচন এবং মূখ মন্ডল বিকৃত হওয়ায় তন্মীর পিতা ও ভাই সনাক্ত করতে পারে নি। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই তন্মীর পিতা বিমল রায় বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ওই দিনই রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র।
গতকাল বুধবার মৃতের ময়না তদন্ত শেষে বিকালে জয়নগর শশ্মানঘাটে লাশ দাহ না করে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই নিহত তন্মী রায়ের কথিত প্রেমিক রানু রায় ও তার পরিবার ঘা ঢাকা দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে নবীগঞ্জ শেরপুর রোডস্থ নানু ভিলা-২ এর ২য় তলায় ইউ,কে আইসিটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের যাওয়ার কথা বলে তন্মী রায় বাসা থেকে বের হয়। নির্ধারিত সময় পার হলেও সে বাসায় ফিরে আসেনি। নিখোজ হয় কলেজ ছাত্রী তন্মী রায়। পরিবারের লোকজন ওই দিন রাতে নবীগঞ্জ থানায় নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরী করেন। তন্মী রায়ের পিতা বিমল রায়ের বাড়ী উপজেলার করগাওঁ ইউনিয়নের পাঞ্জারাই গ্রামে। তিনি র্দীঘদিন ধরে নবীগঞ্জের শিবপাশা শ্যামলী আবাসিক এলাকায় স্ত্রী, এক ছেলে ও নিহত কলেজ পড়–য়া মেয়ে তন্মী কে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। তন্মী রায় চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে পাশ করে। নিখোজের পর থেকেই তন্মীর পরিবার ছিল চরম উৎকন্ঠা ও আতংকের মধ্যে।
এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়. নবীগঞ্জের জয়নগর এলাকার সবজি বিক্রেতা কানু রায়ের ছেলে রানু রায়ের সাথে তন্মীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তন্মী নিখোজের পর থেকেই উক্ত রানু রায় লাপাত্তা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশী সাথী রানী ঘোষ ও শুভা রানী রায়। গতকাল বুধবার ওই বাসায় সরজমিনে গেলে এ তথ্য পাওয়া যায়। এ সময় দেখা যায় বাসার ফটকে তালা ঝুলছে। নিহত তন্মীর লাশ উদ্ধারের পর পরই রানু রায়ের পিতা-মাতাও লাপাত্তা রয়েছে। ধারা করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলের আশপাশের কোন এক স্থানে তন্মী রায়কে রেখে ধর্ষন করার পর তাকে হত্যা করে বস্তাবন্দি করে লাশ নদীতে পেলে দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে অফিসার ইনর্চাজ মোঃ বাতেন খান বলেন, বিকালের দিকে মোবাইল ফোনে সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। অনুমান ৩ দিন বা অধিক সময়ের শরীরে ফোলা, পচন ও মূখ মন্ডল বিকৃত অবস্থায় ১৯/২০ বছরের মেয়ের মৃতদেহ দেখতে পেয়ে তার পরিবার-পরিজন ভাই ও বাবার সনাক্তমতে ছুরতহার রির্পোট তৈরীসহ আলামত জব্দ করা হয় এবং ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়। এ সময় মেযেটির নাম তন্মী রায় পিতা বিমল রায়, পৌরসভার শ্যামলী ( ধান সিড়ি ) আ/এ বাসিন্দা ও নবীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছে বলে জানাযায়। উক্ত তন্মী রায় গত ১৭ সেপ্টম্বর দুপুরে ইউ.কে আইসিটি সেন্টারে কম্পিউটার প্রশিক্ষনের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে না আসায় তার পিতা থানায় নিখোজঁ সংক্রান্ত জিডি করেন। উক্ত জিডির প্রেক্ষিতে পুলিশ সকল প্রকার আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহন কালে মঙ্গলবার উল্লেখিত সময় ও স্থান থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করেন। তিনি বলেন, এটা একটি নিঃসন্দেহ নির্মম হত্যা কান্ড বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণ করা হচ্ছে। প্রেম সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা সংঘটিত হতে পারে বলেও ধারনা করেন তিনি। থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে নিহত তন্মীর পিতা বিমল রায় অভিযোগ দিলে রাতেই তা রুজু করা হয়েছে। ওসি বলেন, মামলার তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেফতার অভিযার অব্যাহত রয়েছে।

নবীগঞ্জে কলেজ পড়–য়া যুবতীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার!

উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে ॥ নবীগঞ্জ শহরের পার্শ্ববর্তী শাখা বরাক নদীর উপর গরমুলিয়া ব্রীজের নীচ থেকে তন্নী রায় (১৮)নামের এক যুবতীর অর্ধগলিত লাশ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। নবীগঞ্জ পৌর শহরের শিবপাশা ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকা থেকে ৩/৪ দিন পূর্বে নিখোঁজ হওয়া বিমল রায়ের কলেজে পড়–য়া যুবতী তন্নী রায়ের লাশ বলে সনাক্ত করে তার পরিবারের লোকজন । লাশের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ থেকে ধারনা করা যাচ্ছে ঐ যুবতীকে গণধর্ষনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। জানাযায়, গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় গরমুলিয়া ব্রীজের নীচে একটি বস্তা বন্ধি অবস্থায় পানিতে ভাসমান দেখে স্থানীয় জনতার সন্দেহ হলে বস্তাটি তীরে নিয়ে এসে খুলে দেখা যায় বস্তার ভেতরে হাত- পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবতীর লাশ। লাশের বস্তার মধ্যে বড় একটি পাথর ও বেশ কয়েকটি ইট ছিল। লাশের পড়নে ছিল সাদা পায়জামা, গায়ে লাল খয়েরি জামা ও গলায় স্বর্নের চেইন। লাশটি বিদ্যূতের তার দিয়ে বাধাঁ ছিল। স্থানীয় জনতা ঘটনাটি নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল বাতেন খানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে। লাশের চেহারা বিকৃত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। তবে নবীগঞ্জ পৌর শহরের শিবপাশা ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকার বিমল রায়ের কলেজে পড়–য়া কন্যা তন্নী রায় (১৮) ৩/৪ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের লোকজন তাকে না পেয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি জিডি এন্ট্রি করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, নবীগঞ্জ পৌরসভার জয়নগর গ্রামের কাচামাল ব্যবসায়ী কানু রায়ের পুত্র রানু রায়ের সাথে ঐ যুবতীর প্রেমের সর্ম্পক ছিল। এই প্রেমের সর্ম্পক থেকেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা ধারনা করছেন। ঘটনার খবর পেয়ে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নবীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল বাতেন খান বলেন, লাশের পরিচয় সনাক্ত করার জন্য নবীগঞ্জ পৌর শহরের ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকার বিমল রায় ও তার পরিবারকে থানায় আনা হলে উদ্ধার করা লাশটি তাদের কলেজে পড়–য়া কন্যা তন্নী রায়(১৮) এর লাশ বলে সনাক্ত করেন। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।

Channel i Europe has launched a new programme — My Beautiful Bangladesh

Channel i Europe has launched a new programme from September 15. The programme — My Beautiful Bangladesh — will interview successful British-Bangladeshis to inspire new generation as well as giving them recognition. It will be hosted by award-winning Bangladeshi journalist and columnist Nadeem Qadir, who is also Minister Press in the Bangladesh High Commission, London. The programme, which will be fortnightly, will air on Thursdays at 9:30 pm. The next show is on 29 September 2016. Mr. Qadir, who is the first minister (press) to host a programme in London media, also writes for Bangla newspapers in London. He has requested all to send their nomination of guests to — e-mail — mybeautifulbangladesh1971@gmail.com

আজীবন গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ম. আ. মুক্তাদির ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা

লন্ডনঃ ম.আ.মুক্তাদির শুধু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না, একজন প্রগতিশীল সংগঠন এবং বৃটেনে বর্ণবাদ বিরুধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সকল ধরনের লোভ লালসার উর্ধে থেকে আজীবন গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। কলেজে অধ্যয়ন কালীন সময়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে, এর পর যুক্তহন প্রগতিশীল রাজনীতিতে। বৃটেনে অভিবাসী হওয়ার পর বর্ণবাদ বিরুধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ম. আ. মুক্তাদিরের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বীর এই মুক্তিসেনা ১৯৯৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বৃটেনে মৃত্যুবরন করেন। বক্তারা বলেন তার স্মৃতিকে ধরে রাখতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাবেক ছাত্রনেতা শাহাব উদ্দিদেন প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে ‘মুক্তাদির স্মৃতি কল্যাণ ট্রাষ্ট’ নামে সিলেটে একটি ট্রাষ্ট প্রতিষ্টা করা হয়েছে। বৃটেন এবং আমেরিকাতে এই ট্রাষ্টের মাধ্যমে প্রতিবছর তার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। বক্তারা বলেন এই ট্রাষ্টের মাধ্যমে তার স্মৃতিকে ধরে রাখতে ট্রাষ্টের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে হবে। গতকাল ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পুর্বলন্ডনের মার্কেট ষ্ট্রীটের মেজামাইন রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় যুক্তরাজ্য বাসদের আহবায়ক গয়াছুর রহমান গয়াছের সভাপতিত্বে ও আব্দুল মালিক খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক-সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাবেক কাউন্সিলার রাজন উদ্দিন জালাল, বর্ণবাদ বিরুধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ আব্দুস সালিক। ম. আ. মুক্তাদিরের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব জিল্লুল হক, ফখর উদ্দিন আহমদ, যুক্তরাজ্য জাসদের সহসভাপতি এডভোকেট মুজিবুল হক মনি, শিক্ষাবিদ মোস্তাক আহমদ, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি মেয়র সহিদ আলী, মনির উদ্দিন, রেদওয়ান খান প্রমুখ। এখানে উল্খ্যে যে অনুষ্টানটির সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন শিক্ষাদিব মোস্তাক আহমদ।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net