শিরোনাম

Monthly Archives: অক্টোবর ২০১৬

এলএফসি’র ওপেনিং সেলিব্রেশন ।। জনপ্রতিনিধি ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের ভূয়শী প্রশংসা, সহযোগিতার আশ্বাস

বার্মিংহাম, ৩১ অক্টোবর : লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের উদ্বোধন ও ‘দি ব্রিটিশ মুসলিম স্কুল’ এর সূচনা উপলক্ষে গত ৩০ অক্টোবর রবিবার সন্ধ্যা ৬টার সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে কমপ্লেক্সের সেমিনার হলে এক উদ্বোধনী সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

img_1543লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসানের সভাপতিত্বে এবং কমপ্লেক্সের সেক্রেটারি মোঃ মিসবাউর রহমান ও জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ খুরশেদুল হকের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ এলএফসি’র সার্বিক কার্যক্রমের ভূয়শী প্রশংসা করেন। তাঁরা এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কমপ্লেক্সের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস ও সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেন। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে কমপ্লেক্সের উদ্বোধনের কাজ সম্পন্ন করতে পারায় বক্তারা সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। বিপুল সংখ্যক কাউন্সিলার ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সভায় বক্তারা কমপ্লেক্সের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিতে তাঁরা সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার এবং সহযোগিতার আহ্বান জানান। তাঁরা আশা প্রক্শা করে বলেন, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্স ও ‘দি ব্রিটিশ মুসলিম স্কুল’ আগামী দিনের যোগ্য ও সুনাগরিক তৈরি করতে এক বিশেষ ভ’মিকা রাখবে। শতবর্ষ ধরে শিক্ষা খাতে ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী এই সুবিশাল ভবন শিক্ষা প্রদানে কার্যকর ভ’মিকা রাখবে বলে তাঁরা আশ্বাস ব্যক্ত করেন।
এলএফসি’র উদ্যোক্তোরা কমপ্লেক্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, ব্রিটেনে আগামী প্রজন্মকে সঠিক শিক্ষাদানে ‘দি ব্রিটিশ মুসলিম স্কুল’ এক মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে- এই আশাবাদ ব্যক্ত করে তাঁরা বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে গর্বিত ব্রিটিশ মুসলিম হিসেবে বেড়ে ওঠতে পারে এ্টাই হবে আমাদের প্রয়াস।
ওপেনিং সেলিব্রেশনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বার্মিংহাম হাইকামশনের এসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনার যুলকারনাইন, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সম্মানিত মেম্বার এডরিয়ান বেইলি এমপি, ই এন আসটিন এমপি, স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের ডেপুটি লিডার কাউন্সিলার সৈয়দা আমিনা খাতুন, চ্যানেল এস এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর তাজ চৌধুরী, এলএফসি’র ফাউন্ডার মেম্বার বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা আলহাজ নাছির আহমদ, কাউন্সিলার আহমেদুল হক এমবিই, কাউন্সিলার ওয়াসিম জাফর, কাউন্সিলার জিয়াউল ইসলাম, কাউন্সিলার মোহাম্মদ রুফ, কাউন্সিলার সাকি গ্রিন, কাউন্সিলার আফতাব নোওয়াজ, কাউন্সিলার শিরীন ফরহাদ, কাউন্সিলার ছুহুর, বিশিষ্ট আর্টিস্ট মোহাম্মদ আলী এমবিই, বার্মিংহাম বিজনেস ফোরামের চেয়ারম্যান মোঃ ফয়জুর রহমান চৌধুরী এমবিই, চ্যানেল এস-এর চ্যারিটি ডিপার্টমেন্টের হেড মোঃ মোজাহিদ উদ্দিন, প্রতিষ্ঠানের আর্কিটেক্ট আকরাম বনহাম ও কন্ট্রাাক্টার বেন ওয়ালসার।
অনুষ্ঠানে আগত বার্মিহামের বাংলাদেশ হাইকমিশনার বলেন, এটি একটি সাহসী এবং বিশাল উদ্যোগ। ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের উদ্যোগে এই আয়োজনকে আমি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে স্বাগত জানাই।
ব্রিটিশ পার্রামেন্ট সদস্য এডরিয়ান বেইলি এমপি বলেন, এই কমপ্লেক্স প্রথমে একটি স্কুল ও পরবর্তীতে একটি কলেজ হিসেবে শিক্ষ দানে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রেখেছে। অনেক জ্ঞানী-গুনী এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা অর্জন করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘দি ব্রিটিশ মুসলিম স্কুল’ ব্রিটিশ মূল্যবোধকে ধারন করে আগামী প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। তিনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য ই এন আসটিন এমপি বলেন, শিক্ষাই হচ্ছে জাতির মেরুদ-। আর এই শিক্ষার প্রচার ও প্রসারে এই স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। তিনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের ডেপুটি লিডার কাউন্সিলার সৈয়দা আমিনা খাতুন এই কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠায় উদ্যোক্তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ভ’য়শী প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনের যে কোনও সহযোগিতায় উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী, মিকাইল মালা-এর কোরআন তেলাওয়াত ও মাহফুজুল হাসান খান মিল্লাতের নাশিদ পরিবশনায় অনুষ্ঠিত সেলিব্রেশন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা রুকনুদ্দীন আহমদ, মাওলানা রফিক আহমদ, কামরুল ইসলাম চুনু, মোঃ গাবরু মিয়া, মাওলানা গুলজার আহমদ, মাওলানা মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী, মাওলানা মাহবুব কামাল, হাজী সাহিদ মিয়া, মোঃ মছব্বির আলী, হাজী সাহাব উদ্দিন, হাজী হাসন আলী হেলাল, মোঃ আসিক মিয়া, হাজী আজির উদ্দিন উদ্দিন (আবদাল), আলহাজ রইছ আলী, হাজী সৈয়দুর রহমান প্রমুখ।
পরিশেষে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কাজ সমাপ্ত হয়।

মিডল্যান্ডস লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের উদ্বোধন

বার্মিংহাম ২২ অক্টোবর : এ যেন প্রত্যাশার এক চরম প্রাপ্তি। চোখে মুখে সবার আনন্দের ছাপ। যান্ত্রিক জীবনের হাজারও ব্যস্ততার পাহাড় ডিঙ্গিয়ে কর্মীদের নিরলস কর্ম যেন এক সফলতার হাতছানি। এটাই যেন শেষ নয়. উদ্যোক্তাদের অদম্য কর্মস্পৃহা ও দীপ্ত শপথ ইঙ্গিত দিচ্ছে, আরো অনেক দূর যাবার। যে প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে বাস্তব এই কথামালার সমাহার, তা হলো ব্রিটেনের অন্যতম দ্বীনি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্স।img_1384
অসংখ্য দাতা ও শুভাকাঙ্খিদের অফুরন্ত ভালবাসা, এক ঝাঁক নিবেদিত কর্মীদের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় বহু প্রত্যাশিত ব্রিটেনের অন্যতম বহুমুখী দ্বীনী শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্স আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। গত ২৩ অক্টোবর রোববার দুপুর ১২টার সময় বহুপ্রত্যাশিত এ সুবিশাল কমপ্লেক্সের একটি ভবন এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুভ উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে কমপ্লেক্সটিকে বর্নিল সাজে সাজানো হয়; আনন্দ এবং প্রাপ্তি ছোঁয়া মিলে সর্বত্র।
ব্রিটেনের মূলধারার শিক্ষার সাথে ইসলামি শিক্ষার সমন্বয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষে ‘দি ব্রিটিশ মুসলিম স্কুল’ নামে একটি আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এতে দেশ-বিদেশের ছাত্ররা আবাসিক ও অনাবাসিক সুবিধাসহ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ লাভ করবে।
দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ, উলামায়ে কেরাম ও কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও শত শত জনতার স্বতস্ফ’র্ত উপস্থিতির মধ্য দিয়ে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন, সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ উস্তাজুল উলামা হযরত আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী বড় ছাহেব ক্বিবলাহ ফুলতলী। প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে নিয়ে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন।img_1387
লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের অন্যতম ফাউন্ডার মেম্বার বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আলহাজ নাছির আহমদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উস্তাজুল মুহাদ্দিছিন, আরব আমিরাতের সাবেক বিচারপতি শায়খুল হাদিছ আল্লামা হবিবুর রহমান, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর সভাপতি বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ হযরত আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, দৈনিক ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক রেঁনেসার কবি হযরত মাওলানা কবি রুহুল আমিন খান ঢাকা, প্রবীণ আলেমে দ্বীন হযরত আল্লামা মুজাহিদ উদ্দীন চৌধুরী দুবাগী।
অনুষ্ঠানে কমপ্লেক্সের সার্বিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কমপ্লেক্সের সেক্রেটারি মোঃ মিসবাউর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ খুরশেদুল হক ও প্রেস এন্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন লন্ডন দারুল হাদিছ লতিফিয়ার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল কাহহার, শিক্ষক মাওলানা মারুফ আহমদ, সলসবারি কাউন্সিলের কাউন্সিলার আতিকুল হক, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আব্দুল হক নোমানী, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার কাউন্সিলার আহমেদুল হক এমবিই, মাওলানা কাজী সেলিম উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ, মাওলানা নুরুল আমিন, মাওলানা আব্দুল গাফ্ফার ও মাওলানা রুহুল আমিন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দারুল হাদিছ লতিফিয়া লন্ডন এর প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, শিক্ষক মাওলানা আশরাফুর রহমান, মাওলানা গুফরান আহমদ চৌধুরী, মাওলানা ফরিদ আহমদ চৌধুরী, মাওলানা মুছলেহ উদ্দিন, ইউকে আল ইসলাহ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাওলানা সাদ উদ্দিন সিদ্দকী, মাওলানা হাফেজ কয়েছুজ্জামান, মাওলানা আব্দুল আওয়াল হেলাল, এলএফসির’র ফাউন্ডার মেম্বার মাওলানা রুকনুদ্দীন আহমদ, ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ শাহজাহান, মাওলানা রফিক আহমদ, মাওলানা আছাদুজ্জামান (রাজ্জাক) স্পেন, হাফিজ সাব্বির আহমদ, মোঃ গাবরু মিয়া, মিডল্যান্ডস জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রেসিডেন্ট মাওলানা এখলাসুর রহমান, বার্মিংহাম খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা এনামুল হাসান সাবির, হাজী আমিরুল ইসলাম (জামাল), মোঃ আনোয়ার মিয়া, মাওলানা আব্দুল মতিন (ব্রাডফোর্ড), মাহবুবুর রহমান, চৌধুরী, হাজী জসিম উদ্দিন, মাওলানা আবুল হাসান, হাজী আবুল হোসাইন, কমিউনিটি নেতা কামরুল ইসলাম চুনু, কাজী আঙ্গুর মিয়া, ফয়জুর রহমান চৌধুরী এমবিই, ডাঃ রুহুল আমিন, হাফিজ ফারুক আহমদ, মাওলানা আব্দুল আলী, মাওলানা গুলজার আহমদ, হাজী আব্দুর রহিম (নর্থাম্পটন), মোঃ আবুস ছালাম, মাওলানা আব্দুল মুমিন, মাওলানা মাহবুব কামাল, হাজী সাহিদ মিয়া, মোঃ মছব্বির আলী, ইদন আলী, হাফিজ আলী হোসেন বাবুল, মাস্টার আব্দুল মুহিত, হাজী হাসন আলী হেলাল, হাজী আব্দুল হাই, মোঃ এমদাদ হোসাইন, মোঃ সাইফুল ইসলাম, রায়হান আহমদ চ্যেধুরী, হাফিজ কবির আহমদ, মাওলানা বদরুল হক খান, মাওলানা বুরহান উদ্দিন, ক্বারী শেখ মুনাওয়ার হোসাইন, হাফিজ উসমান খান, মাওলানা এহসানুল হক, মাওলানা নুরুল ইসলাম, মাওলানা নোমান আহমদ, মোঃ জায়দুল ইসলাম, প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী ও মাদরাসার ছাত্র হামজা আহমদ। নাশিদ পরিবেশন করেন ক্বারী মাহফুজুল হাসান চৌধুরী, ক্বারী মতিউর রহমান ও ক্বারী খয়ের আহমদ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হযরত আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী কমপ্লেক্সের কাজের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন, আমি আশা করি ব্রিটেনে দ্বীনি শিক্ষার ক্ষেত্রে এই কমপ্লেক্স উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। এই কমপ্লেক্স থেকে বহু আলেম উলামা ও আশেকে রাসুল (সঃ) বের হবেন এবং দেশ-বিদেশে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে ভ’মিকা রাখবেন। তিনি উপস্থিত সকলকে কমপ্লেক্সের কাজে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি শায়খুল হাদিছ আল্লামা হবিবুর রহমান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, এ দেশে আমাদের পীর ও মুর্শিদ নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ফুলতলী ছাহেব ক্বিলাহ জীবিত থাকলে দ্বীনের খেদমতে এই কমপ্লেক্স গড়ে ওঠার দৃশ্য দেখলে খুবই খুশি হতেন। মিডল্যান্সের মত স্থানে এরূপ একটি প্রতিষ্ঠান গড়তে যাঁরা সহায়তা করেছেন তাঁদের প্রতি ছাহেব ক্বিবলাহর রুহ খুশি থাকবে বলেও তিনি জানান।
পরিশেষে, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Dr Charles Tannock: Bangladesh epitomises the struggle between modernity and those who want to put the clock back to seventh century

By Ansar Ahmed Ullah: Dr Charles Tannock MEP was speaking at an international conference held in Belgium titled ‘Threatening Implication of the Rise of terrorism in the name of Islam in Bangladesh: The Need for Resistance’ on Tuesday, 18 October 2016 at the Press Club Brussels Europe organised by the European Bangladesh Forum (EBF).

He said in the opening session that over the last few years there has been a series of attacks on religious minorities, Hindus, Christians, Buddhists, Ahmadis, secular bloggers, academics, journalists, all aim to intimidate anybody who wishes for a secular Bangladesh which is modern, progressive and recognises pluralism and tolerance, and equality of the sexes.
Dr Charles Tannock said the July Holy Artisan attack was one of the most hideous & horrendous terrorist Jihadist attack in its history. It’s certainly vey salient and relevant topic. Many in Europe & elsewhere are deeply worried and focused on this issue. A battle is going in Bangladesh and other parts of the world even in Europe between those who have felt so radicalised & gone to fight for hideous evil terrorist organisations like ISIS and those who are secular. He said, ‘To me Bangladesh epitomises the struggle between modernity and those who want to put the clock back to seventh century’.

The conference was broken into two sessions. It was opened by Ansar Ahmed Ullah, President of European Bangladesh Forum who said the conference had been organised in the light of the Islamist attack on Holey Artisan Bakery in Dhaka on 1 July 2016 where 20 innocent people including 9 Italians were killed followed by similar attacks in Middle East, Europe, US and Turkey.
He outlined the objective of the conference as to explore what drives people to extremism, explore how ordinary people, civil society and policy makers can work together to fight this onslaught of evil and more importantly to build a network of secular activist across Europe to support the work in Bangladesh.

The first session was chaired by Dr Charles Tannock MEP, Conservative spokesman for foreign affairs & full member of the Human Rights Subcommittee. Keynote speaker Shahriar Kabir, Acting President, Forum for Secular Bangladesh presented a paper titled ‘Combating Islamist terrorism: Muslim Brotherhood and Jamaat-e-Islami’ said people in Bangladesh in its five thousand year-old history have always lived in harmony and amity, and enjoyed a rich tradition of secular humanism. The Sufis who preached Islam in Bengal respected local cultures and traditions but it was Jamaat-e- Islami founded in 1941 by Abul Ala Maududi introduced political Islam dubbed with terrorism. Maududi also declared ‘Jihad as compulsory for each and every Muslim. Mr Kabir said, the US State Department, as well as the Western policymakers consider ‘Jamaat-e Islami’ and ‘Muslim Brotherhood’ as ‘moderate Islamic democratic parties’, but there are hundreds of evidences that these parties are linked with global Islamist terrorist network. While setting up Jamaat-e- Islami Maududi shared his ideas with Hassan Al Banna of Egypt who formed Ikhwanul Muslemin (Muslim Brotherhood) in 1928. Both of these Islamic ideologues were inspired by Mohammad Ibn Abdel Wahhab (CA 1703-1792), Imam Takiuddin Ahmed Ibn Taimiyah (CA 1263-1328) and Imam Ahmad Ibn Hunbal (CA 780-855). All whom placed “Jihad” as the supreme task of a Muslim i.e. as a trooper of Allah to kill infidels and apostates. Without understanding of Maududism or Wahhabism and without an effective counter-narrative of these ideology it will be impossible to eliminate terrorism in the name of Islam. He finally said, ‘No government can fight terrorism alone, terrorism that is generated in the name of a global religion. In order to protect humanity, civil society should come forward to prepare a de-radicalization strategy for respective governments, which will promote secular humanism across the world.’

The second keynote speaker was Meghna Guhathakurta, ex Prof of Dhaka University & Director at Research Initiatives and her paper was tilled ‘Political Islam in Bangladesh: global networks, terrorist trends and its impact on women and minorities’. She said, ‘The militants take up Islam as political ideology and a way of life. They have an orthodox interpretation of Islam, is antithetically disposed to the secular nature of the constitution and the social fabric of society, maintains external connections and views militancy as a legitimate means to attain their goals.’ She also talked about the impact of extremism on women and how legal entitlements of women were dictated by ‘personal laws’, issuing fatwas against women, restricting women’s mobility and impacting on women’s empowerment. She further highlighted its impact on minorities using Islam as majoritarianism hegemonic tool and implicating minorities in the identity politics of the majority community.
Other panel guest speakers in this session was Imam Dr Usama Hasan, Head of Islamic Studies, Quilliam Foundation, UK who gave a talk on “Reclaiming Islam from Extremism” and Martin Bright, Prof of Journalism, Anglia Ruskin University, UK who acted as a discussant.

The second session under the topic ‘Impact of Terrorism, Civil Action and Policy Options to Resist it’ was chaired by Prof Tazeen Murshid, Universite Libre de Bruxelles & Director, Development Research Cooperation. Presentations were made by Remi Kempers, Director, Both Ends, The Netherlands, Dr Willem van der Geest, Economist, formerly Director at United Nations Department of Economic and Social Affairs on ‘The Economic Consequences of Terrorism’, Maolana Feroz Alam, Ahmadiyya Muslim Jamaat, UK from Islamic perspective, Ilyas Sherally, Chairman, MASQRIQ, Netherlands about European foreign fighters, Ted Jeory, Investigating Editor, The Independent, UK poising questions and finally Maria Laura Franciosi, Press Club Brussels about the migrants angle in this debate.
The sessions were followed by Q & A and general discussion. Amongst some of those who took part in the general discussion and attended were M A Hadi, Ahmadiyya Muslim Association Merton, UK, Tarun Kanti Chowdhury, Swedish Nirmul Committee, political activist from Brussels Murshed Mahmud, Egyptian journalist Mohamed Baraka, Ana-Beariz Martins. European External Action Service, Carolyn Ouchterlony, Claude Eeman, Dirk Saam, NETZ, Germany, Eric Damiens, Belal Hossain Jamal & Shahin from French Nirmul Committee, Jaegere Sabine, Joseph Morgan, John McClintock, Laura Hieber, Magda Eeman, Mathis Geisler, Pamela Somerset, Rahman Khalilur, Swiss Nirmul Committee, Rubaiyat Muksed Rubel, Sujaur Chowdhury, Sumana Barua, BASUG, The Netherlands, Thomas Ouchterlony, Dorin-Mihai PALAGHICIUC, European External Action Service, Elena Moreno, ASIAPAC and Antoine Monnier.
Brussels host & Community activist, Brussels Commonwealth Liaison Coordinator Anar Chowdhury brought the proceeding to an end announcing the conference to be held in Geneva in March 2017.

Dr Charles Tannock: Bangladesh epitomises the struggle between modernity and those who want to put the clock back to seventh century

By Ansar Ahmed Ullah: Dr Charles Tannock MEP was speaking at an international conference held in Belgium titled ‘Threatening Implication of the Rise of terrorism in the name of Islam in Bangladesh: The Need for Resistance’ on Tuesday, 18 October 2016 at the Press Club Brussels Europe organised by the European Bangladesh Forum (EBF).

He said in the opening session that over the last few years there has been a series of attacks on religious minorities, Hindus, Christians, Buddhists, Ahmadis, secular bloggers, academics, journalists, all aim to intimidate anybody who wishes for a secular Bangladesh which is modern, progressive and recognises pluralism and tolerance, and equality of the sexes.
Dr Charles Tannock said the July Holy Artisan attack was one of the most hideous & horrendous terrorist Jihadist attack in its history. It’s certainly vey salient and relevant topic. Many in Europe & elsewhere are deeply worried and focused on this issue. A battle is going in Bangladesh and other parts of the world even in Europe between those who have felt so radicalised & gone to fight for hideous evil terrorist organisations like ISIS and those who are secular. He said, ‘To me Bangladesh epitomises the struggle between modernity and those who want to put the clock back to seventh century’.

The conference was broken into two sessions. It was opened by Ansar Ahmed Ullah, President of European Bangladesh Forum who said the conference had been organised in the light of the Islamist attack on Holey Artisan Bakery in Dhaka on 1 July 2016 where 20 innocent people including 9 Italians were killed followed by similar attacks in Middle East, Europe, US and Turkey.
He outlined the objective of the conference as to explore what drives people to extremism, explore how ordinary people, civil society and policy makers can work together to fight this onslaught of evil and more importantly to build a network of secular activist across Europe to support the work in Bangladesh.

The first session was chaired by Dr Charles Tannock MEP, Conservative spokesman for foreign affairs & full member of the Human Rights Subcommittee. Keynote speaker Shahriar Kabir, Acting President, Forum for Secular Bangladesh presented a paper titled ‘Combating Islamist terrorism: Muslim Brotherhood and Jamaat-e-Islami’ said people in Bangladesh in its five thousand year-old history have always lived in harmony and amity, and enjoyed a rich tradition of secular humanism. The Sufis who preached Islam in Bengal respected local cultures and traditions but it was Jamaat-e- Islami founded in 1941 by Abul Ala Maududi introduced political Islam dubbed with terrorism. Maududi also declared ‘Jihad as compulsory for each and every Muslim. Mr Kabir said, the US State Department, as well as the Western policymakers consider ‘Jamaat-e Islami’ and ‘Muslim Brotherhood’ as ‘moderate Islamic democratic parties’, but there are hundreds of evidences that these parties are linked with global Islamist terrorist network. While setting up Jamaat-e- Islami Maududi shared his ideas with Hassan Al Banna of Egypt who formed Ikhwanul Muslemin (Muslim Brotherhood) in 1928. Both of these Islamic ideologues were inspired by Mohammad Ibn Abdel Wahhab (CA 1703-1792), Imam Takiuddin Ahmed Ibn Taimiyah (CA 1263-1328) and Imam Ahmad Ibn Hunbal (CA 780-855). All whom placed “Jihad” as the supreme task of a Muslim i.e. as a trooper of Allah to kill infidels and apostates. Without understanding of Maududism or Wahhabism and without an effective counter-narrative of these ideology it will be impossible to eliminate terrorism in the name of Islam. He finally said, ‘No government can fight terrorism alone, terrorism that is generated in the name of a global religion. In order to protect humanity, civil society should come forward to prepare a de-radicalization strategy for respective governments, which will promote secular humanism across the world.’

The second keynote speaker was Meghna Guhathakurta, ex Prof of Dhaka University & Director at Research Initiatives and her paper was tilled ‘Political Islam in Bangladesh: global networks, terrorist trends and its impact on women and minorities’. She said, ‘The militants take up Islam as political ideology and a way of life. They have an orthodox interpretation of Islam, is antithetically disposed to the secular nature of the constitution and the social fabric of society, maintains external connections and views militancy as a legitimate means to attain their goals.’ She also talked about the impact of extremism on women and how legal entitlements of women were dictated by ‘personal laws’, issuing fatwas against women, restricting women’s mobility and impacting on women’s empowerment. She further highlighted its impact on minorities using Islam as majoritarianism hegemonic tool and implicating minorities in the identity politics of the majority community.
Other panel guest speakers in this session was Imam Dr Usama Hasan, Head of Islamic Studies, Quilliam Foundation, UK who gave a talk on “Reclaiming Islam from Extremism” and Martin Bright, Prof of Journalism, Anglia Ruskin University, UK who acted as a discussant.

The second session under the topic ‘Impact of Terrorism, Civil Action and Policy Options to Resist it’ was chaired by Prof Tazeen Murshid, Universite Libre de Bruxelles & Director, Development Research Cooperation. Presentations were made by Remi Kempers, Director, Both Ends, The Netherlands, Dr Willem van der Geest, Economist, formerly Director at United Nations Department of Economic and Social Affairs on ‘The Economic Consequences of Terrorism’, Maolana Feroz Alam, Ahmadiyya Muslim Jamaat, UK from Islamic perspective, Ilyas Sherally, Chairman, MASQRIQ, Netherlands about European foreign fighters, Ted Jeory, Investigating Editor, The Independent, UK poising questions and finally Maria Laura Franciosi, Press Club Brussels about the migrants angle in this debate.
The sessions were followed by Q & A and general discussion. Amongst some of those who took part in the general discussion and attended were M A Hadi, Ahmadiyya Muslim Association Merton, UK, Tarun Kanti Chowdhury, Swedish Nirmul Committee, political activist from Brussels Murshed Mahmud, Egyptian journalist Mohamed Baraka, Ana-Beariz Martins. European External Action Service, Carolyn Ouchterlony, Claude Eeman, Dirk Saam, NETZ, Germany, Eric Damiens, Belal Hossain Jamal & Shahin from French Nirmul Committee, Jaegere Sabine, Joseph Morgan, John McClintock, Laura Hieber, Magda Eeman, Mathis Geisler, Pamela Somerset, Rahman Khalilur, Swiss Nirmul Committee, Rubaiyat Muksed Rubel, Sujaur Chowdhury, Sumana Barua, BASUG, The Netherlands, Thomas Ouchterlony, Dorin-Mihai PALAGHICIUC, European External Action Service, Elena Moreno, ASIAPAC and Antoine Monnier.
Brussels host & Community activist, Brussels Commonwealth Liaison Coordinator Anar Chowdhury brought the proceeding to an end announcing the conference to be held in Geneva in March 2017.

তিনি আমাদের বিবেকের বাতিঘর হিসেবে বেঁচে থাকুন সৃষ্টিকর্তার কাছে এটাই কামনা করি ‘‘একজন ইসহাক কাজল’’ গ্রন্থের আলোচনা অনুষ্টানে বক্তারা

লন্ডনঃ যে মানুষটির মাঝে কোন পরিবর্তন দেখিনি, যে আদর্শে বিশ্বাস করতেন আজো সেই আদর্শে অটল রয়েছেন, তিনি হচ্ছেন ইসহাক কাজল। বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে লেখক-সাংবাদিক এবং বামরাজনীতিক হিসেবে পঞ্চাশ বছরেরও বেশী সময় ধরে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন তিনি আমাদের মধ্যে দীর্ঘ দিন সুস্থ শরীরে বিবেকের বাতিঘর হিসেবে বেঁচে থাকুন মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে এটাই কামনা করি। ক্যানসার আক্রান্ত বৃটেনের প্রবীন সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ইসহাক কাজলের কর্মময় জীবনের উপর জনমত সম্পাদক নবাব উদ্দিন ও গবেষক ফারুক আহমদের যৌথ সম্পাদনায় প্রকাশিত গ্রন্থ ‘‘ একজন ইসহাক কাজলের’’ প্রকাশনা অনুষ্টানে বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা বলেন তিনি শুধূ একজন সাংবাদিক বা রাজনীতিকই নন ১৯৭১ সালে দেশ মাতৃকার টানে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। লেখক হিসেবে পেয়েছেন বাংলাএকাডেমী প্রবাসী সাহিত্য পুরস্কার সহ একাধিক পুরস্কার। বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের রাজনীতির জন্যে ‘‘রাজ পথের রাজা’’ হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছেন। বক্তারা প্রবীণ এই সাংবাদিকের দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন এই মানুষিেট আমাদের পেরণার উৎস। গতকাল ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় ইষ্ট লন্ডনের ওসমানী সেন্টারে প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ নাহাশ পাশার সভাপদিত্বে ও সাংবাদিক সায়েম চৌধুরীর সঞ্চালনয় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের মিনিষ্টার প্রেস সাংবাদিক নাদিম কাদির। বিবেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থের দু‘সম্পাদক ফারুক আহমদ, নবাব উদ্দিন ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আতিক চৌধুরী এবং যাকে ঘিরে অনুষ্টানের আয়োজনা করা হয় সেই গ্রন্থের নায়ক শারিরিক ভাবে অসুস্থ সাংবাদিক ইসহাক কাজল। সাংবাদিক আব্দুস সাত্তারের লিখিত মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ থেকে আগত নাট্যকার শাকুর মজিদ, সাংবাদিক আবুমুসা হাসান, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন, সাংবাদিক মোহাম্মদ বেলাল আহমদ, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সাংবাদিক সৈয়দ আনাছ পাশা, বিবিসি‘র মাহবুব হোসেন, চ্যানেল আই ইউরোপেরে ম্যানেজিং ডিরেক্টর রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী শোয়েব,লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী এমদাদুল হক চৌধুরী, সাংবাদিক মোসলেহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সেন্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহিবুর রহমান মুহিব, বিবিসিএ-এর সেক্রেটারী শাহানুর খান, মোহাম্মদ জোবায়ের, এম এ কাইয়ুম সহ আরো অনেকে। সাংবাদিক ইসহাক কাজল বলেন আমি জানতামনা আপনারা আমাকে এতো ভাল বাসেন, আজ এখানে উপস্থিত হয়ে জানতে দেখতে পারলাম আমার জন্যে এই সারপ্রাইজ। আমি সত্যিই অভিভুত, যারা আমার সম্পর্কে লিখেছন তারা অত্যন্ত মনপ্রান উজাড় করে লিখেছেন আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ, এ ্ঋন শোধ করার নয়। প্রবীণ সাংবাদিক অমর একুশে গানের রচয়িতা আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারের বিমান মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সহ বৃটেন, বাংলাদেশ, কানাডা এবং আমেরিকার ৫৩জন লেখকের লিখা স্থান পেয়েছে এই গ্রন্থে।

নবীগঞ্জে সাব-সেক্টর কমান্ডার মাহবুবুর রব সাদীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)সংবাদদাতা:মুক্তিযুদ্ধের সাব সেক্টর কমান্ডার, সাবেক এমপি মাহবুবুর রব সাদী বীর প্রতীক রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দিবাগত রাতে মুত্যু বরণ করেছেন (ইন্না……….রাজিউন)। গতকাল সোমবার ঢাকা থেকে মরদেহ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে নিয়ে আসা হলে জে,কে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় দলমত নির্বিশেষে কয়েক সহশ্রাধীক মানুষের অংশ গ্রহণে বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রথম নামাজে জানাজা নবীগঞ্জ জেকে স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২য় নামাজে জানাজা মাহবুবর রব সাদীর গ্রামের বাড়ির পাশে সাতাইহাল খেলার মাঠে বিকাল ৫টায় সম্পন্ন হয়। মরহুমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,আজ(মঙ্গলবার ১৮/১০/২০১৬)দুপুরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ৩য় নামাজে জানাজা শেষে মরহুমের ছেলে দেশে ফিরলে মিরপুর বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে দাফন করা হবে।মাহবুবুর রব সাদীর পৈতৃক বাড়ী হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বনগাঁও গ্রামে। তিনি দেওয়ান মো: মামুন চৌধুরী পুত্র ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সেগুপ্ত বখত চৌধুরীর ভাই। মাহবুবুর রব সাদী ১৯৭১ সালে শিক্ষার্থী থাকাকালীন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ভারতে প্রশিক্ষণ শেষে তিনি ৪ নম্বর সেক্টরের জালালপুর সাব-সেক্টরের অধিনায়ক নিযুক্ত হন। তাঁর নেতৃত্বে অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এর মধ্যে কানাইঘাট থানা আক্রমণ অন্যতম। মুক্তিযোদ্ধের অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ তাকে বীর প্রতীক উপাধীতে ভূষিত করা হয়। পরবর্তীতে তিনি জাসদ (রব) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মাহবুবুর রব সাদীর মুত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের সংসদ সদস্য এম এ মুনিম চৌধুরী বাবু,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুর উদ্দিন(বীর প্রতীক),সাবেক পৌর মেয়র অধ্যাপক তোফাজ্জল ইসলাম চৌধুরী,পৌর মেয়র আলহজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী,নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক রাকিল হোসেন,উপজেলা আওয়ামীলীলের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান স্বপন দৈনিক মানব কন্ঠ নবীগঞ্জ প্রতিনিধি মুহিবুর রহমান,জেলা তালামীযের সভাপতি আব্দুল মুহিত রাসেল,ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল আজাদ শাহজাহান প্রমূখ।

সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপি’র সভায় হাতাহাতি : ইউকে বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালেক লাঞ্চিত

আন্দাবিল রহমানঃ হাতাহাতি ও চরম হট্রগোলের মধ্যদিয়ে সেন্ট্রেল লন্ডন বিএনপি আয়োজিত সভার সমাপ্তি ঘটেছে। গেল ১১ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় কেমডেনের ডামন ষ্ট্রীটের টেইষ্ট অব ইন্ডিয়া রেষ্টুরেন্টে বিএনপি‘র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের উপর থেকে সব মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে এই সভার আয়োজন করা হয়। সেন্ট্রেল লন্ডন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি‘র সভাপতি এম এ মালেক, সেক্রেটারী কয়ছর এম আহমদ, যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক আহবায়ক দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি লুৎফুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও যুক্তরাজ্য স্বেচ্চাসেবক দলের সেক্রেটারী আবুল হোসেন সহ ইউকে বিএনপি‘র সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। সভার কাজ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ঘটে অনাকাঙ্খিত এক ঘটনা। বিএনপি‘র পদবঞ্চিত এবং পাওনাদার হিসেবে দাবীদার ৭/৮ জনের একটি গ্রুপ হঠাৎ করে চড়াও হয় ইউকে বিএনপি‘র সভাপতি এম এ মালেকের উপর। তাদের দাবী ইউকে বিএনপিতে পদ পাইয়ে দেয়া ও ঘর কেনার অজুহাতে জনাব এম এ মালেক তার নিকটাত্মীয় আব্দুল কাইয়ুম স্বপনের কাছ থেকে ২০১১ সালে ৭০ হাজার পাউন্ড গ্রহন করেন। স্বপনের ভাষ্যমতে মালেক তাকে ঘর কিনে নাদিয়ে সব টাকাই আত্মসাতের চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি নিরুপায় হয়ে মালেকের স্ত্রী ও তার ভাইয়ের স্মরনাপন্ন হলে মালেকের ভাই ও স্ত্রীর মাধ্যমে ৩৫ হাজার পাউন্ড বিভিন্ন সময়ে ক্যাশ ও ব্যাংকের মাধ্যমে ফেরত পান। বাকী টাকা চাইতে গেলে তিনি টালবাহনা শুরু করেন। স্বপন আরো জানান তার পাওনার বিষয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপির অধিকাংশ সদস্যই ওয়াকিবহাল রয়েছেন, তিনি বিভিন্ন সময়ে তার পাওনার বিষয়ে তাদের কাছে ধর্না দিয়েছেন তাতে কোন লাভ হয়নি। অন্যান্যদের দাবী জনাব মালেক তাদেরকে ইউকে বিএনপিতে পদ পাইয়ে দেবার নামে টাকা গ্রহন করলেও ইউকে বিএনপিতে তাদের কোন পদ দেয়া হয়নি। তাৎক্ষনিক ভাবে উপস্থিতদের মধ্যস্থতায় জনাব মালেক হামলাকারীদের হাত থেকে রেহাই পান। এবিষয়ে সভায় আগত অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন তাৎক্ষনিক ভাবে তারা বিষয়টি মিটমাট করে দিয়েছেন,তবে লেন-দেনের বিষয়টি পারিবিারিক ভাবে শেষ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি জনাব এম মালেকের সাথে যোগাযোগ করা হলে জনাব মালেক জানান ১১ তারিখ এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। একটি মহল তার জনপ্রিয়তায় ইর্শান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তার কোন পাওনাদার নেই বলেও তিনি জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এর কোন প্রমাণ নেই কেউ দেখাতে পারবে না। তিনি আরো বলেন, কারো পাওনা থাকলে অযথা তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার না করে আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। জনাব মালেক বলেন, একটি মহল তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে একের পর এক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

লন্ডনের রাজ পথে মহররমের তাজিয়া মিছিল

লন্ডনঃ অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও লন্ডনের রাজপথে মর্হরমের মিছিল বের করা হয়, বিগত বছর গুলোর চেয়ে এবারের মিছিলটি ছিল সম্পুর্ণ ব্যাতিক্রমী। ইতিপূর্বে শুধু পাকিস্থান থেকে আগত শিয়া তরিকার অনুসারীরা এই মিছিলের আয়োজন করলেও এবারে তাদের সাথে যোগ হয়েছে বাঙ্গালী ভারতীয় এবং ইরানী সম্প্রদায়ের মানুষ। মিছিলটি লন্ডন সময় সকাল দশটায় ইষ্ট লন্ডনের রমফোর্ড রোডের ঈমামিয়া মসজিদ থেকে শুরু হয়ে রমফোর্ড রোড, আপটন লেন, প্লাষ্টো এবং গ্রীণষ্ট্রীট হয়ে আবার ঈমামীয়া মসজিদে এসে শেষ হয়। এসময় মিছিল কারীরা আইএস বিরুধী ব্যানার বহন করে, এতে লিখা ছিল ব্রিটিশ মুসলিমেরা জঙ্গিবাদে বিশ্বাস করেনা, আইএস ইসলামের শত্রু। এছাড়া ঈমাম হোসাইন (রাঃ) নিয়ে বিভিন্ন মনীষীর বানী সম্বলিত লিফলেট প্রচার করে এতে মহাত্মা গান্ধী, ইংরেজ নভেলিষ্ট চার্লস ডিকনেন্স, ইংলিশ ইতিহাসবিদ এডওয়ার্ড গিভডন এবং স্কটিশ হিষ্টুরিয়ান থমাস কার্লের ঈমাম হুসাইন(রাঃ) সম্পর্কে প্রশংসা সূচক মন্তব্যগুলো স্থান পায়।

Bangladesh High Commission dedicates cultural programme to freedom fighters & martyrs Ansar Ahmed Ullah

The Bangladesh High Commission in London hosted the “Summit Bangladesh Evening” on 9 October at the Brady Arts Centre in the heart of London’s Bengali diaspora. It was dedicated to the freedom fighters and martyrs of the 1971 Bangladesh War.

The programme, which started with the song “Joi Bangla, Banglar Joi”. Nadeem Qadir, Minister (Press), anchored the programme, while British-Bangladeshi artists Shameem Azad, Smrity Azad, Gouri Chowdhury, Hashi Rani and Sobira Sultana Sonia performed at the event.

Nadeem Qadir, in his introductory remarks said, he was happy to be able to organise the programme, the first ever by the High Commission in the Brady Arts Centre. He said the programme had three dimensions, to present Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman’s Golden Bangla, provide young talents a platform and bridge Bangladeshis and British-Bengalis. Prime Minister Sheikh Hasina in particular wants that Bangladesh and its youths are projected properly, Nadeem Qadir added.

He thanked the sponsors Summit Communications Ltd, Dhaka, London Borough of Tower Hamlets, London Tradition, Hillside Travels, Sonali Business Centre, Faith Printers, Quantum securities, JMG Cargo, BBCCI, Bangla TV and Hamlets Training Centre.

Media partners were Bangla TV, Weekly Janomot and Betar Bangla. Speaking on the occasion, Mr. Nahas Pasha, Chief Editor of weekly Janomot said that such programmes should be held regularly. Channel I Europe Managing Director Mr. R. A. Faisol Chowdhury (Shoaib) praised Nadeem Qadir, saying the press (minister) was very active and have been doing things that none had done before. Hillside Travel Managing Director, Mr. Helal Uddin Khan, said he would continue to support High Commission programmes. Mr. Unmesh Desai of the Greater London Council said the programme was perfect to uphold Bangladesh. A similar programme was staged at the London’s prestigious Nehru Centre on 6 Oct.

Support Harmuz Ali to transform Jagannathpur into a model Upozila Ansar Ahmed Ullah

To take Jagannathpur forward in development an able efficient Harmuz Ali is needed said speakers at a meeting organised by NRB Friends of Jagannathpur held on 9 Oct at Waterlily venue, East London.

The meeting was chaired by UK Awami League’s President Sultan Mahmud Shariff with Chief Guest Abdul Gaffar Choudhury. The meeting was conducted jointly by AL’s Sports Secretary Tarif Ahmed & Jubair Ahmed.

Speakers appealed to Prime Minister Sheikh Hasina seeking support for Awami League nomination of Muhammed Harmuz Ali as a Non-Resident Bangladeshi (NRB) candidate for the forthcoming Jagannathpur Upozila Parishad election.

Other guest speakers were Alhj Shamsuddin khan, Secretary Syed Faruk, Brick Lane Mosque’s Chair Sajjad Miah, Bangladesh Welfare Association’s Secretary Nurul Islam, Ch I’s Director Reza Ahmed Faisal Chowdhury Shoeb, Abdul Ali Rouf, Khaleda Mustaq Qureshi, Husnera Matin, Anjumanara Anju, Nazma Hussain, Muslima Shams Bonny amongst many others.

Harmuz Ali’s Election manifesto was read out by Jagannathpur Education Trust’s Secretary Mallick Abdul Wadud Shaku.
The meeting appealed to all to support Muhammed Harmuz Ali’s campaign to transform Jagannathpur into a model Upozila through good governance and progressive development.

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net