শিরোনাম

Monthly Archives: ডিসেম্বর ২০১৬

নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন: আজাদ সভাপতি, সলিল সম্পাদক

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা: বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ২০১৭ সালের কার্যকরী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে দৈনিক সমকাল ও দৈনিক সবুজ সিলেট পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি এম এ আহমদ আজাদ-কে সভাপতি এবং দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি সলিল বরণ দাশকে সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষনা করা হয়। এছাড়া কার্যকরী কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার (দৈনিক যুগান্তর), সহ-সভাপতি এম মুজিবুর রহমান (দৈনিকআমার সংবাদ), যুগ্ম সম্পাদক মতিউর রহমান মুন্না (বাংলা টিভি (ইউকে, দি বাংলাদেশ টুডে), অর্থ সম্পাদক আকিকুর রহমান সেলিম (দৈনিক বিজয়ের প্রতিধ্বনি), অফিস সম্পাদক এটিএম জাকিরুল ইসলাম (দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট, শাখা বরাক), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ (দৈনিক প্রতিদিনের বাণী)। নির্বাহী সদস্যরা হলেন, (পদাধিকার বলে) সাইফুল জাহান চৌধুরী (দৈনিক ইত্তেফাক) ও (পদাধিকার বলে) রাকিল হোসেন (চ্যানেল এস ও দৈনিক সিলেটের ডাক), ফখরুল আহসান চৌধুরী (দৈনিক ইনকিলাব), এটিএম সালাম (দৈনিক আলোকিত সময়, হবিগঞ্জের জনতার এক্সপ্রেস), উত্তম কুমার পাল হিমেল (দৈনিক উত্তর পূর্ব, দৈনিক খোয়াই), আশাহীদ আলী আশা (দৈনিক স্বদেশ বার্তা), শাহ মনসুর আলী নোমান (দৈনিক খবর পত্র)। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে এক সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফখরুল আহসান চৌধুরী আনুষ্ঠানিক ভাবে বিভিন্ন পদে নির্বাচিতদের নাম ঘোষনা করেন। এর পূর্বে নবীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের বিদায়ী সভাপতি সাইফুল জাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভায় বিগত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসেব পেশ করেন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক রাকিল হোসেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত হিসাব নিকাশ পাশ করা হয়। এসময় প্রেসক্লাবের অন্যান্যের মধ্যে সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী বিভিন্ন পদে যাঁরা মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন তাদের বিপরীতে কোন প্রার্থী না থাকায় তাঁদেরকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

সৌদি আরবের সড়কে প্রাণ গেল নবীগঞ্জের আহাদের

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা: নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের জিয়াপুর গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র আব্দুল আহাদ (৪৭) সৌদি আরবে মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।(ইন্না,,,রাজেউন)। নিহত পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিগত ২৮ডিসেম্বর বিকেলে আব্দুল আহাদ মটর সাইকেল নিয়ে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের আল খারিজ শহরে তার ব্যবসা প্রতিষ্টানে যাবার পথে অপর দিক থেকে আসা একটি বাসের সাথে তার মটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মটরসাইকেলটি দুমড়ে মুছড়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহত আব্দুল আহাদের ছোট ভাই মানবাধিকার কর্মী মাহবুব খছরু জানান, আহাদ বিগত ২০বছর ধরে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে বসবাস করছেন। সর্বশেষ তিনি গত ১৮মাস আগে দেশে এসেছিলেন। দেশে তার এক ছেলে রয়েছে। সে ৫ম শ্রেণীতে পড়ছে। লাশ সৌদি আরবেই দাফন করা হবে বলে তিনি জানান। এদিকে আব্দুল আহাদের মৃত্যুর খবরটি দেশে তার বাড়িতে এসে পৌছলে পরিবারের লোকজনসহ আত্বীয় স্বজনদের মধ্যে শুরু হয় কান্নার মাতম। এ সময় এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

ইসরায়েল কেন একটি অবৈধ রাষ্ট্র?

img_1847 শামস রাশীদ জয়

অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলকে ‘অবৈধ রাষ্ট্র’ বলে আমি আখ্যা দেই। দিয়েই যাবো। তবে প্রশ্ন এসেছে, তাই সবার জন্য নিজের চিন্তাগুলো লিখে রাখলাম। ইউ ক্যান এগ্রি টু ডিস্যাগ্রি, বাট আই স্ট্যান্ড বাই মাই কনভিকশন।

ইসরায়েল একটি অবৈধ রাষ্ট্র, কারণ:

১/ বাংলাদেশ এই রাষ্ট্রকে স্বীকার করে না।

২/ বাংলাদেশ সম্পূর্ণ ভুখন্ডটিকেই ফিলিস্তিন নামক দেশ মনে করে। যেই ফিলিস্তিন হলো ধর্ম নির্বিশেষে সকল ইহুদি, খ্রিস্টান, মুসলিম, দ্রুজ, ডেভিডিয়ান ধর্মবিশ্বাসী ফিলিস্তিনিদের দেশ। এবং ফিলিস্তিনের সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে #বঙ্গবন্ধু’র নির্দেশে অংশগ্রহণকারী দেশ আমরা। মানবতার পক্ষে এবং ন্যায়ের পক্ষে থাকবার জন্যেই আমরা বাংলাদেশ এই সংগ্রামে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে, সুস্পষ্টভাবে, ছিলাম-আছি-থাকবো।

৩/ বাংলাদেশ সৃষ্টিই হয়েছিল অসাম্প্রদায়িক চেতনায় একটি তীব্র সাম্প্রদায়িক চেতনার এবং সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে তৈরি করা একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিদারুণ রক্তাক্ত একটি যুদ্ধ করে। অন্য দেশে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক জাতীয়তার তত্ত্বে আমরা সমর্থন দিতে পারি না।

৪/ এই অবৈধ রাষ্ট্রটি তৈরি হয়েছে ভিয়েনা কনভেনশনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘনের মাধ্যমে।

৫/ এই অবৈধ রাষ্ট্রটি তৈরি হয়েছে দূরদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসীদের দ্বারা।

৬/ এই রাষ্ট্রটি তৈরি হবার সময় এই দেশের সকল স্থানীয় নাগরিকের নাগরিকত্ব হরণ করা হয়েছে, বাসস্থান হরণ করা হয়েছে, কার্যত পুরো জনগোষ্ঠীকেই বন্দী করা হয়েছে।

৭/ আবির্ভাবের পর থেকে এটি রাষ্ট্র না, বরং একটি মূর্তিমান সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

৮/ যেহেতু ইসরায়েল নামক অবৈধ রাষ্ট্রটির সরকার গঠিত হয় সেই অবৈধ রাষ্ট্রের সকল সদস্যরুপী নাগরিকদের ভোটের মাধ্যমে, এবং যেহেতু এই রাষ্ট্রের গত ৬৬ বছরের অবিরাম সন্ত্রাস কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, সেহেতু সেই অবৈধ রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের উপর সেই সন্ত্রাসের দায় বর্তায়।

৯/ যেহেতু বিশ্বের মোড়ল দেশগুলো ব্যক্তি সাদ্দামকে উৎখাতযোগ্য ঘোষণা করেছিল ব্যাপক বিধ্বংসী মারণাস্ত্র (WMD) রাখার অভিযোগে, যেহেতু সেই অভিযোগের মাত্রার কমপক্ষে দুইশো গুণ বেশী WMD ইসরায়েলকে বিশ্বের বড় মোড়লটি সরবরাহ করেছে জাতিসংঘের আইন ভঙ্গ করে এবং যেহেতু সেই সকল WMD গত চল্লিশ বছর ধরেই অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের কাছে এবং তাদের অভ্যন্তরীন গণতন্ত্র সেগুলো ধারণ করছে, সেহেতু আস্তো ইসরায়েল রাষ্ট্রটিই উৎখাতযোগ্য।

সম্পূরক বৃত্তান্ত। যারা যারা ফিলিস্তিনকে ইসরাইলীদের মাতৃভূমি মনে করেন তাঁদের জন্য কিছু কথাঃ

১৯৪৫ এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাবার পর ১৯৪৮এর ইসরায়েলের স্বাধীনতা ঘোষণা করা পর্যন্ত তিন বছরে ইহুদি সম্প্রদায়ের যে জনগোষ্ঠী ফিলিস্তিনে অভিবাসন নিল, দখলদার বৃটিশদের ছত্রছায়ায়, তাঁরা কারা? তাঁরা মূলত ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ইহুদি ধর্মবিশ্বাসী মানুষ। পোল্যান্ড, জার্মানি, চেকোস্লোভাকিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেইন, রাশিয়া, বেলারুশ, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ইত্যাদি বিভিন্ন দেশের নাগরিক। যারা শতাব্দীর পর শতাব্দী সেইসব অঞ্চলের-দেশের নাগরিক। যেইসব দেশের তাঁরা নাগরিক হয়েও ছিলেন অত্যন্ত নিপীড়িত। অনেক জায়গায় আইন করে তাঁদের জমির অধিকার হরণ করা হয়েছিল। বাধ্য হয়েছিল তাঁরা ব্যবসা বাণিজ্য জ্ঞান বিজ্ঞানে মনোনিবেশ ও উন্নতি করার জন্য।

১৯৪৮ এর পর উত্তর আফ্রিকা ও এশিয়ান আরব দেশগুলোতে বিভিন্ন পকেটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইহুদিরাও অস্ত্রশক্তির জোরে এসে বসত গড়ে এই অবৈধ রাষ্ট্রটিতে। ইউরোপ, আফ্রিকা আর এশিয়ায় এই ছোট ছোট জনগোষ্ঠীর পকেটগুলো সৃষ্টি হয়েছিল ব্যপক ধর্মান্তকরণের ফলে। মুসা নবী (আ:) এর অনুসারীদের মধ্যে যারা ঈসা নবী (আ:) এর অনুসারী হয়ে খ্রিস্টান হয়েছেন এবং হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর অনুসারী হয়ে মুসলিম হয়েছেন, এই দুই বৃহৎ অংশ বাদ দিয়ে যারা রয়ে গিয়েছিন মুসা নবী (আ:) এর অনুসারী হিসেবে তাঁরাই ১৯৪৮ বা আজকের ইহুদি সম্প্রদায়। জনসংখ্যা খুবই কম হবার বড় একটা কারণ, বিগত কয়েক দশকের কিছু উদ্যোগ ছাড়া গত দু’হাজার বছরে তাঁদেরকে কখনও ভিন্ন ধর্মের ব্যক্তিদের কাছে ধর্ম প্রচার করে ধর্মান্তকরনে আকৃষ্ট করতে দেখা যায় নি। শতকরা অনুপাতে এই পকেটগুলো তাই ছোটই থেকে গেছে।

ফিলিস্তিন নামক দেশটি থেকে তাঁদের (ভিনদেশি ইহুদিদের) পূর্বপুরুষকে কখনও উচ্ছেদ করা হয়েছে এমন কোনো ইতিহাস নেই। বর্তমানের এই অবৈধ অভিবাসী জনগোষ্ঠীর পূর্বপুরুষেরা স্বেচ্ছাতেই বিভিন্ন দূরদেশের অধিবাসী ছিলেন প্রায় দু’হাজার বছর।

এই দু’হাজার বছরই ইউরোপের দেশে দেশে ইহুদীদের সাথে খ্রিস্টানদের এক ধরণের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও অবিশ্বাস বজায় ছিল। উত্তেজনার একটা আদর্শিক কারণ, ইহুদিরা সবসময়ই বলে আসেন যে যীশু খ্রিস্ট বা ঈসা নবী (আ:) একজন ইহুদি ছিলেন। সেই সব দেশের এই টানাপোড়েন এর জন্য কখনই ফিলিস্তিনি মুসলিম-ইহুদি-খ্রিস্টান-দ্রুজ-ডেভিডিয়ানরা দায়ী ছিল না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপ জুড়ে ইহুদি নিধনের জন্য আর কেউ দায়ী নন – ইউরোপের মানুষেরাই দায়ী। এবং তাঁদের সমাজপতিরা নিশ্চিত ছিলেন, এই সমস্যা তাঁরা সমাধান করতে পারবেন না। পারস্পরিক ঘৃণা এতই বেশী। সহজ সমাধান হলো তাঁদের ইউরোপ থেকে বের করে দেয়া। জোর করে উচ্ছেদ করা হলে তো হিটলারি অপরাধ হবে। তাই, লোভ দেখিয়ে তাড়ানো হলো। বলা হলো ফিলিস্তিনই তো তোমাদের প্রমিসড ল্যান্ড তোমরা তো এখানে বিদেশী, যাও নিজের ঘরে যাও। দখল করে দিয়েছি তোমাদের জন্য সেই প্রমিসড ল্যান্ড, যাও গিয়ে দখল বুঝে নাও। ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক একটা সমস্যার একটা পুঁজিবাদী রাজনৈতিক কুটিল সমাধান দেয়া হলো। এক ঢিলে দুই পাখি। দ্বিতীয় পাখিটা খুব মূল্যবান, জমির অধিকার সম্পত্তির অধিকার হরণের ফলে যেহেতু ইহুদীরা বহু শতাব্দী ধরে ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছে ব্যবসা বাণিজ্যে জ্ঞান বিজ্ঞানে, সেই ধন ও জ্ঞান সম্পদের ধারনকারী সম্প্রদায়ের সাথে কৃতজ্ঞতাসূত্রে শত্রুতানাশ ও পরম বন্ধুত্বলাভ।

মুসলিমদের সাথে ইহুদিদের কোনো ঐতিহাসিক সাম্প্রদায়িক শত্রুতা ছিল না। ১৯৪৮ এর আগ পর্যন্ত। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা যায়, ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর জীবনে একটিই চাকরি করার ঘটনা আছে। সেই চাকরিটি করেছিলেন তিনি একজন ইহুদি ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে।

সমস্যাটি তাহলে হচ্ছে কেন?

মানবজাতির বিভিন্ন অংশের বিশ্বাসের জায়গায় থাকা ধর্মগুলো সবই শান্তির কথা বলে, মুক্তির কথা বলে, মানবতার কথা বলে। শান্তির সেরা অস্ত্র এখনও ধর্মই। এজন্যেই কি অশান্তির ব্যবসায়ীরা ধর্মব্যবসাকে পেশা হিসেবে নেয়? তাঁদের ব্যবসার সবচেয়ে বড় বাধাটিকে বিকল করে দেবার জন্য?

ধর্মব্যবসায়ীরা মূলত অশান্তির ব্যবসায়ী, জাগতিক লোভতাড়িত ঘৃণার ও ভীতির ব্যবসায়ী। ধর্মব্যবসায়ীদের পোশাকী ধর্মীয় পরিচয় মুসলিম, সনাতনী, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ইহুদী যাই হউক না কেন, তাঁদের পণ্য ধর্মব্যবসা, অশান্তিব্যবসা, ঘৃণাব্যবসা, ভীতিব্যবসা। এইসব ব্যবসার সম্পদের খাতায় ওঠে ক্ষমতা এবং লাভের খাতায় ওঠে সেই ক্ষমতা ব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ।

এক ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ধর্মব্যবসায়ীর উস্কানিতে আরেক ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষের উত্তেজিত হওয়া, ঘৃণার আগুনে জ্বলে ওঠা, সহিংসতায় জড়ানো, মূলত বহুজাতিক ধর্মব্যবসায়ী নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করার বিভিন্ন ভিত্তিস্তম্ভ। সাধারণ মানুষকে প্রতিক্রিয়াশীলতার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়াই এই ব্যবসার মূল কৌশল। এই ব্যবসা থামবে না, যতদিন না আমরা সাধরণ মানুষেরা প্রতিক্রিয়াশীলতার ব্যধি থেকে মুক্ত না হবো।

কাজেই, সুপ্রিয় পাঠক,

দয়া করে, ফিলিস্তিনিদের মুসলমান হিসেবে দেখবেন না, ওরা মানুষ। আর সব ফিলিস্তিনি মুসলমান নন। ওদের দেশে স্বাধীন নাগরিক হিসেবে শান্তিতে থাকা ওদের অধিকার, এই জগতের কসম।

দয়া করে ইসরায়েল নামক সন্ত্রাসী ধর্মব্যবসায়ী সংগঠনটিকে দীর্ঘ উনিশশো বছর ধরে ইউরোপে সাম্প্রদায়িকভাবে নিপীড়িত ইহুদি সম্প্রদায়ের দুখের প্রতিনিধি ভাববেন না।

দয়া করে মনে রাখবেন, ১৯৪৮ এর আগে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ফিলিস্তিন ছিল প্রায় সমান জনসংখ্যার ইহুদি-খ্রিস্টান-মুসলিম ফিলিস্তিনি ও স্বল্প সংখ্যার ডেভিডিয়ান ও দ্রুজ ফিলিস্তিনিদের শান্তিতে সৌহার্দে বসবাসের এক আবাসস্থলের নাম। কুমিল্লার মুসলিম যেমন আরব না, ইউক্রেইন বা পোল্যান্ডের ইহুদিও ফিলিস্তিনি না। ওরা ইউক্রেনিয়ান বা পোলিশ। তাঁদের মাতৃভূমি ইউক্রেইন বা পোল্যান্ড। ফিলিস্তিনে অভিবাসন চাইলে সভ্য সমাজের অভিবাসনের নিয়মেই তা হওয়া উচিৎ। ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের মাধ্যমে নয়। অভিবাসন, সেটা সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত, কোন্‌ কোন্‌ অভিবাসন ইচ্ছুককে তাঁরা গ্রীনকার্ড/পাসপোর্ট দেবে বা দেবে না।

ইসরায়েলকে অবৈধ রাষ্ট্র বলা মানে ইহুদিদের হেয় করা না। আর, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গর্বিতভাবে বিশ্বাসী একজন বাংলাদেশী হিসেবে সাম্প্রদায়িকভাবে কাউকে হেয় করার প্রশ্নই আসে না। আর, যে কোনো মানুষের মতো তাঁদেরও অধিকার আছে তাঁরা যেই যেই জাতীয়তার, সেই সেই জাতীয়তার ভিত্তিতে সেই সেই দেশের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হওয়ার। এই অধিকারটি ইউরোপের অনেকগুলো দেশ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাঁদের ব্যর্থতার দায় এমন নিষ্ঠুরভাবে কেন ফিলিস্তিনিদের উপর এসে পড়বে?

আমার প্রিয় মনিষীদের মধ্যে ইহুদি সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকজন আছেন। তবে, একজন গর্বিত বাংলাদেশী হিসেবে লেখাটি উৎসর্গ করলাম ইন্ডিয়ান আর্মির জেনারেল জে এফ আর জেকবকে। যিনি এই পৃথিবীতে আমার সবচেয়ে প্রিয় ইহুদি ব্যক্তিত্ব। যার তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর অসীম সাহসিকতায় ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ‘ঢাকা যুদ্ধ’ এড়ানো সম্ভব হয় এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রক্তচক্ষু ও যুক্তরাষ্ট্রের মহাশক্তিশালী সপ্তম নৌবহরের হুমকি সত্ত্বেও দখলদার পাকিস্তানীদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে মিত্রবাহিনী।

মানবতার জয় হউক। বিশ্বের ইহুদিরা শান্তি পাক। ফিলিস্তিনিরা শান্তি পাক।

নবীগঞ্জ হতে জেলা পরিষদে সদস্য পদে নির্বাচিত হলেন যাঁরা

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে: হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন নবীগঞ্জ উপজেলায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে গতকাল বুধবার সম্পন্ন হয়েছে। উimg_1845পজেলার মোট তিনটি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে দুপুরটা ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে ইনাতগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হীরা মিয়া গার্লস হাই স্কুল ও গোপলার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়।
সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ৪নং ওয়ার্ডে আব্দুল মতিন (আছাব) হাতী মার্কা প্রতীক নিয়ে। তিনি ২০ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামাল চৌধূরী (ফ্যান প্রতীক) পেয়েছেন ১৮ভোট। এই ওয়ার্ডে মোট ৮জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৫নং ওয়ার্ডে আব্দুল মালিক তালা প্রতীক নিয়ে ২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপন আহমেদ পেয়েছে ২৪ ভোট। উক্ত ওয়ার্ডে ৩জন প্রার্থী অংশ গ্রহণimg_1840 করেন। ৬নং ওয়ার্ডে এডভোকেট সুলতান মাহমুদ টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল খায়ের গোলাপ পেয়েছেন ১৬ ভোট। সদস্য পদে মোট ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

সংরক্ষিত সদস্য পদে শিরিন আক্তার হরিণ প্রতীক নিয়ে ১৫৬ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাজ্য প্রবাসী তরুনা বাহার হোসাইন কলি পেয়েছেন ৩৭ভোট। এদিকে চেয়ারম্যান পদে কোন প্রার্থীনা থাকায় আগেই জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ডা: মুশফিক হোসেন চৌধুরী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে হবিগঞ্জে নির্বাচিত হলেন যারা
হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে গতকাল বুধবার সম্পন্ন হয়েছে। ভোট কেন্দ্রেগুলোতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টাপর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। হবিগঞ্জে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে অধিকাংশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। সাধারণ সদস্যরা পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন ১নং ওয়ার্ডে নাজমুল হাসান, ২নং ওয়ার্ডে মনির হোসেন খান, ৩নং ওয়ার্ডে আশিক মিয়া, ৪নং ওয়ার্ডে আব্দুল মালিক, ৫নং ওয়ার্ডে আব্দুল মতিন আছাব, ৬নং ওয়ার্ডে সুলতান মাহমুদ, ৭নং ওয়ার্ডে আলাউর রহমান সাহেদ, ৮নং ওয়ার্ডে  নূরুল  আমিন  ওসমান,  ৯নং ওয়ার্ডে আব্দুল  মুকিত,  ১০নং ওয়ার্ডে আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, ১১নং ওয়ার্ডে মোর্শেদ কামাল, ১৪নং ওয়ার্ডে সৈয়দ শামীম, ১৫নং ওয়ার্ডে মহিউদ্দিন কামাল।
১২নং ওয়ার্ডে আদালতে মামলা থাকায় একটি কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। ১৩নংওয়ার্ডে মামুনুর
রশিদ ও ফরিদ আহমেদ তালুকদার ২৫টি করে ভোট পেয়েছেন। ফলে এ  ওয়ার্ডে কাউকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি। সংরক্ষিত   আসনে বিজয়ীরা হলেন (সংরক্ষিত-১) রওশন আরা আক্তার ভূইয়া লাকী, (সংরক্ষিত-২ শিরিন আক্তার, (সংরক্ষিত-৩) আলেয়া বেগম, (সংরক্ষিত-৪) সালেহা বেগম ও (সংরক্ষিত-৫) ফাতেমাতুজ্জহুরা রীনা।

এই জেলায় চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ডা: মুশফিক হোসেন চৌধুরী। চেয়ারম্যান পদে আর কোন প্রার্থী না থাকায় আগেই জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ডা: মুশফিক হোসেন চৌধুরী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

নবীগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় এনটিভি সাংবাদিক আহত ॥ সিলেট ওসমানীতে প্রেরণ ॥ আটক ১

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা: নবীগঞ্জের এনটিভি প্রতিনিধি মুহিবুর রহমান চৌধুরী তছনু সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেলের। সন্ত্রাসীরা তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে ও জিআই পাইপ দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করেছে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা বেগতিক দেখে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপালে প্রেরণ করেন। ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ অভিযান চালায়। ঘটনার সময় স্থানীয় জনতা হামলাকারী আবুল হোসেন (২৫) কে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে অন্যা?সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। অভিযান কালে পুলিশ হামলার সময় ব্যবহৃত একটি ট্রাকটর আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নবীগঞ্জ সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিক মুহিবুর রহমান চৌধুরী তছনু পেশাগত কাজে মোটরসাইকেল যোগে নিজ গ্রাম কুর্শি ইউনিয়নের ফুটারমাটি গ্রাম থেকে মহাসড়কের বিজনার পাড়ে সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ সংগ্রহের কাজে যাওয়ার পথে নবীগঞ্জ-আউশকান্দি সড়কের ফুটারমাটি গ্রামের প্রবেশ মুখে হঠাৎ একটি ট্রাকটর যোগে ৫/৬ জন সন্ত্রাসী তার পথরোধ করে তছনুর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ তাঁকে চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় তছনু ভাগ্যক্রমে রক্ষা পেলে ও কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই সন্ত্রাসীরা রামদা ও জিআই পাইপ দিয়ে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের আক্রমনে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় সন্ত্রাসীরা তার সাইট ব্যাগে থাকা একটি প্যানাসনিক এইচ-ডি ক্যামেরা ১টি ল্যাপটপ, ১টি ডি এসেলার ক্যামেরা ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তছনুর আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একই এলাকার এনাতাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের পুত্র আবুল হোসেন (২৫) কে স্থানীয় জনতা আটক করে উত্তম-মধ্যম দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে নবীগঞ্জ থানার এস আই সুজিত চক্রবর্তী একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে আসলে জনতা হামলাকারী আবুল হোসেনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। অভিযানকালে পুলিশ হামলার কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাকটর আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে লোকজন তছনুকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তছনুকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সাংবাদিক ও স্থানীয়দের ধারনা তছনুকে পুর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যার উদ্যেশ্যে সু-কৌশলে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছিল। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল বাতেন খান বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার মুল হোতাকে গ্রেফতার করেছে এবং হামলাকারীদের ব্যবহৃত একটি ট্রাকটর জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়। হামলাকারী অন্যান্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নবীগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ২৫

রাকিল হোসেন, নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজনারপাড় নামক স্থানে গত সোমবার রাত সাড়ে ১২টার সময় এনা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহি বাস ও পাথর বোঝাই ট্রাকের সাথে img_1831মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাক চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে বাস চালকসহ ২৫জন যাত্রীরা আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ১ঘন্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের ইনর্চাজ আব্দুর রহমান একদল পুলিশ নিয়ে ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আহত বাসযাত্রীদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান । শেরপুর হাইওয়ে থানার এসআই বিমল ভৌমিক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত ট্রাক চালকের নাম সাগর। তাঁর বাড়ি ঢাকায়। তাঁর স্বজনদের সাথে কথা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় কবলিত বাস ও ট্রাক শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

ইউরোপে প্রবাসীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনে কাজ করছে ইপিবিএ

লন্ডনঃ ইউরোপে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি প্রবাসীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও যোগাযোগ স্থাপনের সেতুবন্ধন হিসেবেকাজ করছে ইউরোপীয়ান প্রবাসী বাংলাদেশি এসোসিয়েশন (ইপিবিএ)। জন্মলগ্ন থেকে অরাজনৈতিক এই সংগঠনটি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ ও প্রবাসী স্বার্থ সুরক্ষায় কাজ করে আসছে ।
লন্ডন সফররত ইপিবিএ‘র কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার ওসমান হোসাইন মনির (ফ্রান্স), চীপ ট্রেজারার সরফ উদ্দিন আহমদ জুয়েল (জার্মানী) এবং ওমেন সেক্রেটারী সেলিনা আক্তার (ইটালী) এর সম্মানে আয়োজিত সম্বর্ধনা সভায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
গত ২৬ ডিসেম্বর সাউথ-ওয়েষ্ট লন্ডনের লেভেনডার হিলের খান রেস্টুরেন্টে সংগঠনের উপদেষ্টা আশরাফ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সিনিয়র ভাইস প্রেসিডন্ট তারাউল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট সহিদুর রহমান, ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল হাফিজ, ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসান আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ ইকবাল, সুলতান বাবর এবং সদস্য এম এ চৌধুরী লিটনের আয়োজনে কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট শাহনুর খানের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্বর্ধনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রেন্ট কাউন্সিলের মেয়র কাউন্সিলার পারভেজ আহমদ, এটিএন বাংলা ইউকের সিইও হাফিজ আলম বখত, ওয়েস্টমিনিস্টার কাউন্সিলের কাউন্সিলার রীতা বেগম, উইন্ডসর কাউন্সিলের কাউন্সিলার শামসুল ইসলাম সেলিম।
সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কমিশন ইউকে’র প্রেসিডেন্ট আব্দুল আহাদ চৌধুরী, সাংবাদিক গবেষক মতিয়ার চৌধুরী, ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের ডিরেক্টর মোহাম্মদ আহসান, সাবেক কাউন্সিলার ও বিবিসিএ‘র অর্গেনাইজিং সেক্রেটারী সেলিম চৌধুরী, বিবিসিএ‘র ভাইসপ্রেসিডেন্ট আব্দুল কুদ্দুস, একলাছুর রহমান, কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকের সভাপতি রেজাউল হায়দার রাজু, সাধারন সম্পাদক সাহেদ উদ্দিন চৌধুরী, জুরি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে’র সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন আহমদ, বিশ্ববাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর এর সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, সাবেক ছাত্র নেতা সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদ, সাইফূল ইসলাম খান, আব্দুল আহাদ, আব্দুল মোমিত মোক্তার, অলিউর রহমান চৌধুরী ফাহিম, তৌহিদুল আরেফিন রুহেল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন সম্প্রতি বাংলাদেশে দ্বৈত নাগরিকত্ব আইন নামে নতুন একটি আইন করতে যাচ্ছে সরকার। এ আইনের কয়েকটি দিক রয়েছে যা প্রবাসীদের স্বার্থের পরিপন্থি। এই আইনটি বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীরা হয়রানির শিকার হবেন, হারাতে পানের নাগরিকত্ব ও পৈতৃক সম্পদ। বক্তারা বলেন, দ্বৈত নাগরিকদের ভোটাধিকার দিয়েছিলেন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমাদের বিশ্বাস তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার এমন কোন পদক্ষেপ নেবেন না যা প্রবাসীদের স্বার্থের পরিপন্থি। এ সময় বক্তারা নতুন এই আইনরে ধারাগুলো পরিবর্তন করার আহবান জানান। বিষয়টি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনতে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি ও প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে চিঠি লিখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিলেট উপশহরের শাহজালাল ক্যাডেট মাদরাসার বার্ষিক ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী

সিলেট প্রতিনিধি:  উপশহরস্থ শাহজালাল ক্যাডেট মাদরাসার বার্ষিক ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত ২৪ ডিসেম্বর শনিবার মাদরাসার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। sahjalal-cadet-2
মাদরাসার অধ্যক্ষ হাফিজ মাওলানা ফয়েজ আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারি শিক্ষক তাজুল ইসলামের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লবিবুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী ও সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা নিজাম উদ্দিন, ভাইস প্রিন্সিপাল হাফিজ মোতাহির হোসাইন।
মাদরাসার সহকারি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা মহি উদ্দীনের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আরম্ভ হওয়া সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার সহকারি শিক্ষক কুতুব উদ্দিন, জাহেদ আহমদ, এনাম উদ্দিন আহমদ, মুহিবুর রহমান, সাইদুর রহমান, হাবিবুর রহমান, মুজিবুর রহমান, শাহীন আলম, বদরুজ্জামান, হোসনেআরা বেগম, নাছিমা বেগম, রাবেয়া বেগম, আমিশা বেগম প্রমুখ।
পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথীরা।

নবীগঞ্জে শত বছর ধরে বাঁশের সাঁকোই যাদের একমাত্র ভরসা

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)থেকে : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার একটি জনপদের নাম দেবপড়া ইউনিয়নের সদরঘাট গ্রাম। সদরঘাট গ্রামের মধ্যবর্তী বিজনা নদীর উপর শত বছর ধরেবাশেঁর সাকোঁ দিয়ে পারাপার হতে হয় অবহেলিত সদরঘাট গ্রামগ্রামবাসীকে । জনপ্রতিনিধিদের আশার বাণী শুনতে শুনতে অসহায় গ্রামবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। তাই গ্রামবাসী মিলে নিজউদ্যোগে কয়েক বছর ধরে নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে পারাপার হওয়ার জন্যএকটি বাশেঁর সাকোঁ নির্মান করেন। এখন পর্যন্ত উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের অবহেলিত সদরঘাট গ্রামের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার পাশাপাশি জনসাধারণের জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে একটি বাশেঁরসাকোঁর উপর দিয়ে চলাফেরা বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দৃষ্টিতেপড়েনি । অন্যদিকে সাকোঁর উপর দিয়ে চলাফেরা করতে প্রতিনিয়তইনানা সমস্যার মুখমুখি হতে হয় শিক্ষার্থীদের। বর্ষকালে নদীটির উপজেলার বাশডর, তেরাপাশা, কালাপুর, বানুদেব, বালিদ্বারাসহ সদরঘাটের দিনমুজুর কৃষকদের নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয় । পেটের আহার নিবারণেরজন্য শত কষ্ট অপেক্ষা করেও কৃষি নির্ভশীল মানুষগণ পাড়ু দিতে হয় বড় বড় হাওরে। অবহেলিত গ্রামবাসী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় মন্ত্রণালয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।

খ্রিস্টমাসের শিল্পী জর্জ মাইকেল খ্রিস্টমাসেই চলে গেলেন

বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ গায়ক জর্জ মাইকেল আর নেই। বিবিসি খবরে বলা হয়েছে, ৫৩ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডশায়ারে নিজের বাসায় মৃত্যুবরণ করেন এই শিল্পী। george-story_647_071215035430
স্থানীয় সময় রোববার রাত ১১টার দিকে তাঁর মুখপাত্র এক বিবৃতিতে ‘কেয়ারলেস হুইস্পার’ আর ‘লাস্ট খ্রিস্টমাস গেভ ইউ মাই হার্ট’ খ্যাত এই  তারকার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। পুলিশ বলেছে, এই মৃত্যুকে ঘিরে তারা সন্দেহজনক কোনো কিছু পায়নি।
১৯৮২ সালে সংগীতশিল্পী জর্জ মাইকেল ও অ্যান্ড্রু রিজলি গড়ে তুলেছিলেন ‘হোয়াম!’। ১৯৮৬ সালে হোয়াম ভেঙে যাওয়ার পর তিনি একক ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন। সারাবিশ্বে তাঁর অ্যালবামের ১০০ মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রী হয়েছে।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net