শিরোনাম

Monthly Archives: এপ্রিল ২০১৭

নবীগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র “ভূবন মাঝি”

উত্তম কুমার পাল হিমেল: নবীগঞ্জ চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর সংসদের উদ্যোগে গত শনিবার নবীগঞ্জ উপজেলা মিলানায়তনে বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অনুদানে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র “ভূবন মাঝি” চলচ্চিত্রের প্রদর্শন হয়। সকাল ১০ ঘটিকায় এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা সারোয়ার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগমের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন নবীগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ মিলু, নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু দাশ রানা, নবীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক লোকমান আহমেদ খাঁন নবীগঞ্জ প্রেসকাবের সাবেক সাধার সম্পাদক উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সলিল বরণ দাশ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের পরিচালনায় ছিলেন সাইফুর রহমান খান, তনুজ রায়, আছাদ ইকবাল সুমন, রাজন চন্দ্র দাশ, সৈকত দাশ শাওন, দেবাশিষ রায়, রাজর্ষী চৌধুরী গৌরব, অরিন্দম পাল আবির, কিশওয়ার আল ইসলাম, কৌশিক রায়, আলী আহমেদ লায়েছ, কৃপাময় দত্ত ইমন, মাজহারুল ইসলাম তারেক, পিয়াল রায় দূর্জয়, সপ্তক রায়, জান্নাতুল নাহার মুক্তা। দিনব্যাপী উক্ত চলচিত্রটি ৪টি শোতে প্রদর্শন করা হয়। এতে প্রচুর দর্শকশ্রোতার ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়।

দোলন মজুমদারকে দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ

ঢাকা, ৩০ এপ্রিল:  একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ আজ রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নির্যাতিত নারী দোলন মজুমদারকে দেখতে যান।দোলন মজুমদারের স্বামী দিনমজুর প্রকাশ মজুমদার গত মার্চ মাসে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে এই মর্মে অভিযোগ জানিয়েছিলেন যে, তাদের প্রতিবেশী সোবহান মোল্লা দীর্ঘদিন যাবৎ তার স্ত্রীর উপর যৌন নির্যাতন চালায়। এ বিষয়ে এলাকার মুরুব্বীদের নিকট অভিযোগ জানিয়ে কোনও ফল পান নি। গত অক্টোবর মধ্যরাতে সোবহান মোল্লা পুনরায় দোলন মজুমদারের উপর হামলা করে। দোলন ও তার স্বামী বাধা দিলে হামলাকারী দোলন মজুমদারকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে, যার ভেতর সবচেয়ে গুরুতর ছিল পায়ের আঘাত। প্রকাশ মজুমদার এ বিষয়ে স্থানীয় মোল্লাহাট থানায় অভিযোগ জানালে থানা ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণ না করে জখমের মামলা নেয়। ১৯/৩/২০১৭ তারিখে জাতীয় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। গত সপ্তায় দোলন মজুমদার এই মামলায় হাজিরা দেয়ার জন্য আদালতে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি হন। নির্যাতিত নারীর পরিবারের অনুরোধে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ দোলন মজুমদারের কুশল জানার পাশাপাশি অভিযোগ শোনার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে যান। পঙ্গু হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ আবদুল গণি মোল্লা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান রোগীর ডান পায়ের হাঁটুর উপরে ও নিচের হাড়ে জটিল ফ্র্যাকচার হয়েছে, যার চিকিৎসা চলছে। তবে রোগী তার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানাননি।গুরুতর শারীরিক আঘাত ছাড়াও দোলন মজুমদার যেহেতু যৌন নির্যাতনেরও শিকারজ্জ এ বিষয়টি দেখার জন্য এবং সর্বোচ্চ চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠনের অনুরোধ জানান । হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে পঙ্গু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবদুল গণি মোল্লার সভাপতিত্বে পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেন। বোর্ডের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বিশিষ্ট অর্থপেডিক্স এবং নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাঃ আমজাদ হোসেন, পঙ্গু হাসপাতালের ডাঃ সৈয়দ শহীদুল ইসলাম ও ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সোহেল মাহমুদ। নির্মূল কমিটির অনুরোধে পঙ্গু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দোলন মজুমদারের অপারেশন সহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সহ সভাপতি শহীদজায়া শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফ, সহ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ নুজহাত চৌধুরী, আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার নাদিয়া চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট জেয়াদ আল মালুম, ডাঃ মামুন আল মাহতাব ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ উত্তম বড়–য়া।
নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ দোলন মজুমদারকে চিকিৎসা ও আইনী সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি সহ পরিবারের তাৎক্ষণিক ব্যয় নির্বাহের জন্য ছাব্বিশ হাজার টাকা প্রদান করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নগদ, সহায়তা আগামী মওসুমে বিনামূল্যে বীজ সার -হাওর এলাকা পরিদর্শনে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ

বিশেষ প্রতিনিধি: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শনে এসে শাল্লায় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন হাওরে বাঁধ নির্মাণে“কারও যদি কোনো গাফলতি থাকে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”বন্যায় ফসলহানীর সুযোগ নিয়ে কেউ যদি দেশের বাজারে খাদ্যশস্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নগদ সহায়তার পাশাপাশি আগামী মওসুমের জন্য বিনামূল্যে বীজ আর সার দেওয়া হবে। মৎস্যজীবী ও কৃষকদের ঋণের সুদের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে। গো-খাদ্যের যেন অভাব না হয়, সে ব্যবস্থাও সরকার নেবে। একটা লোককে না খেয়ে মরতে দেব না। যা করার করব,” বলেন শেখ হাসিনা। গতমাসের শেষ দিকে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের বিস্তীর্ণ হাওর এলাকা তালিয়ে যায়। দূর্বল ও অসমাপ্ত বাঁধ ভেঙে প্লাবন ও ফসলহানির পেছনে বাঁধ নির্মাণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের দূর্নীতিকে দায়ী করে ঢাকায় মানববন্ধন ও সভা-সমাবেশ হয় সে সময়। বোরো ধান কাটার এই মওসুমে হঠাৎ এই বন্যায় লাখ লাখ কৃষকের মাথায় হাত পড়ে। এরপর পানি বিষাক্ত হলে মাছ মরা শুরু হয়; তারপর মরতে থাকে হাঁস। পরে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রতিনিধি দল ওই এলাকা ঘুরে পানি পরীক্ষা করে বলে, প্রাথমিকভাবে ইউরেনিয়াম তেজস্ক্রিয়তার কোনো প্রমাণ তারা পাননি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী হাওরাঞ্চলের ছয় জেলায় মোট দুই লাখ ১৯ হাজার ৮৪০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আট লাখ ৫০ হাজার ৮৮টি পরিবার। সুনামগঞ্জ, সিলেট, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের দুই হাজার ৮৬০টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ১৫ হাজার ৩৪৫টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ছয় জেলায় মোট ২১৩ দশমিক ৯৫ মেট্রিক টন মৎস্য সম্পদের ক্ষতি হয়েছে; সুনামগঞ্জে তিন হাজার ৯০২টি হাঁস ও চারটি মহিষ মারা গেছে। হাওরের পরিস্থিতি দেখতে প্রধানমন্ত্রী সকালে শাল্লা উপজেলা সদরে পৌঁছানোর পর স্থানীয় শাহেদ আলী বিদ্যালয়ের মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন। দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রীও বিতরণ করেন তিনি।শেখ হাসিনা জানান, হাওরের বন্যাকবলিত এলাকায় বিতরণের জন্য তিন হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রতি পরিবারকে মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।যেসব বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হাওর অঞ্চলে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তাদের আপাতত কিস্তি আদায় স্থগিত করে সুদ মওকুফের আহ্বান জানান তিনি। হাওরের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের নাব্যতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, খালগুলো যেন বেশি পানি নিষ্কাশন করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। হাওরকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। “প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, প্রকৃতিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করেই এগিয়ে যেতে হবে।হাওরের সম্ভাবনাকেও আমাদের কাজে লাগাতে হবে।”

হাওর এলাকা পরিদর্শন শেষে বিকালেই প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরেন।

জামিল হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে নবীগঞ্জে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র জামিল হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারিদের গ্রেফতারের দাবিতে নবীগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী। শনিবার সকাল ১০ টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার মডেলবাজার থেকে শুরু করে আউশকান্দি শহীদ কিবরিয়া স্কয়ারে এসে শেষ হয় বিক্ষোভ মিছিলটি। পরে বিশাল মানববন্ধনে প্রায় কয়েক হাজার লোক অংশগ্রহন করেন।
মানববন্ধন শেষে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আউশকান্দি শহীদ কিবরিয়া স্কয়ারে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাজী আব্দুর রবের সভাপতিত্বে ও মাওলানা মশাহিদ আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায়- বক্তব্য রাখেন, হবিগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি বিএনপি নেতা আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া, আউশকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী মহিবুর রহমান হারুন, নিহত জামিল আহমদের পিতা মাওলানা মোস্তফা আহমদ, মৌলভীবাবজার আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি নাজমুল হক, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সেফু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, নিহত মেধাবী কলেজ ছাত্র জামিলকে যেভাবে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে, এভাবে যেন আর কোন পিতার বুক খালি না হয়। অবিলম্বে খুনিদের খুঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
গত ১ এপ্রিল দিবাগত গভির রাতে নবীগঞ্জের মংলাপুর গ্রামে জামিলদের বাড়িতে প্রবেশ করে দূর্বৃত্তরা নৃশংশভাবে খুন করে জামিল আহমদকে। ঘটনার প্রায় ১ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও খুনিরা এখনও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

লন্ডনে বড় দু’টি সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করেছে ব্রিটিশ পুলিশ : আটক ৩

সংবাদ২৪নিউজ: চব্বিশ ঘন্টার ব্যবধানে বড় ধরনের দু’টি সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা নস্যাৎ করেছে ব্রিটিশ পুলিশ। উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের উইলসডেনের একটি বাড়িতে পুলিশী অভিযান চলাকালে এক নারী গুলিবিদ্ধ হয়। এ অভিযানে আটক করা হয় মোট ছয় জনকে। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি সক্রিয় সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করা হয়েছে। তারও কিছুক্ষণ আগে বৃটিশ পার্লামেন্টের কাছ থেকে ছুরিধারী এক লোককে আটক করা হয়। সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী গোয়েন্দাদের এক অভিযানের অংশ হিসেবে তাকে আটক করা হয়। ওই লোকটিও ছুরি দিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালাতে চেয়েছিল বলে দাবি করছে পুলিশ। একই দিন ঘটলেও পুলিশ বলছে দুই ঘটনার মধ্যে কোন স¤পর্ক নেই। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে বলা হয়, পার্লামেন্টের কাছে আটককৃত ছুরিধারী ব্যাক্তির বয়স ২৭ বছর। তাকে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী হিসেবে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন তিনি ঘটনাস্থলে দু‘টি ছুরি পড়ে থাকতে দেখেছেন। এর মধ্যে একটি বড় ছুরি। ওই লোককে জোর করে পুলিশ মাটিতে ফেলে নিরস্ত্র করে। মেট্রোপলিটন পুলিশ বলেছে, এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
অপরদিকে উইলসডেনের দ্বিতীয় অভিযানে গুলিবিদ্ধ ওই নারীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই তদন্ত চলছিল। তার অবস্থা গুরুতর, তবে স্থিতিশীল। কর্মকর্তারা বলেছেন, এই অভিযানের সঙ্গে পার্লামেন্টের কাছে এক সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে আটকের সঙ্গে স¤পর্কিত নয়। পুলিশ বলেছে, উইলেসডেনের যে বাড়িতে এক নারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সেই বাড়িটি আগে থেকেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিল। পুলিশের অভিযানে ১৬ এবং ২০ বছর বয়সী দুই পুরুষ ও নারীকে আটক করা হয়। ৪৩ বছর বয়সী এক নারীকে কেন্ট থেকে আটক করা হয়। উইলেসডেনের বাড়িটিতে পরে আরও এক পুরুষ ও নারী ফিরে এলে তাদেরকেও আটক করা হয়। তাদের উভয়ের বয়স ২৮ বছর। মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ সহকারী কমিশনার নিল বসু বলেন, আমরা গতকাল যেই গ্রেপ্তারগুলো করেছি, তার ফলে আমি মনে করি যে, তাদের হুমকি আমরা নস্যাৎ করেছি। সাংবাদিকদের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশ একটি সক্রিয় সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে।
অপরদিকে পার্লামেন্টের কাছ থেকেও এক সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে ছুরি সমেত আটক করেছে পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কিছুটা দূরেই এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে অবশ্য এদিন ডার্বিশায়ার ও লিডসে নির্বাচনী প্রচারাভিযানে ব্যস্ত ছিলেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, আমাদের পুলিশ, গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সতর্ক রয়েছে, যেমনটা তারা সবসময়ই থাকে।’ বিবিসির স্বরাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিবেদক জুন কেলি বলেন, এটি বোঝা যাচ্ছে যে, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সন্ত্রাসবাদবিরোধী কমান্ডের নেতৃত্বাধীন চলমান এক অভিযানের অংশ হিসেবেই এই লোককে আটক করা হয়। আগে থেকেই তথ্য ছিল কর্মকর্তাদের কাছে। হোয়াইট হলের কাছে এলেই ওই লোককে কর্মকর্তারা চেক করেন ও গ্রেপ্তার করেন। একজন বিদেশী পর্যটক গোটা ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন। তিনি বলেন, সন্দেহভাজনকে বেশ শান্ত মনে হচ্ছিল। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, লোকটি চিৎকার করছিল না। আক্রমণাত্মক আচরণ করছিল না। পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কার্যালয়ের গোয়েন্দারা তাদের তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন। এই গ্রেপ্তারের পর আর কোন জ্ঞাত হুমকি নেই।’ উল্লেখ্য, মার্চের ২২ তারিখ বৃটিশ পার্লামেন্টের কাছে ছুরিধারী এক ব্যাক্তি গাড়ি দিয়ে পিষে ও ছুরিকাঘাত করে কয়েকজনকে হত্যা করেন। পরে পুলিশের গুলিতে ওই সন্ত্রাসী নিহত হয়।

ব্রিটেনে বাঙালি কমিউনিটিতে উগ্রপন্থা বৃদ্ধির নেপথ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন

লন্ডন প্রতিনিধি: বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় আসার পর ব্রিটেনের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে উগ্রপন্থী তৎপরতা বেড়েছে, বিশেষ করে ২০১০ সালে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবোনাল গঠনের পর এই তৎপরতা ব্যাপকতা লাভ করে। লন্ডনে অনুষ্ঠিত ‘‘উগ্রপন্থী সন্ত্রাস থেকে মুক্তমনাদের সুরক্ষা’’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন লন্ডন থেকে একটি মহল ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে বৃটেনের নবপ্রজন্মের বাংলাদেশী তরুন তরুণীদের বিভ্রান্ত করছে অন্যদিকে বাংলাদেশের উগ্রবাদীদের সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে চিহ্নিত এই গোষ্ঠি। ইসলামের অপব্যাখ্যার কারনে বিশেষ করে ব্রিটেনের বাংলাদেশি কমউনিটি উগ্রবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, যুক্তরাজ্য শাখা ও স্বাধীনতা ট্রাস্ট ইউকে’র যৌথ আয়োজনে নেটওয়ার্ক ফর সোসিয়েল চেঞ্জের সহযোগিতায় ‘বছরব্যাপী রজত জয়ন্তী’ অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ২৫ এপ্রিল ইস্ট লন্ডনের মাইক্রো বিজনেস সেন্টারে ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট জুলি বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারের অতিথি আলোচক লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস এন্ড পলিটিক্যাল সাইন্সের (এলএসই) অধ্যাপক চেটান বাট বাংলাদেশি কমিউনিটিতে উগ্রপন্থার প্রভাব বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন তার বক্তব্যে।

‘ইসলামের নামে সন্ত্রাস, ব্লগার, সেক্যুলার এক্টিভিষ্ট ও মুক্তমনাদের উপর এর প্রভাব’ শীর্ষক স্বাধীনতা ট্রাস্ট পরিচালিত এক গবেষণা রিপোর্ট পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন অধ্যাপক চেটেন বাট।
সেমিনারে অতিথি আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিস্ট এন্ড এথিক্যাল ইউনিয়নের বব চার্চিল ও মনিটরিং প্রজেক্টের সুরেশ গ্রোভার। যুক্তরাজ্য নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ এনামুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া সেমিনারের শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন, যুক্তরাজ্য নির্মূল কমিটির সহসভাপতি ইসহাক কাজল, গণজাগরণ মঞ্চের অজন্তা দেব রায়, প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মাহমুদ এ রউফ, ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার, সৈয়দা নাজনিন সুলতানা শিখা, মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সলিসিটর পিয়া মায়নিন, যুক্তরাজ্য নির্মূল কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পুষ্পিতা গুপ্ত ও সালিম মাহমুদ প্রমূখ।
সেমিনারে সাউথ এশিয়ায় ইসলামের নামে সন্ত্রাস বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিষ্ট এন্ড এথিক্যাল ইউনিয়নের বব চার্চিল।মনিটরিং প্রজেক্টের সুরেশ গ্রোভার মৌলবাদী ধর্মীয় সন্ত্রাস মোকাবেলায় তাদের সংগঠন কি সহযোগিতা করতে পারে, তার উপর আলোকপাত করেন তার বক্তব্যে। অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য গণজাগরণ মঞ্চের তৈরী একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। উগ্রপন্থিদের টার্গেট ঝুঁকিতে রয়েছেন- এমন ব্লগার ও মুক্তমনাদের সাহায্যে ডাইরেক্টরি প্রকাশের ঘোষণা দেয়া হয় সেমিনারে।

নবীগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে উক্ত্যক্ত করার জের : ২ ঘন্টা সড়ক অবরোধ

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা: নবীগঞ্জে আবুল খয়ের উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের এক ছাত্রীকে উক্ত্যক্ত করায় প্রতিবাদ করায় ১০ম শ্রেণীরএক ছাত্রকে পিঠিয়ে আহত করার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ ঘটিকা পর্যন্ত হবিগঞ্জ-নবীগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের নবীগঞ্জের রসুলগঞ্জ বাজারে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল, সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিক্ষোব্দ শিক্ষর্থীরা। দু‘ঘন্টা ব্যাপী শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলাকালে শতাধীক যানবাহন আটকা পড়ে। ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে যাত্রী সাধারনদের। পরে নবীগঞ্জ থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ২৪ ঘন্টার ভিতর স্কুল ছাত্রর উপর সকল হামলাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে পরবর্তিতে আরো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে বলে ঘোষনা দেন বিক্ষোব্দ শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, নবীগঞ্জের সীমান্তবর্তী বক্তারপুর আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে একই প্রতিষ্ঠানের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র নবীগঞ্জের মুরাদপুর গ্রামের আব্দুর নুরের পুত্র শাহিনুর রহমান ফলক প্রতিদিনই উক্ত্যক্ত করে আসছিল। এ অবস্থায় গত রবিবার দুপুরে ফলক ওই ছাত্রী মোবাইলে ফোন দিয়ে আপত্তিজনক কথা বার্তা বলে। এ খবর ছাত্রী তার বড় ভাই একই প্রতিষ্ঠানের ১০ম শ্রেণির ছাত্র তারেকুর রহমানের কাছে জানালে সে এর প্রতিবাদ করে। এ ঘটনার জের ধরে ফলক তার চাচাত ভাই আব্দুল আওয়াল ও সহপাঠিদের নিয়ে এর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য স্কুল ছুটির পর রসুলগঞ্জ নতুন বাজারের হামিদ মার্কেটের নিকট অপেক্ষা করতে তাকে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তারেকুর ও স্থানে আসা মাত্রই কোন কিছু বুজে উটার আগেই বখাটে ফলক ও তার সঙ্গে তাকা ২ সহযোগী তার উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে। এতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্বার করে নবীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করে। পরে ওইদিন সন্ধায়ই হামলার ঘটনার সাথে জড়িত ফলকের চাচাত ভাই আব্দুল আউয়ালকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এদিকে গতকাল বুধবার সকালে হবিগঞ্জ-নবীগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের রসুলগঞ্জ বাজারে টায়ারে আগুন লাগিয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন কর্মসূচি পালন ও ২ ঘন্টা সময় সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষোব্দ শিক্ষার্থীরা। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আতাউর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভঅবিক করেন। বিক্ষোব্দ শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে সকল হামলাকারীকে গ্রেফতার না করলে ফের আন্দোলনে নামবেন বলে জানান। এ সময় এক প্রতিবাদ সভায় উক্ত বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জামাল মিয়ার সভাপতিত্বে ও শিক্ষক কামাল হোসেনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বরইউরি ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ফরিদ আহমদ, অভিভাবক কমিটির সদস্য কফিল উদ্দিন, হায়দর মিয়া, আতাউর রহমান মামুন, মুহিবুর রহমান, হারুন মিয়া, নবীগহ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক প্রভাষক উত্তম কুমার হিমেল মেম্বার তোফায়েল, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার, সাবেক সাধারন সম্পাদক উত্তম কুমার হিমেল, থানার সেকেন্ডে অফিসার মোবারক হোসেন, এস আই সুজিত চক্রবর্তী।

A meeting of community activists was held to discuss extremism, terrorism and defending secular bloggers & free thinkers Ansar Ahmed Ullah——————-

A meeting of community activists was held to discuss extremism, terrorism and defending secular bloggers & free thinkers on Tuesday 25 April 2017 at the Micro Business Centre, Banglatown, East London.

The meeting was chaired by Julie Begum from the Swadhinata Trust who outlined the purpose of the meeting as to explore Islamist network, Islamist violence & its impact, to assist victims of Islamist threats/attacks and to assist defenders of bloggers, secular activists & free thinkers. Panel guests included Prof Chetan Bhatt from London School of Economics – Centre for Human Rights studies who briefed about the overall project under taken by the Nirmul Committee to assist bloggers. Suresh Grover of the Monitoring Project said what help they can provide. Bob Churchill, Director of Communications, of International Humanist and Ethical Union (IHEU) provided the South Asian perspective. Nirmul Committee’s Acting President Syed Enam made introductory speech outlying the background to the project. Panel members said we have witnessed and documented for many years the sophisticated manoeuvrings of the international religious right.

Following the presentations by guest speakers Julie Begum opened the meeting for question & answer sessions from audience especially bloggers. Participants in the discussion included Nirmul Committee’s Vice President Ishaque Kajol, Gonojagoron Moncho’s Ajanta Dev Roy, Syeda Naznin Sultana Shikha, M A Rauf, Muhammad Yahya, lawyer Pia Mayenin, Nirmul Committee’s International Secretary Pushpita Gupta, Salim Mahmud and Nijhoom Mazumder amongst others.

They said since the secular Awami League led- alliance came to power in 2008 in Bangladesh and the formation of ICT (International Crimes Tribunal) in 2010, Islamist attacks on bloggers, secular activists, free thinkers and members of minority faith communities both in Bangladesh and the UK have increased. They added Tower Hamlets Council and Tower Hamlets Police have not taken the issue of Islamism seriously. There have been several meetings with police including the Borough Commanders with no results. Young people from this borough, including the four girls were drawn by extremism yet the community is being kept in dark both by the Council & the police. The community aren’t aware what the Council or police are doing to prevent further young people being drawn to extremism or how they are combating Islamism/extremism.

The meeting which was organised by the UK Nirmul Committee in association with the Swadhinata Trust and supported by the Network for Social Change. The meeting was called to discuss as a community what can be done to challenge extremist narrative, what can be done to defend bloggers & activists who are under threat.

A short video made by Gonojagoron Moncho UK of bloggers killed so far by the Islamist were shown. In addition, the meeting announced publication of a directory to assist the bloggers and those under threat.

সিলেট জেলা বিএনপির কমিটি ঘোষণা

সংবাদ রিপোর্ট: আবুল কাহের শামীমকে সভাপতি এবং আলী আহম্মদকে সাধারণ সম্পাদক করে সিলেট জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কমিটি অনুমোদন করেছেন। আজ বুধবার বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আস্তানা থেকে পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছুড়ছে জঙ্গিরা

সংবাদ রিপোর্ট: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়ির ভেতর থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হচ্ছে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ছে। উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের ত্রিমোহনী শিবনগর গ্রামের এক তলা বাড়িটি বুধবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ঘিরে রাখা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এসি ওয়াহিদুজ্জামান নূর।
তিনি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পরিবর্তন ডটকমকে জানান, এক তলা ভবনটি যখন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা ঘিরে ফেলে তখন ভেতর থেকে গুলি ছোড়া হয়। এরপর বাড়িটির চারপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরো সদস্য মোতায়েন করা হয়।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম পরিবর্তন ডটকমকে জানান, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়ির মালিক সাইদুর রহমান ওরফে জেন্টু বিশ্বাস(৭৫)। ভোর থেকে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়িটি ঘিরে রেখেছে।
আস্তানার আশপাশে ১৪৪ ধারা
সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানার আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। নিরপত্তার স্বার্থে এলাকাবাসীকে আশপাশ থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদেরও নিরাপদ দূরত্বে অর্থা্ৎ ২০০ গজ দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

সোয়াট আসলেই অভিযান
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, একতলা ওই বাড়িতে স্ত্রী ও শিশু সন্তান নিয়ে আবু হোসেন (৩০) নামে এক ব্যক্তি অবস্থান করছে। ভোরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহ ওই বাড়িতে অভিযান চালাতে গেলে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এখনও কিছুক্ষণ পর পর গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। মাইকে তাদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হচ্ছে। এ ছাড়া আশপাশের চারটি বাড়ির লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
এদিকে ঢাকা থেকে কাউন্টার টেরোরিজম ও সোয়াট সদস্যরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তারা পৌঁছালে অভিযান শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
আস্তানায় থাকা আবু মসলা বিক্রেতা
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু হোসেন তার স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ওই বাড়িতে অবস্থান থাকে। বাড়ির মালিক জেন্টু বিশ্বাস মাস তিনেক আগে একই এলাকার আফসার আলীর ছেলে আবুকে ভাড়া ছাড়াই ওই বাসায় থাকতে দেন। আবু স্থানীয় বাজারে মসলা বিক্রি করেন।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net