শিরোনাম

Monthly Archives: মে ২০১৭

দক্ষিণ ছাতক উপজেলার দাবিতে লন্ডনে সভা

লন্ডন: দক্ষিণ ছাতক উপজেলা বাস্তবায়নের লক্ষে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত দক্ষিণ ছাতকবাসীদের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার পূর্ব লন্ডনের দারুল উম্মার কেয়ার সেন্টারে আয়োজিত সভা ব্যারিস্টার শাহ মিজবাহউর রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ সানাউর আলী কয়েস, মনসব আলী জেপি, জামাল উদ্দিন মকদ্দুস, চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল গনি, সাবেক পুলিশ ইন্সপেক্টর আহবাব মিয়া, আজমল মশরুর, কাউন্সিলার শহীদ আলী, মকবুল আলী, কাউন্সিলর শাহ  আলম, নরুল ইসলাম এমবিই, মো: গয়াছুর রহমান, ফারুক আহমদ, বদরুজ্জামান শামীম, আইয়ুব করম আলী, আব্দুল মালিক কুটি, আমিরুল হক জমীর, আব্দুল জালিল, হেলাল মিয়া, ছয়ফুলর আলম সুফিয়ান, জাকির হোসেন সেলিম, আব্দুল মালিক, আনোয়ার হুসেন, জরিপ উল্লাহ, আব্দুল হান্নান, হাফিজ, ছরোয়ার হোসেন সুজন, সবুজ মিয়া, ফজুলুর রহমান, এডভোকেট আমিরুদ্দিনস, মুফতি লুৎফুর রহমান, হাফিজ মাওলানা ওয়াহিদ সিরাজী, মো: মজির, শাহজাহান শামীম, ইসহাক আলী, আব্দুল মছাব্বির আলী, সরাব আলী, ফারুক মিয়া, আবরুজ আলী, আবুল হোসেন রফিক, আবুল খয়ের, মফিজুর রহমান, আক্তার মিয়া, মমতাজ আলী, জগম্বর আলী প্রমুখ।
ছাতক উপজেলার সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের দক্ষিণাংশে সব কয়টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হবে দক্ষিণ ছাতক উপজেলা- বক্তারা সভায় এ দাবি জানান। বক্তারা এও দাবি করেন সব দিক বিবেচনা করে উপজেলার স্থান নির্ধারণ করা হবে। নতুন উপজেলার নামকরনের ব্যাপারে কোন আপোষ করা  যাবে না। নাম হবে দক্ষিন ছাতক উপজেলা। দক্ষিন ছাতকের এটা প্রানের দাবী, যৌক্তিক দাবী। অবেহেলিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্যযোগাযোগ, তথা সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রেী করনের মাধ্যমে দক্ষিন ছাতকবাসী উপজেলা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ। এদাবী আদায়ে যুক্তরাজ্য বসবাসরত বাংলাদেশের সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এ দাবী আদায়ে সবাইকে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে বলে জানান বক্তারা।
এ কর্মসূচীকে বাস্তবায়নের লক্ষে সকলের সম্মতিক্রমে জামাল উদ্দিন মকদ্দসকে আহবায়ক, সানাউর আলী কয়েস, ব্যারিষ্টার মিসবাউর রহমান, আহবাব মিয়াকে যুগ্ম আহবায়ক করে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
আহবায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন মনচব আলী জেপি, চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল গনি, আলতাফুর রহমান মোজাহিদ, সাবেক ডেপুটি মেয়র শহীদ আলী, মাষ্টার রুস্তম আলী, গয়াছুর রহমান গয়াস, মো: ফজল উদ্দিন, নুরুল ইসলাম এমবিই, মুজিবুর রহমান মুজিব, ফারুক আহমেদ, বদরুজ্জামান শামীম, আব্দুল মালিক কুটি, মো: মজির, আতাউর রহমান আঙ্গুর মিয়া, মো: মকবুল আলী, আমিরুল হক জমির, আব্দুল মোছব্বির, এডভোকেট আমির উদ্দিন, মাস্টার আব্দুল হাফিজ, আব্দুল হান্নান, মো: জরিপ উল্লাহ, আবাব মিয়া, এমদাদুল হক, মিঠু চৌধুরী, রফিক হায়দার, কাউন্সিলার মাহবুব আলম মামুন, মো: মকসুদ আহমদ, আব্দুল আলিম, মো: মোশাহিদ আলী, মো: রুহুল আমিন, সাবেক কাউ: আব্দাল উল্লাহ, মো: ইসহাক আলী, আব্দুল জলিল, হেলাল মিয়া, সফিকুল বারী মাখন, নুর মিয়া, লিলু মিয়া তালুকদার, সয়ফুল আলম সুফিয়ান, জাকির হোসেন সেলিম, আনোয়ার কামাল দুলাল, শাহজাহান শামীম, আসাব আলী, মুজিবুর রহমান মুজিব, আব্দুল হান্নান ত্বকীপুর, আশিকুল ইসলাম আশিক, বাতির আলী, আবুল খয়ের, আব্দুল হান্নান, লিলু মিয়া, সুরাব আলী মেম্বার, আবরুছ আলী, ফারুক মিয়া, গয়াছ আলী, মো: নুরুদ্দিন, সবুজ মিয়া, আল মো: নুর, মো: মজির উদ্দিন, আবুল হোসেন রফিক, ফজলুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া চুনু, তাহেরুল ইসলাম, হারুন রশিদ, তফাজ্জল হোসেন, ফজর আলী সত্তার, সফিজুর রহমান, মন্তাজ আলী, দিলবর আলী, আনসার মিয়া, তারিস আলী, মুফতি লুৎফর রহমান, হাফিজ মাওলানা ওয়াহিদ সিরাজী, মো: আব্দুল মালিক ওল্ডহাম, শেখ আলফু মিয়া, মাওলানা আক্তার ফারুক, বশির আহমদ, মো: আমÍর আলী, মো: শোয়েব মিয়া তালুকদার, মো: নজরুল ইসলাম সাবেক কাউন্সিলার, মো: রমিজ উদ্দিন, আব্দুল কাদির, দিলাল হোসেন, মো: জহির আলী, মঞ্জুর আহমদ, নজরুল ইসলাম আসলমী, হুসেন আহমদ, ছরোয়ার হোসেন সুজন, আব্দুল খালিক, আনোয়ার হোসেন, আলহাজ্ব মাহমুদ আলী, মো: আলকাছ আলী, আলহাজ্ব ইজ্জাদ আলী, আলহাজ্ব শফিক উদ্দিন, মোজম্মিল আলী, নুরুল ইসলাম, মো: আবুল লেইস।

লালবাগ কেল্লার ভেতরে থাকা আবুল হাশেমের বাড়িটি আগামী তিনমাসের মধ্যে ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ রাজধানীর ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লার সীমানার ভেতরে থাকা আবুল হাশেমের বাড়িটি আগামী তিনমাসের মধ্যে ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে মূল্য অনুসারে তাকে ৪০ লাখ টাকা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার এ সংক্রান্ত এক রিটের রিভিউ আবেদনের নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।
আদালতে উপস্থিত ছিলেন রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। এসময় তিনি লালবাগ কেল্লার বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকসহ বিশেষজ্ঞদের জরিপ প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল লালবাগ কেল্লার প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন।
একইসঙ্গে সীমানা নির্ধারণ করে এ বিষয়ে প্রতিবেদন গত ২৫ মে আপিল বিভাগে দাখিল করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো। জরিপকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মনোনীত প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের একজন শিক্ষক ও ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সহায়তা নিতে বলেছিলেন আদালত। লালবাগ কেল্লার ভেতরে অবস্থিত একটি বাড়ির মালিকানা সংক্রান্ত মামলার রিভিউ আবেদন শুনানির পর এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
‘মনজিল মোরসেদ বনাম হাজী মো. আবুল হাশেম ও অন্যান্য’ মামলাটির সিভিল রিভিউ পিটিশন আপিল বিভাগের শুনানিতে মনজিল মোরসেদ ঢাকা জেলা প্রশাসকের একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। মনজিল মোরসেদ বলেন, ২০১৫ সালের ৫ মার্চ প্রস্তুতকৃত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোগল আমলের নকশা ও ১৯০৯ সনের গেজেট পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে লালবাগ দূর্গের জন্য সংরক্ষিত ভূমির সীমানা আয়তাকার। কিন্তু সিএস রেকর্ড প্রস্তুতের সময় অদৃশ্য কারণে নকশায় আয়তাকার স্থানটিকে পশ্চিম দিকে অনুপ্রবেশ করানো হয়েছে। নথিপত্রে এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণাদি পাওয়া যায়নি। এমনকি লালবাগ দূর্গের কোনো ভূমি হস্তান্তর হয়েছে মর্মে কোনো তথ্য সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ উপস্থাপন করতে পারেনি। সে কারণে সহজেই বোধগম্য হয় যে লালবাগ দূর্গের আয়তাকার ভূমির মধ্যে পশ্চিম পাশ থেকে বেশ কিছু ভূমির অনুপ্রবেশ রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, হাজী আবুল কাশেম কর্তৃক দাবিকৃত জায়গাটি লালবাগ কেল্লার প্রকৃত সীমানার মধ্যে অবস্থিত। হাইকোর্টের এর আগের দেওয়া রায় অনুযায়ী আয়তাকার স্থানে দখলকৃত জায়গাটিতে অবস্থিত দুটি ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে।
বিবাদী পক্ষের আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ বলেন, সিএস রেকর্ড থেকেই এই জমির মালিকানা আবুল হাশেমদের রয়েছে। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ বলেন, প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ হওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ১০ অক্টোবর হাইকোর্ট এক রায়ে লালবাগ দূর্গের মধ্যে অবস্থিত অবৈধ সকল স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। সেই রায়ের রিভিউ শুনানি শেষে আদালত আজ বৃহস্পতিবার কেল্লা থেকে হাশেমের বাড়ি ভাঙার নির্দেশ দেন।

নবীগঞ্জ থানা পরিদর্শনে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা:বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি ফ্রান্সিসকাল রিটভেল্ড নবীগঞ্জ থানা পরির্দশন করেছেন । গতকাল মঙ্গলবার সকালে তিনি নবীগঞ্জ থানায় আসলে থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আতাউর রহমান ফুলেল তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের এ এস পি রাসেলুর রহমান ও অফিসার ইনর্চাজের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় থানার সেকেন্ড অফিসার মোবারক আলী, এস আই আবুল খয়ের, এস আই পলাশ চন্দ্র দাশ উপস্থিত ছিলেন।

বেডফোর্ডে ব্লু-অর্কিড রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন

ব্লু অর্কিড রেস্টুরেন্টের আরো একটি নতুন শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। Blu Orchid 2 সোমবার বেডফোর্ডে  নতুন এ শাখার উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন রিচার্ড ফুলার এমপি, বেডফোর্ডশায়ারের হাই শেরিফ ভি বি টেইলর, চিলট্রেন ডিসট্রিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মিমি হার্Blu Orchidকার ওবিই, কাউন্সিলার কোলেন আটকিনস, রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল খান প্রমুখ। এছাড়াও লন্ডন ও এর আশে পাশের কমিউনিটির নেতৃস্থানীয়রা এতে উপস্থিত হন। এ সময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল খান জানান, ব্লু অর্কিড থাই সিলেক্টেড ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠা হলেও অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়ে ইউকের বিভিন্ন শহরের একাধিক শাখার চালু করা হয়।এর ধারাবাহিকতায় বেডফোর্ডে এ নতুন শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্লু অর্কিড রেস্টুরেন্ট খাবারের মান, পরিবেশনায়সহ নানা ক্ষেত্রে নতুনত্ব থাকায় বিভিন্ন সম্মাননাও অর্জন করেছে এটি। তিনি আশা করে এ শাখাটিও অন্যান্য শাখার মত খাবারের মান বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যাবে। -সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’

বিশেষ সংবাদদাতাঃ ঘূর্ণিঝড় মোরা কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়। আবহাওয়া অধিদফতরের ১৬ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় মোরা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে সকাল ৬টার দিকে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। এটি আরো উত্তরে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
বিশেষ ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়া আকারে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে পুনরায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে পুনরায় ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। উপকূলীয় এ সব অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিসহ ঘণ্টায় ৮৯-১১৭ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

কক্সবাজারের ঘূর্ণিঝড় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সকাল ৮টার দিকে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় মোরা সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে। এর প্রভাবে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে। ঝড়ে এসব এলাকায় বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে বহু গাছপালা।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান খান সাংবাদিকদের জানান, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ভোর ৪টার পর থেকে সেন্টমার্টিন লণ্ডভণ্ড হতে শুরু করে। ৬টা পর্যন্ত সেন্টমার্টিনের দুই শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে কাঁচা ঘর বেশি। আধা পাকা ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশির ভাগ ঘরের চালা উড়ে গেছে। এ ছাড়া বহু গাছপালা ভেঙে গেছে হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোরা দুর্বল হয়ে পড়ছে

ঢাকা থেকে দেবাশীষ দেঃ ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে ঘূর্ণিঝড় মোরা। তবে মহাবিপদ সংকেত আরো কয়েক ঘণ্টা থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড় মোরা বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল অতিক্রম করা শুরু করেছিল। এটা অতিক্রম করেছে। এবং ধীরে ধীরে এর শক্তি কমছে (দুর্বল হয়েছে পড়ছে)। তিনি আরো বলেন, ‘সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় আরো চার পাঁচ ঘণ্টা আমরা হয়তো মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলব। তারপর স্থানীয় বিপদ সংকেত দেখাতে বলব।’ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস নিয়ে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড়টি।
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়। এটি আরো উত্তরে ভারতের মনিপুরের দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে স্থলনিম্নচাপে পরিণত হবে। মোরার প্রভাবে জড়ো বাতাস ও ভারি বৃষ্টিতে কক্সবাজার উপকূলের শত শত ঘরবাড়ি ধসে গেছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে এবং গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। জলোচ্ছ্বাসের ফলে প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা। ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে ঘূর্ণিঝড় মোরা। তবে মহাবিপদ সংকেত আরো কয়েক ঘণ্টা থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড় মোরা বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল অতিক্রম করা শুরু করেছিল। এটা অতিক্রম করেছে। এবং ধীরে ধীরে এর শক্তি কমছে (দুর্বল হয়েছে পড়ছে)। তিনি আরো বলেন, ‘সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় আরো চার পাঁচ ঘণ্টা আমরা হয়তো মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলব। তারপর স্থানীয় বিপদ সংকেত দেখাতে বলব।’ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস নিয়ে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড়টি। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়। এটি আরো উত্তরে ভারতের মনিপুরের দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে স্থলনিম্নচাপে পরিণত হবে। মোরার প্রভাবে জড়ো বাতাস ও ভারি বৃষ্টিতে কক্সবাজার উপকূলের শত শত ঘরবাড়ি ধসে গেছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে এবং গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। জলোচ্ছ্বাসের ফলে প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা।

শেখ হাসিনা শেখ রেহানা ও পুতুলের কোন ফেসবুক আইডি নেই : ভুয়া আইডির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ

সংবাদ২৪ ডেস্ক:  আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের কোনো অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ নেই বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে আজ সোমবার এ কথা জানানো হয়। খবর বাসসের।

আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে বলা হয়, ‘এ রকম পেজগুলোর অ্যাডমিনদের আমরা অনুরোধ করব, পেজগুলোকে “আনঅফিশিয়াল” হিসেবে ঘোষণা দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করবেন। অন্যথায় আমরা অতিসত্বর আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।’
এতে বলা হয়, ‘গত কিছুদিন ধরেই আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা এবং বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রী সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের নামে কিছু “ভুয়া ফেসবুক পেজ” বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাইরে থেকে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেই পেজগুলো থেকে নানা রকম মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে।’
এতে আরও বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ ও শেখ রেহানার পুত্র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের একটি ফেসবুক আইডি অফিশিয়ালি চালু আছে; যা তারা নিজেরই তত্ত্বাবধান করে থাকেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল যুক্তরাজ্য শাখার সভা

গত ২৫ মে বৃহস্পতিবার , বিকেল ৬ ঘটিকায় ইস্ট লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেলের বি এন পির দলীয় কার্যালয়ে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, যুক্তরাজ্য শাখার মাসিক নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য মহিলা দলের আহবায়ক ফেরদৌস রহমান। সভা পরিচালনা করেন অঞ্জনা আলম । অনুষ্ঠানের সভাপতি ফেরদৌস রহমান উপস্থিত সকল সদস্যদেরকে স্বাগত জানিয়ে সভা শুরু করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তাঁর রাজনৈতিক কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া বিএনপির নেতা কর্মীদের উপর বাংলাদেশে চলমান গুম, হত্যাসহ নানাবিধ অত্যাচারের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। ফ্যাসিবাদী  ও স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে মহিলা দল যুক্তরাজ্য শাখাকে আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রতি সবাই জোর দেন। এ নিয়ে নানা কর্মসূচীরও প্রস্তাব করা হয় অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ফেরদৌস রহমান তাঁর বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিসন ২০৩০’ কে বাংলাদেশের ক্রান্তিকাল অতিক্রম করে উন্নয়নের দিকে যাত্রার একটি ল্যান্ডমার্ক দিক নির্দেশনা হিসেবে এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। এই ভিসন ২০৩০ নিয়ে আওয়ামীলীগের নেতাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রলাপ বকতে শুরু করেছে। এ ছাড়াও তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অর্থ- শ্রম- মেধা দিয়ে সময়োপযোগী ও কার্যকর ভুমিকা রাখার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রবাসী জনগণকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান।

সদস্য সচিব অঞ্জনা আলম বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের জীবনের কোথাও নিরাপত্তা নেই। এরা জেলে গিয়েও শান্তিতে নেই। সবাই একটি দ্রুত নিরবাচনের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখার আশায় আছে। আমাদের সবাইকে এ লক্ষ্যে আন্দোলন ও কর্মসূচী চালিয়ে যেতে হবে। ইউকে মহিলা দলের সবাইকে আরও বেশি সময় দিতে হবে এবং আরও বেশি তৎপর থাকতে হবে।

মহিলা দলের অন্যতম সদস্য খন্দকার কাউছার জাহান তাছমিনা বলেন,  দেশে কথা বলার সুযোগ নেই। এই অবৈধ আওয়ামীলীগ সরকার খুন ও গুম দিয়ে বাংলাদেশে ভীতির রাজ্য সৃষ্টি করেছে। আমরা যারা ইউকেতে মহিলা দলের হয়ে কাজ করছি তারা এখানে কিছু না কিছু করতে পারছি। সরকারের অনৈতিক কর্মসূচীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে এ মুহূর্তে আমরা যে প্রতিবাদ করতে পারিনা, তা এখানে অনায়েশেই করা যায়। অন্তত আলতাব আলী পার্কে সাংবাদিকদের জড় করে বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করতে পারি।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, লুনা সাবিরা, সোনিয়া তাসনিম।

অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী উলামা দল, কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মৌলানা শামিম বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রুবি মীর্জা। সভাপতির বক্তব্যের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি টানা হয়।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

 

কলোডেন বাংলাদেশি প্যারেন্টস এসোসিয়েশনের উদ্যোগে শিশুদের পুরস্কার প্রদান

কলোডেন বাংলাদেশি প্যারেন্টস এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বাংলা, ইংরেজী ও আরবীসহ অন্যান্য সম্পূরক বিষয়ে ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিশুদের মাঝে পুরষ্কার প্রদান করেছে। বুধবার পূর্বলন্ডনের পপলারের এবারফিল্ডি স্ট্রিটে এসোসিয়েশনের নিজস্ব হল রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পপলার ও লাইম হাউজের সাবেক এমপি জিম পিটজপেট্রিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র জন বিগস। এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী আছাবুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শামসুল হক। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলার রাজীব আহমদ, শামসুদ্দিন আহমেদ, শিক্ষক মাহবুব হোসেন, শেফা বেগম, আব্দুল সালাম চৌধুরী, মইয়ুর মিয়া প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি জিম পিটজপ্রেটিক বলেন এ ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিশুদের উৎসাহ প্রদান করা খুবই জরুরী। এতে নানা ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ ও মেধা বিকাশে সাহায্য করে। মেয়র জনবিগস শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মুজিবুল হক মনি ও রুবি হকের পরিচালনায় শিশুরা বাংলাদেশের জাতীয় সঙীত ও দেশাত্ববোধক গান পরিবেশন করেন। এছাড়াও গল্প, ছড়া, আবৃতি উপস্থাপন করেন শিশুরা।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

জাস্টিসিয়া ভাস্কর্য অপসারণ : জঙ্গি সংগঠনের কাছে আওয়ামী সরকারের পরাজয়

s amin

সামসুল আমীন

২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর তালেবানপন্থী উগ্র ধর্মান্ধ সংগঠন খতমে নবুওয়ত কর্মীরা “বাউল ভাস্কর্য” ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশে মূর্তি প্রতিরোধের নামে ভাস্কর্য ভাঙ্গার অভিযান শুরু হয় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ঢাকা স্টেডিয়াম গেইটে ক্রীড়া বিষয়ক একটি ভাস্কর্য ভাঙ্গার মধ্যদিয়ে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে এরশাদের সামরিক শাসনামলে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন শিশু পার্কের সামনে স্থাপিত চাকা চলনরত বালকের ভাস্কর্যটি রাতের আঁধারে ভেঙ্গে ফেলা হয়। শেষ পর্যন্ত ওই ভাস্কর্যটি সরিয়ে নিয়ে শিশু একাডেমীর সামনে স্থাপন করা হয়েছে। আর ওই ভাস্কর্যটির জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে সার্ফ গেমসের মাসকট হরিণ শাবকের ভাস্কর্যটি। সামরিক শাসক জিয়া ও এরশাদ সরকারের পর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে (২০০৮) বিমানবন্দরের বাউল ভাস্কর্যটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে অপসারণ করা হয়েছিল।হেফাজতে ইসলামের দাবীর মুখে ২৫ মে রাতের আঁধারে “আওয়ামী সরকার” রাষ্ট্রীয় শক্তির বলে গুড়িয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে নির্মিত ন্যায়বিচারের প্রতীক লেডি জাস্টিসিয়ার ভাস্কর্যটি।উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বাধীন একদল ওলামার সঙ্গে গণভবনে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাস্কর্যটি সরাতে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ৭১ এবং ১৭— দুটার তারিখই ২৫ এবং রাতের অন্ধকার। ইতিহাস বারবার ফিরে আসে। দুর্ভাগ্য আমাদের— যারা ৭১ দেখিনি কিন্তু ১৭ দেখলাম; কথিত প্রগতিশীল আওয়ামী লীগের পরাজয় দেখলাম। সত্যিই আমরা দুর্ভাগা প্রজন্ম!
লেখক : সোশ্যাল এক্টিভিস্ট।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net