শিরোনাম

Monthly Archives: জুন ২০১৭

ডক্টর এনামুল হক সরদারকে লন্ডনে সংবর্ধনা প্রদান

লন্ডন প্রতিনিধিঃ একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো শিক্ষা আর তাই সামাজিক দায় থেকে প্রায় পচিশ বছর ধরে আলেকিত মানুষ ও সমাজ বিনির্মাণে পারিবারিক ভাবে কাজ করছি এমন্তব্য বৃটেন সফররত ডক্টর এনামুল হক সরদারের। গতকাল লন্ডনে তার সম্মানে আায়োজিত সম্বর্ধনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে তার অংশ গ্রহন প্রসঙ্গে বলেন ছাত্র/ছাত্রী ও এলাকাবাসীর চাপে সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করি।
10
যদিও নিদর্লীয় ভাবে নির্বাচন হয় কিন্তু শেষ পর্যায়ে দলীয় আবহ চলে আসে প্রথম পর্যায়ে বর্ষিয়ান নেতা সাবেক গণপরিষদ সদস্য জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি লুৎফুর রহমান নির্বাচনে অংশ নেন এই বিষয়টি ছিলো আমার জন্য বিব্রতকর ৷যদিও তমুল প্রতিযোগীতা হয় কিন্তু আমি সরে আসার কোন সুযোগ ছিলোনা তাই তাকে সম্মান দেখাতে পারিনাই কিন্তু মনে প্রানে কামনা ছিলো তিনি যেনো জিতে যান৷তার কারন একজন অতি মুরব্বী এবং ভালো মানুষের পরাজয় আমি চাইনি ৷যদিও আমাদের অনেক সময় আছে৷
13
সিলেটের ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ও শাহজালাল সিটি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যন ডক্টর এনামুল হক সরদার এবং শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগি অধ্যাপক ডক্টর রাজিয়া সুলতানা চৌধুরীর সম্মানে সম্বর্ধনা অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলেল স্পিকার কাউন্সিলার সাবিনা আক্তার বলেন আমি অভিভূত একই পরিবারের দুজন শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছেন ৷সমাজের উন্নতির জন্য শিক্ষার বিকল্প নেই তিনি বলেন আমাদের শেকড় হলো বাংলাদেশ আমরা প্রবাসীরা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যানের জন্য যারাই কাজ করেন তাদের প্রতি সহযোগীতা থাকে। ডক্টর রাজিয়া সুলতানা চৌধুরী বলেন শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে এবং সিলেটের শহরের মেয়ে হিসাবে মানুষের প্রত্যাশা থাকে অনেক সেই হিসাবে আমার প্রচেষ্টা সাধ্যমত ৷ তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রবাসীদের গৌরব উজ্জল অংশ গ্রহন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য ছিলো সহায়ক শক্তি৷ ইষ্ট লন্ডনের মাইক্রো বিজনেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বিশ্ববাংলানিউজ২৪ ডটকমের উপদেষ্টা গয়াছ আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চালনায় অনুষ্টানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর টাইমস্ ডটকমের সম্পাদক ও সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান । সংবর্ধিত অতিথিদের সম্মান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন -ব্রিকলেন ট্রাস্টের সভাপতি শাহ মুনিম, সাবেক ডেপুটি মেয়র মুহাম্মদ শাহীদ আলী , অধ্যাপক শাহ জাহান, আব্দুল বাছির, ব্রিটবাংলা২৪ এর নির্বাহী সম্পাদক আহাদ চৌধুরী বাবু , বাংলাদেশ সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর খান , ডেইলী স্টারের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি আনছার আহমদ উল্লাহ ,সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী , সাপ্তাহিক জনমতের এসিসটেন্ট এডিটর মুসলেহ উদ্দিন আহমদ ও কমিউনিটি নেতা সমুজ আলী চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধা যুব কমান্ড যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহিবুর রহমান কাওসার, জাহাঙ্গির চৌধুরী, এডভোকেট এম এ করিম প্রমুখ৷

লেইটন লিন্সলেড কাউন্সিলের প্রথম বাংলাদেশী মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সৈয়দ মুহিবুর রহমান

লন্ডনঃ বেডফোড শায়ারের লেইটন লিন্সলেড কাউন্সিলের প্রথম বাংলাদেশী মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিলেন বৃহত্তর সিলেটের সৈয়দ মুহিবুর রহমান। এখানে উল্লেখ্য যে, তিনিই এই বারায় প্রথম বাংলাদেশী মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে বৃটেনের বহুজাতিক সমাজে বাঙ্গালীর মুখ উজ্বল করেছেন। এখানে উল্লেখ্য যে চলতি বছরের মে মাসে তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন, এর আগে তিনি এই বারায় ডেপুটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জের সায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার দাউদ নগর সাহেব বাড়ীতে জন্ম নেয়া সৈয়দ মুহিবুর রহমান ১৯৮৫ সালে বৃটেনে আগম করেন। এদেশে অভিবাসী হওয়ার পর লেইটন ভাজেল এলাকায় শুরু করেন রেষ্টুরেন্ট ব্যবসা। ব্যবসার পাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে নিজকে সম্পৃক্ত করেন। মূলতঃ একজন ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি এলাকাবাসীর মন জয় করতে সক্ষম হন। ২০০৬ সালে বৃটেনের মূল ধারার রাজনীতির সাথে যুক্ত হন সৈয়দ মুহিবুর রহমান। সৈয়দ মুহিবুর রহমানই প্রথম এশিয়ান হিসেবে কনজারভেটিব পার্টি থেকে এই বারায় কাউন্সিলার নির্বাচিত হন। এবছরের প্রথম দিকে তিনি লুটন নর্থ রোটারী ক্লাবেরও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তিনিই প্রথম বাঙ্গালী রোটারী ক্লাবের মতো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সৈয়দ মুহিবুর রহমানের দাদা মরহুম সৈয়দ ওবায়দুর রহমান ব্রিটিশ আমলে সিলেটে একজন অনারারী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সম্পর্কে তার দাদা ও সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মোদাস্সের হোনের সম্পর্কে তার চাচা। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি একজন সফল মানুষ, তার সহধর্মিনী লুটনে এন-এইচ-এস‘য়ে কর্মরত, বিবাহিত জীবনে তিনি এক কন্যা ও দু‘পুত্রের জনক। তার মেয়ে সৈয়দা পামেলা রহমান ব্রিটিশ হোম অফিসে সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত, তার প্রথম পুত্র সৈয়দ হাসিনুর রহমান লুটনে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সাথে জড়িত, কনিষ্ট ছেলে সিক্সফরম কলেজে অধ্যয়নরত। বাংলাদেশের প্রতি রয়েছে তার অকৃত্রিম ভালবাসা, তিনি বৃটেনের মূলধারার রাজনীতির পাশাপাশি একাধিক সামজিক সাংস্কৃতিক ও চ্যারিটি সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। তিনি বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাষ্ট এর সাথে সম্পৃক্ত ও বৃটেনে হবিগঞ্জ জেলা সমিতি ইউকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রসঙ্গঃ ‘ঈদ’ না ‘ইদ’ : বাংলা একাডেমি নিজেই অসংগত

Nazmul Islam

নাজমুল ইসলাম

দেশের মানুষের রক্ত আর ঘামঝরানো টাকায় পোষা হয় বাংলা একাডেমির কর্মকর্তাদের। তাদের কাজ সময় ও পারিপার্শ্বিকতার নিরিখে ভাষার গবেষণা-উন্নয়ন। কিন্তু তারা এর কতটুকু করছেন; বৎসরে একটা মেলার আয়োজন করেন। এতে স্টল পেতে হলে দেখা যায় তাদের রাজনৈতিক তোষণের গভীরতা। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় দলবাজিই তাদের প্রধান কাজ, নেশা ও পেশা। সম্প্রতি তাদের সুমহান গবেষণাযজ্ঞের কথা জানতে পারলাম। ‘ঈদ’ বানানে ‘ইদ’ হবে। ঈদের ‘ঈ’ দিয়ে নয়, ইতরের ‘ই’ দিয়ে! এরা বাংলা বানানের নিয়মে এক বাইবেলীয় বিধান সংযুক্ত করেছিলেন, “বিদেশি শব্দে ঈ-কার থাকবে না , তদস্থলে ই-কার দিতে হবে।” কেন থাকবে না এর সঠিক ব্যাখ্যা নেই। এই ভিত্তিহীন নিয়ম অনুযায়ীই ‘ঈ’ স্থলে ‘ই’ লিখতে হবে। জলের মত সহজ আইন । এ আইন অনুযায়ীই ঈদ বানানে ‘ই’ সংগত, আর ‘ঈ’ অসংগত। না মানার কী আছে। কেউ না মেনে পাণ্ডিত্য দেখাতে চাইলে জামাতি তকমা তো আছেই। ইতোমধ্যেই ডিজি সাহেব বলেও ফেলেছেন যে, জামাতিরাই নাকি এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে। বিদেশি শব্দের বানান, অর্থ ও ব্যুৎপত্তির দিকে না তাকিয়ে এরকম গাঁজাখুরি বিধান চালু করলে আফ্রিকার জঙ্গলবাসীও মেনে নিবে না। অবশ্য একাডেমি দুই যুগ ধরে নিজেই এ আইন লঙ্ঘন করে তাদের সব বই ও সাইনে ‘বাংলা একাডেমী’ লিখে আসছিল। কত উপহাস্য এ প্রতিষ্ঠানটি। নিজেরাই নিজেদের প্রণীত বিধান মানে না। ডিজি সাহেব তো প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন। তিনি ঈদটা যেভাবে ইদ করলেন, সে নিয়মে তো আওয়ামী লীগও ভুল শব্দ; এটা শুদ্ধ করে আওয়ামি লিগ লিখতে বলুন, দেখি তার বিধান কথটা কার্যকর হয়। ভণ্ডামিরও একটা সীমা থাকা দরকার। এ অবস্থায় কী করবে দেশের শিক্ষিত সমাজ; সব জায়গায় জবরদস্তি চালিয়ে অজ্ঞানতার অন্ধকারে ঠেলে দেয়া হচ্ছে নতুন প্রজন্মকে। বলা হচ্ছে ভাষার সহজীকরণ হচ্ছে; বিশেষত বাচ্চাদের জন্য। এভাবে না জেনে না বুঝে হুটহাট বানানরীতি বদলালে এবং নিজেদের বইয়েই তা না মানলে কেমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তা সহজেই অনুমেয়। অজস্র সময় ও কোটি কোটি টাকার অপচয় হয়, শব্দের প্রকৃত অর্থ বদলে যেতে থাকে; আর তা যদি হয় ধর্মগ্রন্থীয় শব্দ তবে তো কথাই নেই; স্থানবিশেষে কুরুক্ষেত্র বেঁধে যায়; সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ায়, (কারণ বানানবিধানে আছে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ অক্ষুণ্ণ থাকবে, এগুলোর দীর্ঘস্বরকে হ্রস্ব করলে অর্থের পরিবর্তন হয় বলে সনাতন ধর্মবেত্তাগণ কড়া আপত্তি তোলেছিলেন। এ ধরনের আপত্তি তো একই কারণে আরবি ফারসির ক্ষেত্রে মুসলিম ধর্মবেত্তাগণও করবেন) সর্বোপরি এ ধরনের ভিত্তিহীন ও অপরিণামদর্শী পরিবর্তনের ফলে ভাষা শ্রীহীন, দুর্বোধ্য ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে। এত বিকল্প শিশুদের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। তারা একেক বিষয় পড়তে গিয়ে একেক বানান দেখে আরো বিভ্রান্ত হয়। তখন তাদের কাছে ইংরেজিকেই সহজ ভাষা মনে হয়। অথচ বাংলা পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ ও সুপ্রাচীন ভাষা। এর রয়েছে শৃঙ্খলাবদ্ধ সুন্দর বর্ণমালা, অফুরন্ত শব্দভাণ্ডার। তাই মনগড়া বিধান চালু করে শিশুদের মধ্যে মাতৃভাষা-ভীতি তৈরি করা গর্হিত অপরাধ। তাই সংস্কৃতের মত বিদেশি শব্দেরও প্রচলিত বানান অক্ষুণ্ণ রাখার কোনো বিকল্প নেই। যেমন- আওয়ামি নয়, আওয়ামী ই থাকবে; লিগ নয় লীগ থাকবে; সুপ্রিম নয় সুপ্রীম থাকবে; ইদ নয়, ঈদ থাকবে। দেশবাসী ক্ষিপ্ত হওয়ার আগে এরকম সব সঠিক বানান অক্ষুণ্ণ না রেখে উপায় নেই। আধুনিক বাংলা অভিধানে ‘ইদ’ শব্দটির ভুক্তিতে বলা হয়েছে, ” ‘ইদ/ইদ্/[আ.]বি. ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব; (ইদুল ফিতর বা ইদুল আজহা); খুশি, উৎসব; ঈদ-এর সংগততর ও অপ্রচিলত বানান। ইদ মোবারক /ইদ্ মোবারক্/বি. ইদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উচ্চারিত অভিবাদন।’ অন্যদিকে, অভিধানের ‘ঈদ’ ভুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘/ইদ/[আ.]বি. ইদ-এর প্রচলিত ও অসংগত বানান।’ আবার বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে ‘ইদ’ শব্দের ভুক্তিতে নির্দেশ করা হয়েছে ‘ঈদ’।” যাই হোক, তাঁরা বোঝাচ্ছেন, ‘ইদ’ বানানটি সংগত আর ‘ঈদ ‘অসংগত? হায়রে পাণ্ডিত্য! এবার আমরা দেখব বাংলা একাডেমি কতটা সংগত। যদিও ডিজি শামসুজ্জামান খান ইতোমধ্যেই বলে বসেছেন, “এই পরিবর্তনে এত মাতামাতি করার কিছু নেই। আমার মনে হচ্ছে, জামায়াত অথবা কোনও উগ্রবাদী মতাদর্শের লোকজনের বিষয়টি নিয়ে বেশ মাথা ব্যথা শুরু হয়েছে।” রাজনৈতিক নেতাদের মত কথা বললেন; অথচ তার ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে তিনি রাজনীতিক নন; রাষ্ট্রের চাকর হিসেবে তার এ বক্তব্যও অসংগত। এই পরিবর্তনে বাংলা একাডেমির কারো মাতামাতির কিছু নেই- এক্ষেত্রে কথাটি ঠিকই আছে। কারণ যাদের মাথা নেই তাদের ব্যথাও নেই। কোনো বিষয না জানলে মাতামাতির কী বা থাকে বলুন? তবে একাডেমি ‘ঈদ’ এর বদলে ‘ইদ’ লিখে কী অপকর্মটি করেছে তা জানা দরকার । আরবি ‘ঈদ’ ( عيد) এর বাংলা অর্থ- আনন্দ, উৎসব, পর্ব ইত্যাদি । আর ‘ইদ’ (عد) এর বাংলা অর্থ- ব্রণ, ফোঁড়া, বিষফোঁড়া ইত্যাদি। একাডেমির সবাই আরবিতে অজ্ঞ, অথচ আমাদের বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবির সংখ্যাই সর্বাধিক! আর এ ভাষা গবেষণার সুমহান দায়িত্ব যারা পালন করছেন তাদের কেউই আরবি জানেন না। তাইতো তারা আনন্দের বদলে বিষফোঁড়ার জন্ম দেন। ভাষা না জেনেও এর গবেষণা কেবল বাংলাদেশেই সম্ভব- কত হতচ্ছাড়া জাতি আমরা। বহুভাষাবিদ পণ্ডিতদের আসনে কারা বসে আছে! কে নেয় এসব খবর!

ঢাকা, ২৪ জুন ২০১৭১৭

ব্রিটেনে পালিত হল মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর

লন্ডন প্রতিনিধিঃ এক মাস সিয়াম সাধনার পর গ্রেটবৃটেনে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালিত হয়েছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। ২৫ জুন রোববার ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদ ও খোলা মাঠে নামাজ আদায় করতে সমবেত হন হাজার হাজার মুসলিম নরনারী । ইষ্টলন্ডনের, মাইল এন্ড ষ্টেডিয়াম, রডব্রীজের ভেলেনটাইন পার্ক ও বাঙালি অধ্যূষিত ব্রিকলেন জামে মসজিদ, রিজেন্ট পার্ক মসজিদ সহ প্রতিটি মসজিদে অনুষ্টিত হয় ঈদের জামাত। বড় বড় মসজিদগুলোতে একাধিক জামাতে অংশ নেন নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মুসল্লিরা। ঈদের খুতবায় বিশ্বে সুখ, শান্তি ও সম্বৃদ্ধি কামনা করে করা হয় বিশেষমোনাজাত করা হয়। miland sta

পূর্ব লন্ডনের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় ঈদের আমেজ ছিল অনেকটাই বাংলাদেশের মত। রং বেরংয়ের পোষাক পড়ে রাস্তায় ছোট ছোট বাচ্চাদের চলাচল, মসজিদগুলোর সামনে মুসল্লিদের ভীড়, বাড়ীতে বাড়ীতে আত্মীয় স্বজনের আনাগোনা টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকায় এনে দেয় ঈদের আলাদা এক আমেজ।
ব্রিকলেন ও পূর্ব লন্ডন মসজিদে সকাল ৮টা থেকে শুরু করে একঘন্টা পর পর বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ঈদের জামাত। এদুটো মসজিদেই মূলত কমিউনিটির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা নামাজ আদায় করেন। লন্ডন ছাড়াও বার্মিংহাম, ম্যানচেষ্টার, নিউক্যাশেল, লিডস ‘ ওল্ডহ্যাম ও লুটনসহ বিভিন্ন শহরে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন বৃটিশ মুসলিমরা। মাইল্যান্ড ষ্টেডিয়ামে ঈদ জামাতে উপস্থিত হয়ে মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস । ঈদ জামাতে আগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে জনবিগস বলেন ঈদ আসে দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এজন্য এর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এই মাস থেকে আমরা সংযমের শিক্ষা নেই। তিনি বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটস হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্পৃতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এখানে উগ্রবাদের স্থান নেই।

পূর্ব লন্ডনে ঈদ জামায়াতের সময় সূচি

চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আগামী ২৫জুন রোববার অথবা ২৬জুন সোমবার গ্রেট ব্রিটেন ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পবিত্র ঈদের ফিতর উদযাপন করা হবে। নিম্নে পূর্ব লন্ডনের কয়েকটি ঈদ জামাতের সময় সূচি দেয়া হল।
মাইল্যান্ড ষ্টেডিয়ামঃ
মাইল্যান্ড ষ্টেডিয়ামে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও খোলা মাটে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিতি হবে সকাল সাড়ে নয়টায়।
ইস্ট লন্ডন মসজিদঃ
ইস্ট লন্ডন মসজিদে মোট ৫টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জমাত সকাল সাড়ে ৭টা। দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে ৮টা। তৃতীয় জামাত সাড়ে ৯টা। চতুর্থ জামাত সকাল সাড়ে ১০টা এবং পঞ্চম জামাত সকাল সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ব্রিকলেন জামে মসজিদঃ
ঈদের ৪টি জমাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৮টা। দ্বিতীয় জামাত ৯টা। । তৃতীয় জামাত ১০টা এবং শেষ জামাত ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
দারুল উম্মাহ মসজিদঃ
প্রথম জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়। দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৮টা । তৃতীয় জামাত সকাল সাড়ে ৯টা এবং শেষ জামাত পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ফোর্ড স্কোয়ার মসজিদঃ
ফোর্ড স্কোয়ার মসজিদে ৫টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৬টা। দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৭টা। তৃতীয় জামাত সাড়ে ৮টা। চতুর্থ জামাত সাড়ে ৯টা এবং শেষ জামাত সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত।
বায়তুল আমান মসজিদঃ
৪টি জামাত। প্রথম জামাত সকাল ৮টা । দ্বিতীয় জামাত ৯টা। তৃতীয় জামাত সকাল ১০টা এবং শেষ জামাত ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।

শাহপরান মসজিদ হ্যাকনি রোডঃ
৪টি জামাতঃ প্রথম জামা্ত ৮টা। দ্বিতীয় জামাত ৯টা। তৃতীয় জামাত ১০টা এবং শেষ জামাত ১১টায়।
আলহুদা মসজিদ ক্যাবল স্ত্রিটঃ
৫টি জামাত। প্রথম জামাত সকাল ৭টায়। দ্বিতীয় জামাত ৮টা। তৃতীয় জামাত ৯টা। চতুর্থ জামাত ১০টা ও শেষ জামাত ১১টায়।
রেডকোর্ট মসজিদঃ
প্রথম জামাত ৭টা। দ্বিতীয় জামাত ৮টা। তৃতীয় জামাত ৯টা। চতুর্থ জামাত ১০টা এবং শেষ জামাত ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ফরেস্ট গেট মসজিদঃ
ফরেস্ট গেট মসজিদে সকাল সাতটা আটটা নয়টা ও সাড়ে দশটায় পর পর চারটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদ মোবারক

পবিত্র ঈদুলফিতর উপলক্ষ্যে সংবাদটুয়েন্টিফোরডট কমের সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের জনাচ্ছি শুভেচ্ছা – ঈদ মোবারক— সম্পাদক।

জামাল খান এক্সিডেন্ট করেছেন

যুক্তরাজ্যযুবলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারি ইউকে ও ঘাতক দালাল নিরমুল কমিটির সহকারী সেক্রেটারী কমিউনিটির পরিচিত মুখজামাল খাঁন গত রাতে বাংলাদেশ ক্রীকেট কাউন্সিলের ইফতার পার্টি থেকে বাসায় ফেরারপথে ইষ্ট লন্ডনের ক্যানন স্ট্রিটের কাছে লাইম হাউস দিক দিয়ে আসা একটি পুলিশ কারের সাথে মুখমুখী সংঘষর ঘটে ৷ এতে জামাল খাঁনের গাড়ীর সামনের দিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়৷সাংবাদিক নাহিদ জায়গিরদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন । জামাল খাঁনকে হাসপাতালেনেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শষে তিনি ঘরে ফিরেছেন। তার তেম কোন ক্ষতি হয়নি তবে তিনি সুস্থ আছেন।

Communist activist Jamal Khan in accident

By Ansar Ahmed Ullah: Community activist and well known face in the East End of London Jamal Khan miraculously escaped following an accident with another vehicle. On Tuesday evening following an Iftar with Cricket Council, around midnight, he was driving on Cannon Street Road when he collided with a police vehicle coming from the opposite direction. jamal-khan.jpg accident
Following the accident, he was rushed to Royal London hospital for treatment. He was x-rayed and other tests were carried out before being released. It is believed his injuries aren’t life threatening. He is now resting at home.

European Bangladesh Forum meeting in Brussels

A crisis emergency meeting of European Bangladesh Forum (EBF) was held on Sat 17 June in Brussels Press Club, Belgium to discuss extremism following recent terror attacks in the UK

The meeting was chaired by Ansar Ahmed Ullah, EBF President from the UK. In attendance were journalist Bikash Chowdhury Barua from Holland, activist Sumana Barua from The Netherlands, activist Rubaiyat Muksed Rubel, Ms. Anar Chowdhury, Vice-President of Vrije University Belgium, activist Suja Chowdhury, M M Murshed of Dhaka Brussels Peace Committee and Laurent Brihay & Maria Laura Franciosi, Press Club Brussels Europe.

They expressed their concern at the recent terror attacks and the impact of terrorist attacks. The meeting decided to hold an international conference in the European capital in July 2017. The Brussels Conference is intended to provide a platform for South Asians and Europeans activists/policy makers to come together to understand the impact of terrorism and explore ways to provide assistance to those who are under attack from the terrorists.

:

Cricket Council hosts Iftar for Bangladeshi journalists Ansar Ahmed Ullah

An Iftar Mahfil was hosted by the Bangladesh Cricket Council UK officials on Tuesday, 20th June, at the Bhojon Bari Restaurant, East London in honour of journalists who had come from Bangladesh to cover ICC champions trophy.

A brief discussion took place prior to Iftar chaired by President Noim Uddin Riaz & conducted by Secretary Mustak Babul.

In attendance were Channel 24’s special correspondent Rezwanuzzaman, Manabkontho’s Md Mohiuddin Palash, Macarangas TV’s A K M Abu Sadat, Banglavision’s Ujjal Das, Monir Hussain Khan, Ch I’s Saydur Rahman Shahin, Janokanta’s Mitun Ashraf, Baishakhi TV’s S M Sumon, Daily Independent’s Syed Md Titu and others.

Bangladesh Cricket Council’s Maruf Ahmed, Abdul Ahad Chowdhury, Jamal Khan, Musleh Uddin Ahmed, Kamrunnahar Lipi, Zakir Hussain Koyes, Rezaul Karim Mrida, Abdul Basit, journalist Shoeb Kabir were present at the event. The guests were given copies of brochure published by the Cricket Council to coincide with ICC champions.

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net