শিরোনাম

Monthly Archives: জুলাই ২০১৭

স্বপরিবারে হজ্বে যাচ্ছেন সহিদুর রহমান

লন্ডনঃ বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা বাংলাদেশ হিউম্যানরাইট কমিশন ইংল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ও ইউরোপীয়ান এম্বেসেটর ব্রিটিশ বাংলাদেশী ক্যাটারারর্স এসোসিয়েন (বিবিসিসিএ) এর যুগ্ম সম্পাদক ও ওয়েষ্টলন্ডন আওয়ামীলীগের যুগ্মসম্পাদক মোহাম্মদ সহিদুর রহমান আগামী ১১ আগষ্ট স্বপরিবারে হজ্ব পালন করতে সৌদি আরব যাচ্ছেন। সময় স্বল্পতার কারনে সবার সাথে যোগোগ করতে পারেননি। তিনি সকলের দোয়া চেয়েছেন।

আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে কনজারভেটিব দলের প্রার্থী তালিকায় মিনা রহমানকে সিলেক্ট করা হয়েছে

লন্ডনঃ বৃটেনের আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে মিনা রহমানকে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী হিসেবে সিলেক্ট করা হয়েছে, গেল ২৭জুলাই কনজারভেটিভ দলের সদর দপ্তর থেকে এক পত্রে মিনা রহমানকে জানানো হয় ওয়েষ্ট মিনিস্টার প্রার্থী তালিকায় তার নাম চূরান্ত করা হয়েছে এবং তাকে এখন থেকে নির্বাচনের জন্যে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। মিনা রহমান ২০১৫ সালে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিব দলের একমাত্র বাঙ্গালী প্রার্থী হিসেবে বার্কিং এন্ড ডাগেনহ্যাম আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। রাজনীতি এবং সমাজ সেবায় বৃটেনের বহু জাতিক সমাজে তার অবদান রয়েছে, রয়েছে সকল মহলে গ্রহন যোগ্যতা। ইষ্ট লন্ডনে বেড়ে উঠা মিনা রহমান বিগত ৩১বছর যাতব এনএইচএস এবং হাউজিং ডিমার্টমেন্টে কর্মরত থেকে কমিউনিটির সেবা করে যাচ্ছেন। এছাড়া বাংলাদেশ উইম্যান নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি নারীদের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। দলের পক্ষ থেকে তাঁকে নির্বাচনের জন্যে প্রস্তুতি নিতে বলায় এবং প্রার্থী হিসেবে মিনা রহমানের নাম চূরান্ত করায় তার নির্বাচনী এলাকার জনগন দলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

Mina Rahman selected by the Conservative Party

Ansar Ahmed Ullah : Mina Rahman has been selected by the Conservative Party to contest at the next election to be held in the UK. In a letter dated 27 July addressed to Mina Rahman it informed her of being placed on the Westminster Approved List for the next general election.
On hearing the news Mina Rahman said she was delighted to be back on the approved list. Mina Rahman was previously the Barking perspective parliamentary candidate (PCC) for the 2015 general election.
Mina Rahman believes it’s vital that local people have a strong voice in Parliament, someone who fights for their concerns and stands up for the community.
Mina has worked in the public sector for the last 31 years in housing and the NHS. She grew up in Tower Hamlets but now lives in Barking area with her family. She is married to BASOD politician & community activist Goyasur Rahman Goyas. To date she is the only candidate of Bengali origin chosen by the Conservative Party.

নবীগঞ্জে গরুর মাংসে আল্লাহু নাম

রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ থেকেঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের দেওতৈল গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী মজুমদার মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে অলৌকিক ভাবে তরকারীর মধ্যে গরুর মাংসে দেখা গেল আল¬াহু লেখা । মাংসে আল্লাহু লেখা দেখা গেছে এমন খবরে বিভিন্নস্থান থেকে লোকজন ভিড় জমান বিয়ে বাড়িতে। জানা যায়,গত শনিবার দেওতৈল গ্রামের প্রবাসী মজুমদার মিয়ার বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠানে কনে পক্ষের লোকজনের জন্য বাজার থেকে গরু ক্রয় করে গরুটি জবাই করে রান্না করা হয়। দুপুরে বৌভাত অনুষ্ঠানে খেতে বসলে হঠাৎ তরকারীর মাংসের মধ্যে আল্লাহু লেখা দেখা যায়। অলৌকিক ভাবে মাংসে আল্লাহু লেখা দেখে উপস্থিত বৌভাত অনুষ্ঠানের অতিথি সহ সবাই চমকে যান। এসময় লোকজন একসাথে আল¬াহু আল¬াহু জপতে থাকেন। এখবর চারদিকে ছড়য়ে পরলে উৎসুক জনতা ভিড় জমান সৌদি আরব প্রবাসী মজুমদার মিয়ার বাড়িতে ।

A multimedia project to counter extremism Ansar Ahmed Ullah

One Creation, a multimedia performance, created by two artists believe it may be an answer to extremist terrorism. The work challenges conventional reaction to acts of terrorism and demonstrates that we who live in the age of terror are all part of one great connection and have nothing to fear from each other. It offers a solution that requires no action at all, by simply making us aware of the sheer glory of diversity, and the infinite and eternal interconnectedness of all living things.

Music director Gavin Roberts, and visual artist Alice Sielle invited artists and musicians born into different faiths to choose religious or secular texts/poems/songs from their own heritage that illustrated the three subjects of ‘Love of the whole of creation’, ‘Shared humanity’ and ‘Erotic love’.

This first ever event included Ranjana Ghatak of Hindu faith, Tami Tal of Jewish faith, Merit Ariane Stephanos of Christian faith, Avaes Mohammad of Muslim faith and Sikh musicians Harpriet, Harkesh, Simmeron & Akpaljit Kaur and Tarsem Singh Panesar who performed with a video of the related paintings projected at the back of the stage on 26 July at the St. Marylebone Parish Church.
Alice Sielle, the artist who initiated the project said, ‘I thought I would spontaneously combust if I didn’t try to do something about extremism before I died. One Creation grew out of a series of paintings I’ve been working on for a couple of years about the interconnectedness of all living things: that we are all part of one creation and have nothing to fear from each other’. She added, ‘I think peace movements fail because they require action. I would, of course, like to expand One Creation to include atheism, humanism, and every faith,’

পুলিশ হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পূর্ব লন্ডনে দাঙ্গা

লন্ডনঃ রাশান চার্লস নামে পুলিশ হেফাজতে কাল এক যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে ইষ্টলন্ডনে পুলিশের সাথে প্রতিবাদকারীদের দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছে।২৮জুলাই শুক্রবার বিকাল থেকে শনিবার ভোররাত পর্যন্ত এই দাঙ্গা হয়েছে ইস্ট লন্ডনের হ্যাকনি কাউন্সিলে। প্রশ্নবিদ্ধ এই মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে বিক্ষোভ শুরু হয় ডালস্টোন এলাকার কিংসল্যান্ড রোডে।
1
পুলিশের হাতে প্রশ্নবিদ্ধ মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন বেনারের পাশাপাশি কেউ কেউ ‘ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার্স’ লিখা বেনার ফেস্টুন নিয়েও আসেন। রাত ৮টার দিকে ধীরে ধীরে বিক্ষোভ অগ্নিমূর্তি ধারণ করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। কালো মুখোশধারী কিছু বিক্ষোভকারী রাস্তায় অসংখ্য বিন, ম্যাট্রেস ইত্যাদিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। রাত প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে দাঙ্গা পুলিশ ধীরে ধীরে তাদের কাছে যাবার চেস্টা করলে পুলিশের উপর আক্রমণ শুরু হয়। এ সময় পুলিশকে উদ্দেশ্য করে ইট-পাটকেল, বোতল, আগুন বোমা নিক্ষেপ শুরু করে বলে পুলিশ জানায়। এ সময় মুখোশধারীরা স্থানীয় দোকানপাটও ভাংচুর করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কালোদের সাথে সাদা এবং এশিয়ান লোকজনও দাঙ্গায় অংশ নেন। রাত প্রায় ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ। এ সময় ১০ থেকে ১৫ টি দাঙ্গা পুলিশের ভেন সেখানে ছিল বলে এক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এছাড়াও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ঘোড়া এবং হলিকপ্টারও ব্যবহার করে।
উল্লেখ্য ২০ বছর বয়সী রাশানকে ২২ জুলাই গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের প্রায় এক ঘন্টা পর রয়েল লন্ডন হাসপাতালের মৃত্যুবরণ করে সে। তার প্রশ্নবিদ্ধ মৃত্যুর কারণ জানতে ওই দিন থেকেই বিক্ষোভ করে আসছেন স্থানীয়রা। তাড়া করে স্থানীয় দোকানের ভেতর গ্রেফতারের সময় হ্যান্ডকাফ পরা রাশানকে নিয়ে দু’জন পুলিশ অফিসার মাঠিতে পড়ে ধস্তাধস্তি করছেন, এমন একটি সিসিটিভি ফুটেজ তাৎক্ষনিকভাবেই সামাজিক মাধ্যমে আসে। তবে পুলিশের ধাওয়ার মধ্যে রাশান কিছু একটা গিলার চেস্টা করছিল বলে দাবী পুলিশের। সেটা বের করার জন্যে তার গলায় অতিমাত্রায় চাপাচাপির কারনে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। যদিও দ্যা ইন্ডিপেনডেন্ট পুলিশ কমপ্লায়েন্স কমিশন রাশানের মৃত্যুর কারণ উদ্ধারে তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে রাশানের পরিবার থেকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিক্ষোভ প্রতিবাদ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডিসেম্বরে লন্ডনে আন্তর্জাতিক সিলেট উৎসব

সিলেটের ইতিহাস ঐতিহ্য কৃষ্টি ক্যালচার ভাষা ও সংস্কৃতিকে ব্রিটিশ মালটিক্যালচারাল সোসাইটিতে তুলে ধরতে প্রথম বারের মত বৃটেনের রাজধানী লন্ডনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সিলেট উৎসব।
মৈত্রী ও বন্ধুতের সাঁকোর গৌরব গাঁথা ইতিহাসকে তুলে ধরার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত মার্চ মাসের ঘোষনার আলোকে আয়োজকরা জানিয়েছেন সিলেট উৎসব আগষ্টের পরিবর্তে ডিসেম্বরে অনুষ্টিত হবে লন্ডনে ৷
এই উৎসবকে সফল করতে বৃটেনের প্রতিটি শহরে কাজ করছেন বৃটেনে বসবাসরত বৃহত্তর সিলেটের কয়েকশত প্রবাসী। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় এই উৎসবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ খেকে বৃহত্তর সিলেটের অধিবাসীরা অংশ নেবেন। এবিষয়ে বিস্তারিত জানতে উৎসব কমিটির চেয়ারম্যান আনসার আহমেদ উল্লাহ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জামাল আহমদ খান, সেক্রেটারী আহাদ চৌধুরী বাবু, টেজারার আ.স.ম মাসুম, ও মিডিয়া সেক্রেটারী জুলেল রাজের সাথে ০৭৯৫৬৮৯০৬৮৯, ০৭৯৬১৩৭৪৬২৭, ০৭৫০৬২৯৫২৩৩, ০৭৯৪০৯৩৪১৩০, ০৭৮০৯৪৫৪২৫১ নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। (সংবাদ বিজ্ঞিপ্তি)

বাহুবলের সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু হত্যা মামলায় তিন জনের ফাঁসির আদেশ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চাঞ্চল্যকর চার শিশু হত্যা মামলার ঘোষিত রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। তাদের অভিমত, সকল আসামীরা হত্যা পরিকল্পনার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল, যা তাদের ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতেও প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া আদালতের সাক্ষ্যতেও তা প্রমাণ করা গেছে। এরপরেও মূল আসামী আব্দুল আলী বাগালসহ তিন জন খালাস পেয়েছেন। এ কারণে রায়ে সন্তোষ হতে পারেননি তারা।
বুধবার বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের বিচারক মকবুল আহসান আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে তিন জনকে ফাঁসির দন্ড এবং আরো ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, আরো দুই আসামীকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড একই সাথে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়। তাছাড়া, অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিনজনকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।
রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের পিপি কিশোর কুমার কর সাংবাদিকদের জানান, এ রায়ে সন্তোষ নন তারা। তাদের আশা ছিল সকল আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। এ কারণে রায়ের পুরো কপি হাতে পাওয়ার পর পর্যালোচনা করে তারা উচ্চ আদালতে যাবেন বলেও জানান তিনি।
ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হচ্ছে-রুবেল মিয়া, আরজু মিয়া ও উস্তার মিয়া। ৭ বছরের কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে-জুয়েল মিয়া ও শাহেদ। মামলার অপর আসামী আব্দুল আলী বাগাল, বাবুল মিয়া ও বিলালকে খালাস দেয়া হয়েছে।
এর আগে এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামি পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া ও শাহেদ মিয়াকে আদালতে তোলা হয়। সকাল ১০টা ৪১ মিনিটে প্রিজন ভ্যানে করে তাদের আদালতে নিয়ে আসা হয়।
আসামিদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া নামের একজন র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যান। আর এ মামলার আসামি উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরে ১২ ফেব্রুয়ারি বিকালে বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আবদাল মিয়া তালুকদারের ছেলে মনির মিয়া (৭), ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আব্দুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আব্দুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)।
মনির সুন্দ্রাটিকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে, তার দুই চাচাত ভাই শুভ ও তাজেল একই স্কুলে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত। আর তাদের প্রতিবেশী ইসমাইল ছিল সুন্দ্রাটিকি মাদ্রাসার ছাত্র।
নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ইছাবিল থেকে তাদের বালিচাপা লাশ উদ্ধার হলে দেশজুড়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বাহুবল থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মনির মিয়ার বাবা আবদাল মিয়া।
২০১৬ বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তৎকালীন ওসি মোক্তাদির হোসেন নয়জনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দেন। সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আব্দুল আলী বাগালের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে।
হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ বছরের ৭ সেপ্টেম্বর মামলার বিচার কার্য শুরু হয়। হবিগঞ্জ আদালতে মামলার ৫৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়। পরে গত ১৫ মার্চ মামলাটি সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হলে আরও ৭ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।

ব্যারিস্টার ফজলুলহক ছিলেন অসাম্প্রদায়িক একজন মুক্তচিন্তার মানুষ —-গয়াছুর রহমান গয়াছ

প্রতিটি প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে কথাটি চিরন্তন সত্য।তবে কোন মৃত্যু যদি হয় অপরিণত বয়সে তা সহজে মেনে নিতে কষ্ট হয়। এমনি এক মৃত্যু সংবাদে আমি মানষিক ভাবে অনেকটা ভেঙ্গে পড়েছি, বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে ফজলুল হক আর আমাদের মাঝে নেই।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী আইনজীবি পরিষদের সহসভাপতি ও বৃটেনে সুনামগঞ্জ জেলা সমিতির সেক্রেটারী বন্ধু ব্যারিস্টার ফজলুল হক আমাদের ছেড়ে চিরদিনের জন্যে চলে গেছেন নাফেরার দেশে ( েইন্নালিল্লাহি….রাজি.উন)।ফজলুল হক ছিলেন আমার সহপাঠি, সহযোদ্ধা ও আমরা উভয়েই একই এলাকার মানুষ। ছোট বেলা থেকেই তার সাথে আমার আন্তরিকতা, একসাথে লেখাপড়া করেছি বৃটেনে অভিবাসী হওয়ার পর কমিউনিটির উন্নয়নে কাজ করেছি একত্রে। চলার পথে তাকে সবসময়ই পাশে পেয়েছি। বৃটেনের যান্ত্রিকজীবনে শত ব্যস্ততার মাঝে কম হলেও সপ্তাহে একবার একে অপরের খোঁজ নিয়েছে।
লন্ডনে আমি ছাতক যুবসমিতির সেক্রেটারী হিসেবে যখন সংকলন ‘দিশারী’ প্রকাশ করি তখন তিনি তিনি এই ম্যাগাজিন প্রকাশ করতে আমাকে নানানভাবে সহযোগীতা করেছেন। এলাকার উননয়নে কি করা যায় এনিয়ে আমরা নানা পরিকল্পনা করতাম, শুধু পরিকল্পনা নয় তাকে সাথে নিয়ে এলাকায় বেশ কিছু কাজও করেছি। আমার স্ত্রী ব্রিটিশ রাজনীতিক মিনা রহমান বৃটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ থেকে পারলামেন্ট ইলেকশনে কেন্ডিডেট হলে নিজ এলাকার মানুষ হিসেবে ইলেকশনে যথেষ্ট সহযোগীতা করেছেন। প্রায় দু‘বছর যাবত তিনি মরণব্যাধি কা্যনসারে আক্রান্ত তবে কি রোগ হয়েছে কাউকে বুঝতে দেননি। শেষ অবদি জানা গেল তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত তবে একবারে শেষ ষ্টইজে। রোগ শয্যায় প্রায়ই তাকে হাসপাতালে দেখতে যেতাম। আমাকে দেখলেই বলতেন আমার বোনকে বলবেন দোয়া করতে, তার মৃত্যুর ঠিক দু‘দিন আগে তার শারিরিক অবস্থার খবর নিতে হাসপাতালে গেছি তখন তিনি অনেকটাই অচেতন বেহুশ বললেই চলে,চোখ বন্ধ করে রেখেছেন আমি যে রুমে প্রবেশ করেছি তিনি টের পেয়ে গেছেন, এসময় তার স্ত্রী ও কয়েকজন নিকটাত্মীয় তার পাশে বসা, চোখ মুজে একই শব্দ আমার বোনকে বলবেন দোয়া করতে। তার এই কথা গুলো আমার বার বার মনে পড়ছে। ফজলু ভাইর মৃত্যুতে মনে হয়েছে আমি আমার আপন ভাইকে হারিয়েছি। ফজলু ভাই ছিলেন অসাম্প্রদায়িক এবং মুক্তমনের একজন মানুষ আজীবন হাজির জনকের আদরশের অনুসারী। তাকে কারো সাথে কোন দিন খারাপ ব্যবহার করতে দেখিনি। সদা হাস্যোজ্বল একজন অমায়িক মানুষ, এই মানুষটির মৃত্যুতে বৃটেনের বাঙ্গালী কমউনিটিতে নেমে আসে শোকের ছায়া, পরম করুনাময়ের কাছ পারথনা করি তিনি যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন
( গয়াছুর রহমান গয়াছ সাবেক সাধারন সম্পাদক সিলেট জেলা ছাত্রলীগ সাবেক সমাজ সেবা ও সাহিত্য সম্পাদক মদন মোহন কলেজ ছাত্র সংসদ, লন্ডন ২২ জুলাই ২০১৭।)

ব্যারিস্টার ফজলুলহক ছিলেন অসাম্প্রদায়িক একজন মুক্তচিন্তার মানুষ
—-গয়াছুর রহমান গয়াছ

প্রতিটি প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে কথাটি চিরন্তন সত্য।তবে কোন মৃত্যু যদি হয় অপরিণত বয়সে তা সহজে মেনে নিতে কষ্ট হয়। এমনি এক মৃত্যু সংবাদে আমি মানষিক ভাবে অনেকটা ভেঙ্গে পড়েছি, বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে ফজলুল হক আর আমাদের মাঝে নেই।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী আইনজীবি পরিষদের সহসভাপতি ও বৃটেনে সুনামগঞ্জ জেলা সমিতির সেক্রেটারী বন্ধু ব্যারিস্টার ফজলুল হক আমাদের ছেড়ে চিরদিনের জন্যে চলে গেছেন নাফেরার দেশে ( েইন্নালিল্লাহি….রাজি.উন)।ফজলুল হক ছিলেন আমার সহপাঠি, সহযোদ্ধা ও আমরা উভয়েই একই এলাকার মানুষ। ছোট বেলা থেকেই তার সাথে আমার আন্তরিকতা, একসাথে লেখাপড়া করেছি বৃটেনে অভিবাসী হওয়ার পর কমিউনিটির উন্নয়নে কাজ করেছি একত্রে। চলার পথে তাকে সবসময়ই পাশে পেয়েছি। বৃটেনের যান্ত্রিকজীবনে শত ব্যস্ততার মাঝে কম হলেও সপ্তাহে একবার একে অপরের খোঁজ নিয়েছে।
লন্ডনে আমি ছাতক যুবসমিতির সেক্রেটারী হিসেবে যখন সংকলন ‘দিশারী’ প্রকাশ করি তখন তিনি তিনি এই ম্যাগাজিন প্রকাশ করতে আমাকে নানানভাবে সহযোগীতা করেছেন। এলাকার উননয়নে কি করা যায় এনিয়ে আমরা নানা পরিকল্পনা করতাম, শুধু পরিকল্পনা নয় তাকে সাথে নিয়ে এলাকায় বেশ কিছু কাজও করেছি। আমার স্ত্রী ব্রিটিশ রাজনীতিক মিনা রহমান বৃটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ থেকে পারলামেন্ট ইলেকশনে কেন্ডিডেট হলে নিজ এলাকার মানুষ হিসেবে ইলেকশনে যথেষ্ট সহযোগীতা করেছেন। প্রায় দু‘বছর যাবত তিনি মরণব্যাধি কা্যনসারে আক্রান্ত তবে কি রোগ হয়েছে কাউকে বুঝতে দেননি। শেষ অবদি জানা গেল তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত তবে একবারে শেষ ষ্টইজে। রোগ শয্যায় প্রায়ই তাকে হাসপাতালে দেখতে যেতাম। আমাকে দেখলেই বলতেন আমার বোনকে বলবেন দোয়া করতে, তার মৃত্যুর ঠিক দু‘দিন আগে তার শারিরিক অবস্থার খবর নিতে হাসপাতালে গেছি তখন তিনি অনেকটাই অচেতন বেহুশ বললেই চলে,চোখ বন্ধ করে রেখেছেন আমি যে রুমে প্রবেশ করেছি তিনি টের পেয়ে গেছেন, এসময় তার স্ত্রী ও কয়েকজন নিকটাত্মীয় তার পাশে বসা, চোখ মুজে একই শব্দ আমার বোনকে বলবেন দোয়া করতে। তার এই কথা গুলো আমার বার বার মনে পড়ছে। ফজলু ভাইর মৃত্যুতে মনে হয়েছে আমি আমার আপন ভাইকে হারিয়েছি। ফজলু ভাই ছিলেন অসাম্প্রদায়িক এবং মুক্তমনের একজন মানুষ আজীবন হাজির জনকের আদরশের অনুসারী। তাকে কারো সাথে কোন দিন খারাপ ব্যবহার করতে দেখিনি। সদা হাস্যোজ্বল একজন অমায়িক মানুষ, এই মানুষটির মৃত্যুতে বৃটেনের বাঙ্গালী কমউনিটিতে নেমে আসে শোকের ছায়া, পরম করুনাময়ের কাছ পারথনা করি তিনি যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন
( গয়াছুর রহমান গয়াছ সাবেক সাধারন সম্পাদক সিলেট জেলা ছাত্রলীগ সাবেক সমাজ সেবা ও সাহিত্য সম্পাদক মদন মোহন কলেজ ছাত্র সংসদ, লন্ডন ২২ জুলাই ২০১৭।)

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net