শিরোনাম

Monthly Archives: সেপ্টেম্বর ২০১৭

বৃটেনে ব্রিটিশ-বাংলাদেশী মালিকানাধীন রেষ্টুরেন্ট-টেকওয়ের সংখ্যা ১২ হাজার না ৬০ হাজার সঠিক কোনটি ?

বর্তমানে বৃটেনে ব্রিটিশ-বাংলাদেশী মালিকানাধীন রেষ্টুরেন্ট এবং টেকওয়ের সংখ্যা কত? আর কি পরিমান লোক এই সেক্টরে কর্মরত রয়েছে এর সঠিক তথ্য জানার আগ্রহ অনেকের। আসলেই কি এসংখা ১২,০০০ হাজার না তার চেয়ে বেশী? কেউ বলছেন ১২হাজার, কেউ বলছেন ১৯ হাজার আর কেউবা বলছেন ১৫ হাজার ,আর কারো কারো মতে এ সংখ্যা ৭,০০০ হাজার। এনিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। আমার হিসেব মতে এ সংখ্যা ৬০,০০০ হাজার।
সমগ্র বৃটেন জুড়ে ক্যাটারিং সেক্টরে প্রতিনিধিত্ব কারী সংগঠন রয়েছে বেশ কয়েকটি। এর মধ্যে ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ক্যাটারারর্স এসোসিয়েশন (বিসিএ), বাংলাদেশী রেষ্টুরেটারর্স, ব্রিটিশ বালাদেশী ক্যাটারারর্স এসোসিয়েশন (বিবিসিএ)। প্রতিবছরই কয়েকটি সংগঠন বৃটেনে কারিশিল্পে অবদান রাখছেন এমন প্রতিষ্টান এবং শেফদের এওয়ার্ড প্রদান করে, আয়োজন করা হয় মন মাতানো অনুষ্টানের এসব অনুষ্টানে ব্রিটিশ মন্ত্রী এমপি সহ বাংলাদেশ এবং ভারত থেকে অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্টানে আমন্ত্রন জানানো হয় ম্যাালটিক্যালচারাল সোসাইটির বিশিষ্ট জনদের। প্রতিটি এওয়ার্ড অনুষ্টানেই একই কথা সকলের মুখ থেকে উচ্চারিত হয়, সবাই বলেন বার হাজার রেষ্টুরেন্ট এবং টেকওয়ের প্রতিনিধিত্ব করছে সংগঠনটি, এওয়ার্ড প্রদান কারীরাও একই কথা বলেন।
এই সেক্টরে কর্মরত রয়েছে একশ হাজার মানুষ, এই সেক্টরটি হচ্ছে বৃটেনের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি। এসব সংগঠন এবং এওয়ার্ড প্রদান কারীদের ভাষ্য মতে ব্রিটিশ বাংলাদেশী মালিকানীন রেষ্টুরেন্ট এবং টেকওয়ে মিলিয়ে এককথায় ক্যাটারিং ইন্ডাষ্ট্র্রি ব্রিটিশ অর্থনীতিতে অবদান রাখছে বছরে ২.৫ বিলিয়ন কারো কারো মতে ৪.৫ বিলিয়ন পাউন্ড। সকলেই একই বার হাজার রেষ্টুরেন্ট এবং টেকওয়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন, না পৃথক পৃথক বার হাজার তা কারো কাছেই পরিস্কার নয়।
সংগঠন গুলো যদি নিজ নিজ সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কত তা প্রকাশ করেন অনেকেই উপকৃত হবেন। যে সব প্রতিষ্টানের পক্ষ থেকে প্রতি বছর ক্যাটারিং সেক্টরে এওয়ার্ড প্রদান করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো এনাম আলী এমবিই প্রবর্তিত ব্রিটশ কারি এওয়ার্ড, বিসিএ কারি এওয়ার্ড, কারিলাইফ ম্যাগাজিন আয়োজিত শেফ এওয়ার্ড, ব্রিটিশ বাংলাদেশী বিজনেন্স এওয়ার্ড, টেকওয়ে এওয়ার্ড উল্লেখযোগ্য। আসলেই আমার মতো অনেকেই এবিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিতে রয়েছেন, আমি এসংখ্যা ৬০ হাজার বলার কারন হলো, বিসিএ বলছে বৃটেনে ব্রিটিশ বাংলাদেশী মালিকানাধীন রেষ্টুরেন্ট টেকওয়ের সংখ্যা ১২ হাজার তাদের মতে তারা এনিয়ে একবার জরিপ চালিয়ে ছিলেন, ্একই কথা বিবিসিএ‘র। আবার এওয়ার্ড প্রদানকারী প্রতিষ্টান গুলোর দাবী এসংখ্যা ১২ হাজার। প্রতিটি সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবী করা হচ্ছে দক্ষ শেফ এবং ষ্টাফের অভাবে প্রতিদিনই বন্ধ হচ্ছে অসংখ্য রেষ্টুরেন্ট, আর কেউ দাবী করছেন প্রতি মাসে বাড়ছে এসংখ্যা, আমি বিগত ২২ বছর যাবত একই কথা শুনে আসছি এসংখ্যা ১২ হাজার। এই বার হাজার একত্রে না পৃথক পৃথক তা কারো কাছে পরিস্কার নয়, আর অস্পষ্টতার কারনেই বিভ্রান্তি।
আমার ৬০ হাজার বলার কারন হলো বিট্রিশ কারী এওয়ার্ড বলছে ১২ হাজার, বিসিএ ১২ হাজার, বিবিসিসিএ ১২ হাজার, কারীলাইফ ম্যাগাজিন ১২ হাজার, এফওবিসি ১২ হাজার, সব যোগ করলে ফল দাড়ায় ৬০ হাজার। সংগঠন গুলোর প্রতি আমাদের আবেদন তারা উদ্যোগী হয়ে একটি ডাটা তৈরী করবেন সেই সাথে নিজ নিজ সংগঠনের সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করবেন।
(মতিয়ার চৌধুরী-লন্ডন ৩০সপ্টম্বর ২০১৭।)

মিয়ানমারে হিন্দু রোহিঙ্গাদের গণকবর — বিচার দাবি ভারতের

মিয়ানমারে চলমান রোহিঙ্গা সংকটের মধ্যেই দেশটির রাখাইন রাজ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের যে গণকবর পাওয়ার খবর বেরিয়েছে তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। সেইসঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিচার দাবি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাভীশ কুমার শুক্রবার এ দাবি জানান। তিনি বলেন, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলরের দফতর থেকে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, গণকবরের সব লাশ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের। এ ছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত খবরও তারা প্রত্যক্ষ করেছেন বলে উল্লেখ করেন।তার দেশ যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কাজের নিন্দা জানায় উল্লেখ করে কুমার বলেন, ‘চলমান দ্বন্দ্বে বেসামরিক লোকদের টার্গেট করা হচ্ছে এমন যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কাজের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের সরকার বিচারের আওতায় আনতে পারবে বলে আমরা আশা করছি। আমরা এও আশা করছি, সংশ্লিষ্টদের পরিবারকে নিরাপত্তাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।’প্রসঙ্গত, মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে সম্প্রতি একটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং সেই গণকবরে থাকা সব লাশ হিন্দুদের বলে জানায় মিয়ানমার সরকার।রাভীশ কুমার আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের আক্রান্ত লোকদের জন্য আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।’এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ভারত ও বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুর ওপর নজর রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

৮৪% রোহিঙ্গা রাখাইন থেকে বিতাড়িত আইওএম‘র হিসেব ১৯৭০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১১ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থী হয়েছে

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন চলছেই। এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, মিয়ানমার বাহিনীর নির্যাতনের মুখে ইতোমধ্যে ৮৪ শতাংশ রোহিঙ্গা দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। তুরস্কের আনাদুলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, ১৯৭০ সাল থেকে ৮০ শতাংশ রোহিঙ্গা মুসলিম নিজ জন্মভূমি রাখাইন রাজ্য ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থী হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মতে, ১৯৭০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১১ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, ভারত এবং গালফ ও এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলোতে শরণার্থী হয়েছেন। ইউরোপিয়ান কমিশন এক রিপোর্টে বলেছে, ২০১৭ সালের শুরুর দিকেও রাখাইনে আনুমানিক ৮ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমের বসবাস ছিল। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে মিয়ানমার সেনার অভিযানের পর থেকে সংঘাতে ৫ লাখ এক হাজার রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের ধারণা, আর মাত্র ৩ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাণ বাঁচাতে ১৬ লাখের মতো রোহিঙ্গা প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। আর এসব তথ্যের ভিত্তিতে এটা স্পষ্ট, ১৯৭০ সাল থেকে ৮৪ শতাংশের (প্রায় ১৯ লাখ) কাছাকাছি রোহিঙ্গ মুসলিম মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়েছেন।
আর মাত্র ১৬ শতাংশ রোহিঙ্গা দেশটিতে রয়েছেন। এই সংখ্যায় প্রমাণ করে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে কতটা জাতিগত নিধনের শিকার! সাম্প্রতিক সংঘাতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বৌদ্ধরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। তারা নির্বিচারে রোহিঙ্গা নারী, শিশু ও পুরুষদের হত্যা করে। গ্রামবাসীদের অকথ্য নির্যাতন ও বাড়িঘরে আগুন দিয়ে লুটপাট চালায়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, গত ২৫ আগস্টের পর থেকে রাখাইনে ৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। আর প্রাণ বাঁচাতে নাফ নদী পাড়ি দিতে গিয়ে নারী-শিশুসহ দেড় শতাধিক রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনি গুতেরেস বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বলেন, রাখাইনে সহিংসতা রোহিঙ্গাদের খুব দ্রুতই বিশ্বের বড় উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠীতে পরিণত করেছে, যা মানবিকতা ও মানবাধিকারের জন্য দুঃস্বপ্নের জন্ম দিয়েছে। ২০১২ সালেও একই ধরনের সংঘাতে রাখাইনে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৮২ সালে মিয়ানমার সরকার জাতীয়তা বিষয়ক আইন পাস করে, যেখানে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করা হয়। এরপর থেকেই রাষ্ট্রহীন এই মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বিড়াতনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কাজ শুরু করে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের মিলাদ ও দোয়া
লন্ডনঃ বাংলাদশের প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজন করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের। ২৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব ব্রিকলেন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত মিলাদ মাহফিলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে বিশেষ প্রার্থণা করা হয়।
মিলাদ মাহফিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বলেন মিয়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনা নিজেকে অনন্য এবং মানবতার নেত্রী হিসেবে প্রমাণিত করেছেন।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য সফররত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বীরপ্রতীক।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী,দক্ষ, ও সাহসী নেতৃত্বের গুণে দেশ আজ উন্নয়নের রোলমডেল। সমগ্র জাতি আজ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গর্বিত।শেখ হাসিনার নেতৃত্ব আজ বিশ্ব নন্দিত।
মিলাদ মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শামসুদ্দিন আহমদ মাস্টার, হরমুজ আলী, যুগ্ম সম্পাদক নইম উদ্দীন রিয়াজ, মারুফ আহমদ চৌধুরী, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ মিয়া, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীম আহমদ, শিল্প ওবাণিজ্য সম্পাদক আসম মিসবাহ, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সারব আলী, ইমিগ্রেশন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট এম এ করিম, লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হক লালা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান মোজাহিদ, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক শায়েক আহমদ, লন্ডন আওয়ামী লীগ নেতা আশিকুল ইসলাম আশিক, যুক্তরাজ্য যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদ খান, যুগ্ম সম্পাদক জামাল খান, যুক্তরাজ্য সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সায়েদ আহমদ সাদ, সহসভাপতি আহবাব মিয়া,শ্রমিকলীগের আহবায়ক শামীম আহমদ , সদস্য সচিব এম ইকবাল হোসাইন, যুক্তরাজ্য কৃষকলীগের সভাপতি সৈয়দ তারেক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক এমএ আলী, তাঁতী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজীব ভূইয়া, সহ সভাপতি সারওয়ার কবির, যুগ্ম সম্পাদক শাহ ফয়েজ, প্রচার সম্পাদক আবুল ফয়েজ, আওয়ামী লীগ নেতা মজুমদার মিয়া, গোলাব আলী প্রমূখ।
উল্লেখ্য, লাখ লাখ দুর্গত মানুষ বাংলাদেশ আসার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর জন্মদিনে কেক কেটে উৎসব না করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি নির্দেশ দেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সুব্রত পুরকাস্থ আহত

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ স্বেচ্চাসেবক লীগের কেনদ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু সুব্রত পুরকাস্থ গত ২৬সেপ্টেম্বর রাতে মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায় তিনি সাংগঠনিক সফরে বৃহত্তর সিলেটে আসলে মঙ্গলবার ভোর রাতে তাঁকে বহনকারী প্রাইভেট গাড়িটি মৌলভীবাজারেরর চৌমোহনায় পৌঁছালে গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পতিত হয়, তিনি মাথায় এবং শীরের আঘাত রয়েছে, তাৎক্ষনিক ভাবে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।
IMG_1023 বর্তমানে তিনি শংকামুক্ত রয়েছেন বলে পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এদিকে এই খবর লন্ডনে এসে পৌাঁছালে নেতাকর্মীরা তার সুস্থতা কামনা করেছেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী স্বেচ্ছা সেবক লীগের যুগ্মপ্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ রোকন সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তার সুস্থতা কামনা করেছেন এবং তার দ্রুত আরগ্য লাভে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু তনয়াদের আন্দোলন-সংগ্রাম-সফলতার কাহিনী নিয়ে লন্ডনে যুদ্ধজয়ের গল্প —–সুজাত মনসুর

স্বপ্নটি দীর্ঘদিন অন্তরে লালিত ছিলো। বঙ্গবন্ধু তনয়াদের আন্দোলন-সংগ্রাম-সফলতার কাহিনী নিয়ে নতুন প্রজন্মকে সংশ্লিষ্ট করে একটা কিছু করা যায় কি না। তবে অবশ্যই গতানুগতিকার বাইরে গিয়ে, চর্বিত-চর্বনের মত একই কথা বারবার পুরনো স্টাইলে(বক্তৃতা) না বলে ভিন্ন আঙ্গিকে বলা। যা সহজেই মানুষের মনের গভীরে আঘাত করে। আমি মনেকরি সঙ্গীত হলো সবচেয়ে উত্তম মাধ্যম, যা অত্যন্ত সহজেই মানুষের মনের গভীরে আঘাত করতে পারে। আরেকটি বিষয় মাথায় ছিলো, নতুন প্রজন্মকে যদি আমাদের কাজে-কর্মে সংশ্লিষ্ট না করা যায় এবং তাদের নিকট যদি দেশমাতৃকাকে ইতিবাচক(পজিটিভ) ভাবে তুলে না ধরা যায় তাহলে, আমরা যখন থাকবো না তখন আমাদের সন্তানরা(প্রবাসী) আর শেকড়ের সাথে, আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে তাদের অন্তরের টান অনুভব করবেনা, এমনকি এখনো করে না। কিভাবে নতুন প্রজন্মকে, বিশেষ বিলেত প্রবাসী নতুন প্রজন্মকেও আমাদের স্বপ্নের ভাগিদার করা যায়, তাদের মতো করে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, সাহিত্য, উন্নয়ন-অগ্রগতি জানতে পারে সে চিন্তাটাও ছিল। সেই স্বপ্নেরই সফল রূপায়ন হলো, গত ২৪শে সেপ্টেম্বর লন্ডনে যুদ্ধজয়ের গল্প শীর্ষক একটি সফল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। যেখানে মুলতঃ গানে গানে আর শিশু-কিশোর রচনা, বক্তৃতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু তনয়াদের আন্দোলন-সংগ্রাম-সফলতা, বাংলাদেশের চলমান অগ্রগতি ও সম্ভাবনা, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু। একথায় বলা যায় সমগ্র বাংলাদেশকে। যুদ্ধজয়ের গল্পের গর্বিত ভাগিদার হতে ছুটে এসেছিলেন লন্ডনসহ বিলেতের বিভিন্ন শহর থেকে ছেলেমেয়েদের নিয়ে অভিভাবকরা। এসেছিলেন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিক। অনুষ্ঠানটি ছিলো সত্যিকার অর্থেই ব্যতিক্রমি। ছিলো চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা।
শিশু-কিশোরদের বক্তৃতা আর এক ঝাঁক গানের পাখির পরিবেশনায় সম্পুর্ন নতুন গানের পরিবেশনা। যে গানগুলো লিখেছেন বিলেতের গীতিকাররা। সুরও করেছেন শিল্পী-গীতিকার মিলে সম্মিলিতভাবে। যাকে একটি সফল টিম ওয়ার্ক বলে আখ্যায়িত করা যেতে পারে। ছিলো এক ঝাঁক প্রতিশ্রুতিশীল মুজিব সৈনিকদের অক্লান্ত পরিশ্রম। অনুষ্ঠানে যুদ্ধজয়ের গল্প নামে একটি সংকলনও প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া প্রতিটি শিশু-কিশোরকে মেডেল ও বিশেষ পুরষ্কার প্রদান করা হয়। চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় যারা বিজয়ী হয়েছে তারা হলো, সুস্মিতা ধর, অন্তুজিত চক্রবর্তী, ইব্রাহিম তালুকদার, মেহা রুজিনা খান, অভিজিত চক্রবর্তী, মাহিন, মাহি আলম, সাহার সরদার ও হেনা আল বাসিত। রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা হলো মোহনা হোসেন মিলি, মাহি মোহাম্মদ, নাবিদ নেহাল ইসলাম, সুপ্রত মনসুর, ফাইজা খান, অভিজিত চক্রবর্তী, নাফিসা ইসলাম, মাহি আলম, শফি মোহাম্মদ ও উদিতা মন্ডল গত তিনটি মাস ধরে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে গুরুত্ব অবদান রেখেছেন এবং গানে গানে মানুষের মনে এক নতুন ধরনের অনুভুতির সঞ্চালন করতে পেরেছেন তারা হলেন, নবগঠিত সোনারতরী শিল্পী গোষ্ঠির আহ্বায়ক শর্মিলা দাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক রুমি হক, সদস্য সচিব অবিনাশ রায়, সদস্য সিলভি ইকবাল, সীমা চৌধুরী, কৃষ্ণা সাহা, ফুয়াদ মনি, উর্মি ধর, মোহাম্মদ উজ্জল। গান লিখেছেন মুজিবুল হক মনি, সৈয়দ দুলাল, আহমেদ হোসেন বাবলু, একেএম আব্দুল্লাহ, এম মোসাইদ খান, জুয়েল রাজ, আফিয়া বেগম শিরি ও সৈয়দ হিলাল সাইফ। পুরো অনুষ্ঠানটি যিনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার শেষে সমন্বয় করেছেন তিনি হলেন, বঙ্গবন্ধু লেখক এবং সাংবাদিক ফোরাম, গ্রেটার লন্ডন কমিটির সভাপতি বাতিরুল হক সরদার। সার্বিক উপস্থাপনায় আমাদের সাথে ছিলেন হেনা বেগম ও নাজরাতুন নাঈম ইসলাম। রচনা প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করেন আনসার আহমেদ উল্লাহ। যন্ত্রে ছিলেন জুন, সাগর ও রিয়াজ। শিশু-কিশোরদের মধ্যে যারা বক্তব্য রাখেন, তারা হলেন, মাহি আলম, নাবিদ নেহাল ইসলাম, মোহনা হোসেন মিলি, অভিজিত চক্রবর্তী ও শফি মোহাম্মদ। এই পর্বের সুচনা বক্তব্য রাখেন তরুন প্রজন্মের প্রতিনিধি সেজুতি মনসুর। এদের সবার বক্তব্য বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে। অতিথিদের মধ্যে যারা বক্তব্য রাখেন তাদের মধ্যে সাবেক এমপি সৈয়দা জেবুন্নেসা হক, জননেতা সুলতান মাহমুদ শরীফ, সিতাব চৌধুরী, সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, খালেদা মুশতাক কোরেশি, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম, ইউকের সভাপতি মোহাম্মদ মনির হোসেইন। উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও গ্রেটার সাসেক্স যুবলীগের সভাপতি ফয়সাল আম্বিয়া টিটু হলেন আমাদের মুল স্পন্সর। এটিএন বাংলা ইউকে ছিল মিডিয়া পার্টনার। যুদ্ধজয়ের গল্পে শরিক হতে ছুটে এসেছিলেন বার্মিংহাম থেকে কাবুল ভাই, লুৎফুর রহমান শিরণ চৌধুরী, শরীফ, শেবুল চৌধুরী, ফিরোজ রব্বানী, রাশিয়া খাতুন, জুবের আলম, মোহাম্মদ আলী, আশেক আলী। ওল্ডহাম থেকে আফিয়া বেগম শিরি, ব্রাইটন থেকে কয়েস আহমেদ, মোহাম্মদ আতিক। এনফিল্ড থেকে নাজমুল হোসেন চৌধুরী, সুহেল আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী খোকন, মিজানুর রহমান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামী লীগের হুসনা মতিন, আঞ্জুমান আরা অঞ্জু, নাজমা হোসেন, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ শহীদ আলী, কবি ময়নুর রহমান বাবুল ও মোহাম্মদ ইকবাল, যুক্তরাজ্য যুবলীগের ফখরুল ইসলাম মধু ও সেলিম আহমেদ খান, শ্রমিক লীগ নেতা সামসুল ইসলাম চৌধুরী।3
বঙ্গবন্ধু লেখক এবং সাংবাদিক ফোরাম, ইউকের সবাই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন বিশেষ করে মতিয়ার চৌধুরী, হেমায়েত উদ্দিন খান হিমু, তওহীদ ফিতরাত হোসেন, একেএম আব্দুল্লাহ, শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, জামাল খান, মীরা বড়ুয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শিল্পী-গীতিকার-সুরকার-যন্ত্রশিল্পীদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অত্যন্ত প্রতিশ্রুতি ও নির্ভরশীল দম্পতি সম্মাননায় ভুষিত হন বাতিরুল হক সরদার এবং রুমি হক। যারা অর্থ দিয়ে ও বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।

বিসিএ ইস্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নতুন কমিটি ।। সাইফুল প্রেসিডেন্ট ফিরুজুল সেক্রেটারি এ কে চৌধুরী ট্রেজারার

লন্ডনঃ ব্রিটেনে বাঙালির ঐতিহ্যের স্মারক বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন (বিসিএ) এর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে ক্যাটারার্স নেতা সাইফুল আলমকে প্রেসিডেন্ট ফিরুজুল হককে EC Comittee-1সেক্রেটারী ও এ কে চৌধুরীকে ট্রেজারার করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট ইস্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর লুটনের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের উপস্EC comittee-2থিতিতে ২১সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ক্যাটারার্স নেতা ফজল উদ্দিন, মোজাহিদ চৌধুরী ও মিঃ সোলায়মান জেপি।

বিসিএ ইস্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নব-নির্বাচিত কর্মকর্তারা হলেন প্রেসিডেন্ট সাইফুল আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট জিয়া আলী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মালিক উদ্দিন, সেক্রেটারি ফিরুজুল হক, জয়েন্ট সেক্রেটারি সাফওয়ান চৌধুরী, ট্রেজারার এ কে চৌধুরী, জয়েন্ট ট্রেজারারর শাহাব উদ্দিন, অর্গেনাইজিং সেক্রেটারী হুমায়ুন রশিদ, মেম্বারশীপ সেক্রেটারি সিদ্দিকুর রহমান জয়নাল, পাবলিকেশন সেক্রেটারি ছুরুক মিয়া, কার্যকরী কমিটির সদস্যরা হলেন, বশির আহমদ চৌধুরী, সুরুক মিয়া, ফরহাদ আহমদ, নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ মোস্তফা, বজলুর রশিদ ছালিম, শরীফ চৌধুরী, তাহির উল্লাহ খান, আবু বক্কর সিদ্দিক, আকলিছ মিয়া ও মন্নান চৌধুরী।

নির্বাচন প্রত্যক্ষ করতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিoneলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বজলুল রশিদ এমবিই, সাবেক প্রেসিডেন্ট পাশা খন্দকার, বর্তমান প্রেসিডেন্ট কামাল ইয়াকুব সাবেক সেক্রেটারি এম এ মুনিম বর্তমান সেক্রেটারি অলি খান, ট্রেজারার সাইদুর রহমান বিপুলসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নতুন কমিটির সফলতা কামনা করেন ও নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি ট্রেজারারসহ সকলকে অভিনন্দন জানান। কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিতদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাইফুল আলম বলেন দীর্ঘ দিন যাবত ক্যাটারার্স এর সাথে আছি কেন্দ্রীয় কমিটির মেম্বারশীপ সেক্রেটারী হিসেবে সংগঠনকে গতিশীল করতে কাজ করেছি। এখন দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। এই রিজিওনটি হচ্ছে সব চাইতে বড়, আমি রিজিওন ওয়ানকে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই যা অন্যদের জন্যে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

সাইফুল প্রেসিডেন্ট ফিরুজুল সেক্রেটারী ও এ.কে চৌধুরী ট্রেজারার বিসিএ ইষ্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নতুন কমিটি

লন্ডনঃ বৃটেনে বঙ্গালীর ঐতিহ্যের স্মারক বাংলাদেশ ক্যাটারারর্স এসোসিয়েশন (বিসিএ) এর কার্য্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে ক্যাটারারর্স নেতা সাইফুল আলকে প্রেসিডেন্ট ফিরুজুল হককে সেক্রেটারী এবং এ.কে. চৌধুরীকে ট্রেজারার করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট ইষ্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। গেল ১৮ সেপ্টেম্বর লুটনের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ২১সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির নাম ঘোষনা করা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ক্যাটারারর্স নেতা ফজল উদ্দিন, মোজাহিদ চৌধুরী ও মিঃ সোলায়মান জেপি।EC Comittee-1two EC comittee-2
বিসিএ ইষ্ট অব ইংল্যান্ড রিজিওন ওয়ানের নব নির্বাচিত কর্মকর্তারা হলেন প্রেসিডেন্ট সাইফুল আলম, ভাইস প্রেসেেিডন্ট জিয়া আলী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মালিক উদ্দিন, সেক্রেটারী ফিরুজুল হক, জয়েন্ট সেক্রেটারী সাফওয়ান চৌধুরী, ট্রেজারার এ.কে. চৌধুরী, জয়েন্ট ট্রেজারারর শাহাব উদ্দিন, অর্গেনাইজিং সেক্রেটারী হুমায়ুন রশিদ, মেম্বারশীফ সেক্রেটারী সিদ্দিকুর রহমান জয়নাল, পারলিকেশন সেক্রেটারী ছুরুক মিয়া, কার্য্যকরী কমিটির সদস্যরা হলেন বশির আহমদ চৌধুরী, সুরুক মিয়া, ফরহাদ আহমদ, নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ মোস্তফা, বজলুর রশিদ ছালিম, শরীফ চৌধুরী, তাহির উল্লাহ খান, আবু বক্কর সিদ্দিক, আকলিছ মিয়া ও মন্নান চৌধুরী। নির্বাচন প্রত্যক্ষ করতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বজলুল রশিদ এমবিই, সাবেক প্রেসিডেন্ট পাশা খন্দকার, বর্তমান প্রেসিডেন্ট কামাল ইয়াকুব সাবেক সেক্রেটারী এম এ মোনিম বর্তমান সেক্রেটারী অলি খান সহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নতুন কমিটির সফলতা কামনা করেন ও নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারী টেজারার সহ সকলে অভিনন্দন জানান। কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিতদের ফূল দিয়ে বরন করা হয়। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাইফুল আলম বলেন দীর্ঘ দিন যাবাত ক্যাটারারর্স এর সাথে আছি কেন্দ্রীয় কমিটির অর্গেনাইজং সেক্রেটারী হিসেবে সংগঠনকে গতিশীল করতে কাজ করেছি এখন দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল এই রিজিওনটি হচ্ছে সব চাইতে বড়, আমি রিজিওন ওয়ানকে এমন একটি পর্য্যায়ে নিয়ে যেতে চাই যা অন্যদের জন্যে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, এতে প্রয়োজন আপনাদের সকলের দোয়া এবং সহযোগীতা।

বিএইচ আরসি লন্ডন শাখার সমন্বয় সভা

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন- বিএইচআরসি লন্ডন শাখার আয়োজনে “মানবাধিকার কমিশনের এক সমন্বয় সভা” গেল ২০ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজের ইন্ডিয়ান ফউশন রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত বিএইচআরসি’র প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার। লন্ডন শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর খানের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মোঃ নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় সমন্বয় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএইচআরসি ইউকে’র সভাপতি আব্দুল আহাদ চৌধুরী , ইউরোপিয়ান এ্যাম্বাসেডর এম. সহিদুর রহমান ইউকে শাখার ,সেক্রেটারী তারাউল ইসলাম ,মানিক গঞ্জ জেলা মানবাধিকার কমিশনের সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান , সিলেট জেলা গভর্নর ডঃ আর কে ধর । সভায় বক্তব্য রাখেন লন্ডন শাখার নির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি দেলওয়ার হোসেন , সহ সভাপতি কাউন্সিলর মামুনুর রশীদ , সহ সভাপতি আব্দুল বাসীর , জয়েনট সেক্রটারি এম মাসুদ আহমেদ , সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান মুন্না স্পোর্টস এন্ড ইয়থ সেক্রেটারি সাইফুজজামান খান ,ইন্টারনেশনাল সেক্রেটারি জাকির হোসাইন , কমিটর সদস্য হাম্মদ নুর উল্লাহ , মোজামমেল আলী ,আব্দুল হাদী ,জয়েনট সেক্রটারি জোবের আহমেদ,শাহীন আহমেদ ,এসেক্স শাকঅর সভাপতি আব্দুল মজিদ, সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম , সেক্রেটারি শাহীন তফাদার ,সহ সম্পাদক সাহেল তফাদার, কমিউনিটি নেতা আশরাফ উদ্দিন,জয়নাল খান প্রমুখ। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)

নবীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিনবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সভা গতকাল শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়। নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ আহমদ আজাদ সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ও সাধারণ সম্পাদক সলিল বরন দাশ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার (দৈনিক যুগান্তর), সহ-সভাপতি এম মুজিবুর রহমান (দৈনিক আমার সংবাদ), সহ-সভাপতি এম,এ মুহিত, যুগ্ম সম্পাদক মতিউর রহমান মুন্না (বাংলা টিভি (ইউকে)/দি বাংলাদেশ টুডে), অর্থ সম্পাদক আকিকুর রহমান সেলিম (দৈনিক বিজয়ের প্রতিধ্বনি), অফিস সম্পাদক এটিএম জাকিরুল ইসলাম (দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট/শাখা বরাক), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ (দৈনিক প্রতিদিনের বাণী)। নির্বাহী সদস্য নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম, মছদ্দর আলী, দৈনিক বিবিয়ানার সম্পাদক ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, সাইফুল জাহান চৌধুরী (দৈনিক ইত্তেফাক) ফখরুল আহসান চৌধুরী (দৈনিক ইনকিলাব), এটিএম সালাম (দৈনিক আলোকিত সময়/হবিগঞ্জের জনতার এক্সপ্রেস), উত্তম কুমার পাল হিমেল (দৈনিক উত্তর পূর্ব/দৈনিক খোয়াই), রাকিল হোসেন (চ্যানেল এস ও দৈনিক সিলেটের ডাক), আশাহীদ আলী আশা (দৈনিক স্বদেশ বার্তা), শাহ মনসুর আলী নোমান (দৈনিক খবর পত্র) শেখ মোঃ শামছুল ইসলাম ( দৈনিক ঢাকা) মোঃ আবু ইউসুফ ( জনতার দলিল) দৈনিক বিবিয়ানার বার্তা সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান চৌধুরী শামীম ( দৈনিক খবর বাংলাদেশ) নিয়ামুল করিম অপু (দৈনিক তরফ বার্তা) শওকত আলী (দৈনিক সংগ্রাম) মিজানুর রহমান সোহেল(সময়ের বানী)

মা

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net