শিরোনাম

Monthly Archives: অক্টোবর ২০১৭

জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনকে বিশ্বের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতির সুপারিশ করেছে ইউনেস্কো

লন্ডনঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের বিখ্যাত ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল (world documentary heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সুপারিশ করেছে ইউনেস্কো। ঐতিহাসিক এই ভাষণসহ ৭৮টি আলোচিত বিষয়কে নতুন বিশ্ব ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।গেল সোমবার প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দফতর থেকে এ সুপারিশের ঘোষণা দেয়া হয়।সুপারিশে বলা হয়, ইউনেস্কো সদর দফতরে গত ২৪-২৭ অক্টোবর পর্যন্ত সংস্থাটির বিশ্ব ঐতিহ্যবিষয়ক কর্মসূচির আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা কমিটি (আইএসি) চার দিনব্যাপী বৈঠকে নতুন ৭৮টি বিষয়কে বিশেবর ঐতিহাসিক দলিলের স্বীকৃতি দিতে সুপারিশ করা হয়েছে।
সাতই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ৭ই মার্চ ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত এক ঐতিহাসিক ভাষণ। ১৮ মিনিট স্থায়ী এই ভাষণে তিনি তৎকারীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। এই ভাষণের একটি লিখিত ভাষ্য অচিরেই বিতরণ করা হয়েছিল। এটি তাজউদ্দীন আহমদ কর্তৃক কিছু পরিমার্জিত হয়েছিল। পরিমার্জনার মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবীটির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা। ১২টি ভাষায় ভাষণটি অনুবাদ করা হয়৷নিউজউইক ম্যাগাজিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী এই দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বিলম্ব করতে শুরু করে। প্রকৃতপক্ষে তাদের উদ্দেশ্য ছিল, যে-কোনভাবে ক্ষমতা পশ্চিম পাকিস্তানী রাজনীতিবিদদের হাতে কুক্ষিগত করে রাখা। এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৩রা মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ১লা মার্চ এই অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন। এই সংবাদে পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশের) জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ২রা মার্চ ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারাদেশে একযোগে হরতাল পালিত হয়। তিনি ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় সমগ্র পূর্ব বাংলায় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই পটভূমিতেই ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় বিপুল সংখ্যক লোক একত্রিত হয়; পুরো ময়দান পরিণত হয় এক জনসমুদ্রে। এই জনতা এবং সার্বিকভাবে সমগ্র জাতির উদ্দেশ্যে শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করেন।
একিহাসিক এই ভাষনে জাতির পিতা উচ্চারন করেনঃ ভায়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়। কী অন্যায় করেছিলাম? নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে আমাকে, আওয়ামী লীগকে ভোট দেন। আমাদের ন্যাশনাল এসেম্বলি বসবে, আমরা সেখানে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো এবং এদেশকে আমরা গড়ে তুলবো। এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় ২৩ বৎসরের করুণ ইতিহাস, বাংলার অত্যাচারের, বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস। ২৩ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর-নারীর আর্তনাদের ইতিহাস। বাংলার ইতিহাস-এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস। ১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারি নাই। ১৯৫৮ সালে আয়ুব খান মার্শাল ল’ জারি করে ১০ বছর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালে ৬দফা আন্দোলনে ৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯ এর আন্দোলনে আয়ুব খানের পতন হওয়ার পরে যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গনতন্ত্র দেবেন – আমরা মেনে নিলাম। তারপরে অনেক ইতিহাস হয়ে গেলো, নির্বাচন হলো। আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলা নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসাবে তাকে অনুরোধ করলাম, ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন। তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, প্রথম সপ্তাহে মার্চ মাসে হবে। আমরা বললাম, ঠিক আছে, আমরা এসেম্বলিতে বসবো। আমি বললাম, এসেম্বলির মধ্যে আলোচনা করবো- এমনকি আমি এ পর্যন্তও বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও একজনও যদি সে হয় তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব। জনাব ভুট্টো সাহেব এখানে এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আপনারা আসুন, বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো।
তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে কসাইখানা হবে এসেম্বলি। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলা দেয়া হবে। যদি কেউ এসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত জোর করে বন্ধ করা হবে। আমি বললাম, এসেম্বলি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে এসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হলো। ইয়াহিয়া খান সাহেব প্রেসিডেন্ট হিসেবে এসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপর হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হলো, দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে। বন্ধ করে দেয়ার পরে এদেশের মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।
আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কলকারখানা সব কিছু বন্ধ করে দেন। জনগণ সাড়া দিলো। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো, তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য স্থির প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো।
কী পেলাম আমরা? আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্র“র আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরীব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে- তার বুকের ওপরে হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু- আমরা বাঙালীরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
টেলিফোনে আমার সঙ্গে তার কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, জেনারেল ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কিভাবে আমার গরীবের ওপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের ওপর গুলি করা হয়েছে। কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তিনি বললেন, আমি নাকি স্বীকার করেছি যে, ১০ই তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স হবে। আমি তো অনেক আগেই বলে দিয়েছি, কিসের রাউন্ড টেবিল, কার সঙ্গে বসবো? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসবো? হঠাৎ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন, সমস্ত দোষ তিনি আমার ওপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের ওপরে দিয়েছেন।
ভায়েরা আমার, ২৫ তারিখে এসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০ তারিখে বলে দিয়েছি, ওই শহীদের রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে আরটিসিতে মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারেনা। এসেম্বলি কল করেছেন, আমার দাবী মানতে হবে। প্রথম, সামরিক আইন- মার্শাল ল’ উইথড্র করতে হবে। সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নিতে হবে। যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে। আর জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপর বিবেচনা করে দেখবো, আমরা এসেম্বলিতে বসতে পারবো কি পারবো না। এর পূর্বে এসেম্বলিতে বসতে আমরা পারি না। আমি, আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না। আমরা এদেশের মানুষের অধিকার চাই। আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাঁচারী, আদালত-ফৌজদারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
গরীবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে সেইজন্য যে সমস্ত অন্যান্য জিনিসগুলো আছে সেগুলোর হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা, ঘোড়ারগাড়ি, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে- শুধু… সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট, সেমি গভর্নমেন্ট দপ্তরগুলো, ওয়াপদা কোন কিছু চলবে না। ২৮ তারিখে কর্মচারীরা যেয়ে বেতন নিয়ে আসবেন। এরপরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয় – তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু – আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো। তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের ওপর গুলি চালাবার চেষ্টা করো না। সাত কোটি মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি তখন কেউ আমাদের দাবাতে পারবেনা। আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের থেকে যদ্দুর পারি তাদের সাহায্য করতে চেষ্টা করবো। যারা পারেন আমাদের রিলিফ কমিটিতে সামান্য টাকা-পয়সা পৌঁছে দেবেন। আর এই সাত দিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইয়েরা যোগদান করেছে, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাদের বেতন পৌঁছে দেবেন। সরকারি কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হবে, খাজনা ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো- কেউ দেবে না। মনে রাখবেন, শত্রুবাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে। এই বাংলায় হিন্দুমুসলমান, বাঙালী-ননবাঙালী যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের ওপর, আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন, রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা, যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোন বাঙালী রেডিও স্টেশনে যাবে না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোন বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। ২ ঘণ্টা ব্যাংক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মায়না-পত্র নেবার পারে। পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন, টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সংগে নিউজ পাঠাতে হলে আপনারা চালাবেন। কিন্তু যদি এ দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালীরা বুঝেসুঝে কাজ করবেন। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। রক্ত যখন দিয়েছি, আরো রক্ত দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম জয় বাংলা।
এখানে উল্লেখ্য যে লন্ডন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্টান অগ্রণী রিসার্স সাবেক কাউন্সিলার নুরুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ৭ই মার্চ ফাউন্ডেশন নামে ভাষনটির উপর গবেষনা সহ দিনটিকে জাতীয় দিবস ঘোণনার দাবী জানিয়ে আসছে সেই সাথে ভাষনটিকে অমূল্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য ইউনেস্কো সহ বিশ্বব্যাপী লবিং করে আসছে। এরই ধারাবাকিহতায় প্রতিবছর লন্ডন সহ ঢাকা সহ বিশশ্বর বিভিন্ন শহরের ৭ই মার্চ ফাউন্ডেশন সেমিনারের মাধ্যমে বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরছে।

যুক্তরাজ্যে প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু কাপ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ২০১৭ অনুষ্ঠিত

স্টক অন ট্রেন্ট থেকে, প্রতিনিধি: স্টাফোর্ডশায়ার ব্যাডমিন্টন ক্লাব ও স্থানীয় বাঙালি কমিউনিটির উদ্যোগে ২৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার স্থানীয় ওয়াইএমসিএ স্পোর্টসেন্টার এক ব্যাডমিন্টন ট্রর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। স্টক অন ট্রেন্ট ও আশপাশের বিভিন্ন শহরের ৩২টি দলের অংশগ্রহণে দুই গ্রুপের দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্ট শেষে চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী উভয় গ্রুপের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন বাঙালি কমিউনিটি লিডার আব্দুল মতিন, কাউন্সিলর মোহাম্মদ পারভেজ, ইকবাল চৌধুরী, আবু ইউসুফ চৌধুরী, এনায়েত কবির শাহীন, আবুল কাশেম চৌধুরী, আব্দুল কাদির চৌধুরী, বশির মিয়া, গিয়াস উদ্দিন দুলাল, মোশাদ হোসেন, ফাহাদ আহমেদ রাসেল, কাজী সুহেদ, রুলু, সাঈদ জামিল, আনসার মিয়া, সুহেব চৌধুরী, আশরাফ , গৌস মিয়া প্রমুখ।

যুক্তরাজ্যের সর্বস্তরের ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের নিয়ে ২০১৮ সালের যেকোনও সময় আবারও মিলনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটে।

৩২ টিমকে দুই গ্রুপে বিভক্ত করা হয়, A গ্রুপে তারেক মাসুদ ও রুহিন জুটি চ্যাম্পিয়ন, সুয়েব ও হামিদ জুটি রানার্সআপ হয়,]। C গ্রুপে শাহিনুর ও মিজানুর জুটি চ্যাম্পিয়ন, লিটন ও মাসুদ জুটি রানার্সআপ হয়।

মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে কারি লাইফ এওয়ার্ড লাভ করেছে হ্যারো‘র কারিমহল রেষ্টুরেন্ট
লন্ডনঃ বাঙ্গালী মালিকানাধীন হ্যারো‘র স্বনামখ্যাত কারিমহল রেষ্টুরেন্ট মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে ২০১৭‘র ‘কারি লাইফ এওয়াডর্’ লাভ করেছে। গেল ২২ অক্টোবর সেন্ট্রেল লন্ডনের পাঁচ তারকা লানকাষ্টার হোটেলে কারিলাইফ ম্যাগাজিন আয়োজিত এওয়ার্ড বিতরনি অনুষ্টানে অনুষ্টানের উপস্থাপক মাইকেল বার্ক কারি মহলকে মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে নাম ঘোষনা করেন। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এই এওয়ার্ড বিতরনী অনুষ্টানে ব্রিটিশ এমপি, লর্ডসভার সদস্য সহ বৃটেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় সাত শতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন। কারি লাইফ ম্যাগাজিন আয়োজিত এওয়ার্ড বিতরনী অনুষ্টানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লর্ড ব্যালমোরিয়া, শেডো সেক্রেটারী ফর ব্রেক্সিট কেয়ার ষ্টারমার্ক এমপি। এখানে উল্লেখ্য যে এই কারিমহল রেষ্টুরেন্ট ২০০৫সালে প্রথম ব্রিটিশ কারি এওয়ার্ড লাভ করে, এছাড়াও রেষ্টুরেন্টটি স্থানীয়ভাবে পর পর তিন বার হ্যারোর শ্রেষ্ট রেন্টুরেন্ট হিসেবে হ্যারো টাইমস এওয়ার্ড লাভ করে। বিশিষ্ট ক্যাটারারর্স নেতা ও বিবিসিএ‘র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল কদ্দুস ও হ্যারো কাউন্সিলের সাবেক কাউনিসলার ও সাবেক পুলিশ অফিসার সেলিম চৌধুরীর মালিকানাধীন এই রেষ্টুরেন্টটি ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করে। ৪১ বছরের পূরাতন এই প্রতিষ্টানটি হ্যারো এলাকায় বাঙ্গালী মালিকানাধীন সব চেয়ে প্রাচীন রেষ্টুরেন্ট। অনুষ্টানে অতিথি শেডো সেক্রেটারী ফর ব্রেক্সিট কেয়ার ষ্টারমার্ক এমপি‘র হাত থেকে এওয়ার্ড গ্রহন করেন রেষ্টরেন্টের সত্বাধিকারী সেলিম চৌধুরী ও পরিচালক তরুন ব্যবসায়ী রেজওয়ান কুদ্দুস ও অন্যান্যরা ।

মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে কারি লাইফ এওয়ার্ড লাভ করেছে হ্যারো‘র কারিমহল রেষ্টুরেন্ট

লন্ডনঃ বাঙ্গালী মালিকানাধীন হ্যারো‘র স্বনামখ্যাত কারিমহল রেষ্টুরেন্ট মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে ২০১৭‘র ‘কারি লাইফ এওয়াডর্’ লাভ করেছে। গেল ২২ অক্টোবর সেন্ট্রেল লন্ডনের পাঁচ তারকা লানকাষ্টার হোটেলে কারিলাইফ ম্যাগাজিন আয়োজিত এওয়ার্ড বিতরনি অনুষ্টানে অনুষ্টানের উপস্থাপক মাইকেল বার্ক কারি মহলকে মিডলসেক্সের বেষ্ট রেষ্টুরেন্ট হিসেবে নাম ঘোষনা করেন। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এই এওয়ার্ড বিতরনী অনুষ্টানে ব্রিটিশ এমপি, লর্ডসভার সদস্য সহ বৃটেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় সাত শতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন। কারি লাইফ ম্যাগাজিন আয়োজিত এওয়ার্ড বিতরনী অনুষ্টানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লর্ড ব্যালমোরিয়া, শেডো সেক্রেটারী ফর ব্রেক্সিট কেয়ার ষ্টারমার্ক এমপি। এখানে উল্লেখ্য যে এই কারিমহল রেষ্টুরেন্ট ২০০৫সালে প্রথম ব্রিটিশ কারি এওয়ার্ড লাভ করে, এছাড়াও রেষ্টুরেন্টটি স্থানীয়ভাবে পর পর তিন বার হ্যারোর শ্রেষ্ট রেন্টুরেন্ট হিসেবে হ্যারো টাইমস এওয়ার্ড লাভ করে। বিশিষ্ট ক্যাটারারর্স নেতা ও বিবিসিএ‘র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল কদ্দুস ও হ্যারো কাউন্সিলের সাবেক কাউনিসলার ও সাবেক পুলিশ অফিসার সেলিম চৌধুরীর মালিকানাধীন এই রেষ্টুরেন্টটি ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করে। ৪১ বছরের পূরাতন এই প্রতিষ্টানটি হ্যারো এলাকায় বাঙ্গালী মালিকানাধীন সব চেয়ে প্রাচীন রেষ্টুরেন্ট। অনুষ্টানে অতিথি শেডো সেক্রেটারী ফর ব্রেক্সিট কেয়ার ষ্টারমার্ক এমপি‘র হাত থেকে এওয়ার্ড গ্রহন করেন রেষ্টরেন্টের সত্বাধিকারী সেলিম চৌধুরী ও পরিচালক তরুন ব্যবসায়ী রেজওয়ান কুদ্দুস ও অন্যান্যরা ।

বার্মিংহামে ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

বার্মিংহাম, ২৪ অক্টোবর:  যুক্তরাজ্যে বসবাসরত হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে গত ২৩ অক্টোবর সোমবার দুপরি ১২টা থেকে IMG_6482রাত ৯টা পর্যন্ত এক পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। IMG_6501এতে যুক্রাজ্যের বিভিন্ন শহরে বসবাসরত ইনাতঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত হন। আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সর্বস্তরের  অভিভাকমণ্ডলী, দাতাগণ এবং শুভাকাংঙ্খিগণের ব্যাপক উপস্থিতি ছিলো। এতে সাবেক শিক্ষার্থীদের সন্তান-সন্ততিরাও উপস্থিত থেকে বিভিন্ন খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসাইন দীপু, মোহাম্মদ গোলাIMG_6500ম কিবরিয়া ও জুবায়ের চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় এতে শুভেচ্ছা বক্তব্যIMG_6531 রাখেন সাবেক শিক্ষার্থী তাহের আহমদ। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বার্মিংহাম মাল্টিপারপাস সেন্টারের পরিচালক আলহাজ নাছির আহমদ, বিদ্যালয়ের বিশিষ্ট দাতা মোঃ সাজান উদ্দিন, বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা নাছির আহমদ শ্যামল, বিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী খালেদ আহমদ, ইয়াওর উদ্দীন, সৈয়দ ইকবাল আহমদ, আব্দুল বাতেন, জায়দুল হক, আলাউর রহমান চৌধুরী, সাইফ উদ্দিন, আব্দুস সোবহান, কামরুল হাসান, হাফসা  হোসাইন, আকিকুর রহমান, মোঃ সামসুল হক, গোলাম মাওলা নিক্সন চৌধুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, শাহীন খান, দিলাওয়ার চৌধুরী, আছাবুর রহমান জীবন, সজিব বখত, আখতার হোসাইন আলী, দুলেনুর রহমান, সোহেল আহমদ, সাইফুল আলম শিপু প্রমুখ।
বক্তারা ভবিষ্যতে আবারো স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী পুনর্মিলনীর মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ ও ভাতৃত্বের বন্ধন আরো দৃঢ় করার উদ্যোগে গ্রহণের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

বিস্তারিত আসছে….

চলে গেলেন প্রবীণ রাজনীতিক এমকে আনোয়ার

ঢাকা থেকে আবু হানিফঃ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ারের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এমকে আনোয়ারের দ্বিতীয় নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, বিএনপি এবং অঙ্গদলের পক্ষ থেকে এমকে আনোয়ারের কফিনে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। জানাজার নামাজে অংশ নেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নাল আবেদীন, বরকত উল্লাহ বুলু, শাহজাহান ওমর, আহমদ আজম খান, শামসুজ্জামান দুদু, মোহাম্মদ শাহজাহান, উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন নবী খান সোহেলসহ বিএনপি ও অঙ্গ দলের নেতাকর্মীরা।এছাড়া কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম জানাজার নামাজে অংশ নেন।নয়াপল্টনে এম কে আনোয়ারের জানাজার নামাজ পড়ান ওলামা দলের সভাপতি আবদুল মালেক।এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কাঁটাবন মসজিদে তার প্রথম জানাজা হয়। বাদ জোহর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এমকে আনোয়ারের নামাজে জানাজা হবে।
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, এমকে আনোয়ারের ছোট ছেলে ও মেয়ে দেশের বাইরে আছেন। তারা আজই লন্ডন থেকে ফিরবেন। এরপর কুমিল্লার হোমনায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। প্রবীণ রাজনীতিক এমকে আনোয়ার সোমবার দিনগত রাত একটা ৪০ মিনিটে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। এমকে আনোয়ার দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।এমকে আনোয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বর্ণাঢ্য এই রাজনীতিকের পুরো নাম মোহাম্মদ খোরশেদ আনোয়ার। সংক্ষেপে তিনি এমকে আনোয়ার হিসেবেই পরিচিত। ১ জানুয়ারি ১৯৩৩ সালে কুমিল্লার হোমনায় জন্মগ্রহণ করা এমকে আনোয়ার কর্মজীবনে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। পরবর্তীতে ৫ বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।একই সময়ে এমকে আনোয়ার দু’বার বিএনপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী শিলা ইসলাম আর নেই

লন্ডন: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী শিলা ইসলাম আর নেই। ২৩ অক্টোবর সোমবার লন্ডন সময় ৩টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ১০) লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।শিলা ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। গতকাল শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ইউসিএলএইচ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেয়া হয়।
23 সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। এর আগে, গত এপ্রিলে জার্মানির একটি হাসপাতালে কেমো থেরাপিসহ ক্যান্সারের কয়েক ধাপের চিকিৎসা করা হয় তার। শিলা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত বারা টাওয়ার হ্যামলেটস চিলড্রেন সার্ভিসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। এর আগে ইষ্টলন্ডনের বঙ্গবন্ধু প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী ও একমাত্র মেয়ে রীমা আশরাফসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সৈয়দ আশরাফের স্ত্রীর মৃত্যুতে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ গভীর শোক ও মরহুমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে। জনপ্রশাসমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, তার ভাই শাফায়েতুল ইসলাম ও পরিবারের ঘনিষ্টজনরা এখন লন্ডনে অবস্থান করছেন। হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গেছে।

মিয়ানমারকে অবশ্যই নিজ নাগরিকদের ফেরত নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মিয়ানমারকে অবশ্যই নিজ নাগরিকদের ফেরত নিতে হবে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানও হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেছেন সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। দু’দিনের সফরে রোববার দুপুরে ঢাকায় আসার পর সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে যান সুষমা। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফেরত নিতে হবে।’ বিশাল সংখ্যার এই শরণার্থীদের বাংলাদেশের জন্য ‘বড় বোঝা’ আখ্যায়িত করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে কত দিন এই ভার বহন করবে।sheikh_hasina_sushama_pic1
এর একটা স্থায়ী সমাধান হতে হবে।’ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা রাখার উপরও জোর দেন তিনি। বৈঠকে শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। অন্যদিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সেদেশের পররাষ্ট্র সচিব জয়শঙ্কর এবং ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এর আগে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার যৌথ পরামর্শ কমিশনের চতুর্থ বৈঠকে অংশ নিতে বেলা পৌনে ২টার দিকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান সুষমা স্বরাজ। কুর্মিটোলা বঙ্গবন্ধু বিমানঘাঁটিতে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।

‘সব দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় ভারত’ সুষমা স্বরাজের সাথে খালেদার বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল

ঢাকা সংবাদদাতাঃ আগামীতে বাংলাদেশে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায় ভারত- এমনটা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার রাত ৮টায় সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঢাকা সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত সৌহর্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। আলোচনায় দুই দেশের যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে সেটা কিভাবে আরও শক্তিশালীর করা যায় সেই বিষয়ে কথা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বৈঠকের একপর্যায়ে রোহিঙ্গা ইস্যুটি আলোচনায় তোলেন। তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন, রোহিঙ্গা একটি বড় সমস্যা, এটা দ্রুত সমাধান করতে হবে। বাংলাদেশে সাময়িকভাবে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে, তাদেরকে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের নিরাপদ একটা আবাস তৈরি করতে হবে।’ বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বক্তব্যের বিষয়ে একমত হয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সুষমা স্বরাজ বলেন- আমরাও চাই রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারেন।’
তিনি জানান, মিয়ানমার সরকারের উপর ভারত তাদের চাপ অব্যাহত রেখেছে। তারাও আশা করেন, একটি নিরাপদ পরিবেশে রোহিঙ্গারা যাতে ফিরে যেতে পারেন।’মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বাংলাদেশের বর্তমান যে রাজনৈতিক অবস্থা তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করেছেন। আগামী নির্বাচন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। বর্তমান সমস্যাগুলো তিনি তুলে ধরেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সমস্যাগুলো শুনেছেন।’
তিনি বলেন, ‘ভারত একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ। তারাও চান বিশ্বের অন্যান্য দেশ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতে গণতন্ত্রের চর্চা অব্যহত থাকুক এবং গণতান্ত্রিকভাবেই সরকার নির্বাচিত হোক। একইভাবে বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন যেন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হয়।’বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যাতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন এবং সকল দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন যাতে হয় তারা (ভারত) তা প্রত্যাশা করেন।’
বৈঠকটি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয় বলে জানান মির্জা ফখরুল। বৈঠকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে অন্যদের মধ্যে ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান ও সাবিহ উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।এসময় সুষমা স্বরাজের সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।প্রসঙ্গত, দুদিনের সফরে রোববার বেলা পৌনে ২টার দিকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিশেষ ফ্লাইটে করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় পৌঁছান। কুর্মিটোলা বঙ্গবন্ধু বিমান ঘাঁটিতে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।

প্রবাসীরা শিক্ষা-সমাজ, অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে অবদান রাখছে এনআরবি কনভেনশনে এম এ মান্নান

সিলেটে শুরু হয়েছে বহুল প্রতিক্ষিত এনআরবি গ্লোবাল কনভেনশন। শনিবার রাতে নগরীর আবুল মাল আব্দুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্সে শুরু হওয়া তিনদিনব্যাপী এ কনভেনশনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র উদ্যোগে ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সহযোগিতায় আয়োজিত এ এনআরবি গ্লোবাল কনভেনশনে বিশ্বের ২৬টি দেশের প্রায় দুই হাজার প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন বলে উদ্যাক্তারা জানিয়েছেন। কনভেনশন উদ্ভোধন করতে গিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, প্রবাসীরা শিক্ষা-সমাজ, অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। বর্তমান সরকার উদার দৃষ্টিভঙ্গি লালন করে বিধায় প্রবাসীদের কল্যাণে আইন প্রণয়ন হয়ে থাকে। সরকারের যথেষ্ট সহযোগিতা এবং প্রবাসীদের আন্তরিকতার মাধ্যমে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলা সম্ভব। তিনি বলেন, প্রবাসীদের নানা সমস্যা সমাধানের জন্য সেল তৈরী করার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে। বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের চিত্র প্রমাণ করে বাঙ্গালিরা কারো কাছে হাত পাতবার মত জাতি নয়। নিজেদের উন্নয়নে আমরা কাউকে পরোয়া করি না। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার প্রবাসীদের জন্য বিনিয়োগের দ্বার উন্মুক্ত করেছে। যে কোন বিনিয়োগে অনাবাসী বাংলাদেশিরা অগ্রাধিকার পাবে। বছরের একটি দিনকে ‘এনআরবি ডে’ ঘোষণার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনবেন বলেও জানান তিনি। সিলেট চেম্বার সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্ভোধনী পর্বে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘সরকার এনআরবিদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয় এমন কোন আইন করবে না। সিলেট-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে সরকার সজাগ রয়েছে। ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের একটি প্রকল্প একনেকে পাস হয়েছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ এম এ মান্নান বলেন, ‘দেশের এখন সু-সময় চলছে। দেশ ক্রমশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন আর কারো কাছে হাত পাততে হবেনা। দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে তিনি প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘প্রবাসীদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব অনেক। দেশে তারা নানা ভাবে প্রতারিত ও হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। এজন্য ২০১৫সালে পুলিশের উদ্যোগে এক্সপাটরিয়েট ওয়েলফেয়ার হেল্প ডেস্ক চালু করা হয়েছে। কোন প্রবাসী হয়রানীর শিকার হলে সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার অথবা ডিআইজির সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি। প্রয়োজনে তার সাথে যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করেন আইজিপি।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য মাহমুদ উস্ সামাদ চৌধুরী কয়েস, জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে এম আব্দুল মোমেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল আহসান ও কনভেনশনের মূল উদ্যোক্তা ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার সভাপতি এনাম আলী এমবিই।
বক্তব্য রাখেন- সিলেট চেম্বারের সাবেক সভাপতি সালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, বৃটিশ চেম্বারের ডাইরেক্টর জেনারেল সাইদুর রহমান রেনু, সিলেট চেম্বারের পরিচালক নুরুল ইসলাম।আয়োজকরা জানান, সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স, ইটালী, সুইডেন, জার্মানী, হল্যান্ড, রাশিয়া, স্পেন, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের ২৬টি দেশের প্রায় ২হাজার প্রবাসী অংশ নিচ্ছেন।তিনদিনব্যাপী কনভেনশনের অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে- বিনিয়োগ সংক্রান্ত সেমিনার, আইসিটি, পর্যটন ও শিক্ষা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এনআরবি’দের অবদান শীর্ষক মতবিনিময়, এনআরবি’দের সাফল্যগাঁথা নতুন প্রজন্মের কাছে প্রদর্শন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি।এর আগে কনভেনশনের মূল উদ্যোক্তা ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট এনাম আলী এমবিই সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা প্রবাসে থাকি, মন থাকে জন্মভূমি বাংলাদেশে। এদেশে বাড়িঘর, অনেক ব্যবসাও রয়েছে। কিন্তু, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম ব্রিটিশ কিংবা আমেরিকান নাগরিক। তারা পূর্ব পুরুষের পরিচয় ভুলে যাচ্ছে, তারা এদেশে বিনিয়োগেও অনীহা দেখাচ্ছে।
এ অবস্থায় নতুন প্রজন্মকে দেশের সংস্কৃতি, পরিবেশের সঙ্গে পরিচয় করে দেয়ার পাশাপাশি এদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করে তুলতে এনআরবি গ্লোবাল কনভেনশনের এই উদ্যোগ’।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net