শিরোনাম

Monthly Archives: নভেম্বর ২০১৭

গোলাপগঞ্জ এডুককেশন ট্রাস্ট ইউকে‘র নির্বাচন সম্পন্ন।।আলতাফ হোসেন বাইছ প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর চৌধুরী রুহুল

লন্ডনঃ গোলাপগঞ্জ এডুককেশন ট্রাষ্ট ইউকে‘র নির্বাচন সম্পন্ন আলতাফ-মোস্তাফিজ জবরুল প্যানেল বিজয়ী । গত কাল ২৬ নভেম্বর রবিবার বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গোলাপগঞ্জ এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউকে‘র নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। বিপূল সংখ্যক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এই নির্বাচনে দুটি প্র্যানেল অংশ নেয় ৮০ ভোটের ব্যাবধানে আলতাফ-মোস্তাফিজ জবরুল প্যানেল বিজয়ী হয়। পূর্ব লন্ডনের দি আট্রিয়াম ব্যানকুইটিং ভ্যানুতে অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের ২১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিবার্চিত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবী আলতাফ হোসেন বাইছ, সেক্রেটারী মোস্তাফিজুর চৌধুরী রুহুল, কোষাধ্যক্ষ জবরুল ইসলাম লনি। নির্বাচনে আলতাফ-রুহুল-জবরুল প্যানেল ভোট পেয়েছে ৫৫০ টি। অন্যদিকে পরাজিত প্যানেল আশরাফ-এনাম-সেলিম প্যানেল পেয়েছে ৪৭০ টি ভোট। উল্লেখ্য ১৯৯৮ সালে যুক্তরাজ্য বসবাসরত সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলাবাসীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে। ট্রাষ্ট্রে বর্তমানে সদস্যসংখ্যা ১২০২ এবং মূলধন আড়াই কোটির টাকার কাছাকাছি। বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যাক্তির পক্ষ থেকে গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নব নির্বাচিত কমটির সদস্যরা হলেন। প্রেসিডেন্ট : আলতাফ হোসেন ভাইসপ্রেসিডেন্ট ১ : মাইজ উদ্দিন আহমদ ভাইস চেয়ারম্যান ২ : হারুন মিয়া ভাইস প্রেসিডেন্ট ৩ : ভাইসপ্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন , ভাইস প্রেসিডেন্ট ৪ : নজরুল ইসলাম ভাইস প্রেসিডেন্ট ৫ : ফখর উদ্দিন আহমদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ৬ : মো দেলওয়ার হোসেন জেনারেল সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি : সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল বাছির, ট্রেজারার : জবরুল ইসলাম, জয়েন্ট ট্রেজারার : এনাম উদ্দিন, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি : মোহাম্মদ জামিল আহমদ প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি : মোহাম্মদ শামীম আহমদ মেম্বারশিপ সেক্রেটারি : নুনু মোহাম্মদ শেখ, বোর্ড মেম্বারা হলেন :১। নাজমুল ইসলাম নুরু ২। ফরিদা পারভীন নুরু ৩। সিদ্দিকুর রহমান৪। মনজুর আহমদ শাহনাজ ৫।মো শাহআলম কাশেম ৬।জয়নাল আবেদিন জয়নুল ৭। মো সাইফুল আলম

মিশরের সিনাইয়ে মসজিদে জঙ্গি হামলা

মিশরের গোলযোগপূর্ণ সিনাই উপদ্বীপের একটি মসজিদে বোমা হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১০৯ জন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর সিনাইয়ের আল-আরিশের পশ্চিমাঞ্চলে আল-রাওদা মসজিদে এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর: আল-আহরাম ও ডেইলি সাবাহ। সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণার কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, বিস্ফোরণের পর গাড়িতে করে আসা বন্দুকধারীরা মুসল্লিদের উপর নির্বিচার গুলিবর্ষণ করতে থাকে।এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী মসজিদে রক্তাক্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।হতাহতদের উদ্ধারে ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অবরুদ্ধ গাজা সীমান্তে রাফা ক্রসিং তিন দিনের জন্য খুলে দেয়ার একদিন আগে এই হামলার ঘটনা ঘটল। সন্ত্রাসী হামলার অজুহাতে বহির্বিশ্বের সঙ্গে গাজার এই একমাত্র ক্রসিং বন্ধ করে রেখেছে মিশর। এতে ইসরাইলি অবরোধে দুর্বিষহ জীবন যাপন করতে হচ্ছে গাজার ফিলিস্তিনিদের। মিশরের সিনাইয়ে জঙ্গিরা প্রায়শই নিরাপত্তা বাহিনী এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা চালিয়ে থাকে। এই প্রথম মসিজদে হামলার ঘটনা ঘটল।

রোহঙ্গিা সংকট মোকাবলোয় ইউরোপীয় ইউনয়িনরে ভূমকিা র্শীষক একটি সমেনিার অনুষ্ঠতি —–আনসার আহমদে উল্লাহ

গেল ১১ নভেম্মবর EU Rohingya.jpg 4ঙ্গলবার দুপুর ০১.৩০ থকেে ০৩.০০ ঘাটকিা র্পযন্ত বলেজয়িামস্থ ইউরোপয়িান র্পালমিন্টেে ইউরোপয়িান কূটনীতকিদরে সংগঠন “ইনডপিনেডন্টে ডপ্লিোমটে” এর আয়োজনে রোহঙ্গিাসংকট মোকাবলোয় ইউরোপীয় ইউনয়িনরে ভূমকিা র্শীষক একটি সমেনিার অনুষ্ঠতি হয়। র্বামার সংখ্যালঘু রোহঙ্গিাদরে উপর জাতগিত নধিন প্রতরিোধে ই ইউ কি কি ভুমকিা রখেছেে এবং এই সংকটরেস্থায়ী সমাধানে আর কি কি করণীয় রয়ছেে সসেব বষিয়ে আলোচনা হয় এই সমেনিার।ে এতে ইউরোপরে বভিন্নি দশেথকেে রাজনীতবিদি, বুদ্ধজিীবী, সমাজ র্কমী, সংবাদ র্কমী, শক্ষিবদি, ছাত্র সহ বভিন্নিশ্রণেী পশোর মানুষ উপস্থতি ছলিনে। বলেজয়িামস্থ বাংলাদশেি কমউিনটিরি পক্ষথকেে উপস্থতি ছলিনে বশিষ্টি কমউিনটিি নতো, বলেজয়িামস্থ বাংলাদশেীদরে সামাজকি সংগঠন “এসোসয়িশেন অববাংলাদশেী কমউিনটিি ইন বলেজয়িাম” এর সাবকে সভাপতি ও বলেজয়িাম আওয়ামী লীগরে র্বতমান সভাপতি সহদিুল হক, এ বি সি বি র এম এম র্মোশদে ও আওয়ামী লীগ নতো আখতারুজ্জামানএছাড়া বলেজয়িাম সোসালস্টি র্পাটি ও চরেটিি সংগঠন হ্যান্ড টু হ্যান্ড এর আ ফ ম গোলাম জলিানী। এতে বক্তব্য রাখনে ই ইউ র্পালামন্টে’ের সদস্য এনা গোমজে সহ বভিন্নি দশে থকেে নর্বিাচতি বশেকয়কে জন এম ই প,ি র্বামজি রোহঙ্গিা র্অগানজিশেন ই ইউ ক’ের থুং কনি, র্বামা হউিম্যান রাইট্স নটেওর্য়াকরে কয়্যি উইন এবং ইউরোপীয়ান রোহঙ্গিা কাউন্সলিরে আম্বয়িা পারভীন। উল্লখ্যেবাংলাদশেীদরে পক্ষ থকেে আ ফ ম জলিানী ও এম এম র্মোশদে ও এতে বক্তব্য রাখনে। তারা বলনে নজিরে অনকে সমস্যা থাকা সত্বওে মানবকি কারনে বাংলাদশে তথা বাংলাদশেরে প্রধান মন্ত্রী মাধারঅব হউিমনিটি,ি বশ্বি শান্তরি অগ্রদূত জন নত্রেী শখে হাসনিা, বশ্বিরে মধ্যে অতি অল্প সময়ে র্সববৃহৎ সংখ্যক স্বরর্নাথীর অন্ন বস্ত্র বাসস্থানরে ব্যবস্থা করছনে। কন্তিু বশ্বি সম্প্রদায়রে উচৎি যত তাড়াতাড়ি সম্ভবএ সমস্যার স্থায়ী সমাধানরে ব্যাবস্থা করা। রোহঙ্গিাদরে কাছ থকেে অন্যায়ভাবে কড়েে নয়ো নাগরকিাত্ব, তাদরে ধন সম্পদ, জায়গা জম,ি ভটিে বাড়,ি র্দীঘদনি যাবৎ অন্যায় ভাবে বঞ্চতি রাখা শক্ষিা,চকিৎিসা ইত্যাদরি অধকিার সহ যাবতীয় নাগরকি অধকিার ফরিয়িে দয়িে অতি দ্রুততার সহতি তাদরে মাতৃ ভূমতিে ফরেৎ নয়োর জন্য মায়ানমার সরকারকে বাধ্য করা। ই ইউ সহ বশ্বি সম্প্রদায়রে উচৎিমায়ানমাররে সাথে সাথে ইন্ডয়িা, চীন ও রাশয়িার উপর ও চাপ প্রয়োগ করা, কারণ তাদরে অন্যায় অস্কারার কারণইে অদ্যাবধি মায়ানমারে রোহঙ্গিা নধিন বন্ধ হয়ন।ি তারা আরো বলনে এ সমস্যার সমাধানযদি সহসা না করা হয় তবে সদেনি বশেী দূরে নইে যে “এই রোহঙ্গিা সমস্যার ক্ষতকির প্রভাব পুরু দক্ষণি এশয়িা সহ সাড়া বশ্বিইে পরতে শুরু করব।ে সমেনিারে সবাই একমত পোষণ করে বলনে যর্অেথনতৈকি চন্তিা করে কছিু দশেরে অতি লোভী র্অথনতৈকি চন্তিা থকেে এই গণহত্যার বলোয় নশ্চিুপ

আ.ফ.ম. মাহবুবুল হক ছিলেন নীতির প্রশ্নে আপোষহীন লোভ-লালসা তাঁকে স্পর্শ করতে পারিনি -স্মরণ সভায় বক্তারা

4 লন্ডনঃ একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক ছাত্রনেতা ও প্রগতিশীল রাজনীতিক আ.ফ.ম মাহবুবুল হক ছিলেন একজন সৎ খাটি দেশপ্রেমিক। নীতির প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোষহীন, লোভ-লালসা তাঁকে স্পর্শ করতে পারিনি একারণেই তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। আজীবন খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে কথা বলেছেন। নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে অটল এই রাজনীতিক ছিলেন শ্লেগানের মাষ্টার। ‘‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’’ এই শ্লোগানের জন্যে তিনি অমর হয়ে থাকবেন। জীবিত মাহবুবুল হকের চেয়ে মৃত মাহবুল হক আরো বেশী শক্তিশালী। বাম রাজনীতিক আ.ফ.ম মাহবুবুল হকের স্মরন সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন বিপ্লবের স্বার্থে তার কোন বক্তব্যে তিনি কাউকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেননি। জিয়া-এশাদ আমলে তাঁকে লোভনীয় অফার দেয়া হয়েছে, প্রস্থাব দেয়া হয়েছে মন্ত্রী করার-তিনি তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছেন।
12 নীতর প্রশ্নে আপোষহীন এই বাম রাজনীতিক চিরকাল অমর হয়ে থাকবেন। গেল ২২ নভেম্বর বিকেল ইষ্টলন্ডনের মাইক্রো বিজনেন্স সেন্টারে বৃটেনে বসবাসরত প্রগতিশীল চিন্তা চেতনায় বিশ্বাসীদের আয়োজনে শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও যুক্তরাজ্য বাসদের আহবায়ক গয়াছুর রহমান গয়াছ, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী ও সাবেক ছাত্র নেতা আব্দুল মালিক খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত শোক সভায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য জাসদের (ইনু-শিরিন) এর সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধা এডভোটেক হারুনুর রশিদ, যুক্তরাজ্য জাসদের সভাপতি শামীম আহমদ (আম্বিয়া-প্রধান), জেএসডির সভাপতি ছমির উদ্দিন, যুক্তরাজ্য জাসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ইনু-শিরিন) কবি গীতিকার এডভোকেট মুজিবুল হক মনি, যুক্তরাজ্য জাসদের সেক্রেটারী (ইনু-শিরিন) সৈয়দ আবুল মনসুর লিলু, যুক্তরাজ্য জাসদের সাবেক সেক্রেটারী আব্দুর রাজাজাক, সিপিবি নেতা শাহরিয়ার বিন আলী,যুক্তরাজ্য বাসদ নেতা সোহেল আহমদ চৌধুরী, বাসদ নেতা মোহাম্মদ শওকত, জাসদ (আম্বিয়া-প্রধান) বেডফোর্ড শাখার সেক্রেটারী সোহেল আহমদ চৌধুরী, ব্যারিষ্টার ফারা খান,জাতীয় পার্টির ইউরোপীয়ান কো-অর্ডিনেটর মুজিবুর রহমান মুজিব, প্রজন্ম একাত্তরের বাবুল হোসেন, ডাঃ গিয়াস উদ্দিন, জাসদ নেতা রেদওয়ান খান, কমিউনিটি নেতা সাদ চৌধুরী, সাবেক ছাত্র নেতা সৈয়দ আব্দুল মাবুদ, কানেক্ট বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নুরুল আমিন, কবি নজরুল ইসলাম প্রমুখ। বাম রাজনীতিক আ.ফ.ম. মাহবুবুল হক গেল ১০ নভেম্বর কানাডার অটোয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ১৯৪৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর নোয়াখালির চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৬২ সালে স্কুল জীবনে শরীফ কমিশনের শিক্ষানীতির বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ গ্রহন করে, ১৯৬৭-১৯৬৮ সালে ছাত্রলীগ সূর্যসেন হল শাখার সম্পাদক ১৯৬৮-৬৯ সালের ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটর সদস্য, ১৯৬৯-৭০ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি বিএলএফের প্রশিক্ষক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৭২ সালে ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক, ১৯৭৩-১৯৭৮ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৮-১৯৮০ সালে জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ১৯৮৩ সালে বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক নিযুক্ত হন। ১৯৬৮ সালে প্রথম কারাবরন করেন, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও একমেয়ে সহ অসংখ্য গ্রুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বাংলাদেশ মিশনের উদ্যোগে লন্ডনে কেক কেটে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

লন্ডন থেকে মতিয়ার চৌধুরীঃ সশস্ত্র বাহিনী দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক গৌরবোজ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং বীর মুক্তিসেনারা সম্মিলিত ভাবে দখলদার পাকিস্থানী হানাদারদের উপর সম্মিলিত ভাবে আক্রমন শুরু করে। চারিদিক থেকে আক্রমনে বির্যস্থ হয়ে পড়ে পাকবাহিনী। ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাক বাহিনী ভারত-বাংলা মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পনে বাধ্য হয়। আমরা অর্জন করি বিজয়। বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেয় নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের সেই বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিবছর ২১ নভেম্বর দিনটিকে জাতীয় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। জাতীয় ভাবে আয়োজন করা করা হয় জাতির শ্রেষ্ট সন্তানদের সম্বর্ধনা ও নানা অনুষ্টানের।
3প্রতিবছরের ন্যায় এবারও লন্ডন্থ বাংলাদেশ মিশন লন্ডনে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে আয়োজন করে এক ব্যতিক্রমী অনুষ্টান মালার। গতকাল ২১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচ ঘটিকায় টেমস নদীর তীরে ৪ আলবার্ট এমবেকমেন্ট লেমবাথে আয়োজন করে সম্বর্ধনা ও ডিনারপার্টির। অনুষ্টানে উপস্থিত হন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা । আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ব্রিটিশ সেনা নৌ বাহিনীর সদস্য, এমপি,লর্ডসভার সদস্য, লন্ডনে কর্মরত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কুটনীতিক, বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট জনেরা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠননের নেতৃবৃন্দ ও ৭১‘র শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা। 3
লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সেলার মিঃ আবেদিনের সঞ্চালনায় অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের ডিফেন্স এডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ.কে.এম. আমিনুল হক এএফসি,পিএসসি,সিএসই। স্বাগত বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার আমিনুল হক শ্রদ্ধাভরে স্মরন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, তিনি বলেন জাতির জনক ৭১‘র ৭ইমার্চ জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান, এর পর থেকে বাঙ্গালী জাতি যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে, তিনি আবার ২৬ মার্চ সরাসরি স্বাধীতার ঘোষনা দেন। অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল এম এ জি ওসমানীকে প্রধান করে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ, তৎকালীন পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যে সব বাঙ্গালী ছিলেন তাদের অনেকেই পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীর অবদানের কথা শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করেন, স্মররন করেন তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে। তিনি বলেন বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী একটি সুশৃঙখল বাহিনী, এই বাহিনীকে শক্তিশালী করতে কাজ করে গেছেন জাতির জনক তার পথ অনুসরণ করে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনা বাহিনীকে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্টা করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে কর্মরত বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা সুনামের সাথে কাজ করছে। অতিথিদের সাথে নিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কেক কাটেন লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেলর এ.কে.এম. আমিনুল হক এএফসি,পিএসসি,সিএসই। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাকিমিশনার নাজমুল কাওনাইন বলেন বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী দেশ পূনগঠনে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক শান্তি মিশনে কাজ করে আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা দেশের ভাবমূর্তি উজ্বল করছে। দেশের দুর্যোগ মূহুর্থে দেশবাসীর পাশে দাড়ায় সেনাবাহিনী, বর্তমানে রোহিঙ্গা শরনার্থিদের পাশে দাড়িয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। অনুষ্টানে সশস্ত্রবাহিনী দিবসে একটি ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়। সব শেষে আগত অতিথিদের সম্মানে আয়োজন করা হয় নৈশভোজের।

ব্রিটিশ মুসলিম স্কুলের আনুষ্ঠানিক শুভ যাত্রা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

বার্মিংহাম থেকে, মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী: লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্স ইউকে বার্মিংহাম এর অন্যতম প্রকল্প ব্রিটিশ কারিকুলাম ও ইসলামিক সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত বোর্ডিং মাদরাসা ‘দি ব্রিটিশ মুসলিম স্কুল’ এর আনুষ্ঠানিক শুভ যাত্রা উপলক্ষে গত ২০ নভেম্বর সোমবার দুপুরে বার্মিংহামে স্থানীয় মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।e0ea7fc7-3ca7-4b4f-9ec4-129ac3a4532f
প্রেস কনফারেন্স জানানো হয়, গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে মাদরাসাটি সফলতার সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং গত অক্টোবর মাসে ‘অফস্টেড’ (শিক্ষা বোর্ড) এর পরিদর্শনে প্রতিষ্ঠানটি ‘এড়ড়ফ’ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এছাড়া অক্টোবর মাস থেকেই ছাত্রদের বোর্ডিং চালু হয়েছে। উদ্যোক্তারা এ সফলতার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করে লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের অগণিত ফাউন্ডার মেম্বার, লাইফ মেম্বার, দাতা, শুভাকাঙ্খি ও কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ সকলের কাছে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ সফলতার জন্য এবং কমপ্লেক্সের বাকি প্রজেক্টগুলো যাতে ধারাবাহিক ভাবে সম্পন্ন করে চালু করা যায় এ জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করা করেন।
লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোঃ মিসবাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন স্যান্ডওয়েল কাউন্সিলের মেয়র ও লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের অন্যমত ফাউন্ডার মেম্বার কাউন্সিলার আহমদ উল হক এমবিই, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ফাউন্ডার মেম্বার আলহাজ নাছির আহমদ, হাজী আংগুর মিয়া, হাজী আবুল হোসেন সাত্তার মিয়া, আলহাজ হিরন মিয়া, মাওলানা রফিক আহমদ, আমিরুল ইসলাম (জামান), মোঃ খুরশিদুল হক, মোঃ আব্দুল হাই, হাজী আব্দুল কাদির, মাস্টার আব্দুল মুহিত, মাওলানা রুকনুদ্দীন আহমদ, মোঃ এমদাদ হোসাইন, মাওলানা আতিকুর রহমান, মাওলানা বদরুল হক খান, মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন, মাওলানা মোঃ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী, মোঃ সাইফুল আলম, মাওলানা গুলজার আহমদ, মাওলানা মাহবুব কামাল, মাওলানা মোঃ আব্দুল মুনিম, মোঃ সাহাব উদ্দিন, হাজী হাসন আলী হেলাল, হাফিজ আলী হোসেন বাবুল, হাজী ফারুক মিয়া, হাজী আব্দুল গফুর, সুফী ইদ্রিস আলী, হাফিজ কবির আহমদ, হাজী তেরা মিয়া, মোঃ জাহেদুল ইসলাম, ক্বারী মাহফুজুল হাসান খান মিল্লাত, মাওলানা এহসানুল হক ও মাওলানা বুরহান উদ্দিন আহমদ।
মাওলানা নুরুল আমিনের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল এস এর বার্মিংহাম প্রতিনিধি ও বাংলা কাগজের নির্বাহী পরিচালক রিয়াদ আহমদ, টিভি ওয়ান এর বার্মিংহাম প্রতিনিধি আমিরুল ইসলাম বেলাল, চ্যানেল আই বার্মিংহাম প্রতিনিধি লুকমান হোসেন কাজী, ৭১ চ্যানেলের প্রতিনিধি রাজু আহমদ প্রমুখ।
প্রেস  কনফারেন্স শেষে বিশেষ মুনাজাতে বিশ্ব মুসলিমের উন্নতি সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করা হয়।

আলহাজ দেওয়ান ফরিদ গাজী’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

FARID GAZI 3

১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সাথে সিলেটে একটি জনসভায় দেওয়ান ফরিদ গাজী

Farid Gazi 2

১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ কীন ব্রীজ মেরামত শেষে উদ্ভোধন করছেন দেওয়ান ফরিদ

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বৃহত্তর সিলেট আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনের ৪ ও ৫ নম্বর সেক্টরের বেসামরিক উপদেষ্টা এবং প্রশাসনিক চেয়ারম্যান ৫ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজী এমপি’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী গতকাল শনিবার তাঁর জন্মস্থান নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পালিত হয়েছে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। দেওয়ান ফরিদ গাজী স্মৃতি সংসদ এর উদ্যোগে গতকাল শনিবার সন্ধা রাতে ঢাকা- সিলেট মহা সড়কের দেবপাড়া বাজারেও এক মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেওয়ান ফরিদ গাজীর পুত্র আওয়ামী লীগের নেতা শাহ নেওয়াজ গাজী মিলাদ। এতে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফরিদ গাজী স্মৃতি সংসদের আহবায়ক রুহেল আহমদ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দিলারা বেগম, মেম্বার রাবেয়া বেগমসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীগণ।

 

যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির কর্মী সভা

লন্ডনঃ বৃটেনে জাতীয় পার্টির নতুন কমিটি গঠন ও কনফারেন্সকে সফল করতে যুক্তরাজ্য শাখা জাতীয় পার্টির কনভেনিং কমিটির এক জরুরী সভা গেল ১৬ নভেম্বর রাতে পেডিংটনের তাজ মহল রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির কনভেনার কাউন্সিলার শামসুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচীব সাহেদ আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় দেশব্যাপী সদস্য সংগ্রহ, ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড নিয়ে আলোকপাত করেন জাতীয় পার্টির ইউরোপীয়ান কো-অর্ডিনেটর মুজিবুর রহমান মুজিব, জয়েন্ট কনভেনার অ্যাডভোকেট এবাদ হোসেন, ইউকে কনভেনিং কমিটির সদস্য মাসুক আহমদ, জয়নাল উদ্দিন, সায়েফ রহমান, গ্রেটার লন্ডন শাখার কনভেনার আজম আলী, সদস্য সচীব শাহ শাহিদুর রাহমান ও জবলুল ইসলাম লনী প্রমুখ। সভায় বক্তারা একমত পোষন করে বলেন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃটেন থেকে যারা নির্বাচনে অংশ নেবেন তাদের বিজয় নিশ্চিত করতে বিশেষ করে সিলেট ৬ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট এবাদ হোসেন ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী শাহ শাহিদুর রাহমানের পক্ষে এখন থেকে প্রচারনা চালানো সহ দেশে বিদেশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের কাজ করার আহবান জানান।
(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)

খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখা পুনর্গঠন ।। মাওলানা সাদিকুর রাহমান সভাপতি ও মাওলানা শাহ মিজানুল হক সাধারণ সম্পাদক

লন্ডন, ১৫ নভেম্বর: খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখার মজলিসে শুরার অধিবেশন গত ১১ নভেম্বর  ইস্ট লন্ডনস্থ আল-হুদা ইসলামিক সেন্টারে  অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ এর সভাপতিত্বে ও আলহাজ্ব সদরুজজামান খানের পরিচালনায় শুরা অধিবেশনে বিগত দুই বছরের সাংগঠনিক কাজের রিপোর্ট পেশ ও পর্যালাচনা করা হয়।

মজলিসে শুরা অধিবেশনে ২০১৮-১৯ সেশনের জন্য যুক্তরাজ্য শাখা পুনর্গঠন করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খেলাফত মজলিসের যুগ্মমহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ ও সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইউরোপ খেলাফত মজলিসের তত্বাবধায়ক আলহাজ্ব এম সদরুজ্জামান খান ও ড. আব্দুশ শুকুর ।

শুরার সদস্যদের গোপন ভোটের মাধ্যমে ২০১৮-’১৯ সেশনের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা সাদিকুর রাহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মাওলানা শাহ মিজানুল হক।

এছাড়াও অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হচ্ছেন- সহ সভাপতি মুফতি তাজুল ইসলাম, কারী আব্দুল মুকিত আজাদ, মাওলানা শওকত আলী, হাফিজ কাদির, মুফতি হাফিজ হাসান নুরী চৌধুরী, মাওলানা গোলাম মোহায়মীন ফরহাদ চৌধুরী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এনামুল হাসান ছাবির, মাওলানা আব্দুল করীম, মাওলানা আ ফ ম শুয়াইব, মুহাম্মদ আব্দুল করিম উবায়েদ। বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা তায়ীদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা কামরুল হাসান খান, তারবীয়াহ সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমান তালুকদার, দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান জাকির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শেখ হাফিজ মুশতাক আহমদ, অফিস ও প্রচার সম্পাদক সৈয়দ মারুফ আহমদ, সমাজ কল্যান সম্পাদক মাওলানা আব্দুল আহাদ, সদস্য হাফিজ সৈয়দ কফিল আহমদ, মির্জা আসহাব বেগ, সৈয়দ কবির আহমদ, হাফেজ মাওলানা সাদিকুর রহমান ও প্রফেসার আহজাবুল হক প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে আমাদের জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা

লন্ডন: জাতির জনকের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনই ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষনা, এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতিকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার আদেশ প্রদান করেন। তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলেছিলেন ‘‘আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি তোমার যার যা কিছু আছে তা নিয়ে রুখে দাড়াও শত্রুর মোকাবেলা কর,‘‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তার এই ভাষনের পরই ৮তারিখ থেকে দেশব্যাপী সাধারন মানুষ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে, এটাই সত্য এবং প্রকৃত ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষটির বিভিন্ন দিক রয়েছে, এনিয়ে বিশ্বব্যাপী আরো গবেষণা হবে, অনেকই এর উপর পিএইচডি করবে। তার এই ভাষনের প্রতিটি শব্দই গবেষণার দাবী রাখে। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো।
জাতির জনকের ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখা আয়োজিত আনন্দ সভায় বক্তারা এঅভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বিশ্ব দরবারে আমাদের জাতি হিসেবে প্রতিষ্টা করেছেন, এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা । বঙ্গবন্ধুর কারনে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা এবং আমাদের জাতীয় পরিচয়। বঙ্গবন্ধু -বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা আমরা কোন দিনই বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতে পারতামনা। বুধবার (৯নভেম্বর) পূর্ব লন্ডনের মক্কাগ্রীল রেস্টুরেন্টে আয়োজিত আনন্দ সভার শুরুতে একে অন্যকে মিষ্টি মুখ করান বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরামের যুক্তরাজ্য ও লন্ডন শাখার নেতৃবৃন্দ। বঙ্গবন্ধু লেখক – সাংবাদিক ফোরাম গ্রেটার লন্ডন শাখার সভাপতি বাতিরুল হক সরদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থিত বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ, যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিব্যারিস্টার এনামুল হক। সভায় বক্তব্য রাখেন গ্রেটারলন্ডন শাখার সহসভাপতি নারীনেত্রী নাজমা হোসেন, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সায়াদ আহমদ সাদ, সোনার তরি’র যুগ্ম আহবায়ক ও কন্ঠশিল্পী রুমি হক, বঙ্গবন্ধু ইয়াং রাইটার্স ফোরামের সভাপতি সেজুতি মনসুর, বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরাম লন্ডন শাখার সহ- সভাপতি ছড়াকার সৈয়দ হিলাল সাইফ, সহ -সভাপতি লেখক নূরুন্নবী আলী, সদস্য আনহার মিয়া, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য শাহ রাসেল এবং আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে মিসবাহ মাসুম, দুলাল আহমেদ, এনামুল হক, সাইফুল আলম লিটন ও রবিউল হাসান ভূঁইয়া প্রমুখ। উল্লেখ্য, উনিশ শ’ একাত্তর (১৯৭১)সালে সাতই মার্চ ঢাকায় রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতাকামী মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব -কালজয়ী এ ভাষণটি দিয়েছিলেন। এ ভাষণের তেজ ধরেই বীর বাঙ্গলীরা স্বাধীনতার মরণপণ যুদ্ধে অস্ত্রহাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।এ ভাষণটিই বিশ্বসেরা ভাষণরূপে -এ বছর (২০১৭ সালে ) ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলো।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net