শিরোনাম

Monthly Archives: ডিসেম্বর ২০১৭

জয় বাংলা পরিষদ যুক্তরাজ্যের সমাবেশ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

লন্ডনঃ ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চকে জাতীয় .দিন ঘোষণা, ”জয় বাংলা”কে জাতীয় স্লোগান, ,৭ই মার্চের ভাষণের মঞ্চের স্থলে বঙ্গবন্ধুর তর্জনী উত্তোলিত ভাস্কর্য স্থাপনা হওয়ার দাবীতে শনিবার সন্ধ্যায় ইস্ট লন্ডনের কমার্শিয়াল রোডের ই১ সলিসিটর এর অফিসে জয় বাংলা পরিষদ যুক্তরাজ্য আয়োজন করে এক সুধী সমাবেশ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। ব্যারিস্টার ইমরান চৌধুরী জনির সভাপতিত্বে ও সাজিয়া স্নিগ্ধা এবং মনিরুল ইসলাম মঞ্জুর যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডঃ বশির আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আহাদ চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের ইমিগ্রেশন সম্পাদক এম এ করিম ,যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমেদ খান । অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ, সায়েকুর রহমান, গুলাব আলী, ব্যারিস্টার আশিকুর রহমান, মিন্টু উল্লাহ্, বেলাল ইউসুফ ইকবাল, কবি নজরুল ইসলাম, সায়িদা মশুদ ,ইঙ্গিনিয়ার সাগর ,বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি মাহমুদা মনি , ঝুমুর দত্ত, প্রমুখ। অনুষ্ঠানের প্রথমেই স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদদের স্মরণে দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর ডঃ বশির আহমেদের কর্মময় জীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ভাষণ দিয়েছিলেন তা ছিল মুক্তিকামী/ স্বাধীনতাকামী বাংলার মানুষকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডঃ বশির আহমেদ বাংলাদেশের হাই কোর্টে বাদী হয়ে যে ২টি রিট পিটিশন দায়ের করেছেন তা সময়ের দাবী এবং সমগ্র বাঙ্গালী জাতির দাবী। ”জয় বাংলা’ স্লোগানটি ‘ সমগ্র বাঙ্গালী জাতির স্লোগান। জাতিসত্তার অস্তিত্বের অংশ। যুক্তরাজ্য বাসি সকল বাংলাদেশীদের প্রাণের দাবী। আজ থেকে ডঃ বশিরের সাথে যুক্তরাজ্য থেকেও এক যোগে প্রবাসীরাও একাত্মতা ঘোষণা করছে এবং যতদিন না জয় ব্যাং স্লোগানকে জাতীয়করণ করা না এ সংগ্রাম অব্যহত থাকবে। বক্তব্য পর্ব শেষে জয় বাংলা পরিষদের যুক্তরাজ্য কমিটির নাম ঘোষণা করেন ডঃ বশির আহমেদ। অনুষ্ঠানের শেষে বঙ্গবন্ধুর গান নিয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।গান পরিবেশন করেন মোঃ আশিক এবং সালমা আখতার।

বিবিসিএ’র নির্বাচনের জন্য একক প্যানেলের মনোনয়ন জমা ।। ২৮ জানুয়ারি নতুন কমিটির নাম ঘোষণা

লন্ডনঃ আসছে বিবিসিএ’র নতুন নেতৃত্ব আগামী ২৮ জানুয়ারী ২০১৮ আনুষ্ঠানিক ভাবে বার্ষিক কনফারেন্সের (এজিএম) মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা করা হবে। গেল ২৮ডিসেম্বর বৃহস্প্রতিবার দুপুরে ইষ্ট লন্ডনের মাইক্রো বিজনেন্স সেন্টারে বিবিসিএ‘র ২০১৮-২০২০ সালের কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে আয়োজন ক2রা হয় নমিনেশন দাখিলের, বিকেল তিন ঘটিকার কিছু আগে একটি প্যানেল মনোনয়ন জমা দেয়। এতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নমিনেশন জমা দেন কাউন্সিলার শামসুল ইসলাম সেলিম ও সেক্রেটারী জেনারেল হিসেবে নমিনেশন জমা দেন সাবেক কাউন্সিলার সেলিম চৌধুরী এবং চীফ ট্রেজারার পদে মনোনয়ন দাখিল করেন তফজ্জুল মিয়া। এছাড়া অন্যান্য পদে যারা মনোনয়েন জমা দিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস, আসিফ ঈকবাল, তারাউল ইসলাম, আনোয়ার আলী, মোহাম্মদ সহিদুর রহমান, কাউন্সিলার আতিকুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুহিবুল হক চৌধুরী, মোঃ রুহুল হোসাইন, সৈয়দ ফকরুল আলম,অর্গেনাইজিং সেক্রেটারী রিয়াজ আলী, পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারী ইনামুল হক কিরন, জয়েন্ট অর্গেনাইজিং সেক্রেটারী রসিদ আহমদ, মেম্বারশীফ সেক্রেটারী মতিন মিয়া, প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারী আতাউর রহমান, সসিয়্যাল এন্ড ক্যালচারাল সেক্রেটারী মোস্তাকিন মিয়া, জয়েন্ট সেক্রেটারী এনামুল খান সেলিম, ও মোহাম্মদ কদরুল ইসলাম,জয়েন্ট ট্রেজারার ফজর আলী, ন্যাশনাল এ3স্কিকিউটিভ মেম্বার ইয়াফর আলী, এ আর খান, আকলাছুর রহমান, শাহানুর খান, এনএইচ নূর আলী, জাহাঙ্গির খান, আব্দুল হাই, আব্দুল মোমেন, কামাল মিয়া, মিরন মিয়া, জামাল মিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান মনজুর আলী আফজাল, আব্দুল মোমিন, কামাল জাহাঙ্গির মিয়া, ও এলাইছ মিয়া মতিন। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক শাহগীর বখত ফারুক, ব্যারিষ্টার নজির আহমদ ও একাউটেন্ট শাহাব উদ্দিন তাদের সহযোগীতা করেন প্রেসিডেন্ট ইয়াফর আলী ও সেক্রেটারী শাহানুর খান।
প্রেসিডেন্ট ইয়াফর আলীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী শাহানুর খানের পরিচালায় বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশান অধ্যাপক শাহগীর বখত ফারুক, ব্যারিস্টার নজির আহমদ, কাউনিসলার শামসুল ইসলাম সেলিম, সাবেক কাউন্সিলার সেলিম চৌধুরী, তফজ্জুল মিয়া, কামাল জাহাঙ্গির মিয়া প্রমুখ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক শাহগীর বখত ফারুক বলেন প্রতিদ্বন্দি কোন প্যানেল না থাকায় যারা মনোনয়ন দাখিল করেছেন তারাই বিজয়ী, যেহেতু আগামী ২৮ জানুয়ারী ২০১৮ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে সুতরাং ওই তারিখেই এই প্যানেলকে বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় আনুষ্টানিক ভাবে বিজয়ী ঘোষনা করা হবে। প্রেসিডেন্ট ইয়াফর আলী ও সেক্রটারী শাহানুর খান নতুন কমিটিকে সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করে বলেন আমারা শুরু করেছিলাম এগিয়ে নেবার দায়িত্ব নতুন কমিটির। নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক শাহগীর বখত ফারুক আরো বলেন শামসুল ইসলাম সেলিম এবং সেলিম চৌধুরী বৃটেনের বাঙ্গালী কমিউনিটিতে সুপরিচিত, রয়েছে তাদের দক্ষতা আমার বিশ্বাস তারা সংগঠনিটিকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন।

এ কে এম আব্দুল্লাহ’র দুটি কবিতা

AKM Abdullah (2)
বিস্ময়বৃক্ষ

…একদিন বসন্ত এলে পাহাড়ের বুকে –

আমরা মিলিত হলাম পর্বতচূড়ায়।
আকাশের পবিত্র জ্যোৎস্না মেখে
চারপাশে শুরু হলো ফুলের নাঙা উৎসব।ছুটে যাওয়া
নক্ষত্রবৃন্তের-কষ ; দেহে ল্যেপটে আমরা ঘুমিয়ে গেলে,
রমণীদের হাতে হাতে অঙ্কিত হলো গাঢ় মেহেদীর আলপনা।
বুকের ঘন সৌরভে কুয়াশার মতো ঢেকে গেলো পুরো পৃথিবী।

আর আমাদের মিলনে জন্ম নিল সূর্য এবং সাগর।

সময়ের হাত ধরে নাড়িকাটা উৎসবে একদিন বিচ্ছিন্ন

হলো রাত আর দিন।আর চোখের ক্লান্তি ভোরের ডানায়
উড়ে গেলে,দেখি: নূহের মহাপ্লাবনের শেষপৃষ্ঠার মতো
চারদিকে পড়ে আছে ; ছিন্ন-ভিন্ন বিছানা, চুড়ির

টুকরো,ভাঙা আবেগপাত্র…

পাশ ফিরে তাকাই। দেখি – তুমি সেজদারত ;

ঈশ্বরের খোঁজে।

 

গৃহযাত্রা

জান্নাত থেকে নেমে এলো যে মাটির পুতুল
সে ভুলে গেলো ফিরে যাবার পথ
এখন,কোস্টায় বসে জীবনপেয়ালায়
পান করে হটচকলেটের বুদবুদ।
বহুযুগ কেটে গেলো ঘুমে
যে ঘুমের ভিতর ভাঙলো পর্বত, নূহার তান্নুর
ফেটে গেলো আকাশের বিশাল দুয়ার
সে এখন ভাসমান খড়ের মতো –
ঘুরপাক খায় কুইয়ারা জলকুণ্ডলীর ভিতর।

ক্ষত-বিক্ষত অদৃশ্য ভাবনা
ফ্রেমের মতো ঝুলে আছে দেয়ালে,দ্বিধান্বিত।
নি:স্বজীবন সীমান্তে-এখন চেয়ে থাকে মুখপানে
মায়ার পাঁজর ছিঁড়ে অবশেষে পরাজিত সৈনিক।

বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মতো ঈসা নবীর জন্মস্থান বেথেলহেমেও উদযাপিত হচ্ছে বড়দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মতো ঈসা নবীর জন্মস্থান বেথেলহেমেও উদযাপিত হচ্ছে বড়দিন। তবে ট্রাম্পের জেরুজালেম ঘোষণার ছাপ পড়েছে সেই আয়োজনে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৃষ্টিজনিত বৈরি আবহাওয়া। তা সত্ত্বেও ঈসার জন্মস্থান জেরুজালেমের শহরতলী বেথেলহেমে ড্রাম বাজিয়ে বড়দিন উদযাপন করছেন ফিলিস্তিনিরা। সেখানকার ম্যানজার স্কয়ারের ওই অনুষ্ঠান দেখতে জড়ো হয় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। চার্চ অব দ্য ন্যাটিভিটির অভিমুখে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্যারেড। উৎসবে যোগ দিয়েছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।
৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে তুমুল নিন্দা ও প্রতিবাদ জারি রয়েছে। ইসরায়েলের দখলকৃত জেরুজালেমেই ঈসানবীকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। যে পথ দিয়ে ঈসানবীকে হাঁটিয়ে নেওয়া হয়েছিল সেই পথটি এখনও বিদ্যমান। এই পথেই যাওয়া যায় ঈসার ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার স্থান ও সমাধিতে। এছাড়া তার জন্মও বেথেলহেমে। ১ হাজার ৭০০ বছর আগে বাইজেন্টাইন সম্রাজ্ঞী হেলেনা নির্মাণ করেন পবিত্র সমাধির গির্জা (দ্য চার্চ অব দ্য হলি সেপালচার)। এদিকে ইহুদিদের পশ্চিম দেওয়াল বা কটেলের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে একটি বড় পাথর এখনও দৃশ্যমান আছে। তাদের কাছেও এটি পবিত্র স্থান। সে কারণে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয় খ্রিস্টান-মুসলিমসহ ইহুদিরাও। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিমতীর, পূর্ব জেরুজালেম আর গাজা উপত্যকায়। রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি।
ট্রাম্পের ঘোষণার পর সহিংসতায় ফিলিস্তিনের ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শত শত ফিলিস্তিনি। এই বাস্তবতায় বড়দিনে সেই প্রতিরোধ রুপ নেয় সম্প্রীতিতে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম নিউজ টোয়েন্টিফেরের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চার্চ অব দ্য ন্যাটিভিটিতে উৎসব হয়েছে। ট্রাম্পের ঘোষণায় সৃষ্ট উত্তেজনার মাঝেই ক্রিসমাস ট্রি দেখতে জড়ো হয় ফিলিস্তিনিরা।

বড়দিনের উৎসবে উপস্থিত ছিলেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসও। প্রতিবছরের বড়দিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন অনেক মানুষ। সবাই পরষ্পরের সাথে ছবি তুলতে থাকেন। তবে অন্যান্য বছরগুলোতে এখানে অনেক পর্যটক আসলেও এবার সহিংসতার কারণে তেমন দৃশ্য চোখে পড়েছে কমই। এছাড়া আবহাওয়াও বিরুপ। বৃষ্টি ও ঠান্ডায় উৎসব কিছুটা ম্লান। লন্ডন থেকে আসা এক পর্যটক বলেন, ‘বেথেলমের বাসিন্দাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে উৎসব করাটা জরুরি। আমি অনেককই চিনি যারা এই সহিংসতার কারণে আসতে চাননি। কিন্তু আমার মনে হয়েছে আমার আসা উচিত।’
ফরাসি পর্যটক ক্লেয়ার দেগো বলেন, তিনি ট্রাম্পের স্বীকৃতি মানেন না। কারণ এটা সহিংসতা তৈরি করেছে। তিনি বলেন, ‘একজন ব্যক্তির সিদ্ধান্তে পবিত্র স্থানে প্রভাব ফেলতে পারে না। জেরুজালেম সবার। ট্রাম্প যাই বলুক না কেন কিছু যায় আসে না।’
পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিমতীরে প্রায় ৫০ হাজার খ্রিষ্টানের বসবাস। বেথেলহেমের নিকটবর্তী শহর বেই সাহুরে বসবাসকারী খ্রিষ্টান নারী নাহিল বানুরা বলেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে এ বছরের বড়দিন ‘দুর্বিষহ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘মানুষ শুধু বাইরে যাওয়ার জন্যই যাচ্ছে।’ মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রবিবার কোনও সহিংসতা ছিলো না। উৎসবে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করেছে ফিলিস্তিনিরা। সহিংস প্রতিরোধ না হলেও বড়দিনের র্যালিতেও ট্রাম্পবিরোধী ব্যানার দেখা গেছে। জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানীর স্বীকৃতি দেওয়ার নীরব প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা।

বিকালের দিকে উৎসব শুরু হলেও রাতের দিকে তা কমতে থাকে। বৃষ্টি ও ঠান্ডায় বাড়ি বা গির্জায় আশ্রয় নিতে থাকেন অনেকে। বেথেলহেমের মেয়র অ্যান্তন সালমান বলেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ থাকায় উৎসবে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বড়দিনের উৎসব এবার সীমিত রাখতে চেয়েছি। যারা সাম্প্রতিক সহিংসতায় যারা প্রাণ হারিয়েছে তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাই আমরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বোঝাতে চাই যে আমরা বাঁচতে চাই, স্বাধীনতা চাই, জেরুজালেমকে আমাদের রাজধানী চাই।’
জেরুজালেমের সর্বোচ্চ ক্যাথলিক ধর্মগুরু আর্চবিশপ পিয়েরবাতিস্তা পিজাবেলা ইসরায়েলি সামরিক চেকপয়েন্ট দিয়ে বেথেলহেমে প্রবেশ
করেছেন। গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করলেও এবার কোনও রাজনৈতিক মন্তব্য করতে চাননি তিনি। তিনি বলেন, ‘এখন আনন্দের সময়। শত বাধা অতিক্রম করে আমরা উৎসব করবো।’ জেরুজালেমের শান্তি কামনা করে তিনি সব রাজনীতিবিদদের সবাইকে সম্মান জানানোর আহ্বান জানান।

আশা ছাড়েননি মলি একিদন হয়ত মায়ের দেখা মিলবে-সেই ভাবনায় চলছে তার ঠিকানাহীন অভিযাত্রা

তিন দশকের বেশি সময় ধরে হাসপাতালের নথিপত্র আর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ঘেটে বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধের অনেক তথ্য পেলেও মায়ের হদিস পাননি কানাডা প্রবাসী একাত্তরের যুদ্ধশিশু মলি।

তবে আশা ছাড়েননি, একিদন হয়ত মায়ের দেখা মিলবে-সেই ভাবনায় চলছে তার ঠিকানাহীন অভিযাত্রা।

প্রথমবারের মতো নিজের মাতৃভূমিতে এসে মলি জানিয়ে গেলেন জন্মদাত্রীর জন্য তার অন্তরের আকুতি। বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও বললেন তিনি।

গতকাল রোববার বিকালে রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে একাত্তরের যুদ্ধশিশু শামা জমিলা মলি হার্ট নিয়ে এসেছিলেন তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে সাভানা বোনেলকে।

তাদের সঙ্গে আসেন কানাডাপ্রবাসী মুক্তিযুদ্ধ গবেষক মোস্তফা চৌধুরী, একাত্তরের শহীদ বুদ্ধিজীবী আলিম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরী শম্পা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারোয়ার আলী, এসেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফামের কর্মকর্তা জুলিয়ান ফ্রান্সিস।

মোস্তফা চৌধুরী জানান, একাত্তরের যুদ্ধ শিশুদের নিয়ে কাজ করতে আসা জেনেভাভিত্তিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যাল সার্ভিসের মাধ্যমে মলিকে দত্তক নেন কানাডার মন্ট্রিয়লের বাসিন্দা জোয়েল হার্ট ও ট্রুডি হার্ট দম্পতি। কলেজ শিক্ষক জোয়েল হার্টের আরও আটটি সন্তানের সঙ্গে মলিও বেড়ে উঠেন অপত্য স্নেহে। পরে তার নাম বদলে হয় শামা মলি হার্ট।

তিনি বলেন, “একাত্তরে মলিদের মতো শিশুদের বলা হত অনাকাঙ্ক্ষিত, শত্রুসন্তান, জারজ সন্তান, অপ্রার্থিত সন্তান। তখন সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যাল সার্ভিসকে এ বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের অনুরোধ জানান। তিন মাস জরিপের পর সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় যুদ্ধ শিশুদের ভিন্ন দেশে দত্তক দেওয়ার পরামর্শ দেয় সংস্থাটি। তখন এগিয়ে আসেন হার্ট দম্পতি। তারা মলিকে দত্তক নেন।”

যুদ্ধ শিশুদের নিয়ে গবেষণার এক পর্যায়ে শামা মলি হার্টের সঙ্গে পরিচয় হয় মোস্তফা চৌধুরীর, তাও প্রায় ২০ বছর আগের কথা। নিজের দেশকে চিনতে আর গর্ভধারিণী মাকে খুঁজে পেতে মলি তখন হন্যে হয়ে উঠেন।

দেশের মাটি ছুঁয়ে দেখার জন্য মলির অনুরোধ রক্ষায় এবার দেশে ফেরার পথে তাকে সঙ্গী করেন বলে জানান গবেষক মোস্তফা চৌধুরী।

মলি বলেন, দুই দিন আগে এসে মাতৃভূমি ও এদেশের মানুষকে তিনি যত দেখছেন, ততই মুগ্ধ হচ্ছেন।

“অন্যরকম এই মানুষগুলো সত্যি ভীষণ ভালো, দেশটা সত্যি চমৎকার, এ দেশটা আমার,” বলতে বলতে কণ্ঠ আসে তার।

পরে মলি শোনান তার বেড়ে উঠার গল্প।

“আমি তরুণ বয়সেই জেনে গিয়েছিলাম মায়ের কথা। শুনেছি একাত্তর সম্পর্কে, জেনেছি আমার জন্ম হয়েছিল কীভাবে। বাবা, মা আমাকে দত্তক নিলেন কীভাবে, এসবও জেনেছি। সত্যি বলি, আমার পরিবার কখনও আমাকে এতটুকু অবহেলা করেনি। আমি জানি না কে আমার মা, কোথায় আমার মা। কিন্তু আমার মা তার আদর থেকে এতটুকু বঞ্চিত করেননি। পুরো পরিবারের স্নেহে আমি বেড়ে উঠেছি।”

কলেজ শিক্ষক বাবা জোয়েল হার্টকে হারিয়েছেন অনেক দিন আগে। বেড়ে উঠার প্রতি ধাপে বাবার অবদানের কথা কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করেন তিনি।

স্কুলশিক্ষক মলি বলেন তার জন্মদাত্রীকে খোঁজার বৃত্তান্ত: “আমি ইতিহাসের বিভিন্ন নথি, হাসপাতালের কাগজপত্র ঘেঁটে দেখেছি-কোথাও যদি আমার নামটি থাকে! একাত্তরে যারা যুদ্ধশিশুদের দত্তক প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম। নিজের নাম কোনো নথিতে পেলাম না। নিজের নামটি খুঁজে পেলে যে আমি আমার মাকেও খুঁজে পেতাম! তবে আশা ছাড়িনি, একদিন হয়ত ঠিক খুঁজে পাব আমার মাকে।”

বাংলাদেশে আবার আসবেন জানিয়ে তিনি বলেন, “এবার হয়ত খুব বেশি দিন থাকা হবে না আমার। তবে আবার আসব, আমি বারবার আসব আমার বাংলাদেশে। আমি মন থেকেই জানি, এটা আমার দেশ। এ দেশেই আমার জন্ম।”

আজ সোমবার মলির সফরসূচিতে রয়েছে অনাথ শিশুদের সঙ্গে প্রহর। অনাথ শিশুদের কোনো একটি আশ্রমে গিয়ে মলি পৌঁছে দেবেন তার ভালোবাসার উপহারসামগ্রী।

এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিল ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এক পর্যায়ে মলি বলেন, তিনি তার স্কুলের শিশুদের বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস নিয়ে বলেছেন। মুক্তিযুদ্ধের অনেক ‘অজানা’ ইতিহাস তিনি তুলে ধরতে চান আগামী প্রজন্মের সামনে।

তিনি বলেন, “আমি যুদ্ধের অনেক ইতিহাস জানি না, এখনও অনেক তথ্য আমাকে যোগাড় করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরও বৃহৎ ক্যানভাসে কাজ করতে হবে আমাদের। গণহত্যার প্রভাব, বিস্তার সম্পর্কে আরো অনেক তথ্য নিয়ে আমাদের বিশ্ববাসীকে জানাতে হবে, তাদের সচেতন করতে হবে।”

এই ইস্যুতে বক্তব্য দিতে আসা নুজহাত চৌধুরী শম্পা গণধর্ষণকে ‘গণহত্যার শামিল’ বলেন। একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম গঠন করে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে সবাইকে একযোগে কাজ শুরু করার আহ্বান জানান তিনি।

শামা মলি হার্টকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান ডা. সারোয়ার আলী।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন দাখিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে ৯০৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদন আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিভাগে দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল হক টুটুল। এর আগে গত সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রিভিউ শুনানিতে আন্তর্জাতিক আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি চেয়ে বার কাউন্সিলে আবেদন করা হয়।বার কাউন্সিলে এ আবেদন করেন হাইকোর্টে ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটকারী নয় আইনজীবীর একজন একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ আবেদন করা হয়। আবেদনে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রিভিউ শুনানিতে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ অ্যাডভোকেট আগারওয়াল আমবুজ, অ্যাডভোকেট আগারওয়াল অনামিকা গুপ্তা ও অ্যাডভোকেট অধিমোলাম ভেংকটারমনকে নিযোগের অনুমতি চাওয়া হয়। আবেদন পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রার্থনা করা হয়েছে।
একলাছ উদ্দিন বলেন, যতটুকু জেনেছি রাষ্ট্রপক্ষ স্বল্প সময়ে এ মামলার রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করবেন। মামলাটি জনগুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তিনজন আন্তর্জাতিক মানের সংবিধান বিশেষজ্ঞ আইনজীবীর জন্য আবেদন করেছি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। তারা আমাকে এ মামলার বিষয়ে সহযোগিতা করবেন।
গত ০১ আগস্ট সকালে ৭৯৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়। গত ০৩ জুলাই ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখে সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত রায়টি দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলও খারিজ করে দেন সর্বোচ্চ আদালত।

ফলে মহাজোট সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে আনা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হয়ে যায়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়।

নিজ এলাকা তথা বৃহত্তর সিলেটের উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য আর সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই কাজ করে যাচ্ছি —–খাইগতরে সম্বর্ধনা সভায় আয়োরুজ্জানান চৌধুরী

বিশেষ প্রতিনিধিঃ নিজ এলাকা তথা বৃহত্তর সিলেটের উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য আর সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই কাজ করে যাচ্ছি, আমি সব সময় আপনাদের পাশে ছিলাম আছি এবং থাকব এমন্তব্য যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্মসম্পাদক ও সিলেট-২ বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ- ওসমানীনগর আসনের আওয়ামীলীগের সম্ভ্যাব্য প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর। গেল ১৯ডিসেম্বর বিকেলে সর্বস্থরের দয়ামীর ইউনিয়নবাসী আয়োজিত সম্বর্ধনা সভায় তিনি এমন্তব্য করেন। তিনি বলেন দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে আর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামীলীগের কোন বিকল্প নেই।
32 দয়ামীর ইউনিয়নের খাইগতর গ্রামে যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্মসম্পাদক জামাল আহমদ খানের পৈতৃক বাড়ীতে আয়োজিত সম্বর্ধনা সভায় ৭নং দয়ামীর ইউনিয়ন আওয়ামীল সভাপতি মোঃ ইয়াবর খানের সভাপতিত্বে ও মোস্তাকুর রহমান বাবলু এবং কামরান আহমদের যৌথ পরিচালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওত করেন আনোয়ার আলী, সভায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মফুর, মতছিন আলী চেয়ারম্যান, সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমেদ, আবাদাল মিয়া দিলাল আহমদ, সাইফুল ইসলাম পাভেল, মোস্তাকুর রহমান বাবলু, কামরান আহমেদ, সালেহ আহমদ সালিক, ইমরুল হক, জিয়াউল হক পান্না, সেবুল আহমদ, ইউপি সদস্য আফরোজুল হক, আবরার মোস্তফা খান, সফিকুল হক নিয়াজ, জোবায়ের আহমদ শাহিন, মোঃ খসরু মিয়া প্রমুখ।

রংপুর সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মোস্তফা বিপুল ভোটে বিজয়ী

রংপুর: রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়েছে। বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় পার্টির (এ) মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা (লাঙ্গল)কে। মোস্তফা ১ লাখ ৬০ হাজার ৪শ ৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু (নৌকা) পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪’শ ভোট।
আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে রিটার্নিং ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি মহানগর সহ-সভাপতি কাওসার জামান বাবলা (ধানের শীষ) ৩৫ হাজার ১’শ ৩৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু (হাত পাখা) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬ ভোট। মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯’শ ৯৪ জনের মধ্যে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৭’শ ২৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ভোটারের মধ্যে ৭৪.৩০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
বিজয়ী প্রার্থী মোস্তফার প্রতিক্রিয়া:
রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সম্ভাব্য বিজয়ী জাতীয় পার্টির (এ) মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ফলাফলে এগিয়ে থাকার খবর পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, রংপুরকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করবো। রংপুরের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিগত মেয়রের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করবো।তিনি বলেন, রংপুরকে একটি আধুনিক, বসবাসযোগ্য, পরিবেশ বান্ধব নগরী গড়ার জন্য কাজ করে যাবো। সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে নিয়ে নগর উন্নয়ন কমিটি গঠন করে তাদের পরামর্শে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন তরান্বিত করবো। এছাড়া সরকার বিদেশী সাহায্য সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরী করে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের দাবি-দাওয়া পূরণে সচেষ্ট থাকবো। সিটি কর্পোরেশনকে দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করবো না।
রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু (নৌকা), বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী রংপুর মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি কাওসার জামান বাবলা (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির (এ) মেয়র প্রার্থী রংপুর মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা (লাঙ্গল), জাপা (এ) চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের ভাতিজা বহিস্কৃত কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এইচএম আসিফ শাহরিয়ার (হাতি), বাসদের মেয়র প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস (মই), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু (হাত পাখা) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মেয়র প্রার্থী সেলিম আখতার (আম) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২’শ ১১ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন প্রার্থী বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।প্রসঙ্গত, রংপুর পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার পর দ্বিতীয় ভোট হলো এবার। ২০১২ সালের ২৮ জুন রংপুর পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হয়। ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রথম নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে হলেও এবার মেয়র পদে ভোট হয়েছে দলীয় প্রতীকে।
গত নির্বাচনে সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টুর কাছে পরাজিত মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এবার জাতীয় পার্টির (এ) হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা প্রথম নির্বাচনে চতুর্থ অবস্থানে ছিলেন।গতকাল ২১ ডিসেম্বর রংপুর সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে মোট ১’শ ৯৩টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ১’শ ৭৭টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯’শ ৯৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬’শ ৫৯ এবং নারী ১ লাখ ৯১ হাজার ৭’শ ৬২ জন। এর মধ্যে তরুণ এবং নতুন ভোটার রয়েছে ৩৬ হাজার ২’শ ৮২ জন। ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

Motion to stop targeting of minorities prior to general election in Bangladesh Ansar Ahmed Ullah

Jim Fitzpatrick MPJim Fitzpatrick MP for Poplar & Limehouse constituent of Tower Hamlets where majority Bangladeshi resides submitted an Early Day Motion (EDM) titled ‘Political Intimidation in Bangladesh’ on Wednesday 20 December for a debate in the UK House of Commons. EDMs allow MPs to draw attention to a cause. In this case the MP who is known to be a friend of the Bengali community and Bangladesh wants to draw attention to situation of minorities of Bangladesh which remains unsatisfactory. He has been informed by Bangladeshi minority groups that their communities continue to face systemic harassment, threats to their well-being, livelihood and property. As the election is less than a year away, the minorities face even greater threat of political violence. Past experiences suggest that the political leadership dominated by the majority community have used threat of physical violence to manipulate minority votes.

The motion submitted read, ‘That this House is deeply concerned that despite the best efforts of the Bangladesh Government minorities continue to face systemic harassment and threats to their well-being, livelihood, property and are denied freedom of religious worship in Bangladesh, the experience previous elections shows that there were attempts to use the threat of physical violence to manipulate minority vote; this House calls upon the Government and political parties in Bangladesh to put a consolidate effort to ensure the unacceptable and cynical targeting of minorities for political gains, does not recur,

ইংল্যান্ডে ক্রিসমাসের দিনে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী ২ পাকিস্তানীসহ আটক ৪

ইংল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী সন্দেহে চার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ব্রিটিশ পুলিশ। গ্রেটবৃটেন সময় মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোরে ইংল্যান্ডের মিডল্যান্ড এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে তাদের আটক করা হয়।আটককৃতদের মধ্যে তিন জনের বয়স ২২, ৩৬ ও ৪১। তাদেরকে শেফিল্ড এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার হয় বলে সন্ত্রাস দমন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। চতুর্থ ব্যক্তির বয়স ৩১ বছর। তাকে গ্রেফতার করা হয় চেস্টারফিল্ড এলাকা থেকে। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেয় নর্থ ইস্ট কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।
ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ার পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে। নর্থ ইস্ট কাউন্টার টেরোরিজম পুলিশের একটি চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযানটির পরিকল্পনা করা হয়।মুখপাত্র আরও বলেন, আমরা বুঝতে পারছি অভিযানের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে। আমরা স্থানীয়দের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। বাসিন্দাদের সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবাদ আইন-২০০০ অনুসারে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির জন্য ওই চার ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের একটি পুলিশ স্টেশনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাদের সম্পত্তি অনুসন্ধান চলছে। অভিযানের সময় শেফিল্ডের মিরসব্রুক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে নর্থ ইস্ট কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এক বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয়রা হয়ত অভিযানে কারও বাড়িতে প্রবেশের সময় বড় ধরনের শব্দ শুনতে পেয়েছেন। কিন্তু এটা কোনও বিস্ফোরণ ছিল না। কর্মকর্তারা নিশ্চিত করে জানাতে চান যে, এটা ছিল কারও বাড়িতে প্রবেশের একটি কৌশল। আটককৃতদের পরিচয় পুলিশ প্রকাশ না করলেও নাম প্রকাশে অনিচচুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান এদের দু‘জন পাকিস্তানী বংশদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক।

Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net