শিরোনাম
বাংলাদেশের কোথাও মানুষ আর না খেয়ে মারা যাবে না : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের কোথাও মানুষ আর না খেয়ে মারা যাবে না : প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের কোথাও মানুষ আর না খেয়ে মারা যাবে না, দারিদ্র্য ও ক্ষুধায় কেউ কষ্ট পাবে না। বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্যমুক্ত দেশ। বুধবার কুড়িগ্রামের চিলমারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নূরুজ্জামান আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক জাফর আলী, চিলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী সরকারসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ রোগে ভুগে মারা যাবে না। কোথাও না খেয়ে মারা যাবে না। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হবে। বিশ্বে সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের জন্য, নিজেদের জন্য নয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসে জনগণকে দিতে। আর অন্যরা ক্ষমতায় আসে নিতে, নিজেদের আখের গোছাতে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় এসে ছিটমহল সমস্যার সমাধান করেছি। এখন ছিটমহলবাসীর ঘর আছে কি না, খাদ্য, পোশাক আছে কি না তার খোঁজ নিয়ে তাদের উন্নত জীবন ধারণের ব্যবস্থা নিচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘ছিটমহলবাসীর চলাচলের রাস্তা, ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার সুযোগ করে দিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগে নীলফামারী ও চিলমারীতে দুর্ভিক্ষ ছিল। আমরা এসে তা দূর করেছি। এখন এই এলাকায় মঙ্গা বলে কোনো কথা শোনা যায় না, সে বদনাম আমরা ঘুচিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে লড়াই করে বিশাল সমুদ্রসীমা জয় করেছে। আজ বাংলাদেশ বিশ্বে আধুনিক ও মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।’ বিএনপির সমালোচনা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘এ দলটি ক্ষমতার বাইরে গেলে ভারতবিরোধী আর ক্ষমতায় থাকলে ভারতপন্থী। ক্ষমতায় থাকতে দলটির নেত্রী (খালেদা জিয়া) ভারতে গিয়ে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের কথা ভুলে গিয়েছিলেন।’ বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণকে কী দিয়েছে- এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘তারা ক্ষমতায় আসে নিতে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে কিছু দিতে।’
পরে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ‘খাদ্য বান্ধব কর্মসুচি’র কার্ডধারী ১৫ জন হতদরিদ্রের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করেন। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবার ১০ টাকা কেজিতে মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবে। এরআগে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে সকাল পৌনে ১১টায় চিলমারীতে পৌঁছান। তার এ আগমন ঘিরে কুড়িগ্রামে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। স্থানীয়রা নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
Scroll To Top

Design & Developed BY www.helalhostbd.net